Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভ্যাকসিন বের করা আর
সার্জিকাল স্ট্রাইক এক নয়
হিমাংশু সিংহ

ধামাকা দিয়ে সব যুদ্ধ জয় করা যায় না। বিশেষ করে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের যুদ্ধ, আর সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা মোটেই এক নয়। বিজ্ঞানের কোনও কালজয়ী আবিষ্কারই ১৫ আগস্ট, ২৬ জানুয়ারি কিম্বা পূর্ণিমা-অমাবস্যার তিথি নক্ষত্র দেখে আসে না। আবার একাদশী বলে ভ্যাকসিনের সাফল্য ঘোষণা চব্বিশ ঘণ্টা পিছিয়েও দেওয়া যায় না। এটাই দস্তুর। তাই কোনও সংযত রাষ্ট্রনেতার পক্ষেই আগে থেকে হাত গুনে বলা সম্ভব নয়, শ্রাবণ মাসের শুক্লা দ্বাদশীতে করোনার টিকা বেরবেই! কারণটা সহজ। পুরো প্রক্রিয়াটি নিরন্তর গবেষণার ফসল। এটা ভারতের ‘জেমস বন্ড’ অজিত দোভালের পরামর্শ মেনে শত্রুর বিরুদ্ধে এলওসিতে কামান দাগা নয়। বালাকোটে মধ্যরাতে জঙ্গি ঘাঁটিতে বিমান হানাও নয়, এটা পুরোদস্তুর বিজ্ঞান। ‘ট্রায়াল অ্যান্ড এরর’ মেথডের মধ্যে দিয়ে অতি সাবধানে এই অগ্নিপরীক্ষায় এগতে হয় গবেষকদের। নেতাদের মতো তাঁদের সামনে নির্বাচনে জেতার হাতছানি নেই। গলায় পেল্লায় মালা ঝুলিয়ে বাহবা কুড়নোর সামান্যতম তাগিদও নেই। উল্টে ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদে পদে অপদস্থ হওয়ার ঘোর আশঙ্কাই পিছু ধাওয়া করে সবসময়।
আমাদের দেশে মানবদেহে ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ সবে শুরু হয়েছে। কাদের কাদের উপর প্রতিষেধক প্রয়োগ করা হবে, সেই তালিকা চূড়ান্ত করেই অতি সাবধানে এগচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। গোটাটা এক দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। অনেকবার এই পরীক্ষা করতে হয়। যাচাই করতে হয় পরীক্ষার ফল। তাতে সাফল্য কতদূর মেলে, হিতে বিপরীত হয় কি না, তার ওপরই নির্ভর করছে করোনা টিকার ভবিষ্যৎ। তবে বাণিজ্যিক প্রয়োগ শুরু হতে বছর ঘুরে যেতে পারে। সারা পৃথিবীতে একসঙ্গে দেড়শো এমন ভ্যাকসিন নিয়ে চূড়ান্ত কাজ চলছে। নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন গবেষকরা। আমাদের দেশে মূল পর্বে রয়েছে মাত্র দু’টি প্রতিষেধক। সরকারি সাহায্যে চলা এই সব প্রকল্পে সাফল্য এলেই জয় জয়কার শুরু হবে নেতাদের, ভোটযন্ত্রে উপচে পড়বে জনসমর্থন। বিরোধীরা বছরখানেক টুঁ শব্দটি করার সাহসটুকু পাবে না। কিন্তু ব্রাত্যই থেকে যাবেন অক্লান্ত গবেষকরা। নিরলস যোদ্ধারা। ঠিক যেমন গলওয়ানের ২০ জন বীর শহিদের পরিবারের অবস্থাটা এই মুহূর্তে কেমন, আমরা কেউ জানি না। খোঁজ নেওয়ার সময়ই নেই ব্যস্ত মিডিয়ার!
