Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রতিপক্ষ যখন পঞ্চায়েত
তন্ময় মল্লিক

উদ্দেশ্য এবং উপায় সৎ হলে তার ফল ভালো হয়। এমন কথাই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেটা খাটে না। জ্বলন্ত উদাহরণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। লক্ষ্য ছিল ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। তৈরি হয়েছিল জেলা পরিষদ। জেলার রাইটার্স বিল্ডিং। গ্রাম পঞ্চায়েত তার ক্ষুদ্রতম সংস্করণ। গ্রামের উন্নয়ন কোথায় হবে, ঠিক করবে গ্রামেরই মানুষ। উদ্দেশ্য এবং পথ দু’টোই ছিল ভালো। কিন্তু সেই পঞ্চায়েতকে ঘিরেই ঘুঘুর বাসার জন্ম। মানুষ প্রত্যক্ষ করল, ক্ষমতায় বদলে যায় চরিত্র। আর সেই ক্ষমতা নিরঙ্কুশ হলে আলগা হয়ে যায় নিয়ন্ত্রণের রাশ। দুর্নীতি পেয়ে যায় শাখাপ্রশাখা বিস্তারের অবাধ সুযোগ। রুদ্ধ হয় প্রতিকারের পথ। মানুষের মধ্যে তৈরি হয় ক্ষোভ। রাজনীতিতে ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতিই সেই ক্ষোভ নিরসনের দাওয়াই বলে মানছেন বিশেষজ্ঞরা।
১৯৭৭ সালে রাজ্যের ক্ষমতা দখল করেই বামফ্রন্ট নেতৃত্ব উপলব্ধি করেছিল, সরকারের ভিত শক্তপোক্ত করতে গেলে মানুষের মধ্যে ধরাতে হবে ক্ষমতার নেশা। রাজ্যের ৬৫ভাগই গ্রামের মানুষ। তাই মহাকরণে পা রাখার মুহূর্তে জ্যোতি বসু ঘোষণা করেছিলেন, ‘বামফ্রন্ট সরকার শুধু মহাকরণ থেকে পরিচালিত হবে না। জেলায় জেলায় প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।’ জ্যোতিবাবুরা বুঝেছিলেন, ক্ষমতাভোগীরা নিজেদের স্বার্থেই সরকারকে
টিকিয়ে রাখবে। তাতেই সরকার হবে দীর্ঘস্থায়ী। সেই লক্ষ্যে পরের বছর, অর্থাৎ ১৯৭৮ সালেই সেরে ফেলেছিল পঞ্চায়েত নির্বাচন।
তখন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক প্রমোদ দাশগুপ্ত। প্রখর বাস্তবজ্ঞান ও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন প্রমোদবাবু জানতেন, পঞ্চায়েতের ক্ষমতাতেই ছিন্নভিন্ন হবে বিরোধী শক্তি। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতে পঞ্চায়েত
ধারালো অস্ত্রের মতো। তবে তা থেকেই আসতে
পারে বিপদ। তাই নির্বাচনে যাওয়ার আগে তিনি দলীয় নেতৃত্বকে সতর্ক করেছিলেন। বলেছিলেন, ‘গ্রাম পঞ্চায়েত হল এমনই একটি ধারালো অস্ত্র, যা দিয়ে শত্রু পক্ষকে কাটতে কাটতে এগনো যাবে। যদি ঠিকমতো ওই অস্ত্র ব্যবহার করা না যায়, তাহলে নিজেদের জখম হতে হবে।’
পঞ্চায়েত ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রমোদবাবুর বিশ্লেষণ যে অভ্রান্ত ছিল, তা আজ সকলেই স্বীকার করেন। বামফ্রন্টের ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড গড়ার কৃতিত্বের সিংহভাগ যদি পঞ্চায়েতের ঝুলিতে যায়, তাহলে পতনের পিছনেও তারই অবদান সর্বাধিক। বাম জমানার অবসানের আপাত কারণ সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম, নেতাই হলেও বামফ্রন্টের মূল কাঠামোয় ঘুণ ধরিয়েছিল পঞ্চায়েত ব্যবস্থাই।
এই পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সৌজন্যেই একটা বিড়ি নিভিয়ে দু’বার সুখটানে অভ্যস্ত কমরেডদের আঙুলে ঝুলেছিল লম্বা সিগারেট। বদলে গিয়েছিল চালচলন, জীবনযাত্রা। ভাঙাচোরা সাইকেলের জায়গা নিয়েছিল ঝাঁ চকচকে বাইক। আঙুল ফুলে যে কলাগাছ হয়, তা চাক্ষুষ করেছিল গ্রামবাংলা। মানুষের এসব সহ্য হয়নি। তাই পরিবর্তনের ধাক্কায় বদলে গিয়েছিল বঙ্গ রাজনীতির গতিপথ। অপ্রিয় হোক বা না হোক, আসল সত্যিটা হল, বামেদের রেখে যাওয়া জুতোতেই পা গলিয়েছে তৃণমূলের একাংশ। আর তাদেরই জন্যে বারেবারে খেতে হচ্ছে হোঁচট।
উম-পুনের ক্ষতিপূরণকে কেন্দ্র করে রাজ্যে ঝড় ওঠার পিছনেও রয়েছে সেই পঞ্চায়েতই। কেন্দ্রীয় সরকারের আচমকা লকডাউন ঘোষণা সত্ত্বেও রাজ্যের গরিব, খেটে খাওয়া মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রী বিনা পয়সায় রেশনের ব্যবস্থা করেছেন। একের পর এক কোভিড হাসপাতাল গড়েছেন। পরিযায়ী শ্রমিকদের হাতে দিয়েছেন জবকার্ড, বিনা পয়সায় চাল ও ছোলা। এমনই এক দুর্যোগের মুহূর্তে সুপার সাইক্লোনের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত মানুষের সুরাহার জন্যই দ্রুত পৌঁছে দিয়েছেন ক্ষতিপূরণ। চরম আর্থিক সঙ্কট সত্ত্বেও।
