Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

৫ আগস্ট ও নরেন্দ্র
মোদির ভোট অঙ্ক
হিমাংশু সিংহ 

২৯ বছর আগে ছবিটা তুলেছিলেন মহেন্দ্র ত্রিপাঠি। করোনা আবহে সেই ছবিই গোটা দেশে আজ হঠাৎ ভাইরাল। মহেন্দ্র পেশায় শখের ফটোগ্রাফার। ছোট্ট একটা স্টুডিও আছে অযোধ্যার প্রস্তাবিত রামমন্দির চত্বরের কাছেই। ১৯৯১ সালের মন্দির আন্দোলনের ঢেউয়ে উত্তপ্ত অযোধ্যায় এক দুপুরে তিনি বিশ্বহিন্দু পরিষদের ফটোগ্রাফার হয়ে পুরনো ক্যামেরা দিয়েই নরেন্দ্র মোদির একটা ছবি তুলেছিলেন। তখনও মোদি আজকের মতো দলের সর্বেসর্বা হননি। গুজরাতের এক সাধারণ উঠতি নেতা মাত্র। সঙ্ঘের শৃঙ্খলা, আর বাজপেয়ি-আদবানির ছত্রছায়ায় ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছেন। পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন বিজেপির অন্যতম স্থপতি মুরলীমনোহর যোশি। মন্দির আন্দোলন তখন তুঙ্গে। চারদিকে সাজ সাজ রব। সেই আবহেই দুই নেতা ঘুরছিলেন অযোধ্যায়, কথা বলছিলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। সেদিন যোশিজি হালকা ছলে উপস্থিত সবার সঙ্গে মোদিজির পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন, গুজরাতের এক সাহসী নেতা হিসেবে। মাত্র ওইটুকুই। তখনও কেউ আঁচ পর্যন্ত পাননি যে, এই মানুষটাই তিন তিনবার গুজরাতের প্রবল পরাক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রীই শুধু হবেন না, একদিন বাজপেয়ি-আদবানি জমানার সাফল্যকে অতিক্রম করে পরপর দু’টো টার্ম একক ক্ষমতায় প্রধানমন্ত্রীর আসনেও বসবেন। এবং, বীরদর্পে এগিয়ে যাবেন তৃতীয়বারের দিকে। মোদিজিকে সেদিন মিডিয়া প্রশ্ন করেছিল, আবার কবে আসবেন অযোধ্যায়? উত্তর ছিল, ঘন ঘন আসব মন্দির নির্মাণ শুরু হলে। সম্প্রতি সেদিনের ক্যামেরাবন্দি ওই ঐতিহাসিক ছবিটিকেই পুনরায় পোস্ট করে সেই কথাটাকেই স্মরণ করেছেন ফটোগ্রাফার মহেন্দ্র। লিখেছেন, যোশিজির আড়ালে থাকা সেদিনের সেই সাধারণ উঠতি নেতার হাত ধরেই এ দেশের হিন্দুত্বের রাজনীতিতে নয়া অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে।
ঐতিহাসিক মন্দিরের শিল্যানাসের বাকি আর মাত্র ৭২ ঘণ্টা। গত নভেম্বরে বেরিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের রায়। তারপর কোথা দিয়ে যেন ন’মাস কেটে গিয়েছে। এরপর গত ফেব্রুয়ারিতে নির্মাণ সংক্রান্ত যাবতীয় প্রশাসনিক কাজকর্মেও সিলমোহর দেয় সরকার। কিন্তু তারপরই বৈশ্বিক মহামারীর ঠেলায় সব থমকে যায়। এখনও মহামারী পিছু ছাড়েনি। অযোধ্যাও তার ব্যতিক্রম নয়। সেখানে কর্তব্যরত পুলিস, এমনকী পুরোহিতরাও ওই ভয়ঙ্কর রোগের শিকার। কিন্তু হিন্দুত্ববাদীরাও যে নাছোড়বান্দা। আর সবার উপরে রয়েছে আর এসএস, বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদির জটিল ভোট অঙ্ক। পাখির চোখ, লোকসভা নির্বাচন ২০২৪। টানা তৃতীয়বার জিতে দিল্লি দখলের রেকর্ড গড়ার স্বপ্ন। সেই কারণেই জন্ম-মৃত্যু, মহামারী, প্রলয় কোনও কিছুই আপাতত ভোটের সেই অঙ্ক কষা থেকে মোদি-অমিত শাহদের নিরস্ত করতে পারে না। কারণ ওই আপাত সরল অঙ্কটাই আজ গেরুয়া শিবিরের রাজনীতির একমাত্র ধ্রুবপদ। আপাতত তাই ৫ আগস্টের অপেক্ষা। মোদিজির হাত ধরে ওইদিন থেকে শুরু হবে মন্দির আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্বের ইতিহাস লেখার কাজ। ভার্চুয়াল নয়, করোনা পর্বেও গোটা অনুষ্ঠানটি হবে ষোলোআনা রিয়াল। ভূমিপূজনের শুভ মুহূর্ত দুপুর সাড়ে বারোটা। গলওয়ান কাণ্ডের পর প্রধানমন্ত্রী লাদাখ গিয়েছিলেন জওয়ানদের মনোবল বাড়াতে। এবার অযোধ্যা সফর। করোনার মধ্যেও এই দুটোই এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রিয়াল কর্মসূচি তাঁর। অটলবিহারী বাজপেয়ি, লালকৃষ্ণ আদবানিরা যে স্বপ্ন ফেরি করেও শেষপর্যন্ত বাস্তবায়িত করতে পারেননি, এবার তাই করে দেখাতে চলেছেন তিনি। স্বাধীন ভারতের ৭৩ বছরের ইতিহাসে কোনও অকংগ্রেসি রাজনীতিকের কেরিয়ারে যা নিঃসন্দেহে গৌরবের মাইলফলক হয়েই থাকবে চিরদিন।
ভুললে চলবে না, মন্দিরের স্বপ্ন দেখিয়েই চার দশক আগে বিজেপি দলটার জন্ম। তারপর শান্ত সরযূ দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। অনেক উত্থান পতনের সাক্ষী থেকেছে এই প্রাচীনতম জনপদ। অযোধ্যা ইস্যুকে সামনে রেখেই ধীরে ধীরে ভারতীয় রাজনীতির সেন্টার স্টেজ দখল সঙ্ঘ পরিবার তথা হিন্দুত্ববাদীদের। ১৯৯২-এর ৬ ডিসেম্বর বিতর্কিত বাবরি সৌধ ধ্বংস জাতীয় রাজনীতিকেই নতুন খাতে প্রবাহিত করতে শুরু করে। সেই ঘটনার পরও বহু বছর অতিক্রান্ত। বিজেপির পুরনো প্রজন্ম অনেক স্বপ্ন ফেরি করেও শেষপর্যন্ত রামমন্দিরের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে পারেনি। কখনও রাজনৈতিক অঙ্ক মেলেনি, আবার কখনও বাদ সেধেছে আদালত। আজ ৯৩ বছর পেরনো মন্দির আন্দোলনের সবচেয়ে জনপ্রিয় জীবিত ব্যক্তিত্ব আদবানিজির সামনেই মোদি-অমিত শাহের হাত ধরে গেরুয়া শিবিরের দীর্ঘদিনের সেই স্বপ্ন বাস্তব হতে চলেছে। নিঃসন্দেহে এদেশের কট্টর হিন্দুত্বের রাজনীতিতে এক বিরাট ঘটনা।
কিন্তু সে তো গেল হিন্দুত্ববাদীদের গৌরব আর আহ্লাদের কথা। কিন্তু এই ভয়ঙ্কর করোনার আবহে মানুষ এর থেকে কী পাবে? সাধারণের সরাসরি কতটা উপকার হবে? এই বিতর্কও কিন্তু শুরু হয়েছে। খেয়ে পড়ে বাঁচলে তবে না মানুষ মন্দিরে ভজন পূজনে অংশ নেবে। সে ফুরসতই বা কোথায়। একই সঙ্গে শিলান্যাসের জন্য এই সময়টাকে বেছে নেওয়া নিয়েও প্রশ্ন ওঠা অস্বাভাবিক নয়। পবিত্র রাখি পূর্ণিমা (৩ আগস্ট) ও আসন্ন জন্মাষ্টমীর (১১ আগস্ট) মধ্যবর্তী সময়টাকে বেছে নেওয়া নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সব ছাপিয়ে ৫ আগস্টের এই কর্মসূচি মনে করিয়ে দেয়, মানুষের শত বিপন্নতার মধ্যেও রাজনীতিকদের কূট খেলা কখনও থেমে থাকে না। থেমে থাকে না মানুষে মানুষে বিভাজনের সঙ্কীর্ণ কৌশলও। কারণ মানবিকতা কিংবা উন্নয়ন নয়, কোনও গঠনমূলক কাজও নয়, সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে বিভাজনই এদেশে ভোট যুদ্ধে সফল হওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। সেই সাফল্যের ফর্মুলাকে বেছে নিতে তাই কোনও কসুর করতে রাজি নয় মোদি ব্রিগেড।
এমনিতেই করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্বের ঠেলায় মানুষ আজ বড় একা। এক অব্যক্ত অসহায়তা গ্রাস করেছে ধনী, দরিদ্র নির্বিশেষে গোটা জাতিকে। এককথায় বৈশ্বিক মহামারীতে গোটা পৃথিবীই বিধ্বস্ত। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে সবার। একান্ত পরিচিতজনের সঙ্গেও দেখা করতে, মুখোমুখি কথা বলতে মানুষ দু’বার ভাবছে। সেই পটভূমিতে দাঁড়িয়েও দিব্যি রমরমিয়ে মন্দির রাজনীতিতে শান দেওয়ার কাজ চলতে থাকে। এই একটা ঘটনাই বুঝিয়ে দেয়, করোনা আবহেও বর্তমান বিজেপি নেতৃত্ব তার কোর অ্যাজেন্ডা থেকে কিছুতেই সরতে রাজি নয়। গত বছর আগস্টে বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নিয়ে কাশ্মীরকে দু’ভাগ করেছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। অবলুপ্ত হয়েছিল সংবিধানের বিতর্কিত ৩৭০ ও ৩৫এ ধারা। ওই পদক্ষেপের পিছনেও বিভাজনের নিপুণ রাজনৈতিক অঙ্ক ছিল। এবং, তা করতে গিয়ে মাসের পর মাস রাজ্যেরই প্রাক্তন তিন মুখ্যমন্ত্রীকে গৃহবন্দি পর্যন্ত করে রাখতে হয়েছে। আজ একবছর পরও তারমধ্যে একজন এখনও অন্তরালে। কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের বর্ষপূর্তির দিনেই ফের আর এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপ নিয়ে গেরুয়া শিবিরের রাজনীতিতে নিজের নাম অক্ষয় করলেন তিনি।
বলা বাহুল্য, মোদিজির রাজনৈতিক জীবনটা আগাগোড়াই অঙ্ক কষে এগনো। যার শুরু ২০০২-এর ভয়ঙ্কর গুজরাত দাঙ্গা দিয়ে। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার বিলোপই হোক, রামমন্দিরের শিলান্যাসই হোক কিংবা তিন তালাকের অবসান, সবটাই দল ও সঙ্ঘপরিবারের দীর্ঘমেয়াদি ভোট জয়ের অ্যাজেন্ডাকে মেনেই। রামমন্দির নির্মাণ শুরু হলে বিজেপির কট্টর হিন্দুত্বের রাজনীতিও যে আরও চাঙ্গা হয়ে নতুন খাতে প্রবাহিত হবে, তা কারও অজানা নয়। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশকে কেন্দ্র করে সমগ্র হিন্দু বলয়ে দলের বিস্তারে একটা বড় ঝাঁকুনি তো লাগবেই। মেরুকরণ তীব্র হবে। বলা হচ্ছে, মন্দির নির্মাণ সম্পূর্ণ হতে লাগবে সাড়ে তিনবছর। অর্থাৎ মোদি অমিত শাহদের অঙ্ক হচ্ছে, পূর্ণ নির্মিত রামমন্দিরের উদ্বোধন করা হবে আগামী ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে। বিশেষভাবে লক্ষ করুন সময়টার দিকে। ঠিক তার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। বেজে যাবে ভোটের দামামা। সেই সঙ্গে আবার উত্তরপ্রদেশ সহ হিন্দি বলয়ে ঝড় তুলে নরেন্দ্র মোদির বাজিমাত! আর উল্টোদিকে দুর্বল কংগ্রেস ও ছত্রভঙ্গ বিরোধীরা।
কিন্তু বিজেপির এই অভূতপূর্ব সাফল্যে মানুষের কী হবে? কতটা যাবে আসবে? বাংলার কী হবে? করোনা উত্তর পৃথিবীতে শুধু মন্দির মন্দির করে কি পেট ভরবে? না গোটা ব্যবস্থাটাই আমূল বদলে যাবে, আমরা কেউ জানি না। আপাতত এরাজ্যের মানুষের কাছে স্পষ্ট নয় আর একটা জিনিসও। বিজেপির অগ্রাধিকার ঠিক কোনটা? ২০২১-এ বাংলার বিধানসভা ভোট নাকি ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক পণ্ডিতরা বলছেন, বাংলা নয়, গেরুয়া সংগঠনের পাখির চোখ আবার কেন্দ্রে এককভাবে ক্ষমতায় আসাই। সেই দৌড়ে বাংলা একটা কমা কিংবা সেমিকোলন হতেও পারে, কিন্তু তার বেশি কিছু নয়। এরাজ্যে আপাতত প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পেলেই সন্তুষ্টই থাকবে মোদি ব্রিগেড। কিন্তু লাখ টাকার প্রশ্নটা থেকেই যায়, এই কঠিন সময়েও মন্দির মসজিদ মাতামাতির আফিমে মজে আখেরে গরিব মানুষের কোন উপকারটা হবে? সবার হাতে কাজ না থাকলে, অর্থনীতি অন্ধকারে ডুবে গেলে ৮২৩ ফুটের সুউচ্চ রামমূর্তি অথবা ১৬১ ফুটের বিশাল মন্দির দিয়ে সাধারণের কোন উপকারটা হবে? 
02nd  August, 2020
পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
নয়া নীতিতে শিক্ষা
আমাদের ‘বাহন’ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করার পর দিকে দিকে কেমন একটা হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়ে নতুনত্ব আছে। আর তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সরকারি স্কুলে প্লে-গ্রুপ ও কিন্ডারগার্টেন, ১০+২ এর ধারণা পিছনে ফেলে ফুটবলের মতো ৫+৩+৩+৪ ছকে স্কুলশিক্ষাকে সাজানো এবং সায়েন্স, আর্টস, কমার্স উঠে যাওয়া... নড়েচড়ে বসার মতো পরিস্থিতি বটে।
বিশদ

04th  August, 2020
রাজ্য-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র
সোমেন মিত্রের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত 
প্রবীর ঘোষাল

২০০০ সালের মার্চ মাস। রাজ্য কংগ্রেস রাজনীতিতে ঘোর সঙ্কট। দু’বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করে ঝড় তুলে দিয়েছেন। দু’-দু’টি লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুলের সাফল্য গোটা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই সময় এল পশ্চিমঙ্গে রাজ্যসভা নির্বাচন।  
বিশদ

03rd  August, 2020
একনজরে
ডেঙ্গু মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঁধে দেওয়া বছরভরের কর্মসূচিতে মিলল সাফল্য। গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে ডেঙ্গু কমল কলকাতা ও রাজ্যে। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রাজ্য জুড়ে দফায় দফায় লকডাউন বলবৎ হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির ফলে বহু মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। ...

দাদু থেকে নাতি অর্থাৎ পরিবারের আট থেকে আশি কেউই বাদ যাচ্ছে না। কোনও পরিবারে ১০ জন, কোথাও ৬ জন।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা। গুপ্ত শত্রুতার মোকাবিলায় সতর্কতা প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় বিলম্বিত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০৮: বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর প্রয়াণ
১৯৩১: বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৩: আমেরিকান কুস্তিগির তথা অভিনেতা হাল্ক হেগানের (টেরি জেন বোলে) জন্ম
১৯৬১: অভিনেতা সুনীল শেঠির জন্ম
১৯৭৭: অভিনেতা জহর রায়ের মৃত্যু
২০১২: ইরানে ভূমিকম্পে তিন শতাধিক মানুষের মৃত্যু, জখম ৩ হাজার



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.১৪ টাকা ৭৫.৮৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৬ টাকা
ইউরো ৮৬.৮৯ টাকা ৯০.০৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ শ্রাবণ ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০, সপ্তমী ৯/৩৯ দিবা ৯/৭। ভরণীনক্ষত্র ৪৯/১৩ রাত্রি ১২/৫৭। সূর্যোদয় ৫/১৫/৪২, সূর্যাস্ত ৬/৭/৫২। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ মধ্যে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৪ গতে ৫/১৭ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৯/৬ গতে ১১/২০ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে ৩/২ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫২ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১/১৯ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩১ গতে ৮/৫৫ মধ্যে।
২৬ শ্রাবণ ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০, সপ্তমী দিবা ৬/৩২। ভরণীনক্ষত্র রাত্রি ১১/২৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫১ গতে ১০/২২ মধ্যে ও ১২/৫৩ গতে ২/৩৪ মধ্যে ও ৩/২৪ গতে ৫/৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪০ মধ্যে ও ৮/৫৮ গতে ১১/১৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৩/৩ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫২ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ১/২০ গতে ২/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৪ গতে ৮/৫৭ মধ্যে।
২০ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

06:30:20 PM