Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন। সেই চারাগাছ আজ আপনতালে ডালপালা ছড়িয়ে বৃক্ষে পরিণত। সেইসময় ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে সুসম্পর্কই কিসিঞ্জারকে ভাবিয়ে তুলেছিল।
তিনি ভেবেছিলেন এর ফলে উপমহাদেশে
সোভিয়েত প্রভাব মারাত্মক বেড়ে যাবে। তাই এই সমস্যা সমাধানে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা শুরু করে আমেরিকা।
চীনের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক উন্নয়নের ঘটনাটি ছিল ‘রিয়েল পলিটিক্স’-এর একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। রিয়েল পলিটিক্স হচ্ছে এমন রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, যেখানে কাগজ-কলমের তত্ত্বের চেয়ে রাজনীতির বাস্তবিক প্রয়োগকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। ‘পিংপং ডিপ্লোম্যাসি’ খ্যাত এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পিছনে মূল কলকাঠি নাড়েন কিসিঞ্জার।
কোরিয়া যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আমেরিকা ও চীন পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছিল বটে, কিন্তু তাদের মধ্যে সম্পর্কের এতটাই অবনতি ঘটেছিল যে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে আমেরিকার কোনও প্রতিনিধি চীনের মাটিতে পা রাখেনি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কের এই দূরত্ব ঘুচে যেতে থাকে। ১৯৭১ সালে বিশ্ব রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তন আসে। ততদিনে চীনের সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্পর্কে চিড় ধরেছে। সীমান্তে বেশ কয়েকটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ফলে দুই সমাজতান্ত্রিক দেশ ক্রমশই একে অপরের শত্রুতে পরিণত হচ্ছে। এমন এক অবস্থায় চীনের চেয়ারম্যান মাও ভাবতে শুরু করেন, আমেরিকার সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক স্থাপন করলে বোধহয় রাশিয়ানদের উচিত শিক্ষা দেওয়া যাবে।
অপরদিকে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের মনেও অভিন্ন চিন্তা খেলা করছিল। তিনিও তাঁর প্রশাসনে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোড়া লাগানোকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেছিলেন। সোভিয়েত ইউনিয়নকে এক হাত নিতে চীনের সঙ্গে জোট গঠনের মতো ভালো উপায় যে আর কিছুই হতে পারে না! ফলে আমেরিকা ও চীন দুই তরফ থেকেই কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে শুরুর তাগিদ অনুভব করেছিল। দুই দেশের কূটনীতিকরা গোপনে একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করে দিয়েছিলেন।
১৯৭১ সালে চীনের চেয়ারম্যান মাওয়ের
আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে চীন সফর করে মার্কিন পিংপং বা টেবিল টেনিস দল। পরের বছর ফিরতি আমন্ত্রণে আমেরিকা যায় চীনা পিংপং দল। এর মাধ্যমে অবসান ঘটে ২০ বছর ধরে চলা মার্কিন-চীন কূটনৈতিক দ্বন্দ্বের। এবং নতুন করে দুই রাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি হয়। পিংপং বা টেবিল টেনিস খেলাকে কেন্দ্র করে দুই রাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়েছিল বলে একে ‘পিংপং ডিপ্লোম্যাসি’ হিসেবে ইতিহাসের পাতায় চিহ্নিত।
পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সহযোগিতায় হেনরি কিসিঞ্জার গোপনে চীন সফর করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফর করেন ১৯৭২ সালে। চীন-আমেরিকার এই সম্পর্ক দুই দেশের নেতারাই অনেকদিন থেকে মনেপ্রাণে চেয়েছিলেন। এর পিছনে ছিল পাকিস্তানের হাত। আর শুধুমাত্র এই কারণে নিক্সন-কিসিঞ্জার জুটি বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তানের বর্বর গণহত্যার বিষয়টিকে নীরবে সমর্থন করে গিয়েছিলেন। এমনকী বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন কূটনীতিক আর্চার কে ব্লাড যখন ২৫ মার্চের ধ্বংসযজ্ঞকে সরাসরি গণহত্যা বলে অভিযোগ তুলেছিলেন, নিক্সন-কিসিঞ্জার জুটি তা শুধু এড়িয়ে গিয়েই ক্ষান্ত হননি। ব্লাডকে তাঁর ঢাকা অফিস থেকে তুলে এনে ওয়াশিংটনে স্থানান্তর করা হয়। কিসিঞ্জার সেদিন বলেছিলেন, ‘...বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে নয়, ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের পলিসি ছিল, যাতে ভারতীয়রা পূর্ব পাকিস্তানে ঢুকে না পড়ে।’ এই কিসিঞ্জারই যুদ্ধের শেষ দিকে বঙ্গোপসাগরে মার্কিন রণতরী ইউএসএস এন্টারপ্রাইজ পাঠানোর সরাসরি নির্দেশ দেন। সেদিন চীন ছিল আমেরিকারই পক্ষে। বেজিংয়ের কৌশল ছিল আমেরিকার বাজারে থাবা বসানো।
পাঁচ দশকে আমেরিকার বাজার ধরা এবং সেখান থেকে নিয়ে আসা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিজ্ঞান নতুন-চীনের উত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ট্রাম্প এবার সেই অধ্যায় শেষ করতে চান। তাঁর পাশে রয়েছেন চীন-অ্যালার্জিতে ভোগা তিন সহযোগী। বিদেশসচিব মাইক পম্পেও, জাতীয় উপনিরাপত্তা উপদেষ্টা ম্যাথিও পট্টিনজার এবং বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নোভারো। ক্ষমতায় বসেই এই প্রশাসন কিসিঞ্জারের লাগানো বৃক্ষের ডালপালা কাটতে শুরু করে। একের পর এক আঘাতে বন্ধুত্বের বাঁধন ঢিলেঢালা হতে হতে এখন শুধু ছিঁড়তে বাকি। ফলে ঠান্ডাযুদ্ধ আর ঠান্ডা নেই। পরিস্থিতিতে উত্তেজনা ছড়ানোর তাগিদ রয়েছে সব পক্ষ থেকেই।
সমস্যায় পড়েছে ছোট দেশগুলো। এই উত্তেজনায় তাদের কারও না কারও পক্ষ নিতে হচ্ছে বা হবে। কাজটা সহজ নয়। আমদানি-রপ্তানি মিলে ওয়াশিংটন-বেজিং উভয়কে দরকার। অথচ ব্যবসা-বাণিজ্যের পিঠে ছুরি বসিয়েই ট্রাম্প এবং জি জিনপিং শুরু করলেন ‘যুদ্ধ’। তথ্য বলছে, ২০১৯-এর শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত বাণিজ্যযুদ্ধে চীনের ক্ষতি প্রায় একশো বিলিয়ন ডলার। প্রতিপক্ষের মতো বিপুল না হলেও আমেরিকার ক্ষতি কিন্তু কম নয়। যুদ্ধের ফল হিসেবে ইতিমধ্যে সেখানে ৩-৪ লক্ষ মানুষ চাকরি খুইয়েছেন। এই বাণিজ্যযুদ্ধের কারণেই আবার মন্দার শঙ্কা তাড়া করছে গোটা দুনিয়াকে। তবে আক্রমণ এক ফ্রন্টেই সীমিত রাখতে চাইছেন না ট্রাম্প। প্রতিপক্ষকে সব উপায়ে কোয়ারেন্টাইন করতে চান তিনি। চীনকে ঘিরে ফেলতে চারদিকে একের পর এক যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়ে দিয়েছেন। ভয়ঙ্কর কিছুর শঙ্কায় দক্ষিণ চীন সাগরে নেমেছে চীনের রণতরির ঝাঁকও। উভয়ের মিসাইলের ব্যবধান ক্রমশ কাছাকাছি। যেকোনও ‘দুর্ঘটনা’ বড় যুদ্ধের আকার নিতে পারে। বিশ্ব যেন মানসিকভাবে সেই যুদ্ধের জন্য খানিকটা প্রস্তুতও!
রণাঙ্গণে ইতিমধ্যে ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপানকেও শামিল করতে পেরেছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রাথমিক ফল হিসেবে দেশে দেশে ব্যবসা হারাচ্ছে চীনের কোম্পানিগুলো। ফাইভ-জি প্রযুক্তির জন্য চীনা মোবাইল ফোন কোম্পানি হুয়াওয়ের বিশ্বজুড়ে দাপট ছিল। রাতারাতি তারা এখন দেশে দেশে অচ্ছুৎ হয়ে যাচ্ছে। যারাই হুয়াওয়েকে প্রকল্প দেবে তাদেরই দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে আমেরিকা থেকে। নিষেধাজ্ঞার কোপে পড়ে শুধু আমেরিকাতেই কোম্পানিটির ক্ষতির পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন ডলার। এর সঙ্গে চীনের বিরুদ্ধে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর অভিযোগ তো আছেই। সঙ্গে হংকংয়ে চীনের দমনপীড়ন এবং তাইওয়ানকে হুমকি দেওয়ার নিয়মিত প্রতিবাদ করে চলেছে ওয়াশিংটন। জিনজিয়াংয়ের উইঘুর মুসলিমদের জন্য সংহতির কথাও প্রচার হচ্ছে হোয়াইট হাউস থেকে। এই সংঘাত একদিকে যেমন বাজার দখলের খেলা, তেমনই সংঘাতটা যে কোনওদিন সামরিক দিকেও মোড় নিতে পারে। সম্প্রতি ফক্স নিউজের এক অনুষ্ঠানে মার্কিন বিদেশসচিব মাইক পম্পেও বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া ও জাপান দক্ষিণ চীন সাগরে আমেরিকার এই ভূমিকাকে স্বাগত জানিয়েছে। ৪০ বছর ধরে আমরা মুখ ঘুরিয়ে রেখেছিলাম এবং চীন আমাদের পদদলিত করার সুযোগ পেয়ে এসেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, আর নয়, এখন থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও পরিপূরক বাণিজ্য সম্পর্ক হতে হবে।’
আমেরিকা ও চীনের বর্তমান দ্বন্দ্ব সোভিয়েত-আমেরিকা সংঘাতের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মস্কো বিশ্বজুড়ে সাম্যবাদের জ্বালানি জোগাচ্ছিল। ওয়াশিংটন চেয়েছিল সেটা রুখতে। সেই ঠান্ডাযুদ্ধের ধরন ছিল আদর্শগত এবং রাজনৈতিক। বাণিজ্যে তার প্রভাব ছিল কম। পণ্য-বাজারে চীনের মতো আগ্রাসী কোনও শক্তি ছিল না রাশিয়ার। উভয়ের উৎপাদন, বিপণনের বাজার ও পরিসর ছিল আলাদা। ফলে ইতিহাসের সেই ঠান্ডাযুদ্ধে বিশ্ববাণিজ্য ছিল নিরাপদ। কিন্তু এবার সবটাই বাজারকেন্দ্রিক।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, ট্রাম্পের আরও চার বছর ক্ষমতায় থাকার আপ্রাণ চেষ্টা। তাঁর দেশ এখন ভাইরাসযুদ্ধে কাহিল। তাতে ঘা খেয়েছে তাঁর ইমেজও। সেই কারণেই চীনবিরোধী ঠান্ডাযুদ্ধ দ্রুত গরম করে তুলতে চাইছেন। আমেরিকার নির্বাচনী প্রচারেও চীনই প্রধান ইস্যু। ট্রাম্পের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিপক্ষ ডেমোক্র্যাট জো বিডেনও বেজিংকে দেখে নেওয়ার ভয় দেখাচ্ছেন। নভেম্বরের নির্বাচনে ট্রাম্প বা বিডেন যিনিই জিতুন, ঠান্ডাযুদ্ধ চলবেই।
মোদ্দা কথা, সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙার পর যাঁরা সংঘাত আর উত্তেজনাময় ‘ইতিহাসের সমাপ্তি’ দেখেছিলেন, ২০২০ সালের বিশ্ব দেখছে সেই দূরদৃষ্টির অবসান। হেনরি কিসিঞ্জার আরও একধাপ এগিয়ে বলেছেন, আমেরিকা এবং চীনের মধ্যে বর্তমানে যে বাণিজ্য যুদ্ধ চলছে তার আশু সমাধান না করতে পারলে আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতের সৃষ্টি হতে পারে, আর তা মোড় নিতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে! রণাঙ্গন প্রস্তুত। শুধু সময়ের অপেক্ষা! 
31st  July, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
চীন ‘মাকড়শা’ হলে ভারত তার ‘শিকার’
পি চিদম্বরম

 দ্য স্পাইডার্স ওয়েব। মানে মাকড়শার জাল। এই সম্পর্কে তথ্য জানতে যদি ইন্টারনেট সার্চ করেন, তবে আপনি জিনিসটাকে পাবেন—‘সিক্স সারপ্রাইজিং ফ্যাক্টস অ্যাবাউট স্পাইডারওয়েবস’ হিসেবে। মানে মাকড়শার জাল সম্পর্কে ছয়টি অবাক করা সত্য।
বিশদ

27th  July, 2020
এক দেশ এক দল
মানুষ মানবে না
হিমাংশু সিংহ

 ভারতের আত্মা বেঁচে রয়েছে বহুত্ববাদে। বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায়। নানা বৈচিত্র ও ভিন্নমুখী ধারার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ঐক্য ও সংহতির মূল মন্ত্র। এক কথায়, বিবিধের মাঝে মিলন মহান। এটাই ভারতের চিরন্তন শক্তি।
বিশদ

26th  July, 2020
করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর
সামাজিক বয়কটের যন্ত্রণা

তন্ময় মল্লিক

একটা সময় সামাজিক বয়কট ছিল বিরোধীকে ঘায়েলের হাতিয়ার। গ্রামের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ ছিল। করোনা আবহে তা ডানা মেলেছে শহুরে শিক্ষিত সমাজেও। কুসংস্কার দূর হয় শিক্ষার আলোয়। কিন্তু শিক্ষিত মানুষের অন্ধকার দূর হবে কোন আলোর ছোঁয়ায়?
বিশদ

25th  July, 2020
 কিছুতেই মমতা হতে
পারবেন না পাইলটরা
সমৃদ্ধ দত্ত

একটি রাজনৈতিক দলে কোনও এক নেতা অথবা কর্মী যোগ্য সম্মান না পেলে তিনি ক্ষুব্ধ হন। চাহিদা এবং মনোবাসনা অনুযায়ী যথাযথ পদ কিংবা দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হচ্ছে না দেখলে, ধীরে ধীরে রাগ এবং হতাশা তৈরি হয়। এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। নতুন কিছুও নয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং পশ্চিমবঙ্গেও সব দলে এরকম বহু নেতা কর্মী আছেন, যাঁদের ঠিক এরকমই মনোভাব অতীতে তৈরি হয়েছে কিংবা এখনও ওই ক্ষোভ রয়েছে দলের বিরুদ্ধে।
বিশদ

24th  July, 2020
আজকের রাজনীতিতে
পণ্ডিত মৈত্রের প্রাসঙ্গিকতা
হারাধন চৌধুরী

দেশ আজ মহামারীর কবলে। প্রথম কর্তব্য রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। যে যুদ্ধে জয়টাই একমাত্র লক্ষ্য। একমাত্র শর্ত। তার জন্য হয়েছে লম্বা লকডাউন। বেশিরভাগ আর্থিক ক্ষেত্র ধসে পড়েছে। কোটি কোটি মানুষ পড়েছে তীব্র সঙ্কটে। সকালে খাবার জুটলে তারা নিশ্চিত নয় রাতে কী খাবে।
বিশদ

23rd  July, 2020
অযোধ্যা নেপালে শুনে
অবাক স্বয়ং শ্রীরামচন্দ্র
সন্দীপন বিশ্বাস

বিষ্ণুলোকের রাজসভায় রামচন্দ্র বসে আছেন। সভায় সেদিন মর্ত্যলোকের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। লক্ষ্মণ, ভরত, শত্রুঘ্ন ছাড়াও সেদিন সভায় উপস্থিত ভৃগু, আঙ্গিরস, কাশ্যপ, বশিষ্ঠ প্রমুখ। ভৃগু বললেন, ‘হে রঘুবীর, মর্ত্যের অধিবাসীগণ বড়ই বাচাল।
বিশদ

22nd  July, 2020
কঠিন সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে,
ব্যক্তি নয় বড় প্রতিষ্ঠান
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সবেমাত্র ভোরের আলোর রেখাটুকু দেখা যাচ্ছে আকাশে। লুটিয়েন’স দিল্লির রাজপথে চলেছে একটি সাইকেল। পিছনের চাকার পাশে ক্যারিয়ারের সঙ্গে বাঁধা ক্যান। দুধওয়ালা... কতই বা বয়স হবে? ১৩ কী ১৪ বছর! গাজিয়াবাদের ছেলে। বাবা মারা যাওয়ার পর চলে এসেছিল দিল্লিতে... কাকার সঙ্গে।
বিশদ

21st  July, 2020
ডেপসাং অথবা ডোকলামের পথে
পি চিদম্বরম

 রহস্যের জট খুলে যাচ্ছে। গত সপ্তাহে লিখেছিলাম যে, 'অর্থনীতির দ্রুত পতনের কারণে ভারত যে দুর্বল হয়ে পড়েছে মিস্টার জি মনে হয় সেটা নিখুঁতভাবে ধরতে পেরেছিলেন—২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর মহাবলীপুরমে। অন্যদিকে, বোধহয় মিস্টার জি-র মতলবটা মোদিজি ঘুণাক্ষরেও টের পাননি।'
বিশদ

20th  July, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের সংশোধনাগারগুলিতে যা জায়গা রয়েছে, তার তুলনায় বন্দির সংখ্যা ২৩ শতাংশ বেশি। দু’হাজারেরও বেশি বিচারাধীন বন্দিকে আগাম জামিন ও আসামিদের প্যারোলে ছাড়ার পরেও এই অবস্থা।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নতুন পলিসির ক্ষেত্রে প্রথম বছরের প্রিমিয়াম বাবদ প্রায় ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকার ব্যবসা করল লাইফ ইনসিওরেন্স কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া।   ...

সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: শুক্রবার বাগডোগরা থানার রানিডাঙা এসএসবি ক্যাম্পের মুখোমুখি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এটিএম কাউন্টারে সিসি ক্যামেরা, এসির বৈদ্যুতিক কেবল ছেঁড়া এবং রিসিভ স্লিপ তছনছ অবস্থায় থাকায় লুটের আতঙ্ক ছড়ায়। যদিও পুলিসের দাবি, সেখানে লুটপাটের কোনও ঘটনা ঘটেনি।   ...

ওয়াশিংটন: ক্ষমতা দেখাতে পুরো বিশ্বকে নিজেদের নাগালের মধ্যে আনতে উঠেপড়ে লেগেছে চীন। এবার তাদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জবাব দেওয়ার সময় এসেছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসে এই ভাষাতেই চীনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠলেন মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিতর্ক-বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম-পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থোপার্জনের সুযোগ।প্রতিকার: অন্ধ ব্যক্তিকে সাদা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৪- অক্সিজেনের আবিষ্কার করেন যোশেফ প্রিস্টলি
১৮৪৬ - বাংলার নবজাগরণের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব দ্বারকানাথ ঠাকুরের মৃত্যু
১৯২০ – স্বাধীনতা সংগ্রামী বালগঙ্গাধর তিলকের মৃত্যু
১৯২০- অসহযোগ আন্দোলন শুরু করলেন মহাত্মা গান্ধী
১৯২৪ -ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার ফ্রাঙ্ক ওরেলের জন্ম
১৯৩২- অভিনেত্রী মীনাকুমারীর জন্ম
১৯৫৬- ক্রিকেটার অরুণলালের জন্ম।
১৯৯৯- সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৫৩ টাকা ৯৯.৯০ টাকা
ইউরো ৮৭.৪০ টাকা ৯০.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী ৪১/৪৮ রাত্রি ৯/৫৫। মূলানক্ষত্র ৪/২ দিবা ৬/৪৮। সূর্যোদয় ৫/১১/৪৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৫ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫০ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৬ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫০ গতে উদয়াবধি। 
১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী রাত্রি ৯/৪৮। মূলানক্ষত্র দিবা ৭/৫৩। সূর্যোদয় ৫/১১, সূর্যাস্ত ৬/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩০ গতে ১/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৯ গতে ১০/৩৮ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে ও ২/১৩ গতে ৩/৩৯ ম঩ধ্যে। কালবেলা ৬/৪৯ মধ্যে ও ১/২২গতে ৩/০ মধ্যে ও ৪/৩৯ গতে ৬/১৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৯ মধ্যে ও ৩/৪৯ গতে ৫/১১ মধ্যে।  
১০ জেলহজ্জ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: রাজ্যে আক্রান্ত আরও ২৫৮৯ জন  
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫৮৯ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

08:42:26 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ৯,৬০১ জন, মৃত ৩২২ 

08:41:24 PM

কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পজিটিভ ৫,১৭২ জন, মৃত ৯৮ 

07:56:50 PM

করোনা: কেরলে নতুন করে আক্রান্ত আরও ১১২৯, মোট আক্রান্ত ১০৮৬২ 

07:50:00 PM

করোনা: গত ২৪ ঘণ্টায় তামিলনাড়ুতে আক্রান্ত ৫৮৭৯, মৃত্যু ৯৯ জনের 

06:43:13 PM

হায়দরাবাদে ব্যাপক বৃষ্টি জলমগ্ন একাধিক এলাকা 

06:35:00 PM