Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে প্রথমেই চোখে পড়ে সমগ্র স্কুলশিক্ষার বিষয়ে নীতি প্রণয়নে এর স্বকীয়তা। ‘সকলের জন্য শিক্ষা’ স্লোগানটিকে বাস্তব রূপ দেওয়ার সদর্থক চেষ্টা রয়েছে এর ভিতরে। অবৈতনিক শিক্ষার বয়ঃক্রম আগে ছিল ৬-১৪ বছর। সেটাকে দু’দিকেই বাড়িয়ে করা হয়েছে ৩-১৮ বছর। ফলে গুণগতভাবে নিম্নবিত্ত পরিবারের এক বিশাল সংখ্যক শিশু এখন থেকে অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ আরও বেশি পাবে। সবাইকে নিয়ে উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যপূরণে এটি নিঃসন্দেহে একটি বড় পদক্ষেপ। এর জন্য শিক্ষার অধিকার (আরটিই) আইন, ২০০৯-এরও সংশোধনের প্রয়োজন। কারণ, শিক্ষানীতি হল একটি ‘নীতি’, কোন পৃথক ‘আইন নয়’। কেন্দ্রীয় সরকার এই নীতিকে কাজে লাগিয়ে প্রয়োজনীয় আইন তৈরি ও সংশোধন যেমন করতে পারবে, তেমনি বাজেটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অর্থও বরাদ্দ করতে পারবে।
শিক্ষানীতির রূপায়ণ অনেকটাই নির্ভর করবে রাজ্য সরকারগুলির সদিচ্ছার উপর। এই বিষয়ে আন্তরিকতা খুব জরুরি। ব্যাপারটা গণবণ্টন বা রেশন ব্যবস্থার বর্তমান মান ও পরিস্থিতির সঙ্গে মিলিয়ে পর্যালোচনা করা যেতে পারে। মিড ডে মিল স্কিমের দিকেও তাকানো যায়। জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইনের বাস্তবায়ন এবং শিশুর অধিকার সুরক্ষিত রাখার জন্য এই ব্যবস্থা। এটিও নানা রাজ্যে এক বড় দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। আলোচনা প্রসঙ্গে মিড ডে মিলের কথা যখন এলই, তখন নতুন শিক্ষানীতিতে মূল খাবারের আগে প্রাতঃরাশ দেওয়ার যে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সেটার কথা বিবেচনা করা দরকার। এটি স্কুলগুলিতে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতির হার বাড়াতে সাহায্য করবে। তবে কোনও রাজ্য সরকার দুর্নীতিপরায়ণ হলে এই সমস্ত উদ্দেশ্য পূরণ হওয়া কঠিন হবে। তখন এই বাবদ কেন্দ্রের দেওয়া অর্থ সাহায্য কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতার ব্যক্তিগত মুনাফা বাড়াতে সাহায্য করবে মাত্র।
স্কুলশিক্ষার আর একটি বড় সমস্যা হল স্কুলছুট। আমরা দেখতে পাই যে, প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরে যাওয়ার আগে ৫০ শতাংশ ছাত্রছাত্রী পড়াশোনাই ছেড়ে দেয়। এই শিক্ষানীতিতে আগামী ১০ বছর স্কুলগুলিকে এরকম লক্ষ রাখতে বলা হচ্ছে, যাতে প্রাথমিক স্তরে ভর্তি হওয়ার পরে উচ্চতর স্তরের শেষধাপ অবধি প্রায় ১০০ ভাগ ছাত্রছাত্রীই স্কুলে যায়। এই নীতি রূপায়িত হলে এরকম একটি বিরাট সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব। আর একটি সমস্যা হল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাব। স্কুলগুলি, বিশেষভাবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের, অনেক সময়ই অপরিসর। বড় জায়গা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ স্কুল ক্যাম্পাস নির্মাণের প্রয়োজন। যেখানে থাকবে উপযুক্ত খেলার মাঠ, শরীরচর্চা ও আনুষঙ্গিক মানসিক বিকাশের অন্যান্য মাধ্যমগুলি। এবারের শিক্ষানীতিতে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বা উচ্চতর অংশের মধ্যে খেলার মাঠ, ল্যাবরেটরি ইত্যাদি পরিকাঠামো সর্বাপেক্ষা উপযুক্ত ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। এটিও ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে সর্বস্তরের ছাত্রছাত্রীদের সার্বিক বিকাশের সহায়ক হবে।
পঞ্চম শ্রেণী অবধি আবশ্যিকভাবে মাতৃভাষায় পঠন পাঠনের ব্যবস্থা রাখা ব্যতিরেকে আরও উচ্চতর শ্রেণী পর্যন্ত তিনটি ভাষা পাঠ ছাত্রছাত্রীদের পক্ষে খুবই উপযোগী হবে। কারণ শিক্ষা শুধুমাত্র পাঠের প্রয়োজনে নয়, জীবিকা ও ব্যবহারিক কারণে ইংরেজি ও হিন্দি ভাষা শিক্ষা এদেশের সব রাজ্যেই প্রয়োজন। প্রাথমিক স্তরে মাতৃভাষায় পঠন-পাঠনের উৎকর্ষ বহুদিন যাবৎ সারা বিশ্বে স্বীকৃত। তাছাড়া এবারের শিক্ষানীতিতে ভারতের আদি ভাষা হিসেবে সংস্কৃত শিক্ষার উপর দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে। স্কুলশিক্ষা ব্যবস্থাকে ১০+২ থেকে (৩+২)+৩+৩ ব্যবস্থায় পরিবর্তিত করা সময়ের সঙ্গে প্রয়োজনীয় হয়েও পড়েছিল।
সুদীর্ঘ ৩৪ বছর কোনও নতুন শিক্ষানীতি না আসায় পুরনো ১০+২ ব্যবস্থায় শেষের দু’টি বছরে ছাত্রছাত্রীদের অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপ রয়েছে। পরবর্তী স্তরে সুযোগ লাভের বিভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষায়ও এটা ভারাক্রান্ত। দশম শ্রেণীর বোর্ডের সঙ্গে পরীক্ষা ব্যবস্থা তুলে দিয়ে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত একটি অভিন্ন ৮ সেমিস্টারের ব্যবস্থা আসতে চলেছে। এতে ছাত্রছাত্রীদের উপর পড়াশোনার মাত্রাতিরিক্ত চাপ কিছুটা হলেও কমবে। শিক্ষানীতির অন্যতম আধুনিক সংযোজন হল আবশ্যিকভাবে উচ্চতর স্কুলশিক্ষায় গণিত ও বিজ্ঞানের পঠনপাঠন। এছাড়া সেকেন্ডারি স্তরে কলা, বিজ্ঞান বা বাণিজ্যের মতো কোনও আলাদা বিভাগ থাকছে না। ফলে, ভবিষ্যতে একটি মাল্টি ডিসিপ্লিনারি সিস্টেম থেকে পরবর্তী সময়ে বিষয় নির্বাচনে ছাত্রছাত্রীদের নিজস্ব পছন্দ কার্যকরী করার সুযোগ থাকছে। এখন স্কুলশিক্ষায় থাকবে নিমোক্ত চারটি ভাগ :
১। ফাউন্ডেশন স্টেজ (৩ বছর প্রাথমিক-পূর্ব স্কুলে, ২ বছর প্রাথমিক স্কুলে প্রথম থেকে দ্বিতীয় শ্রেণী পর্যন্ত, সব মিলিয়ে একটি শিশুর ৩ বছর থেকে ৮ বছর বয়স অবধি)।
২। প্রিপারেটরি স্টেজ (তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত, অর্থাৎ ৮ বছর থেকে ১১ বছর বয়স অবধি)।
৩। মিডল স্টেজ (ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত, অর্থাৎ ১১ থেকে ১৪ বছর বয়স অবধি)।
৪। সেকেন্ডারি স্টেজ (নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত, অর্থাৎ ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়স অবধি)।
ফাউন্ডেশনে স্টেজে ৩ বছরের একটি শিশু আরলি চাইল্ডহুড কেয়ার অ্যান্ড এডুকেশন (ইসিসিই) ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে যাবে। এটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সেই শিশুটির অঙ্গনওয়াড়ি বা প্রাথমিক-পূর্ব কোনও স্কুলে ৩ বছর বয়স থেকে সম্পূর্ণ শিশু উপযোগী মনোবিকাশের জন্য যা প্রয়োজন সেরকম শিক্ষার কথা বলা হয়েছে। এটি বোধহয় শিক্ষানীতির খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক। ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে বৃত্তিমূলক পড়াশোনা শুরু করার কথা বলা হয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে অন্তত ৫০ শতাংশ স্কুল ও উচ্চশিক্ষার ছাত্রছাত্রীর বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। ষষ্ট থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত এই সময়কালে ১০ দিনের ব্যাগবিহীন ‘ইনটার্নের’ ব্যবস্থা করতে হবে স্থানীয় কাঠের মিস্ত্রি, মালি, কুমোর, শিল্পী প্রমুখের কাছে। একইভাবে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বৃত্তিমূলক বিষয়ে ইন্টার্নশপি করার সুযোগ দিতে হবে (ছুটির দিন সমেত)। এই প্রস্তাবগুলি কার্যকর হলে ছাত্রছাত্রীরা ভবিষতে বিভিন্ন বৃত্তিমূলক ক্ষেত্রে নিযুক্ত হতে পারবে।
শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের জন্য শিক্ষক নিয়োগেও চালু হবে বেশ কয়েকটি নিয়ম। প্রাথমিক-পূর্ব থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগ হবে টিইটি বা এনটিএ স্কোর এবং ডেমনস্ট্রেশনের উপর ভিত্তি করে। স্বচ্ছতার জন্য শিক্ষকদের বদলি কম্পিউটার ভিত্তিক করা হতে পারে। স্কুল স্তরে আংশিক সময়ের শিক্ষক বা প্যারাটিচার নিয়োগ প্রথা তুলে দেওয়ায়, গুণগতভাবে উপযুক্ত শিক্ষকদের সম্মানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ বাড়বে। শিক্ষকদের যোগ্যতা কী হবে, সেই বিষয়ে এনসিটিই ২০২২ সাল নাগাদ ন্যাশনাল প্রফেশনাল স্ট্যান্ডার্ডস ফর টিচার্স (এনপিএসটি) নামে একটা সাধারণ নির্দেশিকা প্রকাশ করবে। ২০২১ সাল নাগাদ এনসিটিই এবং এনসিইআরটি-র যৌথ উদ্যোগে ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক ফর টিচার্স এডুকেশন (এনসিএফটিই) ২০২১ প্রকাশ পাবে।
মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের নাম পরিবর্তন করে শিক্ষামন্ত্রক করা হবে। কাজেই, শিক্ষা তার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হবে না বলেই আশা করা যায়। মনে রাখা ভালো, এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
 লেখক বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
10th  August, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
ঘূর্ণিঝড় উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক অনুদান দিচ্ছে রাজ্য সরকার। শহরাঞ্চলে সেই প্রক্রিয়া চালাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। প্রায় সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে। ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোহিনীপাড়ায় রবিবার গভীর রাতে ভেঙে গেল পূনর্ভবা নদী বাঁধের একাংশ। ভোররাত থেকেই বাঁধ বাঁচাতে কাজ শুরু করেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সেচ দপ্তর। যদিও রবিবার রাত থেকেই ওই নদী বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় জল ঢুকে ...

 অভিষেকেই জয়ের স্বাদ পেলেন বার্সেলোনার কোচ রোনাল্ড কোম্যান। দলের প্রাণভোমরা লিও মেসির গোল তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। গত মরশুমের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’য়ে ...

 ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়াল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকার দখল নিয়েই দুই দেশের লড়াই। রবিবার থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে দু’পক্ষের ২৩ জনের। আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ১২৮/২ (১৬ ওভার) 

09:09:08 PM

এফটিআইআইয়ের প্রেসিডেন্ট ও গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন শেখর কাপুর 

08:41:11 PM