Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান। অবশেষে সেঞ্চুরি করল লাল-হলুদও। তবু তাদের আনন্দ উচ্ছ্বাস সীমিত রাখতে হল ক্লাব-তাঁবুতে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্যে। আজ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে এমন ঐতিহাসিক মুহূর্তে অনেক ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের সঙ্গে অবশ্যই উপস্থিত থাকতেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে ট্যুইট করে শুভেচ্ছা জানানোর অতিরিক্ত কিছু করা সম্ভব হয়নি।
এই একটা ঘটনা থেকেই বাংলার ক্রীড়াক্ষেত্রের ভিতরের ছবিটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ফুটবলের ইন্ডিয়ান সুপার লিগের সামনে তিনটি প্রশ্নচিহ্ন ঝুলে রয়েছে। কবে: নভেম্বর না জানুয়ারি? কোথায়: গোয়া না কেরল? কলকাতার ভূমিকা কী হবে? তবে, এখন ক্রিকেটই সারা ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। করোনার কারণে ভারতে ক্রিকেটের সমস্ত বড় ম্যাচ দীর্ঘদিন বন্ধ। অবশেষে ফিরছে আইপিএল। সূচনা ১৯ সেপ্টেম্বর। তবে বিদেশের মাটিতে। দর্শক-শূন্য স্টেডিয়ামে। আপাতত তিনটি ভেন্যু—শারজা, আবুধাবি ও দুবাই।
খেলা তো এখন আর বিনোদনমাত্র নয়। ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা, আমেরিকা, এমনকী আমাদের পড়শি চীনও খেলাকে অর্থকরী শিল্প হিসেবে গ্রহণ করেছে। কৃষি, শিল্প এবং নানা ধরনের পরিষেবাকে আমরা যেভাবে আয়ের উৎস বলে মনে করি, ওরা স্পোর্টস ও গেমসের বিভিন্ন ইভেন্টকেও সেই বন্ধনীতে রাখে। ক্রীড়াও তাদের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ক্ষেত্র। ওলিম্পিকস, এশিয়ান গেমস, ফুটবল বিশ্বকাপের সময় তফাতটা পরিষ্কার হয়। স্বভাবতই বিপন্ন ক্রীড়া অর্থনীতির সূত্রে ওইসব দেশের উপরে করোনার ধাক্কা অনেক বেশি পড়েছে। টোকিও ওলিম্পিকস ২০২০ স্থগিত হওয়ার কারণে বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হল জাপান। একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ইউরোপ এবং লাতিন আমেরিকা—উয়েফা ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ এবং কোপা আমেরিকা ২০২০ এক বছর পিছিয়ে যাওয়ার কারণে। ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২-এর প্রাথমিক পর্বেও পড়েছে করোনার ছাপ।
এই প্রসঙ্গে জানানো যায়, রিও ওলিম্পিকস ২০১৬-র সৌজন্যে ব্রাজিল পাঁচ লক্ষাধিক পর্যটক পেয়েছিল। লন্ডন ওলিম্পিকস ২০১২-র দৌলতে ব্রিটেন পেয়েছিল লাখ ছয়েক বিদেশি পর্যটক। এছাড়া দেশীয় পর্যটক, খেলোয়াড় এবং অন্যান্য পেশার লোকদের মাধ্যমেও ওই দুই দেশের অর্থনীতি বিপুলভাবে লাভবান হয়েছিল। উন্নত অর্থনীতি ক্রীড়াক্ষেত্রকে ধরে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়। খেলার যে-কোনও মেগা ইভেন্ট পরিকাঠামো, পরিবহণ, হোটেল, পর্যটন, খাদ্য, পোশাক প্রভৃতি সমস্ত আর্থিক ক্ষেত্রকে একাই চাঙ্গা করে দেওয়ার শক্তি রাখে। গ্লোবাল স্পোর্টস মার্কেটের মাধ্যমে বছরে সরাসরি ৭৫৬ বিলিয়ন (মার্কিন) ডলারের হাতবদল হয়। এর মধ্যে আমেরিকার একার শেয়ার ৪২০ বিলিয়ন ডলার। ইউরোপ ২৫০ বিলিয়ন ডলার। বাকি সমস্ত আর্থিক ক্ষেত্রে এর যে উচ্ছ্বাস আছড়ে পড়ে তার পরিমাপ করা বাস্তবিকই অসম্ভব। কোভিড-পূর্ব জমানায় চীনকেই সবচেয়ে দ্রুতগতির স্পোর্টস মার্কেট বলে মনে করা হচ্ছিল। ২০২৫ সালের ভিতরে চীন ৩৫০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি গড়ার লক্ষ্য নিয়ে ছুটছিল। সবারই প্ল্যান হয়তো আপাতত থমকে গিয়েছে।
চীনের মতো লম্বা দৌড়ের ঘোড়া ভারতের ক্রীড়াক্ষেত্র নয়। তবুও ভারতের ক্রীড়া অর্থনীতি একেবারে এলেবেলে নয়। ইন্ডিয়ান স্পোর্টস স্পনসরশিপ ২০১৯-এ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছিল। ১৭ শতাংশ। স্পোর্টস স্পনসরশিপ ইন্ডাস্ট্রির অঙ্ক ৯১০৯ কোটি টাকা। এটাই সর্ববৃহৎ সাফল্য। স্পোর্টস অ্যাডভারটাইজিং সেক্টরে ক্রিকেটের অবিসংবাদিত প্রভাব। অন-গ্রাউন্ড স্পনসরশিপ এবং মিডিয়া সংক্রান্ত ব্যয়—দুটো ক্ষেত্রেই। প্রথম ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ছিল ২৫ শতাংশ। তার ফলে ২০০০ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করে। এই ঘটনা ওটাই প্রথম। অন্যদিকে মিডিয়া সংক্রান্ত ব্যয় বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ১৮ শতাংশ। স্পনসরশিপের দরুন মোট বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ১৩৪৭ কোটি টাকা। যার মধ্যে মিডিয়া সংক্রান্ত ব্যয়ের পরিমাণ ৮০০ কোটি টাকা। নতুন ট্রেন্ড অনুযায়ী ডিজিটাল বিভাগে অগ্রগতি হয়েছিল ৮৪ শতাংশ। যা টাকার পরিমাপে ৪৭৫ কোটি থেকে বেড়ে হয়েছিল ৮৭৫ কোটি। কনজ্যুমার মার্কেটিংয়ের দু’টো বড় দিক হল বিনোদন এবং ইন্টার‌্যাক্টিভিটি। ক্রীড়ামোদীদের জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি এই ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা পালন করছিল। ফ্যান্টাসি স্পোর্টস অ্যাপলিকেশনসেরও শ্রীবৃদ্ধি দেখেছিল ২০১৯-এর ভারত। ২০২০-তে এই ক্ষেত্রে বিপুল অগ্রগতির প্রত্যাশা জেগেছিল। দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল বিসিসিআইয়ের হোম সিরিজের স্পোর্টস স্পনসরশিপ রেভিনিউ।
ক্রিকেটের বাইরে ভারতে সবচেয়ে উজ্জ্বল ক্ষেত্রটি হল ব্যাডমিন্টন। স্বভাবতই ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্টের ক্ষেত্রে পি ভি সিন্ধুর মতো শাটলাররা প্রথম সারির ক্রিকেটারদেরদের সঙ্গেই টক্কর দিচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে অন্য কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নাম হল—বক্সিং রিংয়ের রানি মেরি কম, ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের হিমা দাস, ওলিম্পিয়ান সাক্ষী মালিক প্রমুখ। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ইন্ডিয়ান স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি প্রতি বছরই এগচ্ছে। ভারতের ক্রীড়াক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রভাবশালী ক্রিকেট তার আগের পাঁচ বছরে আড়ে-বহরে দ্বিগুণ হয়েছে। গত এক দশকে যথেষ্ট শক্তিশালী (প্রায় ১৩ শতাংশ) একটা কম্পাউন্ড অ্যানুয়াল গ্রোথ রেট (সিএজিআর) দেখা গিয়েছে ভারতের ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যবসা ক্ষেত্রে। ভারতের অর্থনীতিতে এই ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের ভূমিকা আজ আর মোটেই গৌণ বলা যাবে না। ২০১৯-এ স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রির ১৭ শতাংশ শ্রীবৃদ্ধির সঙ্গে যোগ হয়েছে সরকারের ‘খেলো ইন্ডিয়া’ এবং ‘ফিট ইন্ডিয়া’ আন্দোলন। ভারতীয়দের নিয়ে সত্যিকার ‘স্পোর্টিং নেশন’ গড়ে তোলার প্রশ্নে এই সামগ্রিক ব্যাপারটা বেশ আশাপ্রদ হয়ে উঠেছিল।
২০১৯-এ ভারতে হাজার দু’য়েক সিনেমা তৈরি হয়েছিল। তা থেকে বক্স অফিসের সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ১.৪৫ বিলিয়ন ডলার। ২০১৮-র নিরিখে বৃদ্ধির পরিমাণটা ছিল ১১.৬ শতাংশ। যা এ যাবৎ সর্বাধিক। বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশা ছিল, ২০২০ সালে বক্স অফিস রেভিনিউয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ১.৬৫ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু লকডাউনের চক্করে পড়ে হলিউডের মতো বলিউড-সহ সারা ভারতের চলচ্চিত্র শিল্প বিরাট ধাক্কা খেল। ধাক্কা খেল একইসঙ্গে সমস্ত ঘরানার সঙ্গীত, নাটক, থিয়েটারও। এর বাইরে প্রত্যেকটি রাজ্যের নিজস্ব কিছু বিনোদন ধারা আছে। যেমন বাংলার যাত্রা, কীর্তন, কবিগান, জারিগান, ঘেঁটু, ঝুমুর, ছৌ, পুতুলনাচ, কালীকীর্তন, রামযাত্রা প্রভৃতি। এ-যুগে এগুলো কারও বারোমাসের পেশা হয়তো নয়, তবু বহু গরিব পরিবারের কাছে অন্যতম আর্থিক অবলম্বন ছিল। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এসব প্রান্তিক শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার মানুষও এসময় বড় সমস্যায় পড়ে গেলেন। পুজোর আর দু’মাসও নেই। মনে করে দেখুন, আগে পুজো মানেই ছিল এই ধরনের বিনোদনের রমরমা। কলকাতায় এবং অন্যসকল ছোট-বড় শহরগুলোতেও উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জলসা—সারারাত ধরে গানের অনুষ্ঠান। কলকাতা ও মুম্বইয়ের জনপ্রিয় শিল্পীদের বুকিং এতদিনে শেষ হয়ে যেত। এবার কুমোরটুলি কত বায়না পেয়েছে? নিশ্চয় বেশি নয়। সর্বজনীন পুজো কিছু হলেও অন্যবারের জৌলুস যে কোনওভাবেই ছুঁতে পারবে না, তা এখনই বলে দেওয়া যায়।
আইপিএলের মতো লাইভ ইভেন্টগুলো আগের চেহারায় কবে ফিরবে—আমরা জানি না। একইভাবে অন্ধকারে আমরা সিনেমা, থিয়েটার চালু হওয়ার প্রশ্নেও। সিনেমা হলগুলো আগামী দু’-চার মাসের ভিতরে চালু হলেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বাধ্যবাধকতা থাকবেই। অর্ধেকের বেশি বুকিংয়ের অনুমতি মিলবে না বলেই অনুমান। সুতরাং বড় বাজেটের ছবি তৈরির সামনে অনির্দিষ্টকালের খাঁড়া ঝুলেই থাকবে। অনলাইন বা ডিজিটাল ফ্রন্ট বা ওটিটি প্ল্যাটফর্মকে ধরে বিনোদন দুনিয়া ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। নিঃসন্দেহে যুগোপযোগী এবং বিকল্প ভালো চিন্তা। কিন্তু, প্রথাগত বিনোদনের উপযুক্ত বিকল্প কিন্তু নয়। আরও খারাপ খবর হল, লকডাউনের অনুক্রমে ডিজিটাল দুনিয়াতেও গরিবির ধাক্কা। শুধু এপ্রিলেই সারা দেশে ৮২.৩১ লক্ষ গ্রাহক মোবাইল সিম ছেড়ে দিয়েছেন। সংখ্যাটা কলকাতার ক্ষেত্র ১.৮১ লক্ষ। পরবর্তী দু’মাসের ছবিটা অবশ্য ‘ট্রাই’ জানায়নি। যাই হোক, উলটপুরাণের যুগে ডিজিটাল এন্টারটেইনমেন্ট সম্পর্কে খুব আশাবাদী হওয়ার সুযোগ কই?
ভারতীয় স্পোর্টস মার্কেটের ক্ষতিটা ইউরোপ, আমেরিকা, লাতিন আমেরিকা বা চীন-জাপানের মতো অবশ্যই নয়। কিন্তু এর সঙ্গে সিনেমার মতো বিনোদন ক্ষেত্রকে যোগ করলে ভারতের মোট ক্ষতির বহরটা বিপুল। প্রতিবেশী চীনের কথা দিয়ে শেষ করব। ওরা অবশ্যই হাত গুটিয়ে বসে নেই কিংবা হাত-পা ছুঁড়ে কাঁদছে না। ভিতরে ভিতরে প্রস্তুত হচ্ছে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবার জন্যে। আমরা যদি অন্তর থেকে চীনকে প্রতিদ্বন্দ্বী মেনে থাকি, ভারত সরকার বলুক, আমাদের প্ল্যানটা ঠিক কী।
অঙ্কন: সুব্রত মাজী
06th  August, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
 ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়াল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকার দখল নিয়েই দুই দেশের লড়াই। রবিবার থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে দু’পক্ষের ২৩ জনের। আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি। ...

সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রাম জেলায় করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় আরও একটি করোনা হাসপাতাল তৈরির সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্যদপ্তর ও প্রশাসন। শহরের পুরাতন ঝাড়গ্রাম এলাকায় একটি নবনির্মিত মহিলা হস্টেলকে ৭৫ বেডের করোনা হাসপাতাল করা হবে।  ...

 আগামী বছরের শেষদিকে বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিকাঠামো সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে বলেই দাবি করল ইন্ডিয়ান অয়েল। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রীতীশ ভারত বলেন, বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত যে গ্যাস লাইন আসার কথা, তার কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি ...

 প্যাকেট ছাড়া বিড়ি-সিগারেট বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার। দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হিসেবে মহারাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ। সে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন থেকে আর খোলা বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৫ রানে হারাল হায়দরাবাদ 

11:31:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM