Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

রবিন নস্কর ঠিকাদার। রঙের কাজ করান। দক্ষিণ কলকাতার একটা বড় অংশজুড়ে কাজ চলে তাঁর। কিন্তু মিস্ত্রিরা কেউ এখানকার নন। কেউ আসেন ক্যানিং থেকে, কেউ চম্পাহাটি, কেউ ডায়মন্ড হারবার। লকডাউন শুরু হওয়ার পর আর বাজার নেই রবিনবাবুর। আনলকের চাবিকাঠির আশায় বুক বেঁধেছিলেন, এবার হয়তো ট্রেন চলবে। ট্রেন চালু হলে তাঁর মিস্ত্রিরা আসতে পারবে। কনস্ট্রাকশনের কাজ তো টুকটুক করে কবেই শুরু হয়ে গিয়েছে। ট্রেনটা চললেই হল... আর ধার করে সংসার চালাতে হবে না। ব্যবসা ঘুরবে...।
বিশ্বনাথ শর্মা। একটা কোম্পানিতে এসি টেকনিশিয়ানের কাজ করেন। লকডাউন শুরুর আগে দেশের বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন। দেশ মানে উত্তরপ্রদেশ। আর কলকাতায় ফিরতে পারেননি। স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে থাকতে ভালোই লাগে... কিন্তু কতদিন? পকেট যে ফাঁকা হতে শুরু করেছে। তাই আবার বেরিয়ে পড়েছিলেন বিশ্বনাথ। প্রথমেই এসেছিলেন দেওরিয়া বাসস্ট্যান্ড। যেভাবে হোক গোরক্ষপুর স্টেশন পৌঁছতে হবে। ওই ৫০ কিমি যাওয়ার জন্য বাস মিলবে দেওরিয়া থেকেই। গোরক্ষপুর থেকে কলকাতার শ্রমিক স্পেশাল। তারপর হাওড়া স্টেশন... চলে এসেছেন বিশ্বনাথ। বন্দোবস্ত করে... বাথরুমের দরজার পাশে বসে। জানেন, একবার কলকাতা পৌঁছলে কাজটা ফিরে পাবেন! আর ওখানে না হলে অন্য কোথাও... রেস্ত ঠিক জুটে যাবে। স্ত্রী-ছেলেমেয়েদের শুকনো মুখের দিকে যে তাকানো যায় না! খিদেয় মরার থেকে করোনায় আক্রান্ত হওয়া ভালো...।
দুই চিত্র। আর্তি একটাই—কাজে ফেরা। কিছুটা টাকা পয়সার সংস্থান হোক। তাহলে সংসারটা তো চলবে! বিনা পয়সার রেশনেরও যে একটা বর্ডার লাইন আছে! চালটা ডালটা মিলে যাচ্ছে। কিন্তু তারপর? তারপরও যে জীবনে অনেক কিছু থাকে। সেই জন্যেই ভোর হতে না হতে শিয়ালদহ বা হাওড়া স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে এসে দাঁড়ানো লোকালগুলো থেকে হুড়মুড় করে নামতে থাকে মানুষ। দু’জনের মধ্যে দিয়ে তিল গলার জায়গা নেই। কিন্তু কেউ কাউকে ধাক্কা মারছে না। পদপিষ্ট হচ্ছে না... এ যে রোজকার ঘটনা! শান্তিপুর, মেদিনীপুর, বর্ধমান থেকে ডেলি প্যাসেঞ্জাররা আসেন মহানগরীতে। লক্ষ লক্ষ...। কাজের খোঁজে। কেউ অফিসপাড়ায়, আবার কেউ মুটে-মজুর, মিস্ত্রি, জোগানদারের কাজে। উৎপাদন ক্ষেত্র হোক বা নির্মাণশিল্প—অর্থনীতির গাড়ি ঠেলার কাজটা গতর লাগিয়ে করেন তাঁরাই। এই শ্রমিক বা অফিসবাবুরা ডেলি প্যাসেঞ্জারি করে কলকাতা বা বড় বড় শহরগুলোয় আসেন। তারপর বিভিন্ন বাসে চেপে বেরিয়ে পড়েন গন্তব্যের পথে। ট্রেন বন্ধ। প্ল্যাটফর্মের চেনা ছবিটা তাই নেই। আর ঠিক এই কারণে উধাও বেসরকারি বাসও।
আনলক পর্বে যখন বাস পরিষেবা আবার চালু হল, আশার আলো দেখেছিলেন অনেকেই। ভেবেছিলেন, যাক! ট্রেন না চলুক, বাসে বাসে কাজে চলে যাব। সেই ভাবনা খুব একটা বাস্তব রূপ পায়নি। সরকারি অনুরোধ-উপরোধেও নয়। কেন?
একটা খুব পরিচিত দৃশ্য রেল স্টেশনগুলির আশপাশে দেখা যায়... বেসরকারি বাসের দাঁড়িয়ে থাকা। টাইম নেওয়া। হাওড়া, খড়্গপুর এবং বহু স্টেশন চত্বরে তো বাস টার্মিনাসই রয়েছে। এর কারণ একটাই, প্যাসেঞ্জার। স্টেশন এলাকা থেকে যে কোনও রুটের বাস প্রায় সব সময় যত সংখ্যক প্যাসেঞ্জার পায়, তা অফিস পাড়ার নির্দিষ্ট কিছু টাইম ছাড়া মেলে না। তাই আনলক পর্বে এসেও বাসমালিকরা যে রাস্তায় গাড়ি নামাতে চাইবেন না, তা সহজবোধ্য। প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, কলকাতায় প্রায় ৬ হাজার বেসরকারি বাস চলে। তাদের প্রত্যেককে মাসে ১৫ হাজার টাকা করে দেবে সরকার। ভবি ভুলল না। বাসমালিকরা দাবি তুললেন, রাজ্যের সব বেসরকারি বাসকে এই সুবিধা দিতে হবে। সরকারি বাসের সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়া হল। তাও সেই শূন্যস্থান পূরণ হল না। বহু মানুষ এমনিতেই এসি বাসের বেশি ভাড়ায় পা দিতে চান না। লকডাউনের চাকরি ছাঁটাই এবং অর্ধেক-বেতন পর্বে সেই প্রবণতা আরও বেড়েছে। জানালা খোলা বাসের লক্ষ্যেই তাই দাঁড়িয়ে থাকছেন অধিকাংশ নিত্যযাত্রী। করোনা আতঙ্ক সঙ্গী করেই...।
পশ্চিমবঙ্গ হোক কিংবা মহারাষ্ট্র... ব্যস্তসমস্ত শহরের চরিত্রটা কিন্তু সর্বত্রই এক। পেটের টান সংক্রমণেরও আগে। তাই সরকারি বাসের দরজায় দাঁড়িয়ে পবিত্রবাবু যখন হুড়মুড়িয়ে ওঠা প্যাসেঞ্জারদের সামাজিক দূরত্বের দোহাই দিয়ে আটকাতে চান, কেউ গা করে না। কন্ডাক্টরকেই ঠেলে সরিয়ে দেয় নিত্যযাত্রীরা। দূরত্ব মেনে বসা তো দূরঅস্ত, বাসে দাঁড়ানোর পর্যন্ত জায়গা থাকে না। সংক্রমণের আর দোষ কী? পর্যাপ্ত সংখ্যায় বাস যদি রাস্তায় থাকত, তাহলে কি এমনটা হতো? একেবারেই নয়। প্যাসেঞ্জার ভাগ করার ক্ষেত্রে অন্তত সরকারি এবং বেসরকারি বাস একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। রাজ্যের রাস্তায় পর্যাপ্ত সংখ্যক বাস থাকলে সবার আগে যা হতো, তা হল প্যাসেঞ্জার ভাগ। একটি বাসে ৫০ জন যাত্রী তিনটি বাসে ভাগাভাগি হতো। অর্থাৎ সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকত এবং একইসঙ্গে কমে যেত করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা।
বাসমালিকরা অবশ্য অর্থনীতির দিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁদের প্রধান দাবি একটাই, ভাড়া বৃদ্ধি। যুক্তি হিসেবে তাঁরা দেখাচ্ছেন ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি। তার সঙ্গে রয়েছে কম সংখ্যক প্যাসেঞ্জার। ভাড়া বাড়ানোর ছাড়পত্র মিললেই যাবতীয় ঘাটতি পুষিয়ে যাবে। সব বাস তখন হইহই করে নেমে পড়বে পথে। চারটি প্যাসেঞ্জার কম হলেও আর দুঃখ থাকবে না। বরং দু’টো এক্সট্রা ট্রিপ করার কথাও তখন তারা ভাবতে পারে। কিন্তু এক শ্রেণীর বাসমালিকরা ভুলে যান, ডিজেলের দাম যখন কমেছিল, তখন কিন্তু তাঁরা ভাড়া কমাননি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা। তাঁরা হয়তো শেষ কয়েকটা টাকা সম্বল করে বেরিয়েছেন একটা কাজের খোঁজে। যতটা সম্ভব হেঁটেই চলেছেন। না পারলে দাঁড়িয়ে পড়ছেন বাসের পাদানিতে। সেখানেও যদি ‘বাজেট’ ভেঙে যায়... আরও দ্রুত ফুরিয়ে যাবেন তাঁরা। সংক্রমণ ভয় দেখায় না... তাঁরা ভীত দু’মুঠো ভাতের অভাবে। ওই দিনটা তাঁরা দেখতে চান না।
সরকারি হিসেব বলছে, শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে প্রায় ৫০ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিককে নিজেদের রাজ্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। সবচেয়ে বেশি উত্তরপ্রদেশ... সংখ্যাটা প্রায় ৩০ লক্ষ। ফিরছেন তাঁরা। কেউ মুম্বই, কেউ কলকাতা, কেউ ভোপাল...। কন্ট্রাক্টররা পকেটের পয়সা খরচ করে অনেককে নিয়ে যাচ্ছেন। ১৪ দিন রেখে দিচ্ছেন কোয়ারেন্টাইনে। ঘড়ির কাঁটা যে থেমে থাকবে না... তাই কাজও বন্ধ রাখা যাবে না। ছ’মাস আগে লাভের যে অঙ্কটা কাজ করানেওয়ালারা দেখেছিলেন, আজ কিন্তু তা দেখছেন না। বরং যেভাবে হোক কাজটা শেষ করাই তাঁদের লক্ষ্য। কয়েকদিন পর পার্টি বলবে, হয় ডেলিভারি দাও না হলে টাকা ফেরত। অর্থনীতির ক্ষেত্রটা ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। আজ উদ্দেশ্য একটাই, তাকে গড়িয়ে নিয়ে যাওয়া। যেভাবে হোক। কাল না হলে পরশু চাকা আবার চওড়া হবে। তখন না হয় আবার প্রফিটের অংশটাও বাড়িয়ে নেওয়া যাবে!
এই ভাবনাটা আজ কেন বাস পরিষেবায় দেখা যাচ্ছে না? সার্ভিস... পরিষেবা... কথাটার মানেই যে মানুষের জন্য। বাসের সংখ্যা বাড়লে জায়গা পাওয়ার জন্য মানুষকে হুড়োহুড়ি করতে হতো না। দেখা যেত না গা ঘেঁষাঘেষির ছবি। তাহলে সংক্রমণের ঝাপটা কিছুটা হলেও কিন্তু কমত। আজ ক’দিন মানুষের সেবায় নামলে মানুষও ভরসা করে পথে বেরত... সচল হতো অর্থনীতিও। টাকা হয়তো মন মতো মিলত না। কিন্তু দায়বদ্ধতা শব্দটার প্রতি সম্মান দেখানোর সুযোগ একটা তৈরি হতো। তাহলে পরে ভাড়া বাড়ানোর অনুরোধও হয়তো হাসিমুখে মেনে নিত মানুষ। আজ তো সেই সময়, সেই পরিস্থিতি নেই! এখন যে দরকার পরিষেবা... ব্যবসার জন্য তো জীবন পড়ে আছে।
11th  August, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
 ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়াল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকার দখল নিয়েই দুই দেশের লড়াই। রবিবার থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে দু’পক্ষের ২৩ জনের। আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি। ...

 অভিষেকেই জয়ের স্বাদ পেলেন বার্সেলোনার কোচ রোনাল্ড কোম্যান। দলের প্রাণভোমরা লিও মেসির গোল তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। গত মরশুমের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’য়ে ...

 আগামী বছরের শেষদিকে বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিকাঠামো সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে বলেই দাবি করল ইন্ডিয়ান অয়েল। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রীতীশ ভারত বলেন, বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত যে গ্যাস লাইন আসার কথা, তার কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি ...

বরফ দেওয়া থার্মোকলের বাক্সের ভিতরে বোঝাই করে চলে আসছে ‘রুপোলি শস্য’। কোথাও নদীপথ, কোথাও কাঁটাতারের ফাঁক গলে এপারে তারা। চকচক করতে থাকা আটশো থেকে এক ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ১২৮/২ (১৬ ওভার) 

09:09:08 PM