Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রতিপক্ষ যখন পঞ্চায়েত
তন্ময় মল্লিক

উদ্দেশ্য এবং উপায় সৎ হলে তার ফল ভালো হয়। এমন কথাই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেটা খাটে না। জ্বলন্ত উদাহরণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। লক্ষ্য ছিল ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। তৈরি হয়েছিল জেলা পরিষদ। জেলার রাইটার্স বিল্ডিং। গ্রাম পঞ্চায়েত তার ক্ষুদ্রতম সংস্করণ। গ্রামের উন্নয়ন কোথায় হবে, ঠিক করবে গ্রামেরই মানুষ। উদ্দেশ্য এবং পথ দু’টোই ছিল ভালো। কিন্তু সেই পঞ্চায়েতকে ঘিরেই ঘুঘুর বাসার জন্ম। মানুষ প্রত্যক্ষ করল, ক্ষমতায় বদলে যায় চরিত্র। আর সেই ক্ষমতা নিরঙ্কুশ হলে আলগা হয়ে যায় নিয়ন্ত্রণের রাশ। দুর্নীতি পেয়ে যায় শাখাপ্রশাখা বিস্তারের অবাধ সুযোগ। রুদ্ধ হয় প্রতিকারের পথ। মানুষের মধ্যে তৈরি হয় ক্ষোভ। রাজনীতিতে ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতিই সেই ক্ষোভ নিরসনের দাওয়াই বলে মানছেন বিশেষজ্ঞরা।
১৯৭৭ সালে রাজ্যের ক্ষমতা দখল করেই বামফ্রন্ট নেতৃত্ব উপলব্ধি করেছিল, সরকারের ভিত শক্তপোক্ত করতে গেলে মানুষের মধ্যে ধরাতে হবে ক্ষমতার নেশা। রাজ্যের ৬৫ভাগই গ্রামের মানুষ। তাই মহাকরণে পা রাখার মুহূর্তে জ্যোতি বসু ঘোষণা করেছিলেন, ‘বামফ্রন্ট সরকার শুধু মহাকরণ থেকে পরিচালিত হবে না। জেলায় জেলায় প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।’ জ্যোতিবাবুরা বুঝেছিলেন, ক্ষমতাভোগীরা নিজেদের স্বার্থেই সরকারকে
টিকিয়ে রাখবে। তাতেই সরকার হবে দীর্ঘস্থায়ী। সেই লক্ষ্যে পরের বছর, অর্থাৎ ১৯৭৮ সালেই সেরে ফেলেছিল পঞ্চায়েত নির্বাচন।
তখন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক প্রমোদ দাশগুপ্ত। প্রখর বাস্তবজ্ঞান ও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন প্রমোদবাবু জানতেন, পঞ্চায়েতের ক্ষমতাতেই ছিন্নভিন্ন হবে বিরোধী শক্তি। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতে পঞ্চায়েত
ধারালো অস্ত্রের মতো। তবে তা থেকেই আসতে
পারে বিপদ। তাই নির্বাচনে যাওয়ার আগে তিনি দলীয় নেতৃত্বকে সতর্ক করেছিলেন। বলেছিলেন, ‘গ্রাম পঞ্চায়েত হল এমনই একটি ধারালো অস্ত্র, যা দিয়ে শত্রু পক্ষকে কাটতে কাটতে এগনো যাবে। যদি ঠিকমতো ওই অস্ত্র ব্যবহার করা না যায়, তাহলে নিজেদের জখম হতে হবে।’
পঞ্চায়েত ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রমোদবাবুর বিশ্লেষণ যে অভ্রান্ত ছিল, তা আজ সকলেই স্বীকার করেন। বামফ্রন্টের ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড গড়ার কৃতিত্বের সিংহভাগ যদি পঞ্চায়েতের ঝুলিতে যায়, তাহলে পতনের পিছনেও তারই অবদান সর্বাধিক। বাম জমানার অবসানের আপাত কারণ সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম, নেতাই হলেও বামফ্রন্টের মূল কাঠামোয় ঘুণ ধরিয়েছিল পঞ্চায়েত ব্যবস্থাই।
এই পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সৌজন্যেই একটা বিড়ি নিভিয়ে দু’বার সুখটানে অভ্যস্ত কমরেডদের আঙুলে ঝুলেছিল লম্বা সিগারেট। বদলে গিয়েছিল চালচলন, জীবনযাত্রা। ভাঙাচোরা সাইকেলের জায়গা নিয়েছিল ঝাঁ চকচকে বাইক। আঙুল ফুলে যে কলাগাছ হয়, তা চাক্ষুষ করেছিল গ্রামবাংলা। মানুষের এসব সহ্য হয়নি। তাই পরিবর্তনের ধাক্কায় বদলে গিয়েছিল বঙ্গ রাজনীতির গতিপথ। অপ্রিয় হোক বা না হোক, আসল সত্যিটা হল, বামেদের রেখে যাওয়া জুতোতেই পা গলিয়েছে তৃণমূলের একাংশ। আর তাদেরই জন্যে বারেবারে খেতে হচ্ছে হোঁচট।
