Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অযোধ্যা নেপালে শুনে
অবাক স্বয়ং শ্রীরামচন্দ্র
সন্দীপন বিশ্বাস

বিষ্ণুলোকের রাজসভায় রামচন্দ্র বসে আছেন। সভায় সেদিন মর্ত্যলোকের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। লক্ষ্মণ, ভরত, শত্রুঘ্ন ছাড়াও সেদিন সভায় উপস্থিত ভৃগু, আঙ্গিরস, কাশ্যপ, বশিষ্ঠ প্রমুখ। ভৃগু বললেন, ‘হে রঘুবীর, মর্ত্যের অধিবাসীগণ বড়ই বাচাল। তারা মোটেই স্বাস্থ্যবিধি মানে না। মাস্ক নামক মুখাচ্ছাদনটুকুও ব্যবহার করে না। পুলিসকে লাঠ্যৌষধির দ্বারা বিধি মানতে বাধ্য করা হয়। সব দেশেই ক্রমে ক্রমে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস। কিন্তু কারও তেমন হেলদোল দেখা যাচ্ছে না। ভাই এবং ভাইরাসের তফাৎ মনুষ্যগণ এখনও কিছুতেই বুঝতে পারছে না।’
লক্ষ্মণ বললেন, ‘হে আর্যে, আমার অনুরোধ, এই বিষ্ণুলোক থেকে মর্ত্যধামে মূর্খসমৃদ্ধ মানুষের জন্য এক সহস্র অর্বুদ মাস্ক, পিপিই এবং হাজার ব্যারেল কমল-সুগন্ধি স্যানিটাইজার পাঠানো হোক।’
ভরত কিছুটা রগচটা। তিনি বললেন, ‘হে রাজন, মর্ত্যের এইসব কূপমণ্ডূকদের জন্য আমার এতটুকু দয়া নেই। যখন সবাই মিলে কোমর বেঁধে ঝাঁপিয়ে পড়ার কথা, তখন চলছে দলাদলি, পার্টিবাজি আর ভোটের অঙ্ক কষাকষি। থালাবাটি বাজিয়ে ব্যাপারটাকে রসিকতার স্তরে কেউ কেউ নিয়ে গিয়েছেন। মর্ত্যলোক এই মুহূর্তে কার্যত এক নাট্যশালা। সকলেই রাজনৈতিক রঙ্গব্যঙ্গে ব্যস্ত। শুধু সাধারণ মানুষেরই যত ভোগান্তি। একদিকে মানুষের পকেটে অর্থ নেই। যথেষ্ট খাদ্য নেই, চাকরির নিশ্চয়তা নেই। বেঁচে থাকার ভরসাটুকু নেই। এই অর্ধমৃত সাধারণ মানুষকে একদল অর্থগৃধ্নু মানুষ শোষণ করে চলেছে। মোবাইল কোম্পানি, বিদ্যুৎ কোম্পানি, বেসরকারি হাসপাতালের বিলগুলি যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে পতিত হচ্ছে।’
রামচন্দ্র বললেন, ‘শান্ত হও ভরত। এই ভাইরাস থেকে পৃথিবীকে মুক্ত করতে না পারলে, মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর হবে না।’
এমন সময় ব্রহ্মার দূত এসে সভায় বললেন, ‘মহারাজ নিবেদন আছে। এক বিশেষ সংবাদ নিয়ে আমি এসেছি।’ রাম তাঁকে সভায় আসন গ্রহণ করতে বললেন। আসনে উপবিষ্ট হয়ে সেই দূত বললেন, ‘আমি সর্বসংহারক কাল। মহাঋষি ব্রহ্মার বার্তা নিয়ে এসেছি আপনার কাছে।’
রামচন্দ্র বললেন, হে কালসর্বজ্ঞ, আপনি বলুন কী বার্তা নিয়ে এসেছেন!’
