Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিকাশের হাত ধরেই
রাজনীতির ‘বিকাশ’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

গ্রামের নাম পোখরা পাণ্ডে। শ’তিনেক লোকের বাস। এই গ্রামের প্রথম ছেলে হিসেবে সরকারি চাকরি পেয়েছিলেন বাবলু কুমার। তাও আবার উত্তরপ্রদেশ পুলিসে। গ্রামবাসী বুক ফুলিয়ে বলত, জানেন, ও আমাদের গ্রামের ছেলে! গোটা পরিবার দিনমজুরের কাজ করে। গরিবের ঘরে আশার আলো দেখিয়েছিল এই চাকরি। কাঁচা ঘর পাকা হয়েছিল। মাথায় চেপেছিল অ্যাসবেস্টসের ছাদ। পালক পিতা ছোটেলাল স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন। নিজে শারীরিকভাবে অক্ষম বলে বিয়ে করেননি ছোটেলাল। দাদার থেকে চেয়ে নিয়েছিলেন বাবলুকে। পড়াশোনা শিখিয়ে মানুষ করেছিলেন তাকে। স্বপ্ন দেখেছিলেন সেই ছোট্ট ছেলেটাকে ঘিরে। উত্তরপ্রদেশের দেহাত গ্রামে স্বপ্ন দেখাতেও যে শক্ত লাগাম! তাও বাবলুকে পুলিসে ভর্তি করার মতো তৈরি করেছিলেন কাকা ছোটেলাল। গত জানুয়ারি মাসে যোগ দিয়েছিলেন বিথুর থানায়। ২ জুলাই গভীর রাতে ডিউটি পড়েছিল তাঁর। রেইড করতে হবে। যেতে হবে বিকরু গ্রামে। ওখানেই আছে বিকাশ দুবে... ডন, মাফিয়া, কানপুরওয়ালা...।
অ্যামবুশ। ডিএসপি দেবেন্দ্রকুমার মিশ্রা এবং আরও সাতজন পুলিসকর্মীর আর বাড়ি ফেরা হয়নি। তারপর থেকেই শুরু হয়েছিল তল্লাশি। বড্ড বাড় বেড়েছে বিকাশ দুবের। নড়েচড়ে বসেছিল উত্তরপ্রদেশের পুলিস, প্রশাসন, রাজনীতি। এবার শেষ দেখতে হবে। এরপর একের পর এক এনকাউন্টার... বিকাশের কাছের লোকেদের মৃত্যু... তারপর ‘বাহুবলী’ নিজে...। ৫২ বছরের ঠান্ডা মাথার এক খুনি, গ্যাংস্টার। এবং তার ‘অপমৃত্যু’।
১৯৯২ সালের কথা। বাবরি সৌধের দুর্ঘটনার পাঁচ দিন আগে...। কানপুরের কাছে বিকরু গ্রামে হঠাৎ তুমুল উত্তেজনা। খেতে ঢুকে ফসল নষ্ট করায় দু’টি ছাগলকে মেরে ফেলা হয়েছে। সেই ছাগল দু’টি ছিল এক মুসলিম পরিবারের। অসন্তোষ দানা বাঁধল। দলবল নিয়ে থানায় অভিযোগ করতে গেল তারা। কিন্তু সেই নালিশের খবর গেল খেত মালিকের ঘনিষ্ঠ এক বাহুবলীর কানে... বছর ২৫ বয়স। সে তার লোকজন জড়ো করল। শুরু হল মার... স্থানীয়রা বলেন, সেদিন বাহুবলীর মারে প্রায় ৫০টি পরিবার বিকরু গ্রাম ছেড়ে চলে যায়। সেই মাসলম্যানের নাম? বিকাশ দুবে।
উত্থানের শুরুয়াত। ত্রাসেরও। কানপুরের আশপাশের চৌহদ্দিতে কান পাতলে এমন অনেক কথা শোনা যায় পণ্ডিতজি সম্পর্কে। লোকে এই নামে ডাকলে খুশি হতো বিকাশ দুবে। অর্জুন পণ্ডিত নামে সানি দেওলের একটি ছবি এসেছিল... তাতে গ্যাংস্টারের ভূমিকায় ছিলেন সানি। পছন্দের চরিত্র... পণ্ডিত হতে চেয়েছিল বিকাশ। মাফিয়া... মসিহাও। যদিও অতটা হয়নি। আতঙ্কটা কিন্তু ছড়াতে পেরেছিল পুরোদমে। ৬২টা ফৌজদারি মামলা... যার মধ্যে আটটা খুনের এবং সাতটা খুনের চেষ্টার। তাও বহাল তবিয়তে, ‘সিনা টানকে’ ঘুরে বেরিয়েছে সে। কার হাত ছিল মাথায়? কখনও শোনা গিয়েছে সমাজবাদী, কখনও আবার বিএসপি, আবার এসেছে বিজেপির নাম। কেউ স্বীকার করেনি। করেও না। বিকাশ দুবের মতো গ্যাংস্টারের উত্থান হয় রাজনীতির প্রয়োজনে। তারপর তার দাপট যত বাড়তে থাকে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে প্রশ্রয়ের ইন্ধন। শাসক বদলের সঙ্গে সঙ্গে যদি সে তার রং পাল্টে নিতে পারে, তাহলে অসুবিধে নেই। আর তা না হলে প্রয়োজন ফুরিয়ে আসে গ্যাংস্টারের। আর একটা শর্ত আছে... রাজনীতির প্রয়োজনে তৈরি হওয়া গুণ্ডা যেন লক্ষ্মণরেখা না পেরিয়ে যায়, যেন সে অতিরিক্ত কিছু জেনে না ফেলে। তাহলে তার পরিণতি হয় রঘুভাই বা ভিখু মাত্রের মতো। রাজনৈতিক ব্যক্তিরা আবার তৈরি করে নেয় নতুন কোনও বিকাশ দুবেকে।
