Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ডেপসাং অথবা ডোকলামের পথে
পি চিদম্বরম

রহস্যের জট খুলে যাচ্ছে। গত সপ্তাহে লিখেছিলাম যে, 'অর্থনীতির দ্রুত পতনের কারণে ভারত যে দুর্বল হয়ে পড়েছে মিস্টার জি মনে হয় সেটা নিখুঁতভাবে ধরতে পেরেছিলেন—২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর মহাবলীপুরমে। অন্যদিকে, বোধহয় মিস্টার জি-র মতলবটা মোদিজি ঘুণাক্ষরেও টের পাননি।' ভারতীয় প্রতিনিধি দল মনে হয় মহাবলীপুরমে পাওয়া গুরুত্ব উপভোগ করছিলেন এবং ২০২০ সালকে 'ভারত-চীন সংস্কৃতি এবং মানুষে মানুষে ভাব বিনিময়ের বর্ষ' হিসেবে চিহ্নিত করছিলেন। পরে, ২১ ডিসেম্বর দু'দেশের স্পেশাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের মিটিংয়ের সময়েও সম্প্রীতির ভাবটা বজায় ছিল।
ব্যাপারটা এখন পরিষ্কার যে গত জানুয়ারিতে মিস্টার জি একটা নতুন ট্রেনিং মবিলাইজেশন অর্ডারে (টিএমও) (সূত্র: দ্য হিন্দু, ১৩ জুলাই, ২০২০) সই করেছিলেন। এবং, ওই আদেশ অনুসারেই চীনা লালফৌজ (পিএলএ) ভারত-চীন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর চীনের দিকে সেনা মোতায়েনের প্ল্যান করে। আর সেই প্ল্যান মাফিক সেনাদের প্রস্তুত করে এবং বাহিনী সেখানে পাঠিয়ে দেয়। এরপর ১৫ জুলাই, ২০২০ তারিখে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এ প্রকাশিত একটা রিপোর্টের উল্লেখ করছি। ওই রিপোর্ট অনুসারে, এক গোয়েন্দা অফিসার জানিয়েছেন যে, চীনা বাহিনীর মুভমেন্টের প্রথম ইন্টেলিজেন্স রিপোর্টটা পাওয়া গিয়েছিল ২০২০-র এপ্রিলের মাঝামাঝি।
যেসব প্রশ্নের উত্তর চাই
বেশকিছু প্রশ্ন উঠেছে:
১. চীনের নতুন টিএমও-র ব্যাপারে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক এবং সেনা সদর দপ্তর কি অবগত ছিল না?
২. এলএসি বরাবর চীনের ভিতরে সেনা বাহিনীকে প্রস্তুত করার ব্যাপারটা ভারতের আর্মি ইন্টেলিজেন্স এবং বিদেশ বিষয়ক গোয়েন্দা এজেন্সি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং (আরঅ্যান্ডএডব্লু বা সংক্ষেপে 'র') কি টেরই পায়নি?
৩. এলএসি লাগোয়া গলওয়ান উপত্যকা এবং প্যানগং হ্রদের মাঝের দৈর্ঘ্য ২০০ কিলোমিটার। ওখানকার অনেকগুলো জায়গায় চীনা সেনা এবং তাদের গাড়ি চলাচলের ছবি আমাদের উপগ্রহগুলোর মাধ্যমে পাওয়া গেল না?
৪. এপ্রিলের মাঝামাঝির গোয়েন্দা রিপোর্টটা কি বিশ্লেষণ করে দেখা হয়নি? সেটা কি সরকারের সর্বোচ্চ স্তরে শেয়ার করা হয়নি? তার ভিত্তিতে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি?
এসব প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই দিতে হবে। এখন নয়, যথাসময়ে দিতেই হবে।
উভয় দেশই এখন সেনা সরিয়ে (ডিসএনগেজেমন্ট) এবং উত্তেজনা প্রশমনের (ডি-এসকালেশন) পর্যায়ে রয়েছে। এটা সত্যিই ভালো এবং এই অবস্থানটাকে আমি সমর্থন করি। সীমান্ত সমস্যা যুদ্ধের মাধ্যমে কখনও মেটেনি। ভারত-চীন যুদ্ধ, টিভি অ্যাঙ্কর-জেনারেলদের প্রার্থনা সত্ত্বেও, কোনও পথ নয়। এটা খুশির ব্যাপার যে প্রধানমন্ত্রী সত্যটা মানছেন। কিন্তু এটা পরিষ্কার নয়—'যুদ্ধটা কোনও পথ নয়' এই মতে মিস্টার জি বিশ্বাসী কি না। এটাই সম্ভব যে পিএলএ মিস্টার জি-কে বুঝিয়েছে, ভারতকে একটা সীমিত যুদ্ধ-গোছের ধাক্কা দেওয়া দরকার। তাহলে লালফৌজের পক্ষে 'দু'কদম এগিয়ে গিয়ে এককদম পিছিয়ে আসা'র সুযোগ গ্রহণ সহজ হবে।
সাম্প্রতিক অতীতের পৃষ্ঠা থেকে দু'টো উদাহরণ দেব: ডেপসাং (২০১৩) এবং ডোকলাম (২০১৭)। ডেপসাংয়ে চীনাদের যে অনুপ্রবেশ ঘটেছিল চীন তা পুরোপুরি খালি করে দিয়েছিল। কিন্তু ডোকলামে? প্রাক্তন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) শিবশঙ্কর মেননের মতে, '২০১৭-তে দু'পক্ষ যে পয়েন্টে সম্মুখসমরে দাঁড়িয়ে পড়েছিল (ফেস-অফ পয়েন্ট), আমাদের দু'তরফের সেনা প্রত্যাহারের আপস-মীমাংসার শুরুটা করেছিলাম সেই ডোকলাম থেকে। ফেস-অফ পয়েন্ট থেকে সরল বটে, অতঃপর ওই মালভূমি অঞ্চলে তাদের জবরদস্ত এবং স্থায়ী উপস্থিতি প্রমাণ করতে চীনারা মরিয়া হয়ে উঠল।'
শিবশঙ্কর মেনন ডোকলামের বিষয়ে নিজেই সরকারকে বললেন যে, 'সত্যি কথা বলতে কী, চীন এটা জেনে গেছে যে ভারত সরকার যদি তাদের প্রচারসর্বস্ব জয় (প্রোপাগান্ডা) নিয়ে মেতে থাকতে পারে, তবে চীন তার বাস্তব উদ্দেশ্যটা হাসিল করে ফেলবে।' সরকারের সঙ্গে সাক্ষাতের (১৩ জুলাই, ২০২০) ছ'দিন বাদে ডোকলামের বাস্তব পরিস্থিতিটা সরকার ব্যাখ্যা করল না। ডোকলাম মালভূমিতে চীনারা কি তাদের জবরদস্ত, স্থায়ী উপস্থিতির প্রমাণ দিয়েছিল? অসহায়তার কারণে ভুটান কি চীনাদের উপস্থিতি নিয়ে চুপ ছিল এবং ভুটানের তরফে ভারতও জোর গলায় কিছু বলবে না? এসমস্ত প্রশ্নের উত্তর যখন ছিল না তখন একটা অসত্য কথা প্রচার করে দেওয়া হয়েছিল যে, ডোকলাম থেকে চীনাদের ভারতই খেদিয়ে দিয়েছিল। অতএব, এটা মোদিজির তত্ত্বাবধানে একটা তাৎপর্যপূর্ণ 'জয়'!
কোথা থেকে কোথায়?
সম্প্রতি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর বহু জায়গায় সেনাদের যে মুখোমুখি অবস্থান (ফেস-অফ) ঘটেছিল সেটা হয় ডেপসাংয়ের পথে যেত অথবা যেত ডোকলামের পথে। পরের কথাগুলো পড়ার আগে, আপনাকে মনে রাখতে হবে যে এলএসি-র দু'টো 'পারসেপশন' বা 'ভার্সান' (এখানে 'মত' ধরে নেওয়া যেতে পার) আছে। একটা চাইনিজ পারসেপশন, অন্যটা হল ইন্ডিয়ান পারসেপশন। সোজা কথায়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বলতে চীনারা একরকম বোঝে, ভারতীয়রা বোঝে অন্য-একরকম। মনের ভিতরে এই যে গুরুত্বপূর্ণ ফারাক, এটা দিয়েই ঘটনার বিচার করুন। কোনও সংশয় নেই যে, দু'পক্ষই সেনা প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, কোথা থেকে প্রত্যাহার করে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে?
চীনের দিক থেকে শুরু করা যাক। যদি চীনা বাহিনী এলএসি অতিক্রম না করে থাকে (ওদের পারসেপশন অনুসারে) তবে মানেটা এইরকম দাঁড়াচ্ছে যে, তারা চীনা ভূখণ্ডের ভিতর থেকে প্রত্যাহার করে নিয়ে চীনা ভূখণ্ডেরই ভিতরে কোথাও মোতায়েন করছে। তাদের তরফে ভূখণ্ড খোয়ানোর মতো কোনও ক্ষতি নেই। কিন্তু চীনা বাহিনী যদি এলএসি পেরিয়ে থাকে (ওদের পারসেপশন অনুসারে) তবে সত্যিই তারা অবৈধভাবে অধিকৃত ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে সরে যাচ্ছে।
ভারতের অবস্থান এই যে ভারতের পারসেপশন অনুসারে ভারতীয় সেনারা কখনওই এলএসি পেরয়নি—এমনকী এই জুনের ১৫-১৬ তারিখেও নয়। ভারতীয় ভূখণ্ডের ভিতরে চীনাদের স্ট্রাকচার নির্মাণে আপত্তি তুলেছিলেন কর্নেল সন্তোষ বাবু এবং তাঁর টিম। তাঁদের পদক্ষেপকে ভারত সমর্থন করেছিল। ৫ জুন দু'পক্ষের কমান্ডার স্তরের মিটিংয়ে সেগুলো সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সুতরাং নির্ভুল উপসংহারটা এই যে, ভারত তার নিজের ভূখণ্ড থেকে সেনা সরিয়ে নিজেরই ভূখণ্ডে রাখছে।
পূর্বস্থিতি কত দূরে?
কমন সেন্স বলে যে, দু'পক্ষের সেনাদের হালফিল অবস্থানের মাঝে একটা 'নো ট্রুপস ল্যান্ড' (যা, 'নো ম্যানস ল্যান্ড' কথাটির সমার্থক) তৈরি করা হবে। এটা সেই জায়গা, চীনা অথবা ভারতীয় মতে (পারসেপশন অনুসারে) যেখানে এলএসি-র অবস্থান। এই পরিসরটা সীমান্তে শান্তি ও সুস্থিতির পথ সুগম করতে পারে, কিন্তু এটা সীমান্ত সংক্রান্ত প্রশ্নের সমাধান করতে পারবে না। এটা পরিষ্কার যে, কোনও ধরনের একটা 'বাফার জোন' সৃষ্টি করা হচ্ছে।
এই বাফার জোন সৃষ্টিটা কিন্তু ভারতের ঘোষিত লক্ষ্য (৫ মে, ২০২০ তারিখের পূর্বস্থিতি বা স্টেটাস কো অ্যান্টি) নয়। অন্তত এই মুহূর্তে, সেটা দূরবর্তী ব্যাপার বলেই মনে হয়। ভারত যদি ইতিমধ্যেই অনেকটা পিছু হটে গিয়ে থাকে তবে সেসব আর কখনও ফিরে পাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। প্রক্রিয়া আর প্রগতির উপর আপনার তীক্ষ্ণ নজর থাকা উচিত।
• লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী
20th  July, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
চীন ‘মাকড়শা’ হলে ভারত তার ‘শিকার’
পি চিদম্বরম

 দ্য স্পাইডার্স ওয়েব। মানে মাকড়শার জাল। এই সম্পর্কে তথ্য জানতে যদি ইন্টারনেট সার্চ করেন, তবে আপনি জিনিসটাকে পাবেন—‘সিক্স সারপ্রাইজিং ফ্যাক্টস অ্যাবাউট স্পাইডারওয়েবস’ হিসেবে। মানে মাকড়শার জাল সম্পর্কে ছয়টি অবাক করা সত্য।
বিশদ

27th  July, 2020
এক দেশ এক দল
মানুষ মানবে না
হিমাংশু সিংহ

 ভারতের আত্মা বেঁচে রয়েছে বহুত্ববাদে। বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায়। নানা বৈচিত্র ও ভিন্নমুখী ধারার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ঐক্য ও সংহতির মূল মন্ত্র। এক কথায়, বিবিধের মাঝে মিলন মহান। এটাই ভারতের চিরন্তন শক্তি।
বিশদ

26th  July, 2020
করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর
সামাজিক বয়কটের যন্ত্রণা

তন্ময় মল্লিক

একটা সময় সামাজিক বয়কট ছিল বিরোধীকে ঘায়েলের হাতিয়ার। গ্রামের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ ছিল। করোনা আবহে তা ডানা মেলেছে শহুরে শিক্ষিত সমাজেও। কুসংস্কার দূর হয় শিক্ষার আলোয়। কিন্তু শিক্ষিত মানুষের অন্ধকার দূর হবে কোন আলোর ছোঁয়ায়?
বিশদ

25th  July, 2020
 কিছুতেই মমতা হতে
পারবেন না পাইলটরা
সমৃদ্ধ দত্ত

একটি রাজনৈতিক দলে কোনও এক নেতা অথবা কর্মী যোগ্য সম্মান না পেলে তিনি ক্ষুব্ধ হন। চাহিদা এবং মনোবাসনা অনুযায়ী যথাযথ পদ কিংবা দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হচ্ছে না দেখলে, ধীরে ধীরে রাগ এবং হতাশা তৈরি হয়। এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। নতুন কিছুও নয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং পশ্চিমবঙ্গেও সব দলে এরকম বহু নেতা কর্মী আছেন, যাঁদের ঠিক এরকমই মনোভাব অতীতে তৈরি হয়েছে কিংবা এখনও ওই ক্ষোভ রয়েছে দলের বিরুদ্ধে।
বিশদ

24th  July, 2020
আজকের রাজনীতিতে
পণ্ডিত মৈত্রের প্রাসঙ্গিকতা
হারাধন চৌধুরী

দেশ আজ মহামারীর কবলে। প্রথম কর্তব্য রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। যে যুদ্ধে জয়টাই একমাত্র লক্ষ্য। একমাত্র শর্ত। তার জন্য হয়েছে লম্বা লকডাউন। বেশিরভাগ আর্থিক ক্ষেত্র ধসে পড়েছে। কোটি কোটি মানুষ পড়েছে তীব্র সঙ্কটে। সকালে খাবার জুটলে তারা নিশ্চিত নয় রাতে কী খাবে।
বিশদ

23rd  July, 2020
অযোধ্যা নেপালে শুনে
অবাক স্বয়ং শ্রীরামচন্দ্র
সন্দীপন বিশ্বাস

বিষ্ণুলোকের রাজসভায় রামচন্দ্র বসে আছেন। সভায় সেদিন মর্ত্যলোকের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। লক্ষ্মণ, ভরত, শত্রুঘ্ন ছাড়াও সেদিন সভায় উপস্থিত ভৃগু, আঙ্গিরস, কাশ্যপ, বশিষ্ঠ প্রমুখ। ভৃগু বললেন, ‘হে রঘুবীর, মর্ত্যের অধিবাসীগণ বড়ই বাচাল।
বিশদ

22nd  July, 2020
কঠিন সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে,
ব্যক্তি নয় বড় প্রতিষ্ঠান
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সবেমাত্র ভোরের আলোর রেখাটুকু দেখা যাচ্ছে আকাশে। লুটিয়েন’স দিল্লির রাজপথে চলেছে একটি সাইকেল। পিছনের চাকার পাশে ক্যারিয়ারের সঙ্গে বাঁধা ক্যান। দুধওয়ালা... কতই বা বয়স হবে? ১৩ কী ১৪ বছর! গাজিয়াবাদের ছেলে। বাবা মারা যাওয়ার পর চলে এসেছিল দিল্লিতে... কাকার সঙ্গে।
বিশদ

21st  July, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: শুক্রবার বাগডোগরা থানার রানিডাঙা এসএসবি ক্যাম্পের মুখোমুখি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এটিএম কাউন্টারে সিসি ক্যামেরা, এসির বৈদ্যুতিক কেবল ছেঁড়া এবং রিসিভ স্লিপ তছনছ অবস্থায় থাকায় লুটের আতঙ্ক ছড়ায়। যদিও পুলিসের দাবি, সেখানে লুটপাটের কোনও ঘটনা ঘটেনি।   ...

ওয়াশিংটন: ক্ষমতা দেখাতে পুরো বিশ্বকে নিজেদের নাগালের মধ্যে আনতে উঠেপড়ে লেগেছে চীন। এবার তাদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জবাব দেওয়ার সময় এসেছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসে এই ভাষাতেই চীনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠলেন মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও।   ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: ভাইয়ের গায়ে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারার অভিযোগ উঠল দাদার বিরুদ্ধে। শুক্রবার ভোরে ঘাটাল থানার পান্না গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আক্রান্ত যুবকের নাম অনুপ পাল।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের সংশোধনাগারগুলিতে যা জায়গা রয়েছে, তার তুলনায় বন্দির সংখ্যা ২৩ শতাংশ বেশি। দু’হাজারেরও বেশি বিচারাধীন বন্দিকে আগাম জামিন ও আসামিদের প্যারোলে ছাড়ার পরেও এই অবস্থা।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিতর্ক-বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম-পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থোপার্জনের সুযোগ।প্রতিকার: অন্ধ ব্যক্তিকে সাদা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৪- অক্সিজেনের আবিষ্কার করেন যোশেফ প্রিস্টলি
১৮৪৬ - বাংলার নবজাগরণের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব দ্বারকানাথ ঠাকুরের মৃত্যু
১৯২০ – স্বাধীনতা সংগ্রামী বালগঙ্গাধর তিলকের মৃত্যু
১৯২০- অসহযোগ আন্দোলন শুরু করলেন মহাত্মা গান্ধী
১৯২৪ -ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার ফ্রাঙ্ক ওরেলের জন্ম
১৯৩২- অভিনেত্রী মীনাকুমারীর জন্ম
১৯৫৬- ক্রিকেটার অরুণলালের জন্ম।
১৯৯৯- সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৫৩ টাকা ৯৯.৯০ টাকা
ইউরো ৮৭.৪০ টাকা ৯০.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী ৪১/৪৮ রাত্রি ৯/৫৫। মূলানক্ষত্র ৪/২ দিবা ৬/৪৮। সূর্যোদয় ৫/১১/৪৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৫ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫০ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৬ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫০ গতে উদয়াবধি। 
১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২০, ত্রয়োদশী রাত্রি ৯/৪৮। মূলানক্ষত্র দিবা ৭/৫৩। সূর্যোদয় ৫/১১, সূর্যাস্ত ৬/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩০ গতে ১/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৯ গতে ১০/৩৮ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে ও ২/১৩ গতে ৩/৩৯ ম঩ধ্যে। কালবেলা ৬/৪৯ মধ্যে ও ১/২২গতে ৩/০ মধ্যে ও ৪/৩৯ গতে ৬/১৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৯ মধ্যে ও ৩/৪৯ গতে ৫/১১ মধ্যে।  
১০ জেলহজ্জ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: রাজ্যে আক্রান্ত আরও ২৫৮৯ জন  
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫৮৯ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

08:42:26 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ৯,৬০১ জন, মৃত ৩২২ 

08:41:24 PM

কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পজিটিভ ৫,১৭২ জন, মৃত ৯৮ 

07:56:50 PM

করোনা: কেরলে নতুন করে আক্রান্ত আরও ১১২৯, মোট আক্রান্ত ১০৮৬২ 

07:50:00 PM

করোনা: গত ২৪ ঘণ্টায় তামিলনাড়ুতে আক্রান্ত ৫৮৭৯, মৃত্যু ৯৯ জনের 

06:43:13 PM

হায়দরাবাদে ব্যাপক বৃষ্টি জলমগ্ন একাধিক এলাকা 

06:35:00 PM