কাল বললেন, ‘আবার আপনাকে নিয়ে তুমুল বিতণ্ডা শুরু হয়েছে প্রভু। এর আগে ছিল আপনার জন্মস্থান অযোধ্যার ঠিক কোনখানে সেটা নিয়ে। রামজন্মভূমি সংক্রান্ত সেই মামলা কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। সেসব সম্পর্কে আপনি অবগত ভগবন্‌। এখন আবার যে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তার মূল বিষয় হল, অযোধ্যা ঠিক কোথায় ছিল, ভারতে, না নেপালে। ‘প্রভুর জন্ম অযোধ্যায় সেই ত্রেতাকালে /এখন ওলি বলছে নাকি অযোধ্যা নেপালে!’ তার মানে প্রভু নেপাল দাবি করছে, আপনি ওদের দেশেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন।’
রামচন্দ্র মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকলেন কিছুক্ষণ। তারপর ভাইদের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘বুঝলে অনুজগণ, কত গণ্ডগোল পাকিয়ে আছে? সেদিন যদি পিতা দশরথ জন্ম শংসাপত্র অযোধ্যায় চালু করে দিতেন এবং আমার যদি একখানি অযোধ্যা পুরসভার জন্ম শংসাপত্র থাকত, তাহলে আজ হয়তো আমার জন্মস্থান নিয়ে এতটা টানাপোড়েন হতো না।’
লক্ষ্মণ বললেন, ‘নিদেনপক্ষে আজকের আধার কার্ড ধরনের একটা কিছু পরিচয়পত্র চালু থাকলেও সঙ্কট এত গভীর হত না।’
ভরত আবার বললেন, ‘দাদা, আমাদের যদি আধার কার্ড থাকত, তাতেও সমস্যা থেকে যেত। আজ যা হচ্ছে, তা আসলে শ্রীরামচন্দ্রের বাণিজ্যিকীকরণ। আপনি একটি পণ্য হয়ে উঠেছেন। মহর্ষি বাল্মিকী আপনাকে নিয়ে যা করেছেন, তাতে উনি কতটা রয়্যালটি পেয়েছেন জানি না, তবে আপনাকে ভাঙিয়ে অনেক ধর্মবেওসায়ি বহু রয়্যালটি কামাচ্ছে। ক্ষমতার ধনকুবের হয়ে উঠছে।’
রামচন্দ্র বললেন, ‘সেসব আমি জানি ভাই। কিন্ত আমি নিরূপায়।’
ভরত বললেন, ‘দাদা, আপনার বড় বড় মূর্তি গড়ে দিচ্ছে, আর তাতেই আপনি সব ভুলে যাচ্ছেন।’
রামচন্দ্র বললেন, ‘আমি মোটেই ভুলিনি। সবকিছুরই একটা নির্দিষ্ট সময় আছে। তবে আমি একটা বিশ্বযুদ্ধ আমার সামনে দেখতে পাচ্ছি। আগামীদিনে আমাকে নিয়ে হয়তো একটা বিশ্বযুদ্ধ হলেও হতে পারে।’
লক্ষ্মণ অবাক হয়ে বললেন, ‘আপনাকে নিয়ে বিশ্বযুদ্ধ!’
রামচন্দ্র বললেন, ‘হ্যাঁ লক্ষ্মণ। এ পর্যন্ত বিশ্বে আমার জন্মকথা নিয়ে ৩০০ রকমের রামায়ণ কাব্য আছে। সেগুলি যেমন ভারতের বিভিন্ন ভাষায় আছে, তেমনি অন্য দেশের অন্য ভাষাতেও আছে। সবাই যদি আমাকে তাদের নিজেদের বলে দাবি করে বসে, তবে তো সাংস্কৃতিক যুদ্ধ অবধারিত।’
লক্ষ্মণ বললেন, ‘আপনি যেন একটা ভূখণ্ডের মতো। সবাই চায় অধিকার করতে।’
রাম বললেন, ‘নেপালের কথা যখন উঠল, তখন নেপাল দিয়েই শুরু করি। সেখানকার এক কবি ভানুভক্ত আমার জীবনকথা লিখেছিলেন। হিন্দি বলয়ে যেমন তুলসীদাসের রামচরিতমানস, বাঙালিদের কাছে যেমন কৃত্তিবাসী রামায়ণ, তেমনই নেপালের মানুষের কাছে ভানুভক্তের রামায়ণ। অনেকে বলেন, ভানুভক্ত অধ্যাত্ম রামায়ণকেই মূলত অনুসরণ করেছিলেন। কিন্তু তার সর্বাংশ সত্যি নয়। নেপালের মানুষের মধ্যে রামায়ণ সম্পর্কিত একটা ভক্তিভাব আছে। আজ ওদের দেশের প্রধানমন্ত্রী সেটাকেই ব্যবহার করে এই দাবি করছে। বলছে আমি নাকি নেপালি ছিলাম। এর পিছনে চীনের অভিসন্ধি যে কাজ করছে না, কে বলতে পারে! হতে পারে, চীনের উস্কানিতেই ওরা এখন ভারতের বিরুদ্ধে সবাই মিলে কোমর বেঁধে নামতে চলেছে। চীন সবাইকে টাকা দিয়ে কিনে নিতে চাইছে। রাজনৈতিক আক্রমণের পাশাপাশি এটা হয়তো এক ধরনের সাংস্কৃতিক আগ্রাসনও হতে পারে। আবার দেখো, যে চীন আজ এমন করছে, সেই চীনেও কিন্তু একসময় রামায়ণ অনুবাদের চেষ্টা হয়েছিল। চীনে রামায়ণের অনুপ্রবেশ ঘটেছিল প্রথম শতাব্দীতে বৌদ্ধদের হাত ধরে। দু’শো থেকে সাড়ে চারশো শতাব্দীর মধ্যে সেখানে রামায়ণের অনুবাদ করার চেষ্টা হয়েছিল। সেখানে রামের নাম ছিল লোমো, লক্ষ্মণের নাম ছিল লোমান, ভরতের নাম ছিল পোলোতো। সেখানে রাবণকে বর্বর নাগরাজ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল। দশরথ জাতক চীনাভাষায় বৌদ্ধরাই অনুবাদ করেছিলেন। বৌদ্ধরা মনে করেন ভগবান বুদ্ধ হলেন বিষ্ণুরই এক অবতার। বিষ্ণু অর্থাৎ নারায়ণকে চীনা ভাষায় নলোয়েন হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে।’
ভরত বললেন, ‘তখন কিন্তু ধর্মকে নিয়ে বা সংস্কৃতি নিয়ে এই কৃপমণ্ডূকতা বা কট্টর মনোভাব ছিল না। তখন এশিয়ার সমস্ত দেশেই ছড়িয়ে পড়েছিল রামায়ণের কাহিনী। রামমাহাত্ম্যকে তাঁরা সবাই উপলব্ধি করার চেষ্টা করেছিলেন। বর্মা, কম্বোডিয়া, লাওস, জাপান, মালয়েশিয়া, মঙ্গোলিয়া থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, জাভা সর্বত্রই রামকথা ছড়িয়ে পড়েছিল। তাদের নিজেদের ভাষায় অনূদিত হয়েছিল রামায়ণ।’
আঙ্গিরস বললেন, ‘আমি জাভার রামায়ণ পড়েছি, নবম শতকে লেখা হয়েছিল সেই কাকাউইন রামায়ণ। সেখানে সীতা মাকে বলা হয়েছে সিন্তা। এছাড়াও আমি থাইল্যান্ডের রামায়ণও পড়েছি। থাইল্যান্ডের মানুষ ছিলেন রামভক্ত। আগে দেশটার নাম ছিল শ্যাম। রামের গাত্রবর্ণ হল শ্যাম। পরে তারা নামবদল করে দেশটার নাম থাইল্যান্ড রাখে। সেখানে রামায়ণকে বলা হয় রামাকিয়েন। অযোধ্যার নামের সঙ্গে তাল মিলিয়ে থাই রাজারা তাঁদের দেশের রাজধানীর নামকরণ করেছিলেন আয়ুথায়া। তখনকার রাজারা অভিষেকের সময় রাম উপাধি ধারণ করতেন। তাঁদের বলা হত রামাথিবোধি। অর্থাৎ রামাধিপতি। আবার কেউ রাম খামেং নামও গ্রহণ করেছিলেন। তার অর্থ হল বীরশ্রেষ্ঠ রাম।’