উম-পুনের ক্ষতিপূরণকে কেন্দ্র করে রাজ্যে ঝড় ওঠার পিছনেও রয়েছে সেই পঞ্চায়েতই। কেন্দ্রীয় সরকারের আচমকা লকডাউন ঘোষণা সত্ত্বেও রাজ্যের গরিব, খেটে খাওয়া মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রী বিনা পয়সায় রেশনের ব্যবস্থা করেছেন। একের পর এক কোভিড হাসপাতাল গড়েছেন। পরিযায়ী শ্রমিকদের হাতে দিয়েছেন জবকার্ড, বিনা পয়সায় চাল ও ছোলা। এমনই এক দুর্যোগের মুহূর্তে সুপার সাইক্লোনের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত মানুষের সুরাহার জন্যই দ্রুত পৌঁছে দিয়েছেন ক্ষতিপূরণ। চরম আর্থিক সঙ্কট সত্ত্বেও।
কিন্তু সেই ক্ষতিপূরণকে ঘিরেই শুরু হয়েছে ব্যাপক জলঘোলা। পঞ্চায়েতের সঙ্গে যুক্ত দলের একাংশের সীমাহীন লোভ গোটা তৃণমূল দলটাকে দাঁড়
করিয়ে দিয়েছে কাঠগোড়ায়।
অনেকেই এই পরিস্থিতির জন্য বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভকেই দায়ী করছেন। তাঁদের মতে, পঞ্চায়েত ব্যবস্থায়
দলের একাংশের একাধিপত্য কায়েমের কারণেই তৃণমূলকে বারবার বিপদে পড়তে হচ্ছে। বহু জায়গাতেই পেশিশক্তি ও অর্থশক্তিতে বলীয়ান লোকজন ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছে। তাই জনগণের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা তৈরি হয়নি। লবিবাজির সৌজন্যে প্রভাবশালীরাই দলের সাংগঠনিক
এবং প্রশাসনিক চেয়ার দখল করেছে। তাদের অনেকেরই পেশা ঠিকাদারি।
অধিকাংশ জেলাতেই দলের অঞ্চল, ব্লক ও জেলা সভাপতিরাই রয়েছেন পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ পদে। ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি মেনে চললে মানুষের ক্ষোভ জানানোর জায়গাটা অন্তত থাকত। আশা থাকত প্রতিকারের। কিন্তু বহু জায়গাতেই সে রাস্তাটাও বন্ধ। তাই ক্ষোভ আছড়ে পড়ছে রাস্তায়। তারই সুযোগ নিচ্ছে বিরোধীরা। সংগঠন ছাড়াই পেয়ে যাচ্ছে লোকের সমর্থন।
পঞ্চায়েত আইন পাশ হয়েছিল সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের আমলে। কিন্তু, বাস্তবায়িত হয়নি। পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সাফল্য ঘরে তুলেছিল জ্যোতিবাবুর সরকার। আটের দশকে সল্টলেক স্টেডিয়ামে পঞ্চায়েতরাজ সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছিলেন রাজীব গান্ধী। তিনি
এরাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থা ও জ্যোতি বসুর ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু জ্যোতিবাবু সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘এই প্রশংসা আমাদের পার্টি এবং সরকারের প্রাপ্য। তবে এই সাফল্যের জন্যে যদি কোনও ব্যক্তির প্রশংসা করতে হয়, তিনি হলেন
বিনয় চৌধুরী।’
রাজ্যে বাম শাসনের এক যুগ পর সেই বিনয় চৌধুরীই উপলব্ধি করেছিলেন, পঞ্চায়েতের হাত ধরেই দল ক্রমশই আদর্শ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। ক্ষমতার ভাইরাসে কাবু হচ্ছে। আপাদমস্তক কমিউনিস্ট এই মানুষটি সেই বিচ্যুতি মেনে নিতে পারছিলেন না। দলের মধ্যে দিন দিন বেড়ে চলা ঠিকাদারদের আধিপত্যে বাড়ছিল বিনয়বাবু রাগের পারদ। দলীয় ফোরামে বার বার সতর্ক করেও সামাল দিতে পারছিলেন না। তাই প্রকাশ্যে উগরে দিয়েছিলেন তাঁর ক্ষোভ। বর্ধমানের টাউন হলে জলসম্পদ দপ্তরের সরকারি অনুষ্ঠানে রাগে কাঁপতে কাঁপতে পোডিয়াম ঠুকে তিনি বলেছিলেন, ‘সমালোচনা হবে জেনেও আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি, সরকারের সংজ্ঞা বদলে গিয়েছে। এখন সরকার ফর দ্য কন্ট্রাক্টর, বাই দ্য কন্ট্রাক্টর, অফ দ্য কন্ট্রাক্টর।’ বাম জমানায় পঞ্চায়েতি ব্যবস্থায় ঠিকাদাররা পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ত। আর এখন বহু জায়গায় সেই ঠিকাদারদের ট্যাঁকে ঝুলছে চাবির গোছা।
বিনয়বাবু দলের ক্ষতি করতে চাননি। তিনি ধাক্কা দিয়ে লোহার জং ছাড়াতে চেয়েছিলেন। বাঁচাতে চেয়েছিলেন দলকে। কিন্তু দলীয় নেতৃত্ব তাঁর কথায় গুরুত্ব দেয়নি। উল্টে জ্যোতি বসুর প্রশ্রয়ে শুরু হয়েছিল তাঁকে কোণঠাসা করার প্রয়াস। তাতে বিনয় চৌধুরীর ক্ষতি হয়নি, হয়েছিল সিপিএমের। তারপরেও প্রায় দু’দশক ‘দলের সম্পদ’দের কৃপায় এরাজ্যে ক্ষমতায় টিকেছিল বামফ্রন্ট সরকার। ক্ষমতায় টিকে থাকলেও মানুষের মন থেকে ক্রমশই সরে গিয়েছিল। তাই ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাসের ঘর হয়ে গিয়েছে সিপিএম। বাম নেতৃত্ব যত ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলছে, দল ততই মুখ থুবড়ে পড়ছে।
কৃতিত্বের ভাগীদার হতে সবাই চায়, কিন্তু বোঝা বওয়ার লোক পাওয়া যায় না।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুব ভালো করেই জানেন, দলের বোঝা তাঁকেই টানতে হবে। উম-পুনের ক্ষতিপূরণ নিয়ে তাঁর দলের পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের কলঙ্কের দাগ মুছতে হবে তাঁকেই। তাই যাবতীয় দায় তিনি নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। বলেছেন, তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে কিছু ভুল হয়েছে।
আমার উপর ভরসা রাখুন। আস্থা রাখুন। কেউ
বঞ্চিত হবেন না।
এই মুহূর্তে ক্ষতিপূরণের দুর্নীতি বিরোধীদের কাছে জবরদস্ত ইস্যু। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠান্ডা মাথায় বিরোধীদের পালের হাওয়া কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। বিরোধীদের দাবি ছিল, ‘ক্ষতিপূরণের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে হবে।’ তিনি জেলাশাসকদের মাধ্যমে টাকা ফেরাচ্ছেন। বিরোধীদের দাবি ছিল, ‘প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা দিতে হবে।’ তিনি প্রশাসনকে দিয়ে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তের তালিকা তৈরি করে টাকা দিচ্ছেন। তার জন্য জেলায় জেলায় আরও টাকা পাঠাচ্ছেন। বিরোধীদের দাবি ছিল, ’দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল নেতাদের শাস্তি দিতে হবে।’ তাঁর নির্দেশে জেলায় জেলায় অভিযুক্ত নেতাদের সাসপেন্ড ও বহিষ্কারের কাজ চলছে। এইভাবেই তিনি বিরোধীদের হাত থেকে এক এক করে ইস্যুগুলি কেড়ে নিচ্ছেন।
লোকসভায় এক থেকে টেনে টেনে ৩৪, বিধানসভায় ৩৫ থেকে ২১৬ করার কৃতিত্ব তাঁরই। নতুন দল তৈরি করে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারকে উৎখাত করার রেকর্ড রয়েছে তাঁরই ঝুলিতে। ২০১৬ সালে খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তোলার ইতিহাস লিখেছেন তিনিই। দলের ডজন খানেক নেতা, মন্ত্রী সিবিআইয়ে খাতায় অভিযুক্ত থাকার পরেও কেন্দ্রীয় সরকারের চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস আছে তাঁরই। বহু অমিত শক্তিধরের
বিরুদ্ধে যুদ্ধের অভিজ্ঞতা আছে তাঁরই। হয়তো এই লড়াইয়েও শেষ হাসি তিনিই হাসবেন। তবুও পঞ্চায়েত সম্পর্কে প্রমোদ দাশগুপ্তের সতর্কবাণী স্মরণে রাখা ভালো, ‘যদি ঠিকমতো ওই অস্ত্র ব্যবহার করা না যায়, তাহলে নিজেদের জখম হতে হবে।’ অভিজ্ঞতা বলছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিপক্ষ বিরোধীরা নয়, তাঁরই দলের পঞ্চায়েত।
11th  July, 2020
শুধুই কৃতিত্বের ভাগ
হারাধন চৌধুরী
 

আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ‘স্ট্যাটিস্ট্যা রিসার্চ ডিপার্টমেন্ট’ ভারতের অর্থনীতির উপর তাদের একটি সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে গত ৪ মে। ‘ইমপ্যাক্ট অফ দ্য করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) অন দি ইন্ডিয়ান ইকনমি—স্ট্যাটিস্টিকস অ্যান্ড ফ্যাক্টস’ শিরোনামের ওই রিপোর্টের বক্তব্য, ২০২০-তে সারা ভারতে সম্পূর্ণ লকডাউনের জন্য মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৯০২.৭২ বিলিয়ন ভারতীয় মুদ্রা)। 
বিশদ

শবের পাহাড়ে কুমিরের কান্না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মতি মুচিনির ব্যাপারে সকলেই বুঝলে, না খেয়ে মানুষে তাহলে তো মরতে পারে। এতদিন যা গল্প-কাহিনীতে শোনা যেত, আজ তা সম্ভবের গণ্ডির মধ্যে এসে পৌঁছে গেল।— অশনি সংকেত ছবিটা মন্বন্তরের। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, জিনিসপত্রের আকাশছোঁয়া দাম, চালের দোকান লুট, অনাহারে মৃত্যু...।  
বিশদ

18th  May, 2021
যুক্তিবুদ্ধি দিয়ে বিচারের যুগ নয়
পি চিদম্বরম

সরকারের নীতি হল সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া এবং যাবতীয় দোষ দায় রাজ্যগুলোর ঘাড়ে চাপানো। তার অনিবার্য ফল হল, বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং দায়বদ্ধতা এড়িয়ে যাওয়া। অন্য যে-কোনও দেশে হলে শীর্ষ পদাধিকারীদের গদি টলে যেত। বিশদ

17th  May, 2021
দেশে কি সরকার বলে কিছু আছে?
হিমাংশু সিংহ

তবু সরকার জ্যান্তই আছে বটে, জাতির উদ্দেশে দেওয়া গালভরা ভাষণে। আর দুরন্ত অভিনয়ে। ঠিক যেমন নোট বাতিল করেও কালো টাকা ধরা যায়নি, কিন্তু ভক্তরা উদ্বাহু হয়ে বলেছে, এই প্রথম গরিবের জন্য কোনও প্রধানমন্ত্রী এতটা ঝুঁকি নিয়েছেন। বিশদ

16th  May, 2021
জোয়ার সত্ত্বেও মাত্র ৭৭,
এবার ভাটার টান
তন্ময় মল্লিক

মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার ব্যাপারে বিজেপি নেতৃত্ব নজির গড়েছে। এর খেসারত বিজেপিকে দিতেই হবে। বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি সাধারণ মানুষের এই অবিশ্বাস বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের জন্ম দেবে। বিশদ

15th  May, 2021
দুঃসময় ও ইতিহাসের ডায়েরি
সমৃদ্ধ দত্ত

হাসপাতাল আর ওষুধের দোকানে ছোটাছুটি করা মানুষ শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে দেখতে পায় এই মারণরোগ কীভাবে প্রফিটেবল বিজনেসে পরিণত হয়েছে একটি শ্রেণির কাছে। ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষেও হয়েছিল এরকমই। বিশদ

