Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভ্যাকসিন বের করা আর
সার্জিকাল স্ট্রাইক এক নয়
হিমাংশু সিংহ

ধামাকা দিয়ে সব যুদ্ধ জয় করা যায় না। বিশেষ করে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের যুদ্ধ, আর সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা মোটেই এক নয়। বিজ্ঞানের কোনও কালজয়ী আবিষ্কারই ১৫ আগস্ট, ২৬ জানুয়ারি কিম্বা পূর্ণিমা-অমাবস্যার তিথি নক্ষত্র দেখে আসে না। আবার একাদশী বলে ভ্যাকসিনের সাফল্য ঘোষণা চব্বিশ ঘণ্টা পিছিয়েও দেওয়া যায় না। এটাই দস্তুর। তাই কোনও সংযত রাষ্ট্রনেতার পক্ষেই আগে থেকে হাত গুনে বলা সম্ভব নয়, শ্রাবণ মাসের শুক্লা দ্বাদশীতে করোনার টিকা বেরবেই! কারণটা সহজ। পুরো প্রক্রিয়াটি নিরন্তর গবেষণার ফসল। এটা ভারতের ‘জেমস বন্ড’ অজিত দোভালের পরামর্শ মেনে শত্রুর বিরুদ্ধে এলওসিতে কামান দাগা নয়। বালাকোটে মধ্যরাতে জঙ্গি ঘাঁটিতে বিমান হানাও নয়, এটা পুরোদস্তুর বিজ্ঞান। ‘ট্রায়াল অ্যান্ড এরর’ মেথডের মধ্যে দিয়ে অতি সাবধানে এই অগ্নিপরীক্ষায় এগতে হয় গবেষকদের। নেতাদের মতো তাঁদের সামনে নির্বাচনে জেতার হাতছানি নেই। গলায় পেল্লায় মালা ঝুলিয়ে বাহবা কুড়নোর সামান্যতম তাগিদও নেই। উল্টে ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদে পদে অপদস্থ হওয়ার ঘোর আশঙ্কাই পিছু ধাওয়া করে সবসময়।
আমাদের দেশে মানবদেহে ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ সবে শুরু হয়েছে। কাদের কাদের উপর প্রতিষেধক প্রয়োগ করা হবে, সেই তালিকা চূড়ান্ত করেই অতি সাবধানে এগচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। গোটাটা এক দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। অনেকবার এই পরীক্ষা করতে হয়। যাচাই করতে হয় পরীক্ষার ফল। তাতে সাফল্য কতদূর মেলে, হিতে বিপরীত হয় কি না, তার ওপরই নির্ভর করছে করোনা টিকার ভবিষ্যৎ। তবে বাণিজ্যিক প্রয়োগ শুরু হতে বছর ঘুরে যেতে পারে। সারা পৃথিবীতে একসঙ্গে দেড়শো এমন ভ্যাকসিন নিয়ে চূড়ান্ত কাজ চলছে। নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন গবেষকরা। আমাদের দেশে মূল পর্বে রয়েছে মাত্র দু’টি প্রতিষেধক। সরকারি সাহায্যে চলা এই সব প্রকল্পে সাফল্য এলেই জয় জয়কার শুরু হবে নেতাদের, ভোটযন্ত্রে উপচে পড়বে জনসমর্থন। বিরোধীরা বছরখানেক টুঁ শব্দটি করার সাহসটুকু পাবে না। কিন্তু ব্রাত্যই থেকে যাবেন অক্লান্ত গবেষকরা। নিরলস যোদ্ধারা। ঠিক যেমন গলওয়ানের ২০ জন বীর শহিদের পরিবারের অবস্থাটা এই মুহূর্তে কেমন, আমরা কেউ জানি না। খোঁজ নেওয়ার সময়ই নেই ব্যস্ত মিডিয়ার!