কাশ্যপ বললেন, ‘রামচন্দ্র তাঁর পুত্র লবকে শ্রাবস্তীর এবং কুশকে কুশাবতী রাজ্যে অধিষ্ঠান করেছিলেন। লব তাঁর রাজ্যের প্রসার ঘটিয়েছিলেন এবং নিজের নামে সেই অধিগৃহীত রাজ্যের নামকরণ করেছিলেন লাভাপুরী। বলা হয় সেই জায়গার নামই এখন লাহোর। থাই রাজারাও এই নামের অনুকরণে তাঁদের দেশের একটি শহরের নামকরণ করেছিলেন লোপবুরি। অনেকে বলেন, লাওস নামটাও নাকি লব থেকেই এসেছিল।’
রামচন্দ্র হাসতে হাসতে বললেন, ‘কোথাও কোথাও আমার নামের সঙ্গে যমরাজার নামও মিলে গিয়েছে। বর্মার যে রামকথা সেটাকে বলা হয় যমায়ন। সেখানে যম শব্দের অর্থ রাম। সেখানে সীতার নাম মে থিদা। কম্বোডিয়ার রামকথার নাম রামাকের্তি। অর্থাৎ রামের কীর্তি।’
ভৃগু বললেন, ‘মিশরীয় দেবতাদের মধ্যেও রাম, লক্ষ্মণ, সীতার প্রভাব দেখা যায়। ওদের আমুন, মাউত এবং খোনসু দেবতা যেন আপনাদের অনুসরণে তৈরি। মাউত হলেন আমুনের স্ত্রী। মাউত শব্দটি এসেছে মাতা থেকে। খোনসু যেন একেবারে ভাই লক্ষ্মণ। সেখানে একটা রাজবংশ ছিল, যার নাম রামেশিস। খ্রিস্টপূর্ব একাদশ-দ্বাদশ শতকে তাঁরা সেখানে রাজত্ব করতেন। শুধু এশীয় দেশগুলির কথাই বা বলি কেন, ইউরোপীয় দেশগুলির মধ্যেও রামচন্দ্রের বিরাট প্রভাব ছিল। ইউরোপের বিভিন্ন শিল্পকলায় এই প্রভাব দেখা যায়।’
ভরতের সুরেই শত্রুঘ্ন বললেন, ‘দাদা, সব শুনে বোঝাই যাচ্ছে, আপনি আসলে একটি হাতিয়ার। ধর্মের মোড়কে পুরে আপনাকে ব্যবহার করা হচ্ছে। সেই ধর্মীয় আবেগ দিয়ে ভোটের বৈতরণী পার হতে চাইছে কেউ কেউ। এখনও সেই ধারা সমানে চলেছে। আপনার প্রতিবাদ করা উচিত।’
বশিষ্ঠ বললেন, ‘সেটা ওনার পক্ষে শোভা পায় না। যারা এসব করছে, তারা জানে না, ‘নাসৌ ধর্মৌ যত্র ন সত্যমস্তি / ন তৎ সত্যং যচ্ছলেনানুবিদ্ধম’। অর্থাৎ যার মধ্যে কোনও সত্য নেই, তা আসলে কোনও ধর্মই নয় এবং যার মধ্যে ছলচাতুরি আছে, তা কোনও সত্য নয়।’
ওদিকে দ্বিপ্রাহরিক সময় জানিয়ে ঘণ্টা পড়ল। রামচন্দ্র ঘোষণা করলেন, ‘মধ্যাহ্নভোজনের জন্য আপাতত সভা মুলতুবি ঘোষণা করা হল।’
অঙ্কন: সুব্রত মাজী
22nd  July, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
চীন ‘মাকড়শা’ হলে ভারত তার ‘শিকার’
পি চিদম্বরম

