Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

শাসন নয়, শোষণই
ছিল ব্রিটিশদের মূলমন্ত্র
মৃণালকান্তি দাস

ব্রিটিশ শাসিত ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল হয়েছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস। ১৭৮৪ সালে দেশে ফেরার পর পার্লামেন্টে তাঁকেও দাঁড়াতে হয়েছিল ইমপিচমেন্টের মুখে। ১৮৪ দিন সওয়াল জবাব চলেছিল। হেস্টিংসকে আক্রমণ করে এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন, “ভারতকে আমরা ছিবড়ে করে ছেড়ে দিয়েছি।” ব্রিটিশদের সেই লুটপাটের কথা কারও অজানা নয়। কিন্তু এই প্রশ্ন প্রায় উত্তরহীনই থেকে গিয়েছে যে, দুই শতকে ঠিক কী পরিমাণ অর্থ-সম্পদ উপমহাদেশ থেকে লোপাট করেছিল ব্রিটিশরা! এই উত্তরের খোঁজে দীর্ঘ গবেষণা চালিয়েছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ উৎসা পট্টনায়েক।
কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি প্রেসে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধে উৎসা পট্টনায়েক লিখেছেন, ব্রিটিশরা এই দুই শতাব্দীতে ভারতীয়দের শোষণ করে ৪৫ ট্রিলিয়ন (৪৫ লাখ কোটি) মার্কিন ডলারেরও বেশি অর্থ লোপাট করেছিল। নানাভাবে। ব্রিটিশরা এত বেশি বিত্তহরণ করেছিল যে, স্বাধীনতার ৭৩ বছর পরও ভারতে ঔপনিবেশিকতার ক্ষত রয়ে গিয়েছে।
আজ অনেকেই তো আর সেই সাম্রাজ্যবাদী লালসা, শোষণ কিংবা লুটতরাজের মতো মৌলিক বিষয় নিয়ে চর্চা করেন না। ইদানীং অনেকে আবার পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেন, ২০০ বছর ধরে ব্রিটিশরা কি কিছুই রেখে যায়নি, যার সুফল আমরা আজও ভোগ করছি? বিশেষত, রাজনৈতিক ঐক্য ও গণতন্ত্র, আইনের শাসন, রেল যোগাযোগ, ইংরেজি শিক্ষা, এমনকী চা, ক্রিকেটও? ব্রিটিশরাও বলার চেষ্টা করে, একাধিক যুদ্ধে লিপ্ত আদর্শ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার পরিবর্তে, একক ‘ভারত’ ধারণাটির জন্ম দেওয়াই ব্রিটিশ শাসনের সবচেয়ে বড় অবদান। যার কোনও তুলনাই চলে না।
সত্যিই কি তাই?
‘ভারত’ ধারণাটির বয়স হিন্দুদের একদম প্রথম দিককার পুরাণ বেদের সমান। যেখানে হিমালয় ও সমুদ্রের মধ্যবর্তী একটি অঞ্চলকে ‘ভারতবর্ষ’ হিসেবে বলা হয়েছে। মৌলানা আবুল কালাম আজাদ লিখেছেন, উত্তর-পশ্চিমের পাঠান থেকে শুরু করে দক্ষিণের তামিল, সবাইকেই আরবরা মনে করত একটি অভিন্ন সভ্যতার ধারক হিসেবে। এবং তাদের ডাকত ‘হিন্দি’ বলে। এতেই স্পষ্ট উপমহাদেশের গোটা ইতিহাস জুড়েই, ঐক্যের প্রতি একটি ঝোঁক রয়েছে। বরাবর। অনেক ভারতীয় শাসকই চেষ্টা করেছিলেন এই গোটা ভারতকে একীভূত করতে। চেষ্টা করেছিল মৌর্যরা। মুঘলরা তো অনেক কাছাকাছিও পৌঁছে গিয়েছিল, উপমহাদেশের অধিকাংশ এলাকা দখল করে ফেলেছিল তারা। ফলে ব্রিটিশরা না করলেও কোনও না কোনও ভারতীয় শাসক তার পূর্বসূরির দেখানো পথ ধরে, ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ার কাজটি ঠিকই করে দেখাত।
১৭৫৭-পরবর্তী বছরগুলোতে ব্রিটিশরা খুবই চাতুর্যের সঙ্গে ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ নীতির মাধ্যমে তাদের কর্তৃত্ব পাকাপোক্ত করতে থাকে। শতবর্ষ পরে, ১৮৫৭ সালে, হিন্দু ও মুসলিম সেনাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সংগ্রাম এবং ক্ষয়িষ্ণু মুঘল রাজতন্ত্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করতে দেখে, সতর্ক হয়ে ওঠে ব্রিটিশরা। কে না জানে, সেই ১৮৫৯ সালে বোম্বের ব্রিটিশ গভর্নর, লর্ড এলফিনস্টোন লন্ডনকে পরামর্শ দিয়েছিলেন: বিভাজন ও শাসনই হল প্রাচীন রোমান প্রবাদবাক্য, এবং সেই পথে যাওয়া উচিত আমাদেরও।
ধর্মীয়, সাম্প্রদায়িক, বর্ণভিত্তিক ব্যবধানকে বোঝার চেষ্টা করেছিল ব্রিটিশরা। যা একসময় এইসব ব্যবধানকে বিভাজন ও চিরস্থায়ীকরণের অনুশীলনে পরিণত হয়। তাই ঔপনিবেশিক প্রশাসকরা নিয়মিত এমন সব প্রতিবেদন রচনা করতে এবং সমীক্ষা চালাতে শুরু করেন, যেগুলো ভারতবাসীকে তাদের ভাষা, ধর্ম, সম্প্রদায়, জাত, উপ-জাত এবং গাত্রবর্ণের ভিত্তিতে আরও সঙ্কীর্ণরূপে উপস্থাপন করে। এর ফলে হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে বড় পরিসরের ধর্মীয় দাঙ্গা শুরু হয় ঔপনিবেশিক শাসনকালেই। কারণ, ব্রিটিশরাই এই অঞ্চলে শাসন শুরু করার পর এমন অনেক সমস্যাকে ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক রূপে প্রচার করতে থাকে, যেগুলো ছিল নিছকই সামাজিক। ব্রিটিশদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, ভারতীয় সমাজে ধর্মই হল মৌলিক বিভাজনের নেপথ্য-কারণ।
হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে একটি দ্বন্দ্ব ও বিবাদের দেওয়াল গড়ে তোলাই ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ নীতি। এই ‘বিভাজন ও শাসন’ নীতি চরম শিখরে পৌঁছয় ১৯৪৭ সালে। যখন ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। দেশভাগের ফলে দশ লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হয়। ১ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ দেশান্তরী হয়। কয়েক বিলিয়ন টাকার সম্পদ ধ্বংস হয়। এবং ক্ষতবিক্ষত এক ভূমিতে সাম্প্রদায়িক হিংসার আগুন দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে।
প্রাক্তন কূটনীতিক তথা এমপি শশী থারুর তাঁর ‘অ্যান এরা অব ডার্কনেস: দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার অব ইন্ডিয়া’ গ্রন্থে মার্কিন ইতিহাসবিদ তথা দার্শনিক উইল ডুরান্টকে উদ্ধৃত করে লিখেছেন, ‘ব্রিটিশদের ভারত-বিজয় ছিল একটি সমৃদ্ধ সভ্যতাকে আক্রমণ করে তাকে ধ্বংস করে দেওয়া।’ পুরাতত্ত্ব-নিদর্শন বিক্রিবাটাকে ব্রিটিশরা ‘আইনি’ রোজগারের উপায় করে তুলেছিল। এ দেশ থেকে বহুমূল্য কোহিনুর হিরে লুঠ করে নিয়ে গিয়েছিল ব্রিটিশ শাসকরা। সে হিরে এখন ইংল্যান্ডের রানির মুকুটে শোভা পায়। ভারতকে তারা অর্থদায়ী কামধেনু বলে মনে করত। ভারত থেকে যে বিপুল অঙ্কের অর্থ রাজকোষে জমা পড়ত, ব্রিটিশরা তাকে বলত, “একটি দেশ থেকে প্রাপ্তি... স্বর্গের দান।” সেই পথ ধরেই ১৭৬৫ থেকে ১৮১৫ সালের মধ্যে প্রতি বছর ব্রিটিশরা ভারত থেকে ১,৮০,০০,০০০ পাউন্ড শোষণ করেছিল।
শুনলে অবাক হবেন, অষ্টাদশ শতকের শেষ দিকে এদেশে খাজনার ন্যূনতম পরিমাণ ছিল আয়ের ৫০ শতাংশ। এই বোঝা সামলাতে পারছিল না জনসংখ্যার দুই তৃতীয়াংশ। ডুরান্ট লিখছেন, ‘‘যাঁদের (কর) বকেয়া রয়ে গিয়েছিল, তাঁরা কেউ জমিজিরেত ছেড়ে গুহায়, কেউ-বা খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। ক্রমাগত বেড়ে চলা করের ধাক্কা সামলাতে না পেরে বাবা তাঁর ছেলেকে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।’’ তখন কর বকেয়া মানেই অত্যাচার। ভারতীয়দের উপরে নির্মমভাবে বিপুল করের বোঝা চাপিয়ে সেই অর্থ নিজেদের দেশে পাঠিয়েছিল লন্ডনের শান বাঁধানো রাস্তা তৈরি করতে আর সাম্রাজ্য বিস্তারের যুদ্ধের খরচ বহন করতে। নিজের দেশ থেকে ঔপনিবেশিকদের খরচ বহন করতে করতে ভারত নিঃস্ব হয়ে গিয়েছে।
যে ভারতকে ব্রিটিশরা দখল করেছিল, তা ছিল সম্পদশালী, বাণিজ্যিকভাবে সমৃদ্ধ একটি সমাজ। যে কারণে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি শুরুতে আগ্রহী ছিল। উপনিবেশ-পূর্ববর্তী ভারত তখন রপ্তানি করত উচ্চমানের সব পণ্য, যেগুলো ব্রিটেনে ব্যবহার করাকে বিবেচনা করা হতো ‘কেতাদুরস্ত’ হিসেবে। ব্রিটেনের অভিজাতরা তখন ব্যবহার করত ভারতীয় পাট কিংবা মসলিনের তৈরি পোশাক। ঘর সাজাত ভারতীয় রং-বেরঙের সুতির কাপড় দিয়ে, আর রসনায় প্রিয় ছিল ভারতীয় মশলা ও চাটনি। শুনলে অবাক হবেন, সপ্তদশ ও অষ্টদশ শতকে, ব্রিটিশ দোকানিরা চেষ্টা করত বেশি লাভের আশায় নিজেদের তৈরি কাপড়কে ভারতীয় বলে চালিয়ে দিতে।
পলাশির যুদ্ধের মাত্র এক দশক পরে ১৭৬৮ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারতীয় টাকা খাটতে শুরু করেছিল। সেবার পার্লামেন্ট সদস্যদের ২৩ শতাংশই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অংশীদার। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তখন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি লবিই শেষ কথা। আর, পার্লামেন্টের প্রশ্রয়ে, কোম্পানির ডিরেক্টররা তখন এমন আর্থিক জালিয়াতি শুরু করেন যে, ১৭৭২ সালে লন্ডনে প্রায় এক ডজন ব্যাঙ্ক লালবাতি জ্বালতে বাধ্য হয়। কে না জানে, পলাশি যুদ্ধের পর ইংল্যান্ডে ক্লাইভ প্রায় নায়ক বনে গিয়েছিলেন। কিন্তু আর্থিক সঙ্কটের পরের বছরই, ১৭৭৩ সালে তাঁর বিরুদ্ধে বাংলার কোষাগার থেকে ২ লক্ষ ৩৪ হাজার পাউন্ড সরানোর অভিযোগ উঠেছিল।
কেউ বলতেই পারেন, ব্রিটিশরা তো ভারতকে ইংরেজি ভাষা শিখিয়েছে। কিন্তু কোনওভাবেই ইংরেজি ভাষাকে ব্রিটিশদের ‘উপহার’ বলা যায় না। বরং এটি ছিল উপনিবেশিকতার আরও একটি প্রভাবশালী কৌশল। ১৮৩৫ সালে লর্ড ম্যাকলের লেখা ‘মিনিট অন এডুকেশন’-এ পরিষ্কার রয়েছে ব্রিটিশের তরফে ভারতে ইংরেজি শিক্ষা চালু করার ধ্রুপদী কারণটি—‘‘আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে এমন একটি শ্রেণী গড়ে তোলার, যারা আমাদের এবং আমাদের নিয়ন্ত্রণাধীন লক্ষ লক্ষ মানুষের মধ্যে দোভাষীর ভূমিকা পালন করবে। তারা হবে এমন শ্রেণীর, যারা রক্তে-বর্ণে হবে ভারতীয়, কিন্তু রুচি, মত, মূল্যবোধ ও বুদ্ধিবৃত্তিতে ইংরেজ।’’ কোনওভাবেই ব্রিটিশরা চায়নি ভারতীয় সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করতে। শিক্ষা বিস্তারের জন্য কোনও বাজেট বরাদ্দের অভিপ্রায়ও তাদের ছিল না। আমরা ভারতীয়রাই বরং ইংরেজি ভাষাটিকে দখল করেছি এবং একে আমাদের নিজেদের স্বাধীনতার হাতিয়ারে পরিণত করেছি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইংল্যান্ডের তত্‍কালীন প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের নির্দেশে গ্রামবাংলা থেকে খাদ্যশস্যের ভাণ্ডার সরিয়ে ব্রিটিশ সেনাদের জন্য মজুত করা হয়েছিল। ফলে ১৯৪৩ সালে কৃত্রিম দুর্ভিক্ষে ৪০ লক্ষ বঙ্গবাসীর মৃত্যু হয়। ব্রিটিশরা ভারতে রেলপথ বসায়, ভারতীয়দের সুবিধার জন্য নয়। উপনিবেশ থেকে শোষণ করা কাঁচামাল ইংল্যান্ডগামী জাহাজে তোলার জন্য, সহজে বন্দরে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যেই। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ শাসকরা ভারতীয় সেনাদেরও কাঁচামালের মতোই ব্যবহার করেছিল। ভারতীয় করদাতাদের টাকায় গোলাবারুদ ও রসদ কিনেছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাবদ ব্রিটেনের কাছ থেকে ১২৫ কোটি পাউন্ড (১২,৪২৩ কোটি টাকা) পায় ভারত, যা এখনও তারা দেয়নি।
ব্রিটিশদের থেকে সেই বিপুল অর্থ ফেরতের দাবি তুলবে কে?
14th  August, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
 আগামী বছরের শেষদিকে বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিকাঠামো সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে বলেই দাবি করল ইন্ডিয়ান অয়েল। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রীতীশ ভারত বলেন, বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত যে গ্যাস লাইন আসার কথা, তার কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোহিনীপাড়ায় রবিবার গভীর রাতে ভেঙে গেল পূনর্ভবা নদী বাঁধের একাংশ। ভোররাত থেকেই বাঁধ বাঁচাতে কাজ শুরু করেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সেচ দপ্তর। যদিও রবিবার রাত থেকেই ওই নদী বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় জল ঢুকে ...

 ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়াল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকার দখল নিয়েই দুই দেশের লড়াই। রবিবার থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে দু’পক্ষের ২৩ জনের। আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি। ...

 প্যাকেট ছাড়া বিড়ি-সিগারেট বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার। দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হিসেবে মহারাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ। সে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন থেকে আর খোলা বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৫ রানে হারাল হায়দরাবাদ 

11:31:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM