Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

করুণ কাহিনীতে কোনও ‘সমাপ্ত’ হয় না 
পি চিদম্বরম

গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়। তারপর থেকে লিখিত আদেশ ছাড়াই জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক ব্যক্তিকে ‘গৃহবন্দি’ করা হয়েছে। এরকমই একজন গৃহবন্দি রাজনৈতিক নেতা বলেন যে, ‘জম্মু ও কাশ্মীর একটা বিরাট বন্দিশালা’।
‘প্রজেক্ট জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর’ নেওয়া হয়েছিল একাধিক উদ্দেশ্যে: রাজ্যটাকে ভেঙে দেওয়া, তারপর সেটাকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নামিয়ে আনা, পুরো অঞ্চলটাকে কেন্দ্রীয় সরকারের শাসনে নিয়ে আসা, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দমন করা, কাশ্মীর উপত্যকার ৭৫ লক্ষ মানুষকে অনুগত থাকতে বাধ্য করা এবং বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করে ফেলা। এসব অস্ত্র যখনই ব্যবহার করা হয়েছে কোনওবারই তা লক্ষ্যভেদ করেনি। আমার ব্যক্তিগত অভিমত, এই মনোভাব (ডিসপেনসেশনস পলিসি) দিয়ে কোনওকালেই সাফল্য আসবে না।
পূর্বতন রাজ্যের পরিস্থিতি
নথিভুক্ত কিছু বাস্তব ঘটনার উপর নজর করা যাক (প্রধান সূত্র: দ্য ফোরাম ফর হিউম্যান রাইটস ইন জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর, জুলাই ২০২০ রিপোর্ট)
২০০১ থেকে ২০১৩। সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা ৪৫২২টা থেকে কমে ১৭০টা হয়েছিল। মৃতের সংখ্যাও ৩৫২২ থেকে কমে হয়েছিল ১৩৫। এর মধ্যে সাধারণ নাগরিক, নিরাপত্তার কাজে নিযুক্ত ব্যক্তি এবং জঙ্গি সবাইকেই ধরা হয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে, এবং বিশেষ করে ২০১৭-র পর থেকে বলপ্রয়োগের যে অতি কঠোর নীতি নেওয়া হয়েছে তা হিংসাত্মক কার্যকলাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। নীচের সারণিতে দেওয়া তথ্য দেখুন পরিষ্কার হয়ে যাবে:
চরম পরিস্থিতিতে ৬,৬০৫ জন রাজনৈতিক কর্মীকে (যাদের মধ্যে অবশ্য ১৪৪ জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক) হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মেহবুবা মুফতি সমেত অনেকজন এখনও বিনা বিচারে আটক রয়েছেন। কঠোর ও নির্মম জন সুরক্ষা আইন নির্বিচারে প্রয়োগ করা হয়েছিল (৪৪৪টা কেস করা হয়েছিল)। রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুরক্ষিত ভবনে তাঁদের বসবাসের সুবিধা বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে তাঁদের চলাফেরা এবং রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
উপত্যকায় সেনা এবং আধা সেনাদের উপস্থিতিটা ব্যাপক। ৩৭০ ধারা বাতিলের পর অতিরিক্ত ৩৮ হাজার ফৌজি মোতায়েন করা হয়েছিল। ১৪৪ ধারার কড়াকড়ি বস্তুত সারা বছরই বলবৎ রয়েছে। গত ২৫ মার্চ পরবর্তী লকডাউন সবকিছু বন্ধ করে দিতে প্রশাসনকে সহায়তা করেছে। যদি কোনওরকম আপাত ‘শান্তি’ সেখানে থেকে থাকে, সেটা হল জন কেনেডি যাকে বলেছিলেন ‘কবরের শান্তি’।
সমস্ত প্রধান মৌলিক অধিকারগুলো কার্যকরভাবে খারিজ হয়ে গিয়েছে। জন সুরক্ষা আইন (পিএসএ) এবং বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (ইউএপিএ) নির্বিচারে প্রয়োগ করা হয়েছে। ঘিরে ফেলে তল্লাশি (কর্ডন অ্যান্ড সার্চ অপারেশনস, সংক্ষেপে সিএএসও বা কাসো) অভিযান চালানো হচ্ছে ব্যাপকভাবে এবং রোজ।
এটা করা হচ্ছে মানুষের চলাচল আটকাতে। অধিকার সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধিবদ্ধ কমিশনগুলোকে ঠুঁটো করে রাখা হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরে গণমাধ্যমের যে কোনও স্থান নেই তার স্পষ্ট স্বীকারোক্তি হল নতুন মিডিয়া পলিসি এবং এটা সেন্সরশিপকে অলঙ্ঘনীয় করে তুলেছে।
মুবিন শাহ, মিয়াঁ আব্দুল কায়ুম, গৌহের গিলানি, মাসরত জ়ারা এবং সফুরা জ়াফরের কেসগুলো আইনের অপব্যবহার এবং বিচার পাওয়ার সমস্যার দিকগুলো স্পষ্ট করে দিয়েছে।
দ্য কাশ্মীর চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি হিসেব দিয়েছে যে, ২০১৯-এর আগস্ট থেকে শুধু কাশ্মীর উপত্যকাতেই ৪০ হাজার কোটি টাকার উৎপাদনের ক্ষতি হয়েছে। ওই সময়কালে চাকরি নষ্ট হয়েছে ৪ লক্ষ ৯৭ হাজার। ২০১৭ সালে পর্যটক এসেছিল ৬ লক্ষ ১১ হাজার ৫৩৪ জন। ২০১৮-তে সংখ্যাটা কমে দাঁড়ায় ৩ লক্ষ ১৬ হাজার ৪২৪। আর ২০১৯-এ পর্যটকের সংখ্যাটা একেবারে তলানিতে নেমে আসে: ৪৩ হাজার ৫৯ জন মাত্র! মারাত্মকভকাবে ধাক্কা খেয়েছে ফল, পোশাক, কার্পেট, তথ্য-প্রযুক্তি যোগাযোগ এবং পরিবহণ শিল্প।
শেষমেশ সুপ্রিম কোর্টের তরফে জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইনের সাংবিধানিক বৈধতা, ৪জি পরিষেবা ফের চালু করা এবং ইউএপিএ আইনের সংশোধন বিষয়ক মামলাগুলোর শুনানি ও রায়দান বাকি রয়েছে। পাশাপাশি একই অবস্থায় রয়েছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানবাধিক লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে রুজু হওয়া জনস্বার্থের অগুনতি মামলাও।
নয়া কাশ্মীর ইস্যু
১৯৪৭-এ শাসক যখন কাশ্মীরের ভারতভুক্তি মেনে নিলেন তখন থেকে ছিল কাশ্মীর ইস্যু। পাকিস্তানের এই শিক্ষা হয়েছিল যে, ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয় এবং উপত্যকা ছিনিয়ে নেওয়া তার দ্বারা হবে না। ২০১৯-এর আগস্ট থেকে নয়া কাশ্মীর ইস্যু। নয়া কাশ্মীর ইস্যুর অনেকগুলো দিক (ডাইমেনশন): ৩৭০ ধারা বাতিলের সাংবিধানিক বৈধতা। একটা রাজ্যের মর্যাদা থেকে দু’টো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্তরে নামিয়ে দেওয়া। রাজনৈতিক ও মানবিক অধিকার খারিজ। অর্থনীতির ধ্বংসসাধন। জঙ্গিপনার বৃদ্ধি। কাশ্মীরে মানুষের স্থায়ী নিবাস সংক্রান্ত নতুন নীতি বা ডমিসাইল পলিসি। উপত্যকার মানুষের মনে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নতাবোধ। এখন আত্মিক টানের অভাব—জম্মু অঞ্চলের প্রতি নয়া ডমিসাইল পলিসির কারণে এবং লাদাখের প্রতি সেখানে প্রশাসনের পুরোপুরি অনুপস্থিতির কারণে।
বাকি ভারত দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করে যে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যটা আমাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু এটাই দুঃখের যে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের মানুষের দুঃখ-যন্ত্রণার বিষয়ে তাদের কোনও কষ্ট-উদ্বেগ নেই। লাদাখে চীনাদের অনুপ্রবেশ ও আক্রমণ এবং পাকিস্তানের সঙ্গে চীনের জোট বাঁধার ঘটনা শেষেমশ ভারতের তন্দ্রাভাবে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে, কিন্তু সেটা যথেষ্ট নয়।
লকডাউনকালের মধ্যে লকডাউন
পুরোপুরি লকডাউন জিনিসটা যে কী সেটা বাকি ভারতের মালুম হয়েছে—কেউ বাড়ির বাইরে বেরবেন না। লকডাউনের ভিতরেও বাকি ভারতের মুক্তকণ্ঠে কথা বলায় এবং ভাবপ্রকাশে কোনও বাধা ছিল না। তাঁরা খবরকাগজ পড়তে পেয়েছেন। দেখতে পেয়েছেন টেলিভিশন। তাঁদের নাগালে ছিল টেলিফোন ও ইন্টারনেট পরিষেবা। হাসপাতাল, থানা, আদালত এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে পৌঁছতেও কারও বাধা ছিল না। অন্যদিকে, সম্পূর্ণ লকডাউনের সময়টা কাশ্মীরের জন্য ছিল অধিকারগুলো খারিজ হয়ে যাওয়ার লকডাউন। বাকি ভারতের কল্পনা করা উচিত, উপরোক্ত অধিকারগুলো ও পরিষেবাগুলো নস্যাৎ হয়ে যাওয়ার লকডাউনটা কতটা পীড়াদায়ক। এটাই আজকের পরিস্থিতি।
২০১৯-এর ৫ আগস্ট যে নয়া কাশ্মীর ইস্যুর সৃষ্টি করা হয়েছে, আগামী ৫ আগস্ট তার বর্ষপূর্তি। আমাদের সংসদ ও আদালতের মতো গর্বের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো এবং বহু দলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা এই নয়া কাশ্মীর ইস্যুর কোনও জবাব খুঁজে পায়নি। এ এক দুঃখজনক ব্যর্থতা। আর এই দুঃখটা বহু গুণ হয়েছে এই কারণে যে আমাদের সামনে কোনও আব্রাহাম লিঙ্কন নেই। হৃদয়কে নাড়িয়ে দেওয়ার মতো সেই কথাগুলোও আমরা শুনতে পাই না, ‘এই জাতির জন্য নতুন স্বাধীনতার জন্ম হবে এবং যে সরকার মানুষের, মানুষের দ্বারা ও মানুষের জন্য তা পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাবে না।'
• লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী 
03rd  August, 2020
শাসনতন্ত্রের বেসামাল
নৌকায় সওয়ার দেশ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিতৃতন্ত্র আর শাসনতন্ত্র একটা জায়গায় এসে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। দুই ক্ষেত্রেই চাপিয়ে দেওয়ার কারবার। আধিপত্য কায়েম করা। এনসিবি এখন বলিউডের মাদক কারবারের অন্দরে ঢুকতে চাইছে। অথচ ছবি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে কোনও পুরুষ নেই। ব্যাপারটা এমন, অভিনেতারা সব ধোয়া তুলসী পাতা, মাদক সেবনের কারবারটা সম্পূর্ণই অভিনেত্রীদের। বিশদ

সব মানুষকে সব সময়
বোকা বানানো হচ্ছে
পি চিদম্বরম

 নোট বাতিল ছিল একটি বিপর্যয়। ২০১৭-১৮ থেকে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থা ছিল তারই ধারাবাহিক পরিণাম। তেমনি আইনে পরিণত হওয়ার পথে কৃষি বিল দু’টিও ভারতীয় কৃষক শ্রেণীকে এবং কৃষি অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে। তারা রাজ্যগুলির অধিকার এবং ফেডারালিজমের উপরেও আঘাত হানল।
বিশদ

28th  September, 2020
কৃষক, শ্রমিকের সঙ্গে বিপন্ন গণতন্ত্রও
হিমাংশু সিংহ

 রাজ্যের হাত থেকে কৃষির অধিকার প্রায় সবটাই চলে যাচ্ছে কেন্দ্রের জিম্মায়। একে একে রাজ্যের সব অধিকারই প্রায় কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র। জিএসটি সেই দিক দিয়ে ছিল এক বড় আঘাত। বাকি ছিল যৌথ তালিকায় থাকা কৃষিক্ষেত্র। এবার তাও যাচ্ছে। যার ফলে বিপন্ন হতে বাধ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি।
বিশদ

27th  September, 2020
সদিচ্ছায় জটিল সমস্যাও
হয় জলবৎ তরলং
তন্ময় মল্লিক

জঙ্গি এখন রাজনীতির মস্ত বড় ইস্যু। রাজনীতির কারবারিরা ঘোলা জলে মাছ ধরার জন্য রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সামনে রেখে চলছে মেরুকরণের জোরদার চেষ্টা।
বিশদ

26th  September, 2020
বিধবাবিবাহ আইন ও বিদ্যাসাগর
তরুণকান্তি নস্কর

 বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মের দ্বিশতবর্ষের প্রারম্ভে গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর শিক্ষাচিন্তার উপর এই লেখকের একটি উত্তর-সম্পাদকীয় প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। দ্বিশতজন্মবার্ষিকীর সমাপ্তিতে তাঁর জীবন সংগ্রামের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনার জন্য এই প্রয়াস।
বিশদ

26th  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

25th  September, 2020
করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
একনজরে
 ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়াল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকার দখল নিয়েই দুই দেশের লড়াই। রবিবার থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে দু’পক্ষের ২৩ জনের। আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি। ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোহিনীপাড়ায় রবিবার গভীর রাতে ভেঙে গেল পূনর্ভবা নদী বাঁধের একাংশ। ভোররাত থেকেই বাঁধ বাঁচাতে কাজ শুরু করেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সেচ দপ্তর। যদিও রবিবার রাত থেকেই ওই নদী বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় জল ঢুকে ...

 প্যাকেট ছাড়া বিড়ি-সিগারেট বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল মহারাষ্ট্র সরকার। দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হিসেবে মহারাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ। সে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন থেকে আর খোলা বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। ...

 আগামী বছরের শেষদিকে বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিকাঠামো সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে বলেই দাবি করল ইন্ডিয়ান অয়েল। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রীতীশ ভারত বলেন, বোকারো থেকে কলকাতা পর্যন্ত যে গ্যাস লাইন আসার কথা, তার কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। অত্যধিক ব্যয় প্রবণতায় রাশ টানা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আজ শুভ। সৎসঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: অভিনেতা মেহমুদের জন্ম
১৯৭১: ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গে ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৭ টাকা ৭৪.৫৮ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫৪ টাকা ৯৫.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৪.২৪ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮, ৪৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮, ৫৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৩৮/৪১ রাত্রি ৮/৫৯। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ৪২/৪৯ রাত্রি ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০/৪৪, সূর্যাস্ত ৫/২৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে।
১১ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বাদশী রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ১২/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৭ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে।
১০ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ১০৪/৩ (১৫ ওভার) 

10:58:27 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ৫৪/২ (১০ ওভার) 

10:33:05 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ২৭/১ (৫ ওভার) 

10:09:48 PM

করোনা আক্রান্ত দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু 

10:01:01 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৬৩ রানের টার্গেট দিল হায়দরাবাদ 

09:30:56 PM

আইপিএল: হায়দরাবাদ ১২৮/২ (১৬ ওভার) 

09:09:08 PM