Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল স্বাভাবিক ঘটনা। জেতার সম্ভাবনা থাকে যে দলের, সেই দিকেই বাড়ে ভিড়। ভোটের মুখে দল বদলের ঝোঁক তীব্র হয়। টিকিট প্রত্যাশীদের মনস্কামনা পূর্ণ না হলেই পা বাড়ান অন্য দলে। আবার দলের প্রতিপক্ষ নেতা টিকিট পেলেও কেউ কেউ দল ছাড়েন। তাঁকে হারানোর জন্য। নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রাভঙ্গ করার চেষ্টা। তবে, সম্প্রতি দক্ষিণ দিনাজপুরের বিপ্লব মিত্রের বিজেপি ত্যাগের ঘটনা একটু অন্য রকম। বিজেপি ছেড়ে তাঁর তৃণমূলে যোগদান গেরুয়া শিবিরে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারল কি না, সেটা সময়ই বলবে। কিন্তু, দলত্যাগ প্রসঙ্গে তাঁর যুক্তি বঙ্গ রাজনীতিতে একটা বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। সেটি হল, বাংলা এবং বাঙালির ভাগ্য কি গুজরাত দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে? সিপিএমের ‘বেঙ্গল লাইন’, ‘কেরল লাইন’—এর পর রাজ্যের মানুষ কি নতুন লাইনের মুখোমুখি হতে চলেছে? গুজরাত লাইন!
বেঙ্গল লাইন ও কেরল লাইন ছিল সিপিএমের ‘অন্দর কি বাত’-এর মতো। তা পার্টির নেতা আর ক্যাডারদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তাঁরাই কেবল জানতেন দল পরিচালনা, দলের নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিউনিস্ট পার্টির ভিতরে এই দু’টি লবির লড়াইয়ের কথা। কিন্তু সেই গোপন কথাটি আর গোপন রইল না ১৯৯৬ সালে, যখন দেশের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বাঙালির বসার সম্ভাবনা খারিজ হয়ে গেল। তখন গেরুয়া শিবিরকে ঠেকাতে দেশের প্রায় সমস্ত অবিজেপি দল জ্যোতি বসুকে প্রধানমন্ত্রী করার প্রস্তাব দিয়েছিল। জ্যোতি বসু তো বটেই, সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক হরকিষেণ সিং সুরজিৎও সেই প্রস্তাবে রাজি ছিলেন। কিন্তু, মূলত কেরল লবির বিরোধিতায় আটকে গিয়েছিল জ্যোতিবাবুর প্রধানমন্ত্রী হওয়া। ভয়ঙ্কর চটেছিলেন জ্যোতিবাবু। তারপরই তাঁর সেই বিখ্যাত উক্তি, ‘ঐতিহাসিক ভুল।’
আরও একবার কেরল লাইনের ক্ষমতা টের পেয়েছিলেন এ রাজ্যের মানুষ। ২০০৮ সালে। কেন্দ্রে তখন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বামফ্রন্ট ৬০টি আসন জিতেছিল। কোনও দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। কংগ্রেস চেয়েছিল, কেন্দ্রের ইউপিএ সরকারে যোগ দিক বামফ্রন্ট। বামেরা সরকারে যায়নি। তবে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে লোকসভার স্পিকার হয়েছিলেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়। সেই সরকারের চার বছরের মাথায়, ২০০৮ সালে পরমাণু চুক্তিকে ঘিরে কংগ্রেস ও সিপিএমের বিরোধ চরমে উঠেছিল। বামেদের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও মনমোহন পরমাণু চুক্তির সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। আর তাতেই সরকার থেকে সমর্থন তুলেছিল সিপিএম।
সেই সিদ্ধান্তের পিছনেও ছিল কেরল লাইনের চাপ। সোমনাথবাবুকে স্পিকার পদ ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছিল দল। কিন্তু, মানেননি সোমনাথবাবু। মাঝপথে সরকারকে বিপাকে ফেলতে চাননি তিনি। নির্দেশ না মানায় পার্টি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। তবে বামেরা সমর্থন তুললেও সরকার পড়েনি। উল্টে পশ্চিমবঙ্গ সরকার থেকে উৎখাত হওয়ার বীজ সেইদিনই পোঁতা হয়ে গিয়েছিল। সিপিএম সরতেই কংগ্রেসের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাছাকাছি এসেছিল দুই কংগ্রেস। তারই পরিণতিতে ২০১১ সালের বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস-তৃণমূল জোট।
সেই জোটই উপড়ে দিয়েছিল বামফ্রন্ট সরকারের ৩৪ বছরের শিকড়। কেরল লবির চাপে কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন না করলে এরাজ্যে সিপিএমের এত তাড়াতাড়ি এমন দৈন্যদশা হতো না। এখনও অনেক সিপিএম নেতাকেই বলতে শোনা যায়, ২০০৮ সালে সমর্থন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত পার্টির ‘দ্বিতীয় ঐতিহাসিক ভুল’। তাই রাজনীতিতে যখনই কোনও লাইনের কথা ওঠে তখনই বাঙালির চোখ বড় বড় হয়। আশঙ্কার প্রহর গোনে। কারণ লাইনের যে কী মহিমা, তা রাজ্যবাসী ভালোই জানেন! লাইনের চক্করেই ঘটনার ঘনঘটা।
‘কেরল লাইনে’র ধাক্কায় চুরমার হয়েছে বাঙালির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন। সেই লাইনের চক্করেই পার্টি থেকে ঘাড়ধাক্কা খেয়েছেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়। আর দলে ফিরতে পারেননি। তাঁকে বলা হয়েছিল, ভুল স্বীকার করে চিঠি দিলেই দলে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। কিন্তু, তিনি তা করেননি।
ফের বঙ্গ রাজনীতিতে একটি লাইন নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। একেবারে নতুন লাইন। গুজরাত লাইন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাঝে মধ্যেই বলতে শোনা যায়, ‘বাংলা কি গুজরাত থেকে পরিচালিত হবে? যাঁরা বাংলা ভাষা জানেন না, বাংলার সংস্কৃতি বোঝেন না, তাঁদের খবরদারি বাংলা কিছুতেই মেনে নেবে না।’
বিপ্লব মিত্র বিজেপি ছাড়ার কারণ হিসেবে ঠিক এমনই একটি কথার উল্লেখ করেছেন। বিপ্লববাবু বিজেপিতে গিয়েছিলেন লোকসভা নির্বাচনের পর। সেই সময় অনেকেই গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই আবার পুরনো দলে ফিরেছেন। তাঁদের কেউ বলেছেন, গাঁদা ফুলের গন্ধ সহ্য হচ্ছিল না। কেউ বলেছেন, গুটখার গন্ধ বড় অসহ্য লাগে। কিন্তু, বিপ্লববাবু সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলেছেন। তাঁর কথায়, দিল্লি এবং গুজরাতের নির্দেশে বাংলা চলবে, তা বুঝে যেতেই তিনি বিজেপি ছেড়েছেন। তিনি বলেন, ‘বাংলার কীসে মঙ্গল হবে, তা দিল্লি বা গুজরাত থেকে বোঝা যায় না। এরাজ্যের মাটিতে দাঁড়িয়েই বাংলার ভালো করা সম্ভব। কিন্তু, বিজেপিতে সেই সুযোগ নেই।’
নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ মাঝে মধ্যেই কংগ্রেসকে ‘একটি পরিবারের পার্টি’ বলে কটাক্ষ করেন। তাঁদের আক্রমণের লক্ষ্য গান্ধী পরিবার। তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন, যতই পরিবারতন্ত্রের কথা বলা হোক না কেন, কংগ্রেসকে ধরে রেখেছে এই গান্ধী পরিবারই। এই পরিবার বিচ্ছিন্ন হলেই কংগ্রেস হবে টুকরো টুকরো। তখন দিল্লিতে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানানোর কোনও শক্তিই আর থাকবে না। সেই লক্ষ্যেই তাঁদের আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু গান্ধী পরিবার। সুযোগ পেলেই ঠুকে দেন।
তবে, বিজেপির এই দুই শীর্ষ নেতৃত্বের দিকেও আঙুল ওঠা শুরু হয়েছে। তাঁরাই দলের শেষ কথা। এছাড়া সরকারে এবং দলে যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা সংখ্যা মাত্র। এই দু’জনই গুজরাতের মানুষ। দলে ছাড়াও সাউথ ব্লকে গুজরাতের আইএএস অফিসারদের দাপট ক্রমবর্ধমান। ফলে চালকের আসনে গুজরাত সুপ্রতিষ্ঠিত।
১৯ লক্ষ করোনা আক্রান্তের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে হই হই করে হয়ে গেল রামমন্দিরের শিলান্যাস। করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় অমিতজি সেখানে যেতে পারেননি। তবে, মোদিজির উজ্জ্বল উপস্থিতির ছটায় ঝলমল করছিল গোটা অযোধ্যা। তাঁকে ঘিরেই যত উৎসব, যত আয়োজন। অথচ কোটি কোটি হিন্দুর মনে এই রামমন্দির তৈরির স্বপ্নের বীজ যিনি বপন করেছিলেন সেই লালকৃষ্ণ আদবানি থেকে গেলেন অন্ধকারেই। বিজেপির সেই ‘লৌহ পুরুষ’ এই অনুষ্ঠানে থাকার আমন্ত্রণটুকুও পাননি।
ইতিহাস বলছে, ১৯৯০ সালে আদবানিজির ‘রাম রথযাত্রা’র জন্যই ‌বিজেপির হিন্দুত্বের লাইন কংক্রিটের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই রাম রথের কারণেই দেশজুড়ে বিজেপির শক্তি একধাক্কায় দ্বিগুণ হয়েছিল। এই রথযাত্রার জন্যই গুজরাতের ক্ষমতায় বসেছিল বিজেপি। এসব দেখে অনেকেই টিপ্পনি কাটছেন, ‘কাজের সময় কাজি, কাজ ফুরলেই আদবানিজি।’
এই মুহূর্তে ‘আদবানিজি’ কোনও ব্যক্তি বিশেষ নন, হয়ে উঠেছেন প্রতীক। অবহেলার প্রতীক। বঙ্গ বিজেপিতেও ‘আদবানিজি’ আছেন। এক আধজন নয়, প্রচুর। তাঁরাই ছিলেন পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে এরাজ্যে বিজেপির ভিত মজবুত করার অন্যতম কারিগর। ভেবেছিলেন, নতুন দলে গিয়ে জাঁকিয়ে বসবেন। তাঁরাই তুলে নেবেন দলের ব্যাটন। তাঁদের কেউ কেউ হয়তো পঞ্চায়েত প্রধান, কেউ কেউ এমপিও হয়েছেন। কেউ কেউ গালভরা পদও পেয়েছেন। কিন্তু ওই পর্যন্তই। কিছুতেই ভিতরে ঢুকতে পারছেন না। ঢুকতে গেলেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের প্রাচীরে ঠোক্কর খাচ্ছেন। এই অবস্থায় আবার দিলীপ ঘোষ বোমা ফাটিয়েছেন, ‘বাংলার পরিবর্তন দিলীপ ঘোষ একা করতে পারবেন।’ আরএসএসের প্রাক্তন প্রচারকের এই গুণটা সব্বাই স্বীকার করেন। তাঁর মন আর মুখ এক। মনে যা থাকে, মুখ দিয়ে সেটাই গড় গড় করে বেরিয়ে যায়। তবে, তাতে অনেকের কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে লেগেছে।
রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। অদৃশ্য সুতোর টানেই ‌তাঁদের যত নাচন কোঁদন। আর সুতোটা গুজরাতের তৈরি। সবাই জানে, সুতো উৎপাদনে দেশের এক নম্বর গুজরাতই!
08th  August, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
ঘূর্ণিঝড় উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক অনুদান দিচ্ছে রাজ্য সরকার। শহরাঞ্চলে সেই প্রক্রিয়া চালাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। প্রায় সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে। ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোহিনীপাড়ায় রবিবার গভীর রাতে ভেঙে গেল পূনর্ভবা নদী বাঁধের একাংশ। ভোররাত থেকেই বাঁধ বাঁচাতে কাজ শুরু করেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সেচ দপ্তর। যদিও রবিবার রাত থেকেই ওই নদী বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় জল ঢুকে ...

 অভিষেকেই জয়ের স্বাদ পেলেন বার্সেলোনার কোচ রোনাল্ড কোম্যান। দলের প্রাণভোমরা লিও মেসির গোল তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। গত মরশুমের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’য়ে ...

 প্যাকেট ছাড়া বিড়ি-সিগারেট বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার। দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হিসেবে মহারাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ। সে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন থেকে আর খোলা বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ১২৮/২ (১৬ ওভার) 

09:09:08 PM

এফটিআইআইয়ের প্রেসিডেন্ট ও গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন শেখর কাপুর 

08:41:11 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ৫২/০ (৭ ওভার) 

08:17:03 PM

আইপিএল: টসে জিতে হায়দরাবাদকে প্রথম ব্যাট করতে পাঠাল দিল্লি 

07:11:11 PM

আজ সন্ধ্যায় কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা 

05:41:37 PM