Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। কিন্তু স্বাধীনতা প্রাপ্তির এতদিন পরেও যে আমাদের দুর্দশা ঘুচল না, তার জন্য দায়ী কারা? দেশের মানুষের করের কোটি কোটি টাকায় যে ভোট হয় এবং মানুষ যাঁদের প্রত্যাশা নিয়ে ক্ষমতায় বসায়, তাঁরা কি সত্যিই দেশের জন্য ভাবেন? স্বাধীনতা প্রাপ্তির পুণ্যলগ্নে মহাত্মা গান্ধী সকলকে সতর্ক করে বলেছিলেন, ‘আমাদের দাসত্বের অবসান হয়েছে। আমরা সকলে সোনালি সকালের মুখ দেখেছি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আমাদের সামনে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়ে আছে অসংখ্য সঙ্কট। সেসব দেখে ভয় পেলে চলবে না। আমাদের সঠিক ভাবনাচিন্তা এবং উদ্যোগে কেটে যাবে সব সমস্যা।’ সত্যিই সেইসময় আমাদের সামনে অসংখ্য সমস্যা বাধার প্রাচীর হয়ে ছিল। ঐতিহাসিকরা বললেন, জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্রের সুরক্ষা, জাতপাতের সমস্যা, সাম্প্রদায়িকতা, অর্থনীতির উন্নয়নে স্বনির্ভরতা, সাম্যতা, দারিদ্র্যদূরীকরণ ইত্যাদি বিষয়গুলি যথাযথ গুরুত্ব না পেলে আমরা এগিয়ে যেতে পারব না।
আজ এতদিন পরে মনে প্রশ্ন জাগে, আমরা কতটুকু এগিয়ে যেতে পেরেছি? ঝাঁ চকচকে রাস্তা, নগরোন্নয়নের গল্প, ইকো পার্ক, শপিং মলের ভিড়ে বাস্তব ছবিটা কি অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে আছে? গণতন্ত্র কি আজ সত্যিই সুরক্ষিত? জাতপাতের সমস্যা কি মিটে গিয়েছে? সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ বলে কি আমাদের দেশে কিছুই নেই? ধর্মীয় স্বাধীনতা আজ কতটা সুরক্ষিত? অর্থনীতির কতটা উন্নয়ন হয়েছে আর কতটাই বা বিনাশ হয়েছে? সাম্যতা আজও স্বপ্ন এবং দারিদ্র দূরীকরণ যেন সোনার পাথরবাটি। রাজনীতির সর্বগ্রাসী ব্যর্থতায় আমাদের দেশ আদতে ভিতরে ভিতরে ক্ষয়রোগে আক্রান্ত। কত অস্ত্র দেশের ভাণ্ডারে আছে, এটা অবশ্যই দেখা প্রয়োজন, পররাষ্ট্র আমার দেশের সার্বভৌমত্ব বিঘ্নিত করলে, তাকে কড়া জবাব দেওয়াও অবশ্য কর্তব্য। কিন্তু পাশাপাশি দেখা দরকার, দেশের সব মানুষের পেটে ভাত আছে কি না, তার আর্থিক বনিয়াদ কতটা মজবুত হল। দেশের সব শিশু শিক্ষা পাচ্ছে কি না, সব মানুষ হাতে হাতে কাজ পাচ্ছে কি না, শিল্পের ভিত কতটা মজবুত হয়েছে এসবও তো বিবেচ্য। শুধু ধর্ম আর জাতীয়তাবাদের আবেগ দিয়ে পেট ভরবে না। শুধু সরকারি হিসেবের কারচুপি দিয়ে মানুষের মন ভোলালে হবে না। আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষকে ‘সবকা বিকাশের’ ভক্কিবাজি দিয়ে ভোলালে হবে না। তাকে পেতে হবে সেই শক্তিশালী অর্থনীতির আঘ্রাণও। স্বাধীনতার জন্মলগ্ন থেকে রাজনীতিকরা যে খুব স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করতে পেরেছেন, তা বলা যাবে না। ১৯৫৪ সালে লোকসভার ভাষণে মেঘনাদ সাহা শিল্পনীতি নিয়ে জওহরলাল সরকারকে বিঁধেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘মিশ্র অর্থনীতিতে টাকা কোথা থেকে আসে? শিল্পপতিরা টাকা তুলিতে পারে না। সুতরাং একগাদা প্রতিষ্ঠান গড়িয়া উঠিয়াছে। ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিনান্স কর্পোরেশন ইত্যাদি। ইহাদের মারফৎ জনসাধারণের টাকা—টাটা, বিড়লা, ডালমিয়া, কস্তুরভাই, লালভাই প্রভৃতির পকেটে চলিয়া যায়। ব্যক্তিগত মালিকানা যাহাতে নিজের পায়ে দাঁড়াইতে পারে, তাহার জন্য তাঁহাদের বন্ধু অর্থসচিব ও শিল্পসচিব টাকাটা পাওয়াইয়া দেন।’ আজও তো সেই ট্র্যাডিশনই চলে আসছে। আদানি, আম্বানি, বিজয় মালিয়া, নীরব মোদিরা সেই সুফল ভোগ করে চলেছেন।
আসলে স্বাধীনতার জন্মলগ্ন থেকে একের পর এক ভুল আমরা করে চলেছি। ১৯৪৬ সালেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, ভারত স্বাধীন হচ্ছে। শুধু সময়ের অপেক্ষা। নিয়মমতো ব্রিটিশরা অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করার জন্য কংগ্রেস সভাপতিকেই আহ্বান করবেন। সেটা বুঝতে পেরেই কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে আবুল কালাম আজাদকে সরিয়ে দিয়ে মহাত্মা গান্ধীর দাক্ষিণ্যে কংগ্রেসের সভাপতি হলেন জওহরলাল নেহরু। সেদিন কংগ্রেসের মধ্যে বল্লভভাই প্যাটেলের যে সমর্থন ছিল, তা জওহরলালের থেকেও বেশি। প্যাটেলই হয়তো প্রধানমন্ত্রী হতেন, যদি না গান্ধীজি নেহরুর হয়ে জোর সওয়াল করতেন। গান্ধীজি বুঝেছিলেন, নতুন ভারতের ভিত্তি হল ধর্মনিরপেক্ষতা। প্যাটেল প্রধানমন্ত্রী হলে সেই ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি অনেকটাই পথভ্রষ্ট হতে পারে। প্যাটেল কিন্তু হিন্দুরাষ্ট্রের কথা যেমন বলেছেন, তেমনই বারবার বলেছেন, স্বাধীন ভারতে মুসলিমদের সুরক্ষার কথাও। তিনি বলেছেন, ‘যদি ভারতের মুসলিমরা নিজেদের এ দেশের একজন বলে ভাবতে না পারেন, তবে বুঝতে হবে, শাসক হিসেবে আমরা সেই পরম্পরা এবং দায়িত্ব পালন করতে পারিনি।’ আজ যাঁরা প্যাটেলের বিশাল মূর্তি বানিয়ে রাজনীতি করেন, তাঁরা তাঁর কথাকে কতটা মান্যতা দেন, সে বিষয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। যদি দিত, তাহলে এনআরসি-র মতো একটা আত্মঘাতী পরিকল্পনা নিয়ে সরকার গা-জোয়ারি করে এগনোর চেষ্টা করত না।
পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র নিয়ে আমাদের অনেক গর্ব। কিন্তু ইতিহাস বলছে, শাসক দল বার বার সেই গণতন্ত্রকেই আঘাত করেছে। কংগ্রেস আমলেও দেখা গিয়েছে, বিজেপি আমলেও দেখা গিয়েছে। রাজ্যপালকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার নগ্ন প্রমাণ ইতিহাস বারবার লিখে রেখেছে। কংগ্রেস আমলে যেমনভাবে সরকার ফেলে দেওয়ার অগণতান্ত্রিক কাজকর্ম হয়েছে, এখনও তা হচ্ছে। ১৯৮৪ সালে অন্ধ্রপ্রদেশে এনটি রামরাওয়ের সরকারকে ন্যক্কারজনকভাবে ফেলা হয়েছিল। রামরাও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হৃদরোগের চিকিৎসা করতে গিয়েছিলেন, সেইসময় তেলুগু দেশমের উচ্চাভিলাষী নেতা এন ভাস্কর রাওকে দিয়ে কংগ্রেস রামরাওকে ফেলার ছক কষল। ইন্দিরা গান্ধীর অঙ্গুলিহেলনে রাজ্যপাল রামলাল অন্ধ্রপ্রদেশের সরকারকে ফেলে ভাস্কর রাওকে সরকার গড়তে ডাকলেন, সেদিন ভাস্কর রাওকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য একমাস সময় দিয়ে রাজ্যপাল গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিলেন। এর বিরুদ্ধে রাজ্যজুড়ে তুমুল আন্দোলন শুরু হল। রাজ্যপাল এবং ইন্দিরা গান্ধীর নিন্দায় সারাদেশ মুখর হয়ে উঠল। সেদিন বিজেপিও চিৎকার করে বলেছিল, ইন্দিরা গান্ধী গণতন্ত্রকে হত্যা করলেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে, ভুল স্বীকার করে সেদিন কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী আবার রামরাওকে ক্ষমতায় বসিয়েছিলেন। পাশাপাশি রামলালকে স্কেপগোট করে তাঁকে সরিয়ে তিনি শঙ্করদয়াল শর্মাকে অন্ধ্রের রাজ্যপাল করে পাঠান। আজ সেই ভাস্কর রাও বিজেপিতে।
সেদিন যে বিজেপি ইন্দিরা গান্ধীকে গণতন্ত্রের হত্যাকারী বলে চিহ্নিত করেছিল, আজ সেই বিজেপি নিজেই একের পর এক রাজ্যের বিরোধী সরকার ফেলায় দারুণভাবে উৎসাহিত। এজন্য তারা এতটুকু লজ্জিত নয়। আজও দেখা যাচ্ছে রাজ্যপালরা কেন্দ্রে শাসক দলের এজেন্টের মতো ভূমিকা পালন করছেন। শুধু রং বদলায়, শাসকের মন বদলায় না। কংগ্রেস অতীতে বার বার বিভিন্ন রাজ্যে সরকার ফেলে যে পাপ কাজ করেছে বা জরুরি অবস্থা জারি করে দেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে, আজ বুঝি তাকে তার মাশুল দিতে হচ্ছে। সেই জুতোয় পা গলিয়ে বিজেপি সরকারও একইভাবে ক্ষমতা দখল করে পাপকাজের ভাগী হচ্ছে। ইতিহাস নির্মম। সে কাউকে ক্ষমা করে না।
যে লক্ষ্যে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছিলাম, তা যে একেবারেই পূর্ণ হয়নি তা বলা যাবে না। কিছুটা হয়েছে, আর অনেকটাই বাকি রয়ে গিয়েছে। কিন্তু অনেকটাই আমাদের দেশের শাসকদের ব্যর্থতা আর দুর্নীতির জন্য আমরা অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারিনি। সেই সঙ্গে দুর্বৃত্তায়নে রাজনীতির প্রশ্রয় তাকে মাঝেমাঝেই অন্ধ করে দেয়। ক্ষমতায় থাকার পর দেখা গিয়েছে বহু নেতার সম্পত্তি শত শত গুণ বেড়ে গিয়েছে। দেশসেবা মানে কি শুধু কামাই? এই প্রশ্নে দেশে গণভোট হলে এই মতের পক্ষে ৯৯ শতাংশ ভোট পড়তে পারে।
ঝাঁ চকচকে উন্নয়নের বিজ্ঞাপনের আড়ালে আছে এক অন্ধকার। সেখানে দেশের মানুষের অশ্রুবাদল ঝরেই চলেছে। দেশ যোগ্য মানুষের হাতে না পড়লে এই অন্ধকার দূর হবে না। এখনও মানুষ মনে করে, নেতাজিই ছিলেন সেই যোগ্যতম নেতা। কিন্তু দুর্ভাগ্য দেশকে বিড়ম্বিত করেছে।
12th  August, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
 অভিষেকেই জয়ের স্বাদ পেলেন বার্সেলোনার কোচ রোনাল্ড কোম্যান। দলের প্রাণভোমরা লিও মেসির গোল তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। গত মরশুমের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’য়ে ...

ঘূর্ণিঝড় উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক অনুদান দিচ্ছে রাজ্য সরকার। শহরাঞ্চলে সেই প্রক্রিয়া চালাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। প্রায় সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে। ...

 আগামী বছরের শেষদিকে বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিকাঠামো সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে বলেই দাবি করল ইন্ডিয়ান অয়েল। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রীতীশ ভারত বলেন, বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত যে গ্যাস লাইন আসার কথা, তার কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি ...

 প্যাকেট ছাড়া বিড়ি-সিগারেট বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার। দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হিসেবে মহারাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ। সে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন থেকে আর খোলা বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ১২৮/২ (১৬ ওভার) 

09:09:08 PM