Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

অধিকাংশ ধর্মস্থানেই ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রবেশ আজ মহামারীর ঠেলায় থমকে। বন্ধ পুজোপাঠ, প্রার্থনা। ঠিক এই সময়েই হিন্দুত্ব রাজনীতির সফলতম ব্যক্তিত্ব নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে শিলান্যাস হল রামমন্দিরের। আদবানিদের আন্দোলনের কাল শেষ হয়ে নতুন অধ্যায়ের শুরু হল মন্দির রাজনীতিতে। বিগত তিন দশকের উথাল-পাথাল মন্দির আন্দোলনের ইতিহাসে নিঃসন্দেহে এ এক আশ্চর্য সমাপতন। এই দেশ ধর্মের নামে, বিশ্বাসের নামে, ভক্তির নামে বিভাজন, লাঠালাঠি, রক্তক্ষয়, দাঙ্গা বড় কম দেখেনি। সেই অভিঘাতেই সমাজ বারবার আড়াআড়ি দু’ভাগে ভেঙে গিয়েছে। মেরুকরণের শিকার হয়েছে। যার ফায়দা লুটেছে কিছু হিংস্র ধর্মোন্মাদ। আজও তার পুনরাবৃত্তি অব্যাহত। তাই ধর্মকে শিখণ্ডী করে সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে বৈরিতার বীজ বপন এবং সেই বিষকে নতুন করে মাথায় তুলতে আজ বড্ড ভয়। বিশেষত আমাদের মতো ঘরপোড়া গোরুদের তো বটেই!
কারণ এই মুহূর্তে প্রসাদ নয়, মারণ রোগের বিরুদ্ধে লড়তে মানুষ কার্যকরী ভ্যাকসিনের প্রত্যাশী। বিশ্বজুড়ে তারই সাধনায় নিরলস চেষ্টা চালাচ্ছেন কয়েক হাজার গবেষক, বিজ্ঞানী। তাঁদের নাম পরিচয় কেউ জানে না। হয়তো কোনওদিন জানবেও না। প্রতিষেধক এলেও কোথাও পুজোও হবে না তাঁদের। রাস্তার ধারে লাগানো হবে না জমকালো কাটআউট। কিন্তু আজ এই দুঃসময়ে ওই অপরিচিত গবেষকদের কাছে সবার চাহিদা একটাই, দ্রুত একটা প্রতিষেধক আনুন। যা আধমরা মানবজাতিকে একটু ভরসা দেবে, বুকে বল জোগাবে। মন্দিরে শান্তিতে বসার চেয়েও আজ জরুরি হাসপাতালের নিরাপদ শয্যা। একটু শুশ্রূষা। পূজারীর হাত থেকে দু’ফোঁটা চরণামৃত নয়, প্রাণ বাঁচাতে পারে ডাক্তার-নার্সের অক্লান্ত সেবা। ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ই শুধু নয় ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে আজ মন্দির নয়, সর্বাগ্রে প্রয়োজন একটা বড় কারখানা, বিদ্যালয় এবং অবশ্যই দুঃস্থদের জন্য কম খরচের হাসপাতাল। কিন্তু ওই আসল উন্নয়ন আর বিজ্ঞানের যুক্তির উপর দাঁড়িয়ে যে ভোট বাড়ে না। নির্বাচনী গণিতের মস্ত ট্র্যাজেডিটা সেখানেই। ডিজিটাল বিজ্ঞানের যুগেও তাই মানুষ অন্ধ আকুতিতে জ্যান্ত দেবতাকে ছেড়ে বারবার পাথরে মাথা ঠোকে। আবেগে বিহ্বল হয়ে তার সব বিশ্বাস প্রভুর চরণে অর্পণ করে। যুক্তি সেখানে ব্রাত্য। সেই সুযোগটা ষোলোআনা উসুল করতেই রাজনীতির ধুরন্ধর কারবারিদের ধর্মের মিশেলে ভোট জয়ের এই বিচিত্র আয়োজন!
অযোধ্যার ঐতিহাসিক ভূমিপুজো অনুষ্ঠিত হল ১৫ আগস্টের দেড় সপ্তাহ আগে। গত বছর ৫ আগস্ট হয়েছিল কাশ্মীর ভাগ। ৩৭০ ও ৩৫এ বিলোপ করে নবজন্ম হয় ভূস্বর্গের। আর এবছর মন্দির আবেগকে উথলে দেওয়া। ধর্মীয় আবেগকে স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গে একাত্ম করে দেওয়ার পক্ষে এর চেয়ে উপযুক্ত সময় আর কবে মিলবে? জাতীয়তাবাদ, দেশপ্রেম আর রাম রাজনীতিকে একাকার করে দিয়ে একসুতোয় বাঁধতে তাই ভুল করেননি গেরুয়া রাজনীতির সফলতম ব্যক্তিত্ব নরেন্দ্র মোদি। প্রমাণ করে দিয়েছেন, ভোটের হিসেব কষায় তিনি বাজপেয়ি-আদবানিদের চেয়ে কয়েকগুণ দড়। সেইসঙ্গে অতীত ইতিহাসকে সুকৌশলে ভুলে যাওয়াতেও তিনি অতুলনীয়।
