Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

শীর্ষ সম্মেলন কূটনীতির পরাজয়

ভারত-চীন সীমান্তের ইস্টার্ন সেক্টর। লংজু নামে একটা জায়গা। সেখানে রয়েছে ভারতের একটা গ্যারিসন। মানে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মোতায়েন করা সৈন্যদল। ১৯৫৯-এর আগস্টে চীনা সেনা বাহিনী সেখানে আক্রমণ করে বসে। তাতে যেন ‘ওয়ার্নিং বেল’ কানে এল। ১৯৬২-র ৮ সেপ্টেম্বর চীনা বাহিনী ভারত ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ করল। সামান্য ব্যবধান। ২০ অক্টোবর চীনাদের তরফে আক্রমণ সংঘটিত হল। ২৪ অক্টোবর চীন তাদের তরফে তিন দফা প্রস্তাব দিয়েছিল। তা প্রত্যাখ্যান করেছিল ভারত। ১৪ নভেম্বর। চীনের আক্রমণ ব্যাপক আকার নিল। তারা ভারতের ভিতরে প্রায় ১০০ মাইল অবধি ঢুকে পড়ল। সপ্তাহ খানেক পরের ঘটনা। ২১ নভেম্বর চীন একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতি এবং সেনা প্রত্যাহার করার কথা ঘোষণা করে দিল।
ইস্টার্ন সেক্টরে চীন বলেছিল যে, তারা ‘প্রস্তুত হচ্ছিল বর্তমান অবস্থান থেকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার উত্তর দিকে, মানে অবৈধ ম্যাকমোহন লাইনের উত্তরে সরে যাওয়ার জন্য এবং ওই রেখা থেকে আরও ২০ কিলোমিটার পিছিয়ে যাওয়ার জন্য।’ একতরফাভাবে সরে যাওয়ার পর যে অবস্থান চীন নিয়েছিল, ইস্টার্ন সেক্টরে বেআইনি জবরদখল মোটামুটিভাবে যতটা খালি করে দিয়েছিল, ১৯৬২ থেকে সেটাই তারা বজায় রেখেছে।
১৯৬২-র যুদ্ধে ভারত হেরেছিল। আর সেই বৈরীভাব রয়ে গেছে। চীন একটা নিয়ন্ত্রণ রেখা টেনেছিল। কিন্তু সেটাকে দু’তরফ ভিন্নভাবে ভেবে নিয়েছিল। ১৯৯৩। নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বা যেটাই তাকে ভাবা হোক না কেন, সেটাকেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) হিসেবে মেনে নেওয়া হল। কিন্তু এলএসি সম্পর্কেও দু’পক্ষের মনোভাব বদলায়নি। এটা সম্পর্কেও দু’পারের উপলবব্ধি আলাদা। এই প্রসঙ্গে একটা উল্লেখযোগ্য দিকের কথা বলতে হয়: ১৯৭৫ সাল থেকে ভারত-চীন সীমান্তে কোনও গোলাগুলি চলেনি এবং ওই ধরনের ঘটনায় কোনও প্রাণ যায়নি। ৪৫০৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তে টানা ৪৫ বছর যাবৎ একটা সূক্ষ্ম শান্তি বজায় ছিল। ওই অ্যাচিভমেন্টটা এবার নস্যাৎ হয়ে গেল। শান্তি নষ্ট হল চীনের দ্বারা। ২০ জন সেনা নিহত হলেন। নজরদারির দায়িত্বে যখন নরেন্দ্র মোদি।

চীন ছিল প্রথম আক্রমণকারী

এই সময় জুড়ে, এমনকী চীন যখন এলএসি মেনে নিল (যদিও দু’পক্ষের উপলব্ধি আলাদা) তখনও কিন্তু লাদাখের গলওয়ান উপত্যকা তারা দাবি করেনি। ১৯৬৩-র ১ জানুয়ারি জওহরলাল নেহরু একটা চিঠি লিখেছিলেন চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইকে। পরিস্থিতির বাস্তবটা ওতেই ধরা রয়েছে।
‘৩. বিগত সাত-আট বছরে বিভিন্ন উপলক্ষে আমি ব্যক্তিগতভাবে লাদাখের নানা অংশে গেছি। আমার আগের ভিজিটগুলোতে চীনা বাহিনীর চিহ্নমাত্র ছিল না। এমন কোনও রিপোর্টও ছিল না যাতে করে বোঝা যায় যে চীনারা লাদাখে আসে। পরবর্তী উপলক্ষগুলোতে রিপোর্ট পাওয়া যেতে লাগল যে চীনারা লাদাখের নানা জায়গায় ঢুকছে ... ব্যক্তিগতভাবে যতটুকু জেনেছি তার ভিত্তিতে এই ব্যাপারে কিছুটা আমি বলতে পারি। পূর্ব লাদাখের বৃহত্তর অংশে চীনাদের জবরদখল, যা নিজে চাক্ষুষ করিনি, সেই ব্যাপারে আপনি প্রত্যাশা করবেন না যে আমি ভাসা ভাসা কিছু অভিযোগ মেনে নিয়েছি ...
‘৮. ... ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে, ১৯৬২-র ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চীনারা কখনওই ইস্টার্ন সেক্টর বা পূর্ব সীমান্ত পেরয়নি। একমাত্র ব্যতিক্রম লংজু ...’

মোদিজির নজরদারিতে

চৌ-কে লেখা চিঠিতে নেহরুর কোনও কথা মোলায়েম ছিল না। দ্ব্যর্থহীনভাবেই তিনি চীনকে ‘অ্যাগ্রেসর’—অর্থাৎ, প্রথম আক্রমণকারী বলেছিলেন। এটা ছিল যুদ্ধে ভারতের পরাজয় এবং চীনের তরফে ভিক্টরস জাস্টিস (পরাজিত শত্রুপক্ষের প্রতি অবিচার) বলবৎ করার চেষ্টা পরবর্তী ঘটনা।
এই সেই গলওয়ান উপত্যকা, তখন থেকে যার উপরে চীন কখনও সার্বভৌমত্ব দাবি করেনি। এবং, গত মার্চ-এপ্রিলে যে প্যানগং হ্রদ ও হট স্প্রিং এলাকায় তারা বেআইনিভাবে ঢুকেছিল, তার উপেরও না। বেআইনি প্রবেশ লক্ষ করে ভারতীয় বাহিনী ৫ মে চীনা বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ জানায়। ১৫-১৬ জুনে গিয়ে রেষারেষিটা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ পর্যন্ত গড়ায়। এটাও ঘটেছিল নরেন্দ্র মোদির নজরদারিতে।
তবু, অজ্ঞাত কারণে, প্রধানমন্ত্রী প্রথম আক্রমণকারী হিসেবে চীনের নামটা নেবেন না। এই নজিরবিহীন অস্পষ্টতা নিয়ে বিদেশ মন্ত্রক কি আদৌ খুশি? প্রধানমন্ত্রীর এই যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বাক্‌সংযম, কর্মরত সেনাকর্তারা এবং যে-সমস্ত সেনা জওয়ান যুদ্ধ করছেন, তাঁরাও কি এতে খুশি?

