Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

২৯ জুলাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় জাতীয় শিক্ষানীতি, ২০২০ অনুমোদিত হয়। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকার একটি খসড়া জাতীয় শিক্ষানীতি প্রকাশ করে এবং সে বিষয়ে জনসাধারণের মতামত আহ্বান করে। কিন্তু দেশের বহু বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন প্রভৃতি এই খসড়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে গুরুতর আপত্তি তুললেও তাঁরা গভীর বিস্ময়ে দেখলেন তাঁদের কোনও মতামতকেই কেন্দ্রীয় সরকার গুরুত্ব না দিয়ে খসড়ার প্রায় সব বিষয়ই নতুন শিক্ষানীতিতে গ্রহণ করেছে। একমাত্র রাষ্ট্রীয় শিক্ষা আয়োগের (আরএসএ) পরিবর্তে সেন্ট্রাল অ্যাডভাইসরি বোর্ড অফ এডুকেশনকে আরএসএ-র ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। উভয়েরই উদ্দেশ্য দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর কেন্দ্রীয় আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। তাই শিক্ষামহল এর বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর হয়। শিক্ষাবিদ ও শিক্ষকসমাজের একটা বড় অংশ বিরোধিতা করেছেন। একে শিক্ষা-বিরোধী ও জন-বিরোধী অভিহিত করেও এটি বাতিল করার দাবি জানিয়েছেন। দেশজুড়ে প্রতিবাদ সংগঠিত হয়েছে। প্রথমেই বলা দরকার, শিক্ষা যৌথ তালিকাভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে কোনও আলোচনা না করে এই শিক্ষানীতি কেন্দ্র চাপিয়ে দিচ্ছে, যা অগণতান্ত্রিক। এই শিক্ষানীতিতে স্কুলশিক্ষা নিয়ে যা বলা হয়েছে সেটি আলোচনা করব।
প্রথমত, স্কুলে ১০+২ ব্যবস্থার পরিবর্তে ৫+৩+৩+৪ ব্যবস্থা চালু করা হবে। (অনুচ্ছেদ ৪.১) এর মধ্যে প্রথম তিন বছরকে বলা হচ্ছে প্রাক-প্রাথমিক স্তর। এর সঙ্গে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীকে যুক্ত করে প্রথম ৫ বছরকে বলা হচ্ছে ফাউন্ডেশনাল স্তর। এই স্তরে নমনীয় বহুমুখী, খেলাধুলাভিত্তিক, হাতের কাজ ও উদ্ভাবনা-কেন্দ্রিক শিক্ষা দেওয়া হবে। (অনুচ্ছেদ ৪.২) এই স্তরের শিক্ষার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হচ্ছে অঙ্গনওয়াড়িদের হাতে। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির কী শোচনীয় অবস্থা তা অনেকেরই জানা। ফাউন্ডেশনাল স্তরে যেভাবে শিক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে তার জন্য উপযুক্ত পরিকাঠামো কোনও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রেই নেই। তাছাড়া শিক্ষাদান করার কোনও ট্রেনিং অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের থাকে না। যদিও শিক্ষানীতিতে বলা হয়েছে, তাঁদের অনলাইন ট্রেনিং দেওয়া হবে। কিন্তু অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রেগুলির ২৭ শতাংশ চলে ভাড়া বাড়িতে। ২৬ শতাংশের শৌচাগার নেই। প্রায় ১২ শতাংশে পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই। গত ডিসেম্বরে লোকসভায় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির বিবৃতিতেই এসব স্বীকারোক্তি রয়েছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদেরও অত্যন্ত স্বল্প ভাতায় কাজ করতে হয়। তাঁদের ওপর শিক্ষার ভার চাপালে শিশুরা কেমন শিক্ষা পাবে তা সহজেই অনুমেয়। এখন কোনও কোনও সরকারি স্কুলে ১ বছরের প্রাক-প্রাথমিক স্তর থাকলেও ৩ বছরের প্রাক-প্রাথমিক স্তর চালানোর মতো পরিকাঠামো কোথাও নেই। আর এখন অধিকাংশ প্রাথমিক স্কুলে চারটি শ্রেণীর পঠনপাঠন চালানোর মতো পর্যাপ্ত শ্রেণীকক্ষ ও শিক্ষক নেই। তাই প্রাথমিক স্কুলগুলিতে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণী অন্তর্ভুক্ত করতে হলে পরিকাঠামো অনেকটাই উন্নত করতে হবে, যার জন্য প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করা প্রয়োজন।
এবিষয়ে শিক্ষানীতি নীরব। তাই সরকারি স্কুলের ওপর ভরসা না করে অভিভাবকরা বেসরকারি প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁদের সন্তানদের ভর্তি করবেন। এভাবে সরকার কি শিক্ষার বেসরকারিকরণ করতে চাইছে? দ্বিতীয়ত, প্রাক-প্রাথমিকে প্রাতরাশ দেবার যে প্রস্তাব করা হয়েছে সেটা সাধুবাদযোগ্য হলেও তার জন্য অর্থ বরাদ্দের কোনও কথা বলা নেই। তৃতীয়ত, মাধ্যমিক স্কুলগুলিকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে উন্নত করার জন্যও প্রচুর অর্থ প্রয়োজন এবং নতুন শিক্ষক নিয়োগ প্রয়োজন। এসব বিষয়ে শিক্ষানীতি নীরব। চতুর্থত, তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত, যাকে বলা হচ্ছে প্রস্তুতি ধাপ, সেখানে অল্প কিছু পাঠ্য বই থাকলেও (অনুচ্ছেদ ৪.২) বিষয় শিক্ষা শুরু হবে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে। এর অর্থ পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্ররা খুব কম শিখবে। অথচ বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলির ছাত্রদের তুলনায় সরকারি স্কুলের ছাত্ররা অনেকটাই পিছিয়ে থাকবে। বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলিতে যেহেতু বিত্তবানদের সন্তানরাই পড়তে পারে তাই শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বিভাজন হবেই। পঞ্চমত, ২.৯ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, স্কুলশিক্ষায় সমাজকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও কাউন্সিলারদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
এর দ্বারা শিক্ষকদের ওপর অনাস্থা প্রকাশ করা হল না কি? তাছাড়া সমাজকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকের নামে সঙ্ঘ পরিবারের ভাবাদর্শে বিশ্বাসীদের স্কুলে অনুপ্রবেশের সুযোগ করে দিয়ে ছাত্রদের মধ্যে সঙ্ঘ পরিবারের ভাবাদর্শ প্রচারের সুযোগ করে দেওয়া হবে এমন সন্দেহের যথেষ্ট অবকাশ আছে। কেন্দ্রীয় সরকার যে নানাভাবে শিক্ষার গৈরিকীকরণ করতে সচেষ্ট তার বহু দৃষ্টান্ত আছে। এটিও তার অঙ্গ। ষষ্ঠত, সামাজিক ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উন্নত বিদ্যালয় পরিকাঠামো গড়ে নিয়মিত ও প্রথাগত শিক্ষার আঙ্গিনায় না এনে, তাদের জন্য দূরশিক্ষা ও মুক্ত বিদ্যালয়ের সুপারিশ করেছে এই নীতি (অনুচ্ছেদ ৩.৫), যা অচিরেই এই বিরাট অংশের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা থেকে দূরে ঠেলে দেবে। সপ্তমত, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে প্রথম শ্রেণী থেকে পাশ-ফেল চালুর দাবি জানালেও এই শিক্ষানীতি এ বিষয়ে নীরব। পরিবর্তে তৃতীয়, পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীতে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পরীক্ষা নেবার কথা বলা হয়েছে (অনুচ্ছেদ ৪.৪০)। উপরন্তু নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত প্রতি বছর দু’টি করে সেমেস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা দিতে হবে। এই বয়সের ছাত্রদের যা ম্যাচিওরিটি তাতে বিষয়বস্তুর গভীরে প্রবেশ করতে হলে তা সময় নিয়ে করতে হয়। তাই সেমেস্টার পদ্ধতিতে ছাত্রদের জ্ঞানের গভীরতা তৈরি হবে না। অষ্টমত, ৪.৯ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ছাত্রদের বিষয় নির্বাচনে স্বাধীনতা দেওয়া হবে এবং ক্যারিকুলার, এক্সট্রা-ক্যারিকুলার, কো-ক্যারিকুলার বা কলা, বিজ্ঞান বা ভোকেশনাল ও অ্যাকাডেমিক বিষয়ের মধ্যে কোনও বিভেদ থাকবে না। ফলে একজন ছাত্র যেসব বিষয়