মনে আছে, তিন দশক আগে আদবানিজির পিছু পিছু অযোধ্যায় আসতেন। একজন সাধারণ উঠতি নেতা তথা সঙ্ঘের সামান্য সেবক হিসেবে। অশোক সিঙ্ঘল, মুরলীমনোহর যোশি, প্রমোদ মহাজন, সুষমা স্বরাজ, উমা ভারতী, গোবিন্দ আচারিয়া, সাধ্বী ঋতম্ভরা, বিনয় কাটিয়ার, প্রবীণ তোগাড়িয়া-সহ শত শত নেতা-নেত্রী করসেবকদের উচ্ছ্বাস আর পদচারণায় তখন মুখরিত হতো পবিত্র অযোধ্যার মাটি। প্রতিধ্বনিত হতো গেরুয়া রাজনীতির একমাত্র ধ্রুবপদ, ‘মন্দির ওখানেই হবে।’ ওটাই ছিল মন্দির রাজনীতির প্রথম পর্ব। বিজেপি তথা দেশের গেরুয়া রাজনীতির শুরুর অধ্যায়। বাজপেয়ি-আদবানিদের স্বর্ণযুগ। বস্তুত ১৯৮০ সালে বিজেপির প্রতিষ্ঠার পরই ধীরে ধীরে মন্দির আন্দোলন গতি পায়। নব্বইয়ের দশকে আদবানির রথযাত্রা ও ৯২-এর ৬ ডিসেম্বর বিতর্কিত বাবরি মসজিদের ধ্বংস তাকে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছে দেয় রাতারাতি। যার ফলে জাতীয় রাজনীতির নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠতে আর দেরি হয়নি বিজেপির। কংগ্রেস-বিরোধী রাজনীতি মানে বহুদলীয় চিড়িয়াখানা নয়, মানুষের মনে এই আস্থা তৈরি করে বাবরি ধ্বংসের ৬ বছরের মধ্যে কেন্দ্রে আসীন হয় বাজপেয়ি সরকার। সেই অর্থে ১৯৭৭ নয়, কংগ্রেসের পায়ের তলার মাটি প্রকৃত অর্থে নড়ে গিয়েছিল ১৯৯৮ সালেই। গেরুয়া রাজনীতির সফল উত্থানে। মাত্র কয়েকটি রাজ্যে সীমাবদ্ধ ক্ষীণবল বামেদের তৃতীয় ফ্রন্টের আড়ালে আঙুল চোষারও সেই শুরু।
নরেন্দ্র মোদিকে তখন আলাদা করে কেউ তেমন গুরুত্ব দিত না। দেওয়ার কারণও ছিল না। কিন্তু ওই যে বললাম, ইতিহাস ও সময় বড়ই নিষ্ঠুর। তাই তিন দশক পেরিয়ে ৫ আগস্ট মন্দিরের শিলান্যাসের প্রকৃত মঞ্চ যখন প্রস্তুত হল তখন অযোধ্যা আন্দোলনের সেই অক্লান্ত সৈনিকরা কেউ উপস্থিত নেই। কেউ মারা গিয়েছেন তো কেউ বানপ্রস্থে। নব্বই পেরনো ব্রাত্য আদবানিজি বাড়িতে বসে দেখলেন তাঁর হাতে তৈরি একনিষ্ঠ সৈনিক তাঁকে শুধু ছাপিয়েই যাননি, পুরনো সেই দিনের কথাও ভুলে গিয়েছেন বেমালুম। তাই আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত তাঁর ভাষণে আদবানিজির নাম স্মরণ করলেও ভুল করেও মোদিজি ওই পথে হাঁটেননি। ঠিকই করেছেন। প্রকৃত সফল মানুষরা এভাবেই গুরুদক্ষিণা দেন। বাকিরা একলব্য হয়। সিঙ্ঘল, কাটিয়ার, মহাজন, তোগাড়িয়াদের কথা তো ছেড়েই দিলাম। অথচ মন্দিরের নকশা তৈরি করতে প্রখ্যাত স্থপতি চন্দ্রকান্ত সোমপুরাকে প্রথম অযোধ্যায় নিয়ে আসেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তৎকালীন প্রধান অশোক সিঙ্ঘলই। মন্দির আন্দোলনে তাঁর অবদানও বড় কম নয়। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে মোদি সরকারের পত্তনের পরের বছরই সিঙ্ঘলজি মারা যান। সেইসঙ্গে শেষ হয় মন্দির আন্দোলনের সবচেয়ে একনিষ্ঠ ‘করসেবক’-এর জীবন দৌড়। অকালে চলে গিয়েছেন সেদিনের তরুণ তুর্কি বাজপেয়ি-আদবানিদের চোখের মণি সুদক্ষ সংগঠক প্রমোদ মহাজনও। গত বছর আগস্টেই বিজেপি স্বল্প ব্যবধানে হারায় দলের আরও দুই তারকা সুষমা স্বরাজ ও অরুণ জেটলিকে। অপূরণীয় ক্ষতি। এই একের পর এক ইন্দ্রপতনই আজকের বিজেপিকে ক্রমেই নরেন্দ্র মোদির ছায়ায় ঢেকে দিয়েছে। কংগ্রেসের পারিবারিক দলতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে বিজেপিও কিন্তু নিজের অজান্তেই কখন ব্যক্তিনির্ভর দলে পরিণত হয়েছে, যা আগে কখনও ছিল না।
২০১৪ সাল থেকেই চলছে বিজেপির মোদি যুগ। গত লোকসভা ভোটের সাফল্যের পর তাঁর ছায়া ক্রমেই আরও দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। সেই ছায়া যতদিন প্রবল, ততদিন কোনও সমস্যা নেই। আকাশের সব ঘুড়ি কেটে যাবে নিমেষে। হচ্ছেও তাই। এখন যা অবস্থা তাতে করে নুইয়ে পড়া কংগ্রেস, মামলা মোকদ্দমায় জর্জরিত আঞ্চলিক দলগুলির পক্ষে আসন্ন ২০২৪ সালেও বড় কোনও চ্যালেঞ্জ গড়ে তোলা আদৌ সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ের শেষ নেই। কিন্তু তারপর? কী দল, কী রাজনীতিতে এমনকী পরিবারেও সবাইকে ঢেকে দেওয়া কোনও ব্যক্তিত্বের ছটা যত বেশি প্রবল হয়, তাঁকে ছাড়া শূন্যতাও কিন্তু ততটাই গভীর হয়ে চেপে বসে। সেই শূন্যতাপূরণ কাকে দিয়ে, তা এখন থেকেই ভাবতে হবে বিজেপিকে। যে-কোনও আন্দোলন যখন সাফল্যের শিখরে পৌঁছয়, তখন তাকে ঘিরে একটা পাল্টা অনিশ্চয়তাও তৈরি হয়। রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? তখন কোন আবেগকে সামনে রেখে গেরুয়া দলের নতুন করে পথচলা শুরু হবে, সেটাই এই মুহূর্তের লাখ টাকার প্রশ্ন। সাফল্য, তৃপ্তি ক্ষণস্থায়ী একটি অবস্থা। আরএসএসের অ্যাজেন্ডা পূরণে মোদিজি একাই একশো! কিন্তু তারপর? অমিত শাহ না, যোগী অদিত্যনাথ—কার হাতে উঠবে হিন্দুত্বের রাজনীতির ব্যাটন? কোটি টাকার প্রশ্ন এটাই। অমিত শাহ জাতীয় রাজনীতিতে মোদিজির ঘনিষ্ঠ সহচর বলেই পরিচিত। তাঁর গায়েও গুজরাতের গন্ধ। রাজনৈতিক কূটচালে অত্যন্ত সিদ্ধহস্ত হলেও সবটাই মোদিজির ছায়ায়। আর উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী অদিত্যনাথ সেদিন ভূমিপুজোয় যেভাবে সঙ্গত করলেন তাতে অনেকেই ৩০ বছর আগের নরেন্দ্র মোদির অবিকল ছায়া দেখতে পেয়েছেন। এ তো গেল নেতৃত্বের প্রশ্ন, কিন্তু রাজনীতির অভিমুখ? বহুত্ববাদের দেশে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বিষ বুকে নিয়ে ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ কি আদৌ সম্ভব? বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য আর সবাইকে একসূত্রে গাঁথার মধ্যেই যে ভারতীয় সংস্কৃতির অবাধ বিচরণ।
09th  August, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, পতিরাম: গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোহিনীপাড়ায় রবিবার গভীর রাতে ভেঙে গেল পূনর্ভবা নদী বাঁধের একাংশ। ভোররাত থেকেই বাঁধ বাঁচাতে কাজ শুরু করেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সেচ দপ্তর। যদিও রবিবার রাত থেকেই ওই নদী বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় জল ঢুকে ...

ঘূর্ণিঝড় উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক অনুদান দিচ্ছে রাজ্য সরকার। শহরাঞ্চলে সেই প্রক্রিয়া চালাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। প্রায় সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে। ...

 ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়াল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকার দখল নিয়েই দুই দেশের লড়াই। রবিবার থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে দু’পক্ষের ২৩ জনের। আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি। ...

 আগামী বছরের শেষদিকে বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিকাঠামো সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে বলেই দাবি করল ইন্ডিয়ান অয়েল। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রীতীশ ভারত বলেন, বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত যে গ্যাস লাইন আসার কথা, তার কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:23:02 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ১২৮/২ (১৬ ওভার) 

09:09:08 PM

এফটিআইআইয়ের প্রেসিডেন্ট ও গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন শেখর কাপুর 

08:41:11 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ৫২/০ (৭ ওভার) 

08:17:03 PM

আইপিএল: টসে জিতে হায়দরাবাদকে প্রথম ব্যাট করতে পাঠাল দিল্লি 

07:11:11 PM

আজ সন্ধ্যায় কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা 

05:41:37 PM