Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
এখন বক্তব্য সব ইন্টারনেটে বা অন্তর্জালে। অমিত শাহ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সকলের সামনেই আজ ইলেক্ট্রনিক পর্দা। নেতা নেত্রীর বক্তব্য ভেসে যাচ্ছে ইন্টারনেটে। করোনা আবহে তাই মঞ্চঘেরা লাখো মানুষের গিজগিজে মাথা নেই। অন্যদিকে নেতা নেত্রীদের বক্তব্য শেষ হওয়া মাত্রই টেলিভিশনে বিরোধী রাজনৈতিক দলের টিকাটিপ্পনি। আগে মানুষ সমাবেশ থেকে ঘরে ফিরতেন অনেকটা সময় নিয়ে। ফেরার পথে দীর্ঘ রাজনৈতিক আলোচনা হতো। পাড়ায় পৌঁছে বিরোধী মতের মানুষের সঙ্গে তরজাও ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। কোথাও কোথাও সভা সমাবেশে যাওয়া বা ফেরার সময় প্রাণঘাতী মারামারিও হয়েছে। তার ভালো-মন্দ বিচার করা সমাজবিজ্ঞানে অত্যন্ত কঠিন। মনে রাখতে হবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো অসাধারণ বক্তার দীর্ঘ বক্তব্যের যে রেশ থাকত আগে অনেকটা সময় ধরে, অতিমারী পরিস্থিতিতে তা চ্যালেঞ্জের মুখে। আমরা সকলেই জানি যে-কোনও বক্তব্যের পরেই অন্য রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা সেই বক্তব্য কাটতে শুরু করেন। খোলা মঞ্চে সমর্থকরা নেতানেত্রীর বক্তব্য শুনে আগে যতটা উজ্জীবিত হতেন, সেরকমটা ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে কি না তা এখন দেখার বিষয়। একই বক্তব্য বিজেপির ক্ষেত্রেও সত্যি। বিশেষত তাদের নেতা অমিত শাহের বেশ কয়েকটি অন্তর্জাল বক্তৃতা দিয়েই শুরু হয়েছিল রাজনীতির এই নতুন ধারা। এখানে প্রশ্ন, সমস্ত চ্যানেল তো এই বক্তব্য সম্প্রচার করছে। চলছে অনন্ত তরজা। তাহলে আবার অন্তর্জালের গল্প কেন? এর কারণ সংবাদমাধ্যমকে দেখাতে হচ্ছে যে তারা নিরপেক্ষ। কয়েকজন বড় নেতার বক্তব্য তারা হয়তো সরাসরি সম্প্রচার করতে পারে। কিন্তু তাদের প্রেক্ষিত হচ্ছে রাজনৈতিক সভা সংক্রান্ত সংবাদ পরিবেশন, সেই সভার সম্প্রচার নয়। তাই রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে নিজেদের প্রয়োজনেই অন্তর্জালে নেতানেত্রীদের বাণী প্রচারের বিষয়টি চালু রাখতেই হবে। সে কেউ শুনুন বা নাই শুনুন।
রাজনীতি তো চলবেই। কিন্তু সঙ্গে অন্য একটা বাস্তবতাকেও ভুলে গেলে চলবে না। আমাদের দেশে মার্চ মাস থেকে যে কোভিড ইতিহাসের শুরু তা চতুর্থ পেরিয়ে পঞ্চম মাসে গড়াল। দেশনেতাদের কণ্ঠে এখনও শুধুই লড়াইয়ের স্লোগান, সমাধানের পথ নেই। যা বোঝা যাচ্ছে তাতে বিশবিশ সাল অতিমারীর আঘাতে জীবনকে দুর্বিষহ করে রাখবেই। মন শক্ত রেখে কাজ করে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন মনোবিদেরা। কিন্তু মন থাকলেও কাজ কোথায়? তার উপর এই অদ্ভুত পরিস্থিতিতে বৈষম্য বাড়ছে অনেকটা। ঠিক কোথায় সেই বৈষম্য? দেশের ১০ শতাংশ মানুষের কোনও অসুবিধে নেই, তাঁরা সচ্ছল। এঁদের মধ্যে অনেকেই সরকারি চাকরি করেন। পরিস্থিতি যতই জটিল হোক না কেন, কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার চটজলদি মাইনে বন্ধ করবে না। বাকি বেসরকারি ক্ষেত্র এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ধরে আরও ১০ শতাংশ মানুষ হয়তো সুখে আছেন। কৃষিক্ষেত্রে বড় চাষিরা চিরকালই সচ্ছল। তবে যতই শতাংশ যোগ করুন না কেন, এ দেশের ২৫ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ৩৫ কোটি মানুষ মোটামুটি ভালো আছেন এমনটা দেখাতে পারবেন, তার বেশি নয়। বাকি থাকল ১০৫ কোটি। এঁরা সকলেই মুশকিলে। কেউ কম, কেউ বেশি। রাজ্যবিশেষে চাল, ডাল, আটা পৌঁছচ্ছে এঁদের কাছে। তবে সব জায়গায় নয়। এটাই মাটি থেকে উঠে আসা ছবি। তবে মাটির কিছুটা উপরে সিমেন্টে গাঁথা যে সমাজটা সেখানেও কিন্তু অবস্থা বদলাচ্ছে। প্রান্তিক মানুষ ছাড়াও মধ্যবিত্তের গায়ে লাগতে শুরু করেছে কোভিডের আঁচ। এমনটা হওয়াই স্বাভাবিক ছিল। কারণ কোভিড পরিস্থিতির আগেই দেশের অর্থনীতির বৃদ্ধি নেমে দাঁড়িয়েছিল গত ১১ বছরের মধ্যে তলানিতে। সেটা মার্চ মাসের হিসেব। তার পরে নতুন আর্থিক বর্ষের তিন মাস কেটে গিয়েছে। সে ফল এরমধ্যে যখন বেরতে শুরু করবে তখন আঁতকে ওঠা ছাড়া আর উপায় থাকবে না।
টুকরো উদাহরণ দিয়ে রাজনীতি বা সমাজনীতির ধারা পুরোপুরি বোঝা সম্ভব নয়। তবে এক একটা ছোটখাটো ঘটনা অনেক বড় প্রেক্ষিতকে সামনে আনে। একেবারে ঘটমান বর্তমানের একটি প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা পেশ করা যাক। বাড়ি বাড়িতে খবরের কাগজ বিলি করেন স্নাতকস্তরের এক ছাত্র। এই কাগজটিও পৌঁছেছে তাঁর মতোই কারও হাত ছুঁয়ে। সেই যুবককে অনেকটা রাত জেগে পড়াশোনা করে এখন আর শুতে যেতে হচ্ছে না। কারণ সময় হয়ে যাচ্ছে রাজপথের ধারে ডাঁই করা কাগজের ভাগ সাইকেলে গোছানোর। যে যুবকটির কথা বলছি, তিনি দু’বছর আগে উচ্চমাধ্যমিকে ৮৭ শতাংশ নম্বর পেয়ে নামী কলেজে পড়ছেন। যাঁর বাড়িতে কাগজ দেন, তিনি ৩০ বছর আগে ওই একই নম্বর পেয়ে উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম দশে ছিলেন। এখন সরকারি প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক। আর কাজ খুঁজছেন যুবকটি। কারণ তাঁর বাবার কাজ চলে গিয়েছে। অর্থাৎ চাকরিপ্রার্থী ছাত্রের সামনে অসহায় অধ্যাপক। কাগজের দাম দেওয়ার নাম করে যুবকের হাতে ৫০০ টাকার নোট ধরিয়ে সাময়িক স্বস্তি পেলেন সংবেদনশীল প্রৌঢ় মাস্টার মশায়। দীর্ঘমেয়াদি সমাধান, কিন্তু অলীক। আসলে আরও বেশি বেশি মানুষ মধ্যবিত্তের গণ্ডি ছাড়িয়ে পা দিচ্ছেন নিম্নবিত্তের আঙিনায়। বেসরকারি ক্ষেত্রে চাকরি টলমল করছে। শিক্ষার জায়গাটাও একেবারে গোলমেলে। প্রচুর নম্বর উঠছে। তার মানে এমন নয় সরকার অযাচিতভাবে গাদা গাদা নম্বর দিচ্ছে পড়ুয়াদের। আজকের দিনে বহু ছাত্রছাত্রী পড়াশোনায় ভালো। সেই কারণেই তাঁরা দারুণ ফল করছেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে স্কুল থেকে কলেজ, কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, পড়াশোনা শেষে চাকরি, সব জায়গাগুলোই জট পাকিয়ে গিয়েছে। সেই গিঁট খুলতে হবে সরকারকেই।
আর এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মৃত্যুর অসহায়তা। কোভিডের চিকিৎসায় অনেক নতুন বিষয় জানতে পারছেন চিকিৎসকেরা। মৃত্যুর হার আমাদের দেশে ২ বা ৩ শতাংশের মতো। অর্থাৎ সবাই যে পট করে মরে যাব এমনটা নয়। কিন্তু ভয়ের পরিস্থিতি মানুষকে এমন জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে যে সমাজ মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে রোগীর দিক থেকে। এটা এখন একেবারেই পরিষ্কার যে কোভিড হলে পাড়া প্রতিবেশীর সাহায্যও পাওয়া মুশকিল। এই জায়গাটা বদলাতে হবে। পাড়ায় পাড়ায় যেমন অনেক সময় রাত-পাহারার দল থাকে, তেমনই যুবক যুবতীদের পথে নামাই আশু সমাধান। পরিসংখ্যান পরিষ্কার বলছে যে ১৮-২০-র সুস্থ ছেলেমেয়েদের কোভিড আক্রান্ত হয়ে বড় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম, একেবারে শূন্যের কাছাকাছি। বাবা মায়ের আঁচল ছেড়ে তাঁরা যদি সাহস করে পথে নামতে পারেন, তাহলেই এই অমানবিকতা থেকে মুক্তির সম্ভাবনা আছে। টেলিভিশন চ্যানেল কিংবা সংবাদমাধ্যমে বয়স্ক খ্যাতনামা মানুষের বাক্যবাণী অসুস্থের পরিষেবায় কোনও কাজে আসবে না। মনে রাখতে হবে, এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন ক্লাবকে টাকা দিয়েছিলেন এক সময়। আজকেও সেই পদ্ধতিতেই বাংলার কয়েক হাজার ক্লাবকে নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন তিনি।
এই ধরনের কাজ এর মধ্যেই শুরু করেছে কিছু বামপন্থী দল। অতিমারী পরিস্থিতিতে তাদেরকে এই পরিকল্পনায় শামিল হতে ডাকলে রাজ্যেরই লাভ। কোভিড থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা কিছু যুবককে নিয়ে একটি প্রকল্প রাজ্য সরকার শুরু করেছেন। কিন্তু এখনও তা অপ্রতুল। প্রশ্ন হল, সামনের বছর বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে তৃণমূল আর বিজেপি নেতাদের মধ্যে যে তরজা চলছে, সেই সময়টুকু একটু অন্যভাবে ব্যবহার করলে ক্ষতি কী? মানুষ বড্ড ভয় পাচ্ছে, মানুষ এক্কেবারে নিঃসহায়। কিন্তু অবস্থাটা এতটা খারাপ হওয়ার কথা নয়। নিম্নবিত্তের মধ্যে খাদ্যশস্য পৌঁছনোর ক্ষেত্রে অনেকাংশেই সফল রাজ্য সরকার। অন্যদিকে চিকিৎসা এবং সেই সংক্রান্ত পরিষেবার ক্ষেত্রে ফাঁকফোকর অজস্র। কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ ব্যর্থ হলে, অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
05th  August, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
 প্যাকেট ছাড়া বিড়ি-সিগারেট বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার। দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হিসেবে মহারাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ। সে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন থেকে আর খোলা বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। ...

বরফ দেওয়া থার্মোকলের বাক্সের ভিতরে বোঝাই করে চলে আসছে ‘রুপোলি শস্য’। কোথাও নদীপথ, কোথাও কাঁটাতারের ফাঁক গলে এপারে তারা। চকচক করতে থাকা আটশো থেকে এক ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোহিনীপাড়ায় রবিবার গভীর রাতে ভেঙে গেল পূনর্ভবা নদী বাঁধের একাংশ। ভোররাত থেকেই বাঁধ বাঁচাতে কাজ শুরু করেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সেচ দপ্তর। যদিও রবিবার রাত থেকেই ওই নদী বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় জল ঢুকে ...

 ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়াল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকার দখল নিয়েই দুই দেশের লড়াই। রবিবার থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে দু’পক্ষের ২৩ জনের। আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৫ রানে হারাল হায়দরাবাদ 

11:31:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM