Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখনও সবটা পরীক্ষিত নয়। মানবদেহে আরও পরীক্ষা দরকার। কিন্তু সব দেশেরই সরকার দ্রুত সেই ওষুধ বাজারে এনে ফেলতে চাইছে। আবিষ্কারের ক্ষেত্রে এটা হল একটা রাজনৈতিক দিক। বিজ্ঞান যে সময়টা বোঝে, রাজনীতি সেটা বোঝে না। তড়িঘড়ি একটা অর্ধ-পরীক্ষিত ওষুধকে বাজারে এনে ফেলে তার রাজনৈতিক ফায়দা লোটার অশুভ প্রয়াসকে বিজ্ঞানীরা যে মুখের উপর ‘না’ বলে দিতে পেরেছেন, এজন্য তাঁদের অসংখ্য ধন্যবাদ। কেননা এই ওষুধের আরও অনেক বেশি পরীক্ষা দরকার। রাজনীতি সব কিছু থেকে ফায়দা লোটার জন্য মরিয়া হয়ে থাকে। কিন্তু সেই ফায়দা লোটার জন্য যে কিছু সহজাত বুদ্ধির দরকার হয়, সেটা সব রাজনীতিক বোঝেন না।
বাজারে যত তাড়াতাড়ি করোনার ওষুধ আসবে, ততই মঙ্গল। বিশ্বের বিজ্ঞানীরা হন্যে হয়ে তার সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। নিঃশব্দে তাঁরা কাজ করে চলেছেন। এই মারণ সঙ্কটকে পর্যুদস্ত করার মতো অস্ত্র আমাদের খুব তাড়াতাড়ি দরকার। এটা অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই। কিন্তু তার আগেও অনেক পদক্ষেপ আছে।
আমাদের দেশের প্রেক্ষিতটা একটু দেখা যেতে পারে। আমরা সমস্ত কিছু একটু দেরিতে শুরু করেছি। লকডাউন অনেক আগে থেকে শুরু হলেও সেই সময়ে যে কাজগুলো জরুরি ছিল, কেন্দ্র সেগুলি করেনি। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভেবে বসলেন, লকডাউনই যথার্থ ওষুধ। তাই তখন সেভাবে কোনও টেস্ট হল না। বহু উপসর্গহীন মানুষ করোনার ভাইরাস বহন করেও থেকে গেলেন আমাদের সকলের মধ্যে। তারই ফল এখন ফলতে শুরু করেছে। ধীরে ধীরে গোষ্ঠী সংক্রমণ বাড়ছে। দেখা যাচ্ছে চার মাস পর সরকারের হুঁশ ফিরল। এখন শুরু হয়েছে জোর পরীক্ষা। এটাই মাস দু’য়েক আগে হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন তো দু’দিনে প্রায় এক লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। দায়ে পড়ে পরীক্ষার সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। কয়েকদিন আগে একদিনে প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশে সোয়াব টেস্ট হয়েছে প্রায় এক কোটি ৭০ লক্ষ মানুষের। আমাদের দেশের জনসংখ্যার তুলনায় খুবই নগণ্য। তবু যা হোক কেন্দ্র একটু হলেও অন্তত নড়েচড়ে বসেছে। এখন হঠাৎ করে দেখা যাচ্ছে, রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা। ভায়রোলজিস্টরা অবশ্য আশ্বাস দিয়ে বলছেন, এই বেড়ে যাওয়া দেখে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। হঠাৎ করে টেস্ট বেড়েছে বলেই রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। সেইসঙ্গে রোগীদের দ্রুত চিহ্নিত করে তাঁদের পৃথক করা সম্ভব হচ্ছে। এতে সংক্রমণের আশা কমবে। আগামীদিনে সংক্রমণের হার ধীরে ধীরে কমতে থাকবে।
সরকারের এই কাজটা আরও অনেক আগে করা দরকার ছিল। টেস্ট ছাড়াই দু’মাসের দীর্ঘ লকডাউন তাই কোনও সুফল আনতে পারেনি। সরকার ঠিক সময়ে ঠিক কাজটা করেনি। তাহলে এই সময়ের মধ্যে সরকার কী কাজ করল? হাতাতালি আর বাজি ফাটানোর উৎসব ছাড়া সরকার বিভিন্ন রাজ্য দখলে তৎপরতা দেখিয়েছে। করোনাকালে কেন্দ্রীয় সরকারের তৎপরতার দিকটা একটু খতিয়ে দেখা যেতে পারে। বিজেপি মধ্যপ্রদেশে সরকারকে ছলে বলে কৌশলে ভেঙে নিজেদের সরকার গড়ল। রাজস্থানে সরকার ফেলে নিজেদের সরকার গঠন করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রলোভন নির্লজ্জভাবে গিলে খাচ্ছে সমস্ত রাজনৈতিক আদর্শকে। ফলে সরকার ভেঙে নতুন সরকার গড়ার অপকর্মগুলি অবাধে চলছে। আর একটা বড় কাজ হচ্ছে রামমন্দিরের ভূমিপুজোর প্রস্তুতি। এটাই এখন বিজেপির কাছে সব থেকে বড় অ্যাজেন্ডা। মন্দিরের নকশায় বেশ কয়েকটি রদবদলও হয়েছে। মন্দিরের উচ্চতা আরও কুড়ি ফুট বাড়ানো হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে কয়েকটি পারিপার্শ্বিক মণ্ডপের সংখ্যা। তিনদিন ধরে বৈদিক মন্ত্র, যজ্ঞ, মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে অযোধ্যায় ভূমিপূজনের অনুষ্ঠান হবে। বিশাল তার আয়োজন। যেন বনবাসের কাল শেষ করে রামচন্দ্র অযোধ্যায় ফিরছেন। তাঁর অভিষেক পর্ব হবে। এই মন্দির নির্মাণে কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। সেই সঙ্গে আছে বিশ্বের সর্বোচ্চ রামমূর্তি নির্মাণ। তার জন্যও ব্যয় হবে কয়েক হাজার কোটি টাকা। বিশ্বের সব রেকর্ড ভেঙে দেবে সেই মূর্তির উচ্চতা। রামচন্দ্রের মূর্তির উচ্চতা হবে ৮২৩ ফুট। এখন গুজরাতের নর্মদায় সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মূর্তি হল বিশ্বের সর্বোচ্চ। ৫৯৭ ফুট। এই একটি ক্ষেত্রে আমরা চীনকে দশ গোল মেরেছি। আগে বিশ্বের সর্বোচ্চ মূর্তি হিসেবে বিবেচিত হতো চীনের হুনানে বুদ্ধের মূর্তি। সেটাকে বলা হয় স্প্রিং টেম্পল বুদ্ধ। সেটির উচ্চতা ৪২০ ফুট। এই আত্মশ্লাঘা নিয়েই বলি ‘জয় শ্রীরাম’।
এটা অবশ্য ঠিক যে, বিজেপির বেশিরভাগ নেতাই মনে করেন তুকতাক করেই করোনাকে সারিয়ে তোলা সম্ভব। এর জন্য কোনও ওষুধের দরকার নেই। বিজেপি ক্ষমতায় না থাকলে এইসব রত্নসন্দর্শন আমাদের পক্ষে সম্ভব হতো না। তাই মাঝে মাঝে বলতে ইচ্ছে করে, হে মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন।
পুরাণের মধ্যে বিজ্ঞানের অন্বেষণ নিয়ে বিজেপির কত পণ্ডিত কত কথাই না বলেছেন। সেসব নিয়ে মানুষ নানা রঙ্গ-রসিকতাও করেছেন। কিন্তু করোনাকালে তাঁদের মন্তব্যগুলি এক একটা মাইলস্টোনের মতো। করোনাকালের প্রথম লগ্নে বিজেপির নেতারা ভেবেছিলেন, শুধু গোমূত্র পান করিয়ে এই রোগের বিনাশ করা এক লহমার কাজ। করোনার ভাইরাসবাবু গোমূত্রের টোটকায় লেজ গুটিয়ে পালাবে। তারপরে তার বিপরীত প্রতিক্রিয়া নিয়ে গো-সেবকরাই রণে ভঙ্গ দিলেন। এরপরে নতুন টোটকা এসেছে, ‘ভাবিজি পাঁপড়’। ভাবাই যায় না একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে ‘ভাবিজি পাঁপড়’ নিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার করছেন। মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘাওয়াল যেন বিজ্ঞাপনের মডেল হয়ে উঠেছেন। এই দেখে দেশের সবিতা ভাবি, কবিতা ভাবিরা সম্ভবত এবার পাঁপড় ব্যবসায় মনোনিবেশ করার কথাও ভাবতে শুরু করেছেন।
অবশ্য বিজেপিকে শুধু দোষ দিয়ে লাভ নেই। মেঙ্গালুরুর এক কংগ্রেস কাউন্সিলার রবিচন্দ্র গট্টি। তিনি সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেছেন, ৯০ মিলিলিটার রামের সঙ্গে গোলমরিচ মিশিয়ে ডিম দিয়ে খেলে করোনা পালাবার পথ পাবে না। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে নানা জনে নানা বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য করেছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, বিজেপি নেতারা গোমূত্র পান করাচ্ছেন, কংগ্রেস নেতা রাম খাওয়াচ্ছেন। বুঝতেই পারছি না এরপর কাদের ভোট দেব?
এখানেই গল্পের শেষ নয়। বিজেপির আর এক নেত্রী প্রজ্ঞা ঠাকুর বলে বসলেন, দিনে পাঁচবার হনুমান চালিশা পাঠ করলে নাকি করোনা সেরে যায়। করোনার মহামারী, হনুমান চালিশার পাঁচনবারি! কী অদ্ভুত সব যুক্তি! এঁরা কি সত্যিই বোঝেন না?
আসলে এই আপাত অজ্ঞতার মধ্যেও সুপ্ত রয়েছে এক রাজনীতি। রাজনীতিকরা সবসময় চান, মানুষকে তাঁদের ভাবনার অভিকেন্দ্রের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া। অর্থাৎ সেই মগজ ধোলাইয়ের শাশ্বত গল্প। হিটলার বলেছিলেন, যে-কোনও সরকারের পক্ষেই এটা সৌভাগ্যের ব্যাপার হল যে, দেশের বেশিরভাগ মানুষই তেমন চিন্তাশীল নন। তাঁরা অতটা ভাবনাচিন্তা করেন না। তাই সব শাসকই মানুষকে তাঁর মতো করে ভাবতে শেখান, অনুগত হতে শেখান। মানুষ তাঁদের মতোই ভাববেন, চিন্তা করবেন, অনুগত থাকবেন। মানুষের স্বাধীন ভাবনা, সত্তা যত শাসক-অনুসারী হবে, ততই তাঁর পোয়াবারো। মহামারীকে কেন্দ্র করে রাজনীতি এবং তার মধ্য দিয়ে ফায়দা তোলার চেষ্টা। এটাকেই বলা হয় বায়োপলিটিক্স বা বায়োপাওয়ার। এর আবিষ্কর্তা মিশেল ফুকো। তাঁর মতে, মানুষের জীবনের সকল ক্ষেত্রেই শাসকরা রাজনৈতিক ক্ষমতার ব্যবহার এবং প্রয়োগ করেন। বায়োপলিটিক্স হল সেই পলিটিক্স যা মানুষের জীবন এবং সমাজ উভয় ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক ক্ষমতার ফাঁসকে দূঢ়ভাবে চেপে ধরে।
এইসব তাত্ত্বিক বিষয়ের বাইরে আছে প্রতিদিনের একটা লড়াই করে বেঁচে থাকার জীবন। সেখানে আমরা প্রতিদিন যেন নতুন করে বেঁচে উঠছি। প্রতিদিন সংক্রমণের আতঙ্ক নিয়ে জেগে উঠি এবং রাতে ঘুমোতে যাই নতুন সকালের প্রতীক্ষায়। এই আশঙ্কায় ভরা দিনের অবশ্যই শেষ আছে। আশার আলো দেখা যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা অচিরেই করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কার করে ফেলবেন। আবার আমরা নতুন বিশ্বাসে জেগে উঠব। তখন না-হয় বিজ্ঞানের ভরসায় বেঁচে উঠে ঈশ্বরের কাছে হাতজোড় করে কৃতজ্ঞ ও ভক্তিভাব নিয়ে বলব, ঠাকুর তুমিই আমাকে রক্ষা করেছ।  
29th  July, 2020
পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
নয়া নীতিতে শিক্ষা
আমাদের ‘বাহন’ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করার পর দিকে দিকে কেমন একটা হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়ে নতুনত্ব আছে। আর তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সরকারি স্কুলে প্লে-গ্রুপ ও কিন্ডারগার্টেন, ১০+২ এর ধারণা পিছনে ফেলে ফুটবলের মতো ৫+৩+৩+৪ ছকে স্কুলশিক্ষাকে সাজানো এবং সায়েন্স, আর্টস, কমার্স উঠে যাওয়া... নড়েচড়ে বসার মতো পরিস্থিতি বটে।
বিশদ

04th  August, 2020
রাজ্য-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র
সোমেন মিত্রের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত 
প্রবীর ঘোষাল

২০০০ সালের মার্চ মাস। রাজ্য কংগ্রেস রাজনীতিতে ঘোর সঙ্কট। দু’বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করে ঝড় তুলে দিয়েছেন। দু’-দু’টি লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুলের সাফল্য গোটা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই সময় এল পশ্চিমঙ্গে রাজ্যসভা নির্বাচন।  
বিশদ

03rd  August, 2020
একনজরে
 ক্রিকেটার হিসেবে জস বাটলার এক ‘কমপ্লিট প্যাকেজ’। এমনটাই মনে করেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন তারকা শেন ওয়ার্ন। ...

দাদু থেকে নাতি অর্থাৎ পরিবারের আট থেকে আশি কেউই বাদ যাচ্ছে না। কোনও পরিবারে ১০ জন, কোথাও ৬ জন।  ...

করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রাজ্য জুড়ে দফায় দফায় লকডাউন বলবৎ হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির ফলে বহু মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। ...

মরুরাজ্যের রাজনীতিতে নয়া মোড়। মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণার প্রায় একমাস পরে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করলেন শচীন পাইলট। সোমবার বেলা ১টা নাগাদ ওই বৈঠক শুরু হয়। চলে প্রায় দু’ঘণ্টা। উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা। গুপ্ত শত্রুতার মোকাবিলায় সতর্কতা প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় বিলম্বিত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০৮: বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর প্রয়াণ
১৯৩১: বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৩: আমেরিকান কুস্তিগির তথা অভিনেতা হাল্ক হেগানের (টেরি জেন বোলে) জন্ম
১৯৬১: অভিনেতা সুনীল শেঠির জন্ম
১৯৭৭: অভিনেতা জহর রায়ের মৃত্যু
২০১২: ইরানে ভূমিকম্পে তিন শতাধিক মানুষের মৃত্যু, জখম ৩ হাজার



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.১৪ টাকা ৭৫.৮৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৬ টাকা
ইউরো ৮৬.৮৯ টাকা ৯০.০৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ শ্রাবণ ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০, সপ্তমী ৯/৩৯ দিবা ৯/৭। ভরণীনক্ষত্র ৪৯/১৩ রাত্রি ১২/৫৭। সূর্যোদয় ৫/১৫/৪২, সূর্যাস্ত ৬/৭/৫২। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ মধ্যে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৪ গতে ৫/১৭ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৯/৬ গতে ১১/২০ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে ৩/২ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫২ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১/১৯ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩১ গতে ৮/৫৫ মধ্যে।
২৬ শ্রাবণ ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০, সপ্তমী দিবা ৬/৩২। ভরণীনক্ষত্র রাত্রি ১১/২৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫১ গতে ১০/২২ মধ্যে ও ১২/৫৩ গতে ২/৩৪ মধ্যে ও ৩/২৪ গতে ৫/৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪০ মধ্যে ও ৮/৫৮ গতে ১১/১৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৩/৩ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫২ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ১/২০ গতে ২/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৪ গতে ৮/৫৭ মধ্যে।
২০ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

06:30:20 PM