Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা। এজন্য বিধানবাবুর কোনও দোষ নেই। মন্দ কপাল প্রফুল্লবাবুর। নামটা তিনি ইতিহাসে লেখালেন বটে মানুষের মনে লেখাতে ব্যর্থ হলেন। সত্যি কথা বলতে কী, জ্যোতি বসুর শাসন শুরু হওয়ার আগে অবধি বাংলার মানুষ বিধান রায় ছাড়া আর কাউকেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব দেননি।
প্রফুল্ল ঘোষের অভিষেক কীভাবে হয়েছিল তার বিস্তারিত খবর পাইনি। অথচ একাধিকবার স্বল্প সময়ের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছেন তিনি। স্বল্প মেয়াদে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছেন অজয় মুখোপাধ্যায়ও। এই নির্বাচিত দু’জনকে ওই গুরুত্বপূর্ণ পদে যেভাবে পাওয়া গিয়েছে সেটাকে ‘পলিটিক্যাল স্টপগ্যাপ’ বললে ভুল হবে না। পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস শাসনের অবসান ঘটানোর নায়ক যে অজয়বাবু—সেই ইতিহাসও খুব বেশি মানুষের মনে নেই। এই বিরাট কৃতিত্বটা জ্যোতিবাবুকেই দিয়ে থাকেন দেখেছি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অনেক সিরিয়াস ছাত্রও! প্রায় পাঁচ বছর মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন প্রফুল্লচন্দ্র সেন। এই তিন মুখ্যমন্ত্রীর তিনটি জিনিস হয়তো মনে রেখেছে মানুষ: প্রফুল্ল ঘোষকে কংগ্রেস নেতৃত্ব বার বার ক্ষুদ্রস্বার্থে ব্যবহার করেছিলেন। অজয়বাবুর সঙ্গে জ্যোতিবাবুদের ঝগড়াঝাঁটি। আর খাঁটি গান্ধীভক্ত প্রফুল্ল সেন মুখ্যমন্ত্রী হয়েও কত অনাদরে বিদায় নিয়েছিলেন। টানা ১৪ বছর মুখ্যমন্ত্রিত্ব সামলেছেন বিধানবাবু। তিনি দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী। অকমিউনিস্ট বাঙালি তাঁকেই ‘বাংলার রূপকার’ মেনেছেন। সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় বাহাত্তর-সাতাত্তরের বিতর্কিত নায়ক। মুখ্যমন্ত্রী পদে শেষোক্ত চারজনকেও কীভাবে বাংলার মানুষ বরণ করেছিলেন তারও বিস্তারিত জানার সুযোগ হয়নি।
স্বাধীনতা-পরবর্তী পশ্চিমবাংলার ইতিহাসের সবচেয়ে কালো অধ্যায়টা নিঃসন্দেহে সিদ্ধার্থবাবুর অবদান। ওই দম বন্ধ করা পরিবেশ থেকে যে-কোনও প্রকারে মুক্তিলাভের জন্য মানুষ মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। প্রার্থনা সত্যি হয়েছিল সাত্তারে। ২১ জুন শপথ নিল জ্যোতি বসুর প্রথম বামফ্রন্ট সরকার। রাজভবন প্রাঙ্গণে মস্ত শামিয়ানা টাঙানো হল। তার নীচে দু’-চারশোর বেশি মানুষ বসা সম্ভব নয়। অগুনতি মানুষের বাঁধভাঙা ভিড় জমে উঠল বাইরে। ওই চত্বরে অন্য সময় ১৪৪ ধারা জারি থাকে। সেদিন উধাও হয়ে গেল! রাজভবন থেকে রাইটার্স—মানুষের বন্যায় একাকার! আনন্দিত, উচ্ছ্বসিত মানুষ জ্যোতিবাবুর গাড়ি যাকে বলে ছেঁকে ধরল। রাজভবন থেকে রাইটার্স যাওয়ার পথে সদ্য শপথ নেওয়া মন্ত্রী থেকে শীর্ষস্থানীয় একাধিক বামনেতা ভিড়ের মধ্যে কার্যত হারিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেন। জ্যোতি বসু কোনওরকমে রাইটার্সে পৌঁছে দেখলেন মুক্তির আনন্দ কত বড় হতে পারে! রাইটার্সের ভিতরেও নিজ নিজ প্রবেশাধিকার অবাধ করে নিয়েছেন মানুষ! আবেগবিহ্বল জনতার উদ্দেশে হাত নাড়লেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। দোতলার বারান্দা থেকে সংক্ষিপ্ত ভাষণে বললেন, ‘আমরা নির্বাচিত সরকার। জনতার অনুশাসন অনুসারে এই সরকার চলবে। রাইটার্স বিল্ডিংসে বসে নয়, জনতার সঙ্গে মিশে গিয়ে, জনতার নির্দেশে, জনতার প্রেরণায় এই সরকারের প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিরূপিত হবে।’
২৩ বছর ক্ষমতায় থেকেও কথা রাখতে পারেননি জ্যোতি বসু। অথচ তাঁর পক্ষে পারা উচিত শুধু নয়, সম্ভবও ছিল। বামেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পরবর্তী ১১ বছরেও রক্ষিত হয়নি। ইতিহাসের ‘ট্রাজিক নায়ক’ হয়ে রইলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তাঁর নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ধরাশায়ী করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাহলে দেখতে পাচ্ছি, ঐতিহাসিক চরিত্র জ্যোতিবাবুও জনগণমন অধিনায়ক হয়ে উঠতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। তাঁকে কেন্দ্র করে বিরাট প্রত্যাশা জেগেও উবে গিয়েছিল বুদবুদের দ্রুততায়। মানুষের কাছে তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্বের অধ্যায়টা ‘রেকর্ড’ হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছিল, যতক্ষণ না পবন চামলিং তা ভেঙে দিলেন। বাংলার মানুষ এবার তাঁকে গণতন্ত্রের স্বপ্নভঙ্গকারী হিসেবে মনে রাখবেন কি? ভবিষ্যৎই বলবে।
২০১১ সালের ২০ মে শপথ নেয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। প্রথম বামফ্রন্ট সরকার প্রতিষ্ঠার দিনের স্মৃতি ভেসে উঠেছিল প্রবীণদের মনে। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে রাজনীতিক, মন্ত্রী, আমলা, শিল্পপতিদের সঙ্গে জায়গা পেয়েছিলেন শহিদ পরিবারের সদস্যরা এবং অনেক পিছিয়ে-পড়া নারীপুরুষও। রাজভবন থেকে রাইটার্স—জনজোয়ারে অভিন্ন এক সত্তা হয়ে উঠেছিল। শপথ নেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী রাইটার্সে পৌঁছেছিলেন জনতার সঙ্গে পা মিলিয়ে। দোতলার বারান্দা থেকে ভাষণ দিয়েছিলেন। ভিড় অটুট ছিল রাত পর্যন্ত। শুধু এক ‘দিদি’র সৌজন্যে রাইটার্স নতুন এক ‘তীর্থস্থান’-এ রূপান্তরিত। রোজ শ’য়ে শ’য়ে মানুষ বৃহত্তম লালবাড়ির সামনে ভিড় জমাত। শুধু একটিবার চর্মচক্ষে ‘দিদি’কে দেখা ছাড়া প্রত্যাশা নেই। অল্প কিছু মানুষ অবশ্য ব্যক্তিগত দাবি-দাওয়া নিয়েও যেতেন। মানুষের ভালোবাসার অত্যাচার চলেছিল মাসখানেক। পুলিস একটু কড়া না-হলে আরও কতদিন চলত কে জানে!
২০১৩-র ৫ অক্টোবর। রাইটার্সের পরিবর্তে প্রধান প্রশাসনিক অফিস হয়ে উঠল ‘নবান্ন’। ‘রাইটার্স দখল’ কথাটা বন্ধ হল। মে, ২০১৬। দ্বিতীয় সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রেড রোডে শপথ নেন মমতা। সেটাই ছিল পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে বৃহত্তম শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। বিশ হাজারের বেশি মানুষ সামনে থেকে দেখেছিলেন সেই অভূতপূর্ব নক্ষত্র সমাবেশ। দ্বিতীয় সরকার নবান্ন থেকেই পরিচালিত হচ্ছে।
পরবর্তী ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। জয়ী দলের সরকার আশা করা যায় নবান্নেই যাবে, চলমান প্রথা মেনে। কিন্তু এবার নবান্ন কাদের দখলে যাবে? এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষত গত লোকসভার ভোটের রেজাল্টের নিরিখে বিজেপি তার ভক্তদের ভিতরে একটা অন্য আশা জাগিয়ে দিয়েছিল। তারপর কয়েকটি বিতর্কিত পদক্ষেপে ভোটবিভাজনের রাজনীতিতে শান দেন মোদি-শাহ নেতৃত্ব। বোঝা যায়, বাংলা দখলের আশাকে উজ্জ্বল করে তুলতে কতটা মরিয়া তাঁরা। বাংলায় একটা কথা আছে, বাঙালির ছেলে কলকাতায় পাত্তা না-পেলে কুলীন হয় না। ভারতের রাজনীতিতে কুলীন হতে বাংলার শাসনক্ষমতা হাতে পাওয়া জরুরি। খেয়াল করে দেখুন, বাঙালির মন থেকে দূরে সরে যাওয়ার পর কংগ্রেস ক্রমে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গিয়েছে সারা দেশে। দিল্লিতে জ্যোতিবাবুদের অপরিমেয় প্রতিপত্তি ছিল—সে মূলত রাইটার্সের অধীশ্বর পরিচয়েই না? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে ঘাড়ধাক্কা খাওয়ার পর থেকে মার্কসবাদীবাবুদের কী হাড়ির হালটাই না হয়েছে!
ফের আসি বিজেপির কথায়। মোদি-শাহ জুটি দিলীপবাবুদের (ঘোষ) হাতে কয়েকটা ললিপপ তুলে দিতে চাইলেন বটে, কিন্তু বিধি বাম! করোনা পরিস্থিতিতে ইস্যুগুলো কেমন যেন ঠান্ডা মেরে গেল! বরং বড় হয়ে উঠেছে মানুষের বাঁচার লড়াইটা। সেখানে স্পষ্ট করেই পিছিয়ে বাংলার বিজেপি নেতৃত্ব। কারণ পাশ মার্ক পেতেও মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে যে। সে বড় ঝক্কির ব্যাপার। বিকল্পও ছিল: মোদি সরকারকে বিপন্ন বাংলার পাশে দাঁড়াতে রাজি করানো। মানুষ দেখল দিলীপবাবুরা তাতেও ডাহা ফেল। করোনার তীব্রতার ভিতরে উম-পুনের আঘাত নেমে এল ২০ মে। দু’দিন পর প্রধানমন্ত্রী এসে প্রায় কেঁদে ফেললেন! বাংলার মানুষ ভাবল, যাক দিল্লিওয়ালাদের ট্রাডিশন ভাঙল তবে। প্রায় আড়াই মাস বাদে এসে বেশ মালুম হচ্ছে বাংলাকে বঞ্চনার প্রশ্নে—যাহাই কংগ্রেস, তাহাই বিজেপি!
বাংলার মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সবচেয়ে বড় ও বেশি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তাঁকে কুর্নিশ যে মোদি সরকারের কাছে দরবার করে ক্লান্ত হওয়ার চেনা রাস্তায় তিনি হাঁটেন না। আগে রাগে দুঃখে মেজাজ হারাতেন। এখন নিজেকে ভীষণ সংযত করেছেন। মানুষের পাশে দাঁড়াতে নিজের সীমিত ক্ষমতাতেই আস্থা রেখেছেন। কী দেখছি আমরা? পরিযায়ী শ্রমিকদের ফিরিয়ে এনেছেন। তাঁদের একটা বড় অংশকে কাজ দিয়েছেন—একশো দিনের কাজের প্রকল্পকে হাতিয়ার করে। রেশন ব্যবস্থাকে সাথী করে রুখে দিয়েছেন গরিবের অনাহারের কষ্ট। যথাসাধ্য সাহায্য দিচ্ছেন উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের। কৃষিক্ষেত্র চাঙ্গা। রাজ্যের কাঁধে বিপুল ঋণের বোঝা আর হাতে কেন্দ্রের কাছে ন্যায্য প্রাপ্যের লম্বা তালিকা। তা সত্ত্বেও বেকারত্বের হার জাতীয় গড়ের থেকে কম—অনেক বড় রাজ্য, বিশেষত বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোর থেকেও কম। সব মিলিয়ে আর্থ-সামাজিক প্রশ্নে এগিয়ে রয়েছে বাংলা। ‘এগিয়ে বাংলা’ নিছক এক রাজনৈতিক স্লোগানে গণ্ডিবদ্ধ নয়। এর জন্য মোদি সরকার বা বিজেপি আলাদাভাবে কোনও কৃতিত্ব দাবি করতে পারবে না। অথচ, ভক্তদের মনে দাগ কাটার অভূতপূর্ব সুযোগ এসেছিল এবার। হেলায় হারাল তারা। এই বিজেপিকে দেখে রাজীব গান্ধীর ‘এই হতাশা ভাঙতে চাই, নতুন বাংলা গড়তে চাই’ স্লোগানের অসারতা মনে পড়ে যাচ্ছে। কানে বাজছে গনিখান চৌধুরীর হুঙ্কার—‘বামফ্রন্ট সরকারকে বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করে ছাড়ব’—যা বাংলার রাজনীতির ইতিহাসের অন্যতম সেরা কৌতুক হয়ে রয়েছে।
এমন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে এর চেয়ে স্বস্তিদায়ক বিরোধী রাজনীতি আর কী হতে পারে? তিনি হয়তো দেখতে পাচ্ছেন—একুশের ভোটগণনার পর বিজেপি নেতৃত্ব ‘পরের বার দেখে নেব’ বলে সান্ত্বনা খুঁজছেন। 
30th  July, 2020
পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
নয়া নীতিতে শিক্ষা
আমাদের ‘বাহন’ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করার পর দিকে দিকে কেমন একটা হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়ে নতুনত্ব আছে। আর তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সরকারি স্কুলে প্লে-গ্রুপ ও কিন্ডারগার্টেন, ১০+২ এর ধারণা পিছনে ফেলে ফুটবলের মতো ৫+৩+৩+৪ ছকে স্কুলশিক্ষাকে সাজানো এবং সায়েন্স, আর্টস, কমার্স উঠে যাওয়া... নড়েচড়ে বসার মতো পরিস্থিতি বটে।
বিশদ

04th  August, 2020
রাজ্য-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র
সোমেন মিত্রের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত 
প্রবীর ঘোষাল

২০০০ সালের মার্চ মাস। রাজ্য কংগ্রেস রাজনীতিতে ঘোর সঙ্কট। দু’বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করে ঝড় তুলে দিয়েছেন। দু’-দু’টি লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুলের সাফল্য গোটা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই সময় এল পশ্চিমঙ্গে রাজ্যসভা নির্বাচন।  
বিশদ

03rd  August, 2020
একনজরে
লকডাউনে কাজ হারিয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। এঁদের কেউ অসংগঠিত শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন নির্মাণশিল্পে। রাজমিস্ত্রির জোগাড়ে বা ভ্যান-রিকশ চালিয়ে সংসার চালাতেন কেউ কেউ। এসব কাজ ...

করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রাজ্য জুড়ে দফায় দফায় লকডাউন বলবৎ হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির ফলে বহু মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। ...

দাদু থেকে নাতি অর্থাৎ পরিবারের আট থেকে আশি কেউই বাদ যাচ্ছে না। কোনও পরিবারে ১০ জন, কোথাও ৬ জন।  ...

ডেঙ্গু মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঁধে দেওয়া বছরভরের কর্মসূচিতে মিলল সাফল্য। গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে ডেঙ্গু কমল কলকাতা ও রাজ্যে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা। গুপ্ত শত্রুতার মোকাবিলায় সতর্কতা প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় বিলম্বিত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০৮: বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর প্রয়াণ
১৯৩১: বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৩: আমেরিকান কুস্তিগির তথা অভিনেতা হাল্ক হেগানের (টেরি জেন বোলে) জন্ম
১৯৬১: অভিনেতা সুনীল শেঠির জন্ম
১৯৭৭: অভিনেতা জহর রায়ের মৃত্যু
২০১২: ইরানে ভূমিকম্পে তিন শতাধিক মানুষের মৃত্যু, জখম ৩ হাজার



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.১৪ টাকা ৭৫.৮৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৬ টাকা
ইউরো ৮৬.৮৯ টাকা ৯০.০৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ শ্রাবণ ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০, সপ্তমী ৯/৩৯ দিবা ৯/৭। ভরণীনক্ষত্র ৪৯/১৩ রাত্রি ১২/৫৭। সূর্যোদয় ৫/১৫/৪২, সূর্যাস্ত ৬/৭/৫২। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ মধ্যে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৪ গতে ৫/১৭ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৯/৬ গতে ১১/২০ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে ৩/২ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫২ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১/১৯ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩১ গতে ৮/৫৫ মধ্যে।
২৬ শ্রাবণ ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০, সপ্তমী দিবা ৬/৩২। ভরণীনক্ষত্র রাত্রি ১১/২৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫১ গতে ১০/২২ মধ্যে ও ১২/৫৩ গতে ২/৩৪ মধ্যে ও ৩/২৪ গতে ৫/৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪০ মধ্যে ও ৮/৫৮ গতে ১১/১৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৩/৩ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫২ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ১/২০ গতে ২/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৪ গতে ৮/৫৭ মধ্যে।
২০ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

06:30:20 PM