Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

আজ শুরু হবে সংসদের উভয় কক্ষের বিলম্বিত বাদল অধিবেশন। এই অধিবেশনটা কেবলমাত্র সশরীরে উপস্থিতির মাধ্যমেই হবে। যেসব সদস্য সশরীরে উপস্থিত হতে পারছেন না তাঁদের জন্য ভার্চুয়াল উপস্থিতির অনুমতি দেওয়া হোক। আমার এই পরামর্শ রাজ্যসভার চেয়ারম্যান দিন কয়েক আগে খারিজ করে দিয়েছেন। 
সদস্যদের উপস্থিতি যদি সন্তোষজনকও হয়, আবহটা কিন্তু স্বাভাবিক হবে না। আমার মনে হয়, কক্ষ দু’টি সংসদীয় গণতন্ত্রের এমন একটি রূপের প্রতিফলন ঘটাবে যেখানে তার মেজাজটা অনুপস্থিত এবং আত্মাটা বেপাত্তা হয়ে গিয়েছে। 
এক জাতি, সবকিছু এক
সংসদের দুই কক্ষের মূল কার্যসূচিতে থাকবে বকেয়া বিলগুলি এবং সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তীকালে ঘোষিত এগারোটি অর্ডিন্যান্স। অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে। মহামারী ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছে। রয়েছে চীনের হুমকি। জাতি আজ এমনসব সঙ্কটের মুখোমুখি। কিছুতেই বোধগম্য হচ্ছে না যে এমন এক কঠিন মুহূর্তেও সরকার কেন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক পাল্টে দেওয়ার জন্য ছলনাপূর্ণ প্রচেষ্টা করছে। প্রধানমন্ত্রীর ‘পেট থিয়োরি’ বা পছন্দের বিষয় হল—‘ওয়ান নেশন, ওয়ান এভরিথিং’—অর্থাৎ ‘এক জাতি, সবকিছুই এক’! এই অর্ডিন্যান্সগুলিও তাঁর পেট থিয়োরিরই অংশ। রাজ্যগুলি এবং কেন্দ্রের মধ্যে একটি সাংবিধানিক মৈত্রীর সম্পর্ক রয়েছে যে ভারত হবে রাজ্যগুলির একটি ‘ইউনিয়ন’ এবং ‘লেজিসলেটিভ’ ও ‘এগজিকিউটিভ’ ক্ষমতার অংশীদারিত্ব হবে ফেডারালিজমের মূল নীতি। প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের এই তত্ত্ব ভারত নামক ইউনিয়ন এবং ফেডারালিজমের মূলে কুঠারাঘাত করছে। 
বিগত বছরগুলিতে রাজ্যগুলি অনেক অনেক ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। সব দলই ভারত শাসন করেছে। অতএব, এই ব্যাপারে সব দলকেই দায়ী করতে হবে। রাজ্যগুলির ক্ষমতা অন্যায়ভাবে দখলের ব্যাপারটিকে নরেন্দ্র মোদি বস্তুত অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন। আর এই আঘাত বহাল রয়েছে কেন্দ্রের প্রশাসনিক এবং সংসদীয় তৎপরতার মাধ্যমে। নতুন কয়েকটি অর্ডিন্যান্সের দিকে তাকানো যাক।
ব্যাঙ্কিং (নিয়ন্ত্রণ) আইন
আজ ব্যাঙ্কগুলি, কিছু নন-ব্যাঙ্কিং ফিনান্স কোম্পানি (এনবিএফসি) এবং আর্থিক ক্ষেত্রে মধ্যবর্তী অন্য সমস্ত প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলিকে (ফিনান্সিয়াল ইন্টারমিডিয়ারি) এই ব্যাঙ্কিং (নিয়ন্ত্রণ) আইনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এই ব্যাপারে নিয়ন্ত্রক হল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। আরবিআই ইতিমধ্যেই দায়িত্বের চাপে কাহিল হয়ে রয়েছে। নিয়ন্ত্রক হিসেবে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের রেকর্ডটা পাঁচ মিশেলি: এহেন নজরদারির ভিতর দিয়েই কিন্তু যাবতীয় বড় আর্থিক কেলেঙ্কারিগুলি ঘটে গিয়েছে। সমবায় ব্যাঙ্কই হল একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ফিনান্সিয়াল ইন্টারমিডিয়ারি যেটি রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে রয়েছে। অধিকাংশ রাজ্যে রয়েছে জেলা কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাঙ্ক (ডিসিসিবি) এবং শহরাঞ্চল সমবায় ব্যাঙ্ক (ইউসিবি)। জেলা ভিত্তিক এই ‘অ্যাপেক্স’ ব্যাঙ্কগুলি তাদের সদস্য ব্যাঙ্কগুলিকে অর্থ জোগানের ব্যাপারটি দেখে। কিছু  ডিসিসিবি এবং ইউসিবি তো উপকথার চরিত্রের মতো হয়ে উঠেছে! কিছু হয়ে উঠেছে এই ক্ষেত্রে লড়াই-সংগ্রামের শক্তি। আবার কিছু একেবারে যা তা! এই ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি ভালোই হোক আর মন্দই হোক—তাদের নিয়ন্ত্রণের জন্য যথেষ্ট ক্ষমতাবান একটি রাজ্য সরকার তো রয়েছে। সেই অবস্থানটিকে কেন বদলে দেওয়া হবে? অর্ডিন্যান্স বলে মোদি সরকার সমস্ত ডিসিসিবি এবং ইউসিবি-কে কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে এবং নিয়ন্ত্রকের সরকারি তকমা দিয়ে রেখেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কটিকে। সমবায় ব্যাঙ্কের ‘সদস্যপদ কাঠামো’  এবং ‘আর্থিক কাঠামো’ পাল্টে দেওয়ার জন্য ক্ষমতা নিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর পরিণাম যেটা হতে পারে তা হল—সমবায় ব্যাঙ্কের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা কিছু আগন্তুক ব্যক্তি এবং সুযোগসন্ধানীর হাতে চলে যেতে পারে। এই অর্ডিন্যান্সের মতলবটা হল—সমস্ত বড় ফিনান্সিয়াল ইন্টারমিডিয়ারি কেন্দ্রীয় সরকারের তাঁবে চলে যাবে এবং ডিসিসিবি ও ইউসিবি-র ম্যানেজমেন্ট বা নির্বাচিত ডিরেক্টগণ কেন্দ্রীয় সরকারের আজ্ঞাবহ হয়ে যাবেন। এই অর্ডিন্যান্স হল রাজ্যগুলির অধিকারের উপর একটি নগ্ন আগ্রাসন। 
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য আইন
আমি মনে করি যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য আইনটি (ইসি অ্যাক্ট) সঙ্কট এবং নিয়ন্ত্রণের কালের জন্য তৈরি। ভারত যখন খাদ্যশস্যে উদ্বৃত্ত এবং চাহিদামতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনে সক্ষম তখন এই আইনের বাস্তবিকই কোনও ভূমিকা থাকে না। তবুও একটি ব্যাপার অস্বীকার করা যাবে না যে মরশুমি স্বল্পতা এবং বন্যা ও খরার মওকায় মজুতদারি ও কালো বাজারি হয়ে থাকে। এই কারণেই ইসি অ্যাক্ট সংবিধি বইতে টিকে রয়েছে এবং এর মাধ্যমে রাজ্য সরকারগুলিকে পর্যাপ্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই ক্ষমতা রাজ্যগুলিকে দেওয়া হয়েছে এই সংক্রান্ত ট্রেড বা কেনাবেচা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। মধ্যবর্তী প্রতিষ্ঠানগুলি কতটা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সংগ্রহ বা মজুত করতে পারবে তার ঊর্ধ্বসীমা এই আইন বলেই রাজ্যগুলি ঠিক করে দেয়। এর পর যদি কেন্দ্রীয় সরকার আইনটিকে আরও উদার করতে চায় তবে একটি পলিসি পেপার প্রকাশ করতে পারে অথবা একটি আদর্শ আইন তৈরি করতে পারে এবং সেটা কার্যকর করার ভার রাজ্যগুলিকে অর্পণ করতে পারে। মোদি সরকারের মতলব এসব দিয়ে মিটবে না। অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে রাজ্য সরকারগুলির নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতাটিকে গণ্ডিবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং মজুত করার ঊর্ধ্ব সীমা (স্টক লিমিট) নির্ধারণের ক্ষমতাটিকেও অলীক করে ফেলা হয়েছে। একটি শর্ত ও একটি ব্যাখ্যামূলক ধারা সংযুক্তির মাধ্যমে এই অর্ডিন্যান্স ‘স্টক লিমিট’-এর ধারণাটিকে অলীক এবং অর্থহীন করে তুলেছে। এই অর্ডিন্যান্স যদি শেষমেশ আইনে পরিণত হয় তবে মজুতদাররা আনন্দে ফেটে পড়বে।
এপিএমসি আইন এবং চুক্তির স্বাধীনতা