দু’বছরের মাথায়, মানে ২০২২ সালে উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। কানপুরের আশপাশের প্রত্যেকটি জনপদ কানাঘুষোয় জানত, এবার টিকিট পাবে বিকাশ। হয়তো বহুজন সমাজ পার্টির হয়ে। অঙ্কটা একটু জটিল মনে হতে পারে। দুবে নিজে ব্রাহ্মণ। আর সে কি না টিকিট পাবে দলিত ভোটব্যাঙ্ক নির্ভর একটা দলের থেকে? রাজ্যের নাম যদি উত্তরপ্রদেশ হয়, তাহলে এই প্রশ্নটা খুব অস্বাভাবিক নয়। ওখানে আজও জাতপাতের অঙ্কেই রাজনীতির চাকা ঘোরে, ভোট হয়। বাহুবলীরা ভোটপ্রার্থী হয়ে প্রথমেই রাজনীতির আসরে নামে না। তাদের কাজ হয় দলগুলিকে আড়ালে থেকে মদত দেওয়া। ভোটব্যাঙ্ক বাড়ানো, ভোটারদের মধ্যে পুরোদস্তুর ত্রাস বজায় রাখা। পলিটিক্যাল ক্রাইম। কখনও আবার রবিনহুডের কায়দায় ভোটারদের একটা অংশকে নিয়ন্ত্রণ করা। ধরে নেওয়া যাক কোনও একটি সম্প্রদায়কে টার্গেট করল সেই বাহুবলী। যে সমস্যাই হোক না কেন, বাহুবলীর কাছে এলে ফিরে যেতে হয় না তাদের। টাকা হোক বা সাহায্য, কিছু না কিছু মিলবেই। ফলে ত্রাসের পাশাপাশি ‘সম্মানে’র একটা আবহ তৈরি হয়ে যায় সেই সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে। সেটাই ভোটের সময় এনক্যাশ করে বাহুবলীরা... কোনও এক রাজনৈতিক দলের জন্য। এটাই উত্তরপ্রদেশের ভোটের চরিত্র।
বিকরু গ্রামে হাজার তিনেক মানুষের বাস। মুসলিম ভোটার ৩০ শতাংশ। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ ব্রাহ্মণরা। এই অঙ্কটাই ছিল বিকাশ দুবের অস্ত্র। যে নির্বাচনই হোক না কেন, একটা সময় ছিল যখন বিকরু গ্রামে কোনও গণ্ডগোল হতো না। ছবিটা বদলে যায় দুবে পরিবার বা নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে বিকাশ দুবে রাজনীতির ময়দানে আসার পর। পঞ্চায়েতের দখল নিয়ে নেয় সে। ২৫ বছর ধরে চলছে সেই দখলদারি। লোকে বলে, কে জিতবে সেটা আগাম বুঝতে পারত বিকাশ। নিজে বলত, ‘ভগবানের দান’। ছোটখাট রাজনীতিকরা শুধু নন, এমপি, বিধায়কদের পর্যন্ত তার ‘আশীর্বাদ’ নিতে আসতে হতো। পুলিস, এমনকী চৌবেপুর থানা পর্যন্ত ছিল তার হাতের মুঠোয়। ২ জুলাই কোনওভাবে খবর যে লিক হয়েছিল, সে ব্যাপারে সংশয় নেই।
তেড়েফুঁড়ে তদন্তে নেমেছিল পুলিস। সবার আগে সেই থানার স্টেশন অফিসার সহ দুই পুলিসকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। সরিয়ে দেওয়া হয় আরও ৬৮ জনকে। স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের ডিআইজি অনন্ত দেওকে
পর্যন্ত বদলি করা হয় মোরাদাবাদের প্রভিশনাল
আর্মড পুলিস ইউনিটে।
এই ছবিটা থেকে পরিষ্কার, বিকাশ দুবের হাত কত লম্বা ছিল! এর খবর কি প্রশাসনের শীর্ষস্তরে ছিল না? আলবাৎ ছিল। উত্তরপ্রদেশ পুলিসের একের পর এক ইউনিট, থানা, শীর্ষ পদাধিকারীরা একজন গ্যাংস্টারের পকেটে, আর নেতা-মন্ত্রী-প্রশাসকরা তা জানেন না... হতে পারে না। চৌবেপুর আসনে পাঁচবারের বিধায়ক, প্রাক্তন মন্ত্রী, বিধানসভা অধ্যক্ষ ছিলেন প্রয়াত হরিকৃষ্ণ শ্রীবাস্তব। বিকাশ দুবের ‘গুরু’। জনতা পার্টি, জনতা পার্টি (সেকুলার), জনতা দল, বিজেপি এবং সব শেষে বিএসপি... একের পর এক দল বদলেছেন তিনি। সেইসঙ্গে রাজনীতির ছাতার রং বদলেছে বিকাশ দুবের। দল বদল সত্ত্বেও ভোটে টান পড়েনি শ্রীবাস্তবের। তাঁর জন্য বিকাশ দুবে ব্রাহ্মণ ভোট জোগাড় করত জাতের দোহাই দিয়ে, আর প্রতিপক্ষ ভোট বন্দুকের নলে। এটাই রীতি...। দাপট তার এমনই ছিল যে স্থানীয় রাজনীতিকদেরও লোকসমক্ষে চড়-থাপ্পড় মারতে দু’বার ভাবত না বিকাশ। ২০০১ সালে কানপুরের এক থানার মধ্যে তৎকালীন রাজনাথ সিং সরকারের এক মন্ত্রীকে খুন করে বিকাশ। একগাদা পুলিসকর্মীর সামনে। চার বছর পর বেকসুর খালাস। তথ্য-প্রমাণের অভাবে! বিজেপি সরকারের মন্ত্রী খুন। অথচ তারাই সেই কেস প্রমাণ করতে পারল না?
এনকাউন্টারে মৃত্যুর পর বিকাশের মা সরলাদেবী বলেছিলেন, শেষ দিকে ছেলে সমাজবাদী পার্টির
সঙ্গে ছিল। বস্তুত বিষয়টা তা নয়। অন্তিম লগ্নে বিকাশের যোগাযোগ ছিল মায়াবতীর সঙ্গে। যদিও বিকাশ-মৃত্যুর পর কোনও রাজনীতিকই আর তাকে চিনতে পারছেন না। উল্টে বলছেন, ‘এ ধরনের ক্রিমিনালরা আমাদের মতো সজ্জনদের নাম করে ফায়দা তোলে।’
এটাই তো স্বাভাবিক। কে আর নিজের পায়ে কুড়ুল মারতে চায়! বিজেপি উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় আছে ২০১৭ সাল থেকে। সে বছরই একটি খুনের মামলায় নাম জড়িয়েছিল বিকাশ দুবের। তিন বছরেও নাকি যোগী সরকারের পুলিস তার হদিশ পায়নি! এনকাউন্টারের পর অখিলেশ যাদব খোঁচা দিয়ে বলেছিলেন, ‘বিকাশের গাড়ি না ওল্টালে যোগী সরকার উল্টে যেত।’ সমাজবাদী পার্টি অনেকদিনই বিকাশকে ঝেড়ে ফেলেছে। তাই অখিলেশ এমন ব্যঙ্গ ছুঁড়তে পারেন। কিন্তু খানিক রহস্যও যে তার সঙ্গে বাজারে ছেড়ে দিয়েছেন তিনি! বিএসপির টিকিটে বিকাশ দুবের ভোটে দাঁড়ানোটা প্রায় নিশ্চিত ছিল। শোনা যায় রানিয়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে... তার জন্য জমি তৈরির কাজ চলছিল। কিন্তু বিজেপির সঙ্গে অঙ্কটা কী? গেরুয়া শিবিরের সক্রিয় রাজনীতিতে ঢুকতে চেয়েছিল বিকাশ। স্থানীয় স্তরে আপত্তিও ছিল না। কিন্তু দিল্লির ‘অত্যন্ত প্রভাবশালী’ কোনও নেতা সাফ না করে দেন। তাই ‘সরাসরি’ বিজেপির ছাতার তলায় আসতে পারেনি বিকাশ।
পুলিসকর্মীদের হত্যার পর শ্মশানপুরী হয়ে গিয়েছিল বিকরু গ্রাম। ত্রাস... এবার কী হবে? বিকাশ দুবে এনকাউন্টারের পর ধীরে ধীরে দোকানপাট খুলছে। লোকজন দাওয়ায় এসে বসছে। ১০ জুলাই... বিকরু গ্রামের ‘স্বাধীনতা দিবস’। পাতাললোক থেকে মর্ত্যে ফেরা...।
14th  July, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
 সোয়াব বা লালারসের নমুনা দেওয়ার সময় মালদহে অনেকেই ভুল ঠিকানা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। ইচ্ছাকৃতভাবে মোবাইল নম্বরও ভুল দেওয়া হচ্ছে। ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

  দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিত্যদিনের মতো সাংবাদিক সম্মেলন করছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঠিক তখনই হোয়াইট হাউসের বাইরে পরপর গুলির আওয়াজ। মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে ...

 হাসপাতাল চত্বরে চলাচলের রাস্তার ধারেই করোনা পরীক্ষার যাবতীয় বর্জ্য সহ পিপিই কিট পড়ে থাকতে দেখা গেল। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার চাঞ্চল্য ছড়াল দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM