Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা। এজন্য বিধানবাবুর কোনও দোষ নেই। মন্দ কপাল প্রফুল্লবাবুর। নামটা তিনি ইতিহাসে লেখালেন বটে মানুষের মনে লেখাতে ব্যর্থ হলেন। সত্যি কথা বলতে কী, জ্যোতি বসুর শাসন শুরু হওয়ার আগে অবধি বাংলার মানুষ বিধান রায় ছাড়া আর কাউকেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব দেননি।
প্রফুল্ল ঘোষের অভিষেক কীভাবে হয়েছিল তার বিস্তারিত খবর পাইনি। অথচ একাধিকবার স্বল্প সময়ের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছেন তিনি। স্বল্প মেয়াদে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছেন অজয় মুখোপাধ্যায়ও। এই নির্বাচিত দু’জনকে ওই গুরুত্বপূর্ণ পদে যেভাবে পাওয়া গিয়েছে সেটাকে ‘পলিটিক্যাল স্টপগ্যাপ’ বললে ভুল হবে না। পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস শাসনের অবসান ঘটানোর নায়ক যে অজয়বাবু—সেই ইতিহাসও খুব বেশি মানুষের মনে নেই। এই বিরাট কৃতিত্বটা জ্যোতিবাবুকেই দিয়ে থাকেন দেখেছি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অনেক সিরিয়াস ছাত্রও! প্রায় পাঁচ বছর মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন প্রফুল্লচন্দ্র সেন। এই তিন মুখ্যমন্ত্রীর তিনটি জিনিস হয়তো মনে রেখেছে মানুষ: প্রফুল্ল ঘোষকে কংগ্রেস নেতৃত্ব বার বার ক্ষুদ্রস্বার্থে ব্যবহার করেছিলেন। অজয়বাবুর সঙ্গে জ্যোতিবাবুদের ঝগড়াঝাঁটি। আর খাঁটি গান্ধীভক্ত প্রফুল্ল সেন মুখ্যমন্ত্রী হয়েও কত অনাদরে বিদায় নিয়েছিলেন। টানা ১৪ বছর মুখ্যমন্ত্রিত্ব সামলেছেন বিধানবাবু। তিনি দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী। অকমিউনিস্ট বাঙালি তাঁকেই ‘বাংলার রূপকার’ মেনেছেন। সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় বাহাত্তর-সাতাত্তরের বিতর্কিত নায়ক। মুখ্যমন্ত্রী পদে শেষোক্ত চারজনকেও কীভাবে বাংলার মানুষ বরণ করেছিলেন তারও বিস্তারিত জানার সুযোগ হয়নি।
স্বাধীনতা-পরবর্তী পশ্চিমবাংলার ইতিহাসের সবচেয়ে কালো অধ্যায়টা নিঃসন্দেহে সিদ্ধার্থবাবুর অবদান। ওই দম বন্ধ করা পরিবেশ থেকে যে-কোনও প্রকারে মুক্তিলাভের জন্য মানুষ মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। প্রার্থনা সত্যি হয়েছিল সাত্তারে। ২১ জুন শপথ নিল জ্যোতি বসুর প্রথম বামফ্রন্ট সরকার। রাজভবন প্রাঙ্গণে মস্ত শামিয়ানা টাঙানো হল। তার নীচে দু’-চারশোর বেশি মানুষ বসা সম্ভব নয়। অগুনতি মানুষের বাঁধভাঙা ভিড় জমে উঠল বাইরে। ওই চত্বরে অন্য সময় ১৪৪ ধারা জারি থাকে। সেদিন উধাও হয়ে গেল! রাজভবন থেকে রাইটার্স—মানুষের বন্যায় একাকার! আনন্দিত, উচ্ছ্বসিত মানুষ জ্যোতিবাবুর গাড়ি যাকে বলে ছেঁকে ধরল। রাজভবন থেকে রাইটার্স যাওয়ার পথে সদ্য শপথ নেওয়া মন্ত্রী থেকে শীর্ষস্থানীয় একাধিক বামনেতা ভিড়ের মধ্যে কার্যত হারিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেন। জ্যোতি বসু কোনওরকমে রাইটার্সে পৌঁছে দেখলেন মুক্তির আনন্দ কত বড় হতে পারে! রাইটার্সের ভিতরেও নিজ নিজ প্রবেশাধিকার অবাধ করে নিয়েছেন মানুষ! আবেগবিহ্বল জনতার উদ্দেশে হাত নাড়লেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। দোতলার বারান্দা থেকে সংক্ষিপ্ত ভাষণে বললেন, ‘আমরা নির্বাচিত সরকার। জনতার অনুশাসন অনুসারে এই সরকার চলবে। রাইটার্স বিল্ডিংসে বসে নয়, জনতার সঙ্গে মিশে গিয়ে, জনতার নির্দেশে, জনতার প্রেরণায় এই সরকারের প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিরূপিত হবে।’
২৩ বছর ক্ষমতায় থেকেও কথা রাখতে পারেননি জ্যোতি বসু। অথচ তাঁর পক্ষে পারা উচিত শুধু নয়, সম্ভবও ছিল। বামেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পরবর্তী ১১ বছরেও রক্ষিত হয়নি। ইতিহাসের ‘ট্রাজিক নায়ক’ হয়ে রইলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তাঁর নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ধরাশায়ী করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাহলে দেখতে পাচ্ছি, ঐতিহাসিক চরিত্র জ্যোতিবাবুও জনগণমন অধিনায়ক হয়ে উঠতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। তাঁকে কেন্দ্র করে বিরাট প্রত্যাশা জেগেও উবে গিয়েছিল বুদবুদের দ্রুততায়। মানুষের কাছে তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্বের অধ্যায়টা ‘রেকর্ড’ হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছিল, যতক্ষণ না পবন চামলিং তা ভেঙে দিলেন। বাংলার মানুষ এবার তাঁকে গণতন্ত্রের স্বপ্নভঙ্গকারী হিসেবে মনে রাখবেন কি? ভবিষ্যৎই বলবে।
২০১১ সালের ২০ মে শপথ নেয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। প্রথম বামফ্রন্ট সরকার প্রতিষ্ঠার দিনের স্মৃতি ভেসে উঠেছিল প্রবীণদের মনে। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে রাজনীতিক, মন্ত্রী, আমলা, শিল্পপতিদের সঙ্গে জায়গা পেয়েছিলেন শহিদ পরিবারের সদস্যরা এবং অনেক পিছিয়ে-পড়া নারীপুরুষও। রাজভবন থেকে রাইটার্স—জনজোয়ারে অভিন্ন এক সত্তা হয়ে উঠেছিল। শপথ নেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী রাইটার্সে পৌঁছেছিলেন জনতার সঙ্গে পা মিলিয়ে। দোতলার বারান্দা থেকে ভাষণ দিয়েছিলেন। ভিড় অটুট ছিল রাত পর্যন্ত। শুধু এক ‘দিদি’র সৌজন্যে রাইটার্স নতুন এক ‘তীর্থস্থান’-এ রূপান্তরিত। রোজ শ’য়ে শ’য়ে মানুষ বৃহত্তম লালবাড়ির সামনে ভিড় জমাত। শুধু একটিবার চর্মচক্ষে ‘দিদি’কে দেখা ছাড়া প্রত্যাশা নেই। অল্প কিছু মানুষ অবশ্য ব্যক্তিগত দাবি-দাওয়া নিয়েও যেতেন। মানুষের ভালোবাসার অত্যাচার চলেছিল মাসখানেক। পুলিস একটু কড়া না-হলে আরও কতদিন চলত কে জানে!
২০১৩-র ৫ অক্টোবর। রাইটার্সের পরিবর্তে প্রধান প্রশাসনিক অফিস হয়ে উঠল ‘নবান্ন’। ‘রাইটার্স দখল’ কথাটা বন্ধ হল। মে, ২০১৬। দ্বিতীয় সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রেড রোডে শপথ নেন মমতা। সেটাই ছিল পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে বৃহত্তম শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। বিশ হাজারের বেশি মানুষ সামনে থেকে দেখেছিলেন সেই অভূতপূর্ব নক্ষত্র সমাবেশ। দ্বিতীয় সরকার নবান্ন থেকেই পরিচালিত হচ্ছে।
পরবর্তী ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। জয়ী দলের সরকার আশা করা যায় নবান্নেই যাবে, চলমান প্রথা মেনে। কিন্তু এবার নবান্ন কাদের দখলে যাবে? এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষত গত লোকসভার ভোটের রেজাল্টের নিরিখে বিজেপি তার ভক্তদের ভিতরে একটা অন্য আশা জাগিয়ে দিয়েছিল। তারপর কয়েকটি বিতর্কিত পদক্ষেপে ভোটবিভাজনের রাজনীতিতে শান দেন মোদি-শাহ নেতৃত্ব। বোঝা যায়, বাংলা দখলের আশাকে উজ্জ্বল করে তুলতে কতটা মরিয়া তাঁরা। বাংলায় একটা কথা আছে, বাঙালির ছেলে কলকাতায় পাত্তা না-পেলে কুলীন হয় না। ভারতের রাজনীতিতে কুলীন হতে বাংলার শাসনক্ষমতা হাতে পাওয়া জরুরি। খেয়াল করে দেখুন, বাঙালির মন থেকে দূরে সরে যাওয়ার পর কংগ্রেস ক্রমে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গিয়েছে সারা দেশে। দিল্লিতে জ্যোতিবাবুদের অপরিমেয় প্রতিপত্তি ছিল—সে মূলত রাইটার্সের অধীশ্বর পরিচয়েই না? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে ঘাড়ধাক্কা খাওয়ার পর থেকে মার্কসবাদীবাবুদের কী হাড়ির হালটাই না হয়েছে!