আমার মনে হয় যে কৃষিপণ্য বিপণন কমিটি (এপিএমসি) আইন কিছু সময় অন্তর অবশ্যই সংশোধন করা প্রয়োজন এবং কৃষিপণ্যের বিপণনও ধীরে ধীরে অবশ্যই উদার করে দেওয়া দরকার। আদর্শ আইন প্রণয়ন এবং মানুষের বিশ্বাস উৎপাদনই হল এই লক্ষ্য পূরণের উপায়—সংসদীয় নির্দেশ জারি কোনও সমাধান নয়। রাজ্য বিধানসভায় পাশ হওয়া এপিএমসি আইন অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার বাতিল করে দিল। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড় রাজ্য। অন্য যেসব রাজ্য সরকারিভাবে শস্য সংগ্রহে বিপুল পরিমাণ পুঁজি বিনিয়োগ করেছে তারাও। এবং, যারা কৃষকদের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের (এমএসপি) নিশ্চয়তা দিয়েছে। সন্দেহ হচ্ছে যে, মোদি সরকার শান্তা কুমার কমিটির বিতর্কিত সুপারিশগুলি কার্যকর করার চেষ্টা করছে। সেটি হলে কিন্তু সরকারিভাবে শস্য সংগ্রহ ব্যবস্থা, গণবণ্টন ব্যবস্থা (পিডিএস/রেশন), এমএসপি নীতি এবং খাদ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা—সবই লঘু হয়ে যাবে। চুক্তির স্বাধীনতার উপর যে সহযোগী অর্ডিন্যান্স জারি হয়েছে—তাতে ক্রেতা এমএসপি নীতি মানতে বাধ্য নন। এমএসপি-র কম দাম দেবেন না—এরকমটা মানতে তাঁকে বাধ্য করা যাবে না। এই সন্দেহই গভীর হচ্ছে যে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ব্যাপারটি তুলে দেওয়া হচ্ছে। পাঞ্জাবের কৃষকরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন। পাঞ্জাব রাজ্য বিধানসভা ঐকমত্যের ভিত্তিতে দু’টি অর্ডিন্যান্সই প্রত্যাখ্যান করেছে। অকালি দল রেজোল্যুশন বা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। অর্ডিন্যান্সগুলি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ছত্তিশগড়। হরিয়ানা এবং মধ্যপ্রদেশ অজ্ঞাত কারণে নীরব। এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে।
‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মতামত ব্যক্তিগত
14th  September, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
 প্যাকেট ছাড়া বিড়ি-সিগারেট বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার। দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হিসেবে মহারাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ। সে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন থেকে আর খোলা বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। ...

 অভিষেকেই জয়ের স্বাদ পেলেন বার্সেলোনার কোচ রোনাল্ড কোম্যান। দলের প্রাণভোমরা লিও মেসির গোল তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। গত মরশুমের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’য়ে ...

সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রাম জেলায় করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় আরও একটি করোনা হাসপাতাল তৈরির সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্যদপ্তর ও প্রশাসন। শহরের পুরাতন ঝাড়গ্রাম এলাকায় একটি নবনির্মিত মহিলা হস্টেলকে ৭৫ বেডের করোনা হাসপাতাল করা হবে।  ...

 আগামী বছরের শেষদিকে বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিকাঠামো সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে বলেই দাবি করল ইন্ডিয়ান অয়েল। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রীতীশ ভারত বলেন, বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত যে গ্যাস লাইন আসার কথা, তার কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৫ রানে হারাল হায়দরাবাদ 

11:23:40 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM