Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

শীর্ষ সম্মেলন কূটনীতির পরাজয়

ভারত-চীন সীমান্তের ইস্টার্ন সেক্টর। লংজু নামে একটা জায়গা। সেখানে রয়েছে ভারতের একটা গ্যারিসন। মানে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মোতায়েন করা সৈন্যদল। ১৯৫৯-এর আগস্টে চীনা সেনা বাহিনী সেখানে আক্রমণ করে বসে। তাতে যেন ‘ওয়ার্নিং বেল’ কানে এল। ১৯৬২-র ৮ সেপ্টেম্বর চীনা বাহিনী ভারত ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ করল। সামান্য ব্যবধান। ২০ অক্টোবর চীনাদের তরফে আক্রমণ সংঘটিত হল। ২৪ অক্টোবর চীন তাদের তরফে তিন দফা প্রস্তাব দিয়েছিল। তা প্রত্যাখ্যান করেছিল ভারত। ১৪ নভেম্বর। চীনের আক্রমণ ব্যাপক আকার নিল। তারা ভারতের ভিতরে প্রায় ১০০ মাইল অবধি ঢুকে পড়ল। সপ্তাহ খানেক পরের ঘটনা। ২১ নভেম্বর চীন একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতি এবং সেনা প্রত্যাহার করার কথা ঘোষণা করে দিল।
ইস্টার্ন সেক্টরে চীন বলেছিল যে, তারা ‘প্রস্তুত হচ্ছিল বর্তমান অবস্থান থেকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার উত্তর দিকে, মানে অবৈধ ম্যাকমোহন লাইনের উত্তরে সরে যাওয়ার জন্য এবং ওই রেখা থেকে আরও ২০ কিলোমিটার পিছিয়ে যাওয়ার জন্য।’ একতরফাভাবে সরে যাওয়ার পর যে অবস্থান চীন নিয়েছিল, ইস্টার্ন সেক্টরে বেআইনি জবরদখল মোটামুটিভাবে যতটা খালি করে দিয়েছিল, ১৯৬২ থেকে সেটাই তারা বজায় রেখেছে।
১৯৬২-র যুদ্ধে ভারত হেরেছিল। আর সেই বৈরীভাব রয়ে গেছে। চীন একটা নিয়ন্ত্রণ রেখা টেনেছিল। কিন্তু সেটাকে দু’তরফ ভিন্নভাবে ভেবে নিয়েছিল। ১৯৯৩। নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বা যেটাই তাকে ভাবা হোক না কেন, সেটাকেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) হিসেবে মেনে নেওয়া হল। কিন্তু এলএসি সম্পর্কেও দু’পক্ষের মনোভাব বদলায়নি। এটা সম্পর্কেও দু’পারের উপলবব্ধি আলাদা। এই প্রসঙ্গে একটা উল্লেখযোগ্য দিকের কথা বলতে হয়: ১৯৭৫ সাল থেকে ভারত-চীন সীমান্তে কোনও গোলাগুলি চলেনি এবং ওই ধরনের ঘটনায় কোনও প্রাণ যায়নি। ৪৫০৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তে টানা ৪৫ বছর যাবৎ একটা সূক্ষ্ম শান্তি বজায় ছিল। ওই অ্যাচিভমেন্টটা এবার নস্যাৎ হয়ে গেল। শান্তি নষ্ট হল চীনের দ্বারা। ২০ জন সেনা নিহত হলেন। নজরদারির দায়িত্বে যখন নরেন্দ্র মোদি।

চীন ছিল প্রথম আক্রমণকারী

এই সময় জুড়ে, এমনকী চীন যখন এলএসি মেনে নিল (যদিও দু’পক্ষের উপলব্ধি আলাদা) তখনও কিন্তু লাদাখের গলওয়ান উপত্যকা তারা দাবি করেনি। ১৯৬৩-র ১ জানুয়ারি জওহরলাল নেহরু একটা চিঠি লিখেছিলেন চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইকে। পরিস্থিতির বাস্তবটা ওতেই ধরা রয়েছে।
‘৩. বিগত সাত-আট বছরে বিভিন্ন উপলক্ষে আমি ব্যক্তিগতভাবে লাদাখের নানা অংশে গেছি। আমার আগের ভিজিটগুলোতে চীনা বাহিনীর চিহ্নমাত্র ছিল না। এমন কোনও রিপোর্টও ছিল না যাতে করে বোঝা যায় যে চীনারা লাদাখে আসে। পরবর্তী উপলক্ষগুলোতে রিপোর্ট পাওয়া যেতে লাগল যে চীনারা লাদাখের নানা জায়গায় ঢুকছে ... ব্যক্তিগতভাবে যতটুকু জেনেছি তার ভিত্তিতে এই ব্যাপারে কিছুটা আমি বলতে পারি। পূর্ব লাদাখের বৃহত্তর অংশে চীনাদের জবরদখল, যা নিজে চাক্ষুষ করিনি, সেই ব্যাপারে আপনি প্রত্যাশা করবেন না যে আমি ভাসা ভাসা কিছু অভিযোগ মেনে নিয়েছি ...
‘৮. ... ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে, ১৯৬২-র ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চীনারা কখনওই ইস্টার্ন সেক্টর বা পূর্ব সীমান্ত পেরয়নি। একমাত্র ব্যতিক্রম লংজু ...’

মোদিজির নজরদারিতে

চৌ-কে লেখা চিঠিতে নেহরুর কোনও কথা মোলায়েম ছিল না। দ্ব্যর্থহীনভাবেই তিনি চীনকে ‘অ্যাগ্রেসর’—অর্থাৎ, প্রথম আক্রমণকারী বলেছিলেন। এটা ছিল যুদ্ধে ভারতের পরাজয় এবং চীনের তরফে ভিক্টরস জাস্টিস (পরাজিত শত্রুপক্ষের প্রতি অবিচার) বলবৎ করার চেষ্টা পরবর্তী ঘটনা।
এই সেই গলওয়ান উপত্যকা, তখন থেকে যার উপরে চীন কখনও সার্বভৌমত্ব দাবি করেনি। এবং, গত মার্চ-এপ্রিলে যে প্যানগং হ্রদ ও হট স্প্রিং এলাকায় তারা বেআইনিভাবে ঢুকেছিল, তার উপেরও না। বেআইনি প্রবেশ লক্ষ করে ভারতীয় বাহিনী ৫ মে চীনা বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ জানায়। ১৫-১৬ জুনে গিয়ে রেষারেষিটা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ পর্যন্ত গড়ায়। এটাও ঘটেছিল নরেন্দ্র মোদির নজরদারিতে।
তবু, অজ্ঞাত কারণে, প্রধানমন্ত্রী প্রথম আক্রমণকারী হিসেবে চীনের নামটা নেবেন না। এই নজিরবিহীন অস্পষ্টতা নিয়ে বিদেশ মন্ত্রক কি আদৌ খুশি? প্রধানমন্ত্রীর এই যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বাক্‌সংযম, কর্মরত সেনাকর্তারা এবং যে-সমস্ত সেনা জওয়ান যুদ্ধ করছেন, তাঁরাও কি এতে খুশি?

পূর্বস্থিতির পুনরুদ্ধার
মাঝে গেছে মাত্র কয়েকটা মাস। নাটকীয়ভাবে পাল্টে গেছে দুটো প্রতিবেশী দেশের মধ্যেকার সম্পর্ক। উহান সম্মেলন হয়েছিল ২০১৮-র ২৮ এপ্রিল। যৌথ বিবৃতিতে সীমান্ত বিষয়ে একটামাত্র প্যারাগ্রাফ ছিল। যা সীমিত ছিল ‘শান্তি ও সুস্থিতি রক্ষিত হচ্ছে’, ‘আস্থা গড়ার ব্যবস্থা’ প্রভৃতি কয়েকটা গতানুগতিক প্রবাদে। মহাবলীপুরম সম্মেলন হয়েছিল ২০১৯-এর ১২ অক্টোবর। সেখান থেকে ১৭ প্যারাগ্রাফের একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছিল। সীমান্ত বিষয়টাকে তাতে নামিয়ে আনা হয়েছিল ১৬ নম্বরে! অন্যদিকে, দুই নেতার সিদ্ধান্ত ছিল যে ‘২০২০ সালটাকে ভারত-চীন সংস্কৃতি এবং মানুষে মানুষে ভাব বিনিময়ের বর্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে’। আইডিয়াটা স্মরণীয় হবে ভেবে মোদিজি নিশ্চয় আহ্লাদিতই হয়েছিলেন!
সাম্প্রতিককালের মধ্যে ২০১৯-এর ২১ ডিসেম্বরের কথা মনে করা যায়। স্পেশাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের ২২তম মিটিংয়ের পর যে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছিল, তাতেও ছিল গতানুগতিক প্রবাদগুলোর পুনরাবৃত্তি। এটা এখন পরিষ্কার হচ্ছে যে পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) বা চীনের লাল ফৌজ তিনমাস পরে পরদেশ আক্রমণের পাকাপোক্ত প্ল্যান নিয়েই নেমেছিল। ভারতের অর্থনীতির দ্রুত পতন ঘটছিল। ভারতের এই দুর্বল দিকটা মিস্টার জি সম্ভবত নিখুঁতভাবে ধরতে পেরেছিলেন বলে মনে হয়। অন্যদিকে মনে হয় যে মিস্টার জি-র মতলব টের পেতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছিলেন মোদিজি। এই ‘ফল আউট’ ভারতের জন্য এক বিরাট কূটনৈতিক বিপর্যয়, একটা ‘মিলিটারি সেট ব্যাক’ (অন্তত সাময়িক) এবং ১৯৯৩ থেকে চীন-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ভারতের যাবতীয় লাভ ধুয়েমুছে যাওয়া। এর থেকে শিক্ষাটা হল—ডিপ্লোম্যাসি বা কূটনীতির ব্যাপারটা ডিপ্লোম্যাট বা কূটনীতিকদের উপর ছেড়ে দিন। তাঁরা ভারিক্কিভাবের এবং ধীরগতির হতে পারেন, কিন্তু ‘সিগন্যাল’ বা ইঙ্গিত কিছু থাকলে তাঁরা ঠিক ধরে ফেলবেন। নবিশ লোকরা তা ধরতেই পারবেন না।
৫ জুলাই জাতীয় নিরাপত্তা এজেন্সিগুলোর (এনএসএ) মধ্যে আলোচনার পর দু’তরফই বলেছিল যে, সেনা সরানো এবং উত্তেজনা কমানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। আমি স্বাগত জানিয়েছিলাম। সরকারের ঘোষিত লক্ষ্য '২০২০ সালের ৫ মে তারিখের status quo ante বা পূর্বস্থিতি’তে পৌঁছনো। কিন্তু তার আগে কিছু সমস্যা রয়েছে। সমাধানের প্রশ্নে সরকার কী করছে (প্রসেস) এবং কতটা এগচ্ছে (প্রগ্রেস), সেটার উপর দেশবাসী ঠিক নজর রাখছেন। মোদি সরকারের কাছে এর জবাব তাঁরা চাইবেন।
‘২০২০ হল ভারত-চীন বর্ষ ...’—ব্যাপারটা শুরু হওয়ার আগেই, মাঝপথে একটা লজ্জাজনক পরিণতির সাক্ষী আমরা।
• লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী
ভ্যাকসিন বের করা আর
সার্জিকাল স্ট্রাইক এক নয়
হিমাংশু সিংহ

ধামাকা দিয়ে সব যুদ্ধ জয় করা যায় না। বিশেষ করে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের যুদ্ধ, আর সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা মোটেই এক নয়। বিজ্ঞানের কোনও কালজয়ী আবিষ্কারই ১৫ আগস্ট, ২৬ জানুয়ারি কিম্বা পূর্ণিমা-অমাবস্যার তিথি নক্ষত্র দেখে আসে না।
বিশদ

12th  July, 2020
প্রতিপক্ষ যখন পঞ্চায়েত
তন্ময় মল্লিক

উদ্দেশ্য এবং উপায় সৎ হলে তার ফল ভালো হয়। এমন কথাই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেটা খাটে না। জ্বলন্ত উদাহরণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। লক্ষ্য ছিল ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। তৈরি হয়েছিল জেলা পরিষদ। জেলার রাইটার্স বিল্ডিং।
বিশদ

11th  July, 2020
নিত্য নতুন ইভেন্টের
আড়ালে যত খেলা
সমৃদ্ধ দত্ত

বয়কটের আগে বুঝতে হবে যে, এখন এসব বয়কট করার অর্থ আমাদের দেশেরই ব্যবসায়ী, দোকানিদের চরম আর্থিক ক্ষতি। বিগত তিনমাসের লকডাউনে এমনিতেই জীবিকা সঙ্কটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমাদের এলাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট এখন আমরা না কিনলে চীনের ক্ষতি নেই।
বিশদ

10th  July, 2020
করোনা যুদ্ধে জাপানকে জেতাচ্ছে সুস্থ সংস্কৃতি 
হারাধন চৌধুরী

সারা পৃথিবীর হিসেব বলছে, করোনা ভাইরাসে বা কোভিড-১৯ রোগে মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। সেই প্রশ্নে জাপানিদের প্রচণ্ড ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, প্রতি একশো জনের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা জাপানেই সর্বাধিক।   বিশদ

09th  July, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
একনজরে
মাদ্রিদ: রিয়াল মাদ্রিদের লিগ জয় কার্যত নিশ্চিত। অঘটন না ঘটলে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই খেতাব জিতবে জিনেদিন জিদান-ব্রিগেড। লিগ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা বার্সেলোনার চেয়ে ...

সংবাদদাতা, মালদহ: প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও লকডাউনের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত মালদহের আম ব্যবসাকে চাঙ্গা করতে ইতিমধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দপ্তর। দিল্লিতে নিযুক্ত ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক মানুষ ও স্বসহায়ক দলগুলিকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হাঁস ও মুরগির বাচ্চা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের এক মাসের খাবারও কিনে দেবে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বদলির পর বাড়ির কাছেই কাজের সুযোগ পেলেন চারশোর বেশি স্বাস্থ্যকর্মী। শুক্রবার ৪১৫ জন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টকে রাজ্যের বিভিন্ন ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীরা বেশ কিছু সুযোগের সংবাদে আনন্দিত হবেন। বিদ্যার্থীরা পরিশ্রমের সুফল নিশ্চয় পাবে। ভুল সিদ্ধান্ত থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩০: কলকাতায় দ্য জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন, অধুনা স্কটিশ চার্চ কলেজ প্রতিষ্ঠা করলেন আলেকজান্ডার ডাফ এবং রাজা রামমোহন রায়
১৯০০: অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের জন্ম
১৯৪২: মার্কিন অভিনেতা হ্যারিসন ফোর্ডের জন্ম
১৯৫৫: সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর মৃত্যু
২০১১: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক তিনটি বিস্ফোরণে হত ২৬, জখম ১৩০
২০১৩: বোফর্স কান্ডে অভিযুক্ত ইতালীয় ব্যবসায়ী অত্তাভিও কাত্রোচ্চির মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৩১ টাকা ৭৬.০৩ টাকা
পাউন্ড ৯৩.০০ টাকা ৯৬.২৯ টাকা
ইউরো ৮৩.২৩ টাকা ৮৬.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
11th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৩৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী ৩২/৪৫ অপঃ ৬/১০। রেবতী ১৫/২৫ দিবা ১১/১৪। সূর্যোদয় ৫/৩/৫২, সূর্যাস্ত ৬/২০/৩৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২২ মধ্যে। রাত্রি ৯/১২ গতে ১২/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে।
২৮ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী অপরাহ্ন ৫/০। রেবতী নক্ষত্র দিবা ১১/৮। সূযোদয় ৫/৩, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/২৯ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২৩ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে।
২১ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাটে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৯০২ 
গুজরাটে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯০২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

08:06:12 PM

মহারাষ্ট্রে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৬,৪৯৭ 
মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ৪৯৭ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

07:52:00 PM

উত্তর প্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৬৬৪ 
উত্তর প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৬৬৪ জন করোনায় ...বিশদ

07:47:39 PM

২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১,৪৩৫
গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১,৪৩৫ জন। ...বিশদ

07:47:36 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৩২৮ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৩২৮ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

06:40:21 PM

অন্ধ্রপ্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৯৩৫ 
অন্ধ্রপ্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

05:53:11 PM