Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখনও সবটা পরীক্ষিত নয়। মানবদেহে আরও পরীক্ষা দরকার। কিন্তু সব দেশেরই সরকার দ্রুত সেই ওষুধ বাজারে এনে ফেলতে চাইছে। আবিষ্কারের ক্ষেত্রে এটা হল একটা রাজনৈতিক দিক। বিজ্ঞান যে সময়টা বোঝে, রাজনীতি সেটা বোঝে না। তড়িঘড়ি একটা অর্ধ-পরীক্ষিত ওষুধকে বাজারে এনে ফেলে তার রাজনৈতিক ফায়দা লোটার অশুভ প্রয়াসকে বিজ্ঞানীরা যে মুখের উপর ‘না’ বলে দিতে পেরেছেন, এজন্য তাঁদের অসংখ্য ধন্যবাদ। কেননা এই ওষুধের আরও অনেক বেশি পরীক্ষা দরকার। রাজনীতি সব কিছু থেকে ফায়দা লোটার জন্য মরিয়া হয়ে থাকে। কিন্তু সেই ফায়দা লোটার জন্য যে কিছু সহজাত বুদ্ধির দরকার হয়, সেটা সব রাজনীতিক বোঝেন না।
বাজারে যত তাড়াতাড়ি করোনার ওষুধ আসবে, ততই মঙ্গল। বিশ্বের বিজ্ঞানীরা হন্যে হয়ে তার সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। নিঃশব্দে তাঁরা কাজ করে চলেছেন। এই মারণ সঙ্কটকে পর্যুদস্ত করার মতো অস্ত্র আমাদের খুব তাড়াতাড়ি দরকার। এটা অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই। কিন্তু তার আগেও অনেক পদক্ষেপ আছে।
আমাদের দেশের প্রেক্ষিতটা একটু দেখা যেতে পারে। আমরা সমস্ত কিছু একটু দেরিতে শুরু করেছি। লকডাউন অনেক আগে থেকে শুরু হলেও সেই সময়ে যে কাজগুলো জরুরি ছিল, কেন্দ্র সেগুলি করেনি। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভেবে বসলেন, লকডাউনই যথার্থ ওষুধ। তাই তখন সেভাবে কোনও টেস্ট হল না। বহু উপসর্গহীন মানুষ করোনার ভাইরাস বহন করেও থেকে গেলেন আমাদের সকলের মধ্যে। তারই ফল এখন ফলতে শুরু করেছে। ধীরে ধীরে গোষ্ঠী সংক্রমণ বাড়ছে। দেখা যাচ্ছে চার মাস পর সরকারের হুঁশ ফিরল। এখন শুরু হয়েছে জোর পরীক্ষা। এটাই মাস দু’য়েক আগে হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন তো দু’দিনে প্রায় এক লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। দায়ে পড়ে পরীক্ষার সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। কয়েকদিন আগে একদিনে প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশে সোয়াব টেস্ট হয়েছে প্রায় এক কোটি ৭০ লক্ষ মানুষের। আমাদের দেশের জনসংখ্যার তুলনায় খুবই নগণ্য। তবু যা হোক কেন্দ্র একটু হলেও অন্তত নড়েচড়ে বসেছে। এখন হঠাৎ করে দেখা যাচ্ছে, রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা। ভায়রোলজিস্টরা অবশ্য আশ্বাস দিয়ে বলছেন, এই বেড়ে যাওয়া দেখে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। হঠাৎ করে টেস্ট বেড়েছে বলেই রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। সেইসঙ্গে রোগীদের দ্রুত চিহ্নিত করে তাঁদের পৃথক করা সম্ভব হচ্ছে। এতে সংক্রমণের আশা কমবে। আগামীদিনে সংক্রমণের হার ধীরে ধীরে কমতে থাকবে।
সরকারের এই কাজটা আরও অনেক আগে করা দরকার ছিল। টেস্ট ছাড়াই দু’মাসের দীর্ঘ লকডাউন তাই কোনও সুফল আনতে পারেনি। সরকার ঠিক সময়ে ঠিক কাজটা করেনি। তাহলে এই সময়ের মধ্যে সরকার কী কাজ করল? হাতাতালি আর বাজি ফাটানোর উৎসব ছাড়া সরকার বিভিন্ন রাজ্য দখলে তৎপরতা দেখিয়েছে। করোনাকালে কেন্দ্রীয় সরকারের তৎপরতার দিকটা একটু খতিয়ে দেখা যেতে পারে। বিজেপি মধ্যপ্রদেশে সরকারকে ছলে বলে কৌশলে ভেঙে নিজেদের সরকার গড়ল। রাজস্থানে সরকার ফেলে নিজেদের সরকার গঠন করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রলোভন নির্লজ্জভাবে গিলে খাচ্ছে সমস্ত রাজনৈতিক আদর্শকে। ফলে সরকার ভেঙে নতুন সরকার গড়ার অপকর্মগুলি অবাধে চলছে। আর একটা বড় কাজ হচ্ছে রামমন্দিরের ভূমিপুজোর প্রস্তুতি। এটাই এখন বিজেপির কাছে সব থেকে বড় অ্যাজেন্ডা। মন্দিরের নকশায় বেশ কয়েকটি রদবদলও হয়েছে। মন্দিরের উচ্চতা আরও কুড়ি ফুট বাড়ানো হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে কয়েকটি পারিপার্শ্বিক মণ্ডপের সংখ্যা। তিনদিন ধরে বৈদিক মন্ত্র, যজ্ঞ, মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে অযোধ্যায় ভূমিপূজনের অনুষ্ঠান হবে। বিশাল তার আয়োজন। যেন বনবাসের কাল শেষ করে রামচন্দ্র অযোধ্যায় ফিরছেন। তাঁর অভিষেক পর্ব হবে। এই মন্দির নির্মাণে কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। সেই সঙ্গে আছে বিশ্বের সর্বোচ্চ রামমূর্তি নির্মাণ। তার জন্যও ব্যয় হবে কয়েক হাজার কোটি টাকা। বিশ্বের সব রেকর্ড ভেঙে দেবে সেই মূর্তির উচ্চতা। রামচন্দ্রের মূর্তির উচ্চতা হবে ৮২৩ ফুট। এখন গুজরাতের নর্মদায় সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মূর্তি হল বিশ্বের সর্বোচ্চ। ৫৯৭ ফুট। এই একটি ক্ষেত্রে আমরা চীনকে দশ গোল মেরেছি। আগে বিশ্বের সর্বোচ্চ মূর্তি হিসেবে বিবেচিত হতো চীনের হুনানে বুদ্ধের মূর্তি। সেটাকে বলা হয় স্প্রিং টেম্পল বুদ্ধ। সেটির উচ্চতা ৪২০ ফুট। এই আত্মশ্লাঘা নিয়েই বলি ‘জয় শ্রীরাম’।
এটা অবশ্য ঠিক যে, বিজেপির বেশিরভাগ নেতাই মনে করেন তুকতাক করেই করোনাকে সারিয়ে তোলা সম্ভব। এর জন্য কোনও ওষুধের দরকার নেই। বিজেপি ক্ষমতায় না থাকলে এইসব রত্নসন্দর্শন আমাদের পক্ষে সম্ভব হতো না। তাই মাঝে মাঝে বলতে ইচ্ছে করে, হে মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন।
পুরাণের মধ্যে বিজ্ঞানের অন্বেষণ নিয়ে বিজেপির কত পণ্ডিত কত কথাই না বলেছেন। সেসব নিয়ে মানুষ নানা রঙ্গ-রসিকতাও করেছেন। কিন্তু করোনাকালে তাঁদের মন্তব্যগুলি এক একটা মাইলস্টোনের মতো। করোনাকালের প্রথম লগ্নে বিজেপির নেতারা ভেবেছিলেন, শুধু গোমূত্র পান করিয়ে এই রোগের বিনাশ করা এক লহমার কাজ। করোনার ভাইরাসবাবু গোমূত্রের টোটকায় লেজ গুটিয়ে পালাবে। তারপরে তার বিপরীত প্রতিক্রিয়া নিয়ে গো-সেবকরাই রণে ভঙ্গ দিলেন। এরপরে নতুন টোটকা এসেছে, ‘ভাবিজি পাঁপড়’। ভাবাই যায় না একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে ‘ভাবিজি পাঁপড়’ নিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার করছেন। মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘাওয়াল যেন বিজ্ঞাপনের মডেল হয়ে উঠেছেন। এই দেখে দেশের সবিতা ভাবি, কবিতা ভাবিরা সম্ভবত এবার পাঁপড় ব্যবসায় মনোনিবেশ করার কথাও ভাবতে শুরু করেছেন।
অবশ্য বিজেপিকে শুধু দোষ দিয়ে লাভ নেই। মেঙ্গালুরুর এক কংগ্রেস কাউন্সিলার রবিচন্দ্র গট্টি। তিনি সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেছেন, ৯০ মিলিলিটার রামের সঙ্গে গোলমরিচ মিশিয়ে ডিম দিয়ে খেলে করোনা পালাবার পথ পাবে না। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে নানা জনে নানা বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য করেছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, বিজেপি নেতারা গোমূত্র পান করাচ্ছেন, কংগ্রেস নেতা রাম খাওয়াচ্ছেন। বুঝতেই পারছি না এরপর কাদের ভোট দেব?
এখানেই গল্পের শেষ নয়। বিজেপির আর এক নেত্রী প্রজ্ঞা ঠাকুর বলে বসলেন, দিনে পাঁচবার হনুমান চালিশা পাঠ করলে নাকি করোনা সেরে যায়। করোনার মহামারী, হনুমান চালিশার পাঁচনবারি! কী অদ্ভুত সব যুক্তি! এঁরা কি সত্যিই বোঝেন না?
আসলে এই আপাত অজ্ঞতার মধ্যেও সুপ্ত রয়েছে এক রাজনীতি। রাজনীতিকরা সবসময় চান, মানুষকে তাঁদের ভাবনার অভিকেন্দ্রের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া। অর্থাৎ সেই মগজ ধোলাইয়ের শাশ্বত গল্প। হিটলার বলেছিলেন, যে-কোনও সরকারের পক্ষেই এটা সৌভাগ্যের ব্যাপার হল যে, দেশের বেশিরভাগ মানুষই তেমন চিন্তাশীল নন। তাঁরা অতটা ভাবনাচিন্তা করেন না। তাই সব শাসকই মানুষকে তাঁর মতো করে ভাবতে শেখান, অনুগত হতে শেখান। মানুষ তাঁদের মতোই ভাববেন, চিন্তা করবেন, অনুগত থাকবেন। মানুষের স্বাধীন ভাবনা, সত্তা যত শাসক-অনুসারী হবে, ততই তাঁর পোয়াবারো। মহামারীকে কেন্দ্র করে রাজনীতি এবং তার মধ্য দিয়ে ফায়দা তোলার চেষ্টা। এটাকেই বলা হয় বায়োপলিটিক্স বা বায়োপাওয়ার। এর আবিষ্কর্তা মিশেল ফুকো। তাঁর মতে, মানুষের জীবনের সকল ক্ষেত্রেই শাসকরা রাজনৈতিক ক্ষমতার ব্যবহার এবং প্রয়োগ করেন। বায়োপলিটিক্স হল সেই পলিটিক্স যা মানুষের জীবন এবং সমাজ উভয় ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক ক্ষমতার ফাঁসকে দূঢ়ভাবে চেপে ধরে।
এইসব তাত্ত্বিক বিষয়ের বাইরে আছে প্রতিদিনের একটা লড়াই করে বেঁচে থাকার জীবন। সেখানে আমরা প্রতিদিন যেন নতুন করে বেঁচে উঠছি। প্রতিদিন সংক্রমণের আতঙ্ক নিয়ে জেগে উঠি এবং রাতে ঘুমোতে যাই নতুন সকালের প্রতীক্ষায়। এই আশঙ্কায় ভরা দিনের অবশ্যই শেষ আছে। আশার আলো দেখা যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা অচিরেই করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কার করে ফেলবেন। আবার আমরা নতুন বিশ্বাসে জেগে উঠব। তখন না-হয় বিজ্ঞানের ভরসায় বেঁচে উঠে ঈশ্বরের কাছে হাতজোড় করে কৃতজ্ঞ ও ভক্তিভাব নিয়ে বলব, ঠাকুর তুমিই আমাকে রক্ষা করেছ।  
29th  July, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
চীন ‘মাকড়শা’ হলে ভারত তার ‘শিকার’
পি চিদম্বরম

 দ্য স্পাইডার্স ওয়েব। মানে মাকড়শার জাল। এই সম্পর্কে তথ্য জানতে যদি ইন্টারনেট সার্চ করেন, তবে আপনি জিনিসটাকে পাবেন—‘সিক্স সারপ্রাইজিং ফ্যাক্টস অ্যাবাউট স্পাইডারওয়েবস’ হিসেবে। মানে মাকড়শার জাল সম্পর্কে ছয়টি অবাক করা সত্য।
বিশদ

27th  July, 2020
এক দেশ এক দল
মানুষ মানবে না
হিমাংশু সিংহ

 ভারতের আত্মা বেঁচে রয়েছে বহুত্ববাদে। বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায়। নানা বৈচিত্র ও ভিন্নমুখী ধারার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ঐক্য ও সংহতির মূল মন্ত্র। এক কথায়, বিবিধের মাঝে মিলন মহান। এটাই ভারতের চিরন্তন শক্তি।
বিশদ

26th  July, 2020
করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর
সামাজিক বয়কটের যন্ত্রণা

তন্ময় মল্লিক

একটা সময় সামাজিক বয়কট ছিল বিরোধীকে ঘায়েলের হাতিয়ার। গ্রামের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ ছিল। করোনা আবহে তা ডানা মেলেছে শহুরে শিক্ষিত সমাজেও। কুসংস্কার দূর হয় শিক্ষার আলোয়। কিন্তু শিক্ষিত মানুষের অন্ধকার দূর হবে কোন আলোর ছোঁয়ায়?
বিশদ

25th  July, 2020
 কিছুতেই মমতা হতে
পারবেন না পাইলটরা
সমৃদ্ধ দত্ত

একটি রাজনৈতিক দলে কোনও এক নেতা অথবা কর্মী যোগ্য সম্মান না পেলে তিনি ক্ষুব্ধ হন। চাহিদা এবং মনোবাসনা অনুযায়ী যথাযথ পদ কিংবা দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হচ্ছে না দেখলে, ধীরে ধীরে রাগ এবং হতাশা তৈরি হয়। এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। নতুন কিছুও নয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং পশ্চিমবঙ্গেও সব দলে এরকম বহু নেতা কর্মী আছেন, যাঁদের ঠিক এরকমই মনোভাব অতীতে তৈরি হয়েছে কিংবা এখনও ওই ক্ষোভ রয়েছে দলের বিরুদ্ধে।
বিশদ

24th  July, 2020
আজকের রাজনীতিতে
পণ্ডিত মৈত্রের প্রাসঙ্গিকতা
হারাধন চৌধুরী

দেশ আজ মহামারীর কবলে। প্রথম কর্তব্য রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। যে যুদ্ধে জয়টাই একমাত্র লক্ষ্য। একমাত্র শর্ত। তার জন্য হয়েছে লম্বা লকডাউন। বেশিরভাগ আর্থিক ক্ষেত্র ধসে পড়েছে। কোটি কোটি মানুষ পড়েছে তীব্র সঙ্কটে। সকালে খাবার জুটলে তারা নিশ্চিত নয় রাতে কী খাবে।
বিশদ

23rd  July, 2020
অযোধ্যা নেপালে শুনে
অবাক স্বয়ং শ্রীরামচন্দ্র
সন্দীপন বিশ্বাস

বিষ্ণুলোকের রাজসভায় রামচন্দ্র বসে আছেন। সভায় সেদিন মর্ত্যলোকের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। লক্ষ্মণ, ভরত, শত্রুঘ্ন ছাড়াও সেদিন সভায় উপস্থিত ভৃগু, আঙ্গিরস, কাশ্যপ, বশিষ্ঠ প্রমুখ। ভৃগু বললেন, ‘হে রঘুবীর, মর্ত্যের অধিবাসীগণ বড়ই বাচাল।
বিশদ

22nd  July, 2020
কঠিন সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে,
ব্যক্তি নয় বড় প্রতিষ্ঠান
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সবেমাত্র ভোরের আলোর রেখাটুকু দেখা যাচ্ছে আকাশে। লুটিয়েন’স দিল্লির রাজপথে চলেছে একটি সাইকেল। পিছনের চাকার পাশে ক্যারিয়ারের সঙ্গে বাঁধা ক্যান। দুধওয়ালা... কতই বা বয়স হবে? ১৩ কী ১৪ বছর! গাজিয়াবাদের ছেলে। বাবা মারা যাওয়ার পর চলে এসেছিল দিল্লিতে... কাকার সঙ্গে।
বিশদ

21st  July, 2020
ডেপসাং অথবা ডোকলামের পথে
পি চিদম্বরম

 রহস্যের জট খুলে যাচ্ছে। গত সপ্তাহে লিখেছিলাম যে, 'অর্থনীতির দ্রুত পতনের কারণে ভারত যে দুর্বল হয়ে পড়েছে মিস্টার জি মনে হয় সেটা নিখুঁতভাবে ধরতে পেরেছিলেন—২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর মহাবলীপুরমে। অন্যদিকে, বোধহয় মিস্টার জি-র মতলবটা মোদিজি ঘুণাক্ষরেও টের পাননি।'
বিশদ

20th  July, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের সংশোধনাগারগুলিতে যা জায়গা রয়েছে, তার তুলনায় বন্দির সংখ্যা ২৩ শতাংশ বেশি। দু’হাজারেরও বেশি বিচারাধীন বন্দিকে আগাম জামিন ও আসামিদের প্যারোলে ছাড়ার পরেও এই অবস্থা।   ...

সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: শুক্রবার বাগডোগরা থানার রানিডাঙা এসএসবি ক্যাম্পের মুখোমুখি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এটিএম কাউন্টারে সিসি ক্যামেরা, এসির বৈদ্যুতিক কেবল ছেঁড়া এবং রিসিভ স্লিপ তছনছ অবস্থায় থাকায় লুটের আতঙ্ক ছড়ায়। যদিও পুলিসের দাবি, সেখানে লুটপাটের কোনও ঘটনা ঘটেনি।   ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: ভাইয়ের গায়ে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারার অভিযোগ উঠল দাদার বিরুদ্ধে। শুক্রবার ভোরে ঘাটাল থানার পান্না গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আক্রান্ত যুবকের নাম অনুপ পাল।   ...

নয়াদিল্লি: একটা সময় ছিল যখন ক্রিকেট দুনিয়া তারিয়ে উপভোগ করত বাইশগজে তাঁদের ব্যাট-বলের লড়াই। একদিকে ব্রেট লি। গতির আগুনে যিনি বিপক্ষের ব্যাটিংকে ছারখার করে দিতেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিতর্ক-বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম-পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থোপার্জনের সুযোগ।প্রতিকার: অন্ধ ব্যক্তিকে সাদা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৪- অক্সিজেনের আবিষ্কার করেন যোশেফ প্রিস্টলি
১৮৪৬ - বাংলার নবজাগরণের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব দ্বারকানাথ ঠাকুরের মৃত্যু
১৯২০ – স্বাধীনতা সংগ্রামী বালগঙ্গাধর তিলকের মৃত্যু
১৯২০- অসহযোগ আন্দোলন শুরু করলেন মহাত্মা গান্ধী
১৯২৪ -ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার ফ্রাঙ্ক ওরেলের জন্ম
১৯৩২- অভিনেত্রী মীনাকুমারীর জন্ম
১৯৫৬- ক্রিকেটার অরুণলালের জন্ম।
১৯৯৯- সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৫৩ টাকা ৯৯.৯০ টাকা
ইউরো ৮৭.৪০ টাকা ৯০.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী ৪১/৪৮ রাত্রি ৯/৫৫। মূলানক্ষত্র ৪/২ দিবা ৬/৪৮। সূর্যোদয় ৫/১১/৪৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৫ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫০ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৬ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫০ গতে উদয়াবধি। 
১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী রাত্রি ৯/৪৮। মূলানক্ষত্র দিবা ৭/৫৩। সূর্যোদয় ৫/১১, সূর্যাস্ত ৬/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩০ গতে ১/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৯ গতে ১০/৩৮ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে ও ২/১৩ গতে ৩/৩৯ ম঩ধ্যে। কালবেলা ৬/৪৯ মধ্যে ও ১/২২গতে ৩/০ মধ্যে ও ৪/৩৯ গতে ৬/১৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৯ মধ্যে ও ৩/৪৯ গতে ৫/১১ মধ্যে।  
১০ জেলহজ্জ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজকের রাশিফল  
মেষ: নানা উপায়ে অর্থোপার্জনের সুযোগ। বৃষ: কর্মক্ষেত্রে উচ্চাশাপূরণ। মিথুন: গুরুজনের স্বাস্থ্যোন্নতি। ...বিশদ

07:11:04 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৭৭৪- অক্সিজেনের আবিষ্কার করেন যোশেফ প্রিস্টলি১৮৪৬ - বাংলার নবজাগরণের উল্লেখযোগ্য ...বিশদ

07:03:20 PM

করোনা: রাজ্যে আক্রান্ত আরও ২৫৮৯ জন  
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫৮৯ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

08:42:26 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ৯,৬০১ জন, মৃত ৩২২ 

08:41:24 PM

কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পজিটিভ ৫,১৭২ জন, মৃত ৯৮ 

07:56:50 PM

করোনা: কেরলে নতুন করে আক্রান্ত আরও ১১২৯, মোট আক্রান্ত ১০৮৬২ 

07:50:00 PM