ফের আসি বিজেপির কথায়। মোদি-শাহ জুটি দিলীপবাবুদের (ঘোষ) হাতে কয়েকটা ললিপপ তুলে দিতে চাইলেন বটে, কিন্তু বিধি বাম! করোনা পরিস্থিতিতে ইস্যুগুলো কেমন যেন ঠান্ডা মেরে গেল! বরং বড় হয়ে উঠেছে মানুষের বাঁচার লড়াইটা। সেখানে স্পষ্ট করেই পিছিয়ে বাংলার বিজেপি নেতৃত্ব। কারণ পাশ মার্ক পেতেও মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে যে। সে বড় ঝক্কির ব্যাপার। বিকল্পও ছিল: মোদি সরকারকে বিপন্ন বাংলার পাশে দাঁড়াতে রাজি করানো। মানুষ দেখল দিলীপবাবুরা তাতেও ডাহা ফেল। করোনার তীব্রতার ভিতরে উম-পুনের আঘাত নেমে এল ২০ মে। দু’দিন পর প্রধানমন্ত্রী এসে প্রায় কেঁদে ফেললেন! বাংলার মানুষ ভাবল, যাক দিল্লিওয়ালাদের ট্রাডিশন ভাঙল তবে। প্রায় আড়াই মাস বাদে এসে বেশ মালুম হচ্ছে বাংলাকে বঞ্চনার প্রশ্নে—যাহাই কংগ্রেস, তাহাই বিজেপি!
বাংলার মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সবচেয়ে বড় ও বেশি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তাঁকে কুর্নিশ যে মোদি সরকারের কাছে দরবার করে ক্লান্ত হওয়ার চেনা রাস্তায় তিনি হাঁটেন না। আগে রাগে দুঃখে মেজাজ হারাতেন। এখন নিজেকে ভীষণ সংযত করেছেন। মানুষের পাশে দাঁড়াতে নিজের সীমিত ক্ষমতাতেই আস্থা রেখেছেন। কী দেখছি আমরা? পরিযায়ী শ্রমিকদের ফিরিয়ে এনেছেন। তাঁদের একটা বড় অংশকে কাজ দিয়েছেন—একশো দিনের কাজের প্রকল্পকে হাতিয়ার করে। রেশন ব্যবস্থাকে সাথী করে রুখে দিয়েছেন গরিবের অনাহারের কষ্ট। যথাসাধ্য সাহায্য দিচ্ছেন উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের। কৃষিক্ষেত্র চাঙ্গা। রাজ্যের কাঁধে বিপুল ঋণের বোঝা আর হাতে কেন্দ্রের কাছে ন্যায্য প্রাপ্যের লম্বা তালিকা। তা সত্ত্বেও বেকারত্বের হার জাতীয় গড়ের থেকে কম—অনেক বড় রাজ্য, বিশেষত বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোর থেকেও কম। সব মিলিয়ে আর্থ-সামাজিক প্রশ্নে এগিয়ে রয়েছে বাংলা। ‘এগিয়ে বাংলা’ নিছক এক রাজনৈতিক স্লোগানে গণ্ডিবদ্ধ নয়। এর জন্য মোদি সরকার বা বিজেপি আলাদাভাবে কোনও কৃতিত্ব দাবি করতে পারবে না। অথচ, ভক্তদের মনে দাগ কাটার অভূতপূর্ব সুযোগ এসেছিল এবার। হেলায় হারাল তারা। এই বিজেপিকে দেখে রাজীব গান্ধীর ‘এই হতাশা ভাঙতে চাই, নতুন বাংলা গড়তে চাই’ স্লোগানের অসারতা মনে পড়ে যাচ্ছে। কানে বাজছে গনিখান চৌধুরীর হুঙ্কার—‘বামফ্রন্ট সরকারকে বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করে ছাড়ব’—যা বাংলার রাজনীতির ইতিহাসের অন্যতম সেরা কৌতুক হয়ে রয়েছে।
এমন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে এর চেয়ে স্বস্তিদায়ক বিরোধী রাজনীতি আর কী হতে পারে? তিনি হয়তো দেখতে পাচ্ছেন—একুশের ভোটগণনার পর বিজেপি নেতৃত্ব ‘পরের বার দেখে নেব’ বলে সান্ত্বনা খুঁজছেন। 
30th  July, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
চীন ‘মাকড়শা’ হলে ভারত তার ‘শিকার’
পি চিদম্বরম

 দ্য স্পাইডার্স ওয়েব। মানে মাকড়শার জাল। এই সম্পর্কে তথ্য জানতে যদি ইন্টারনেট সার্চ করেন, তবে আপনি জিনিসটাকে পাবেন—‘সিক্স সারপ্রাইজিং ফ্যাক্টস অ্যাবাউট স্পাইডারওয়েবস’ হিসেবে। মানে মাকড়শার জাল সম্পর্কে ছয়টি অবাক করা সত্য।
বিশদ

27th  July, 2020
এক দেশ এক দল
মানুষ মানবে না
হিমাংশু সিংহ

 ভারতের আত্মা বেঁচে রয়েছে বহুত্ববাদে। বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায়। নানা বৈচিত্র ও ভিন্নমুখী ধারার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ঐক্য ও সংহতির মূল মন্ত্র। এক কথায়, বিবিধের মাঝে মিলন মহান। এটাই ভারতের চিরন্তন শক্তি।
বিশদ

26th  July, 2020
করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর
সামাজিক বয়কটের যন্ত্রণা

তন্ময় মল্লিক

একটা সময় সামাজিক বয়কট ছিল বিরোধীকে ঘায়েলের হাতিয়ার। গ্রামের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ ছিল। করোনা আবহে তা ডানা মেলেছে শহুরে শিক্ষিত সমাজেও। কুসংস্কার দূর হয় শিক্ষার আলোয়। কিন্তু শিক্ষিত মানুষের অন্ধকার দূর হবে কোন আলোর ছোঁয়ায়?
বিশদ

25th  July, 2020
 কিছুতেই মমতা হতে
পারবেন না পাইলটরা
সমৃদ্ধ দত্ত

একটি রাজনৈতিক দলে কোনও এক নেতা অথবা কর্মী যোগ্য সম্মান না পেলে তিনি ক্ষুব্ধ হন। চাহিদা এবং মনোবাসনা অনুযায়ী যথাযথ পদ কিংবা দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হচ্ছে না দেখলে, ধীরে ধীরে রাগ এবং হতাশা তৈরি হয়। এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। নতুন কিছুও নয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং পশ্চিমবঙ্গেও সব দলে এরকম বহু নেতা কর্মী আছেন, যাঁদের ঠিক এরকমই মনোভাব অতীতে তৈরি হয়েছে কিংবা এখনও ওই ক্ষোভ রয়েছে দলের বিরুদ্ধে।
বিশদ

24th  July, 2020
আজকের রাজনীতিতে
পণ্ডিত মৈত্রের প্রাসঙ্গিকতা
হারাধন চৌধুরী

দেশ আজ মহামারীর কবলে। প্রথম কর্তব্য রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। যে যুদ্ধে জয়টাই একমাত্র লক্ষ্য। একমাত্র শর্ত। তার জন্য হয়েছে লম্বা লকডাউন। বেশিরভাগ আর্থিক ক্ষেত্র ধসে পড়েছে। কোটি কোটি মানুষ পড়েছে তীব্র সঙ্কটে। সকালে খাবার জুটলে তারা নিশ্চিত নয় রাতে কী খাবে।
বিশদ

23rd  July, 2020
অযোধ্যা নেপালে শুনে
অবাক স্বয়ং শ্রীরামচন্দ্র
সন্দীপন বিশ্বাস

বিষ্ণুলোকের রাজসভায় রামচন্দ্র বসে আছেন। সভায় সেদিন মর্ত্যলোকের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। লক্ষ্মণ, ভরত, শত্রুঘ্ন ছাড়াও সেদিন সভায় উপস্থিত ভৃগু, আঙ্গিরস, কাশ্যপ, বশিষ্ঠ প্রমুখ। ভৃগু বললেন, ‘হে রঘুবীর, মর্ত্যের অধিবাসীগণ বড়ই বাচাল।
বিশদ

22nd  July, 2020
কঠিন সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে,
ব্যক্তি নয় বড় প্রতিষ্ঠান
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সবেমাত্র ভোরের আলোর রেখাটুকু দেখা যাচ্ছে আকাশে। লুটিয়েন’স দিল্লির রাজপথে চলেছে একটি সাইকেল। পিছনের চাকার পাশে ক্যারিয়ারের সঙ্গে বাঁধা ক্যান। দুধওয়ালা... কতই বা বয়স হবে? ১৩ কী ১৪ বছর! গাজিয়াবাদের ছেলে। বাবা মারা যাওয়ার পর চলে এসেছিল দিল্লিতে... কাকার সঙ্গে।
বিশদ

21st  July, 2020
ডেপসাং অথবা ডোকলামের পথে
পি চিদম্বরম

 রহস্যের জট খুলে যাচ্ছে। গত সপ্তাহে লিখেছিলাম যে, 'অর্থনীতির দ্রুত পতনের কারণে ভারত যে দুর্বল হয়ে পড়েছে মিস্টার জি মনে হয় সেটা নিখুঁতভাবে ধরতে পেরেছিলেন—২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর মহাবলীপুরমে। অন্যদিকে, বোধহয় মিস্টার জি-র মতলবটা মোদিজি ঘুণাক্ষরেও টের পাননি।'
বিশদ

20th  July, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের সংশোধনাগারগুলিতে যা জায়গা রয়েছে, তার তুলনায় বন্দির সংখ্যা ২৩ শতাংশ বেশি। দু’হাজারেরও বেশি বিচারাধীন বন্দিকে আগাম জামিন ও আসামিদের প্যারোলে ছাড়ার পরেও এই অবস্থা।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নতুন পলিসির ক্ষেত্রে প্রথম বছরের প্রিমিয়াম বাবদ প্রায় ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকার ব্যবসা করল লাইফ ইনসিওরেন্স কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া।   ...

সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: শুক্রবার বাগডোগরা থানার রানিডাঙা এসএসবি ক্যাম্পের মুখোমুখি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এটিএম কাউন্টারে সিসি ক্যামেরা, এসির বৈদ্যুতিক কেবল ছেঁড়া এবং রিসিভ স্লিপ তছনছ অবস্থায় থাকায় লুটের আতঙ্ক ছড়ায়। যদিও পুলিসের দাবি, সেখানে লুটপাটের কোনও ঘটনা ঘটেনি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: করোনা পরিস্থিতিতে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা কবে, তা নিয়ে শুক্রবারও সুপ্রিম কোর্টে ফয়সালা হল না। আগামী ১০ আগস্ট ফের শুনানি হবে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিতর্ক-বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম-পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থোপার্জনের সুযোগ।প্রতিকার: অন্ধ ব্যক্তিকে সাদা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৪- অক্সিজেনের আবিষ্কার করেন যোশেফ প্রিস্টলি
১৮৪৬ - বাংলার নবজাগরণের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব দ্বারকানাথ ঠাকুরের মৃত্যু
১৯২০ – স্বাধীনতা সংগ্রামী বালগঙ্গাধর তিলকের মৃত্যু
১৯২০- অসহযোগ আন্দোলন শুরু করলেন মহাত্মা গান্ধী
১৯২৪ -ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার ফ্রাঙ্ক ওরেলের জন্ম
১৯৩২- অভিনেত্রী মীনাকুমারীর জন্ম
১৯৫৬- ক্রিকেটার অরুণলালের জন্ম।
১৯৯৯- সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৫৩ টাকা ৯৯.৯০ টাকা
ইউরো ৮৭.৪০ টাকা ৯০.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী ৪১/৪৮ রাত্রি ৯/৫৫। মূলানক্ষত্র ৪/২ দিবা ৬/৪৮। সূর্যোদয় ৫/১১/৪৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৫ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫০ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৬ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫০ গতে উদয়াবধি। 
১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী রাত্রি ৯/৪৮। মূলানক্ষত্র দিবা ৭/৫৩। সূর্যোদয় ৫/১১, সূর্যাস্ত ৬/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩০ গতে ১/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৯ গতে ১০/৩৮ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে ও ২/১৩ গতে ৩/৩৯ ম঩ধ্যে। কালবেলা ৬/৪৯ মধ্যে ও ১/২২গতে ৩/০ মধ্যে ও ৪/৩৯ গতে ৬/১৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৯ মধ্যে ও ৩/৪৯ গতে ৫/১১ মধ্যে।  
১০ জেলহজ্জ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজকের রাশিফল  
মেষ: নানা উপায়ে অর্থোপার্জনের সুযোগ। বৃষ: কর্মক্ষেত্রে উচ্চাশাপূরণ। মিথুন: গুরুজনের স্বাস্থ্যোন্নতি। ...বিশদ

07:11:04 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৭৭৪- অক্সিজেনের আবিষ্কার করেন যোশেফ প্রিস্টলি১৮৪৬ - বাংলার নবজাগরণের উল্লেখযোগ্য ...বিশদ

07:03:20 PM

করোনা: রাজ্যে আক্রান্ত আরও ২৫৮৯ জন  
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫৮৯ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

08:42:26 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ৯,৬০১ জন, মৃত ৩২২ 

08:41:24 PM

কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পজিটিভ ৫,১৭২ জন, মৃত ৯৮ 

07:56:50 PM

করোনা: কেরলে নতুন করে আক্রান্ত আরও ১১২৯, মোট আক্রান্ত ১০৮৬২ 

07:50:00 PM