কিন্তু সেই ক্ষতিপূরণকে ঘিরেই শুরু হয়েছে ব্যাপক জলঘোলা। পঞ্চায়েতের সঙ্গে যুক্ত দলের একাংশের সীমাহীন লোভ গোটা তৃণমূল দলটাকে দাঁড়
করিয়ে দিয়েছে কাঠগোড়ায়।
অনেকেই এই পরিস্থিতির জন্য বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভকেই দায়ী করছেন। তাঁদের মতে, পঞ্চায়েত ব্যবস্থায়
দলের একাংশের একাধিপত্য কায়েমের কারণেই তৃণমূলকে বারবার বিপদে পড়তে হচ্ছে। বহু জায়গাতেই পেশিশক্তি ও অর্থশক্তিতে বলীয়ান লোকজন ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছে। তাই জনগণের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা তৈরি হয়নি। লবিবাজির সৌজন্যে প্রভাবশালীরাই দলের সাংগঠনিক
এবং প্রশাসনিক চেয়ার দখল করেছে। তাদের অনেকেরই পেশা ঠিকাদারি।
অধিকাংশ জেলাতেই দলের অঞ্চল, ব্লক ও জেলা সভাপতিরাই রয়েছেন পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ পদে। ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি মেনে চললে মানুষের ক্ষোভ জানানোর জায়গাটা অন্তত থাকত। আশা থাকত প্রতিকারের। কিন্তু বহু জায়গাতেই সে রাস্তাটাও বন্ধ। তাই ক্ষোভ আছড়ে পড়ছে রাস্তায়। তারই সুযোগ নিচ্ছে বিরোধীরা। সংগঠন ছাড়াই পেয়ে যাচ্ছে লোকের সমর্থন।
পঞ্চায়েত আইন পাশ হয়েছিল সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের আমলে। কিন্তু, বাস্তবায়িত হয়নি। পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সাফল্য ঘরে তুলেছিল জ্যোতিবাবুর সরকার। আটের দশকে সল্টলেক স্টেডিয়ামে পঞ্চায়েতরাজ সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছিলেন রাজীব গান্ধী। তিনি
এরাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থা ও জ্যোতি বসুর ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু জ্যোতিবাবু সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘এই প্রশংসা আমাদের পার্টি এবং সরকারের প্রাপ্য। তবে এই সাফল্যের জন্যে যদি কোনও ব্যক্তির প্রশংসা করতে হয়, তিনি হলেন
বিনয় চৌধুরী।’
রাজ্যে বাম শাসনের এক যুগ পর সেই বিনয় চৌধুরীই উপলব্ধি করেছিলেন, পঞ্চায়েতের হাত ধরেই দল ক্রমশই আদর্শ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। ক্ষমতার ভাইরাসে কাবু হচ্ছে। আপাদমস্তক কমিউনিস্ট এই মানুষটি সেই বিচ্যুতি মেনে নিতে পারছিলেন না। দলের মধ্যে দিন দিন বেড়ে চলা ঠিকাদারদের আধিপত্যে বাড়ছিল বিনয়বাবু রাগের পারদ। দলীয় ফোরামে বার বার সতর্ক করেও সামাল দিতে পারছিলেন না। তাই প্রকাশ্যে উগরে দিয়েছিলেন তাঁর ক্ষোভ। বর্ধমানের টাউন হলে জলসম্পদ দপ্তরের সরকারি অনুষ্ঠানে রাগে কাঁপতে কাঁপতে পোডিয়াম ঠুকে তিনি বলেছিলেন, ‘সমালোচনা হবে জেনেও আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি, সরকারের সংজ্ঞা বদলে গিয়েছে। এখন সরকার ফর দ্য কন্ট্রাক্টর, বাই দ্য কন্ট্রাক্টর, অফ দ্য কন্ট্রাক্টর।’ বাম জমানায় পঞ্চায়েতি ব্যবস্থায় ঠিকাদাররা পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ত। আর এখন বহু জায়গায় সেই ঠিকাদারদের ট্যাঁকে ঝুলছে চাবির গোছা।
বিনয়বাবু দলের ক্ষতি করতে চাননি। তিনি ধাক্কা দিয়ে লোহার জং ছাড়াতে চেয়েছিলেন। বাঁচাতে চেয়েছিলেন দলকে। কিন্তু দলীয় নেতৃত্ব তাঁর কথায় গুরুত্ব দেয়নি। উল্টে জ্যোতি বসুর প্রশ্রয়ে শুরু হয়েছিল তাঁকে কোণঠাসা করার প্রয়াস। তাতে বিনয় চৌধুরীর ক্ষতি হয়নি, হয়েছিল সিপিএমের। তারপরেও প্রায় দু’দশক ‘দলের সম্পদ’দের কৃপায় এরাজ্যে ক্ষমতায় টিকেছিল বামফ্রন্ট সরকার। ক্ষমতায় টিকে থাকলেও মানুষের মন থেকে ক্রমশই সরে গিয়েছিল। তাই ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাসের ঘর হয়ে গিয়েছে সিপিএম। বাম নেতৃত্ব যত ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলছে, দল ততই মুখ থুবড়ে পড়ছে।
কৃতিত্বের ভাগীদার হতে সবাই চায়, কিন্তু বোঝা বওয়ার লোক পাওয়া যায় না।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুব ভালো করেই জানেন, দলের বোঝা তাঁকেই টানতে হবে। উম-পুনের ক্ষতিপূরণ নিয়ে তাঁর দলের পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের কলঙ্কের দাগ মুছতে হবে তাঁকেই। তাই যাবতীয় দায় তিনি নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। বলেছেন, তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে কিছু ভুল হয়েছে।
আমার উপর ভরসা রাখুন। আস্থা রাখুন। কেউ
বঞ্চিত হবেন না।
এই মুহূর্তে ক্ষতিপূরণের দুর্নীতি বিরোধীদের কাছে জবরদস্ত ইস্যু। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠান্ডা মাথায় বিরোধীদের পালের হাওয়া কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। বিরোধীদের দাবি ছিল, ‘ক্ষতিপূরণের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে হবে।’ তিনি জেলাশাসকদের মাধ্যমে টাকা ফেরাচ্ছেন। বিরোধীদের দাবি ছিল, ‘প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা দিতে হবে।’ তিনি প্রশাসনকে দিয়ে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তের তালিকা তৈরি করে টাকা দিচ্ছেন। তার জন্য জেলায় জেলায় আরও টাকা পাঠাচ্ছেন। বিরোধীদের দাবি ছিল, ’দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল নেতাদের শাস্তি দিতে হবে।’ তাঁর নির্দেশে জেলায় জেলায় অভিযুক্ত নেতাদের সাসপেন্ড ও বহিষ্কারের কাজ চলছে। এইভাবেই তিনি বিরোধীদের হাত থেকে এক এক করে ইস্যুগুলি কেড়ে নিচ্ছেন।
লোকসভায় এক থেকে টেনে টেনে ৩৪, বিধানসভায় ৩৫ থেকে ২১৬ করার কৃতিত্ব তাঁরই। নতুন দল তৈরি করে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারকে উৎখাত করার রেকর্ড রয়েছে তাঁরই ঝুলিতে। ২০১৬ সালে খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তোলার ইতিহাস লিখেছেন তিনিই। দলের ডজন খানেক নেতা, মন্ত্রী সিবিআইয়ে খাতায় অভিযুক্ত থাকার পরেও কেন্দ্রীয় সরকারের চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস আছে তাঁরই। বহু অমিত শক্তিধরের
বিরুদ্ধে যুদ্ধের অভিজ্ঞতা আছে তাঁরই। হয়তো এই লড়াইয়েও শেষ হাসি তিনিই হাসবেন। তবুও পঞ্চায়েত সম্পর্কে প্রমোদ দাশগুপ্তের সতর্কবাণী স্মরণে রাখা ভালো, ‘যদি ঠিকমতো ওই অস্ত্র ব্যবহার করা না যায়, তাহলে নিজেদের জখম হতে হবে।’ অভিজ্ঞতা বলছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিপক্ষ বিরোধীরা নয়, তাঁরই দলের পঞ্চায়েত।
11th  July, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
  দশ দলেরই ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (আইএসএল) হতে চলেছে। মঙ্গলবার নিজেদের ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটের কভার ফটো বদল করেছে আইএসএল কর্তৃপক্ষ। ...

 গ্রাম বাংলায় বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের কাজে সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত ২৫ হাজার গ্রামীণ সম্পদ কর্মী বা ভিলেজ রিসোর্স পার্সন (ভিআরপি) ফের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ...

 সোয়াব বা লালারসের নমুনা দেওয়ার সময় মালদহে অনেকেই ভুল ঠিকানা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। ইচ্ছাকৃতভাবে মোবাইল নম্বরও ভুল দেওয়া হচ্ছে। ...

 হাসপাতাল চত্বরে চলাচলের রাস্তার ধারেই করোনা পরীক্ষার যাবতীয় বর্জ্য সহ পিপিই কিট পড়ে থাকতে দেখা গেল। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার চাঞ্চল্য ছড়াল দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM