Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন। কবি থেকে দার্শনিক সকলের কণ্ঠেই যুগে যুগে শোনা গিয়েছে চেতনার জয়গান। চেতনার বিকাশই মানবজীবনের উত্তরণ ঘটায়। আধ্যাত্মিক জীবনেও। তাই তো মাতৃসাধক গেয়েছিলেন, ‘আমার চেতনা চৈতন্য করে দে মা চৈতন্যময়ী।’ করোনার সঙ্কটমুক্তিও লুকিয়ে আছে সেই চেতনাতেই। ভ্যাকসিন এখনও আসেনি। এই অবস্থায় মানব-চেতনাই এনে দিতে পারে মহামারী বিরোধী লড়াইয়ে সাফল্য। কিন্তু সেই চেতনার অভাবেই আমরা দিন দিন তলিয়ে যাচ্ছি সঙ্কট-সমুদ্রের অতলে।
করোনা এখন আর টিভির পর্দায় বা সংবাদপত্রের পাতায় আটকে নেই। করোনা এসে দাঁড়িয়েছে বাড়ির দোরগোড়ায়। বিদেশি রোগ এখন ষোলাআনা স্বদেশি। করোনার বিষাক্ত ছোবলে চোখের সামনে অকালেই নিভে যাচ্ছে জীবনদীপ। একের পর এক। তাতেও সম্বিত ফিরছে না। সরকার, প্রশাসন যখন এই অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে, তখন কেউ কেউ ব্যস্ত ফাঁকফোকর অনুসন্ধানে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে সরকার যখন লকডাউন করছে, তখন অনেকেই নানা অজুহাতে বাইরে বেরনোর ফন্দি আঁটছে। মানছে না নিয়ম। মারণ ভাইরাসকে বাড়িতে আমন্ত্রণ করছে। পরিবারের সবাইকে অসুস্থ করছে। তারপরই গেল গেল রব। উঠছে সরকারের দিকে আঙুল। অথচ ভুল সংশোধনের কোনও ইচ্ছাই নেই।
সম্প্রতি রাজ্য সরকার লকডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। চলছে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা। রাজ্য সরকারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত লকডাউনের পার্থক্য অনেকটাই। মোদির লকডাউন ছিল চার ঘণ্টার নোটিসে। দেশজুড়ে ২১দিনের লকডাউন। দেশবাসী পড়েছিলেন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। খাদ্যসামগ্রী মজুতের জন্য পড়েছিল হুড়োহুড়ি। কারণ মানুষ তখনও বুঝে উঠতে পারেনি, এই লকডাউন কতদিন গড়াবে? ঘরে ঘরে খাদ্যের জন্য হাহাকার পড়ে যাবে কি না! তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র জোগাড় করতে দোকানে বাজারে জমেছিল মেলার ভিড়। কিন্তু, এখন? পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
রাজ্য সরকার অনেক আগে থেকেই জানিয়ে দিচ্ছে, কোন কোন দিন হবে লকডাউন। টানা লকডাউনের কোনও কর্মসূচিই সরকারের নেই। লকডাউনে পরিকল্পনার ছাপ স্পষ্ট। কৃষিকে রাখা হয়েছে বাইরে। খাদ্যের জোগান সুরক্ষিত রাখাই উদ্দেশ্য। তাই নিকট ভবিষ্যতে খাদ্য সঙ্কটের কোনও আশঙ্কাই নেই। এই অবস্থাতেও লকডাউনের আগের ও পরের দিন মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ছে দোকানে, বাজারে। লাটে উঠছে সামাজিক দূরত্ব বিধি। গা ঘেঁসাঘেঁসি করে চলছে বাজার করা। চলছে মারণ ভাইরাসকে আলিঙ্গনের প্রতিযোগিতা। আর তাতেই লকডাউনের লাভের গুড় খেয়ে নিচ্ছে পিঁপড়ে। প্রতিহত হচ্ছে না সংক্রমণ। উল্টে বেড়েই চলেছে।
আসলে এরা অনেকটা পতঙ্গের মতো। আগুন দেখলেই পতঙ্গ সেদিকেই ঝাঁপ দেয়। এরাও বিপদ সত্ত্বেও পা বাড়াচ্ছে সেই দিকেই। পতঙ্গ জানে না, আগুনে ঝাঁপ মানে মৃত্যু। আর ‘আত্মঘাতী’ বাহিনী সব জেনেবুঝেও সেদিকেই দৌড়ায়। আর কত অকাল মৃত্যু চাক্ষুষ করলে এদের ‘জ্ঞানচক্ষু’ উন্মোচিত হবে?
রাজ্য সরকার ঘোষিত লকডাউনের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার ব্যাপক সাড়া মিলেছিল গোটা রাজ্যে। কারণ লাঠি নিয়ে পুলিস ছিল রাস্তায়। তবুও কেউ কেউ বলার চেষ্টা করেছিল, পুলিস বা প্রশাসন নয়, রাজ্যবাসীই সফল করেছে লকডাউন। তাতেই উৎসাহিত হয়ে দ্বিতীয় দিন কেউ কেউ নেমেছিল লকডাউন ভাঙতে। পরখ করতে চেয়েছিল পুলিসের সক্রিয়তা। কিন্তু, তাদের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর হয়নি। কেউ বান্ধবীকে নিয়ে ‘জয় রাইড’ করতে গিয়ে, কেউ হিরোগিরি দেখাতে গিয়ে খেয়েছে পুলিসের রুলের গুঁতো। তাতেও যাদের বেয়াদপি কমেনি, তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। সেই সংখ্যাটাও প্রায় দু’হাজার ছুঁয়েছিল। আর লাঠির ঘায়ে যাদের পোশাক নোংরার আশঙ্কা ছিল, তাদের জন্য বরাদ্দ ছিল কান ধরে ওঠবস। দুর্ভাগ্য, তাদেরই ভালোর জন্য পুলিসকে ধরতে হচ্ছে লাঠি। করাতে হচ্ছে কান ধরে ওঠবস। তবে সৌভাগ্যের বিষয়, এসব দেখেও কেউ মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে আদালতে নালিশ ঠোকেননি।
লাঠির অপার মহিমা। ‘লাঠি’ সিনেমায় ভিক্টর ব্যানার্জি দেখিয়েছিলেন, লাঠির তাকত। সার্কাসেও দেখা যেত লাঠির দাপট। লাঠির ভয়েই র‌য়্যাল বেঙ্গল টাইগারও হাতজোড় করত। বেয়াদপদের শায়েস্তা করতে সেই লাঠিই ভরসা। তবে, রাজ্যব্যাপী লকডাউনের তৃতীয় দিন অর্থাৎ ২৯ জুলাই পুলিসকে খুব বেশি গা ঘামাতে হয়নি। পুলিসের পারফরম্যান্সেই তারা বুঝে গিয়েছে, ব্যাগে এক আঁটি পালং শাক নিয়ে রাস্তাঘাটে ঘুর ঘুর করলে আর রেয়াত করবে না। তাই দোকানপাট, বাজারহাট তো বটেই, চা, পানবিড়ির গুমটির ঝাঁপ ছিল বন্ধ। রাস্তাঘাটে লোকজন দেখার জন্য রীতিমতো অপেক্ষা করতে হয়েছে। এসব দেখে অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, বেয়াদপরা বরাবরই শক্তের ভক্ত, নরমের যম। পুলিস শক্ত হতেই আইনভঙ্গকারীরা আইন মানায় মন দিয়েছে। অতএব পরবর্তী দিনগুলিতে পুলিস চলুক পুলিসের মতোই।
সরকার বা প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলে রাজনৈতিক ফায়দা লোটা যায়। কিন্তু করোনার মোকাবিলা করা যায় না। তার জন্য দরকার পরিকল্পনা এবং মানুষের চেতনা। শুধু সরকারের নয়, সমস্ত রাজনৈতিক দলেরও বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। অধিকাংশ মানুষই কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মী অথবা সমর্থক। তাই নেতারা যেভাবে ঘটনার ব্যাখ্যা করবেন, তাঁদের অনুগামীরা সেই চোখেই তা দেখবেন। বিরোধীরা সরকারের সমালোচনা করবে, এটাই স্বাভাবিক। যুগে যুগে সেটাই হয়ে এসেছে। কিন্তু, করোনা পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন। সমালোচনার পাশাপাশি সদর্থক ভূমিকাও দরকার। তবেই কোভিড মোকাবিলা সহজ হবে।
করোনা নিয়ে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা। প্রায় প্রতিদিন দেশের কোনও না কোনও প্রান্তে এমন ঘটনা ঘটছে যা দেখে মানুষ চমকে যাচ্ছে। যা আগে কোনও দিন কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।
বনগাঁ হাসপাতাল চত্বরে মাধবনারায়ণ দত্তের
মৃত্যু তেমনই একটা ঘটনা। অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে
গিয়ে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। তারপর তাঁকে
তোলার জন্য এগিয়ে যাননি কেউ। চোখের সামনে স্বামীর মরণ দেখেছেন আল্পনাদেবী। বড় মর্মান্তিক সেই ঘটনা। তা নিয়ে সমালোচনার ঝড়ও বয়েছে। স্রোতস্বিনী নদীকেও হার মানিয়েছে কটাক্ষের বন্যা। কিন্তু, আরও মর্মান্তিক সত্যিটা হল, স্বামীর শেষকাজ করার জন্য আল্পনাদেবী পাশে পাননি কাউকেই। এমনকী, সেদিন যাঁরা আল্পনাদেবীর কষ্টে কেঁদে বুক ভাসিয়েছিলেন, তাঁরাও নয়।
ত্রিপুরার উদয়পুরের গোমতী জেলা হাসপাতালের হুইল চেয়ারে বসে বসেই মারা গিয়েছেন শ্যামলেন্দু ভৌমিক। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। মৃত্যুর আগে তাঁকে অক্সিজেনটুকুও দেওয়া হয়নি। হুইল চেয়ারে বসে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। তাঁর মৃত্যুকে ঘিরেও বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বইছে সমালোচনার ঝড়।
যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে ঘটেছে আরও এক মর্মান্তিক ঘটনা। এলাহাবাদের কোভিড হাসপাতালে মাঝবয়সি এক রোগী জ্বর, শ্বাস কষ্ট নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। প্রবল শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল তাঁর। একটু অক্সিজেনের জন্য প্রবল চিৎকার করেছিলেন। কেউ সাড়া দেয়নি তাঁর ডাকে। হাত দিয়ে বুক চেপে ধরে তিনি হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। পরের দিন একটি ঝোপের মধ্যে মিলেছিল তাঁর দেহ। হাসপাতাল থেকে ৫০০ মিটার দূরে। গত শনিবারের ঘটনা। সেই দিনই আদিত্যনাথ অযোধ্যায় গিয়ে বলেছিলেন, ‘৫০০ বছরে এমন সুসময় আসেনি।’
এসব ঘটনা মন খারাপের জন্য যথেষ্ট। কিন্তু, তার জন্য সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেই বদলে যাবে না পরিস্থিতি। বদলানোর জন্য বদল দরকার। আমাদের ভাবনার। সব দলেরই রয়েছে যুব সংগঠন। অফুরন্ত শক্তির ভাণ্ডার। করোনা মোকাবিলায় দলগুলি
কাজে লাগাক তাদের যুবশক্তিকে। করোনায়
আক্রান্ত ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করা হোক। যৌবনের অন্তরে উদ্ভাসিত হোক বিবেকানন্দের বাণী, ‘জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।’
ভাবনা বদলালেই, বদলে যাবে পরিস্থিতি। যারা এই কাজ করতে পারবে তারাই জয় করে নেবে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়। তাহলে আর সমাজসেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইতে হবে না। উল্টে মানুষই তাদের খুঁজে নেবে। সমাজসেবা করার এটাই তো আসল সময়! 
বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
চীন ‘মাকড়শা’ হলে ভারত তার ‘শিকার’
পি চিদম্বরম

 দ্য স্পাইডার্স ওয়েব। মানে মাকড়শার জাল। এই সম্পর্কে তথ্য জানতে যদি ইন্টারনেট সার্চ করেন, তবে আপনি জিনিসটাকে পাবেন—‘সিক্স সারপ্রাইজিং ফ্যাক্টস অ্যাবাউট স্পাইডারওয়েবস’ হিসেবে। মানে মাকড়শার জাল সম্পর্কে ছয়টি অবাক করা সত্য।
বিশদ

27th  July, 2020
এক দেশ এক দল
মানুষ মানবে না
হিমাংশু সিংহ

 ভারতের আত্মা বেঁচে রয়েছে বহুত্ববাদে। বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায়। নানা বৈচিত্র ও ভিন্নমুখী ধারার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ঐক্য ও সংহতির মূল মন্ত্র। এক কথায়, বিবিধের মাঝে মিলন মহান। এটাই ভারতের চিরন্তন শক্তি।
বিশদ

26th  July, 2020
করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর
সামাজিক বয়কটের যন্ত্রণা

তন্ময় মল্লিক

একটা সময় সামাজিক বয়কট ছিল বিরোধীকে ঘায়েলের হাতিয়ার। গ্রামের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ ছিল। করোনা আবহে তা ডানা মেলেছে শহুরে শিক্ষিত সমাজেও। কুসংস্কার দূর হয় শিক্ষার আলোয়। কিন্তু শিক্ষিত মানুষের অন্ধকার দূর হবে কোন আলোর ছোঁয়ায়?
বিশদ

25th  July, 2020
 কিছুতেই মমতা হতে
পারবেন না পাইলটরা
সমৃদ্ধ দত্ত

একটি রাজনৈতিক দলে কোনও এক নেতা অথবা কর্মী যোগ্য সম্মান না পেলে তিনি ক্ষুব্ধ হন। চাহিদা এবং মনোবাসনা অনুযায়ী যথাযথ পদ কিংবা দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হচ্ছে না দেখলে, ধীরে ধীরে রাগ এবং হতাশা তৈরি হয়। এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। নতুন কিছুও নয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং পশ্চিমবঙ্গেও সব দলে এরকম বহু নেতা কর্মী আছেন, যাঁদের ঠিক এরকমই মনোভাব অতীতে তৈরি হয়েছে কিংবা এখনও ওই ক্ষোভ রয়েছে দলের বিরুদ্ধে।
বিশদ

24th  July, 2020
আজকের রাজনীতিতে
পণ্ডিত মৈত্রের প্রাসঙ্গিকতা
হারাধন চৌধুরী

দেশ আজ মহামারীর কবলে। প্রথম কর্তব্য রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। যে যুদ্ধে জয়টাই একমাত্র লক্ষ্য। একমাত্র শর্ত। তার জন্য হয়েছে লম্বা লকডাউন। বেশিরভাগ আর্থিক ক্ষেত্র ধসে পড়েছে। কোটি কোটি মানুষ পড়েছে তীব্র সঙ্কটে। সকালে খাবার জুটলে তারা নিশ্চিত নয় রাতে কী খাবে।
বিশদ

23rd  July, 2020
অযোধ্যা নেপালে শুনে
অবাক স্বয়ং শ্রীরামচন্দ্র
সন্দীপন বিশ্বাস

বিষ্ণুলোকের রাজসভায় রামচন্দ্র বসে আছেন। সভায় সেদিন মর্ত্যলোকের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। লক্ষ্মণ, ভরত, শত্রুঘ্ন ছাড়াও সেদিন সভায় উপস্থিত ভৃগু, আঙ্গিরস, কাশ্যপ, বশিষ্ঠ প্রমুখ। ভৃগু বললেন, ‘হে রঘুবীর, মর্ত্যের অধিবাসীগণ বড়ই বাচাল।
বিশদ

22nd  July, 2020
কঠিন সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে,
ব্যক্তি নয় বড় প্রতিষ্ঠান
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সবেমাত্র ভোরের আলোর রেখাটুকু দেখা যাচ্ছে আকাশে। লুটিয়েন’স দিল্লির রাজপথে চলেছে একটি সাইকেল। পিছনের চাকার পাশে ক্যারিয়ারের সঙ্গে বাঁধা ক্যান। দুধওয়ালা... কতই বা বয়স হবে? ১৩ কী ১৪ বছর! গাজিয়াবাদের ছেলে। বাবা মারা যাওয়ার পর চলে এসেছিল দিল্লিতে... কাকার সঙ্গে।
বিশদ

21st  July, 2020
ডেপসাং অথবা ডোকলামের পথে
পি চিদম্বরম

 রহস্যের জট খুলে যাচ্ছে। গত সপ্তাহে লিখেছিলাম যে, 'অর্থনীতির দ্রুত পতনের কারণে ভারত যে দুর্বল হয়ে পড়েছে মিস্টার জি মনে হয় সেটা নিখুঁতভাবে ধরতে পেরেছিলেন—২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর মহাবলীপুরমে। অন্যদিকে, বোধহয় মিস্টার জি-র মতলবটা মোদিজি ঘুণাক্ষরেও টের পাননি।'
বিশদ

20th  July, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি: একটা সময় ছিল যখন ক্রিকেট দুনিয়া তারিয়ে উপভোগ করত বাইশগজে তাঁদের ব্যাট-বলের লড়াই। একদিকে ব্রেট লি। গতির আগুনে যিনি বিপক্ষের ব্যাটিংকে ছারখার করে দিতেন। ...

ওয়াশিংটন: ক্ষমতা দেখাতে পুরো বিশ্বকে নিজেদের নাগালের মধ্যে আনতে উঠেপড়ে লেগেছে চীন। এবার তাদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জবাব দেওয়ার সময় এসেছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসে এই ভাষাতেই চীনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠলেন মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের সংশোধনাগারগুলিতে যা জায়গা রয়েছে, তার তুলনায় বন্দির সংখ্যা ২৩ শতাংশ বেশি। দু’হাজারেরও বেশি বিচারাধীন বন্দিকে আগাম জামিন ও আসামিদের প্যারোলে ছাড়ার পরেও এই অবস্থা।   ...

সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: শুক্রবার বাগডোগরা থানার রানিডাঙা এসএসবি ক্যাম্পের মুখোমুখি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এটিএম কাউন্টারে সিসি ক্যামেরা, এসির বৈদ্যুতিক কেবল ছেঁড়া এবং রিসিভ স্লিপ তছনছ অবস্থায় থাকায় লুটের আতঙ্ক ছড়ায়। যদিও পুলিসের দাবি, সেখানে লুটপাটের কোনও ঘটনা ঘটেনি।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিতর্ক-বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম-পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থোপার্জনের সুযোগ।প্রতিকার: অন্ধ ব্যক্তিকে সাদা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৪- অক্সিজেনের আবিষ্কার করেন যোশেফ প্রিস্টলি
১৮৪৬ - বাংলার নবজাগরণের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব দ্বারকানাথ ঠাকুরের মৃত্যু
১৯২০ – স্বাধীনতা সংগ্রামী বালগঙ্গাধর তিলকের মৃত্যু
১৯২০- অসহযোগ আন্দোলন শুরু করলেন মহাত্মা গান্ধী
১৯২৪ -ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার ফ্রাঙ্ক ওরেলের জন্ম
১৯৩২- অভিনেত্রী মীনাকুমারীর জন্ম
১৯৫৬- ক্রিকেটার অরুণলালের জন্ম।
১৯৯৯- সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৫৩ টাকা ৯৯.৯০ টাকা
ইউরো ৮৭.৪০ টাকা ৯০.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী ৪১/৪৮ রাত্রি ৯/৫৫। মূলানক্ষত্র ৪/২ দিবা ৬/৪৮। সূর্যোদয় ৫/১১/৪৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৫ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫০ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৬ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫০ গতে উদয়াবধি। 
১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী রাত্রি ৯/৪৮। মূলানক্ষত্র দিবা ৭/৫৩। সূর্যোদয় ৫/১১, সূর্যাস্ত ৬/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩০ গতে ১/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৯ গতে ১০/৩৮ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে ও ২/১৩ গতে ৩/৩৯ ম঩ধ্যে। কালবেলা ৬/৪৯ মধ্যে ও ১/২২গতে ৩/০ মধ্যে ও ৪/৩৯ গতে ৬/১৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৯ মধ্যে ও ৩/৪৯ গতে ৫/১১ মধ্যে।  
১০ জেলহজ্জ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজকের রাশিফল  
মেষ: নানা উপায়ে অর্থোপার্জনের সুযোগ। বৃষ: কর্মক্ষেত্রে উচ্চাশাপূরণ। মিথুন: গুরুজনের স্বাস্থ্যোন্নতি। ...বিশদ

07:11:04 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৭৭৪- অক্সিজেনের আবিষ্কার করেন যোশেফ প্রিস্টলি১৮৪৬ - বাংলার নবজাগরণের উল্লেখযোগ্য ...বিশদ

07:03:20 PM

করোনা: রাজ্যে আক্রান্ত আরও ২৫৮৯ জন  
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫৮৯ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

08:42:26 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ৯,৬০১ জন, মৃত ৩২২ 

08:41:24 PM

কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পজিটিভ ৫,১৭২ জন, মৃত ৯৮ 

07:56:50 PM

করোনা: কেরলে নতুন করে আক্রান্ত আরও ১১২৯, মোট আক্রান্ত ১০৮৬২ 

07:50:00 PM