Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর
সামাজিক বয়কটের যন্ত্রণা

তন্ময় মল্লিক

‘সন্ধের মধ্যেই বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হবে। কথা না শুনলে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেব। তখন সবকটা পুড়ে মরবে।’ না, এটা কোনও সিনেমার সংলাপ বা কোনও মাফিয়া গ্যাংয়ের চমকানিও নয়। এটা ছিল হুগলি জেলার গোঘাটের সন্তোষপুরে কাশীনাথ মণ্ডলের বাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে মাতব্বরদের হুমকি। মেয়ে ও জামাইয়ের সংক্রামিত হওয়ার খবরে মুষড়ে পড়েছিলেন সকলে।
তারপরই গ্রামের কিছু মাতব্বরের এই শাসানিতে কাঁপছিলেন কাশীনাথবাবু। হাতজোড় করে বলেছিলেন, ‘স্বাস্থ্যদপ্তর মেয়ে-জামাইকে
বাড়িতেই থাকতে বলেছে। আমরা কেউ বাড়ির বাইরে বেরব না। আপনারা একটু দয়া করুন।’ কেউ কানে নেয়নি কথা। উল্টে ভিলেনের স্টাইলে ‘কথাটা মনে থাকে যেন’ বলে চলে গিয়েছিল।
মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল কাশীনাথবাবুর। মেয়ে, জামাইকে এই রাতে কোথায় পাঠাবেন, কী করবেন, সেই ভাবনায় অস্থির হয়ে উঠেছিলেন। ভেবেছিলেন, রাতটা কাটলে কিছু একটা ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু, কিছুক্ষণ পরই ফের পড়েছিল দরজায় টোকা। জানতে চেয়েছিল, মেয়ে-জামাই চলে
গিয়েছে কি না? কাশীনাথবাবুর উত্তরের অপেক্ষা
না করেই মাতব্বরের হুঙ্কার, রাত ১১টার পর এক মিনিটও অপেক্ষা করব না। বাড়িতে আগুন জ্বলবে। তখন সব্বাই পুড়ে মরবে।
এরপর আর মেয়ে-জামাইকে বাড়িতে রাখার সাহস হয়নি। চোখের জল ফেলতে ফেলতে অভুক্ত মেয়ে-জামাইকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন। এমন কষ্ট মেয়েকে প্রথম শ্বশুরবাড়ি পাঠানোর দিনটাতেও পাননি। মেয়েকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর মানসিক প্রস্তুতি তাঁর ছিল। কিন্তু রাতের অন্ধকারে অভুক্ত মেয়ে-জামাইকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিতে হবে... কোনওদিন কল্পনাও করেননি। আর সেটাই তাঁকে করতে হল।
করোনার আতঙ্ক শুষে নিচ্ছে মানুষের শুভবুদ্ধি। বহু শিক্ষিত লোকজনও অশিক্ষিতের মতো আচরণ করছে। বিষয়টি জানার পরেও পুলিস ব্যবস্থা নেয়নি। তাই সাহস বেড়েছে মাতব্বরদের। পরবর্তী ফতোয়া, ‘মেয়ে-জামাই সুস্থ হলেও ফিরতে পারবে না গ্রামে।’
কাশীনাথবাবুর মেয়ে ও জামাইয়ের ঠিকানা এখন সরকারের ‘সেফ হাউস’। দু’জনই উপসর্গহীন। কাশীনাথবাবুর মেয়ে বলেন, অন্য রাজ্য থেকে ফিরে নমুনা দিয়ে প্রশাসনের নির্দেশে বাপের বাড়িতে আলাদা থাকতাম। রিপোর্ট পজিটিভ জানা মাত্র দরজায় খিল দিয়েছিলাম। কিন্তু গ্রামেরই কিছু মানুষ আমাদের দূর দূর করে তাড়িয়ে দিল। করোনায় আক্রান্ত হওয়া তো কোনও পাপ নয়! আমরা তো কোনও অপরাধ করিনি! তাহলে কেন আমাদের এই শাস্তি পেতে হল? এর বিচার চাই। প্রশাসন চুপ থাকলে আরও ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটবে।
কাশীনাথবাবুর মেয়ের আশঙ্কা দু’দিনের মাথায় সত্যি হয়েছে। তাঁদেরই ব্লকের বিডিও সুরশ্রী পাল হয়েছেন অমানবিক আচরণের শিকার। আরামবাগ শহরের মাঠপাড়ায় ভাড়া থাকতেন গোঘাটের বিডিও। এলাকার প্রায় প্রত্যেকেই উচ্চশিক্ষিত এবং প্রতিষ্ঠিত। যে বাড়িতে বিডিও থাকতেন, তার মালিক সরকারি অফিসার, স্ত্রী আরামবাগ গার্লস হাইস্কুলের শিক্ষিকা। দু’জনই ‘উচ্চশিক্ষিত’। কিন্তু তাঁদের কৃতকর্মের জন্য লজ্জায় হেঁট হচ্ছে অক্ষরজ্ঞানহীন মানুষের মাথাও।
অফিসের দুই কর্মী করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় বিডিও সারারাত নিজে দাঁড়িয়ে থেকে অফিস ও সংলগ্ন এলাকা স্যানিটাইজ করিয়েছিলেন। তারপর রবিবার দুপুরে ফিরছিলেন আরামবাগের ভাড়াবাড়িতে। সঙ্গে ছিল তাঁর আট বছরের মেয়ে ও স্বামী। কিন্তু বাড়িতে ঢোকার মুখে তাঁদের পথ
আগলে দাঁড়ান পদস্থ সরকারি অফিসার বাড়িওয়ালা ও তাঁর শিক্ষিকা স্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন পাড়ার তথাকথিত কিছু শিক্ষিত ও স্বাস্থ্য সচেতন লোকজন। বিডিওর করোনা পরীক্ষার দাবি তাঁদের থাকতেই পারে। কিন্তু, সেটা জানানোর একটা
পদ্ধতি আছে। কিন্তু, বাড়িতে ঢুকতে না দিয়ে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে সেই দাবি জানানো কিছুতেই সুস্থ মানসিকতার লক্ষণ হতে পারে না।
দেশের আইন বিডিওকে প্রচুর ক্ষমতা দিয়েছে। কিন্তু বিডিও সেই ক্ষমতা না দেখিয়ে হাতজোড় করেছিলেন। রোদের মধ্যে ঘণ্টা খানেক অনুনয় বিনয়ের পরেও বরফ গলেনি। উল্টে তাদের দাপট বেড়েছিল। বিডিওর উদারতাকে বিক্ষোভকারীরা দুর্বলতা বলে ভুল করেছিল।
এই হুগলি জেলাতেই করোনা যোদ্ধা হিসেবে কাজ করতে করতে পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছেন চন্দননগরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট দেবদত্তা রায়। তাঁর চার বছরের ছোট্ট ছেলেটা হয়েছে মাতৃহারা। তার ক্ষতি কেউ কোনওদিন পূরণ করতে পারবে না। তারপরও কোনও করোনা যোদ্ধা লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালাননি। বুক চিতিয়ে লড়ে যাচ্ছেন। লড়াই চালাতে গিয়ে চিকিৎসক, নার্স তো বটেই, করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন বহু পুলিস, ডব্লুবিসিএস অফিসার। তারপরেও প্রথম সারির একজন করোনা যোদ্ধাকে এভাবে হেনস্তা! এরা শুধু নিজেদের নয়, সমাজটাকে কলঙ্কিত করছে। এদের কলঙ্কের কালো দাগ সমুদ্রের সব জল দিয়ে ধুলেও মোছা যাবে না।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার সরশুনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিষ্ণুপুর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সৈকত বসুর দাদা সুদীপ্তবাবু। সৈকতবাবুর ‘অপরাধ’, তিনি করোনা রোগীদের চিকিৎসা করেন। তাঁর ‘অপরাধ’ তিনি করোনা আক্রান্ত উপসর্গহীন রোগীদের সেফ হাউসে রেখে দেখভাল করেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আক্রান্তদের সুস্থ করে বাড়ি পাঠাচ্ছেন। তাই তিনি নাকি অস্পৃশ্য! তিনি বাড়ি ফিরলেই ছড়িয়ে পড়বে ভাইরাস। আর সেই কারণে জারি হয়েছিল হুলিয়া, ‘বাড়ি ফিরতে পারবেন না ডাক্তার।’
সেই নির্দেশ না মেনে থলি নিয়ে বাজারে বেরিয়েছিলেন সৈকতবাবুর দাদা। মাতব্বরদের নির্দেশ অমান্য করায় তাঁর দাদা সুদীপ্তবাবুকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটানো হয়েছে। মাথায় পড়েছে লোহার রড। পায়ে দেওয়া হয়েছে বাইকের গরম সাইলেন্সারের ছ্যাঁকা। তাতেই তৈরি হয়েছে দগদগে ঘা। একদিন না একদিন মলমের প্রলেপে মিলিয়ে যাবে এই ক্ষত। কিন্তু তাঁদের মনের গভীরে যে দগদগে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে, তা মেলাবে কীসে?
হেনস্তার তালিকা দিন দিন লম্বা হচ্ছে। সেই তালিকায় বিডিও, পুলিস, চিকিৎসক, নার্স, চিকিৎসকদের পরিবার, এমনকী যুক্ত হয়ে গিয়েছেন করোনা আক্রান্ত রোগীও। ঘটনাটি খোদ কলকাতার বুকে পাটুলিতে। আবাসনের করোনা আক্রান্ত
এক ব্যক্তিকে করা হয়েছে জুতোপেটা। অভিযোগ উঠেছে তাঁর সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর সঙ্গে অভব্য
আচরণের। রয়েছে পাল্টা অভিযোগও। অভিযোগকারী এবং অভিযুক্ত প্রত্যেকেই শিক্ষিত। অভিযোগের সত্যাসত্য বিচার করবে পুলিস-প্রশাসন, আদালত। কিন্তু, চরম সঙ্কটকালে এমন অভিযোগ ওঠাটাই আমাদের জন্য বড় লজ্জার।
করোনা আবহে রাজ্যজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে সামাজিক বয়কটের পরিস্থিতি। কেউ করোনায় আক্রান্ত
হলেই অধিকাংশ জায়গায় লোকজন তাঁকে এলাকাছাড়া করতে উঠেপড়ে লাগছে। প্রতিবেশীরা তাকাচ্ছেন বাঁকা চোখে। খোঁজ নেওয়া বা সাহায্য
করা তো দূরের কথা, উল্টে বাড়ির দুধওয়ালাকে শাসাচ্ছে, ‘অমুকের করোনা হয়েছে। ওই বাড়িতে
দুধ দিলে মেরে ঠ্যাং ভেঙে দেব।’ এইভাবেই দিকে দিকে করোনা আক্রান্তকে বিদ্ধ করা হচ্ছে নিদারুণ মানসিক যন্ত্রণায়। কোভিড মুক্ত হলেই আক্রান্ত হবেন সুস্থ, কিন্তু প্রতিবেশীদের সামাজিক বয়কটের এই যন্ত্রণা থেকে যাবে বহুদিন।
করোনা হু হু করে বাড়ছে। হাসপাতালে বেডের আকাল। সেফ হাউসের সংখ্যাও কম। আক্রান্তকে নিয়ে যাওয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে বাড়িতে থাকতে না দিলে রোগীগুলো যাবে কোথায়? যারা মাতব্বরি করছে তারা কি একবারও ভেবে দেখেছে, তাদের পরিবারের কেউ আক্রান্ত হলে কী করবে? কোথায় যাবে? নাকি তারা করোনারও ধরাছোঁয়ার বাইরে!
অজ্ঞতাই জন্ম দেয় কুসংস্কারের। তাই পিছিয়ে পড়া সমাজের যে প্রান্তে শিক্ষার আলো পৌঁছয়নি, সেখানে এখনও ডাইনি প্রথা বিদ্যমান। অপুষ্টি বা রোগের কারণে বারবার কেউ ভুগলে বহু মানুষ ডাক্তারের চেয়েও বেশি ভরসা করে ওঝা বা গুনিনের উপর। আর মারা গেলে তো কথাই নেই। গুনিন নানা
ছলাকলা করে জানিয়ে দেয়, কার জন্য বারবার রোগে ভোগা বা মৃত্যু। গুনিনের অঙ্গুলিহেলনেই পাড়ার কোনও অসহায় বৃদ্ধা বা মহিলাকে ‘ডাইনি’ বলে চিহ্নিত হতে হয়। তারপর পুজো, যজ্ঞ, বলির নামে তাঁকে করা হয় মোটা জরিমানা। টাকা দিতে না পারলে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ অথবা শুরু হয় সামাজিক বয়কট। এসবই অশিক্ষার ফসল।
একটা সময় সামাজিক বয়কট ছিল বিরোধীকে ঘায়েলের হাতিয়ার। গ্রামের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ
ছিল। করোনা আবহে তা ডানা মেলেছে শহুরে
শিক্ষিত সমাজেও। কুসংস্কার দূর হয় শিক্ষার
আলোয়। কিন্তু শিক্ষিত মানুষের অন্ধকার দূর হবে কোন আলোর ছোঁয়ায়?
25th  July, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
চীন ‘মাকড়শা’ হলে ভারত তার ‘শিকার’
পি চিদম্বরম

 দ্য স্পাইডার্স ওয়েব। মানে মাকড়শার জাল। এই সম্পর্কে তথ্য জানতে যদি ইন্টারনেট সার্চ করেন, তবে আপনি জিনিসটাকে পাবেন—‘সিক্স সারপ্রাইজিং ফ্যাক্টস অ্যাবাউট স্পাইডারওয়েবস’ হিসেবে। মানে মাকড়শার জাল সম্পর্কে ছয়টি অবাক করা সত্য।
বিশদ

27th  July, 2020
এক দেশ এক দল
মানুষ মানবে না
হিমাংশু সিংহ

 ভারতের আত্মা বেঁচে রয়েছে বহুত্ববাদে। বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায়। নানা বৈচিত্র ও ভিন্নমুখী ধারার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ঐক্য ও সংহতির মূল মন্ত্র। এক কথায়, বিবিধের মাঝে মিলন মহান। এটাই ভারতের চিরন্তন শক্তি।
বিশদ

26th  July, 2020
 কিছুতেই মমতা হতে
পারবেন না পাইলটরা
সমৃদ্ধ দত্ত

একটি রাজনৈতিক দলে কোনও এক নেতা অথবা কর্মী যোগ্য সম্মান না পেলে তিনি ক্ষুব্ধ হন। চাহিদা এবং মনোবাসনা অনুযায়ী যথাযথ পদ কিংবা দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হচ্ছে না দেখলে, ধীরে ধীরে রাগ এবং হতাশা তৈরি হয়। এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। নতুন কিছুও নয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং পশ্চিমবঙ্গেও সব দলে এরকম বহু নেতা কর্মী আছেন, যাঁদের ঠিক এরকমই মনোভাব অতীতে তৈরি হয়েছে কিংবা এখনও ওই ক্ষোভ রয়েছে দলের বিরুদ্ধে।
বিশদ

24th  July, 2020
আজকের রাজনীতিতে
পণ্ডিত মৈত্রের প্রাসঙ্গিকতা
হারাধন চৌধুরী

দেশ আজ মহামারীর কবলে। প্রথম কর্তব্য রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। যে যুদ্ধে জয়টাই একমাত্র লক্ষ্য। একমাত্র শর্ত। তার জন্য হয়েছে লম্বা লকডাউন। বেশিরভাগ আর্থিক ক্ষেত্র ধসে পড়েছে। কোটি কোটি মানুষ পড়েছে তীব্র সঙ্কটে। সকালে খাবার জুটলে তারা নিশ্চিত নয় রাতে কী খাবে।
বিশদ

23rd  July, 2020
অযোধ্যা নেপালে শুনে
অবাক স্বয়ং শ্রীরামচন্দ্র
সন্দীপন বিশ্বাস

বিষ্ণুলোকের রাজসভায় রামচন্দ্র বসে আছেন। সভায় সেদিন মর্ত্যলোকের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। লক্ষ্মণ, ভরত, শত্রুঘ্ন ছাড়াও সেদিন সভায় উপস্থিত ভৃগু, আঙ্গিরস, কাশ্যপ, বশিষ্ঠ প্রমুখ। ভৃগু বললেন, ‘হে রঘুবীর, মর্ত্যের অধিবাসীগণ বড়ই বাচাল।
বিশদ

22nd  July, 2020
কঠিন সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে,
ব্যক্তি নয় বড় প্রতিষ্ঠান
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সবেমাত্র ভোরের আলোর রেখাটুকু দেখা যাচ্ছে আকাশে। লুটিয়েন’স দিল্লির রাজপথে চলেছে একটি সাইকেল। পিছনের চাকার পাশে ক্যারিয়ারের সঙ্গে বাঁধা ক্যান। দুধওয়ালা... কতই বা বয়স হবে? ১৩ কী ১৪ বছর! গাজিয়াবাদের ছেলে। বাবা মারা যাওয়ার পর চলে এসেছিল দিল্লিতে... কাকার সঙ্গে।
বিশদ

21st  July, 2020
ডেপসাং অথবা ডোকলামের পথে
পি চিদম্বরম

 রহস্যের জট খুলে যাচ্ছে। গত সপ্তাহে লিখেছিলাম যে, 'অর্থনীতির দ্রুত পতনের কারণে ভারত যে দুর্বল হয়ে পড়েছে মিস্টার জি মনে হয় সেটা নিখুঁতভাবে ধরতে পেরেছিলেন—২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর মহাবলীপুরমে। অন্যদিকে, বোধহয় মিস্টার জি-র মতলবটা মোদিজি ঘুণাক্ষরেও টের পাননি।'
বিশদ

20th  July, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি: একটা সময় ছিল যখন ক্রিকেট দুনিয়া তারিয়ে উপভোগ করত বাইশগজে তাঁদের ব্যাট-বলের লড়াই। একদিকে ব্রেট লি। গতির আগুনে যিনি বিপক্ষের ব্যাটিংকে ছারখার করে দিতেন। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: করোনা পরিস্থিতিতে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা কবে, তা নিয়ে শুক্রবারও সুপ্রিম কোর্টে ফয়সালা হল না। আগামী ১০ আগস্ট ফের শুনানি হবে।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের সংশোধনাগারগুলিতে যা জায়গা রয়েছে, তার তুলনায় বন্দির সংখ্যা ২৩ শতাংশ বেশি। দু’হাজারেরও বেশি বিচারাধীন বন্দিকে আগাম জামিন ও আসামিদের প্যারোলে ছাড়ার পরেও এই অবস্থা।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নতুন পলিসির ক্ষেত্রে প্রথম বছরের প্রিমিয়াম বাবদ প্রায় ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকার ব্যবসা করল লাইফ ইনসিওরেন্স কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিতর্ক-বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম-পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থোপার্জনের সুযোগ।প্রতিকার: অন্ধ ব্যক্তিকে সাদা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৪- অক্সিজেনের আবিষ্কার করেন যোশেফ প্রিস্টলি
১৮৪৬ - বাংলার নবজাগরণের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব দ্বারকানাথ ঠাকুরের মৃত্যু
১৯২০ – স্বাধীনতা সংগ্রামী বালগঙ্গাধর তিলকের মৃত্যু
১৯২০- অসহযোগ আন্দোলন শুরু করলেন মহাত্মা গান্ধী
১৯২৪ -ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার ফ্রাঙ্ক ওরেলের জন্ম
১৯৩২- অভিনেত্রী মীনাকুমারীর জন্ম
১৯৫৬- ক্রিকেটার অরুণলালের জন্ম।
১৯৯৯- সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৫৩ টাকা ৯৯.৯০ টাকা
ইউরো ৮৭.৪০ টাকা ৯০.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী ৪১/৪৮ রাত্রি ৯/৫৫। মূলানক্ষত্র ৪/২ দিবা ৬/৪৮। সূর্যোদয় ৫/১১/৪৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৫ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫০ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৬ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫০ গতে উদয়াবধি। 
১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী রাত্রি ৯/৪৮। মূলানক্ষত্র দিবা ৭/৫৩। সূর্যোদয় ৫/১১, সূর্যাস্ত ৬/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩০ গতে ১/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৯ গতে ১০/৩৮ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে ও ২/১৩ গতে ৩/৩৯ ম঩ধ্যে। কালবেলা ৬/৪৯ মধ্যে ও ১/২২গতে ৩/০ মধ্যে ও ৪/৩৯ গতে ৬/১৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৯ মধ্যে ও ৩/৪৯ গতে ৫/১১ মধ্যে।  
১০ জেলহজ্জ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: রাজ্যে আক্রান্ত আরও ২৫৮৯ জন  
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫৮৯ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

08:42:26 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ৯,৬০১ জন, মৃত ৩২২ 

08:41:24 PM

কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পজিটিভ ৫,১৭২ জন, মৃত ৯৮ 

07:56:50 PM

করোনা: কেরলে নতুন করে আক্রান্ত আরও ১১২৯, মোট আক্রান্ত ১০৮৬২ 

07:50:00 PM

করোনা: গত ২৪ ঘণ্টায় তামিলনাড়ুতে আক্রান্ত ৫৮৭৯, মৃত্যু ৯৯ জনের 

06:43:13 PM

হায়দরাবাদে ব্যাপক বৃষ্টি জলমগ্ন একাধিক এলাকা 

06:35:00 PM