নির্বাচন করবে তা তার সামগ্রিক জ্ঞান অর্জনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
নবমত, ষষ্ঠ শ্রেণী থেকেই কর্মমুখী শিক্ষা দেওয়ার ওপর এই শিক্ষানীতিতে জোর দেওয়া হয়েছে (অনুচ্ছেদ ৪.২৬)। স্কুল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কর্মমুখী শিক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এই শিক্ষানীতিতে। যেখানে দেশে বেকার সমস্যা ক্রমবর্ধমান, উচ্চশিক্ষিতরাও, এমনকী ইঞ্জিনিয়ার ও প্রযুক্তিবিদরাও চাকরি পাচ্ছেন না, পিয়ন পদের জন্যও উচ্চশিক্ষিতরা, এমনকী পিএইচ-ডি ডিগ্রিধারীরাও আবেদন করছেন, সেখানে কর্মমুখী শিক্ষা ছাত্রদের কতটুকু কাজে লাগবে? আসলে সরকারের উদ্দেশ্য হল, শিক্ষা শেষে চাকরি দেওয়ার দায়িত্ব অস্বীকার করা। দশমত, ৫.১২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে শিক্ষকরা শিক্ষাদান সংক্রান্ত বিষয় ছাড়া প্রশাসনিক কাজ করবেন না। সাধু প্রস্তাব। কিন্তু কাজগুলি করবে কে? স্কুলগুলিতে তো কোনও শিক্ষাসহায়ক কর্মী দেবার কথা বলা হয়নি।
দেখা যাচ্ছে, সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে। দরিদ্র ও মধ্যবিত্তের সন্তানরা শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে। ইউনেস্কো তার সাম্প্রতিক রিপোর্টে বলেছে, এদেশে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে। যেখানে কেরল ও ওড়িশার ধনীদের সন্তানরা যথাক্রমে ৮৭ শতাংশ এবং ৭৪ শতাংশ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ করে, সেখানে দুই রাজ্যেই দরিদ্রদের মাত্র ৫-৬ শতাংশ হাই স্কুলের গণ্ডি পেরতে পারে। তাছাড়া সামগ্রিক জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রেও শিক্ষানীতি প্রতিবন্ধক হবে। এক কথায় এই শিক্ষানীতি শিক্ষার সর্বনাশ ডেকে আনবে।
 লেখক পূর্বতন প্রেসিডেন্সি কলেজ, কলকাতার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
14th  September, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
 অভিষেকেই জয়ের স্বাদ পেলেন বার্সেলোনার কোচ রোনাল্ড কোম্যান। দলের প্রাণভোমরা লিও মেসির গোল তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। গত মরশুমের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’য়ে ...

ঘূর্ণিঝড় উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক অনুদান দিচ্ছে রাজ্য সরকার। শহরাঞ্চলে সেই প্রক্রিয়া চালাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। প্রায় সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে। ...

 আগামী বছরের শেষদিকে বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিকাঠামো সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে বলেই দাবি করল ইন্ডিয়ান অয়েল। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রীতীশ ভারত বলেন, বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত যে গ্যাস লাইন আসার কথা, তার কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি ...

 প্যাকেট ছাড়া বিড়ি-সিগারেট বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার। দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হিসেবে মহারাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ। সে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন থেকে আর খোলা বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ১২৮/২ (১৬ ওভার) 

09:09:08 PM