Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু। সাংবাদিক সেটি পড়েছিলেন কি না জানা নেই। কিন্তু একটা বিষয় স্পষ্ট, নভেলটি বেশ মনে ধরেছিল কাস্ত্রোর। তিনি ক্ষমতায় আসার সময় থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কিউবার আদায়-কাঁচকলায় সম্পর্ক। কাজেই আমেরিকার ‘জীবন দর্শন’কে খোঁচা দেওয়া কাজকর্ম যে ফিদেল কাস্ত্রোকে বেজায় আনন্দের খোরাক জোগাবে, সে বিষয়ে সংশয় নেই। কিন্তু কে ছিলেন সেই লেখক? ফিনল্যান্ডের ভদ্রলোক তিনি। পেশায় ছিলেন সাংবাদিক। নাম, মার্তি লার্নি। সোভিয়েত জমানায় রীতিমতো জনপ্রিয়। প্রবন্ধ হোক বা নভেল, ছত্রে ছত্রে ঝরে পড়ত ব্যঙ্গ। কিন্তু হঠাৎ এই ভিনদেশি লেখককে ফিরে দেখা কেন? করোনা জমানায় বিজেপি নেতা-মন্ত্রীদের বিজ্ঞাপনী প্রচার দেখে আচমকাই তাঁর কথা মনে পড়ে গেল। আরও বলা ভালো, মনে পড়ল তাঁর একটি লাইন... ‘যার ব্যাপারে মানুষ কখনও কিছু শোনেনি, তাকে প্রয়োজনীয়তায় বদলে দেওয়ার নামই বিজ্ঞাপন।’ যা ‘সফলভাবে’ করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। তাঁর দাবি, বিশেষ একটি কোম্পানির পাঁপড় খেলেই নাকি শরীরে করোনা প্রতিরোধক অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে যাবে। তারপর আর চিন্তা নেই। খুল্লামখুল্লা রাস্তায় ঘোরাফেরা করুন। করোনা মহামারী ছুঁতেও পারবে না। অর্থাৎ ওই পাঁপড় খেলেই আপামর ভারতবাসী ম্যাডোনার মতো হয়ে যাবেন। কারণ ম্যাডোনাই তো দাবি করেছিলেন, পরীক্ষা করে তাঁর দেহে করোনার অ্যান্টিবডি পাওয়া গিয়েছে। অথচ তিনি কখনওই এই রোগে আক্রান্ত হননি!
শুধুই কি মেঘওয়াল মহাশয়? মধ্যপ্রদেশের প্রোটেম স্পিকার রামেশ্বর শর্মা আবার দাবি করেছেন, রামমন্দির তৈরি সম্পূর্ণ হলেই করোনা ভাইরাস দুরমুশ হয়ে যাবে। অর্থাৎ বিজেপি যা প্রচার শুরু করেছে, তাতে পরিষ্কার, রামমন্দির এবং পাঁপড়েই মিলবে করোনা-মুক্তি। মন্ত্রীমশাইয়ের এই ‘ভাবিজি পাঁপড়’ কেন্দ্রীয় সরকারি কোন ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা হয়েছে, জানা নেই। তবে, একটা বিষয় স্বীকার করতেই হবে... অর্জুনের মার্কেটিং লক্ষ্যভেদ-ক্ষমতা প্রশংসনীয়। তিনি জানেন, ঠিক কীভাবে দর্শক, শ্রোতা, পাঠকের মন পাওয়া যায়। কিন্তু ভাবিজির থেকে কোন আশ্বাসবাণী বা প্রতিশ্রুতি পেয়ে তিনি এই কম্মটি করলেন, তা নিয়ে আপাতত দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। পাগড়ি পরে, মাস্ক এঁটে অর্জুন রাম মেঘওয়াল এই ভিডিওটি বাজারে ছেড়েছেন। তিনি নিজে হয়তো সেটি খেয়ে দেখেননি। বা খুব একটা ভরসা পাননি। তাহলে মাস্ক পরা এবং অন্যান্য সব সুরক্ষাবিধি মেনে ক্যামেরার সামনে আসার তাঁর প্রয়োজন হতো না।
