Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল স্বাভাবিক ঘটনা। জেতার সম্ভাবনা থাকে যে দলের, সেই দিকেই বাড়ে ভিড়। ভোটের মুখে দল বদলের ঝোঁক তীব্র হয়। টিকিট প্রত্যাশীদের মনস্কামনা পূর্ণ না হলেই পা বাড়ান অন্য দলে। আবার দলের প্রতিপক্ষ নেতা টিকিট পেলেও কেউ কেউ দল ছাড়েন। তাঁকে হারানোর জন্য। নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রাভঙ্গ করার চেষ্টা। তবে, সম্প্রতি দক্ষিণ দিনাজপুরের বিপ্লব মিত্রের বিজেপি ত্যাগের ঘটনা একটু অন্য রকম। বিজেপি ছেড়ে তাঁর তৃণমূলে যোগদান গেরুয়া শিবিরে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারল কি না, সেটা সময়ই বলবে। কিন্তু, দলত্যাগ প্রসঙ্গে তাঁর যুক্তি বঙ্গ রাজনীতিতে একটা বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। সেটি হল, বাংলা এবং বাঙালির ভাগ্য কি গুজরাত দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে? সিপিএমের ‘বেঙ্গল লাইন’, ‘কেরল লাইন’—এর পর রাজ্যের মানুষ কি নতুন লাইনের মুখোমুখি হতে চলেছে? গুজরাত লাইন!
বেঙ্গল লাইন ও কেরল লাইন ছিল সিপিএমের ‘অন্দর কি বাত’-এর মতো। তা পার্টির নেতা আর ক্যাডারদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তাঁরাই কেবল জানতেন দল পরিচালনা, দলের নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিউনিস্ট পার্টির ভিতরে এই দু’টি লবির লড়াইয়ের কথা। কিন্তু সেই গোপন কথাটি আর গোপন রইল না ১৯৯৬ সালে, যখন দেশের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বাঙালির বসার সম্ভাবনা খারিজ হয়ে গেল। তখন গেরুয়া শিবিরকে ঠেকাতে দেশের প্রায় সমস্ত অবিজেপি দল জ্যোতি বসুকে প্রধানমন্ত্রী করার প্রস্তাব দিয়েছিল। জ্যোতি বসু তো বটেই, সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক হরকিষেণ সিং সুরজিৎও সেই প্রস্তাবে রাজি ছিলেন। কিন্তু, মূলত কেরল লবির বিরোধিতায় আটকে গিয়েছিল জ্যোতিবাবুর প্রধানমন্ত্রী হওয়া। ভয়ঙ্কর চটেছিলেন জ্যোতিবাবু। তারপরই তাঁর সেই বিখ্যাত উক্তি, ‘ঐতিহাসিক ভুল।’
আরও একবার কেরল লাইনের ক্ষমতা টের পেয়েছিলেন এ রাজ্যের মানুষ। ২০০৮ সালে। কেন্দ্রে তখন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বামফ্রন্ট ৬০টি আসন জিতেছিল। কোনও দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। কংগ্রেস চেয়েছিল, কেন্দ্রের ইউপিএ সরকারে যোগ দিক বামফ্রন্ট। বামেরা সরকারে যায়নি। তবে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে লোকসভার স্পিকার হয়েছিলেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়। সেই সরকারের চার বছরের মাথায়, ২০০৮ সালে পরমাণু চুক্তিকে ঘিরে কংগ্রেস ও সিপিএমের বিরোধ চরমে উঠেছিল। বামেদের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও মনমোহন পরমাণু চুক্তির সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। আর তাতেই সরকার থেকে সমর্থন তুলেছিল সিপিএম।
সেই সিদ্ধান্তের পিছনেও ছিল কেরল লাইনের চাপ। সোমনাথবাবুকে স্পিকার পদ ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছিল দল। কিন্তু, মানেননি সোমনাথবাবু। মাঝপথে সরকারকে বিপাকে ফেলতে চাননি তিনি। নির্দেশ না মানায় পার্টি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। তবে বামেরা সমর্থন তুললেও সরকার পড়েনি। উল্টে পশ্চিমবঙ্গ সরকার থেকে উৎখাত হওয়ার বীজ সেইদিনই পোঁতা হয়ে গিয়েছিল। সিপিএম সরতেই কংগ্রেসের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাছাকাছি এসেছিল দুই কংগ্রেস। তারই পরিণতিতে ২০১১ সালের বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস-তৃণমূল জোট।
সেই জোটই উপড়ে দিয়েছিল বামফ্রন্ট সরকারের ৩৪ বছরের শিকড়। কেরল লবির চাপে কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন না করলে এরাজ্যে সিপিএমের এত তাড়াতাড়ি এমন দৈন্যদশা হতো না। এখনও অনেক সিপিএম নেতাকেই বলতে শোনা যায়, ২০০৮ সালে সমর্থন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত পার্টির ‘দ্বিতীয় ঐতিহাসিক ভুল’। তাই রাজনীতিতে যখনই কোনও লাইনের কথা ওঠে তখনই বাঙালির চোখ বড় বড় হয়। আশঙ্কার প্রহর গোনে। কারণ লাইনের যে কী মহিমা, তা রাজ্যবাসী ভালোই জানেন! লাইনের চক্করেই ঘটনার ঘনঘটা।
‘কেরল লাইনে’র ধাক্কায় চুরমার হয়েছে বাঙালির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন। সেই লাইনের চক্করেই পার্টি থেকে ঘাড়ধাক্কা খেয়েছেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়। আর দলে ফিরতে পারেননি। তাঁকে বলা হয়েছিল, ভুল স্বীকার করে চিঠি দিলেই দলে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। কিন্তু, তিনি তা করেননি।
ফের বঙ্গ রাজনীতিতে একটি লাইন নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। একেবারে নতুন লাইন। গুজরাত লাইন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাঝে মধ্যেই বলতে শোনা যায়, ‘বাংলা কি গুজরাত থেকে পরিচালিত হবে? যাঁরা বাংলা ভাষা জানেন না, বাংলার সংস্কৃতি বোঝেন না, তাঁদের খবরদারি বাংলা কিছুতেই মেনে নেবে না।’
বিপ্লব মিত্র বিজেপি ছাড়ার কারণ হিসেবে ঠিক এমনই একটি কথার উল্লেখ করেছেন। বিপ্লববাবু বিজেপিতে গিয়েছিলেন লোকসভা নির্বাচনের পর। সেই সময় অনেকেই গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই আবার পুরনো দলে ফিরেছেন। তাঁদের কেউ বলেছেন, গাঁদা ফুলের গন্ধ সহ্য হচ্ছিল না। কেউ বলেছেন, গুটখার গন্ধ বড় অসহ্য লাগে। কিন্তু, বিপ্লববাবু সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলেছেন। তাঁর কথায়, দিল্লি এবং গুজরাতের নির্দেশে বাংলা চলবে, তা বুঝে যেতেই তিনি বিজেপি ছেড়েছেন। তিনি বলেন, ‘বাংলার কীসে মঙ্গল হবে, তা দিল্লি বা গুজরাত থেকে বোঝা যায় না। এরাজ্যের মাটিতে দাঁড়িয়েই বাংলার ভালো করা সম্ভব। কিন্তু, বিজেপিতে সেই সুযোগ নেই।’
নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ মাঝে মধ্যেই কংগ্রেসকে ‘একটি পরিবারের পার্টি’ বলে কটাক্ষ করেন। তাঁদের আক্রমণের লক্ষ্য গান্ধী পরিবার। তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন, যতই পরিবারতন্ত্রের কথা বলা হোক না কেন, কংগ্রেসকে ধরে রেখেছে এই গান্ধী পরিবারই। এই পরিবার বিচ্ছিন্ন হলেই কংগ্রেস হবে টুকরো টুকরো। তখন দিল্লিতে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানানোর কোনও শক্তিই আর থাকবে না। সেই লক্ষ্যেই তাঁদের আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু গান্ধী পরিবার। সুযোগ পেলেই ঠুকে দেন।
তবে, বিজেপির এই দুই শীর্ষ নেতৃত্বের দিকেও আঙুল ওঠা শুরু হয়েছে। তাঁরাই দলের শেষ কথা। এছাড়া সরকারে এবং দলে যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা সংখ্যা মাত্র। এই দু’জনই গুজরাতের মানুষ। দলে ছাড়াও সাউথ ব্লকে গুজরাতের আইএএস অফিসারদের দাপট ক্রমবর্ধমান। ফলে চালকের আসনে গুজরাত সুপ্রতিষ্ঠিত।
১৯ লক্ষ করোনা আক্রান্তের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে হই হই করে হয়ে গেল রামমন্দিরের শিলান্যাস। করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় অমিতজি সেখানে যেতে পারেননি। তবে, মোদিজির উজ্জ্বল উপস্থিতির ছটায় ঝলমল করছিল গোটা অযোধ্যা। তাঁকে ঘিরেই যত উৎসব, যত আয়োজন। অথচ কোটি কোটি হিন্দুর মনে এই রামমন্দির তৈরির স্বপ্নের বীজ যিনি বপন করেছিলেন সেই লালকৃষ্ণ আদবানি থেকে গেলেন অন্ধকারেই। বিজেপির সেই ‘লৌহ পুরুষ’ এই অনুষ্ঠানে থাকার আমন্ত্রণটুকুও পাননি।
ইতিহাস বলছে, ১৯৯০ সালে আদবানিজির ‘রাম রথযাত্রা’র জন্যই ‌বিজেপির হিন্দুত্বের লাইন কংক্রিটের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই রাম রথের কারণেই দেশজুড়ে বিজেপির শক্তি একধাক্কায় দ্বিগুণ হয়েছিল। এই রথযাত্রার জন্যই গুজরাতের ক্ষমতায় বসেছিল বিজেপি। এসব দেখে অনেকেই টিপ্পনি কাটছেন, ‘কাজের সময় কাজি, কাজ ফুরলেই আদবানিজি।’
এই মুহূর্তে ‘আদবানিজি’ কোনও ব্যক্তি বিশেষ নন, হয়ে উঠেছেন প্রতীক। অবহেলার প্রতীক। বঙ্গ বিজেপিতেও ‘আদবানিজি’ আছেন। এক আধজন নয়, প্রচুর। তাঁরাই ছিলেন পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে এরাজ্যে বিজেপির ভিত মজবুত করার অন্যতম কারিগর। ভেবেছিলেন, নতুন দলে গিয়ে জাঁকিয়ে বসবেন। তাঁরাই তুলে নেবেন দলের ব্যাটন। তাঁদের কেউ কেউ হয়তো পঞ্চায়েত প্রধান, কেউ কেউ এমপিও হয়েছেন। কেউ কেউ গালভরা পদও পেয়েছেন। কিন্তু ওই পর্যন্তই। কিছুতেই ভিতরে ঢুকতে পারছেন না। ঢুকতে গেলেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের প্রাচীরে ঠোক্কর খাচ্ছেন। এই অবস্থায় আবার দিলীপ ঘোষ বোমা ফাটিয়েছেন, ‘বাংলার পরিবর্তন দিলীপ ঘোষ একা করতে পারবেন।’ আরএসএসের প্রাক্তন প্রচারকের এই গুণটা সব্বাই স্বীকার করেন। তাঁর মন আর মুখ এক। মনে যা থাকে, মুখ দিয়ে সেটাই গড় গড় করে বেরিয়ে যায়। তবে, তাতে অনেকের কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে লেগেছে।
রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। অদৃশ্য সুতোর টানেই ‌তাঁদের যত নাচন কোঁদন। আর সুতোটা গুজরাতের তৈরি। সবাই জানে, সুতো উৎপাদনে দেশের এক নম্বর গুজরাতই!
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
নয়া নীতিতে শিক্ষা
আমাদের ‘বাহন’ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করার পর দিকে দিকে কেমন একটা হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়ে নতুনত্ব আছে। আর তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সরকারি স্কুলে প্লে-গ্রুপ ও কিন্ডারগার্টেন, ১০+২ এর ধারণা পিছনে ফেলে ফুটবলের মতো ৫+৩+৩+৪ ছকে স্কুলশিক্ষাকে সাজানো এবং সায়েন্স, আর্টস, কমার্স উঠে যাওয়া... নড়েচড়ে বসার মতো পরিস্থিতি বটে।
বিশদ

04th  August, 2020
রাজ্য-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র
সোমেন মিত্রের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত 
প্রবীর ঘোষাল

২০০০ সালের মার্চ মাস। রাজ্য কংগ্রেস রাজনীতিতে ঘোর সঙ্কট। দু’বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করে ঝড় তুলে দিয়েছেন। দু’-দু’টি লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুলের সাফল্য গোটা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই সময় এল পশ্চিমঙ্গে রাজ্যসভা নির্বাচন।  
বিশদ

03rd  August, 2020
করুণ কাহিনীতে কোনও ‘সমাপ্ত’ হয় না 
পি চিদম্বরম

গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়। তারপর থেকে লিখিত আদেশ ছাড়াই জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক ব্যক্তিকে ‘গৃহবন্দি’ করা হয়েছে। এরকমই একজন গৃহবন্দি রাজনৈতিক নেতা বলেন যে, ‘জম্মু ও কাশ্মীর একটা বিরাট বন্দিশালা’। 
বিশদ

03rd  August, 2020
৫ আগস্ট ও নরেন্দ্র
মোদির ভোট অঙ্ক
হিমাংশু সিংহ 

২৯ বছর আগে ছবিটা তুলেছিলেন মহেন্দ্র ত্রিপাঠি। করোনা আবহে সেই ছবিই গোটা দেশে আজ হঠাৎ ভাইরাল। মহেন্দ্র পেশায় শখের ফটোগ্রাফার। ছোট্ট একটা স্টুডিও আছে অযোধ্যার প্রস্তাবিত রামমন্দির চত্বরের কাছেই।   বিশদ

02nd  August, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

01st  August, 2020
বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
একনজরে
দেরিতে শুরু হলেও আফ্রিকা মহাদেশে করোনার সংক্রমণ দ্রুতহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেখানে সংক্রমণ ১০ লক্ষ অতিক্রমণ করেছে বলে সরকারি হিসেব। মৃত্যু হয়েছে ২১ হাজার ৯৮৩ জনের।  ...

 করোনার আগ্রাসন এখন নবান্নের মূল প্রবেশদ্বার থেকে ১৪তলা পর্যন্ত। একের পর এক আধিকারিক, পুলিস অফিসার, হাউসকিপিং স্টাফ এবং গাড়ির চালক ঘায়েল হচ্ছেন এই ভাইরাসের ছোবলে। ...

করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফেরার পর খড়্গপুর রেল হাসপাতালের এক চিকিৎসক ফের করোনায় আক্রান্ত হলেন।   ...

কাছারি বাজারের কাপড়পট্টিতে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় মোট ৭ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি জানালেন ব্যবসায়ীরা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। হিসেব করে চললে তেমন আর্থিক সমস্যায় পড়তে হবে না। ব্যবসায় উন্নতি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৫- লেখক ভীষ্ম সাহানির জন্ম
১৯৪০- ক্রিকেটার দিলীপ সারদেশাইয়ের জন্ম
১৯৭৫: গীতিকার ও কবি প্রণব রায়ের মৃত্যু
১৯৭৭: বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী, সুরকার ও সঙ্গীতপরিচালক আচার্য ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৮১- সুইস টেনিস খেলোয়ান রজার ফেডরারের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.১৬ টাকা ৭৬.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৯৫.৮৩ টাকা ১০০.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৮ টাকা ৯১.১৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৪,০৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৫,০৩০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৫,১৩০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৩ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২০, পঞ্চমী ৫৭/৪১ রাত্রি ৪/১৯। উত্তরভাদ্রপদনক্ষত্র ২৭/২৩ অপঃ ৪/১২। সূর্যোদয় ৫/১৪/৩৫, সূর্যাস্ত ৬/৯/৫১। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১২/৫৯ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৩ গতে ১০/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৪৫। বারবেলা ৬/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/১৯ গতে ২/৫৬ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৫১ গতে উদয়াবধি।।
২৩ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২০, পঞ্চমী রাত্রি ২/৩২। উত্তরভাদ্রপদনক্ষত্র দিবা ৩/৪৯। সূর্যোদয় ৫/১৪, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১২/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/২০ গতে ১০/৩৪ মধ্যে ও ১২/৩ গতে ১/৩২ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৪৬। কালবেলা ৬/৫১ মধ্যে ও ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে ও ৪/৩৫ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৫ মধ্যে ও ৩/৫১ গতে ৫/১৪ মধ্যে।
১৭ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজকের দিনটি কেমন যাবে 
মেষ: ব্যবসায় উন্নতি হবে। বৃষ: কাজে বিশেষ সাফল্য। মিথুন: কর্মে একাধিক ...বিশদ

07:11:04 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৯১৫- লেখক ভীষ্ম সাহানির জন্ম১৯৪০- ক্রিকেটার দিলীপ সারদেশাইয়ের জন্ম১৯৭৫: গীতিকার ...বিশদ

07:03:20 PM

রাজ্যে করোনায় মৃত্যু ২ হাজার ছাড়াল
রাজ্যে করোনায় মৃত্যু ২ হাজার ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ২০০৫ ...বিশদ

09:06:41 PM

কাজিরাঙ্গায় শিকারির গুলিতে মৃত গণ্ডার 
অসমের কাজিরাঙ্গা অভয়ারণ্যে আজ সকালে একটি মৃত গণ্ডার উদ্ধার করা ...বিশদ

04:35:00 PM

গুজরাতে রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন 
 গুজরাতের একটি রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগল। আজ শনিবার ঘটনাটি ...বিশদ

03:59:00 PM

কেরলে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ২৩ জন যাত্রী হাসপাতাল থেকে মুক্ত 
কেরলে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ২৩ জন যাত্রীকে সুস্থ অবস্থায় হাসপাতাল থেকে ...বিশদ

03:45:00 PM