14th  May, 2021
মমতা মডেলে উজ্জীবিত গোটা দেশ
মৃণালকান্তি দাস

সমস্ত সরকারি এজেন্সিকে মাঠে নামিয়ে, বিজেপির গোটা ভোট-মেশিনারি এবং কয়েক হাজার কোটি টাকার বাজেট নিয়ে যেভাবে বাংলা দখলের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হয়েছিল, তা মমতা যে একাই ভেস্তে দিতে পারেন, সেটা বিজেপি স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি। বিশদ

13th  May, 2021
অপদার্থ, অনাচারী রাজা,
এবার গদি ছাড়ুন
সন্দীপন বিশ্বাস

নতুন সরকারের গায়ে কাদা ছিটিয়ে নয়া ফন্দি আঁটছে বিজেপি। রাজ্যজুড়ে হিংসা ছড়ানোর গোপন ছক চলছে। রাজ্যকে অশান্ত করার গোপন খেলায় সক্রিয় বিজেপির আইটি সেলও। বিজেপি সব সময় সোজা খেলায় হেরে গেলে বাঁকা পথে জেতার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। রাজ্যে সেই উস্কানিই চলছে। বিশদ

12th  May, 2021
বিভাজনের উস্কানিতে
বাংলা বিকিয়ে যাবে না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বাংলা এখনও বিকিয়ে যায়নি। যাবে না। কোটি কোটি করদাতার রক্ত জল করা টাকায় হয়তো মোদিজির সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প সফল হবে। কিন্তু সাম্প্রদায়িক উস্কানির অন্ধকারে বাংলাকে ডুবিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন? হবে না। মোদিজি বরং মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে থাকুন। বিশদ

11th  May, 2021
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে সত্য মিথ্যা
প্রকাশ জাভরেকর

 

জানুয়ারির গোড়ার দিকে দেশে কোভিড পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল। নতুন করে সংক্রমণও কমছিল। কিন্তু দেখা গেল, কেরলে সেই সময় সংক্রমণ বাড়তে শুরু করল। ওই রাজ্য থেকেই নতুন সংক্রমণের এক-তৃতীয়াংশের খবর আসছিল। ৬ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব এক চিঠিতে রাজ্য সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ করার পরামর্শ দেন। বিশদ

11th  May, 2021
মোদি বনাম দিদি ও অন্য লড়াইগুলি
পি চিদম্বরম

ভারতীয় মিডিয়া সবে জাগতে শুরু করেছে। মানুষ তার ক্রোধের বহিঃপ্রকাশের জন্য প্রতিটা নির্বাচনকে হাতিয়ার করছে। দৃষ্টান্ত, উত্তরপ্রদেশের পঞ্চায়েত ভোট। ২০২১ সাল—আরও একটি নষ্ট বছরের জন্য মনোবল ফেরানোর জন্য যখন চেষ্টা করছি, ঠিক তখনই আশঙ্কায় কেঁপে উঠছি আগামী দু’টি বছরের কথা ভেবে—২০২২, ২০২৩ সালও নষ্ট হবে না তো! বিশদ

10th  May, 2021
বাংলা থেকেই কি মোদির শেষের শুরু
হিমাংশু সিংহ

মুসলিম ও হিন্দু দু’তরফেই বাংলায় প্রত্যাখাত হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। উল্টে নাক উঁচু বাম প্রগতিশীল সমাজও বিজেপিকে ঠেকাতে খোলা মনে মমতার নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন। মেরুকরণের বিষ ব্যুমেরাং হয়ে বিধ্বস্ত করেছে গেরুয়া দলকেই। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, মিথ্যার দ্বারা মহৎ কাজ হয় না। বিশদ

09th  May, 2021
একনজরে
এবার কোভিড ইস্যুকে কেন্দ্র করে টুলকিট নিয়ে কংগ্রেস-বিজেপি বিতর্ক বাঁধল। দেশবিদেশের সামনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বদনাম করতে কংগ্রেস উঠে পড়ে লেগেছে বলেই বিজেপির বক্তব্য। ...

বিধানসভা নির্বাচনে মালদহ জেলার সাফল্যে উজ্জীবিত জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। এবার লক্ষ্য ২০২৪ সালের লোকসভা ভোট। ...

করোনা মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে এবার কোয়াক ডাক্তারদের কাজে লাগাতে চাইছে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমান জেলার ২৩টি ব্লকে সাড়ে চার হাজার কোয়াক ডাক্তারের প্রশিক্ষণ শুরু হল। ব্লকের স্বাস্থ্য আধিকারিকরা তাঁদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। ...

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে রাজপুর সোনারপুর পুরসভা এলাকায় সেফ হোম চালু হল। পুরসভার উদ্যোগে কামালগাজি স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ব্যাঙ্কোয়েট হলে মঙ্গলবার এটির উদ্বোধন হয়। এখানে ৫০টি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বেফাঁস মন্তব্যে বন্ধুর সঙ্গে মনোমালিন্য। সম্পত্তি নিয়ে ভ্রাতৃবিরোধ। সৃষ্টিশীল কাজে আনন্দ। কর্মসূত্রে দূর ভ্রমণের সুযোগ। প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 
১৮৯০: ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা ও গণপ্রজাতন্ত্রী ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী হো চি মিনের জন্ম
১৯০৮: লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯০৪: ভারতের অগ্রণী শিল্পপতি ও টাটা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা জামশেদজী টাটার মৃত্যু
১৯১৩: ভারতের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি নীলম সঞ্জীব রেড্ডির জন্ম
১৯২২: বিশিষ্ট লোকসঙ্গীত শিল্পী অমর পালের জন্ম
১৯৩৪: ব্রিটিশ বংশোদ্ভুত ভারতীয় লেখক রাসকিন বন্ডের জন্ম
১৯৩৮: অভিনেতা গিরীশ কারনাডের জন্ম
১৯৫৮: ঐতিহাসিক স্যার যদুনাথ সরকারের মৃত্যু
১৯৯৭: বাংলা তথা ভারতীয় নাট্যজগতের কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব শম্ভু মিত্রের মৃত্যু
২০০১: প্রথম অ্যাপল রিটেইল স্টোর উদ্বোধন



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.১৯ টাকা ৭৩.৯০ টাকা
পাউন্ড ১০১.৯৩ টাকা ১০৫.৪৬ টাকা
ইউরো ৮৭.৪৯ টাকা ৯০.৭১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৪৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,৬৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭০,৮৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭০,৯৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
15th  May, 2021

দিন পঞ্জিকা

৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮, বুধবার, ১৯ মে ২০২১। সপ্তমী ১৯/৩৯ দিবা ১২/৫১। অশ্লেষা নক্ষত্র ২৭/৩ দিবা ৩/৪৮। সূর্যোদয় ৪/৫৮/৪৩, সূর্যাস্ত ৬/৭/১৯। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ গতে ১১/৭ মধ্যে পুনঃ ১/৪৪ গতে ৫/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ১/২২ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৩ গতে ১/১২ মধ্যে। কালরাত্রি ২/১৬ গতে ৩/৩৮ মধ্যে।  
৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮, বুধবার, ১৯ মে ২০২১। সপ্তমী দিবা ৭/৩৮। অশ্লেষা নক্ষত্র দিবা ১১/১৩। সূর্যোদয় ৪/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ গতে ১১/১০ মধ্যে ও ১/৫০ গতে ৫/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ১/২২ মধ্যে। কালবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৫ মধ্যে ও ১১/৩৪ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১/১৬ গতে ৩/৩৭ মধ্যে।  
৬ শওয়াল। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কোচবিহারে বাড়িতে আগুন, মৃত ১
কোচবিহারে একটি বাড়িতে আগুন লেগে মৃত্যু হল এক যুবকের। মঙ্গলবার ...বিশদ

18-05-2021 - 07:57:22 PM

করোনা: পশ্চিমবঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১৯৪২৮, মৃত ১৪৫ 

18-05-2021 - 07:55:41 PM

করোনা: কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৩০৩০৯, মৃত ৫২৫ 

18-05-2021 - 07:47:33 PM

করোনা: মণিপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৬২৪, মৃত ২০ 

18-05-2021 - 07:41:20 PM

করোনা: গোয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১৩৫৮, মৃত ৪৫ 

18-05-2021 - 07:40:36 PM

অসমে ভূমিকম্প, মাত্রা ৩.৮ 

18-05-2021 - 07:27:48 PM