Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

জন্মাষ্টমী পরমপুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম ও তাঁর নামে উৎসর্গীকৃত দিন। বিগত বহু শতাব্দী ধরে এইদিনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মকাহিনী আবর্তিত হয়ে আসছে আমাদের এই ভারতবর্ষে। এই মহিমান্বিত তিথির মহারাত্রিতে গোলোকের হরি নেমে এসেছিলেন ধরণীর ধুলায়। দ্বাপর যুগের শেষভাগে অন্ধকার দুর্যোগে মথুরায় কংসের কারাগারে নরশরীরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণরূপে এই ভূমাপুরুষের পুণ্য অবতরণ হয়েছিল—এ ইতিহাসের স্মৃতি আমাদের উদ্বুদ্ধ করে, জাগিয়ে তোলে। স্বীয় জন্ম কর্মের রহস্য ও অবতারের উদ্দেশ্য এবং কার্য সম্বন্ধে শ্রীকৃষ্ণ স্বমুখে মন্তব্য করে বলেছেন, ‘সাধুগণের পরিত্রাণ, দুষ্টদিগের বিনাশ এবং ধর্মসংস্থাপনের জন্য আমি যুগে যুগে অবতীর্ণ হই। আমার এই দিব্য জন্ম ও কর্ম যিনি তত্ত্বত জানেন, তিনি দেহত্যাগ করে পুনর্বার জন্ম প্রাপ্ত হন না। তিনি আমাকেই লাভ করেন।’
ভারতবর্ষীয় ধর্মচিন্তার পটভূমিতে বৃন্দাবনবিহারী পার্থসারথি শ্রীকৃষ্ণের পরম শুভ জন্মজয়ন্তী তাই বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত ও সমন্বয় ধর্মিতায় অনুস্যূত। সামাজিক জীবনে প্রতিপালিত। স্মরণাতীতকাল থেকে আজও শ্রীকৃষ্ণজন্মাষ্টমী উৎসব আমরা মহাসমারোহে সম্পাদন করে চলেছি।
অখিলরসামৃতসিন্ধু ও গোপীজনবল্লভ শ্যামসুন্দরের পুণ্য আবির্ভাব তিথিতে যে রূপটি আমাদের নয়নপথে উদিত হয়, তা হল তাঁর দিব্য জন্ম ও কর্মের মাধুর্যমণ্ডিত ও মহিমাময় রূপ। শ্রীহরি যখন নবরূপে অবতীর্ণ হন তখন তিনি কখনও অংশ, কখনও আবার অংশের অংশ রূপে লীলা করে থাকেন। কিন্তু কৃষ্ণ মূর্তি তাঁর স্বাধীন ও পূর্ণতমরূপ। অন্যান্য অবতার শ্রীকৃষ্ণের অংশ বা কলা—‘এতে চাংশকলাঃ পুংসঃ কৃষ্ণস্তু ভগবান স্বয়ম্।’ তাঁর ঐশ্বর্য অনন্ত। আর মাধুর্য বর্ণনাতীত। তিনি সকলের চিত্ত আকর্ষণ করেন তাই তিনি ‘কৃষ্ণ’। তিনি সবার হৃদয় হরণ করেন ও সমস্ত কিছু অমঙ্গল নাশ করেন সেইজন্য ‘শ্রীহরি’। তিনি নরের অয়ন বলেই ‘নারায়ণ’ সর্বব্যাপক সেজন্য কৃষ্ণই ‘বিষ্ণু’। কৃষ্ণ সর্বভূতে বিরাজমান তাই তাঁর নাম ‘বাসুদেব’। তিনি এক এবং অদ্বিতীয় ব্রহ্ম। তিনি নিজেকে জগৎরূপে পরিবৃত করে আছেন। শ্রীকৃষ্ণ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ পরমতত্ত্ব অন্য কিছু নেই। শ্রীকৃষ্ণের দেহে চরাচর সমগ্র জগতের অধিষ্ঠান। সকলের ধ্যেয় বস্তু হয়ে যুগে যুগে তাঁর মহিমা বন্দিত হয়েছে। ‘না জানি কতেক মধু শ্যাম নামে আছে গো, বদন ছাড়িতে নাহি চায়।’ আমাদের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি, সভ্যতা, সমাজ, সাহিত্য, সঙ্গীত, শিল্প সবকিছুই কৃষ্ণমহিমায় পরিপুষ্ট ও বিকশিত। কৃষ্ণের স্বরূপের উপাসনা বিচিত্র ও বিবিধ রূপে প্রচারিত ও সমাদৃত হয় বিভিন্ন প্রান্তে, বিভিন্ন যুগে। কৃষ্ণচরিত্র আলোচনা প্রসঙ্গে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র বলেছেন, ‘গ্রামে গ্রামে কৃষ্ণের মন্দির, গৃহে গৃহে কৃষ্ণের পূজা, প্রায় মাসে মাসে কৃষ্ণোৎসব। উৎসবে উৎসবে কৃষ্ণযাত্রা। কণ্ঠে কণ্ঠে কৃষ্ণগীত, কাহারও গায়ে দিবার বস্ত্রে কৃষ্ণনামাবলি। কাহারও গায়ে কৃষ্ণনাম ছাপ, কেহ কৃষ্ণনাম না লিখিয়া কোন পত্র বা কোন লেখাপড়া করেন না। ভিখারি ‘রাধে কৃষ্ণ’ না বলিয়া ভিক্ষা চায় না। কোনো ঘৃণার কথা শুনিলে ‘রাধে কৃষ্ণ’। কৃষ্ণ এদেশে সর্বব্যাপক।’
মহাভারতে নরদেহধারী এই পুরুষোত্তম বহুলভাবে আলোচিত ও বিচিত্র উপস্থাপনায় বিবৃত। এখানে শ্রীকৃষ্ণ মহান রাষ্ট্রনায়ক, বিনম্রজনের সংরক্ষক, শান্তির পূজারি, কুরুক্ষেত্রের মহাযুদ্ধের মূল নিয়ামক এবং গীতাকার পার্থসারথি রূপে বিঘোষিত। আর শ্রীমদ্ভাগবতের দৃষ্টিকোণে তিনি অপ্রাকৃত নবীন মদন, প্রেম ও ভক্তিরসের অখণ্ডমূর্তি, শ্রীরাধার প্রাণনাথ ও সচ্চিদানন্দ বিগ্রহ শ্রীকৃষ্ণ। সনাতনধর্মের সমস্ত সম্প্রদায়ের কাছে এই গোপীজন মনোহারী পরব্রহ্ম ও সর্বলোক মহেশ্বর। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, ‘শ্রীকৃষ্ণই সকল সম্প্রদায়ের কাছে ধর্মের প্রবেশের দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। মনঃশক্তি এবং প্রচণ্ড কর্মপ্রবণতার কী অপূর্ব বিকাশ। ... শ্রীকৃষ্ণ যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে উপদেশ দিচ্ছেন। তিনিই শ্রেষ্ঠ যোগী ও জ্ঞানী।’
যিনি অরূপ হয়েও বহুরূপী, সেই আশ্চর্যকর্মা ভারতের প্রাণপুরুষ তিনি কিন্তু এলেন ছোট হয়ে। আঁধারে, অনাড়ম্বরে। কোনও আশ্রম-মঠ-মন্দির বা তীর্থক্ষেত্রে নয়, এলেন এক নিপীড়ক ভোগাশক্ত নৃপতির কারাগারে। তাঁর জন্ম ও কর্ম প্রাকৃত নয়, দিব্য একথা শ্রীভগবান ব্রজেন্দ্রনন্দন স্পষ্টই বলেছেন, ‘জন্ম কর্ম চ মে দিব্যম্।’ উল্লেখ্য, শ্রীকৃষ্ণের জন্মকালের কথা সুনিপুণভাবে বর্ণিত পুরাণ চক্রবর্তী শ্রীমদ্ভাগবতের ভাবালোকেই সমগ্র ভারতের শ্রীকৃষ্ণজন্মাষ্টমী উৎসব উৎসারিত।
দানবরাজ কংসের অত্যাচারে জগৎ প্রপীড়িত। মাতা দেবকী ও পিতা বসুদেব নির্দয় কংসের কারাগারে বন্দি। সকাতরে প্রার্থনা করছেন তাঁরা। ‘হে পতিতপাবন, শ্রীমধুসূদন! তুমি ধরাধামে অবতীর্ণ হও। আসুরিক অত্যাচার ও অনাচারে আজ লক্ষ কোটি নরনারী নির্যাতিত। নিপীড়িত ও সন্তপ্ত। তুমি আজ কোথায়? তুমি এই ত্রিতাপ-জ্বালা হতে জীবকুলকে উদ্ধারের জন্য পুনরায় নরদেহে অবতরণ কর।’ তাঁদের সেই মর্মভেদী কাতর প্রার্থনায় ভাদ্রমাসের কৃষ্ণাষ্টমীর সেই অন্ধকারাচ্ছন্ন মহারাত্রিতে দুর্যোগের ঘনঘটায় অন্তর্যামী বৈকুণ্ঠপতি ভগবান শ্রীবিষ্ণু কৃষ্ণরূপে দেবকীর কোল আলো করে আবির্ভূত হলেন এই মর্তধামে।
দেবকী-বসুদেব দেখলেন, সেই শিশু অত্যন্ত অদ্ভুত। ‘তমদ্ভুতং বালকম্।’ চার হাতে শঙ্খ, চক্র, গদা ও পদ্মশোভিত। কমল নয়ন এই বালকের সুন্দর বক্ষস্থলে শ্রীবৎস চিহ্ন। গলদেশে কৌস্তুভমণি, পরনে পীতবাস। নবীন মেঘের মতো অঙ্গকান্তি। মাথায় মণিখচিত মুকুট। কর্ণে কুণ্ডল। অতি উজ্জ্বল চন্দ্রহার, কেয়ূর ও কঙ্কণাদি অলঙ্কারের দীপ্তিতে সেই শিশুর সর্বাঙ্গ সুশোভিত ও সমুজ্জ্বল।
চতুর্ভুজ নারায়ণকে পুত্ররূপে দেখে বসুদেব ও দেবকী হলেন সচকিত। কারাগৃহ তখন আলোয় আলোকিত। সেই মুহূর্তে ভুলে গেলেন তাঁদের অপত্য স্নেহ। শ্রীহরির দিব্যদর্শনে ভগবৎভাবে বিভোর হয়ে তাঁরা শ্রীভগবানের দিব্যস্তুতি করতে লাগলেন। দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল। মায়ার প্রভাবে প্রহরীরা তখন নিদ্রাবিষ্ট। অজস্র বর্ষণের মধ্যে বসুদেব নিঃশব্দে চললেন গোকুলের দিকে। উপনীত হলেন যমুনা তীরে। সামনে উত্তাল তরঙ্গ। অন্ধকার রজনীর আকাশে মুহুর্মুহু গুরুগুরু গর্জন। আতঙ্কিত বসুদেবের চিন্তা, সদ্যোজাত শিশুপুত্রকে নিয়ে তরঙ্গ-বিক্ষুব্ধ ভয়াবহ যমুনা অতিক্রম করবেন কী প্রকারে? মহানাগ অনন্তদেব তাঁর সহস্র ফণা বিস্তার করে ছাতার মতো আচ্ছাদন করে দিল বসুদেবের মাথায়। বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেয়ে তিনি দেখলেন এক শৃগালী যমুনায় হেঁটে পার হয়ে যাচ্ছে। ভাবলেন, তবে যমুনায় চর পড়েছে। তাই তৎক্ষণাৎ শৃগালরূপধারিণী মায়ার নির্দিষ্ট পথে তাঁকে অনুসরণ করে বসুদেব অতি সহজভাবে দুরতিক্রম যমুনা পার হয়ে পৌঁছলেন গোকুলের নন্দালয়ে। সেখানে নন্দ-প্রকোষ্ঠে প্রবেশ করে তিনি দেখলেন দ্বারে প্রহরী, নন্দরাজা, মা যশোমতী সবাই গভীর নিদ্রায় মগ্ন। সেই সুযোগে তিনি স্বীয় পুত্রকে একান্তে যশোদা মায়ের পাশে শুইয়ে দিয়ে মহামায়াস্বরূপিনী যশোদাগর্ভসম্ভূতা শিশুকন্যাটিকে বক্ষে উঠিয়ে নিলেন এবং পূর্বের মতো যমুনা পার হয়ে কংসের অন্ধকার কারাগৃহে উপনীত হলেন। এরপর সেই দেবীরূপিণী কন্যাকে দেবকীর কোলে অর্পণ করলেন। অতঃপর যোগমায়ার সহায়তায় কোনও বিঘ্ন না ঘটে আপনা থেকেই কারাগারের দ্বার রুদ্ধ হয়ে বসুদেব দেবকী আবার শৃঙ্খলে বদ্ধ হলেন।
এদিকে পরের দিন প্রভাতে মা যশোদা দেখলেন অনন্য সাধারণ পরম রমণীয় এক সুন্দরতম পুত্র। শিশুর রূপমাধুর্যে সবাই বিমুগ্ধ। আনন্দে মুখর নন্দালয়ে শুরু হল মহোৎসব। যা আজও চিরাচরিত্র ‘নন্দোৎসব’ নামে।
—‘কৃষ্ণের যতেকলীলা সর্বোত্তম নরলীলা নরবপু তাহারি স্বরূপ।’ —শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
 লেখক হিন্দুশাস্ত্রবিশারদ। মতামত ব্যক্তিগত
11th  August, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
ঘূর্ণিঝড় উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক অনুদান দিচ্ছে রাজ্য সরকার। শহরাঞ্চলে সেই প্রক্রিয়া চালাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। প্রায় সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে। ...

সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রাম জেলায় করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় আরও একটি করোনা হাসপাতাল তৈরির সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্যদপ্তর ও প্রশাসন। শহরের পুরাতন ঝাড়গ্রাম এলাকায় একটি নবনির্মিত মহিলা হস্টেলকে ৭৫ বেডের করোনা হাসপাতাল করা হবে।  ...

বরফ দেওয়া থার্মোকলের বাক্সের ভিতরে বোঝাই করে চলে আসছে ‘রুপোলি শস্য’। কোথাও নদীপথ, কোথাও কাঁটাতারের ফাঁক গলে এপারে তারা। চকচক করতে থাকা আটশো থেকে এক ...

 প্যাকেট ছাড়া বিড়ি-সিগারেট বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার। দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হিসেবে মহারাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ। সে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন থেকে আর খোলা বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:51:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ১২৮/২ (১৬ ওভার) 

09:09:08 PM