আবার এর উল্টোদিকে মানবদেহে প্রয়োগ করামাত্র প্রতিষেধকের ‘সাইড এফেক্টে’ কারও প্রাণ সংশয় হলে কিন্তু বিজ্ঞানীরাই তীব্র সমালোচনার শিকার হবেন। বাতিল হয়ে যাবে সেই প্রতিষেধক। আসলে এদেশে সবকাজে ব্যর্থতার দায় সংশ্লিষ্ট পেশাদারদের ঘাড়ে চাপানোই রীতি। কিন্তু সাফল্য এলে তার ষোলো আনা কৃতিত্ব রাজনীতির কারবারিদের। এদেশে এটা দিনের আলোর মতোই প্রতিষ্ঠিত সত্য। স্বাধীনতার ৭৩ বছর পর আদতে ছোট বড় হরেক কিসিমের নেতার নাগপাশে ভারতের অন্তরাত্মা এখানেই বাঁধা। সেই কারণেই লালকেল্লায় আসন্ন স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় ভাষণের মাহেন্দ্রক্ষণের সঙ্গে ভ্যাকসিন আবষ্কারকে মেলাবার মরিয়া প্রয়াস। প্রচারের সবটুকু আলো শুষে নিতে রাজনীতির কারবারিদের কোনও কার্পণ্য ঩নেই। পরে অবশ্য চাপে পড়ে সরকারি তরফে ঢোক গেলার চেষ্টাও চলল প্রাণপণে। কিন্তু দল ও সরকার উভয়কেই বুঝতে হবে, যাঁরা একাজ করেছেন তাঁরা মোদিজির ভালো করতে গিয়ে ক্ষতিই করেছেন বেশি। তাঁদের চূড়ান্ত ধিক্কারই প্রাপ্য। সবকিছুকে রাজনীতির ক্যালেন্ডারে বাঁধা যায় না। নির্ভেজাল এই সত্যটাকে যদি শাসক ও তার বশংবদ অনুগামীরা আজও বুঝতে না পারেন, তাহলে দেশবাসীর জন্য আরও বড় দুর্ভোগ অপেক্ষা করছে। কে না জানে, গবেষণায় যেমন যুগান্তকারী আবিষ্কার বেরিয়ে আসতে পারে, তেমনি তীরে এসে তরী ডোবার মতো ঘটনাও এই কাঁটা বিছনো পথের নিত্যসঙ্গী। ইতিহাস ঘাঁটলে এমন উদাহরণ ভূরি ভূরি পড়ে আছে। তবু সব জেনেও যুগে যুগে হীরক রাজারা অসহায় বিজ্ঞানীদের চাপ দিয়ে নিজেদের পছন্দমতো সময়ে ‘মস্তিষ্ক প্রক্ষালন যন্ত্র’ তৈরির ব্যর্থ সার্কাস চালিয়ে যান। আধুনিক ডিজিটাল দুনিয়ায় এসেও সেই সস্তা নাটকের বিরাম নেই। রাজা শত সহস্র স্বর্ণ মুদ্রা খরচ করছেন যে, হোক না তা জনগণের করের টাকা!
সবাই জানে এবং অবশ্যই মানে যে চলতি ভাইরাসকে হারানোর বিশ্বযুদ্ধটা আর পাঁচটা লড়াইয়ের চেয়ে অনেক কঠিন। গত চার পাঁচ মাসেই দুনিয়ার তাবৎ শক্তিশালী নেতানেত্রীকে এই অজানা রোগের ভয়ঙ্কর অভিঘাত পুরোদস্তুর হেলিয়ে দিয়েছে। এমনকী মার্কিন মুলুকে ধুরন্ধর ট্রাম্পের গদিও নাকি টলমল শোনা যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে অর্থনীতি চৌপাট। কাজ নেই, ব্যবসা নেই, বিধ্বস্ত মনের শেষ স্বপ্নটুকুকে কোনওক্রমে বাঁচিয়ে রাখতে হিমসিম খাচ্ছে সবাই। হঠাৎই আমরা যেন দিক হারিয়ে আজ নেই রাজ্যের বাসিন্দা। কোনওরকমে প্রাণটুকু নিয়ে ভেসে থাকতেই ব্যস্ত। প্রত্যেকে একটা কথা বিলক্ষণ বুঝে গিয়েছেন, ভ্যাকসিন ছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না। কিন্তু তা বলে কাল চাই, পরশু চাই বলে ছুটে বেড়ালেও তো সমাধান হবে না। এ তো ছেলের হাতের মোয়া নয়। শিশুর খেলনাও নয়। সময় তো দিতেই হবে বিজ্ঞানীদের। রাজনৈতিক লাভ লোকসান ভুলে গিয়ে পর্যাপ্ত সময়। সবে মানবদেহে প্রয়োগ শুরুর ছাড়পত্র মিলেছে। অন্তত নভেম্বর ডিসেম্বর পর্যন্ত তো অপেক্ষা করতেই হবে।
আর সে কথা মনে রেখেই টিকা বেরনোর আগে পর্যন্ত ভার্চুয়াল দুনিয়াতেই সিংহভাগ কাজ চালাতে হবে সবাইকে। মোদির লালকেল্লার বক্তৃতা থেকে মমতার ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ সবই আপাতত অনলাইনে। এটাই সময়ের দাবি। কিন্তু গাড়িঘোড়া, পর্যটন, যাবতীয় ভোগ্যপণ্যের ব্যবসা কীভাবে চলবে? ঘরে থেকেই অফিস। এত জামা জুতোর কী হবে? পার্টি না হলে মহার্ঘ স্যুট, দামি বেলোয়ারি চুরি, হিরের নেকলেসের প্রয়োজনও ফুরতে বাধ্য। এমনকী আসন্ন পুজোয় মুখে মাস্ক এঁটে মাথায় ক্যাপ লাগিয়ে যেখানে ঠাকুর দেখতে যাওয়ারই নেই, সেখানে কেনাকাটা জমবে কোন ভরসায়? ভয় আতঙ্ক কাটিয়ে মানুষ একে অপরের সঙ্গে মিশতে না পারলে যতই চেষ্টা করুন, ব্যবসা বাণিজ্য বাড়া কঠিন।