গণমাধ্যম হোক বা সোশ্যাল, সর্বত্র এখন এ ব্যাপারে কমন প্রশ্ন একটাই—কোথা থেকে আসে এসব লোক? কেউ লিখছেন, মন্ত্রীজি, আমার কাছে বেশ কয়েকটা পুরনো জুতো রয়েছে। সেগুলো কিছু কাজে আসবে কি? কিংবা আর একজন লিখছেন, যাক লকডাউনে কিছু তো কাজ পাওয়া গেল! এবার পাঁপড় বেললেই হয়! তারপর অবশ্য মেঘওয়াল সাহেবের আর কোনও সাড়াশব্দ নেই। প্রধানমন্ত্রী ভালো মতো একটু কড়কে দিলে যদি তিনি কিছু বলার মতো অবস্থায় ফেরেন। তবে প্রধানমন্ত্রী কতজনকে সতর্ক করবেন? কত নেতা-মন্ত্রীকেই বা বলবেন... ভাই মুখ সামলে! আসল চিত্র যে এটাই... ভাবিয়া কেউ বলেন না। তা সে মেঘওয়াল হোক, রামেশ্বর শর্মা, কিংবা গোবর-গোমূত্রে ক্যান্সার সারানোর তত্ত্বের আবিষ্কর্তা গুজরাতের এমপি শঙ্করভাই ভেগাদ। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী, এমন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দিকে দিকে। আমরাই তাঁদের ভোট দিয়েছি, সংসদে কিংবা বিধানসভায় পাঠিয়েছি। তারপর তাঁদের থেকে বেঁফাস, অবৈজ্ঞানিক মন্তব্য শুনে চেঁচামেচিও জুড়েছি।
আসলে আমাদের দেশে রাজনীতির সঙ্গে ভোটারদের সম্পর্কটা একটু অন্যরকম। আমাদের ভোটদানটা একরকম প্রচারসর্বস্ব। কোন রাজনৈতিক দল বা কোন নেতা কী কী প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, তার উপর নির্ভর করে আমাদের মতামত। আমরা হিসেব কষি, অমুক নেতা বা নেত্রীকে ভোট দিলে আমরা কী সুবিধা পাব। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেই সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয় না। আমরাও তখন ক্ষোভে ফুঁসতে থাকি... খোঁজ চলে বিকল্পের। কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে।
গণতন্ত্রে শাসক হল ফুটবল টিমের মতো। একজন খেলোয়াড় যেমন ম্যাচ খেলতে পারে না, ঠিক তেমনই রাজনীতিতে শুধু প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে দেশ চালানো সম্ভব নয়। তাঁর টিমের খেলোয়াড়রা কেমন পারফর্ম করছেন, তার উপর দেশ শাসনের অনেকটাই নির্ভর করে। যেমন নরেন্দ্র মোদি... প্রথম ইনিংসে আমরা দেখলাম তিনি নোট বাতিল করলেন, পরিকল্পনা ছাড়া দেশজুড়ে জিএসটি চালু হল... তারপরও দ্বিতীয় ইনিংসের জন্য আমরা তাঁকেই ভোট দিলাম। ‘তাঁকে’ শব্দটি ব্যবহার করা এখানে খুব জরুরি। কারণ, আমরা বিজেপিকে যতটা না নির্বাচিত করেছি, তার থেকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছি নরেন্দ্র মোদি নামটাকে। দেশের যে প্রান্তেই যাই না কেন, মোদির নামেই বিজেপি ভোট চেয়েছে। এবং পেয়েছে। দলটির আগাপাশতলা আমরা কিছুই দেখিনি। ভাবিনি যে, উনি জেনারেল হতে পারেন, কিন্তু যুদ্ধ করার জন্য জওয়ান, মেজর, লেফটেন্যান্ট দরকার। আর তাঁরাই যুদ্ধক্ষেত্রে মুখ ডুবিয়ে চলেছেন জেনারেলের।
করোনা সঙ্কটে গোটা দেশ এখন ত্রস্ত। এই রোগ কোথায়, কীভাবে আঘাত হানবে, তার কোনও দিশা নেই। এমন একটা সময়ে মানুষ নিশ্চয়ই রোগ নিয়ে রসিকতা পছন্দ করবে না! বাস্তবে মন্ত্রীমশাই তাই করছেন। এই প্রোডাক্টের বিক্রির দায়-দায়িত্ব তিনি কেন মাথায় নিয়েছেন, তা আম ভারতবাসীর জানার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এ যে চূড়ান্ত বিজ্ঞান বহির্ভূত, অসময়ের ‘মাজাক’, তা নিয়ে কারও মনে কোনও প্রশ্ন নেই।
বিজেপি সরকারের অবশ্য সেদিকে খুব একটা মন নেই। বরং মহামারীর সূচনাকালে সেদিকে নজর না দিয়ে মধ্যপ্রদেশের সরকার ভাঙায় তারা বেশি উদ্যোগী ছিল। কিংবা এখন রাজস্থান। শুধু তাই নয়, চলতি বছর বিহারে এবং আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। করোনা মোকাবিলায় যাবতীয় দায় রাজ্যগুলির উপর চাপিয়ে আপাতত সেদিকেই মনোনিবেশ চলছে। ভালো ফল পেলে কেন্দ্রের গাইডলাইনের কৃতিত্ব, আর সংক্রমণ বাড়লে দায় রাজ্যের। বেশ ভালো পলিসি। এবং এখনও সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয় হল, যে রাজ্যেই ভোট হোক না কেন, ‘মুখ’ সেই নরেন্দ্র মোদি। পশ্চিমবঙ্গে এত বছরেও একজন মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে গ্রহণযোগ্য কারও নাম পাওয়া গেল না। বিরোধিতা করতে গেলেও একটা দিশা দরকার। সরকারের বিরুদ্ধে আলপটকা মন্তব্য করলেই বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন হয় না। ‘এক নাম, এক সরকার’ এই ফর্মুলায় দেশ শাসন হয় না... তা অর্জুন মেঘওয়ালের মতো প্রতিনিধিরা বারবার প্রধানমন্ত্রীকে বুঝিয়ে দিচ্ছেন।
করোনা ভ্যাকসিন কবে বাজারে আসবে? দেশের আনাচে কানাচে এটাই এখন একমাত্র প্রশ্ন। তার উত্তর সঠিকভাবে সরকারের কাছে নেই। কখনও শোনা যাচ্ছে ১৫ আগস্ট, কখনও সেপ্টেম্বর, তো কখনও ডিসেম্বর। আর মোদি ক্যাবিনেটের লোকজন সে সবে আলোকপাত না করে পাঁপড় খাওয়াচ্ছেন। তাহলে আর কোটি কোটি টাকা খরচ করে গবেষণার দরকার কী! পাঁপড় খেলেই তো হয়! দেশকে ঠিক কী দিশা দেখাবেন এই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা? সম্পূর্ণ দোষ অবশ্য এই প্রতিনিধিদের উপর চাপানো যায় না! কারণ, সবটাই যে চলছে মার্কেটিংয়ে। সেই প্রথম ইনিংস থেকে। আর এক্ষেত্রে তো মন্ত্রী নিজে একটি কোম্পানির পণ্য হাতে তুলছেন, প্রচার করছেন, আর তার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করছেন করোনার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রচারে একটি পণ্য যে ডিভিডেন্ড দেবে, স্বয়ং মাধুরী দীক্ষিতও তার ধারকাছে পৌঁছতে পারবেন না। কারণ, বলিউড অভিনেতা বা অভিনেত্রী এমন কিছু করলে মানুষ বুঝবে, এটা বিজ্ঞাপন। টাকার বিনিময়ে তিনি করছেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি আসরে নামলে? আর টাকা বা বিজ্ঞাপনের প্রশ্ন মাথায় থাকবে না!
সত্যিই তো, ‘বুলবুল ভাজা’ বেচার জন্য এত ভালো ‘রবি ঘোষ’ কোথায় পাওয়া যাবে? 
28th  July, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
চীন ‘মাকড়শা’ হলে ভারত তার ‘শিকার’
পি চিদম্বরম

 দ্য স্পাইডার্স ওয়েব। মানে মাকড়শার জাল। এই সম্পর্কে তথ্য জানতে যদি ইন্টারনেট সার্চ করেন, তবে আপনি জিনিসটাকে পাবেন—‘সিক্স সারপ্রাইজিং ফ্যাক্টস অ্যাবাউট স্পাইডারওয়েবস’ হিসেবে। মানে মাকড়শার জাল সম্পর্কে ছয়টি অবাক করা সত্য।
বিশদ

27th  July, 2020
এক দেশ এক দল
মানুষ মানবে না
হিমাংশু সিংহ

 ভারতের আত্মা বেঁচে রয়েছে বহুত্ববাদে। বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায়। নানা বৈচিত্র ও ভিন্নমুখী ধারার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ঐক্য ও সংহতির মূল মন্ত্র। এক কথায়, বিবিধের মাঝে মিলন মহান। এটাই ভারতের চিরন্তন শক্তি।
বিশদ

26th  July, 2020
করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর
সামাজিক বয়কটের যন্ত্রণা

তন্ময় মল্লিক

একটা সময় সামাজিক বয়কট ছিল বিরোধীকে ঘায়েলের হাতিয়ার। গ্রামের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ ছিল। করোনা আবহে তা ডানা মেলেছে শহুরে শিক্ষিত সমাজেও। কুসংস্কার দূর হয় শিক্ষার আলোয়। কিন্তু শিক্ষিত মানুষের অন্ধকার দূর হবে কোন আলোর ছোঁয়ায়?
বিশদ

25th  July, 2020
 কিছুতেই মমতা হতে
পারবেন না পাইলটরা
সমৃদ্ধ দত্ত

একটি রাজনৈতিক দলে কোনও এক নেতা অথবা কর্মী যোগ্য সম্মান না পেলে তিনি ক্ষুব্ধ হন। চাহিদা এবং মনোবাসনা অনুযায়ী যথাযথ পদ কিংবা দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হচ্ছে না দেখলে, ধীরে ধীরে রাগ এবং হতাশা তৈরি হয়। এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। নতুন কিছুও নয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং পশ্চিমবঙ্গেও সব দলে এরকম বহু নেতা কর্মী আছেন, যাঁদের ঠিক এরকমই মনোভাব অতীতে তৈরি হয়েছে কিংবা এখনও ওই ক্ষোভ রয়েছে দলের বিরুদ্ধে।
বিশদ

24th  July, 2020
আজকের রাজনীতিতে
পণ্ডিত মৈত্রের প্রাসঙ্গিকতা
হারাধন চৌধুরী

দেশ আজ মহামারীর কবলে। প্রথম কর্তব্য রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। যে যুদ্ধে জয়টাই একমাত্র লক্ষ্য। একমাত্র শর্ত। তার জন্য হয়েছে লম্বা লকডাউন। বেশিরভাগ আর্থিক ক্ষেত্র ধসে পড়েছে। কোটি কোটি মানুষ পড়েছে তীব্র সঙ্কটে। সকালে খাবার জুটলে তারা নিশ্চিত নয় রাতে কী খাবে।
বিশদ

23rd  July, 2020
অযোধ্যা নেপালে শুনে
অবাক স্বয়ং শ্রীরামচন্দ্র
সন্দীপন বিশ্বাস

বিষ্ণুলোকের রাজসভায় রামচন্দ্র বসে আছেন। সভায় সেদিন মর্ত্যলোকের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। লক্ষ্মণ, ভরত, শত্রুঘ্ন ছাড়াও সেদিন সভায় উপস্থিত ভৃগু, আঙ্গিরস, কাশ্যপ, বশিষ্ঠ প্রমুখ। ভৃগু বললেন, ‘হে রঘুবীর, মর্ত্যের অধিবাসীগণ বড়ই বাচাল।
বিশদ

22nd  July, 2020
কঠিন সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে,
ব্যক্তি নয় বড় প্রতিষ্ঠান
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সবেমাত্র ভোরের আলোর রেখাটুকু দেখা যাচ্ছে আকাশে। লুটিয়েন’স দিল্লির রাজপথে চলেছে একটি সাইকেল। পিছনের চাকার পাশে ক্যারিয়ারের সঙ্গে বাঁধা ক্যান। দুধওয়ালা... কতই বা বয়স হবে? ১৩ কী ১৪ বছর! গাজিয়াবাদের ছেলে। বাবা মারা যাওয়ার পর চলে এসেছিল দিল্লিতে... কাকার সঙ্গে।
বিশদ

21st  July, 2020
ডেপসাং অথবা ডোকলামের পথে
পি চিদম্বরম

 রহস্যের জট খুলে যাচ্ছে। গত সপ্তাহে লিখেছিলাম যে, 'অর্থনীতির দ্রুত পতনের কারণে ভারত যে দুর্বল হয়ে পড়েছে মিস্টার জি মনে হয় সেটা নিখুঁতভাবে ধরতে পেরেছিলেন—২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর মহাবলীপুরমে। অন্যদিকে, বোধহয় মিস্টার জি-র মতলবটা মোদিজি ঘুণাক্ষরেও টের পাননি।'
বিশদ

20th  July, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি: একটা সময় ছিল যখন ক্রিকেট দুনিয়া তারিয়ে উপভোগ করত বাইশগজে তাঁদের ব্যাট-বলের লড়াই। একদিকে ব্রেট লি। গতির আগুনে যিনি বিপক্ষের ব্যাটিংকে ছারখার করে দিতেন। ...

ওয়াশিংটন: ক্ষমতা দেখাতে পুরো বিশ্বকে নিজেদের নাগালের মধ্যে আনতে উঠেপড়ে লেগেছে চীন। এবার তাদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জবাব দেওয়ার সময় এসেছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসে এই ভাষাতেই চীনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠলেন মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: করোনা পরিস্থিতিতে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা কবে, তা নিয়ে শুক্রবারও সুপ্রিম কোর্টে ফয়সালা হল না। আগামী ১০ আগস্ট ফের শুনানি হবে।   ...

সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: শুক্রবার বাগডোগরা থানার রানিডাঙা এসএসবি ক্যাম্পের মুখোমুখি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এটিএম কাউন্টারে সিসি ক্যামেরা, এসির বৈদ্যুতিক কেবল ছেঁড়া এবং রিসিভ স্লিপ তছনছ অবস্থায় থাকায় লুটের আতঙ্ক ছড়ায়। যদিও পুলিসের দাবি, সেখানে লুটপাটের কোনও ঘটনা ঘটেনি।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিতর্ক-বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম-পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থোপার্জনের সুযোগ।প্রতিকার: অন্ধ ব্যক্তিকে সাদা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৪- অক্সিজেনের আবিষ্কার করেন যোশেফ প্রিস্টলি
১৮৪৬ - বাংলার নবজাগরণের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব দ্বারকানাথ ঠাকুরের মৃত্যু
১৯২০ – স্বাধীনতা সংগ্রামী বালগঙ্গাধর তিলকের মৃত্যু
১৯২০- অসহযোগ আন্দোলন শুরু করলেন মহাত্মা গান্ধী
১৯২৪ -ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার ফ্রাঙ্ক ওরেলের জন্ম
১৯৩২- অভিনেত্রী মীনাকুমারীর জন্ম
১৯৫৬- ক্রিকেটার অরুণলালের জন্ম।
১৯৯৯- সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৫৩ টাকা ৯৯.৯০ টাকা
ইউরো ৮৭.৪০ টাকা ৯০.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী ৪১/৪৮ রাত্রি ৯/৫৫। মূলানক্ষত্র ৪/২ দিবা ৬/৪৮। সূর্যোদয় ৫/১১/৪৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৫ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫০ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৬ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫০ গতে উদয়াবধি। 
১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী রাত্রি ৯/৪৮। মূলানক্ষত্র দিবা ৭/৫৩। সূর্যোদয় ৫/১১, সূর্যাস্ত ৬/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩০ গতে ১/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৯ গতে ১০/৩৮ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে ও ২/১৩ গতে ৩/৩৯ ম঩ধ্যে। কালবেলা ৬/৪৯ মধ্যে ও ১/২২গতে ৩/০ মধ্যে ও ৪/৩৯ গতে ৬/১৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৯ মধ্যে ও ৩/৪৯ গতে ৫/১১ মধ্যে।  
১০ জেলহজ্জ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজকের রাশিফল  
মেষ: নানা উপায়ে অর্থোপার্জনের সুযোগ। বৃষ: কর্মক্ষেত্রে উচ্চাশাপূরণ। মিথুন: গুরুজনের স্বাস্থ্যোন্নতি। ...বিশদ

07:11:04 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৭৭৪- অক্সিজেনের আবিষ্কার করেন যোশেফ প্রিস্টলি১৮৪৬ - বাংলার নবজাগরণের উল্লেখযোগ্য ...বিশদ

07:03:20 PM

করোনা: রাজ্যে আক্রান্ত আরও ২৫৮৯ জন  
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫৮৯ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

08:42:26 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ৯,৬০১ জন, মৃত ৩২২ 

08:41:24 PM

কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পজিটিভ ৫,১৭২ জন, মৃত ৯৮ 

07:56:50 PM

করোনা: কেরলে নতুন করে আক্রান্ত আরও ১১২৯, মোট আক্রান্ত ১০৮৬২ 

07:50:00 PM