 দ্য স্পাইডার্স ওয়েব। মানে মাকড়শার জাল। এই সম্পর্কে তথ্য জানতে যদি ইন্টারনেট সার্চ করেন, তবে আপনি জিনিসটাকে পাবেন—‘সিক্স সারপ্রাইজিং ফ্যাক্টস অ্যাবাউট স্পাইডারওয়েবস’ হিসেবে। মানে মাকড়শার জাল সম্পর্কে ছয়টি অবাক করা সত্য।
বিশদ

27th  July, 2020
এক দেশ এক দল
মানুষ মানবে না
হিমাংশু সিংহ

 ভারতের আত্মা বেঁচে রয়েছে বহুত্ববাদে। বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায়। নানা বৈচিত্র ও ভিন্নমুখী ধারার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ঐক্য ও সংহতির মূল মন্ত্র। এক কথায়, বিবিধের মাঝে মিলন মহান। এটাই ভারতের চিরন্তন শক্তি।
বিশদ

26th  July, 2020
করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর
সামাজিক বয়কটের যন্ত্রণা

তন্ময় মল্লিক

একটা সময় সামাজিক বয়কট ছিল বিরোধীকে ঘায়েলের হাতিয়ার। গ্রামের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ ছিল। করোনা আবহে তা ডানা মেলেছে শহুরে শিক্ষিত সমাজেও। কুসংস্কার দূর হয় শিক্ষার আলোয়। কিন্তু শিক্ষিত মানুষের অন্ধকার দূর হবে কোন আলোর ছোঁয়ায়?
বিশদ

25th  July, 2020
 কিছুতেই মমতা হতে
পারবেন না পাইলটরা
সমৃদ্ধ দত্ত

একটি রাজনৈতিক দলে কোনও এক নেতা অথবা কর্মী যোগ্য সম্মান না পেলে তিনি ক্ষুব্ধ হন। চাহিদা এবং মনোবাসনা অনুযায়ী যথাযথ পদ কিংবা দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হচ্ছে না দেখলে, ধীরে ধীরে রাগ এবং হতাশা তৈরি হয়। এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। নতুন কিছুও নয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং পশ্চিমবঙ্গেও সব দলে এরকম বহু নেতা কর্মী আছেন, যাঁদের ঠিক এরকমই মনোভাব অতীতে তৈরি হয়েছে কিংবা এখনও ওই ক্ষোভ রয়েছে দলের বিরুদ্ধে।
বিশদ

24th  July, 2020
আজকের রাজনীতিতে
পণ্ডিত মৈত্রের প্রাসঙ্গিকতা
হারাধন চৌধুরী

দেশ আজ মহামারীর কবলে। প্রথম কর্তব্য রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। যে যুদ্ধে জয়টাই একমাত্র লক্ষ্য। একমাত্র শর্ত। তার জন্য হয়েছে লম্বা লকডাউন। বেশিরভাগ আর্থিক ক্ষেত্র ধসে পড়েছে। কোটি কোটি মানুষ পড়েছে তীব্র সঙ্কটে। সকালে খাবার জুটলে তারা নিশ্চিত নয় রাতে কী খাবে।
বিশদ

23rd  July, 2020
কঠিন সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে,
ব্যক্তি নয় বড় প্রতিষ্ঠান
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সবেমাত্র ভোরের আলোর রেখাটুকু দেখা যাচ্ছে আকাশে। লুটিয়েন’স দিল্লির রাজপথে চলেছে একটি সাইকেল। পিছনের চাকার পাশে ক্যারিয়ারের সঙ্গে বাঁধা ক্যান। দুধওয়ালা... কতই বা বয়স হবে? ১৩ কী ১৪ বছর! গাজিয়াবাদের ছেলে। বাবা মারা যাওয়ার পর চলে এসেছিল দিল্লিতে... কাকার সঙ্গে।
বিশদ

21st  July, 2020
ডেপসাং অথবা ডোকলামের পথে
পি চিদম্বরম

 রহস্যের জট খুলে যাচ্ছে। গত সপ্তাহে লিখেছিলাম যে, 'অর্থনীতির দ্রুত পতনের কারণে ভারত যে দুর্বল হয়ে পড়েছে মিস্টার জি মনে হয় সেটা নিখুঁতভাবে ধরতে পেরেছিলেন—২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর মহাবলীপুরমে। অন্যদিকে, বোধহয় মিস্টার জি-র মতলবটা মোদিজি ঘুণাক্ষরেও টের পাননি।'
বিশদ

20th  July, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নতুন পলিসির ক্ষেত্রে প্রথম বছরের প্রিমিয়াম বাবদ প্রায় ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকার ব্যবসা করল লাইফ ইনসিওরেন্স কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া।   ...

ওয়াশিংটন: ক্ষমতা দেখাতে পুরো বিশ্বকে নিজেদের নাগালের মধ্যে আনতে উঠেপড়ে লেগেছে চীন। এবার তাদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জবাব দেওয়ার সময় এসেছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসে এই ভাষাতেই চীনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠলেন মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সোমেন মিত্র প্রয়াত হলেও তাঁর দেখানো পথে বামেদের সঙ্গে সখ্য গড়েই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে চায় প্রদেশ কংগ্রেস।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের সংশোধনাগারগুলিতে যা জায়গা রয়েছে, তার তুলনায় বন্দির সংখ্যা ২৩ শতাংশ বেশি। দু’হাজারেরও বেশি বিচারাধীন বন্দিকে আগাম জামিন ও আসামিদের প্যারোলে ছাড়ার পরেও এই অবস্থা।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিতর্ক-বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম-পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থোপার্জনের সুযোগ।প্রতিকার: অন্ধ ব্যক্তিকে সাদা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৪- অক্সিজেনের আবিষ্কার করেন যোশেফ প্রিস্টলি
১৮৪৬ - বাংলার নবজাগরণের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব দ্বারকানাথ ঠাকুরের মৃত্যু
১৯২০ – স্বাধীনতা সংগ্রামী বালগঙ্গাধর তিলকের মৃত্যু
১৯২০- অসহযোগ আন্দোলন শুরু করলেন মহাত্মা গান্ধী
১৯২৪ -ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার ফ্রাঙ্ক ওরেলের জন্ম
১৯৩২- অভিনেত্রী মীনাকুমারীর জন্ম
১৯৫৬- ক্রিকেটার অরুণলালের জন্ম।
১৯৯৯- সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৫৩ টাকা ৯৯.৯০ টাকা
ইউরো ৮৭.৪০ টাকা ৯০.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী ৪১/৪৮ রাত্রি ৯/৫৫। মূলানক্ষত্র ৪/২ দিবা ৬/৪৮। সূর্যোদয় ৫/১১/৪৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৫ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫০ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৬ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫০ গতে উদয়াবধি। 
১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী রাত্রি ৯/৪৮। মূলানক্ষত্র দিবা ৭/৫৩। সূর্যোদয় ৫/১১, সূর্যাস্ত ৬/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩০ গতে ১/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৯ গতে ১০/৩৮ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে ও ২/১৩ গতে ৩/৩৯ ম঩ধ্যে। কালবেলা ৬/৪৯ মধ্যে ও ১/২২গতে ৩/০ মধ্যে ও ৪/৩৯ গতে ৬/১৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৯ মধ্যে ও ৩/৪৯ গতে ৫/১১ মধ্যে।  
১০ জেলহজ্জ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: রাজ্যে আক্রান্ত আরও ২৫৮৯ জন  
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫৮৯ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

08:42:26 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ৯,৬০১ জন, মৃত ৩২২ 

08:41:24 PM

কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পজিটিভ ৫,১৭২ জন, মৃত ৯৮ 

07:56:50 PM

করোনা: কেরলে নতুন করে আক্রান্ত আরও ১১২৯, মোট আক্রান্ত ১০৮৬২ 

07:50:00 PM

করোনা: গত ২৪ ঘণ্টায় তামিলনাড়ুতে আক্রান্ত ৫৮৭৯, মৃত্যু ৯৯ জনের 

06:43:13 PM

হায়দরাবাদে ব্যাপক বৃষ্টি জলমগ্ন একাধিক এলাকা 

06:35:00 PM