Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আজকের স্লোগান: সবকা সাথ, সবকা বিনাশ
সন্দীপন বিশ্বাস

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পোশাক পরিচ্ছদে যতটা ধোপদুরস্ত, ফিটফাট, ফ্যাশন সচেতন, দেশ শাসনের ক্ষেত্রে ততটাই ফস্কা গেরো। ‘মন কি বাত’ বা অন্যান্য বচনামৃতে তিনি যতটা বিস্ময়-ব্যক্তিত্ব, প্রশাসক হিসাবে ততটাই পাঁচমিশেলি। কথাতেই আছে, বিপদে না পড়লে মানুষ চেনা যায় না। বর্তমানে দেশের বিপন্ন অবস্থার সময়ে তাঁর হাতুড়ের মতো আচরণ দেখে বোঝা যাচ্ছে, সবই দৈব দুর্বিপাকের খেলা। অর্থনীতি, শিক্ষা, সুস্থিতি, ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা, সীমান্ত শান্তি, চাকরির নিরাপত্তা, খাদ্য সুরক্ষা, সব কিছুই ঘেঁটে ঘ। নীল শৃগালের গল্পের মতো অনেক সত্যই ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসছে। সেসব দেখে তাঁর কাছ থেকে মানুষও সরে যাচ্ছেন। হু হু করে সুনামির বেগে তাঁর জনপ্রিয়তা কমছে। তাঁর বিভিন্ন কথামৃত বচনে এখন লাইকের থেকে ডিসলাইকের সংখ্যা অনেক বেশি। তাই নিয়ে বিজেপি কর্মকর্তাদের মাথায় হাত। হওয়ার কারণও আছে। ওই একটি মুখের উপর ভরসা করেই একটা অত বড় সংসার চলছে। অনেক সময় দেখা যায়, কোনও বড় সংসারে বড়দা একা চাকরি করেন। অন্য ভাই সব বেকার। বড়দার রোজগারেই অন্য ভাইদের লবচবানি। কিন্তু সেই বড়দার চাকরি যাওয়ার উপক্রম হলে, অন্য ভাইদের মাথায় হাত পড়তে বাধ্য। এখন বিজেপির সংসারেও সেই অবস্থা। হঠাৎ করে বড়দার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়তে শুরু করলে, তার ফল সুবিধার নয়। বিজেপির নেতারা তাই এবার নড়েচড়ে বসেছেন। মোদিজির ‘মন কি বাত’-সহ অন্যান্য পোস্টে লাইকের থেকে ডিসলাইকের সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। কেন বাড়ছে ডিসলাইকের সংখ্যা? এটা বোঝার জন্য গবেষণার দরকার নেই। চোখ খোলা থাকলেই বোঝা যায়। সারা দেশের পরিস্থিতিই মানুষের মনে এই সরকার সম্পর্কে বিপরীতমুখী ভাবনা তৈরি করেছে। উচ্চকিত হচ্ছে খোলাখুলি প্রতিবাদ। মোদিজির অনুষ্ঠানে ডিসলাইক দিয়ে মানুষ বুঝিয়ে দিচ্ছেন, মোদিজির জনপ্রিয়তা জলবৎ তরলং। ঢালের দিকে গড়িয়ে চলেছে। এসব দেখে ব্যস্ততা বেড়েছে বিজেপির আইটি সেলে। কৃত্রিম উপায়ে লাইকের সংখ্যা বাড়িয়ে তাঁর জনপ্রিয়তাকে জাহির করতেই হবে। সেই লক্ষ্যেই ঝাঁপিয়ে পড়েছেন বিজেপির আইটি সেলের কর্মী এবং নেতারা। বড়দার চাকরি গেলে চলবে কী করে? বিজেপির আইটি সেলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে দলেরই এমপি সুব্রহ্মণ্যম স্বামী দু’দিন আগে ট্যুইট করেছেন, বিজেপির আইটি সেল দুর্বৃত্তে ভর্তি। অতএব বুঝহ সুজন।
মোদিজি মানেই যে সব ব্যাপারে রেকর্ড, সেটা এতদিনে আর বুঝিয়ে বলার দরকার নেই। করোনায় সারা বিশ্বে ভারতের স্থান এখন দ্বিতীয়। পেলে, নেইমারের দেশকে দশ গোল মেরে করোনা তালিকায় ভারত উঠে এসেছে দ্বিতীয় স্থানে। এখানেই শেষ নয়, অর্থনীতির ভরাডুবির তালিকায় ভারতের স্থান এখন প্রথম। জিডিপির নিরিখে দেশের আর্থিক পরিস্থিতি অন্ধকার। জিডিপি হল একটা সূচক, যেটা থেকে বোঝা যায় দেশের উৎপাদনের হার কেমন, এইসব উৎপাদনকে ঘিরে উপভোক্তাদের সাড়া কেমন মিলছে। অর্থাৎ কতটা জিনিস বাজার থেকে মানুষ কিনছেন। নাকি, তাঁদের ক্রয়ক্ষমতা কমছে! ক্রয়ক্ষমতা থাকলে বাজারের পণ্য বিকিকিনি চলতে থাকবে এবং স্বাভাবিকভাবে বাজারে অর্থনীতির একটা সজীব প্রবাহ থাকবে। অর্থাৎ পণ্যের উৎপাদন আছে, মানুষের হাতে কাজ আছে। তার পকেটে পয়সা আসছে এবং সেই পণ্যের ক্রয়-বিক্রয় বাজারে অব্যাহত আছে। এইসব ক্ষেত্রে জিডিপিকে খুবই শক্তিশালী সূচক হিসেবে লক্ষ করা যায়। আর জিডিপির পতন মানে, পণ্যের উৎপাদন নেই, কারখানা ধুঁকছে, মানুষের হাতে কাজ নেই, পকেটে পয়সা নেই এবং বাজারে পণ্য ডাঁই হয়ে পড়ে আছে, তার বিক্রি নেই, শিল্পে মন্দা ইত্যাদি ইত্যাদি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতায় বলেছিলেন, ‘যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে, সহস্র শৈবাল দাম বাঁধি আসে তারে।’ আমাদের দেশের চলমান সেই সজীব অর্থনীতিকে বিজেপি সরকার এসে নির্জীব, মৃতবৎ করে তুলেছে। অথচ সরকার এখন দৈব দুর্বিপাকের অজুহাত খুঁজছে। নিজেদের প্রত্যেকটি ব্যর্থতার দায় দৈবের উপর চাপিয়ে দিয়ে সরকার হাত ধুয়ে স্বচ্ছতার প্রতিমূর্তি হয়ে উঠতে চাইছে। কিন্তু মানুষ বুঝতে পারছে, কেন্দ্রে মোদি সরকার অলীক কুনাট্য রঙ্গে মেতেছে। কেননা এছাড়া তাদের আর কোনও উপায় নেই। ২০১৬ সালে ডিমানিটাইজেশনের বিষবৃক্ষ রোপণ করা হয়েছিল, তার বিষফল এক এক করে ফলতে শুরু করেছে। বাহবা নেওয়ার অকুণ্ঠ নেশায় হাতের তির তিনি হঠকারিতার বশে ছুঁড়ে ফেলেছেন। এখন দৈব দুর্বিপাকের জটাজুট আঁকড়ে কোনওরকমে তাঁকে দায়মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করতেই হবে। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা এই পরিণতির কথা অনেকদিন আগেই বলেছিলেন। খনার বচনে বলা আছে, ‘গাই ঩দিয়ে বায় হাল, তার দুঃখ চিরকাল।’ চাষ করতে হলে বলদ লাগে, গাই দিয়ে জোয়াল টানা যায় না। তেমনি দেশের অর্থনীতিকে সজীব রাখতে গেলে, শক্তিশালী রাখতে গেলে অর্থনীতির ন্যূনতম জ্ঞানটুকু দরকার। পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলার মতো উদ্ভাবনী জ্ঞান দরকার। শুধু দেশাত্মবোধের আবেগ আর সার্জিকাল স্ট্রাইকের টোটকায় জনপ্রিয়তা ধরে রাখা যাবে না।
বাজারে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে দৈব দুর্বিপাক নিয়ে কত রকমের ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ। তাই যদি হয়, তাহলে রাজাই শুধু তার সুযোগ নেবেন, তা তো হতে পারে না, সেই দৈব দুর্বিপাকের সুযোগ তো দেশের মানুষও নিতে পারেন। রাজার পাপে প্রজারও বিনাশ হয়। এখন দেশের মানুষ যদি এক স্বরে বলেন, এই দৈব দুর্বিপাকের জেরে আমাদের সরকারকে কর দেওয়ার ক্ষমতা নেই, জিএসটি দেওয়ার ক্ষমতা নেই, সেটা নিশ্চয়ই সরকারের পছন্দ হবে না। কিন্তু যা পরিস্থিতি, এভাবে বেঁচে থাকার দুর্বিষহ যন্ত্রণার মধ্যে সরকারকে কিছুটা নরম মনোভাব নিতেই হবে। দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই সময়টা সহজে অতিক্রম করা যাবে না। অনেক সতর্ক পদক্ষেপে এই কঠিন পথ অতিক্রম করতে হবে। তার মধ্যে একটি হল করছাড়। এই আর্থিক বছরে দেশের মানুষকে করছাড়ের ঘোষণা করে অনেকটা রিলিফ দেওয়া দরকার।
কেন্দ্র নানা সময়ে লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকার প্যা঩কেজ ঘোষণা করছে। কিন্তু সে টাকা কারা পায়, কোথায় যায়, তা চোখে দেখা যায় না। অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় তার পরিমাণ নগণ্য। কিন্তু করছাড়, ইএমআই, হোম লোন, জিএসটিতে ছাড় এসব যদি অন্তত একটি বছরের জন্য দেওয়া যায়, তবে মানুষের হাতে অনেকটাই টাকা আসবে। বাজারকে সচল রাখার জন্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতেই হবে। এখন যা অবস্থা তাতে বোঝাই যাচ্ছে, গেরুয়া অর্থনীতিবিদদের দিয়ে, দাসানুদাস অর্থনীতিবিদদের দিয়ে এবং মন্ত্রিমণ্ডলীর বোধবুদ্ধি দিয়ে দেশের অর্থনীতির হাল ফেরানো যাবে না। গত চার বছর ধরে নিরন্তর জিডিপি পতনের খেলা দেখে মানুষের আজ এই বিশ্বাস জন্মেছে। ২০১৬ সালের পর থেকে ধস নামতে নামতে অর্থনীতি তলিয়ে গিয়েছে অতলে। তখন করোনা ছিল না। তখন কেন, দিনের পর দিন জিডিপির পতন হয়েছে? সেও কি দৈব দুর্বিপাক? নাকি সরকারের নিজেরই ব্যর্থতা? গত বছরের তুলনায় মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের সঙ্কোচন হয়েছে ২৩.৯ শতাংশ। বড় অর্থনীতিবিদ না হলেও মানুষ সঙ্কটটা বুঝতে পারছেন। এই বিষয়ে এখন আর ধামাচাপা দেওয়ার কোনও রাস্তাই নেই। এটা নিয়ে ভুলভাল কথা বলে আত্মপক্ষ সমর্থনের সময়ও এখন নেই। এখন দুটো পথ। প্রথমত, দেশের যোগ্য অর্থনীতিবিদদের পরামর্শ নিয়ে আলোর পথে এগনো। ক্ষমতায় বিজেপি থাকতে পারে। কিন্তু দেশটা তাদের একার নয়। দেশটা সকলের। ডুবলে সকলেই ডুববে। তাই আজ বিপর্যয়ের মুখে সকলকে‌ সঙ্গে নিয়ে এগতে না পারলে, সেই বিচ্ছিন্নতার অহংবোধ আমাদের আরও গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেবে। দেশের অর্থনীতির এই হাল, অথচ রিজার্ভ বেঞ্চে বসে খেলা দেখছেন মনমোহন সিং, পি চিদম্বরম, যশোবন্ত সিনহার মতো বিদগ্ধ অর্থনীতিবিদরা। রঘুরাম রাজনের মতো অর্থনীতিবিদকে চলে যেতে হয়েছিল। সেই সময়েই রাজন বলেছিলেন, একদিন এমনই একটা সময় আসবে। যশোবন্ত সিনহা অভিযোগ করেছিলেন, নরেন্দ্র মোদি সরকার তথ্যে কারচুপি করছে। তাঁকেও বিজেপি ত্যাগ করতে হয়েছিল। এই বিপদের দিনে তাঁদের মতামত অবশ্যই দরকার। কীভাবে দেশকে গাড্ডা থেকে বের করা যায়, ইগো ভেঙে সেই পরামর্শ তাঁদের কাছ থেকেও নিতে হবে। আর দ্বিতীয় পথটি হল, আবার একবার ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়ে কিংবা বাজি ফাটিয়ে দেওয়ালির বাতি জ্বালিয়ে অর্থনীতির স্বর্গে বাতি দেওয়া। শেষ সৎকারটুকু সেরে নেওয়া।
মোদিজির নিজস্ব ঝকঝকে স্লোগান ছিল। ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ।’ অসাধারণ সেই স্লোগান। কিন্তু তিনি কথা রাখতে পারেননি। কর্মদোষে এখন সেটাই হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘সবকা সাথ, সবকা বিনাশ।’
আমাদের অনেকেরই একটা ব্যাপারে অভিজ্ঞতা আছে। ভিড় বাসে উঠলেই কন্ডাক্টররা চেঁচাতে থাকেন, ‘পিছনের দিকে এগিয়ে যান।’ আজ আমাদের দেশের সেই অবস্থা। মোদিজি দেশটার স্টিয়ারিং ধরে একটু একটু করে পিছনের দিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। এখন একটাই কথা মনে হচ্ছে, আমাদের সকল নিয়ে বসে আছি সর্বনাশের আশায়। সবকিছু বেচে দিয়ে দেশটা কখন ভাসায়।
09th  September, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
 অভিষেকেই জয়ের স্বাদ পেলেন বার্সেলোনার কোচ রোনাল্ড কোম্যান। দলের প্রাণভোমরা লিও মেসির গোল তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। গত মরশুমের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’য়ে ...

বরফ দেওয়া থার্মোকলের বাক্সের ভিতরে বোঝাই করে চলে আসছে ‘রুপোলি শস্য’। কোথাও নদীপথ, কোথাও কাঁটাতারের ফাঁক গলে এপারে তারা। চকচক করতে থাকা আটশো থেকে এক ...

 প্যাকেট ছাড়া বিড়ি-সিগারেট বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার। দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হিসেবে মহারাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ। সে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন থেকে আর খোলা বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। ...

 আগামী বছরের শেষদিকে বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিকাঠামো সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে বলেই দাবি করল ইন্ডিয়ান অয়েল। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রীতীশ ভারত বলেন, বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত যে গ্যাস লাইন আসার কথা, তার কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৫ রানে হারাল হায়দরাবাদ 

11:23:40 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM