Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আজকের রাজনীতিতে
পণ্ডিত মৈত্রের প্রাসঙ্গিকতা
হারাধন চৌধুরী

দেশ আজ মহামারীর কবলে। প্রথম কর্তব্য রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। যে যুদ্ধে জয়টাই একমাত্র লক্ষ্য। একমাত্র শর্ত। তার জন্য হয়েছে লম্বা লকডাউন। বেশিরভাগ আর্থিক ক্ষেত্র ধসে পড়েছে। কোটি কোটি মানুষ পড়েছে তীব্র সঙ্কটে। সকালে খাবার জুটলে তারা নিশ্চিত নয় রাতে কী খাবে। অর্থব্যবস্থা স্মরণকালের ভিতরে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। অর্থনীতির চাকা ধীরে ধীরে সচল করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে ধাপে ধাপে আনলক কৌশল। এই অবসরে বাড়ানো হচ্ছে চিকিৎসার সুযোগ। প্রতিষেধক তৈরির জন্য মরিয়া গবেষকরা। অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কৌশলটা যখন আয়ত্তে চলে এসেছে বলে আমরা আশান্বিত, ঠিক তখনই উঁকি দিচ্ছে গোষ্ঠী সংক্রমণের রক্তচক্ষু। দুঃসংবাদ কানে আসেছ, দেশ-বিদেশে প্রশংসিত ‘কেরল মডেল’ ফেল করেছে! একাধিক ছোট রাজ্য একটা সময় করোনা-শূন্য হয়ে গেছিল। পরে প্রমাণিত হল সবই সাময়িক। সংক্রমণ এবং মৃত্যু হাত ধরাধরি করে বাড়ছে। আগের দিনের রেকর্ড ভেঙে যাচ্ছে পরের দিন! জীবনের সঙ্গে জীবিকার অভূতপূর্ব দ্বন্দ্ব! এগলেও বিপদ, বিপদ পিছলেও। কী করবে সরকার? কী করবে বিজ্ঞান? কী করবে মানুষ? অতএব, সরকারকে কৌশলগত নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নামতে হচ্ছে।
ভারতের রাজনীতির সবচেয়ে কুখ্যাতি এই যে, ভয়ানক সঙ্কীর্ণ। পুরোপুরি দলসর্বস্ব। ক্ষমতার লোভে ভরপুর। দলের মন্দটাকেও নির্বিকার চিত্তে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা দেওয়ার উমেদারি করেন নেতৃত্ব। বিরোধী দলের সবটাই খারাপ। অন্যদিকে, মহামারীর সবটাই খারাপ নয়। মহামারী আমাদের অনেক শিক্ষা দিয়েছে। দেখিয়ে দিয়েছে আমাদের আচরণের ত্রুটি। চিন্তার দৈন্য। বুঝিয়ে দিচ্ছে—ঘরে, বাইরে কীভাবে বদলে ফেলতে হবে নিজেদের। মানুষের প্রত্যাশা ছিল, দেশের রাজনীতিও এই সুযোগটা নেবে। শুধরে নেবে প্রয়োজন মতো। নিজেদের বদলে ফেলবে। আদর্শ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে যত্নবান হবে। উন্নত গণতন্ত্রে উত্তরণ আমাদের লক্ষ্য। সেইমতো নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য হয়ে উঠবে ভারতীয় রাজনীতি। কিন্তু হতাশার সঙ্গে আমরা দেখছি যে, দারিদ্র্যসীমার নীচের মানুষের প্রাপ্য খয়রাতি থেকেও কমিশন কেড়ে নিচ্ছে রাজনীতির পেশায় জড়িত কিছু পাষণ্ড। বানরের পিঠে ভাগ নিয়ে মারামারি, মাথা ফাটাফাটিও অব্যাহত। পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখলের ট্রাডিশনও অব্যাহত। সেখানে পরোক্ষে শকুনির ভূমিকায় অবতীর্ণ প্রধান দলগুলির স্বয়ং সর্বোচ্চ নেতৃত্ব। মহামারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধটা যে তাতে লক্ষ্যভ্রষ্ট হচ্ছে, গতি হারাচ্ছে তাতে সন্দেহ কী।
এরকম একটা দিশাহীন পরিস্থিতিতে আজ, ২৩ জুলাই পূর্ণ হচ্ছে লক্ষ্মীকান্ত মৈত্রের জন্মের একশো পঁচিশ বছর। আজকের প্রজন্মের কাছে তিনি বিশেষ পরিচিত নন। অথচ, এটা কাম্য ছিল না। তবুও বাস্তব। কারণ সেই পুরনো রোগ। স্মরণীয় মনীষীর তকমা পেতেও জরুরি দলীয় রাজনীতির অনুকম্পা। যে-পরিবার দেশকে সবচেয়ে বেশিদিন শাসন করেছে, তার ‘ইয়েস ম্যান’ না-হওয়াটাই অনেকাংশে অযোগ্যতা। বড় প্রমাণ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ। তাঁদের গায়ে তো শ্যামাপ্রসাদের (মুখোপাধ্যায়) মতো হিন্দুত্বের গন্ধ ছিল না! তবুও কেন তাঁদের জন্য সম্মানের প্রথম সারি বরাদ্দ হয়নি? ব্যাখ্যা এরপর নিষ্প্রয়োজন। এই আক্ষেপ মনে রেখেও আমাদের আজকের কর্তব্য লক্ষ্মীকান্ত মৈত্রকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা। তাঁর পিতৃদত্ত নামের পূর্বে বসত ‘পণ্ডিত’ কথাটি। এটা তাঁর জাতিগত বা আঞ্চলিক পরিচয় বহন করত না। বহু কৌণিক প্রতিভাধর মানুষটির পাণ্ডিত্যের পরিচয়সূচক। সেসময় সংসদে তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে ‘পণ্ডিত’ বলে সম্বোধন করা হতো। অন্য দু’জন ছিলেন জওহরলাল নেহরু এবং মদনমোহন মালব্য।
পণ্ডিত মৈত্র পেশায় ছিলেন আইনজীবী। প্র্যাকটিস করেছেন প্রথমে ফেডারেল কোর্টে। পরে সুপ্রিম কোর্টে। সংস্কৃত, ভারতীয় দর্শন, ইতিহাস, অর্থনীতি, সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সংবিধান, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি প্রভৃতি বিষয়ে ছিল তাঁর অবাধ বিচরণ। তাঁর সংসদীয় জীবনের সূচনা ১৯৩৪-এ। বিধানসভার সদস্য হিসেবে। ছিলেন গণপরিষদ, প্রভিশনাল পার্লামেন্ট এবং প্রথম লোকসভার সদস্য। সুবক্তা। স্বভাবগতভাবে ছিলেন ইংরেজের কট্টর সমালোচক। তাঁর সমালোচনায় বিদ্ধ হয়েছেন প্রথম প্রধানমন্ত্রীও। দেশভাগের পর হিন্দু শরণার্থীর অবিরাম স্রোত ছিল সেদিনের ‘নিউ নর্মাল’। কিন্তু উদ্বাস্তুদের প্রতি সরকারের অবহেলা মানতে পারেননি। তর্জনী সবসময় উঁচু ছিল পূর্ববঙ্গ থেকে আসা উদ্বাস্তুদের অসহনীয় দুর্দশা নিয়ে। পাকিস্তানে সংখ্যালঘুরা কীভাবে ‘রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের শিকার’ হচ্ছিলেন, সেটা তিনি সংসদকে নানাভাবে অবহিত করতেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, সংশয়াতীতভাবেই পাকিস্তান একটা ‘থিয়োক্র্যাটিক ইসলামিক স্টেট’। কোন কাণ্ডজ্ঞানে সেখানে অমুসলিম সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার প্রত্যাশা করা সম্ভব! ১৯৫০-এর ১৭ মার্চ সংসদে এই বাঙালি পণ্ডিত যে-কথা বলেছিলেন, সেটা আজও সমান প্রাসঙ্গিক বলে আমরা পরিতাপের সঙ্গে লক্ষ করছি। স্বজাতির জন্য তাঁর এই মনোবেদনাকে নেহরু কীভাবে নিতেন? সংসদে মৈত্রের একদিনের ভাষণের অংশবিশেষ থেকে তা অনুমান করে নিতে হবে—‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমি খুব পরিষ্কার থাকতে চাই। আমি জানি, তিনি খুব কষ্ট পেয়েছেন। তাঁর প্রতি আমারও অনেক শ্রদ্ধা রয়েছে। কিন্তু মোসাহেবিকে বড্ড ঘেন্না করি। যদি আমার মনে হয় যে তিনি ভুল করছেন, তাঁর মুখের উপর সেকথা বলতে আমার বাধবে না।’ সুভাষচন্দ্রসহ রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির ব্যাপারে তাঁর লড়াই ছিল আপসহীন। তাঁর অগাধ
শ্রদ্ধা ছিল গান্ধীজিরও প্রতি। গান্ধীজির জীবনদর্শন নিয়ে অনেকে পিছনে মশকরা করত। মৈত্রের স্পষ্ট বক্তব্য ছিল, ‘তাঁর ব্যতিক্রমী জীবনাদর্শেই গান্ধীজি মহাত্মা রয়ে যাবেন।’
মৈত্রের প্রতিটি ভাষণ, বিতর্কে ব্যবহৃত যুক্তিজাল মণিমুক্তোর মতো অমূল্য হিসেবে প্রশংসিত হতো। সংসদীয় রাজনীতির সর্বত্র ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয়। শিক্ষাবিদ প্রতাপচন্দ্র চন্দ্র তাঁর মূল্যায়ন করতে গিয়ে বলেন, ‘প্রাচীন ভারতের সংস্কৃতিবান মানুষ মনে করতেন সুন্দর ভাষণের লক্ষণ হল ‘সদাসি বাক্‌পটুতা’। আধুনিক শিক্ষায় ঋদ্ধ হয়েও পণ্ডিত মৈত্র ভারতীয় ঐতিহ্যে প্রাণিত ছিলেন। এই গুণই তাঁকে পরাধীন এবং স্বাধীন ভারতের সংসদীয় রাজনীতিতে জাতীয় স্তরের এক বিশিষ্ট নেতা করে তুলেছিল।’  
মৈত্র মশায়ের ব্যক্তিগত সততা ও দেশসেবার প্রতি নিষ্ঠাই তাঁকে আলাদাভাবে চিনিয়ে দিয়েছিল।   ১৯৩৫-এ বিহার ভূমিকম্পে দুর্গতদের পাশে দাঁড়াবার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। লড়াই করেছেন
খাদ্যে ভেজালসহ যাবতীয় দুর্নীতির বিরুদ্ধে।
শিক্ষা আন্দোলনেও তাঁর ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ছিলেন জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সদস্য। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স, কলকাতা ও
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়-সহ বহু উচ্চ শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের নেতৃপদে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ম্যাকডোনাল্ড ভারতকে সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে ভাঙার প্রস্তাব দিলেন। বাঁটোয়ারার চক্রান্ত মানা নিয়ে কংগ্রেসের ভিতরে দোলাচল। কংগ্রেস না-পক্ষে, না-বিপক্ষে! কংগ্রেস তখন কোনও রাজনৈতিক দল নয়। ব্রিটিশ-বিরোধী আন্দোলনের মঞ্চ। তার ভিতরে ভবিষ্যতের সমাজবাদী, কমিউনিস্ট, কট্টর মুসলিম, কট্টর হিন্দু, মধ্যপন্থী সকলেই। কংগ্রেসের এই দোলাচলের ভিতরে মালব্যরা ‘কংগ্রেস জাতীয় দল’ নামে একটি উপদল গড়লেন। যাঁরা ভারতের অখণ্ডতার পক্ষে। ১৯৩৬-এর ভোটে সারা বাংলা থেকে কংগ্রেসের একজনমাত্র অফিসিয়াল প্রার্থী জয়ী হন।
অন্যদিকে কংগ্রেসের বাকিরা পরাজিত হন মালব্যের প্রার্থীদের কাছে। জয়ীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন দেশবন্ধুর ঘনিষ্ঠ মৈত্র।  
কংগ্রেসে সুভাষ-বিরোধী চক্রান্তের কট্টর সমালোচক ছিলেন লক্ষ্মীকান্ত মৈত্র। সুভাষচন্দ্র কংগ্রেস ছেড়ে আসার পর তাঁর প্রস্তাবিত দলের নাম ‘ফরওয়ার্ড ব্লক’ রাখার পরামর্শ মৈত্রই দিয়েছিলেন। কংগ্রেসের মধ্যে যাঁরা প্রগতিশীল তাঁরাই নতুন দলে আসবেন। ধরে নিয়েছিলেন তিনি। জেলের ভিতর থেকে গভর্নরের উদ্দেশে লেখা নেতাজির ‘শেষ চিঠি’তেও লক্ষ্মীকান্ত মৈত্রের প্রস্তাবের উল্লেখ রয়েছে।  
১৮ নভেম্বর, ১৯৪৯ সংবিধান চূড়ান্তরূপে গৃহীত হওয়ার দিন পণ্ডিত মৈত্র গণপরিষদের অধিবেশনে এক স্মরণীয় ভাষণ দেন: ‘এই সংবিধান আমাদের লিবার্টি সুনিশ্চিত করেছে, কিন্তু লিবার্টিকে লাইসেন্সে পরিণত করার পথ বন্ধ করেছি। আজ আমাদের আত্মবিশ্নেষণ আত্মপরীক্ষার সময়। আজই, এখন থেকেই, এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যাতে সংবিধানে দেওয়া ব্যবস্থাগুলি কার্যকর করা যায়। যেমন আমরা প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকার দিয়েছি। কিন্তু অশিক্ষা দূর না-হলে এই ভোটাধিকার আশীর্বাদের পরিবর্তে অভিশাপ হয়ে উঠবে।’
১৮৯৫ সালের ২৩ জুলাই পূর্ববঙ্গের নারায়ণগঞ্জে পণ্ডিত মৈত্রের জন্ম। ১৯৫৩ সালের ২৫ জুলাই তাঁর মৃত্যু হয়। আর দু’দিন বাদে তাঁর প্রয়াণের ৬৮ বছর। শ্যামাপ্রসাদের মর্মান্তিক মৃত্যুর শোক সহ্য করতে পারেননি। তার একমাস পরই মারা যান।
আজকের পুণ্য মুহূর্তে তাঁর দূরদর্শিতা আমাদের অবশ্যই ভাবাচ্ছে। এখনও বুঝতে বাকি আছে কি—সমাজজীবন এতটা অভিশপ্ত করে রেখেছে ভোট ও ক্ষমতাসর্বস্ব রাজনীতি? এই পাপ থেকে দূরে সরে আসার অঙ্গীকার কি আমরা এখনও করব না?
23rd  July, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
চীন ‘মাকড়শা’ হলে ভারত তার ‘শিকার’
পি চিদম্বরম

 দ্য স্পাইডার্স ওয়েব। মানে মাকড়শার জাল। এই সম্পর্কে তথ্য জানতে যদি ইন্টারনেট সার্চ করেন, তবে আপনি জিনিসটাকে পাবেন—‘সিক্স সারপ্রাইজিং ফ্যাক্টস অ্যাবাউট স্পাইডারওয়েবস’ হিসেবে। মানে মাকড়শার জাল সম্পর্কে ছয়টি অবাক করা সত্য।
বিশদ

27th  July, 2020
এক দেশ এক দল
মানুষ মানবে না
হিমাংশু সিংহ

 ভারতের আত্মা বেঁচে রয়েছে বহুত্ববাদে। বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায়। নানা বৈচিত্র ও ভিন্নমুখী ধারার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ঐক্য ও সংহতির মূল মন্ত্র। এক কথায়, বিবিধের মাঝে মিলন মহান। এটাই ভারতের চিরন্তন শক্তি।
বিশদ

26th  July, 2020
করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর
সামাজিক বয়কটের যন্ত্রণা

তন্ময় মল্লিক

একটা সময় সামাজিক বয়কট ছিল বিরোধীকে ঘায়েলের হাতিয়ার। গ্রামের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ ছিল। করোনা আবহে তা ডানা মেলেছে শহুরে শিক্ষিত সমাজেও। কুসংস্কার দূর হয় শিক্ষার আলোয়। কিন্তু শিক্ষিত মানুষের অন্ধকার দূর হবে কোন আলোর ছোঁয়ায়?
বিশদ

25th  July, 2020
 কিছুতেই মমতা হতে
পারবেন না পাইলটরা
সমৃদ্ধ দত্ত

একটি রাজনৈতিক দলে কোনও এক নেতা অথবা কর্মী যোগ্য সম্মান না পেলে তিনি ক্ষুব্ধ হন। চাহিদা এবং মনোবাসনা অনুযায়ী যথাযথ পদ কিংবা দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হচ্ছে না দেখলে, ধীরে ধীরে রাগ এবং হতাশা তৈরি হয়। এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। নতুন কিছুও নয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং পশ্চিমবঙ্গেও সব দলে এরকম বহু নেতা কর্মী আছেন, যাঁদের ঠিক এরকমই মনোভাব অতীতে তৈরি হয়েছে কিংবা এখনও ওই ক্ষোভ রয়েছে দলের বিরুদ্ধে।
বিশদ

24th  July, 2020
অযোধ্যা নেপালে শুনে
অবাক স্বয়ং শ্রীরামচন্দ্র
সন্দীপন বিশ্বাস

বিষ্ণুলোকের রাজসভায় রামচন্দ্র বসে আছেন। সভায় সেদিন মর্ত্যলোকের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। লক্ষ্মণ, ভরত, শত্রুঘ্ন ছাড়াও সেদিন সভায় উপস্থিত ভৃগু, আঙ্গিরস, কাশ্যপ, বশিষ্ঠ প্রমুখ। ভৃগু বললেন, ‘হে রঘুবীর, মর্ত্যের অধিবাসীগণ বড়ই বাচাল।
বিশদ

22nd  July, 2020
কঠিন সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে,
ব্যক্তি নয় বড় প্রতিষ্ঠান
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সবেমাত্র ভোরের আলোর রেখাটুকু দেখা যাচ্ছে আকাশে। লুটিয়েন’স দিল্লির রাজপথে চলেছে একটি সাইকেল। পিছনের চাকার পাশে ক্যারিয়ারের সঙ্গে বাঁধা ক্যান। দুধওয়ালা... কতই বা বয়স হবে? ১৩ কী ১৪ বছর! গাজিয়াবাদের ছেলে। বাবা মারা যাওয়ার পর চলে এসেছিল দিল্লিতে... কাকার সঙ্গে।
বিশদ

21st  July, 2020
ডেপসাং অথবা ডোকলামের পথে
পি চিদম্বরম

 রহস্যের জট খুলে যাচ্ছে। গত সপ্তাহে লিখেছিলাম যে, 'অর্থনীতির দ্রুত পতনের কারণে ভারত যে দুর্বল হয়ে পড়েছে মিস্টার জি মনে হয় সেটা নিখুঁতভাবে ধরতে পেরেছিলেন—২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর মহাবলীপুরমে। অন্যদিকে, বোধহয় মিস্টার জি-র মতলবটা মোদিজি ঘুণাক্ষরেও টের পাননি।'
বিশদ

20th  July, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: শুক্রবার বাগডোগরা থানার রানিডাঙা এসএসবি ক্যাম্পের মুখোমুখি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এটিএম কাউন্টারে সিসি ক্যামেরা, এসির বৈদ্যুতিক কেবল ছেঁড়া এবং রিসিভ স্লিপ তছনছ অবস্থায় থাকায় লুটের আতঙ্ক ছড়ায়। যদিও পুলিসের দাবি, সেখানে লুটপাটের কোনও ঘটনা ঘটেনি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নতুন পলিসির ক্ষেত্রে প্রথম বছরের প্রিমিয়াম বাবদ প্রায় ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকার ব্যবসা করল লাইফ ইনসিওরেন্স কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের সংশোধনাগারগুলিতে যা জায়গা রয়েছে, তার তুলনায় বন্দির সংখ্যা ২৩ শতাংশ বেশি। দু’হাজারেরও বেশি বিচারাধীন বন্দিকে আগাম জামিন ও আসামিদের প্যারোলে ছাড়ার পরেও এই অবস্থা।   ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: ভাইয়ের গায়ে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারার অভিযোগ উঠল দাদার বিরুদ্ধে। শুক্রবার ভোরে ঘাটাল থানার পান্না গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আক্রান্ত যুবকের নাম অনুপ পাল।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিতর্ক-বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম-পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থোপার্জনের সুযোগ।প্রতিকার: অন্ধ ব্যক্তিকে সাদা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৪- অক্সিজেনের আবিষ্কার করেন যোশেফ প্রিস্টলি
১৮৪৬ - বাংলার নবজাগরণের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব দ্বারকানাথ ঠাকুরের মৃত্যু
১৯২০ – স্বাধীনতা সংগ্রামী বালগঙ্গাধর তিলকের মৃত্যু
১৯২০- অসহযোগ আন্দোলন শুরু করলেন মহাত্মা গান্ধী
১৯২৪ -ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার ফ্রাঙ্ক ওরেলের জন্ম
১৯৩২- অভিনেত্রী মীনাকুমারীর জন্ম
১৯৫৬- ক্রিকেটার অরুণলালের জন্ম।
১৯৯৯- সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৫৩ টাকা ৯৯.৯০ টাকা
ইউরো ৮৭.৪০ টাকা ৯০.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী ৪১/৪৮ রাত্রি ৯/৫৫। মূলানক্ষত্র ৪/২ দিবা ৬/৪৮। সূর্যোদয় ৫/১১/৪৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৫ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫০ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৬ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫০ গতে উদয়াবধি। 
১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী রাত্রি ৯/৪৮। মূলানক্ষত্র দিবা ৭/৫৩। সূর্যোদয় ৫/১১, সূর্যাস্ত ৬/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩০ গতে ১/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৯ গতে ১০/৩৮ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে ও ২/১৩ গতে ৩/৩৯ ম঩ধ্যে। কালবেলা ৬/৪৯ মধ্যে ও ১/২২গতে ৩/০ মধ্যে ও ৪/৩৯ গতে ৬/১৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৯ মধ্যে ও ৩/৪৯ গতে ৫/১১ মধ্যে।  
১০ জেলহজ্জ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: রাজ্যে আক্রান্ত আরও ২৫৮৯ জন  
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫৮৯ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

08:42:26 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ৯,৬০১ জন, মৃত ৩২২ 

08:41:24 PM

কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পজিটিভ ৫,১৭২ জন, মৃত ৯৮ 

07:56:50 PM

করোনা: কেরলে নতুন করে আক্রান্ত আরও ১১২৯, মোট আক্রান্ত ১০৮৬২ 

07:50:00 PM

করোনা: গত ২৪ ঘণ্টায় তামিলনাড়ুতে আক্রান্ত ৫৮৭৯, মৃত্যু ৯৯ জনের 

06:43:13 PM

হায়দরাবাদে ব্যাপক বৃষ্টি জলমগ্ন একাধিক এলাকা 

06:35:00 PM