কিন্তু তা বলে ভাইরাসের ওপর তো সার্জিকাল স্ট্রাইক চলে না! আর যাই হোক, বিজ্ঞানীরা তো আর ব্রজেশ মিশ্র, অজিত দোভাল নন। ডোকা লা’য় ভারত-চীন সংঘাত চলেছিল ৭৩ দিন। তার চেয়েও ১৩ দিন কম সময়ে সাময়িক মিটল লাদাখের গলওয়ান সঙ্কট। ৬০ দিনের মাথায়। অন্তত তেমনটাই সেনার দাবি। আর লকডাউনের প্রথম দিন থেকে আজ ১১২ দিন পার করেও এই মহামারীকে কাবু করার সামান্যতম ইঙ্গিত মেলার লক্ষণ নেই। বরং যুদ্ধ ক্রমেই আরও তীব্র হচ্ছে, ব্যাপক হচ্ছে। প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। আমাদের মতো বিপুল জনঘনত্বের গরিব দেশে মানুষ একবার রাস্তায় বেরলে গায়ে গায়ে ঠেসাঠেসি অনিবার্য। পেট বড় দায়। লোক বেরবেই। তাই মাস্ক, স্যানিটাইজারের ব্যবহার বাড়িয়েও ‘ড্রপলেট’ ছড়ানো বন্ধ করা অসম্ভব। বিক্রিবাটা বেড়ে যেটুকু আলোর ছটা জুলাইতে দেখা যাচ্ছে, সবাইকে ঘরবন্দি করে দিলে সেটা আবার বেমালুম নিভে যাবে। ফলে উভয়সঙ্কট। প্রায় দু’-আড়াই মাস স্তব্ধ হয়ে থাকায় অর্থনীতি সবে একটু ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। তবে ভ্যাকসিন না বেরনো পর্যন্ত এই বিশ্বজোড়া মহামারীর হাত থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন। গত ২৪ মার্চ মোদিজি প্রথম লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন ২১ দিনের। তখনই মহাভারতের যুদ্ধের অবতারণা করেছিলেন তিনি। ভাবটা ছিল এমন যেন, মহাভারতের যুদ্ধ মিটেছে ১৮ দিনে, আর ২১ দিনেই করোনার হেস্তনেস্ত হয়ে যাবে! হয়নি। পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে সীমান্ত ‘যুদ্ধ’ আর বিশ্ব কাঁপানো প্যানডেমিকের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত সমানে সমানে লড়ে যাওয়া এক নয়। জুনে আনলক পর্ব শুরুর পরও প্রায় দেড় মাস কাটতে চলেছে। কিন্তু মানুষ এখনও স্বস্তি পায়নি। আর এখন বলা হচ্ছে, যদি আগামী ফেব্রুয়ারি-মার্চেও ভ্যাকসিন না আসে তাহলে দেশে দৈনিক সংক্রমণ তিন লাখ ছুঁয়ে ফেলবে। অর্থাৎ ভ্যাকসিন বেরনোর আগেই আমাদের দেশের সিংহভাগ অংশ আক্রান্ত তো হবেই, সেইসঙ্গে সুস্থ হয়ে অ্যান্টিবডিরও বাহক হবে। আপাতত আশার আলো দেখাচ্ছে ওই অ্যান্টিবডিই। এছাড়া, সুস্থদের রক্তের প্লাজমা ব্যাঙ্ক। কিন্তু সব ছাপিয়ে আসল প্রশ্ন হচ্ছে, কবে আসছে ভ্যাকসিন? তার ওপরই নির্ভর করছে করোনা যুদ্ধের অন্তিম পরিণতি। শত্রুর সঙ্গে যুদ্ধের পর শহিদ বীর জওয়ানের দেহ ফেরে। বাড়িতে কান্নার রোল ওঠে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সৎকার হয়। তারপর একদিন আমরা সবাই ভুলে যাই। বীর জওয়ানদের আত্মবলিদানের ভিতের ওপর তৈরি হয় নেতাদের জনপ্রিয় কেরিয়ার। করোনাকে হারাতে ভ্যাকসিন আবষ্কারের যুদ্ধেও কত শত বিজ্ঞানী রাতদিন এক করে নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। ভ্যাকসিন বেরিয়ে যুদ্ধ থামলে তাঁদের কথা আমাদের মনে থাকবে তো?
12th  July, 2020
শীর্ষ সম্মেলন কূটনীতির পরাজয়

দুই নেতার সিদ্ধান্ত ছিল যে ‘২০২০ সালটাকে ভারত-চীন সংস্কৃতি এবং মানুষে মানুষে ভাব বিনিময়ের বর্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে’। আইডিয়াটা স্মরণীয় হবে ভেবে মোদিজি নিশ্চয় আহ্লাদিতই হয়েছিলেন!
বিশদ

প্রতিপক্ষ যখন পঞ্চায়েত
তন্ময় মল্লিক

উদ্দেশ্য এবং উপায় সৎ হলে তার ফল ভালো হয়। এমন কথাই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেটা খাটে না। জ্বলন্ত উদাহরণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। লক্ষ্য ছিল ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। তৈরি হয়েছিল জেলা পরিষদ। জেলার রাইটার্স বিল্ডিং।
বিশদ

11th  July, 2020
নিত্য নতুন ইভেন্টের
আড়ালে যত খেলা
সমৃদ্ধ দত্ত

বয়কটের আগে বুঝতে হবে যে, এখন এসব বয়কট করার অর্থ আমাদের দেশেরই ব্যবসায়ী, দোকানিদের চরম আর্থিক ক্ষতি। বিগত তিনমাসের লকডাউনে এমনিতেই জীবিকা সঙ্কটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমাদের এলাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট এখন আমরা না কিনলে চীনের ক্ষতি নেই।
বিশদ

10th  July, 2020
করোনা যুদ্ধে জাপানকে জেতাচ্ছে সুস্থ সংস্কৃতি 
হারাধন চৌধুরী

সারা পৃথিবীর হিসেব বলছে, করোনা ভাইরাসে বা কোভিড-১৯ রোগে মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। সেই প্রশ্নে জাপানিদের প্রচণ্ড ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, প্রতি একশো জনের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা জাপানেই সর্বাধিক।   বিশদ

09th  July, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক মানুষ ও স্বসহায়ক দলগুলিকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হাঁস ও মুরগির বাচ্চা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের এক মাসের খাবারও কিনে দেবে ...

  নয়াদিল্লি: ফের বাড়ল ডিজেলের দাম। দু’সপ্তাহ আগে দিল্লিতে প্রথমবার ডিজেলের মূল্য লিটার প্রতি ৮০ টাকা ছাড়িয়েছিল। রবিবার তা প্রতি লিটারে ১৬ পয়সা বেড়ে ৮১ ...

মাদ্রিদ: রিয়াল মাদ্রিদের লিগ জয় কার্যত নিশ্চিত। অঘটন না ঘটলে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই খেতাব জিতবে জিনেদিন জিদান-ব্রিগেড। লিগ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা বার্সেলোনার চেয়ে ...

সংবাদদাতা, মালদহ: প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও লকডাউনের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত মালদহের আম ব্যবসাকে চাঙ্গা করতে ইতিমধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দপ্তর। দিল্লিতে নিযুক্ত ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীরা বেশ কিছু সুযোগের সংবাদে আনন্দিত হবেন। বিদ্যার্থীরা পরিশ্রমের সুফল নিশ্চয় পাবে। ভুল সিদ্ধান্ত থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩০: কলকাতায় দ্য জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন, অধুনা স্কটিশ চার্চ কলেজ প্রতিষ্ঠা করলেন আলেকজান্ডার ডাফ এবং রাজা রামমোহন রায়
১৯০০: অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের জন্ম
১৯৪২: মার্কিন অভিনেতা হ্যারিসন ফোর্ডের জন্ম
১৯৫৫: সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর মৃত্যু
২০১১: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক তিনটি বিস্ফোরণে হত ২৬, জখম ১৩০
২০১৩: বোফর্স কান্ডে অভিযুক্ত ইতালীয় ব্যবসায়ী অত্তাভিও কাত্রোচ্চির মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৩১ টাকা ৭৬.০৩ টাকা
পাউন্ড ৯৩.০০ টাকা ৯৬.২৯ টাকা
ইউরো ৮৩.২৩ টাকা ৮৬.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
11th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৩৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী ৩২/৪৫ অপঃ ৬/১০। রেবতী ১৫/২৫ দিবা ১১/১৪। সূর্যোদয় ৫/৩/৫২, সূর্যাস্ত ৬/২০/৩৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২২ মধ্যে। রাত্রি ৯/১২ গতে ১২/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে।
২৮ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী অপরাহ্ন ৫/০। রেবতী নক্ষত্র দিবা ১১/৮। সূযোদয় ৫/৩, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/২৯ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২৩ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে।
২১ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাটে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৯০২ 
গুজরাটে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯০২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

08:06:12 PM

মহারাষ্ট্রে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৬,৪৯৭ 
মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ৪৯৭ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

07:52:00 PM

উত্তর প্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৬৬৪ 
উত্তর প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৬৬৪ জন করোনায় ...বিশদ

07:47:39 PM

২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১,৪৩৫
গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১,৪৩৫ জন। ...বিশদ

07:47:36 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৩২৮ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৩২৮ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

06:40:21 PM

অন্ধ্রপ্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৯৩৫ 
অন্ধ্রপ্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

05:53:11 PM