Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নয়া নীতিতে শিক্ষা
আমাদের ‘বাহন’ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করার পর দিকে দিকে কেমন একটা হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়ে নতুনত্ব আছে। আর তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সরকারি স্কুলে প্লে-গ্রুপ ও কিন্ডারগার্টেন, ১০+২ এর ধারণা পিছনে ফেলে ফুটবলের মতো ৫+৩+৩+৪ ছকে স্কুলশিক্ষাকে সাজানো এবং সায়েন্স, আর্টস, কমার্স উঠে যাওয়া... নড়েচড়ে বসার মতো পরিস্থিতি বটে।
প্রথমে দেখা যাক, এই জাতীয় শিক্ষা নীতি থেকে আমরা কী কী পেলাম। প্রথমেই বলতে হয় সরকারি স্কুলে প্রি-প্রাইমারি আবশ্যিক করা। আজকের দুনিয়ায় শহরাঞ্চলের প্রত্যেক বাবা-মা ছেলেমেয়েকে বছর তিনেক বয়স থেকেই স্কুলে ভর্তি করে দেন... মানে মন্টেসরি, কিন্ডারগার্টেন। লক্ষ্য কী? তাদের বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ‘রেডি’ করা। সেইসব স্কুলে কচিকাঁচারা বন্ধুত্ব পাতায়, খেলাধূলা করে, আর সেইসঙ্গে চলে বেসিক পড়াশোনা। অর্থাৎ, বাংলা ও ইংরেজি বর্ণমালা, ছবি দেখে জীবজন্তু চেনা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, কথোপকথন। মানে, বড় স্কুলে ইন্টারভিউ দিতে গেলে ফটাফট তারা যাতে ইংরেজিতে কথা বলতে পারে। তাতে আলাদা ইমপ্রেশন তৈরি হবে। আর বড় স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে তারা হবে অটোমেটিক চয়েজ। এই গোটা প্রক্রিয়া থেকেই পরিষ্কার, আজকালকার বাবা-মায়েরা সন্তানদের ইংরেজি মিডিয়ামে দেওয়ার জন্য তৎপর। এবং তা অবশ্যই বেসরকারি। প্রাথমিক ধারণাটাই এমন যে, সরকারি স্কুলে আবার পড়াশোনা হয়
নাকি? হলেও গুটিকয় স্কুলে। এই প্রবণতা মোটেও সুখকর নয়।
দ্বিতীয়ত, ব্যাগের ওজন কমানো। এবার থেকে আর একগাদা বইপত্র নিয়ে স্কুলে যেতে হবে না। বইয়ের পাতা সংখ্যাও কমবে। কারণ সরকার বলছে, বাস্তব জীবনে প্রয়োজনে লাগে না, এমন সব কিছুই সিলেবাস থেকে ছেঁটে ফেলা হবে। বরং জোর দেওয়া হবে কোডিংয়ে। মানে পড়ুয়ারা ক্লাস সিক্স থেকেই অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস জাতীয় প্ল্যাটফর্মের জন্য গেম বা অন্য অ্যাপ্লিকেশন বানাবে। বাড়তি নজর দেওয়া হবে অঙ্কেও। পড়াশোনা কেমন হচ্ছে, তার মূল্যায়ন করবে সহপাঠীরাও। আর তৃতীয়, ষষ্ঠ ও অষ্টম শ্রেণীতে নেওয়া হবে বিশেষ পরীক্ষা। এবং সবচেয়ে বড় কথা, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক বা আইসিএসই-আইএসসির ধারণাটাই বাতিলের খাতায় চলে যাচ্ছে। তার জায়গায় আসছে ক্লাস নাইন থেকে টুয়েলভ পর্যন্ত আটটা সেমেস্টার। সায়েন্স, আর্টস, কমার্সের দিনও শেষ। একজন পড়ুয়া চাইলে ফিজিক্সের সঙ্গে ফ্যাশন টেকনোলজি নিয়ে পড়াশোনা করতেই পারে। কিংবা অঙ্কের সঙ্গে গান।
তৃতীয় প্রাপ্তি উচ্চশিক্ষায়। সম্পূর্ণ শিক্ষানীতি কার্যকর হলে শুরু হবে মাল্টি এক্সিট পলিসি। ফলে কলেজের প্রথম বর্ষ থেকে তৃতীয় বর্ষ, যখন খুশি পড়া ছেড়ে বেরিয়ে আসা যাবে। মিলবে সার্টিফিকেট বা ডিপ্লোমা। ডিগ্রি হবে চার বছরের। উঠে যাবে এমফিলও। সবচেয়ে বড় কথা, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনায় এবার আসছে ক্রেডিট ব্যাঙ্ক। কেউ যদি মাঝপথে পড়া ছেড়ে দেন, তার প্রাপ্ত পয়েন্ট সেই ব্যাঙ্কে জমা থাকবে। পরবর্তীকালে আবার পড়াশোনা শুরু করলে তার পর থেকেই তিনি এগতে পারবেন। বিষয় নির্বাচনে স্বাধীনতা এবং ক্রেডিট ব্যাঙ্ক, দু’টো ভাবনাই বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সঙ্গে ব্যালান্স রাখার জন্য আনা হচ্ছে।
এ পর্যন্ত এই শিক্ষানীতিকে সাধুবাদ জানাতেই হবে। কিন্তু সমস্যা কোথায় হতে পারে? প্রথমত, ক্লাস ফাইভ (পারলে ক্লাস এইট) পর্যন্ত মাতৃভাষা বা আঞ্চলিক ভাষায় শিক্ষা। ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলের প্রতি যে অভিভাবকদের আলাদা আকর্ষণ আছে, তাঁরা কি এই পদ্ধতিতে সাড়া দেবেন? বোধহয় না। প্রত্যেকেই তাঁদের ছেলেমেয়েদের দেশে-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত দেখতে চান। সেক্ষেত্রে ইংরেজির থেকে ভালো মাধ্যম অন্য কিছু নেই। যে কোনও একটা বিষয়ে ইংরেজি ভাষায় যত ভালো বই রয়েছে, তা কোনও আঞ্চলিক ভাষায় নেই। সেক্ষেত্রে বাংলা, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, ওড়িয়া ভাষায় সেইসব বই লিখতে হবে বা অনুবাদ করতে হবে। তারপরও তার গুণমান কি ‘অরিজিনাল’ বইয়ের মতো হবে? সম্ভাবনা কম।
কেন্দ্রীয় পলিসি বলছে, ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে শুরু হবে বিভিন্ন ভোকেশনাল কোর্স। অর্থাৎ, ছাত্রছাত্রীরা ওই পর্বে কাঠের কাজ, বাগান করা, বৈদ্যুতিন সামগ্রী মেরামত এসব শিখবে। উদ্যোগ মোটেই খারাপ নয়। কিন্তু যার বাবা নিজে কাঠের কাজ করেন, তিনি কি চাইবেন ছেলেকে বা মেয়েকে ওই পেশার জন্য তৈরি করতে? অনেক কৃষকই এমন রয়েছেন, যাঁরা জমির পাট্টা নিয়ে চাষ করেন। এবং সংসার চালাতে তাঁদের নাভিশ্বাস উঠে যায়। তাঁরা প্রার্থনা করেন, ঠাকুর আমার ছেলেটা বা মেয়েটাকে যেন এই কষ্ট না করতে হয়। তাই তাঁরা বহু অভাব-অনটন সত্ত্বেও ছেলেমেয়েকে স্কুলে ভর্তি করেন। স্বপ্ন দেখেন... ওরা কেউকেটা হবে। আজ থেকে কত বছর আগে রবি ঠাকুর লিখেছিলেন, ‘যে-চাষা তাহার ছেলেকে প্রাইমারি স্কুলে পাঠায়, তাহার একটিমাত্র উদ্দেশ্য এই যে, তাহার ছেলে নিতান্ত চাষা না থাকিয়া কিঞ্চিৎ পরিমাণে ভদ্রসমাজ-ঘেঁষা হইবার যোগ্য হয়; চিঠিটা পত্রটা লিখিতে পারে, পড়িতেও পারে, জমিদারের কাছারিতে দাঁড়াইয়া কতকটা ভদ্রছাঁদে মোক্তারি করিতে পারে, গ্রামের মোড়লি করিবার যোগ্য হয়, ভদ্রলোকের মুখে শুনিতে পায় যে, তাইতো রে, তোর ছেলেটা তো বলিতে-কহিতে বেশ!’ আমরা প্রত্যেকেই এমনটা চাই। আমার মেয়ে, আমার ছেলে বাবা-মাকেও ছাপিয়ে যাবে...। তা আদৌ হবে তো? যদি হয়, তাহলে বেসরকারি ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলের মোহ ত্যাগ করে মধ্যবিত্ত-উচ্চবিত্তরাও ফিরবেন সরকারি বৃত্তে। তা কি আদৌ সম্ভব?
আশা ক্ষীণ। কারণ, নয়া এই শিক্ষানীতিতে কেন্দ্রীয় সরকার যে দক্ষযজ্ঞের ইঙ্গিত দিয়েছে, তা কত বছর বা কত দশকে সম্পূর্ণ করা যাবে, সে ব্যাপারে সন্দেহ রয়েছে। সরকার নিজেও সন্দিহান। তাই নীতি কার্যকরে নির্দিষ্ট কোনও বছর বা লগ্নের উল্লেখ করা হয়নি। কিছু কিছু ‘লক্ষ্যমাত্রা’ স্থির করা হয়েছে। যেমন, ২০২৫ সালের মধ্যে প্রত্যেকের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং ২০৪০ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ শিক্ষানীতি কার্যকর করা। প্রথম টার্গেটে আসা যাক। ২০২৫ সাল। মানে পাঁচ বছর। দেশের সব স্তরে প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে গেলে যে পরিকাঠামো প্রয়োজন, তা নেই। এবং প্রক্রিয়াও শুরু হয়নি। হয়তো একটা মাঝারি মানের ক্লাসঘরের অভাব হবে না। কিন্তু প্রযুক্তি সাজানো, দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ, সিলেবাস তৈরি এমন হাজারো কাজ রয়েছে। তার জন্য বিপুল অর্থ প্রয়োজন। চলতি অর্থবর্ষে স্কুলশিক্ষায় কেন্দ্রীয় সরকার বাজেট বরাদ্দ করেছিল মোট জিডিপির দেড় শতাংশ। কিন্তু গোটা দেশে প্রি-প্রাইমারি ক্ষেত্রে পরিকাঠামো তৈরিতেই যা খরচ হবে, তাতেই এই বরাদ্দ কম পড়ে যেতে পারে। বলা হচ্ছে, শিক্ষায় বরাদ্দ হবে জিডিপির ৬ শতাংশ। তাহলে হয়তো এই সঙ্কট আসবে না। কিন্তু রাজ্য সরকারি স্কুলগুলির ক্ষেত্রে এটা কিন্তু হবে রেকারিং খরচ। তার উপর প্রত্যেকটা রাজ্যের যে শিক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, তারই খোলনলচে বদলে দিতে হবে। যা এক-দু’বছরে
করা সম্ভব নয়।
এছাড়া রয়েছে তিন ভাষার বেষ্টনী। মানে তিনটি ভাষা প্রাথমিক স্তরে পড়তে হবে—মাতৃভাষা, একটি ভারতীয় ভাষা এবং একটি বিদেশি ভাষা (ধরে নেওয়া যায় এটি ইংরেজি হবে)। যদিও লিখিত অর্ডারে বলা হচ্ছে, ভাষার ব্যাপারটা রাজ্য সরকার, স্কুল বা পড়ুয়া ঠিক করবে। কিন্তু এরপর একটা প্যাঁচ রয়েছে। ঘুরিয়ে বলা হয়েছে, প্রাথমিক এবং মধ্যশিক্ষায় সংস্কৃত পড়ানো হবে। এই ভাষা যদি সত্যিই বাধ্যতামূলক হয়, তাহলে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘আধুনিক’ ভাবনা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। কারণ, সংস্কৃত শিক্ষা ভবিষ্যতে একজন ছাত্রকে কী সুবিধা দেবে? যে পড়ুয়া সংস্কৃত নিয়ে রিসার্চ করবে, তার ক্ষেত্রে না হয় এই নীতি বেশ সুবিধাজনক। কিন্তু বাকিরা?
এবার আসা যাক মাল্টি ডিসিপ্লিনারি ব্যাচেলরস প্রোগ্রামে। চার বছরের কোর্স। আর এর জন্য আলাদা কলেজ তৈরি হবে। আর ভবিষ্যতে ধীরে ধীরে এখনকার কলেজ এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকেও ওই ছাঁদে ফেলা হবে। ততদিন? সেই দিশাও কিন্তু নেই নয়া পলিসিতে। বিষয় ধরে ধরে কমিটি হবে, কলেজগুলি স্বশাসন পেয়ে যাবে এবং তৈরি হবে নতুন একটি কমিশন... তার আওতায় চলে আসবে ইউজিসি, এআইসিটিইর মতো সংস্থাগুলি।
এই নীতি সার্বিকভাবে ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার কতটা উন্নতিসাধন করতে পারবে... এত ভাবনা, আলোচনা, বিশ্লেষণের পরও কিন্তু আদপে তা
স্পষ্ট হচ্ছে না। স্বপ্ন আকাশছোঁয়া, কিন্তু সেখানে পৌঁছনোর পথ দেখা যাচ্ছে না। কতকটা রবি ঠাকুরের সেই বক্তব্যের মতো, ‘জামা কিনিতে গেলাম,
পাইলাম একপাটি মোজা; এখন ভাবিতেছি,
ঐটেকেই কাটিয়া ছাঁটিয়া কোনোমতে জামা করিয়া পরিব। ভাগ্য আমাদের সেই চেষ্টা দেখিয়া
অট্টহাস্য করিতেছে।’
রাজ্যগুলিও কিন্তু ধীরে ধীরে মুখ খুলছে। প্রথম অভিযোগ, কারও সঙ্গে এ নিয়ে কোনও আলোচনা করা হয়নি। দ্বিতীয় অভিযোগ ভাষা শিক্ষা সংক্রান্ত। যার উত্তরও কেন্দ্রের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। রাজ্য তাই নিজেরা কমিটি গঠন করছে... ব্যাপারটা বুঝতে চাইছে। সংবিধান অনুযায়ী শিক্ষা হল কেন্দ্র-রাজ্য দুয়েরই বিষয়। অর্থাৎ, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার নিজেদের মতো করে শিক্ষা সংক্রান্ত নীতি বা আইন তৈরি করতে পারে। খুড়োর কল সামনে ঝুলছে। পাশাপাশি চলছে শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে পকেটে পুরে ফেলার কৌশল। কেন্দ্রের এই লম্বাচওড়া নজরদারি আদপে রাজ্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ নয় তো? নাকি এর পিছনেও রয়েছে কোনও অভিসন্ধি... বেসরকারিকরণ। যা মোদি সরকারের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
04th  August, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
ঘূর্ণিঝড় উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক অনুদান দিচ্ছে রাজ্য সরকার। শহরাঞ্চলে সেই প্রক্রিয়া চালাচ্ছে কলকাতা পুরসভা। প্রায় সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে। ...

বরফ দেওয়া থার্মোকলের বাক্সের ভিতরে বোঝাই করে চলে আসছে ‘রুপোলি শস্য’। কোথাও নদীপথ, কোথাও কাঁটাতারের ফাঁক গলে এপারে তারা। চকচক করতে থাকা আটশো থেকে এক ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোহিনীপাড়ায় রবিবার গভীর রাতে ভেঙে গেল পূনর্ভবা নদী বাঁধের একাংশ। ভোররাত থেকেই বাঁধ বাঁচাতে কাজ শুরু করেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সেচ দপ্তর। যদিও রবিবার রাত থেকেই ওই নদী বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় জল ঢুকে ...

সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রাম জেলায় করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় আরও একটি করোনা হাসপাতাল তৈরির সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্যদপ্তর ও প্রশাসন। শহরের পুরাতন ঝাড়গ্রাম এলাকায় একটি নবনির্মিত মহিলা হস্টেলকে ৭৫ বেডের করোনা হাসপাতাল করা হবে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ১২৮/২ (১৬ ওভার) 

09:09:08 PM

এফটিআইআইয়ের প্রেসিডেন্ট ও গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন শেখর কাপুর 

08:41:11 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ৫২/০ (৭ ওভার) 

08:17:03 PM

আইপিএল: টসে জিতে হায়দরাবাদকে প্রথম ব্যাট করতে পাঠাল দিল্লি 

07:11:11 PM

আজ সন্ধ্যায় কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা 

05:41:37 PM