Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

তাঁর আসল নাম ছিল শ্রীধর বলবন্ত যোধপুরকর। মহারাষ্ট্রের মানুষ। ভারতের বহু শ্রমিক ও কৃষক ঊনবিংশ শতক থেকেই আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশে কন্ট্রাক্ট্ররদের মাধ্যমে জীবিকার সন্ধানে চলে যেত। ফিজি তার মধ্যে অন্যতম। এই বলবন্ত যোধপুরকর ফিজিতে গিয়েছিলেন শ্রমিক হয়ে। ভারতে ফিরে তিনি শুরু করলেন এদেশের গ্রামে গ্রামে ঘোরা। তিনি লক্ষ্য করলেন কৃষকরা চরম সঙ্কটে। ব্রিটিশ সরকার খোঁজ রাখে না। সেই সুযোগে স্থানীয় তালুকদার অথবা জমিদাররা কৃষকদের চরম শোষণ করে। শ্রীধর বলবন্ত যোধপুরকর তিনটি স্থানকে বেছে নিলেন প্রধানত। প্রতাপগড়, অযোধ্যা এবং ফৈজাবাদ। উত্তরপ্রদেশের অবধ রিজিয়নের এই তিন এলাকার গ্রামে গ্রামে তিনি অবধী ভাষায় লিখিত তুলসীদাসের রামায়ণের শ্লোকগুলির গান সুর করে করে শোনাতেন আর অযোধ্যার রাজা রামচন্দ্রের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে হাতিয়ার করে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতেন। বোঝাতেন জমিদারদের অত্যাচারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। এভাবেই কৃষদের মধ্যে তাঁর নাম হয়ে যায় রামচন্দ্র বাবা। ১৯২০ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘদিন এই রামচন্দ্র বাবা একটা বিস্ময়কর কাজ করেন। তিনি কৃষকদের শিখিয়েছিলেন কারও সঙ্গে দেখা হলে কিংবা কথা শুরু করার সময় ‘সালাম’ বলবে না। বলবে, ‘সীতা-রাম’ কিংবা ‘সিয়া-রাম’। এই স্লোগান ক্রমেই এত জনপ্রিয় হয় যে লোকমুখে ছড়ায় কাহিনী। এই তো আজ ফৈজাবাদে জমিদারের হাতি এসেছিল জমির ধান নষ্ট করতে। সামনে দাঁড়িয়ে চাষিরা অনবরত ‘সীতা-রাম’ ‘সীতা-রাম’ বলতে বলতে বাধা দেওয়ায় সেই হাতি পর্যন্ত পিছু হটে পালিয়ে যায়। মানুষ বিশ্বাসও করে সেই কাহিনী। আরও আঁকড়ে ধরে ‘সীতারামকে।’ উত্তরপ্রদেশের গ্রামীণ এলাকায় এভাবে কৃষক আন্দোলনের জন্ম হয়। পরস্পরের সঙ্গে দেখা হলেই যদি কেউ কাউকে বলতেন ‘সীতা-রাম’, বোঝা হয়ে যেত যে, সামনের লোকটিও কৃষক। এভাবে ক্রমেই কৃষকদের মধ্যে একটি ঐক্য গড়ে উঠেছিল। বাবা রামচন্দ্রের প্রভাব ও প্রতিপত্তি বাড়ছে দেখে এবং কৃষকরা ক্রমেই নিজেদের দাবি আদায়ে রীতিমতো আগ্রাসী হয়ে উঠছে বুঝতে পেরে তাঁকে তিন বার জেলে পর্যন্ত পাঠায় ব্রিটিশ পুলিস। কিন্তু ক্রমেই অবধ অঞ্চল ছাড়িয়ে ওই ‘সীতা-রাম’ সম্বোধন ও সামাজিক সংস্কৃতি এলাহাবাদ, আগ্রা,মথুরাতেও পৌঁছে যায়। সীতারাম সম্বোধনের মাধ্যমে একটি প্রকৃত সামাজিক আন্দোলন যে তৈরি করা যায় এটা বাবা রামচন্দ্র প্রমাণ করেছিলেন।
১৯২৯ সালে অযোধ্যা এবং ফৈজাবাদের মধ্যবর্তী মোতিবাগ অঞ্চলে মহাত্মা গান্ধী গিয়েছিলেন হরিজন ফান্ডে টাকা সংগ্রহ করতে। জায়গাটি কৃষক অধ্যুষিত। তাঁকে দান হিসেবে কেউ একজন একটি রুপোর আংটি প্রদান করেন। তিনি স্থির করলেন আংটি নিলাম করবেন। ঘোষণা করলেন, যে কিনবে, আমি তাঁর আঙুলে নিজের হাতে পরিয়ে দেব আংটি। এক ব্যবসায়ী ৫০ টাকা দর হাঁকলেন। তি঩঩নিই জয়ী হলেন। ১০০ টাকার নোট গান্ধীজির সামনে রাখার পর গান্ধীজি তাঁকে আংটি পরিয়ে দিলেন। তিনি অপেক্ষা করছেন। বাকি ৫০ টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য। গান্ধীজি নীরব। ভদ্রলোক অস্বস্তিতে। বলতেও পারছেন না কিছু। একটু পরই গান্ধীজি হাসতে হাসতে বললেন, আরে আমি জাতে তো বানিয়া। একবার টাকা এলে সেটাকে ভাগ করে না বানিয়ারা। তার উপর আবার ডোনেশন। একথা শুনে সেই ব্যবসায়ী এবং গোটা সভাস্থল একসঙ্গে হেসে উঠল। গান্ধীজি সভাভঙ্গের আগে সকলকে অনুরোধ করলেন ভজনে অংশ নিতে। তাঁর প্রিয় সঙ্গীত। তিনি কংগ্রেস নেতৃত্বকে বলেছিলেন যতক্ষণ কৃষক কিংবা গ্রামের সাধারণ মানুষকে সঙ্গী করা না যাবে, ততক্ষণ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন সফল হবে না। কারণ, কংগ্রেস ছিল একটি আরবান এলিট সংগঠন। তিনি তাঁর ভজনকে এই গ্রামীণ মানুষের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করতে সফল হয়েছিলেন। আজীবন তাঁর সেই প্রিয় ভজন ছিল রঘুপতি রাঘব রাজা রাম/পতিত পাবন সীতা-রাম।
ইতিহাসের এই প্রসঙ্গগুলি উত্থাপনের কারণ হল, বুধবার অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের শিলান্যাস করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগাগোড়া ‘জয় সিয়া-রাম’ শব্দবন্ধ উচ্চারণ করলেন। মনে হল, তিনি যেন হিন্দুত্ব রাজনীতির আগ্রাসী রাজনীতির অঙ্গন থেকে হারিয়ে যাওয়া এই শব্দবন্ধটি সুকৌশলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলেন। রামমন্দির আন্দোলনের পর বিজেপি তথা সংঘ পরিবারের প্রকাশ্য প্রচার থেকে ‘সিয়ারাম’ অথবা ‘সীতারাম’ শব্দ যেন হারিয়ে গিয়েছিল। ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিই হয়ে উঠেছে হিন্দুত্ব রাজনীতির প্রতীক। ভারতের সনাতন ধর্মীয় আচারে পৃথকভাবে রামচন্দ্রকে পুজো করা কিংবা প্রতিমা নির্মাণের রীতি খুব কম দেখা যায়। সাধারণত যুগলমূর্তি থাকে। কিন্তু আগাগোড়াই রাম মন্দির আন্দোলনের প্রতিটি পোস্টারে রামচন্দ্রকে শক্তিশালী সুঠাম পুরুষকারের প্রতীক এক যোদ্ধা হিসেবে প্রদর্শন করা হয়েছে। সেই রামসীতার নরম হাসিতে বরাভয় প্রদানের দৃশ্যটি ছিল এই আন্দোলন অথবা মন্দির-রাজনীতির পরিসরে অনুপস্থিত। সীতাকে সন্তর্পণে সরিয়ে রাখার কারণ কী ছিল? যে মনোভাবের মধ্যে পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতার প্রকাশ ঘটে যেন।
এভাবে সীতাকে বাদ দিয়ে শুধুই ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি এবং একক রামচন্দ্রের যোদ্ধা ইমেজের কাট আউট, পোস্টার, ফ্লেক্স দেখিয়ে রাজনৈতিক মবিলাইজেশন হয়েছে কোনও সন্দেহ নেই। হিন্দুত্ববাদীদের আকর্ষণ তথা সংঘবদ্ধ করাও গিয়েছে। কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, সনাতন সরল গ্রামীণ ও শহুরে নিরীহ রামসীতা ভক্তদের একটু যেন ভয়ও লেগেছে। যখন বাড়ির সামনে থেকে উচ্চকিতভাবে বাইক নিয়ে শোভাযাত্রা কিংবা রামনবমীর অস্ত্র মিছিলে অথবা রাজনৈতিক মিছিলে আগ্রাসী, আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে দিতে যাওয়া হয়, তখন অতি সাধারণ মানুষ একটু দূরত্ব রেখে, দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করে। রামচন্দ্রকে প্রণামও করে। কিন্তু একটু দূর থেকেই। স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওই মিছিলে অংশ নিতে বাড়ির ছেলেমেয়ে নাতি নাতনিকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে কজন মানুষ? দ্বিধা হয়। এর কারণ, ওই আগ্রাসী ও আক্রমণাত্মক ভঙ্গি।
কিন্তু বিহার, উত্তরপ্রদেশের গ্রামে গ্রামে আজও দেখা যায় সন্ধ্যা হলেই তুলসীদাসের কথকতার আসর বসছে, নিভৃতে হনুমান চালিশা পড়ছে ঘরে ফেরা কৃষক। এঁদের আরাধ্য সেই আবহমানের ‘সীতা-রাম’ যুগল। শুধু একা রামচন্দ্র নয়। তাই তীব্র রক্তচক্ষুতে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনির মাধ্যমে হয়তো সমীহ আদায় করা যায়। অনেক সময় অন্যদের যেন ভয় দেখানোর কাজেও ব্যবহৃত হয়। কিন্তু ‘সিয়াপতি রামচন্দ্র কি জয়’ অথবা ‘সিয়াবর রামচন্দ্র কি জয়ের’ মধ্যে শ্রদ্ধাভক্তির সঙ্গে একাত্মতার ভালোবাসাও কাজ করে ভারতের সরল সাদাসিধে হিন্দু সমাজে। নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব
থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ব রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত
করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে। রামমন্দির স্থাপনের গোটা পর্ব ছিল মোদি শো। এবার সময় এসেছে, হিন্দুত্বকে আবার জয় সিয়ারামের স্নিগ্ধতায় ফিরিয়ে দিন মোদি। নেহাত রাজনীতি ও সম্প্রদায়গত জয়পরাজয়ের মাধ্যম হওয়া থেকে মুক্ত হন শ্রীরামচন্দ্র ও জানকী।
প্রয়াগের কুম্ভ অথবা রথযাত্রার মেলার মতো ‘সীতারাম’ যুগল থাকুন অন্তরে ও সামাজিক মিলনক্ষেত্রে। স্বাধীন ভারতের আত্মা চিরকাল কম্পোজিট ন্যাশনালিজম দ্বারা চালিত হয়। অর্থাৎ সকলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যের জাতীয়তাবাদ। রামমন্দির নির্মাণের পর প্রশ্ন উঠতে পারে, এবার কি তাহলে ভারত স্থায়ীভাবে কালচারাল তথা রিলিজিয়স ন্যাশনালিজমের পথে হাঁটবে। অর্থাৎ একটি বিশেষ ধর্মের ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ? একমাত্র নরেন্দ্র মোদির কাছেই এই প্রশ্নের উত্তর আছে। তিনি বুধবার প্রণিধানযোগ্য একটি কথা বলেছেন, এই রামমন্দির আধুনিক ভারতীয় সংস্কৃতির জন্ম দেবে। যে সংস্কৃতি সকলকে নিয়ে চলে। এটা আশার কথা। আমরা অপেক্ষায় থাকবো। আমরা সাধারণ ভারতবাসী শুধু চাই নিশ্চিন্তে বসবাস করতে।
রামায়ণে অযোধ্যাকাণ্ডে জাবালি নামক এক ব্রাহ্মণ রামচন্দ্রকে বলেছিলেন, ‘হে রাম! বিবেচক হও!..সকলের গ্রহণযোগ্য নীতি অনুসরণ করে ভরত যে রাজ্য তোমাকে নিবেদন করতে চাইছে তা গ্রহণ করো..।’ ওই যে জাবালি বলেছিলেন, সকলের গ্রহণযোগ্য নীতি, ওটাই রাষ্ট্রনায়কদের কাছে আদর্শ। সকলকে রক্ষা করাই তাঁর দায়িত্ব। রাষ্ট্র তার প্রজাদের কাউকেই শত্রু যেন না ভাবে। মহারাষ্ট্রে তুকারাম নামে এক মহান সাধক ছিলেন। বিঠঠল সম্প্রদায়ের কৃষক সন্তান তুকারাম ছিলেন বিষ্ণুর উপাসক। তিনি বলেছিলেন, ‘আমার শত্রুরা কেউ বাইরের জগতে নেই। আমারই ভিতরে যে বাসনা আছে, সেগুলিই সঙ্কট এবং সমস্যা নিয়ে আসে।’
07th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
নয়া নীতিতে শিক্ষা
আমাদের ‘বাহন’ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করার পর দিকে দিকে কেমন একটা হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়ে নতুনত্ব আছে। আর তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সরকারি স্কুলে প্লে-গ্রুপ ও কিন্ডারগার্টেন, ১০+২ এর ধারণা পিছনে ফেলে ফুটবলের মতো ৫+৩+৩+৪ ছকে স্কুলশিক্ষাকে সাজানো এবং সায়েন্স, আর্টস, কমার্স উঠে যাওয়া... নড়েচড়ে বসার মতো পরিস্থিতি বটে।
বিশদ

04th  August, 2020
রাজ্য-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র
সোমেন মিত্রের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত 
প্রবীর ঘোষাল

২০০০ সালের মার্চ মাস। রাজ্য কংগ্রেস রাজনীতিতে ঘোর সঙ্কট। দু’বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করে ঝড় তুলে দিয়েছেন। দু’-দু’টি লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুলের সাফল্য গোটা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই সময় এল পশ্চিমঙ্গে রাজ্যসভা নির্বাচন।  
বিশদ

03rd  August, 2020
করুণ কাহিনীতে কোনও ‘সমাপ্ত’ হয় না 
পি চিদম্বরম

গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়। তারপর থেকে লিখিত আদেশ ছাড়াই জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক ব্যক্তিকে ‘গৃহবন্দি’ করা হয়েছে। এরকমই একজন গৃহবন্দি রাজনৈতিক নেতা বলেন যে, ‘জম্মু ও কাশ্মীর একটা বিরাট বন্দিশালা’। 
বিশদ

03rd  August, 2020
৫ আগস্ট ও নরেন্দ্র
মোদির ভোট অঙ্ক
হিমাংশু সিংহ 

২৯ বছর আগে ছবিটা তুলেছিলেন মহেন্দ্র ত্রিপাঠি। করোনা আবহে সেই ছবিই গোটা দেশে আজ হঠাৎ ভাইরাল। মহেন্দ্র পেশায় শখের ফটোগ্রাফার। ছোট্ট একটা স্টুডিও আছে অযোধ্যার প্রস্তাবিত রামমন্দির চত্বরের কাছেই।   বিশদ

02nd  August, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

01st  August, 2020
বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
একনজরে
কাছারি বাজারের কাপড়পট্টিতে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় মোট ৭ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি জানালেন ব্যবসায়ীরা। ...

 অযোধ্যায় রামমন্দিরের জায়গায় যদি মসজিদ নির্মাণ করা হতো, তাহলে সেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যেতাম না। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের এই মন্তব্য ঘিরেই বিতর্ক ছড়িয়েছে। ...

মাকে কটূক্তির প্রতিবাদ করতে গিয়ে খুন হতে হল ১৭ বছরের এক কিশোরকে। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট শহর সংলগ্ন আঁখিরাপাড়া এলাকায়।  ...

 করোনার আগ্রাসন এখন নবান্নের মূল প্রবেশদ্বার থেকে ১৪তলা পর্যন্ত। একের পর এক আধিকারিক, পুলিস অফিসার, হাউসকিপিং স্টাফ এবং গাড়ির চালক ঘায়েল হচ্ছেন এই ভাইরাসের ছোবলে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। হিসেব করে চললে তেমন আর্থিক সমস্যায় পড়তে হবে না। ব্যবসায় উন্নতি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৫- লেখক ভীষ্ম সাহানির জন্ম
১৯৪০- ক্রিকেটার দিলীপ সারদেশাইয়ের জন্ম
১৯৭৫: গীতিকার ও কবি প্রণব রায়ের মৃত্যু
১৯৭৭: বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী, সুরকার ও সঙ্গীতপরিচালক আচার্য ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৮১- সুইস টেনিস খেলোয়ান রজার ফেডরারের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.১৬ টাকা ৭৬.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৯৫.৮৩ টাকা ১০০.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৮ টাকা ৯১.১৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৪,০৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৫,০৩০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৫,১৩০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৩ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২০, পঞ্চমী ৫৭/৪১ রাত্রি ৪/১৯। উত্তরভাদ্রপদনক্ষত্র ২৭/২৩ অপঃ ৪/১২। সূর্যোদয় ৫/১৪/৩৫, সূর্যাস্ত ৬/৯/৫১। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১২/৫৯ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৩ গতে ১০/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৪৫। বারবেলা ৬/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/১৯ গতে ২/৫৬ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৫১ গতে উদয়াবধি।।
২৩ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২০, পঞ্চমী রাত্রি ২/৩২। উত্তরভাদ্রপদনক্ষত্র দিবা ৩/৪৯। সূর্যোদয় ৫/১৪, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১২/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/২০ গতে ১০/৩৪ মধ্যে ও ১২/৩ গতে ১/৩২ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৪৬। কালবেলা ৬/৫১ মধ্যে ও ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে ও ৪/৩৫ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৫ মধ্যে ও ৩/৫১ গতে ৫/১৪ মধ্যে।
১৭ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজকের দিনটি কেমন যাবে 
মেষ: ব্যবসায় উন্নতি হবে। বৃষ: কাজে বিশেষ সাফল্য। মিথুন: কর্মে একাধিক ...বিশদ

07:11:04 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৯১৫- লেখক ভীষ্ম সাহানির জন্ম১৯৪০- ক্রিকেটার দিলীপ সারদেশাইয়ের জন্ম১৯৭৫: গীতিকার ...বিশদ

07:03:20 PM

রাজ্যে করোনায় মৃত্যু ২ হাজার ছাড়াল
রাজ্যে করোনায় মৃত্যু ২ হাজার ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ২০০৫ ...বিশদ

09:06:41 PM

কাজিরাঙ্গায় শিকারির গুলিতে মৃত গণ্ডার 
অসমের কাজিরাঙ্গা অভয়ারণ্যে আজ সকালে একটি মৃত গণ্ডার উদ্ধার করা ...বিশদ

04:35:00 PM

গুজরাতে রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন 
 গুজরাতের একটি রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগল। আজ শনিবার ঘটনাটি ...বিশদ

03:59:00 PM

কেরলে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ২৩ জন যাত্রী হাসপাতাল থেকে মুক্ত 
কেরলে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ২৩ জন যাত্রীকে সুস্থ অবস্থায় হাসপাতাল থেকে ...বিশদ

03:45:00 PM