Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রতিপক্ষ যখন পঞ্চায়েত
তন্ময় মল্লিক

উদ্দেশ্য এবং উপায় সৎ হলে তার ফল ভালো হয়। এমন কথাই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেটা খাটে না। জ্বলন্ত উদাহরণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। লক্ষ্য ছিল ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। তৈরি হয়েছিল জেলা পরিষদ। জেলার রাইটার্স বিল্ডিং। গ্রাম পঞ্চায়েত তার ক্ষুদ্রতম সংস্করণ। গ্রামের উন্নয়ন কোথায় হবে, ঠিক করবে গ্রামেরই মানুষ। উদ্দেশ্য এবং পথ দু’টোই ছিল ভালো। কিন্তু সেই পঞ্চায়েতকে ঘিরেই ঘুঘুর বাসার জন্ম। মানুষ প্রত্যক্ষ করল, ক্ষমতায় বদলে যায় চরিত্র। আর সেই ক্ষমতা নিরঙ্কুশ হলে আলগা হয়ে যায় নিয়ন্ত্রণের রাশ। দুর্নীতি পেয়ে যায় শাখাপ্রশাখা বিস্তারের অবাধ সুযোগ। রুদ্ধ হয় প্রতিকারের পথ। মানুষের মধ্যে তৈরি হয় ক্ষোভ। রাজনীতিতে ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতিই সেই ক্ষোভ নিরসনের দাওয়াই বলে মানছেন বিশেষজ্ঞরা।
১৯৭৭ সালে রাজ্যের ক্ষমতা দখল করেই বামফ্রন্ট নেতৃত্ব উপলব্ধি করেছিল, সরকারের ভিত শক্তপোক্ত করতে গেলে মানুষের মধ্যে ধরাতে হবে ক্ষমতার নেশা। রাজ্যের ৬৫ভাগই গ্রামের মানুষ। তাই মহাকরণে পা রাখার মুহূর্তে জ্যোতি বসু ঘোষণা করেছিলেন, ‘বামফ্রন্ট সরকার শুধু মহাকরণ থেকে পরিচালিত হবে না। জেলায় জেলায় প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।’ জ্যোতিবাবুরা বুঝেছিলেন, ক্ষমতাভোগীরা নিজেদের স্বার্থেই সরকারকে
টিকিয়ে রাখবে। তাতেই সরকার হবে দীর্ঘস্থায়ী। সেই লক্ষ্যে পরের বছর, অর্থাৎ ১৯৭৮ সালেই সেরে ফেলেছিল পঞ্চায়েত নির্বাচন।
তখন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক প্রমোদ দাশগুপ্ত। প্রখর বাস্তবজ্ঞান ও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন প্রমোদবাবু জানতেন, পঞ্চায়েতের ক্ষমতাতেই ছিন্নভিন্ন হবে বিরোধী শক্তি। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতে পঞ্চায়েত
ধারালো অস্ত্রের মতো। তবে তা থেকেই আসতে
পারে বিপদ। তাই নির্বাচনে যাওয়ার আগে তিনি দলীয় নেতৃত্বকে সতর্ক করেছিলেন। বলেছিলেন, ‘গ্রাম পঞ্চায়েত হল এমনই একটি ধারালো অস্ত্র, যা দিয়ে শত্রু পক্ষকে কাটতে কাটতে এগনো যাবে। যদি ঠিকমতো ওই অস্ত্র ব্যবহার করা না যায়, তাহলে নিজেদের জখম হতে হবে।’
পঞ্চায়েত ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রমোদবাবুর বিশ্লেষণ যে অভ্রান্ত ছিল, তা আজ সকলেই স্বীকার করেন। বামফ্রন্টের ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড গড়ার কৃতিত্বের সিংহভাগ যদি পঞ্চায়েতের ঝুলিতে যায়, তাহলে পতনের পিছনেও তারই অবদান সর্বাধিক। বাম জমানার অবসানের আপাত কারণ সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম, নেতাই হলেও বামফ্রন্টের মূল কাঠামোয় ঘুণ ধরিয়েছিল পঞ্চায়েত ব্যবস্থাই।
এই পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সৌজন্যেই একটা বিড়ি নিভিয়ে দু’বার সুখটানে অভ্যস্ত কমরেডদের আঙুলে ঝুলেছিল লম্বা সিগারেট। বদলে গিয়েছিল চালচলন, জীবনযাত্রা। ভাঙাচোরা সাইকেলের জায়গা নিয়েছিল ঝাঁ চকচকে বাইক। আঙুল ফুলে যে কলাগাছ হয়, তা চাক্ষুষ করেছিল গ্রামবাংলা। মানুষের এসব সহ্য হয়নি। তাই পরিবর্তনের ধাক্কায় বদলে গিয়েছিল বঙ্গ রাজনীতির গতিপথ। অপ্রিয় হোক বা না হোক, আসল সত্যিটা হল, বামেদের রেখে যাওয়া জুতোতেই পা গলিয়েছে তৃণমূলের একাংশ। আর তাদেরই জন্যে বারেবারে খেতে হচ্ছে হোঁচট।
উম-পুনের ক্ষতিপূরণকে কেন্দ্র করে রাজ্যে ঝড় ওঠার পিছনেও রয়েছে সেই পঞ্চায়েতই। কেন্দ্রীয় সরকারের আচমকা লকডাউন ঘোষণা সত্ত্বেও রাজ্যের গরিব, খেটে খাওয়া মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রী বিনা পয়সায় রেশনের ব্যবস্থা করেছেন। একের পর এক কোভিড হাসপাতাল গড়েছেন। পরিযায়ী শ্রমিকদের হাতে দিয়েছেন জবকার্ড, বিনা পয়সায় চাল ও ছোলা। এমনই এক দুর্যোগের মুহূর্তে সুপার সাইক্লোনের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত মানুষের সুরাহার জন্যই দ্রুত পৌঁছে দিয়েছেন ক্ষতিপূরণ। চরম আর্থিক সঙ্কট সত্ত্বেও।
কিন্তু সেই ক্ষতিপূরণকে ঘিরেই শুরু হয়েছে ব্যাপক জলঘোলা। পঞ্চায়েতের সঙ্গে যুক্ত দলের একাংশের সীমাহীন লোভ গোটা তৃণমূল দলটাকে দাঁড়
করিয়ে দিয়েছে কাঠগোড়ায়।
অনেকেই এই পরিস্থিতির জন্য বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভকেই দায়ী করছেন। তাঁদের মতে, পঞ্চায়েত ব্যবস্থায়
দলের একাংশের একাধিপত্য কায়েমের কারণেই তৃণমূলকে বারবার বিপদে পড়তে হচ্ছে। বহু জায়গাতেই পেশিশক্তি ও অর্থশক্তিতে বলীয়ান লোকজন ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছে। তাই জনগণের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা তৈরি হয়নি। লবিবাজির সৌজন্যে প্রভাবশালীরাই দলের সাংগঠনিক
এবং প্রশাসনিক চেয়ার দখল করেছে। তাদের অনেকেরই পেশা ঠিকাদারি।
অধিকাংশ জেলাতেই দলের অঞ্চল, ব্লক ও জেলা সভাপতিরাই রয়েছেন পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ পদে। ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি মেনে চললে মানুষের ক্ষোভ জানানোর জায়গাটা অন্তত থাকত। আশা থাকত প্রতিকারের। কিন্তু বহু জায়গাতেই সে রাস্তাটাও বন্ধ। তাই ক্ষোভ আছড়ে পড়ছে রাস্তায়। তারই সুযোগ নিচ্ছে বিরোধীরা। সংগঠন ছাড়াই পেয়ে যাচ্ছে লোকের সমর্থন।
পঞ্চায়েত আইন পাশ হয়েছিল সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের আমলে। কিন্তু, বাস্তবায়িত হয়নি। পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সাফল্য ঘরে তুলেছিল জ্যোতিবাবুর সরকার। আটের দশকে সল্টলেক স্টেডিয়ামে পঞ্চায়েতরাজ সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছিলেন রাজীব গান্ধী। তিনি
এরাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থা ও জ্যোতি বসুর ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু জ্যোতিবাবু সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘এই প্রশংসা আমাদের পার্টি এবং সরকারের প্রাপ্য। তবে এই সাফল্যের জন্যে যদি কোনও ব্যক্তির প্রশংসা করতে হয়, তিনি হলেন
বিনয় চৌধুরী।’
রাজ্যে বাম শাসনের এক যুগ পর সেই বিনয় চৌধুরীই উপলব্ধি করেছিলেন, পঞ্চায়েতের হাত ধরেই দল ক্রমশই আদর্শ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। ক্ষমতার ভাইরাসে কাবু হচ্ছে। আপাদমস্তক কমিউনিস্ট এই মানুষটি সেই বিচ্যুতি মেনে নিতে পারছিলেন না। দলের মধ্যে দিন দিন বেড়ে চলা ঠিকাদারদের আধিপত্যে বাড়ছিল বিনয়বাবু রাগের পারদ। দলীয় ফোরামে বার বার সতর্ক করেও সামাল দিতে পারছিলেন না। তাই প্রকাশ্যে উগরে দিয়েছিলেন তাঁর ক্ষোভ। বর্ধমানের টাউন হলে জলসম্পদ দপ্তরের সরকারি অনুষ্ঠানে রাগে কাঁপতে কাঁপতে পোডিয়াম ঠুকে তিনি বলেছিলেন, ‘সমালোচনা হবে জেনেও আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি, সরকারের সংজ্ঞা বদলে গিয়েছে। এখন সরকার ফর দ্য কন্ট্রাক্টর, বাই দ্য কন্ট্রাক্টর, অফ দ্য কন্ট্রাক্টর।’ বাম জমানায় পঞ্চায়েতি ব্যবস্থায় ঠিকাদাররা পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ত। আর এখন বহু জায়গায় সেই ঠিকাদারদের ট্যাঁকে ঝুলছে চাবির গোছা।
বিনয়বাবু দলের ক্ষতি করতে চাননি। তিনি ধাক্কা দিয়ে লোহার জং ছাড়াতে চেয়েছিলেন। বাঁচাতে চেয়েছিলেন দলকে। কিন্তু দলীয় নেতৃত্ব তাঁর কথায় গুরুত্ব দেয়নি। উল্টে জ্যোতি বসুর প্রশ্রয়ে শুরু হয়েছিল তাঁকে কোণঠাসা করার প্রয়াস। তাতে বিনয় চৌধুরীর ক্ষতি হয়নি, হয়েছিল সিপিএমের। তারপরেও প্রায় দু’দশক ‘দলের সম্পদ’দের কৃপায় এরাজ্যে ক্ষমতায় টিকেছিল বামফ্রন্ট সরকার। ক্ষমতায় টিকে থাকলেও মানুষের মন থেকে ক্রমশই সরে গিয়েছিল। তাই ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাসের ঘর হয়ে গিয়েছে সিপিএম। বাম নেতৃত্ব যত ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলছে, দল ততই মুখ থুবড়ে পড়ছে।
কৃতিত্বের ভাগীদার হতে সবাই চায়, কিন্তু বোঝা বওয়ার লোক পাওয়া যায় না।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুব ভালো করেই জানেন, দলের বোঝা তাঁকেই টানতে হবে। উম-পুনের ক্ষতিপূরণ নিয়ে তাঁর দলের পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের কলঙ্কের দাগ মুছতে হবে তাঁকেই। তাই যাবতীয় দায় তিনি নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। বলেছেন, তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে কিছু ভুল হয়েছে।
আমার উপর ভরসা রাখুন। আস্থা রাখুন। কেউ
বঞ্চিত হবেন না।
এই মুহূর্তে ক্ষতিপূরণের দুর্নীতি বিরোধীদের কাছে জবরদস্ত ইস্যু। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠান্ডা মাথায় বিরোধীদের পালের হাওয়া কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। বিরোধীদের দাবি ছিল, ‘ক্ষতিপূরণের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে হবে।’ তিনি জেলাশাসকদের মাধ্যমে টাকা ফেরাচ্ছেন। বিরোধীদের দাবি ছিল, ‘প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা দিতে হবে।’ তিনি প্রশাসনকে দিয়ে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তের তালিকা তৈরি করে টাকা দিচ্ছেন। তার জন্য জেলায় জেলায় আরও টাকা পাঠাচ্ছেন। বিরোধীদের দাবি ছিল, ’দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল নেতাদের শাস্তি দিতে হবে।’ তাঁর নির্দেশে জেলায় জেলায় অভিযুক্ত নেতাদের সাসপেন্ড ও বহিষ্কারের কাজ চলছে। এইভাবেই তিনি বিরোধীদের হাত থেকে এক এক করে ইস্যুগুলি কেড়ে নিচ্ছেন।
লোকসভায় এক থেকে টেনে টেনে ৩৪, বিধানসভায় ৩৫ থেকে ২১৬ করার কৃতিত্ব তাঁরই। নতুন দল তৈরি করে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারকে উৎখাত করার রেকর্ড রয়েছে তাঁরই ঝুলিতে। ২০১৬ সালে খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তোলার ইতিহাস লিখেছেন তিনিই। দলের ডজন খানেক নেতা, মন্ত্রী সিবিআইয়ে খাতায় অভিযুক্ত থাকার পরেও কেন্দ্রীয় সরকারের চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস আছে তাঁরই। বহু অমিত শক্তিধরের
বিরুদ্ধে যুদ্ধের অভিজ্ঞতা আছে তাঁরই। হয়তো এই লড়াইয়েও শেষ হাসি তিনিই হাসবেন। তবুও পঞ্চায়েত সম্পর্কে প্রমোদ দাশগুপ্তের সতর্কবাণী স্মরণে রাখা ভালো, ‘যদি ঠিকমতো ওই অস্ত্র ব্যবহার করা না যায়, তাহলে নিজেদের জখম হতে হবে।’ অভিজ্ঞতা বলছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিপক্ষ বিরোধীরা নয়, তাঁরই দলের পঞ্চায়েত।
11th  July, 2020
শীর্ষ সম্মেলন কূটনীতির পরাজয়

