Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

তাঁর আসল নাম ছিল শ্রীধর বলবন্ত যোধপুরকর। মহারাষ্ট্রের মানুষ। ভারতের বহু শ্রমিক ও কৃষক ঊনবিংশ শতক থেকেই আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশে কন্ট্রাক্ট্ররদের মাধ্যমে জীবিকার সন্ধানে চলে যেত। ফিজি তার মধ্যে অন্যতম। এই বলবন্ত যোধপুরকর ফিজিতে গিয়েছিলেন শ্রমিক হয়ে। ভারতে ফিরে তিনি শুরু করলেন এদেশের গ্রামে গ্রামে ঘোরা। তিনি লক্ষ্য করলেন কৃষকরা চরম সঙ্কটে। ব্রিটিশ সরকার খোঁজ রাখে না। সেই সুযোগে স্থানীয় তালুকদার অথবা জমিদাররা কৃষকদের চরম শোষণ করে। শ্রীধর বলবন্ত যোধপুরকর তিনটি স্থানকে বেছে নিলেন প্রধানত। প্রতাপগড়, অযোধ্যা এবং ফৈজাবাদ। উত্তরপ্রদেশের অবধ রিজিয়নের এই তিন এলাকার গ্রামে গ্রামে তিনি অবধী ভাষায় লিখিত তুলসীদাসের রামায়ণের শ্লোকগুলির গান সুর করে করে শোনাতেন আর অযোধ্যার রাজা রামচন্দ্রের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে হাতিয়ার করে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতেন। বোঝাতেন জমিদারদের অত্যাচারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। এভাবেই কৃষদের মধ্যে তাঁর নাম হয়ে যায় রামচন্দ্র বাবা। ১৯২০ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘদিন এই রামচন্দ্র বাবা একটা বিস্ময়কর কাজ করেন। তিনি কৃষকদের শিখিয়েছিলেন কারও সঙ্গে দেখা হলে কিংবা কথা শুরু করার সময় ‘সালাম’ বলবে না। বলবে, ‘সীতা-রাম’ কিংবা ‘সিয়া-রাম’। এই স্লোগান ক্রমেই এত জনপ্রিয় হয় যে লোকমুখে ছড়ায় কাহিনী। এই তো আজ ফৈজাবাদে জমিদারের হাতি এসেছিল জমির ধান নষ্ট করতে। সামনে দাঁড়িয়ে চাষিরা অনবরত ‘সীতা-রাম’ ‘সীতা-রাম’ বলতে বলতে বাধা দেওয়ায় সেই হাতি পর্যন্ত পিছু হটে পালিয়ে যায়। মানুষ বিশ্বাসও করে সেই কাহিনী। আরও আঁকড়ে ধরে ‘সীতারামকে।’ উত্তরপ্রদেশের গ্রামীণ এলাকায় এভাবে কৃষক আন্দোলনের জন্ম হয়। পরস্পরের সঙ্গে দেখা হলেই যদি কেউ কাউকে বলতেন ‘সীতা-রাম’, বোঝা হয়ে যেত যে, সামনের লোকটিও কৃষক। এভাবে ক্রমেই কৃষকদের মধ্যে একটি ঐক্য গড়ে উঠেছিল। বাবা রামচন্দ্রের প্রভাব ও প্রতিপত্তি বাড়ছে দেখে এবং কৃষকরা ক্রমেই নিজেদের দাবি আদায়ে রীতিমতো আগ্রাসী হয়ে উঠছে বুঝতে পেরে তাঁকে তিন বার জেলে পর্যন্ত পাঠায় ব্রিটিশ পুলিস। কিন্তু ক্রমেই অবধ অঞ্চল ছাড়িয়ে ওই ‘সীতা-রাম’ সম্বোধন ও সামাজিক সংস্কৃতি এলাহাবাদ, আগ্রা,মথুরাতেও পৌঁছে যায়। সীতারাম সম্বোধনের মাধ্যমে একটি প্রকৃত সামাজিক আন্দোলন যে তৈরি করা যায় এটা বাবা রামচন্দ্র প্রমাণ করেছিলেন।
১৯২৯ সালে অযোধ্যা এবং ফৈজাবাদের মধ্যবর্তী মোতিবাগ অঞ্চলে মহাত্মা গান্ধী গিয়েছিলেন হরিজন ফান্ডে টাকা সংগ্রহ করতে। জায়গাটি কৃষক অধ্যুষিত। তাঁকে দান হিসেবে কেউ একজন একটি রুপোর আংটি প্রদান করেন। তিনি স্থির করলেন আংটি নিলাম করবেন। ঘোষণা করলেন, যে কিনবে, আমি তাঁর আঙুলে নিজের হাতে পরিয়ে দেব আংটি। এক ব্যবসায়ী ৫০ টাকা দর হাঁকলেন। তি঩঩নিই জয়ী হলেন। ১০০ টাকার নোট গান্ধীজির সামনে রাখার পর গান্ধীজি তাঁকে আংটি পরিয়ে দিলেন। তিনি অপেক্ষা করছেন। বাকি ৫০ টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য। গান্ধীজি নীরব। ভদ্রলোক অস্বস্তিতে। বলতেও পারছেন না কিছু। একটু পরই গান্ধীজি হাসতে হাসতে বললেন, আরে আমি জাতে তো বানিয়া। একবার টাকা এলে সেটাকে ভাগ করে না বানিয়ারা। তার উপর আবার ডোনেশন। একথা শুনে সেই ব্যবসায়ী এবং গোটা সভাস্থল একসঙ্গে হেসে উঠল। গান্ধীজি সভাভঙ্গের আগে সকলকে অনুরোধ করলেন ভজনে অংশ নিতে। তাঁর প্রিয় সঙ্গীত। তিনি কংগ্রেস নেতৃত্বকে বলেছিলেন যতক্ষণ কৃষক কিংবা গ্রামের সাধারণ মানুষকে সঙ্গী করা না যাবে, ততক্ষণ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন সফল হবে না। কারণ, কংগ্রেস ছিল একটি আরবান এলিট সংগঠন। তিনি তাঁর ভজনকে এই গ্রামীণ মানুষের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করতে সফল হয়েছিলেন। আজীবন তাঁর সেই প্রিয় ভজন ছিল রঘুপতি রাঘব রাজা রাম/পতিত পাবন সীতা-রাম।
ইতিহাসের এই প্রসঙ্গগুলি উত্থাপনের কারণ হল, বুধবার অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের শিলান্যাস করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগাগোড়া ‘জয় সিয়া-রাম’ শব্দবন্ধ উচ্চারণ করলেন। মনে হল, তিনি যেন হিন্দুত্ব রাজনীতির আগ্রাসী রাজনীতির অঙ্গন থেকে হারিয়ে যাওয়া এই শব্দবন্ধটি সুকৌশলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলেন। রামমন্দির আন্দোলনের পর বিজেপি তথা সংঘ পরিবারের প্রকাশ্য প্রচার থেকে ‘সিয়ারাম’ অথবা ‘সীতারাম’ শব্দ যেন হারিয়ে গিয়েছিল। ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিই হয়ে উঠেছে হিন্দুত্ব রাজনীতির প্রতীক। ভারতের সনাতন ধর্মীয় আচারে পৃথকভাবে রামচন্দ্রকে পুজো করা কিংবা প্রতিমা নির্মাণের রীতি খুব কম দেখা যায়। সাধারণত যুগলমূর্তি থাকে। কিন্তু আগাগোড়াই রাম মন্দির আন্দোলনের প্রতিটি পোস্টারে রামচন্দ্রকে শক্তিশালী সুঠাম পুরুষকারের প্রতীক এক যোদ্ধা হিসেবে প্রদর্শন করা হয়েছে। সেই রামসীতার নরম হাসিতে বরাভয় প্রদানের দৃশ্যটি ছিল এই আন্দোলন অথবা মন্দির-রাজনীতির পরিসরে অনুপস্থিত। সীতাকে সন্তর্পণে সরিয়ে রাখার কারণ কী ছিল? যে মনোভাবের মধ্যে পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতার প্রকাশ ঘটে যেন।
এভাবে সীতাকে বাদ দিয়ে শুধুই ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি এবং একক রামচন্দ্রের যোদ্ধা ইমেজের কাট আউট, পোস্টার, ফ্লেক্স দেখিয়ে রাজনৈতিক মবিলাইজেশন হয়েছে কোনও সন্দেহ নেই। হিন্দুত্ববাদীদের আকর্ষণ তথা সংঘবদ্ধ করাও গিয়েছে। কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, সনাতন সরল গ্রামীণ ও শহুরে নিরীহ রামসীতা ভক্তদের একটু যেন ভয়ও লেগেছে। যখন বাড়ির সামনে থেকে উচ্চকিতভাবে বাইক নিয়ে শোভাযাত্রা কিংবা রামনবমীর অস্ত্র মিছিলে অথবা রাজনৈতিক মিছিলে আগ্রাসী, আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে দিতে যাওয়া হয়, তখন অতি সাধারণ মানুষ একটু দূরত্ব রেখে, দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করে। রামচন্দ্রকে প্রণামও করে। কিন্তু একটু দূর থেকেই। স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওই মিছিলে অংশ নিতে বাড়ির ছেলেমেয়ে নাতি নাতনিকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে কজন মানুষ? দ্বিধা হয়। এর কারণ, ওই আগ্রাসী ও আক্রমণাত্মক ভঙ্গি।
কিন্তু বিহার, উত্তরপ্রদেশের গ্রামে গ্রামে আজও দেখা যায় সন্ধ্যা হলেই তুলসীদাসের কথকতার আসর বসছে, নিভৃতে হনুমান চালিশা পড়ছে ঘরে ফেরা কৃষক। এঁদের আরাধ্য সেই আবহমানের ‘সীতা-রাম’ যুগল। শুধু একা রামচন্দ্র নয়। তাই তীব্র রক্তচক্ষুতে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনির মাধ্যমে হয়তো সমীহ আদায় করা যায়। অনেক সময় অন্যদের যেন ভয় দেখানোর কাজেও ব্যবহৃত হয়। কিন্তু ‘সিয়াপতি রামচন্দ্র কি জয়’ অথবা ‘সিয়াবর রামচন্দ্র কি জয়ের’ মধ্যে শ্রদ্ধাভক্তির সঙ্গে একাত্মতার ভালোবাসাও কাজ করে ভারতের সরল সাদাসিধে হিন্দু সমাজে। নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব
থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ব রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত
করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে। রামমন্দির স্থাপনের গোটা পর্ব ছিল মোদি শো। এবার সময় এসেছে, হিন্দুত্বকে আবার জয় সিয়ারামের স্নিগ্ধতায় ফিরিয়ে দিন মোদি। নেহাত রাজনীতি ও সম্প্রদায়গত জয়পরাজয়ের মাধ্যম হওয়া থেকে মুক্ত হন শ্রীরামচন্দ্র ও জানকী।
প্রয়াগের কুম্ভ অথবা রথযাত্রার মেলার মতো ‘সীতারাম’ যুগল থাকুন অন্তরে ও সামাজিক মিলনক্ষেত্রে। স্বাধীন ভারতের আত্মা চিরকাল কম্পোজিট ন্যাশনালিজম দ্বারা চালিত হয়। অর্থাৎ সকলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যের জাতীয়তাবাদ। রামমন্দির নির্মাণের পর প্রশ্ন উঠতে পারে, এবার কি তাহলে ভারত স্থায়ীভাবে কালচারাল তথা রিলিজিয়স ন্যাশনালিজমের পথে হাঁটবে। অর্থাৎ একটি বিশেষ ধর্মের ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ? একমাত্র নরেন্দ্র মোদির কাছেই এই প্রশ্নের উত্তর আছে। তিনি বুধবার প্রণিধানযোগ্য একটি কথা বলেছেন, এই রামমন্দির আধুনিক ভারতীয় সংস্কৃতির জন্ম দেবে। যে সংস্কৃতি সকলকে নিয়ে চলে। এটা আশার কথা। আমরা অপেক্ষায় থাকবো। আমরা সাধারণ ভারতবাসী শুধু চাই নিশ্চিন্তে বসবাস করতে।
রামায়ণে অযোধ্যাকাণ্ডে জাবালি নামক এক ব্রাহ্মণ রামচন্দ্রকে বলেছিলেন, ‘হে রাম! বিবেচক হও!..সকলের গ্রহণযোগ্য নীতি অনুসরণ করে ভরত যে রাজ্য তোমাকে নিবেদন করতে চাইছে তা গ্রহণ করো..।’ ওই যে জাবালি বলেছিলেন, সকলের গ্রহণযোগ্য নীতি, ওটাই রাষ্ট্রনায়কদের কাছে আদর্শ। সকলকে রক্ষা করাই তাঁর দায়িত্ব। রাষ্ট্র তার প্রজাদের কাউকেই শত্রু যেন না ভাবে। মহারাষ্ট্রে তুকারাম নামে এক মহান সাধক ছিলেন। বিঠঠল সম্প্রদায়ের কৃষক সন্তান তুকারাম ছিলেন বিষ্ণুর উপাসক। তিনি বলেছিলেন, ‘আমার শত্রুরা কেউ বাইরের জগতে নেই। আমারই ভিতরে যে বাসনা আছে, সেগুলিই সঙ্কট এবং সমস্যা নিয়ে আসে।’
07th  August, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
 প্যাকেট ছাড়া বিড়ি-সিগারেট বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার। দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হিসেবে মহারাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ। সে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন থেকে আর খোলা বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। ...

 অভিষেকেই জয়ের স্বাদ পেলেন বার্সেলোনার কোচ রোনাল্ড কোম্যান। দলের প্রাণভোমরা লিও মেসির গোল তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। গত মরশুমের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’য়ে ...

ঘূর্ণিঝড় উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক অনুদান দিচ্ছে রাজ্য সরকার। শহরাঞ্চলে সেই প্রক্রিয়া চালাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। প্রায় সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে। ...

 ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়াল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকার দখল নিয়েই দুই দেশের লড়াই। রবিবার থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে দু’পক্ষের ২৩ জনের। আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৫ রানে হারাল হায়দরাবাদ 

11:31:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM