Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল। ২০১৬ সালের মে মাসে প্রাক্তন ক্যাবিনেট সেক্রেটারি সুব্রহ্মণ্যম একটি রিপোর্ট পেশ করেন। তার ভিত্তিতে মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক ওই বছর একটি নথি প্রকাশ করে। তারপর ২০১৭-র জুনে কস্তুরিরঙ্গনের নেতৃত্বে ‘খসড়া জাতীয় শিক্ষনীতি’ রচনার জন্য একটি কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটি ২০১৯-এর ৩১ মে ‘খসড়া জাতীয় শিক্ষনীতি ২০১৯’ মন্ত্রীর কাছে জমা দেয়। সেটা গত ২৯ জুলাই মন্ত্রিসভার সিলমোহর পায় এবং ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০’ নামে আত্মপ্রকাশ করে। সরকারের দাবি, এই গোটা প্রক্রিয়ায় ৬৭৬টি জেলার ৬৬০০ ব্লকের আড়াই লক্ষ গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে দু’লক্ষ মতামত তাঁরা সংগ্রহ করেছে।
আপাতদৃষ্টিতে মনে হবে, ‘বাহ্‌, এত মতামত নিয়েছে যখন তাহলে তো বেশ গণতান্ত্রিক!’ প্রধানমন্ত্রীও বুক ফুলিয়ে বাহবা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু মতদানকারীদের তালিকা দেখলে সবারই চক্ষু চড়কগাছ হবে। কস্তুরিরঙ্গন মহাশয়ের রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, মতদাতারা মুখ্যত আরএসএস/বিজেপির নিজস্ব বা পছন্দের সংগঠনের লোক। দেশে আর কোন ছাত্র বা শিক্ষক সংগঠনের খোঁজ তাঁরা পাননি। অন্য মতের ছাত্র ও শিক্ষক সংগঠন এবং গণতান্ত্রিক মননসম্পন্ন শিক্ষাবিদরা যে তাঁদের মত কয়েক দফায় হাজারে হাজারে কেন্দ্রীয় সরকারকে পাঠিয়েছিলেন তা তো অজানা নয়। তাহলে কমিটি কি সেগুলো বাজে কাগজের ঝুড়িতে নিক্ষেপ করল?
গত ২১ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞান ভবনের সভায় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী খসড়া শিক্ষানীতির উপর রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীদের মত যখন চেয়েছিলেন তখন গুজরাত, দিল্লি, কেরল, মধ্যপ্রদেশ ও মিজোরামের মতো রাজ্যগুলি খসড়া নীতিতে প্রস্তাবিত ‘রাষ্ট্রীয় শিক্ষা আয়োগ’ (আরএসএ) গড়ে শিক্ষার উপর চূড়ান্ত কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিল। সরকার গণতান্ত্রিক হলে এই মতামতের কোনও প্রতিফলন ঘোষিত শিক্ষানীতিতে পড়ল না কেন?
আমরা কী দেখছি? ২০১৬ থেকে একের পর এক যে নথি পেশ হয়েছে। তার সঙ্গে সর্বশেষ নথি যা জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ হিসাবে ঘোষিত হল, তার মূল সুরের কোনও পার্থক্য নেই। মৌলিক শিক্ষার পরিবর্তে কর্মমুখী শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার অবলুপ্তি ঘটিয়ে স্কুলে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত সেমিস্টার চালু করতে বলা হয়েছে। জোর দেওয়া হয়েছে সংস্কৃত শিক্ষার উপর। হ্রাস করা হয়েছে ইংরেজি শিক্ষার গুরুত্ব। শিক্ষক-ছাত্র পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে পরিচালিত শ্রেণীকক্ষ শিক্ষার পরিবর্তে অনলাইন শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। তিন ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় সৃষ্টি করতে বলা হয়েছে। ইউজিসি-এআইসিটিই প্রভৃতি উচ্চশিক্ষার নিয়ন্ত্রক সংস্থার অবলুপ্তি ঘটাতে বলা হয়েছে। পরিবর্তে গড়া হবে হায়ার এডুকেশন কমিশন। রয়েছে ‘ভারতীয়ত্ব’ ও ‘ভারতীয় ঐতিহ্য’ গোছের হিন্দুত্ব-সুলভ সুড়সড়ি। শিক্ষার জন্য জিডিপির ৬% বা কেন্দ্রীয় বাজেটের ১০% বরাদ্দ করা সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতির অনুপস্থিতি পরিলক্ষতি হয়। শিক্ষাকে কর্পোরেট সংস্থার মুনাফা তৈরির মৃগয়াক্ষেত্রে পর্যবসিত করার কথা তো আগের নথিগুলিরই অংশ। এগুলির সিংহভাগই আরএসএস-সংঘ পরিবারের অ্যাজেন্ডা। তাহলে অন্যদের কোন মত গ্রহণ করা হল? যে দু’লক্ষ মতামতের ভিত্তিতে এই শিক্ষনীতির প্রণয়ন তার সবগুলোই কি তাহলে বিজেপির আকাঙ্ক্ষার অনুসারী বলে ধরে নিতে হবে?
যে ‘আরএসএ’ গঠনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে প্রতিবাদ হল, এমনকী গুজরাতের মতো রাজ্যও প্রতিবাদ করল, তাকেও বেনামে রাখার ব্যবস্থা হল এই শিক্ষানীতিতে। এক্ষেত্রে অত্যন্ত চালাকির আশ্রয় তাঁরা নিলেন। বর্তমানে যে সেন্ট্রাল অ্যাডভাইসরি বোর্ড অফ এডুকেশন (সিএবিই) আছে তার হাতেই প্রভূত ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। অর্থাৎ যেহেতু প্রতিবাদ হয়েছে তাই সিএবিই-র বেনামে ‘আরএসএ’-র মতো সংস্থা গড়ে শিক্ষার উপর ছড়ি ঘোরানোর ব্যবস্থা তাঁরা করতে চাইছেন। এটা গণতন্ত্র না চরম শঠতা? শুধু একটা স্বপ্ন পূরণ হল না মোদিজির। তাঁর ইচ্ছা ছিল শিক্ষার সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা হিসাবে ‘আরএসএ’ গঠন করে তার চূড়ায় নিজেকে আসীন করবেন। হল না, কারণ সিএবিই-র চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রী।
কেন এই শিক্ষানীতি দেশের বিপদ ডেকে আনবে? বিদ্যালয় স্তরে ৫+৩+৩+৪ প্রথা প্রবর্তন করার ফলে গ্রামে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর অন্তর্ভুক্তিতে যে পরিকাঠামোগত বা উপযুক্ত শিক্ষকের সমস্যা হবে সে প্রশ্ন উঠছেই। কিন্তু সেমিস্টার প্রথা যা কলেজ স্তরে এই মুহূর্তে আছে তাতে শিক্ষার সর্বাঙ্গীনতা যে ব্যাহত হচ্ছে তা বহুল সমালোচিত। তার প্রতি কর্ণপাত না করে সরকার সেই প্রথাকে বিদ্যালয় স্তরে প্রবর্তন করছে কী কারণে? বুনিয়াদি শিক্ষার বুনিয়াদটাই এর ফলে নড়বড়ে হয়ে যাবে না কি? মাধ্যমিক-পাশ এদেশে সরকারি বেসরকারি নানা চাকরি পাওয়ার একটা যোগ্যতা মান। দশম শ্রেণীর পর বোর্ড পরীক্ষার অবলুপ্তি ঘটিয়ে বিদ্যালয় স্তরের শেষ পরীক্ষা দ্বাদশে নিয়ে যাওয়ার ফলে পড়ুয়াদের আরও দু’বছর অপেক্ষা করতে হবে। অসংখ্য নিম্নবিত্ত পরিবারের জন্য কোন সুসংবাদ এই শিক্ষানীতিতে রয়েছে? ‘শিক্ষাবিধি’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘মানুষ মানুষের কাছ হইতেই শিখিতে পারে; ... প্রাণের দ্বারাই প্রাণ সঞ্চারিত হইয়া থাকে, ... গুরুশিষ্যের পরিপূর্ণ আত্মীয়তার সম্বন্ধের ভিতর দিয়াই শিক্ষা কার্য সজীব দেহের শোণিত স্রোতের মত চলিতে পারে।’ যে অনলাইন শিক্ষার উপর এই নীতি জোর দিয়েছে, ৫০%-র বেশি পড়ুয়াকে সেই ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করবে বলে পরিকল্পনা করেছে তাতে প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রই হল ‘গুরু’। প্রশ্ন হল, যন্ত্র কি কিশোর মনে ‘প্রাণ সঞ্চার’ করবে, মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেখাবে, মননশীলতা গড়ে তুলবে? না কি যন্ত্র কেবল যন্ত্রবৎ কিছু মানুষের জন্ম দেবে? বরং ‘ডিজিটাল ডিভাইড’-র ফলে দু’ধরনের ছাত্রের সৃষ্টি হবে।
বিস্মিত করেছে এই নথির উপক্রমণিকা এবং পরবর্তী অধ্যায়গুলির বক্তব্যের বৈপরীত্য। ‘ন্যায়ের ভিত্তিতে সকলের জন্য সমমানের শিক্ষা প্রদান’ জাতীয় কথাগুলি শিক্ষানীতির উদ্দেশ্য হিসেবে ছত্রে ছত্রে বলা আছে। অথচ আমরা বুঝি, গ্রামে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণী অন্তর্ভুক্তির ফলে সরকার পোষিত বুনিয়াদি শিক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হবে। স্বভাবতই বিত্তশালী পরিবারগুলি বেসরকারি স্কুল বেছে নেবে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় কর্পোরেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রমরমা বাড়বে। সরকারই যখন তিনটি অসম মানের বিশ্ববিদ্যালয় সৃষ্টি করবে, তখন কোথায় থাকবে এই ন্যায় ও সমতার তত্ত্ব? ‘বহুত্ববাদিতা’, ‘বৈচিত্র্য’ প্রভৃতি মূল্যবোধের শিক্ষা পড়ুয়াদের দেওয়া হবে। এসব বলতে বলতেই এই শিক্ষানীতি বহুজাতি, বহুভাষী, বহুসংস্কৃতির দেশে এক পাঠ্যবিষয়, এক পরীক্ষা, এক প্রবেশিকা পরীক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর উপর জোর দেওয়ার প্রতিশ্রুতির কথা যখন আওড়াচ্ছে তখন শিক্ষা যে যুগ্ম তালিকায় আছে তা তারা সম্পূর্ণ বিস্মিত হয়েছে। ‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ’-এর শিক্ষা ছাত্রদের দেবে যখন বলছে তখন সংসদ এড়িয়েই জাতীয় শিক্ষানীতি চূড়ান্ত করে ফেলল।
মূল্যবোধের শিক্ষা তাঁরাই দিতে পারেন যাঁরা নিজেরা সততার সঙ্গে তার চর্চা করেন। বিজ্ঞানভিত্তিক মননের জন্ম তাঁরাই দিতে পারেন যাঁরা সর্বপ্রকার কুসংস্কারাচ্ছন্ন চিন্তা এবং অনৈতিহাসিক ভাবনা-ধারণা থেকে মুক্ত। এই শিক্ষানীতিতে ছাত্রমনকে ‘বিজ্ঞান ও যুক্তি নির্ভর’ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সাংবিধানিক পদমর্যাদাসম্পন্ন নানা ব্যক্তির মুখনিঃসৃত বাণী শুনছি যে, ‘মহাভারতের যুগে ইন্টারনেট’, ‘ডারউইন তত্ত্ব ভুল’, ‘বেদের যুগে এরোপ্লেন’ ইত্যাদি। সেই তাঁরাই ছাত্রদের বিজ্ঞানসম্মত মনন বিকাশের দায়িত্ব নেবেন! সন্দেহ তো জাগবেই। দুঃখজনক হল, ওই শিক্ষানীতিতে সিলমোহর লাগাতে যেদিনটা তাঁরা বেছে নিলেন সেই ২৯ জুলাই ছিল বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ১৩০ তম প্রয়াণ দিবস। বিদ্যাসাগর ছিলেন আমাদের দেশের বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার জনক। সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে ঊনবিংশ শতাব্দীতেই তিনি ভারতীয় ঐতিহ্যের নামে মধ্যযুগীয় যে শিক্ষা পদ্ধতি চলছিল তাকে বাতিল করে আধুনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। ধর্মীয় কুসংস্কারমুক্ত আধুনিক ও যুক্তিবাদী মননসম্পন্ন মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই তা তিনি করেছিলেন। এই শিক্ষানীতিতে তাঁর নাম উচ্চারণ করার প্রয়োজনও এঁরা বোধ করেননি। বরং একবিংশ শতাব্দীতে এসে ‘ভারতীয়ত্বের’ নামে তাঁরা বিদ্যাসাগর নির্ধারিত শিক্ষার ধারাকে উল্টে দিতে চাইছেন! মোদিজির দাবি, এই শিক্ষানীতি যুগান্তকারী। শিক্ষার সঙ্কোচন, বেসরকারিকরণ ও কেন্দ্রীকরণ স্বাধীনতার পর থেকেই ছিল। বাস্তবে এই ত্রিফলা আক্রমণের সঙ্গে তাঁদের অবদান হল—শিক্ষার চূড়ান্ত রাজনীতিকরণ ও গৈরিকীকরণ। নয়া জাতীয় শিক্ষানীতির বিপদ এখানেই সর্বাধিক।
 লেখক যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সারা বাংলা সেভ এডুকেশন কমিটির সম্পাদক। মতামত ব্যক্তিগত
12th  August, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
বরফ দেওয়া থার্মোকলের বাক্সের ভিতরে বোঝাই করে চলে আসছে ‘রুপোলি শস্য’। কোথাও নদীপথ, কোথাও কাঁটাতারের ফাঁক গলে এপারে তারা। চকচক করতে থাকা আটশো থেকে এক ...

 প্যাকেট ছাড়া বিড়ি-সিগারেট বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার। দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হিসেবে মহারাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ। সে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন থেকে আর খোলা বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। ...

 অভিষেকেই জয়ের স্বাদ পেলেন বার্সেলোনার কোচ রোনাল্ড কোম্যান। দলের প্রাণভোমরা লিও মেসির গোল তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। গত মরশুমের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’য়ে ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোহিনীপাড়ায় রবিবার গভীর রাতে ভেঙে গেল পূনর্ভবা নদী বাঁধের একাংশ। ভোররাত থেকেই বাঁধ বাঁচাতে কাজ শুরু করেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সেচ দপ্তর। যদিও রবিবার রাত থেকেই ওই নদী বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় জল ঢুকে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ১২৮/২ (১৬ ওভার) 

09:09:08 PM