Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সন্তোষকুমার ঘোষ: অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, প্রচণ্ড
ক্ষমতাবান সাহিত্যিক ও যুগান্তকারী সাংবাদিক
বরুণ সেনগুপ্ত

বাংলা সাংবাদিকতায় এবং সাহিত্যে সন্তোষকুমার ঘোষ এক অসাধারণ ও বিরল ব্যক্তিত্ব। খুব কম সফল সাহিত্যিক সফল সাংবাদিক হতে পেরেছেন। আবার তেমনি খুব কম সফল সাংবাদিক সফল সাহিত্যিক হয়েছেন। সন্তোষকুমার ঘোষ একদিকে যেমন ছিলেন সফল সাংবাদিক অন্যদিকে তেমনি ছিলেন একজন সফল সাহিত্যিক। দুঃখের বিষয় এর কোনও ক্ষেত্রেই জনসাধারণের কাছে সন্তোষবাবু তাঁর প্রাপ্য স্বীকৃতিটি পাননি। তিনি কত ক্ষমতাবান সাংবাদিক ছিলেন এটি সাধারণের অনেকেই এখনও জানেন না। এমনকী আজকের অনেক তরুণ সাংবাদিকও তাঁর অবদান সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল নন। সন্তোষবাবু বাংলা সাংবাদিকতার মান অটুট রেখেও তাকে সাধারণ মানুষের উপযোগী করেছেন। তিনি যে শুধু কথ্য ভাষায় কাগজে খবর লেখার রীতিটা প্রবর্তন করেছেন তাই নয়, বিষয় নির্বাচনেও তিনি একটি বিরাট পরিবর্তন এনেছেন। ভাষা, বিষয় নির্বাচন, উপস্থাপনার রীতি, বিভিন্ন দিক থেকে তিনি বাংলা সাংবাদিকতায় একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেন। সাধারণ মানুষ বাংলা সাংবাদিকতায় এই পরিবর্তন দেখেছে। এই জিনিসে আকৃষ্ট হয়েছে। এবং এরই ফলে বাংলা কাগজের প্রচার বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ জানতেই পারেনি এই বৈপ্লবিক পরিবর্তনটা কে আনলেন।
খবরের কাগজ সাধারণ মানুষের জন্য। তাই সাধারণ মানুষ যেসব খবরে আগ্রহী সেইগুলিই বেশি করে লেখা উচিত। অথবা যেমন, খবরের কাগজে যা লেখার তা সোজাসুজি লেখা উচিত। ‘এটাও হয় ওটাও হয়’ গোছের ব্যাপার নয়। এই জিনিসগুলি হাতেকলমে শিখেছি সন্তোষকুমার ঘোষের কাছে। সন্তোষবাবু যত বড় লেখক তার চেয়ে অনেক বড় সাংবাদিক। আমি মনে করি, বাংলা সাংবাদিকতায় নবযুগের প্রবর্তক সন্তোষকুমার ঘোষ। তিনিই গোটা বাংলা সাংবাদিকতাকে সাধারণ মানুষের বোধগম্য করে তুলেছেন। সঙ্গে সঙ্গে তার মর্যাদাও বাড়িয়েছেন। নাড়া বেঁধে গুরুর কাছে কাজ শেখা যাকে বলে আমরা কয়েকজন সেইভাবে সন্তোষবাবুর কাছে কাজ শিখেছি। কার্যত, আমি আজ সাংবাদিক হিসাবে যতটুকু পরিচিত বা কাজ জানি তা সন্তোষকুমার ঘোষের শিক্ষায়।
সংবাদপত্র হবে সাধারণ মানুষের মুখপত্র। যেখানে অন্যায় সেখানেই সংবাদপত্রকে প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠতে হবে। অন্যায়কারীর গায়ের বা ঝান্ডার রং দেখলে চলবে না। সন্তোষকুমার ঘোষ মনেপ্রাণে এই নীতিরই সমর্থক ছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি ছিলেন একজন দক্ষ কারিগরও। যে সহজ সরল ভাষার প্রতিবাদ সাধারণ মানুষ বুঝবে, তাদের প্রাণকে স্পর্শ করবে সেই ভাষায় সংবাদপত্র পরিচালনায় তাঁর ছিল অসাধারণ দক্ষতা। আমিও এই নীতিতেই ‘বর্তমান’ কাগজ চালাবার চেষ্টা করেছি।
তাঁর সাহিত্য কীর্তির রস আপামর জনসাধারণ সেভাবে গ্রহণ করতে পারেননি। এই প্রসঙ্গে আলোচনা উঠলেই আমি হেসে সন্তোষবাবুকে বলতাম: জানেন এক একজন মানুষ এক একটা কপাল নিয়ে জন্মায়। আপনার কপালে লেখা নেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা। সেই জন্যই বাংলা সাংবাদিকতায় আপনি যে নবযুগ এনেছেন এটা অনেকেই জানেন না। আবার আপনার অসাধারণ সাহিত্য কীর্তিও মুষ্টিমেয় মানুষই তারিফ করতে পারল। কী আর করবেন, এ সব হল স্টারস অ্যান্ড প্লানেটস! সন্তোষবাবুও হেসে জবাব দিলেন: স্টারস অ্যান্ড প্লানেটস মানতেই হবে। না হলে তোমার মতো অশিক্ষিত লোকও বড় সাংবাদিক হিসাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে! আমি একথা শুনে বরাবরই খুব জোরে হাসতাম। সন্তোষবাবুও সেই হাসিতে যোগ দিতেন।
সন্তোষবাবু কোনও মন্তব্যে, কোনও বক্তব্যে কখনও ম্যালিস থাকত না। রেগে বা হেসে অনেক কথা বলতেন। কিন্তু তা কারও ক্ষতি করার জন্য নয়। প্রচণ্ড রাগী মানুষ ছিলেন। রাগলে অনেক সময় হিতাহিত জ্ঞানই থাকত না। কত দিন যে আমাদের মুখের উপর কপি ছুঁড়ে মেরেছেন তার হিসেব নেই। তারপর ঠান্ডা হলে হেসে বলতেন: জান তো আজেবাজে লেখা দেখলে আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। তা আজেবাজে কপি লেখো কেন! লিখলেও আমার কাছে তা কোনও দিন আনবে না। তারপর সেই কপি সংস্কার করতে বসতেন। কপি নিয়ে এডিট করতে বসলে সন্তোষবাবু অন্য মানুষ হয়ে যেতেন। ঝড়ের বেগে একটা কাঁচা কপিকে সুন্দর সুঠাম সংবাদ বা বিবরণে দাঁড় করিয়ে দিতেন। তারপর সেই ছেলেমানুষের হাসি ও স্নেহ মিশ্রিত তিরস্কার: দেখো, কপির উন্নতি হল কি না। অশিক্ষিত লোক তুমি। এই উন্নতির মর্ম বুঝবে কি! আর তোমাকেই বা কী বলব, অনেক শিক্ষিত সহকর্মীও তো স্বীকারই করতে চায় না আমি কাজ জানি! আমিও হাসতাম। বলতাম, তাতে আপনার কী এসে যায়! সন্তোষবাবুও হাসতেন: কিছু এসে যায় না, তবে নীচতা দেখলে দুঃখ হয়! সন্তোষবাবু রেগে অকথ্য গালিগালাজ দিতেন মাঝে মধ্যে, যাকে তাকে। কিন্তু তার মধ্যে নীচতা জিনিসটি এতটুকু ছিল না। পঁচিশ বছর আমি তাঁকে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে দেখেছি। এই দীর্ঘ সময়ে কখনও কারও অমঙ্গল কামনা করতে তাঁকে দেখিনি। রেগে প্রচুর গালিগালাজ দিতেন, তারপরই ঠান্ডা হয়ে তার উপকার করতে উঠে পড়ে লাগতেন। অনেকদিন আগে একবার সন্তোষবাবু রেগে আমাকে প্রচণ্ড গালিগালাজ দিয়েছিলেন। আমি মন খারাপ করে বাড়ি চলে এসেছিলাম। রাতে সন্তোষবাবু বাড়ি এসে হাজির। আমি তখন সবে রিপোর্টিং-এ ঢুকেছি। ফ্ল্যাটে ঢুকেই বললেন, আমার উপর রাগ করো আর যা-ই করো, আমি যা বলছি তাতে তুমি না বলতে পারবে না। তোমাকে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রাশিয়া যেতে হবে। আমি অশোকবাবুকে বলেছি তুমি যাবে। না বলতে কিন্তু পারবে না। আমি অবাক হয়ে জবাব দিয়েছিলাম: এতে না বলার কী আছে? সন্তোষবাবু বলেছিলেন: আমার ওপর রাগে তো না বলতে পারো। সন্তোষবাবু অনেক সময়ই চিন্তাভাবনায় এইরকম সব চরম ছেলেমানুষীর পরিচয় দিতেন। আমরা অনেকেই এসব নিয়ে ওঁকে প্রায়ই ঠাট্টা করতাম। তিনি হেসে বলতেন: তোমরা সব জটিল কুটিল লোক, আমি তো তা নই! সত্যিই সন্তোষবাবু কোনও জটিলতার ধার ধারতেন না। যা মনে ভাবতেন, যা মুখে আসত বলে যেতেন।
সন্তোষবাবু মৃত্যুকে, রোগকে বরাবরই ভীষণ ভয় পেতেন। প্রিয়জনদের কারও অসুখ করলে দূর থেকে ছটফট করতেন, কিন্তু কাছে যেতেন না। সেই সন্তোষবাবুরই কী আশ্চর্য পরিবর্তন দেখলাম জীবনের শেষ প্রহরে। মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও তিনি স্বাভাবিক, অবিচল, অকম্পিত। শেষ যেদিন তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম নার্সিংহোমে তখন সন্তোষবাবুকে দেখে আমি কেঁদে ফেলেছিলাম। ‘বর্তমান’ কাগজ সম্পর্কে অনেক কথা বলতে চাইছেন, কিন্তু বলতে পারছেন না। খস খস করে কাগজে লিখে দিচ্ছেন। উত্তেজনায় হাত কাঁপছে, কথা বলার চেষ্টা করছেন, কিন্তু গলা দিয়ে আওয়াজ বের হচ্ছে না। এই অবস্থায় আমি কেঁদে ফেলেছিলাম, নিজেকে সামলাতে পারিনি। যে সন্তোষবাবুকে আমি চোখ বুজলে দেখি, দেখতে চাই— সেই সন্তোষবাবুর ওই চেহারা, ওই গলার অবস্থা, ওই কঠিন রোগ আমি সহ্য করতে পারছিলাম না। সন্তোষবাবু কিন্তু সব সহ্য করছিলেন। ওই শরীর নিয়েও লিখছিলেন নিয়মিত। সেদিন নার্সিংহোম থেকে ফিরতে ফিরতে মনে হচ্ছিল: সন্তোষবাবু কি মনেপ্রাণে অন্য লোকে চলেই গিয়েছেন? না হলে এরকম অবিচল আছেন কী করে?
সন্তোষকুমার ঘোষ একজন অসাধারণ উপন্যাসিক এবং ছোট গল্প লেখক ছিলেন। কিন্তু সাহিত্যিক হিসাবে তাঁর সৃষ্টির যে উৎকর্ষ সেই পরিমাণে জনপ্রিয়তা তিনি অর্জন করতে পারেননি। তার চেয়ে অনেক কম কৃতি সাহিত্যিক তার থেকে বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। কিন্তু সমঝদাররা স্বীকার করেন, তাঁর বই অনেকের চেয়ে কম চললেও সন্তোষবাবু সাহিত্যিক হিসেবে বিশেষ মর্যাদা পাওয়ার যোগ্য।
সন্তোষকুমার ঘোষ প্রথমে ছিলেন ইংরাজি সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত। ১৯৫৮ সন নাগাদ তিনি আনন্দবাজার পত্রিকায় বার্তা সম্পাদক হয়ে আসেন। এবং সেই সময় থেকে শুরু হয় বাংলা সাংবাদিকতায় একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন। বলতে গেলে প্রথম কয়েক বছর দিনে ২০ ঘণ্টা খেটে তিনি এই পরিবর্তন এনেছিলেন। সেই সময় দেখেছি তাঁর ধ্যান-জ্ঞানই ছিল বাংলা সাংবাদিকতা। সেইটাই সম্ভবত ছিল তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়।
 সংকলিত ও পুনর্মুদ্রিত
13th  September, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
 আগামী বছরের শেষদিকে বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিকাঠামো সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে বলেই দাবি করল ইন্ডিয়ান অয়েল। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রীতীশ ভারত বলেন, বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত যে গ্যাস লাইন আসার কথা, তার কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি ...

সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রাম জেলায় করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় আরও একটি করোনা হাসপাতাল তৈরির সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্যদপ্তর ও প্রশাসন। শহরের পুরাতন ঝাড়গ্রাম এলাকায় একটি নবনির্মিত মহিলা হস্টেলকে ৭৫ বেডের করোনা হাসপাতাল করা হবে।  ...

 ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়াল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকার দখল নিয়েই দুই দেশের লড়াই। রবিবার থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে দু’পক্ষের ২৩ জনের। আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি। ...

বরফ দেওয়া থার্মোকলের বাক্সের ভিতরে বোঝাই করে চলে আসছে ‘রুপোলি শস্য’। কোথাও নদীপথ, কোথাও কাঁটাতারের ফাঁক গলে এপারে তারা। চকচক করতে থাকা আটশো থেকে এক ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ১২৮/২ (১৬ ওভার) 

09:09:08 PM