দুই নেতার সিদ্ধান্ত ছিল যে ‘২০২০ সালটাকে ভারত-চীন সংস্কৃতি এবং মানুষে মানুষে ভাব বিনিময়ের বর্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে’। আইডিয়াটা স্মরণীয় হবে ভেবে মোদিজি নিশ্চয় আহ্লাদিতই হয়েছিলেন!
বিশদ

ভ্যাকসিন বের করা আর
সার্জিকাল স্ট্রাইক এক নয়
হিমাংশু সিংহ

ধামাকা দিয়ে সব যুদ্ধ জয় করা যায় না। বিশেষ করে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের যুদ্ধ, আর সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা মোটেই এক নয়। বিজ্ঞানের কোনও কালজয়ী আবিষ্কারই ১৫ আগস্ট, ২৬ জানুয়ারি কিম্বা পূর্ণিমা-অমাবস্যার তিথি নক্ষত্র দেখে আসে না।
বিশদ

12th  July, 2020
নিত্য নতুন ইভেন্টের
আড়ালে যত খেলা
সমৃদ্ধ দত্ত

বয়কটের আগে বুঝতে হবে যে, এখন এসব বয়কট করার অর্থ আমাদের দেশেরই ব্যবসায়ী, দোকানিদের চরম আর্থিক ক্ষতি। বিগত তিনমাসের লকডাউনে এমনিতেই জীবিকা সঙ্কটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমাদের এলাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট এখন আমরা না কিনলে চীনের ক্ষতি নেই।
বিশদ

10th  July, 2020
করোনা যুদ্ধে জাপানকে জেতাচ্ছে সুস্থ সংস্কৃতি 
হারাধন চৌধুরী

সারা পৃথিবীর হিসেব বলছে, করোনা ভাইরাসে বা কোভিড-১৯ রোগে মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। সেই প্রশ্নে জাপানিদের প্রচণ্ড ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, প্রতি একশো জনের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা জাপানেই সর্বাধিক।   বিশদ

09th  July, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
একনজরে
  নয়াদিল্লি: ফের বাড়ল ডিজেলের দাম। দু’সপ্তাহ আগে দিল্লিতে প্রথমবার ডিজেলের মূল্য লিটার প্রতি ৮০ টাকা ছাড়িয়েছিল। রবিবার তা প্রতি লিটারে ১৬ পয়সা বেড়ে ৮১ ...

  ওয়াশিংটন: ভুয়ো লাইসেন্সধারী পাইলটদের উপর বিশ্বাস নেই। ইউরোপের পর এবার আমেরিকাতেও নিষিদ্ধ হল পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স (পিআইএ)। ...

সংবাদদাতা, মালদহ: প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও লকডাউনের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত মালদহের আম ব্যবসাকে চাঙ্গা করতে ইতিমধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দপ্তর। দিল্লিতে নিযুক্ত ...

মাদ্রিদ: রিয়াল মাদ্রিদের লিগ জয় কার্যত নিশ্চিত। অঘটন না ঘটলে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই খেতাব জিতবে জিনেদিন জিদান-ব্রিগেড। লিগ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা বার্সেলোনার চেয়ে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীরা বেশ কিছু সুযোগের সংবাদে আনন্দিত হবেন। বিদ্যার্থীরা পরিশ্রমের সুফল নিশ্চয় পাবে। ভুল সিদ্ধান্ত থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩০: কলকাতায় দ্য জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন, অধুনা স্কটিশ চার্চ কলেজ প্রতিষ্ঠা করলেন আলেকজান্ডার ডাফ এবং রাজা রামমোহন রায়
১৯০০: অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের জন্ম
১৯৪২: মার্কিন অভিনেতা হ্যারিসন ফোর্ডের জন্ম
১৯৫৫: সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর মৃত্যু
২০১১: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক তিনটি বিস্ফোরণে হত ২৬, জখম ১৩০
২০১৩: বোফর্স কান্ডে অভিযুক্ত ইতালীয় ব্যবসায়ী অত্তাভিও কাত্রোচ্চির মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৩১ টাকা ৭৬.০৩ টাকা
পাউন্ড ৯৩.০০ টাকা ৯৬.২৯ টাকা
ইউরো ৮৩.২৩ টাকা ৮৬.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
11th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৩৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী ৩২/৪৫ অপঃ ৬/১০। রেবতী ১৫/২৫ দিবা ১১/১৪। সূর্যোদয় ৫/৩/৫২, সূর্যাস্ত ৬/২০/৩৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২২ মধ্যে। রাত্রি ৯/১২ গতে ১২/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে।
২৮ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী অপরাহ্ন ৫/০। রেবতী নক্ষত্র দিবা ১১/৮। সূযোদয় ৫/৩, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/২৯ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২৩ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে।
২১ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাটে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৯০২ 
গুজরাটে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯০২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

08:06:12 PM

মহারাষ্ট্রে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৬,৪৯৭ 
মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ৪৯৭ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

07:52:00 PM

উত্তর প্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৬৬৪ 
উত্তর প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৬৬৪ জন করোনায় ...বিশদ

07:47:39 PM

২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১,৪৩৫
গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১,৪৩৫ জন। ...বিশদ

07:47:36 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৩২৮ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৩২৮ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

06:40:21 PM

অন্ধ্রপ্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৯৩৫ 
অন্ধ্রপ্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

05:53:11 PM