Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো। ব্যাঙ্কার বা ব্যাঙ্ক শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো। আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলির মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো। উপরোক্ত প্রতিটি বিষয়ের জন্য তাতে বিস্তারিত পরামর্শ রয়েছে—সেগুলি একটি দায়িত্বশীল, যোগ্য সরকারের উপলব্ধি এবং ক্ষমতার বাইরে নয়।
যথারীতি, নিবন্ধটির সম্পর্কে কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অবশ্য, এই প্রশ্ন উঠতে পারে যে, ‘সব নিবন্ধের জন্য কি সরকারের প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত?’ উত্তর হল: না। তবে, বোঝা দরকার যে এটি কোনও মামুলি নিবন্ধ নয়। নিবন্ধটির সহলেখকের নাম ড. মনমোহন সিং। ভারতের জন্য যুগান্তকারী অর্থনৈতিক সংস্কার তাঁরই অবদান। তিনি পাঁচ বছর ভারতের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন। তিনি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন টানা এক দশক।
সে যা-ই হোক, সিং-চক্রবর্তীর পরমার্শ কি গ্রহণযোগ্য নয়? নিবন্ধটিতে যেসব আইডিয়া দেওয়া হয়েছে তার সঙ্গে আপনারা প্রত্যেকে চতুর্দিকে যা দেখছেন, বুঝছেন সেসবের সঙ্গে বাস্তব মিল পেয়ে যেতে পারেন।তামিলনাড়ুতে আমার নিজের জেলা শিবাঙ্গাই এবং তার আশপাশের জেলাগুলির সঙ্গে ব্যাপারটি মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি। তাতে করে আমি মাটির মানুষের কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়েছি।
সাধারণ মানুষের মধ্যে
সাধারণ মানুষের মধ্যে খরচাপাতির ব্যাপারে ভয়ভীতি রয়েছে। তাঁদের হাতে পর্যাপ্ত টাকা নেই। অনেকের চাকরি চলে গিয়েছে। অথবা, চাকরি চলে যাওয়ার ভয়ে রয়েছেন কিছু মানুষ। আর একটি ভয় তাঁদের মধ্যে বাসা বেঁধেছে—যদি কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েন! যদি হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয়! তখন কী হবে? যদি কারও হাতে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা থাকে, তবে তাঁরা সেই টাকা সোনায় লগ্নি করছেন (সোনা কেনার মধ্যে অনিশ্চয়তার প্রতিফলন রয়েছে)। ৩১ জুলাইয়ের হিসেব—দেশবাসীর হাতে নগদে ছিল ২৬ লক্ষ ৭২ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা। গত ১২ মাসে ডিমান্ড ডিপোজিট (অর্থাৎ যে জমা অর্থ যখন ইচ্ছে তুলে নেওয়া যায়) এবং টাইম ডিপোজিটের (মেয়াদি আমানত) পরিমাণ বেড়েছে যথাক্রমে ১২.০ শতাংশ ও ১০.৫ শতাংশ হারে। মানুষ সীমিত কয়েকটি জায়গায় টাকা খরচ করতে রাজি: মুদির দোকান। সব্জির দোকান। ফলের দোকান। আর ওষুধের দোকান। তার ফলে কী হয়েছে দেখুন: কাপড়, জুতো, আসবাব, খেলনা এবং ইলেক্ট্রনিক পণ্যের খুচরো দোকানগুলি মাছি তাড়াচ্ছে! রেস্তরাঁগুলোও ভোজনরসিকদের জন্য হা পিত্যেশ করে বসে কাটাচ্ছে।
রোগ সংক্রমণের আতঙ্ক এতটাই যে বহু মানুষ ডাক্তারের চেম্বার অথবা হাসপাতালের ছায়া মাড়াচ্ছেন না। অনেক জেনারেল প্র্যাকটিশনার তাঁদের ক্লিনিকের ঝাঁপ বন্ধ করে দিয়েছেন। স্থানীয় কবিরাজদের কাছে পেটের সমস্যা এবং জ্বর-সর্দি-কাশির রোগীদের বেশ ভিড় রয়েছে। আয়ুশ চিকিৎসার উপর নতুন করে মানুষের আস্থা ফিরছে।
এই পরিস্থিতিতে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা পুরনো জায়গায় ফিরবে কী করে? তাই ড. সিং ক্যাশ ট্রান্সফারের (দেশবাসীর অ্যাকাউন্টে নগদ টাকা ভরে দেওয়া) প্রয়োজনীয়তার কথা আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন। ভারতই সম্ভবত একমাত্র বৃহৎ দেশ যে ক্যাশ ট্রান্সফারের পথটা এড়িয়ে গিয়েছে। এমনকী, দারিদ্র্যসীমার ঠিক উপেরর লাখো লাখো মানুষ যে-সময় গরিবের সংজ্ঞাভুক্ত হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে, তখনও সরকার এই পথ পরিহার করে গেল!
ব্যাঙ্কারদের (এবং ঋণগ্রহীতাদের) মধ্যে
আমি যাঁদের সঙ্গে কথা বলেছি, তাঁদের কেউই অর্থমন্ত্রীর পরামর্শের দু’পয়সাও মূল্য দেননি। ব্যাঙ্কাররা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (আরবিআই) কথাকে গুরুত্ব দিয়েছেন। যে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সতর্ক করে দিয়েছে—২০২১ সালের মার্চের মধ্যে অনুৎপাদক সম্পদের (এনপিএ) পরিমাণ বেড়ে ১৪.৭ শতাংশে পৌঁছতে পারে। কোনও ব্যাঙ্কারই আর সম্ভাবনময় ঋণগ্রহীতাদের বর্তমান ব্যালান্সশিট বিচার করে ঋণ মঞ্জুর করবেন না। ঢাক ঢোল পিটিয়ে ‘৩ লক্ষ কোটি টাকার ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম’ যে ঘোষণা করা হয়েছিল তার পরিণতিটা দেখুন একবার। আমাদের বিশ্বাস করানো হয়েছিল যে, ব্যাঙ্কগুলি যত ঋণ দেবে তার অনাদায়ী অর্থের ৩ লক্ষ কোটি টাকা পর্যন্ত ‘গ্যারান্টি’ হল সরকারের। অর্থাৎ খেলাপিদের কাছে ব্যাঙ্কগুলির প্রাপ্য ৩ লক্ষ কোটি টাকা পর্যন্ত সরকারই গ্যারান্টি সহকারে পরিশোধ করে দেবে। আমাদের বিশ্বাস, ব্যাঙ্কগুলি মিলিতভাবে মোট ৩০ লক্ষ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারে। অনুমান যে, তার মধ্যে অনাদায়ী বা এনপিএ হয়ে যাবে ১০ শতাংশ। আপাতভাবে, আমাদের ভাবনাটা ভুল ছিল। সরকার এখন ইঙ্গিত দিয়েছে যে, তারা মোট (সর্বাধিক) মাত্র ৩ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। যার মধ্যে ১ লক্ষ ৩৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছে। ঋণগ্রহীতারা যে টাকা হাতে পেয়েছেন তার মোট পরিমাণ ৮৭ হাজার ২২৭ কোটি টাকা! আমার মনে পড়ে গেল সেই তামিল প্রবাদের কথা—গর্দভটা ছোট হতে হতে একটা কালো পিঁপড়েতে রূপান্তরিত হয়ে গেল। ঋণদানের যৎসামান্য উৎসাহ এবং ব্যাপক ঢক্কা নিনাদের ভিতর—স্কিমটা অপেক্ষাকৃত বড় ব্যবসাগুলি এবং স্বনিযুক্ত পেশাদারদের ঋণদানের জন্যই সম্প্রসারিত হয়ে গেল।
যাই হোক, ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে কোনও আত্মবিশ্বাস নেই। তিরুপ্পুর গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি তাদের মোট উৎপাদন ক্ষমতার মাত্র ৩০ শতাংশ জিনিসপত্র তৈরি করছে। যে সমস্ত ইউনিটে জব ওয়ার্ক হয় তারা তাদের মোট উৎপাদন ক্ষমতার ৬০ শতাংশ কাজে লাগাতে পারছে। একজন হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী, সিমেন্ট ডিলার অথবা টায়ার ডিলার লড়াই করে যাচ্ছেন তাঁর ডিলারশিপটা বাঁচানোর জন্যে। তিনি কী করছেন? স্বাভাবিক সময়ের মাত্র ২০ শতাংশের মতো ব্যবসা ফিরিয়েছেন। একজন সম্ভাবনাপূর্ণ ঋণগ্রহীতা ভয় পাচ্ছেন যে, শেষেমশ টাকা শোধই দিতে পারবেন না। যদি তাঁর নিজের গচ্ছিত কিছু টাকা থাকে, তবে সেটাই তিনি ব্যবসায় খাটাচ্ছেন। আর এমন উপায় যাঁর নেই তিনি অল্প-স্বল্পভাবে ব্যবসাটা বাঁচিয়ে রেখেই খুশি থাকছেন।
বড় ব্যবসাগুলি প্রকাশ্যে ঘোষণা করে দিয়েছে যে, মূলধনী ব্যয় তারা কমিয়ে ফেলবে এবং নগদ টাকা জমিয়ে রাখবে। নামকরা বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, ঋণমুক্ত থাকাটাই তাদের আপাতত লক্ষ্য। আর্থিক বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থানের উপর এসব ঘটনার বিরূপ প্রভাব পড়বে।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির মধ্যে
সরকার যেভাবে মুক্ত বাণিজ্যের মর্যাদাহানি করেছে তাতে বিশ্বজুড়ে গভীর সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লুটিও) নিয়মকানুন লঙ্ঘনের কথা ভারত প্রকাশ্যে বলে। বহুপাক্ষিক ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান নিয়েছে ভারত। আমদানির বিকল্পটাই কি তবে শ্রীবৃদ্ধির নতুন (পুরনো?) পথ? পরিমাণের উপর নিয়ন্ত্রণ, উচ্চহারে শুল্ক এবং মাশুল-শূন্য ব্যবস্থা ফিরেছে। আমি এটাকে বলি ‘ট্রাম্প এফেক্ট’। সরকার বলে ‘আত্মনির্ভর’। ১৯৬০ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত যে ‘সার্বভৌমত্বের নীতি’ অনুসরণ করা হতো তার সঙ্গে কোনও ফারাক নেই।
কয়েকটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের দিকে তাকানো যাক, সেগুলির যা হওয়ার কথা ছিল তারা তার বিবর্ণ ছায়ামাত্র: তথ্য কমিশন, নির্বাচন কমিশন, প্রতিযোগিতা কমিশন, নীতি আয়োগ (পূর্বতন পরিকল্পনা কমিশন), প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পর্ষদ, প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার দপ্তর, কন্ট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের দপ্তর এবং এই ধরনের আরও কিছু প্রতিষ্ঠান। অধিকার রক্ষার বিভিন্ন কমিশনগুলি ভীষণভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। কারও অবস্থাই মানবাধিকার কমিশনের চেয়ে ভালো নয়। আজকে সাধারণভাবে ব্যবসা, প্রাতিষ্ঠানিক লগ্নিকারী, পেনশন তহবিল, সম্পদ তহবিল প্রভৃতির মধ্যে ভারত সম্পর্কে মতামত নেতিবাচক।
অর্থনীতি সামলানোর ক্ষেত্রে ব্যর্থতা। মহামারীর বাড়াবাড়ি। চীনের সঙ্গে সংঘাত। এই ত্রিবিধ সঙ্কট ভারতের দুর্বলতা একেবারে খুল্লাম খুল্লা করে দিয়েছে। ড. সিং, অন্তর থেকে একজন দেশপ্রেমিক। তিনি এবং প্রবীণ চক্রবর্তী মিলিতভাবে এমন একটি বাস্তব ও সম্পাদন-যোগ্য পথের সন্ধান দিয়েছেন, যার মাধ্যমে ভারতকে এই সঙ্কট থেকে মুক্ত করা সম্ভব।
• লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মতামত ব্যক্তিগত
10th  August, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
বরফ দেওয়া থার্মোকলের বাক্সের ভিতরে বোঝাই করে চলে আসছে ‘রুপোলি শস্য’। কোথাও নদীপথ, কোথাও কাঁটাতারের ফাঁক গলে এপারে তারা। চকচক করতে থাকা আটশো থেকে এক ...

সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রাম জেলায় করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় আরও একটি করোনা হাসপাতাল তৈরির সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্যদপ্তর ও প্রশাসন। শহরের পুরাতন ঝাড়গ্রাম এলাকায় একটি নবনির্মিত মহিলা হস্টেলকে ৭৫ বেডের করোনা হাসপাতাল করা হবে।  ...

 অভিষেকেই জয়ের স্বাদ পেলেন বার্সেলোনার কোচ রোনাল্ড কোম্যান। দলের প্রাণভোমরা লিও মেসির গোল তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। গত মরশুমের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’য়ে ...

 আগামী বছরের শেষদিকে বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিকাঠামো সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে বলেই দাবি করল ইন্ডিয়ান অয়েল। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রীতীশ ভারত বলেন, বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত যে গ্যাস লাইন আসার কথা, তার কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ১২৮/২ (১৬ ওভার) 

09:09:08 PM

এফটিআইআইয়ের প্রেসিডেন্ট ও গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন শেখর কাপুর 

08:41:11 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ৫২/০ (৭ ওভার) 

08:17:03 PM