আবার এর উল্টোদিকে মানবদেহে প্রয়োগ করামাত্র প্রতিষেধকের ‘সাইড এফেক্টে’ কারও প্রাণ সংশয় হলে কিন্তু বিজ্ঞানীরাই তীব্র সমালোচনার শিকার হবেন। বাতিল হয়ে যাবে সেই প্রতিষেধক। আসলে এদেশে সবকাজে ব্যর্থতার দায় সংশ্লিষ্ট পেশাদারদের ঘাড়ে চাপানোই রীতি। কিন্তু সাফল্য এলে তার ষোলো আনা কৃতিত্ব রাজনীতির কারবারিদের। এদেশে এটা দিনের আলোর মতোই প্রতিষ্ঠিত সত্য। স্বাধীনতার ৭৩ বছর পর আদতে ছোট বড় হরেক কিসিমের নেতার নাগপাশে ভারতের অন্তরাত্মা এখানেই বাঁধা। সেই কারণেই লালকেল্লায় আসন্ন স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় ভাষণের মাহেন্দ্রক্ষণের সঙ্গে ভ্যাকসিন আবষ্কারকে মেলাবার মরিয়া প্রয়াস। প্রচারের সবটুকু আলো শুষে নিতে রাজনীতির কারবারিদের কোনও কার্পণ্য ঩নেই। পরে অবশ্য চাপে পড়ে সরকারি তরফে ঢোক গেলার চেষ্টাও চলল প্রাণপণে। কিন্তু দল ও সরকার উভয়কেই বুঝতে হবে, যাঁরা একাজ করেছেন তাঁরা মোদিজির ভালো করতে গিয়ে ক্ষতিই করেছেন বেশি। তাঁদের চূড়ান্ত ধিক্কারই প্রাপ্য। সবকিছুকে রাজনীতির ক্যালেন্ডারে বাঁধা যায় না। নির্ভেজাল এই সত্যটাকে যদি শাসক ও তার বশংবদ অনুগামীরা আজও বুঝতে না পারেন, তাহলে দেশবাসীর জন্য আরও বড় দুর্ভোগ অপেক্ষা করছে। কে না জানে, গবেষণায় যেমন যুগান্তকারী আবিষ্কার বেরিয়ে আসতে পারে, তেমনি তীরে এসে তরী ডোবার মতো ঘটনাও এই কাঁটা বিছনো পথের নিত্যসঙ্গী। ইতিহাস ঘাঁটলে এমন উদাহরণ ভূরি ভূরি পড়ে আছে। তবু সব জেনেও যুগে যুগে হীরক রাজারা অসহায় বিজ্ঞানীদের চাপ দিয়ে নিজেদের পছন্দমতো সময়ে ‘মস্তিষ্ক প্রক্ষালন যন্ত্র’ তৈরির ব্যর্থ সার্কাস চালিয়ে যান। আধুনিক ডিজিটাল দুনিয়ায় এসেও সেই সস্তা নাটকের বিরাম নেই। রাজা শত সহস্র স্বর্ণ মুদ্রা খরচ করছেন যে, হোক না তা জনগণের করের টাকা!
সবাই জানে এবং অবশ্যই মানে যে চলতি ভাইরাসকে হারানোর বিশ্বযুদ্ধটা আর পাঁচটা লড়াইয়ের চেয়ে অনেক কঠিন। গত চার পাঁচ মাসেই দুনিয়ার তাবৎ শক্তিশালী নেতানেত্রীকে এই অজানা রোগের ভয়ঙ্কর অভিঘাত পুরোদস্তুর হেলিয়ে দিয়েছে। এমনকী মার্কিন মুলুকে ধুরন্ধর ট্রাম্পের গদিও নাকি টলমল শোনা যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে অর্থনীতি চৌপাট। কাজ নেই, ব্যবসা নেই, বিধ্বস্ত মনের শেষ স্বপ্নটুকুকে কোনওক্রমে বাঁচিয়ে রাখতে হিমসিম খাচ্ছে সবাই। হঠাৎই আমরা যেন দিক হারিয়ে আজ নেই রাজ্যের বাসিন্দা। কোনওরকমে প্রাণটুকু নিয়ে ভেসে থাকতেই ব্যস্ত। প্রত্যেকে একটা কথা বিলক্ষণ বুঝে গিয়েছেন, ভ্যাকসিন ছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না। কিন্তু তা বলে কাল চাই, পরশু চাই বলে ছুটে বেড়ালেও তো সমাধান হবে না। এ তো ছেলের হাতের মোয়া নয়। শিশুর খেলনাও নয়। সময় তো দিতেই হবে বিজ্ঞানীদের। রাজনৈতিক লাভ লোকসান ভুলে গিয়ে পর্যাপ্ত সময়। সবে মানবদেহে প্রয়োগ শুরুর ছাড়পত্র মিলেছে। অন্তত নভেম্বর ডিসেম্বর পর্যন্ত তো অপেক্ষা করতেই হবে।
আর সে কথা মনে রেখেই টিকা বেরনোর আগে পর্যন্ত ভার্চুয়াল দুনিয়াতেই সিংহভাগ কাজ চালাতে হবে সবাইকে। মোদির লালকেল্লার বক্তৃতা থেকে মমতার ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ সবই আপাতত অনলাইনে। এটাই সময়ের দাবি। কিন্তু গাড়িঘোড়া, পর্যটন, যাবতীয় ভোগ্যপণ্যের ব্যবসা কীভাবে চলবে? ঘরে থেকেই অফিস। এত জামা জুতোর কী হবে? পার্টি না হলে মহার্ঘ স্যুট, দামি বেলোয়ারি চুরি, হিরের নেকলেসের প্রয়োজনও ফুরতে বাধ্য। এমনকী আসন্ন পুজোয় মুখে মাস্ক এঁটে মাথায় ক্যাপ লাগিয়ে যেখানে ঠাকুর দেখতে যাওয়ারই নেই, সেখানে কেনাকাটা জমবে কোন ভরসায়? ভয় আতঙ্ক কাটিয়ে মানুষ একে অপরের সঙ্গে মিশতে না পারলে যতই চেষ্টা করুন, ব্যবসা বাণিজ্য বাড়া কঠিন।
কিন্তু তা বলে ভাইরাসের ওপর তো সার্জিকাল স্ট্রাইক চলে না! আর যাই হোক, বিজ্ঞানীরা তো আর ব্রজেশ মিশ্র, অজিত দোভাল নন। ডোকা লা’য় ভারত-চীন সংঘাত চলেছিল ৭৩ দিন। তার চেয়েও ১৩ দিন কম সময়ে সাময়িক মিটল লাদাখের গলওয়ান সঙ্কট। ৬০ দিনের মাথায়। অন্তত তেমনটাই সেনার দাবি। আর লকডাউনের প্রথম দিন থেকে আজ ১১২ দিন পার করেও এই মহামারীকে কাবু করার সামান্যতম ইঙ্গিত মেলার লক্ষণ নেই। বরং যুদ্ধ ক্রমেই আরও তীব্র হচ্ছে, ব্যাপক হচ্ছে। প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। আমাদের মতো বিপুল জনঘনত্বের গরিব দেশে মানুষ একবার রাস্তায় বেরলে গায়ে গায়ে ঠেসাঠেসি অনিবার্য। পেট বড় দায়। লোক বেরবেই। তাই মাস্ক, স্যানিটাইজারের ব্যবহার বাড়িয়েও ‘ড্রপলেট’ ছড়ানো বন্ধ করা অসম্ভব। বিক্রিবাটা বেড়ে যেটুকু আলোর ছটা জুলাইতে দেখা যাচ্ছে, সবাইকে ঘরবন্দি করে দিলে সেটা আবার বেমালুম নিভে যাবে। ফলে উভয়সঙ্কট। প্রায় দু’-আড়াই মাস স্তব্ধ হয়ে থাকায় অর্থনীতি সবে একটু ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। তবে ভ্যাকসিন না বেরনো পর্যন্ত এই বিশ্বজোড়া মহামারীর হাত থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন। গত ২৪ মার্চ মোদিজি প্রথম লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন ২১ দিনের। তখনই মহাভারতের যুদ্ধের অবতারণা করেছিলেন তিনি। ভাবটা ছিল এমন যেন, মহাভারতের যুদ্ধ মিটেছে ১৮ দিনে, আর ২১ দিনেই করোনার হেস্তনেস্ত হয়ে যাবে! হয়নি। পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে সীমান্ত ‘যুদ্ধ’ আর বিশ্ব কাঁপানো প্যানডেমিকের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত সমানে সমানে লড়ে যাওয়া এক নয়। জুনে আনলক পর্ব শুরুর পরও প্রায় দেড় মাস কাটতে চলেছে। কিন্তু মানুষ এখনও স্বস্তি পায়নি। আর এখন বলা হচ্ছে, যদি আগামী ফেব্রুয়ারি-মার্চেও ভ্যাকসিন না আসে তাহলে দেশে দৈনিক সংক্রমণ তিন লাখ ছুঁয়ে ফেলবে। অর্থাৎ ভ্যাকসিন বেরনোর আগেই আমাদের দেশের সিংহভাগ অংশ আক্রান্ত তো হবেই, সেইসঙ্গে সুস্থ হয়ে অ্যান্টিবডিরও বাহক হবে। আপাতত আশার আলো দেখাচ্ছে ওই অ্যান্টিবডিই। এছাড়া, সুস্থদের রক্তের প্লাজমা ব্যাঙ্ক। কিন্তু সব ছাপিয়ে আসল প্রশ্ন হচ্ছে, কবে আসছে ভ্যাকসিন? তার ওপরই নির্ভর করছে করোনা যুদ্ধের অন্তিম পরিণতি। শত্রুর সঙ্গে যুদ্ধের পর শহিদ বীর জওয়ানের দেহ ফেরে। বাড়িতে কান্নার রোল ওঠে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সৎকার হয়। তারপর একদিন আমরা সবাই ভুলে যাই। বীর জওয়ানদের আত্মবলিদানের ভিতের ওপর তৈরি হয় নেতাদের জনপ্রিয় কেরিয়ার। করোনাকে হারাতে ভ্যাকসিন আবষ্কারের যুদ্ধেও কত শত বিজ্ঞানী রাতদিন এক করে নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। ভ্যাকসিন বেরিয়ে যুদ্ধ থামলে তাঁদের কথা আমাদের মনে থাকবে তো?
12th  July, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 রেওয়াজি খাসির মাংস কিংবা পদ্মার ইলিশ নয়। করোনা পরিস্থিতিতে এখন সব্জি ভাত খেতে গিয়েই হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ...

  দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিত্যদিনের মতো সাংবাদিক সম্মেলন করছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঠিক তখনই হোয়াইট হাউসের বাইরে পরপর গুলির আওয়াজ। মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে ...

 গ্রাম বাংলায় বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের কাজে সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত ২৫ হাজার গ্রামীণ সম্পদ কর্মী বা ভিলেজ রিসোর্স পার্সন (ভিআরপি) ফের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM