Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অগ্রাধিকার অর্থনীতি, গালভরা
আন্তর্জাতিক জোট নয়
হারাধন চৌধুরী

পূর্ব লাদাখে সীমান্ত বিরোধ নিয়ে দু’দেশের সেনা বাহিনীর রেষারেষি চার মাসের অধিক অতিক্রান্ত। এর মধ্যেই মস্কোয় শুরু হয়েছে আট দেশীয় সংগঠন সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) বৈঠক। ৪ সেপ্টেম্বর মুখোমুখি বসেছিলেন ভারত ও চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী যথাক্রমে রাজনাথ সিং ও জেনারেল উই ফেং। আজ, ১০ সেপ্টেম্বর ওখানেই বৈঠকে বসবেন দু’দেশের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও ওয়াং ই। 
২০০১। আঞ্চলিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে পাঁচ সদস্য রাষ্ট্রের জোট হিসেবে এসসিও গড়ে ওঠে। এর মধ্যে রয়েছে সীমান্ত বিরোধের মতো কঠিন সমস্যা, সামরিক সহযোগিতা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং সন্ত্রাসবাদ দমন। সংগঠনের ঘোষিত নীতি হল—সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদী সমস্যার বিরুদ্ধে এই জোট ঐক্যের ভিত্তিতে লড়াই করবে। লড়াই জারি থাকবে জাতিগত বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং ধর্মীয় উগ্রপন্থার বিরুদ্ধেও। পরে আঞ্চলিক উন্নয়নের অগ্রাধিকারের বিষয়টিও যুক্ত হয়। মধ্য এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাদাগিরি রুখে দেওয়াও এসসিও-র একটি লক্ষ্য।    
এই মুহূর্তে এসসিও-র সদস্যরা হল—চীন, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, রাশিয়া, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান। ভারত সদস্য হয়েছে ২০১৭-য়। ভারত এবং পাকিস্তান হল সর্বশেষ সংযোজন। বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে ভারতকে যুক্ত করেছে রাশিয়া। তাহলে পাকিস্তান কেন বাইরে থাকবে? পরম বন্ধু হিসেবে পাকিস্তানকে শামিল করেছে চীন। ভারত ও পাকিস্তান এসসিও-তে যোগ দেওয়ায় পৃথিবীর ৪০ শতাংশের বেশি মানুষের সংগঠনের মর্যাদা পাচ্ছে এসসিও। এটাই আপাতত দুনিয়ার বৃহত্তম পলিটিক্যাল ও মিলিটারি কো-অপারেশনের মঞ্চ। আমেরিকার নেতৃত্বে পাশ্চাত্যের অপেক্ষাকৃত ধনী ও প্রভাবশালী ৩০টি দেশের জোট হল উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট (ন্যাটো)। এসসিও-কে ন্যাটোরই ‘কাউন্টার-ব্যালান্স’ গণ্য করা হয়। চীন, ভারত ও রাশিয়ার মতো সুবৃহৎ দেশগুলি এতে যোগ দেওয়ায় বিশ্ব মানচিত্রে এই সংগঠনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আঞ্চলিক ভূরাজনীতি এবং বাণিজ্যিক লেনদেনের প্রশ্নে এই জোটের ওজন অনেক বেড়ে গিয়েছে। এসসিও-তে চারটি পর্যবেক্ষক দেশ হল—আফগানিস্তান, বেলারুশ, ইরান এবং মঙ্গোলিয়া। এরা এসসিও-র সদস্য হতেও আগ্রহী। আরও আছে ছয়টি ‘ডাগালগ পার্টনার’—আর্মেনিয়া, আজেরবাইজান, কম্বোডিয়া, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও তুর্কি। এসসিও ২০০৫ থেকে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক পর্যবেক্ষক হিসেবেও গণ্য হয়। ২০১০-এ রাষ্ট্রসংঘ এবং এসসিও পারস্পরিক সহযোগিতার একটি যৌথ ঘোষণাপত্রেও সই করেছে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব এবং অন্য পদাধিকারীরা এসসিও-র একাধিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। 
মস্কোতে ৯-১০ সেপ্টেম্বর এসসিও বিদেশমন্ত্রীদের পরিষদের বৈঠক হচ্ছে। এবারটিকে নিয়ে ভারত তৃতীয়বার এই বৈঠকে যোগ দিচ্ছে। প্রথমবার যোগ দিয়েছে ২০১৮-তে, বেজিংয়ে। ২০১৯-এ যোগ দিয়েছে বিশকেক বৈঠকে। 
বিশ্ব রাজনীতিতে এবছরটি একাধিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরিসমাপ্তির ৭৫ বছর। রাষ্ট্রসংঘ প্রতিষ্ঠারও ৭৫ বছর এবার। এই বিশেষ সময়ে কোনও রাষ্ট্রশক্তি কি উপলব্ধি করল—আগ্রাসনের চেয়ে বড় মূর্খামি কিছু নেই? আক্রান্ত এবং আক্রমণকারী দু’জনের জন্যেই আগ্রাসনের নীতি সমান ক্ষতিকর? দু’টি বিশ্বযুদ্ধের এটাই তো মূল শিক্ষা। প্রায় প্রতিটি দেশের সঙ্গে তার প্রতিবেশীদের লাগাতার বিরোধ, অন্য দেশের জমি ও সম্পদের উপর কোনও কোনও দেশের শকুনের দৃষ্টি, ‘অবাধ্য’ দেশকে বাগে আনতে তার উপর বর্বরোচিত আক্রমণের ধারাবাহিকতা বুঝিয়ে দেয় যে কোনও শিক্ষাই ক্ষমতালোভীদের জন্য নয়। তারা একইসঙ্গে জন্মান্ধ এবং জন্মবধির।  
গালভরা এসসিও বৈঠকের শুরুতে কী দেখা গেল? সীমান্ত-বিরোধ মেটানোর পরিবর্তে চীন এবং ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা গর্জন ও পাল্টা গর্জন ছুঁড়ে দিলেন। লাদাখ পরিস্থিতির জন্য দু’পক্ষই নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করেছে এবং অপর পক্ষকে একতরফাভাবে দায়ী করেছে। এর মধ্যে নতুন কিছু নেই। এই আস্ফালন এবং পাল্টা আস্ফালনের জন্য কারওরই বোধহয় মস্কো উড়ে যাওয়ার প্রয়োজন ছিল না। তাতে বরং সবার রাজকোষের কিছুটা সাশ্রয় হতো। বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের চারদিন আগে অরুণাচলের পাঁচ ভারতীয় নাগরিককে অপহরণের ব্যাপারে অভিযুক্ত হল লাল ফৌজ। অভিযোগটি অস্বীকার করার সময় চীন কটাক্ষ-সহকারে বুঝিয়ে দিয়েছিল যে অরুণাচলকে তারা এখনও ভারতের অংশ বলে মনে করে না। ৮ সেপ্টেম্বর চীনেই অবশ্য তাঁদের হদিশ মিলল। আবার সেদিনই শুরু হল নতুন অশান্তি। লাদাখ সীমান্তে গোলাগুলি চলল। ৪৫ বছর পর প্রথম। অর্থাৎ সীমান্ত চুক্তির মূল সুর কেটে গিয়েছে। চুক্তি মেনে চলার বাধ্যবাধকতা চীন হয়তো আর স্বীকার করে না। পরিস্থিতি মোটেই সুবিধের নয়। মস্কো আগ বাড়িয়ে মধ্যস্থতা করতে চায় না। তবে, তিক্ততা কাটিয়ে বন্ধুত্বের পথে ফেরার জন্য ভারত ও চীনকে এসসিও মঞ্চটিকে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে মস্কো। ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক মেরামতের জন্যও মস্কোর একই পরমার্শ। 
এখন প্রশ্ন হল—পাকিস্তান ও চীন কি নিজেদের পাল্টাতে পারবে? পাকিস্তান ও চীনে গণতন্ত্র হল সোনার পাথরবটি। পাক সরকার সেনা বাহিনীর হাতের পুতুল। অন্যদিকে, লাল পার্টি ও লাল ফৌজের হাতের পুতুলের নাম চীন সরকার। যে পাক বাহিনী ভারতের সঙ্গে হাজার বছর যুদ্ধ করার স্বপ্ন লালন করছে, যার মনের ভিতরে ভারতকে দগ্ধে দগ্ধে মারার আগুন জ্বলছে, যে শক্তি নিজেকে সন্ত্রাসের বাজিকর ভেবে পরিতৃপ্ত—তার হাতে গোলাপ তুলে দিতে চেয়ে কতটা লাভ হবে? অন্যদিকে, মাও সে তুঙের স্বপ্ন ছিল বৃহত্তর চীনের। তিনি মনে করতেন—তিব্বত হল চীনের ডান হাতের তালু। তার পাঁচটি আঙুল হল—লাদাখ, নেপাল, সিকিম, ভুটান ও অরুণাচল। এই বৃহৎ অঞ্চলকে ‘মুক্ত’ করার ডাক দিয়ে গিয়েছেন তিনি। ‘যোগ্যতম’ উত্তরসূরি জিনপিং নাকি মাওয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে বদ্ধপরিকর। অতএব ভারত-বৈরিতার প্রশ্নে চীন ও পাকিস্তান হল সাক্ষাৎ মানিক জোড়। এসসিও-র ঘোষিত নীতি যতই মিষ্টি মধুর হোক না কেন এই বাস্তবটাকে কি অস্বীকার করা যাবে? আজ মস্কোর বৈঠকের দিকে সবার নজর থাকবে নিশ্চয়। কী পাব আমরা—ভগবানও জানেন না। যা-ই মিলুক, তার স্থায়িত্ব কতদিনের হবে? চাইনিজ  প্রোডাক্ট সম্পর্কে ভারতীয় রসিকতাকে ছাপিয়ে গেলে সে হবে এক ইতিহাস! 
পুতিন সাহেব এসসিও-র নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব হলেও তাঁর পক্ষে নিরপেক্ষ আচরণ করা বা ভারতের পক্ষ নেওয়া সহজ হবে না। পুরনো ভারত-বন্ধু হলেও তা পারবেন না। কারণ সহজ বাণিজ্যিক স্বার্থ। বাণিজ্য বুঝে নেওয়ার প্রশ্নে পুতিনের দেশ আমেরিকার চেয়ে কোনও অংশে কম যায় না। মনে রাখতে হবে, রাশিয়ার সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদারের নাম চীন। রাশিয়ায় এশীয় দেশগুলির মধ্যে চীনই সবচেয়ে বেশি পুঁজি লগ্নিকারী। মার্কিন বিদেশ ও বাণিজ্য নীতি নিয়ে সমান ক্ষুব্ধ রাশিয়া ও চীন। বস্তুত ট্রাম্প প্রশাসনই রাশিয়া ও চীনকে ঘনিষ্ঠ করে তুলেছে। একাধিক ক্ষেত্রে রাশিয়া এবং চীনের রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পেয়েছে: এনার্জি, অস্ত্র উৎপাদন, মার্কিন ডলার বা ইউরোর বদলে জাতীয় মুদ্রার মাধ্যমে বাণিজ্য, পরিবহণ সংক্রান্ত কৌশলগত প্রকল্প এবং সহায়ক পরিকাঠামো নির্মাণ। চীন সাফল্যের সঙ্গে রাশিয়ার কাছে নিজেকে অপরিহার্য হিসেবে তুলে ধরতে পেরেছে। বুঝিয়ে দিয়েছে, চীন সরে গেলে রাশিয়ার অর্থনীতি ধসে যেতে পারে। অন্যদিকে, ভারত এখনও রাশিয়ার উপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে অস্ত্রের প্রয়োজনে। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়ের দিকটিকে ভারত সচেতনভাবে বিকেন্দ্রিত করার পরেও রাশিয়ার উপর ভারতের নির্ভরতা এখনও ৬০-৭০ শতাংশ। রাশিয়ার সঙ্গে চীনের উত্তরোত্তর সখ্যের পরিপ্রেক্ষিতে ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক অনেকটাই শিথিল হয়ে এসেছে। এই জায়গায় ঢুকে পড়ছে পাকিস্তান। ভারতের আপত্তি রয়েছে জেনেও পাকিস্তানকে অস্ত্র বিক্রি করছে রাশিয়া। এই প্রসঙ্গে লক্ষ করার মতো বিষয় হল—লাদাখে ভারত আক্রান্ত জেনেও রাশিয়া কিন্তু আগ বাড়িয়ে ভারতের পক্ষ নেয়নি। অন্যদিকে, ট্রাম্প সাহেব ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ভারত-চীন সীমান্ত বিরোধ মেটাতে তিনি মধ্যস্থতা করতে চান বলেও প্রস্তাব দিয়েছেন। মনে করে দেখুন, এর আগে কাশ্মীর ইস্যুতেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট একইরকম মোড়লির শখ প্রকাশ করেছিলেন।
আমাদের ভেবে দেখা দরকার, চীন এত অন্যায় ও আস্ফালন করেও পার পাচ্ছে কী করে? কেন ভারত তার পুরনো বন্ধুদের কাছেও প্রাপ্য গুরুত্ব হারাচ্ছে? এর একটাই উত্তর—অর্থনীতি। একজন মানুষের পয়সার জোর কমে গেলে তার বন্ধুদের ভিড় পাতলা হতে থাকে। এও ঠিক তেমনি—টাকায় কথা বলে! অথচ, আধুনিক চীনের যাত্রা শুরু হয়েছে ভারতেরও পরে। এই প্রসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতার প্রস্তাবের বাস্তবিক গুরুত্ব কতটুকু! তিনিও জানেন সেটা। তাঁর এখন শিরে সংক্রান্তি। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের মন ভিজিয়ে দ্বিতীয় দফায় সাদা বাড়িতে প্রবেশাধিকারটি পাকা করতে চান তিনি। 
মুরুব্বি ধরে, মুরুব্বি পাল্টে কিংবা যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা করে বাস্তবে কোনও লাভ নেই। আগামী দু’টি দশক ভারতের অগ্রাধিকার হোক শুধুই অর্থনীতির বিকাশ। তা হলে এক ঢিলে অনেক পাখি মারা সম্ভব হবে। কমে যাবে চীনের আস্ফালন। দূরত্ব বাড়বে চীন-রাশিয়া-পাকিস্তান-নেপালের। লম্ফঝম্প কমিয়ে পাকিস্তানও মানুষ হওয়ার চেষ্টা করতে পারে। সুস্থিতি ফিরতে পারে উপমহাদেশে, হয়তো সারা এশিয়াতেও।
10th  September, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
 অভিষেকেই জয়ের স্বাদ পেলেন বার্সেলোনার কোচ রোনাল্ড কোম্যান। দলের প্রাণভোমরা লিও মেসির গোল তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। গত মরশুমের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’য়ে ...

 আগামী বছরের শেষদিকে বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিকাঠামো সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে বলেই দাবি করল ইন্ডিয়ান অয়েল। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রীতীশ ভারত বলেন, বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত যে গ্যাস লাইন আসার কথা, তার কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি ...

বরফ দেওয়া থার্মোকলের বাক্সের ভিতরে বোঝাই করে চলে আসছে ‘রুপোলি শস্য’। কোথাও নদীপথ, কোথাও কাঁটাতারের ফাঁক গলে এপারে তারা। চকচক করতে থাকা আটশো থেকে এক ...

সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রাম জেলায় করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় আরও একটি করোনা হাসপাতাল তৈরির সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্যদপ্তর ও প্রশাসন। শহরের পুরাতন ঝাড়গ্রাম এলাকায় একটি নবনির্মিত মহিলা হস্টেলকে ৭৫ বেডের করোনা হাসপাতাল করা হবে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ১২৮/২ (১৬ ওভার) 

09:09:08 PM