পূর্বস্থিতির পুনরুদ্ধার
মাঝে গেছে মাত্র কয়েকটা মাস। নাটকীয়ভাবে পাল্টে গেছে দুটো প্রতিবেশী দেশের মধ্যেকার সম্পর্ক। উহান সম্মেলন হয়েছিল ২০১৮-র ২৮ এপ্রিল। যৌথ বিবৃতিতে সীমান্ত বিষয়ে একটামাত্র প্যারাগ্রাফ ছিল। যা সীমিত ছিল ‘শান্তি ও সুস্থিতি রক্ষিত হচ্ছে’, ‘আস্থা গড়ার ব্যবস্থা’ প্রভৃতি কয়েকটা গতানুগতিক প্রবাদে। মহাবলীপুরম সম্মেলন হয়েছিল ২০১৯-এর ১২ অক্টোবর। সেখান থেকে ১৭ প্যারাগ্রাফের একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছিল। সীমান্ত বিষয়টাকে তাতে নামিয়ে আনা হয়েছিল ১৬ নম্বরে! অন্যদিকে, দুই নেতার সিদ্ধান্ত ছিল যে ‘২০২০ সালটাকে ভারত-চীন সংস্কৃতি এবং মানুষে মানুষে ভাব বিনিময়ের বর্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে’। আইডিয়াটা স্মরণীয় হবে ভেবে মোদিজি নিশ্চয় আহ্লাদিতই হয়েছিলেন!
সাম্প্রতিককালের মধ্যে ২০১৯-এর ২১ ডিসেম্বরের কথা মনে করা যায়। স্পেশাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের ২২তম মিটিংয়ের পর যে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছিল, তাতেও ছিল গতানুগতিক প্রবাদগুলোর পুনরাবৃত্তি। এটা এখন পরিষ্কার হচ্ছে যে পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) বা চীনের লাল ফৌজ তিনমাস পরে পরদেশ আক্রমণের পাকাপোক্ত প্ল্যান নিয়েই নেমেছিল। ভারতের অর্থনীতির দ্রুত পতন ঘটছিল। ভারতের এই দুর্বল দিকটা মিস্টার জি সম্ভবত নিখুঁতভাবে ধরতে পেরেছিলেন বলে মনে হয়। অন্যদিকে মনে হয় যে মিস্টার জি-র মতলব টের পেতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছিলেন মোদিজি। এই ‘ফল আউট’ ভারতের জন্য এক বিরাট কূটনৈতিক বিপর্যয়, একটা ‘মিলিটারি সেট ব্যাক’ (অন্তত সাময়িক) এবং ১৯৯৩ থেকে চীন-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ভারতের যাবতীয় লাভ ধুয়েমুছে যাওয়া। এর থেকে শিক্ষাটা হল—ডিপ্লোম্যাসি বা কূটনীতির ব্যাপারটা ডিপ্লোম্যাট বা কূটনীতিকদের উপর ছেড়ে দিন। তাঁরা ভারিক্কিভাবের এবং ধীরগতির হতে পারেন, কিন্তু ‘সিগন্যাল’ বা ইঙ্গিত কিছু থাকলে তাঁরা ঠিক ধরে ফেলবেন। নবিশ লোকরা তা ধরতেই পারবেন না।
৫ জুলাই জাতীয় নিরাপত্তা এজেন্সিগুলোর (এনএসএ) মধ্যে আলোচনার পর দু’তরফই বলেছিল যে, সেনা সরানো এবং উত্তেজনা কমানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। আমি স্বাগত জানিয়েছিলাম। সরকারের ঘোষিত লক্ষ্য '২০২০ সালের ৫ মে তারিখের status quo ante বা পূর্বস্থিতি’তে পৌঁছনো। কিন্তু তার আগে কিছু সমস্যা রয়েছে। সমাধানের প্রশ্নে সরকার কী করছে (প্রসেস) এবং কতটা এগচ্ছে (প্রগ্রেস), সেটার উপর দেশবাসী ঠিক নজর রাখছেন। মোদি সরকারের কাছে এর জবাব তাঁরা চাইবেন।
‘২০২০ হল ভারত-চীন বর্ষ ...’—ব্যাপারটা শুরু হওয়ার আগেই, মাঝপথে একটা লজ্জাজনক পরিণতির সাক্ষী আমরা।
• লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী
13th  July, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
 সোয়াব বা লালারসের নমুনা দেওয়ার সময় মালদহে অনেকেই ভুল ঠিকানা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। ইচ্ছাকৃতভাবে মোবাইল নম্বরও ভুল দেওয়া হচ্ছে। ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 হাসপাতাল চত্বরে চলাচলের রাস্তার ধারেই করোনা পরীক্ষার যাবতীয় বর্জ্য সহ পিপিই কিট পড়ে থাকতে দেখা গেল। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার চাঞ্চল্য ছড়াল দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। ...

দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয় নির্দেশ—সবটা নিয়ন্ত্রিত হবে এক জায়গা থেকে। তার জন্য অত্যাধুনিক মোবাইল ভ্যান আনল কলকাতা বিমানবন্দর। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM