Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নিত্য নতুন ইভেন্টের
আড়ালে যত খেলা
সমৃদ্ধ দত্ত

প্রথমত, এই যে আমাদের আশেপাশে যত চাইনিজ প্রোডাক্ট, উপকরণ, যন্ত্রাংশ দেখতে পাচ্ছি, এসবের ফাইনাল পেমেন্ট হয়ে গিয়েছে। বাইল্যাটারাল ট্রেডের নিয়মই তাই। দোকানপাট, মার্কেট, শপিং কমপ্লেক্স কিংবা ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটে ইমপোর্টেড গুডস ডোমেস্টিক মার্কেটে আসার পর, আর্থিক লেনদেন করার আগে পুরোটাই পেমেন্ট করে দিতে হয়। সুতরাং বয়কটের আগে বুঝতে হবে যে, এখন এসব বয়কট করার অর্থ আমাদের দেশেরই ব্যবসায়ী, দোকানিদের চরম আর্থিক ক্ষতি। বিগত তিনমাসের লকডাউনে এমনিতেই জীবিকা সঙ্কটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমাদের এলাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট এখন আমরা না কিনলে চীনের ক্ষতি নেই। তারা পেমেন্ট পেয়ে গিয়েছে। ক্ষতি আমাদের আশেপাশের মানুষদের। কারণ তাঁরা নিজেদের টাকা ইনভেস্ট করে ওসব কিনেছে। বয়কটের আর একটা বড়সড় সঙ্কট হল, চীন নিছক ফিনিশড গুডস পাঠায় না। বরং সিংহভাগ চীনের রপ্তানি করা পণ্য হল ইন্টারমিডিয়েট এবং র মেটিরিয়াল। অর্থাৎ ওইসব উপকরণ ভারতে আসার পর আমাদের বিভিন্ন ক্ষুদ্র, মাঝারি, বৃহৎ উৎপাদন ইউনিটে সেগুলি অ্যাসেম্বলড হয়, কোনও চূড়ান্ত পণ্য নির্মাণে (ফিনিশড প্রোডাক্ট) ব্যবহার করা হয়। এইসব উৎপাদন ইউনিটগুলিতে আমাদের দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ কর্মরত। সামান্য কয়েকটি উদাহরণ দেখা যাক। ইলেকট্রিক্যাল মেশিনারি, নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টর, সার, অপটিক্যাল, ফোটোগ্রাফি মেজারিং ইকুইপমেন্ট, অর্গানিক কেমিক্যালস, সেট টপ বক্স যন্ত্রাংশ ইত্যাদি অসংখ্য উপকরণ চীন থেকে আসে নিছক কাঁচামাল হিসেবে। এগুলোকে ব্যবহার করে আমরা আমাদের দেশের কারখানাগুলিতে ফাইনাল প্রোডাক্ট তৈরি করি। সুতরাং ওই কাঁচামাল ও ইন্টারমিডিয়েট প্রোডাক্ট চীন থেকে আসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার অর্থ এই উৎপাদন ইউনিট, কারখানাগুলিও বন্ধ হয়ে যাবে। অর্থাৎ আমাদের দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ মানুষ বেকার হয়ে যাবে। তিনমাসের লকডাউনের পর নতুন করে এই কর্মহীনতার বোঝা চাপিয়ে কী লাভ? একইভাবে এই যে অসংখ্য অ্যাপস কিংবা স্টার্ট আপস অথবা বাণিজ্যিক সংস্থায় চীন বিপুল লগ্নি করে রেখেছে, সেই সংস্থাগুলি ইন্ডিয়ান। আমাদের ঘরের ছেলেমেয়েরাই ওইসব সংস্থায় কাজ করছে। তাহলে এবার যদি চীনের লগ্নি বন্ধ হয়ে গিয়ে ওইসব সংস্থার লোকসানের জেরে অনেক চাকরি চলে যায়? যা ইতিমধ্যে হতে শুরু করেছে! হঠাৎ নিষিদ্ধ করা হবে কীভাবে স্পোর্টস গুডস? টেবল টেনিস বল, শাটল কক, ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট, রেসলিং ম্যাট, জ্যাভেলিন, হাই জাম্প বার, হকি স্টিক, বক্সিং হেডগিয়ার, জিম ইকুইপমেন্ট, মাউন্টেন ক্লাইম্বিং অ্যাকসেসরিজ, ... ধনী নয়, সাধারণ ঘর থেকে আসা ক্রীড়াবিদরা এই প্রতিটি ক্ষেত্রে চীনের প্রোডাক্টের উপর নির্ভরশীল। হঠাৎ এসব আমদানি বন্ধ করে দিলে হবে? নাকি নিজেদের আগে প্রস্তুত করতে হবে?
তাহলে কি চীনকে বাণিজ্যিকভাবে শিক্ষা দেওয়া হবে না? চীনের এই ডাম্পিং বিজনেসকে মেনে নিতে হবে? ভারত আত্মনির্ভর হবে না? নিশ্চয়ই হবে? চীনকে অবশ্যই বাণিজ্যিকভাবে কোণঠাসা করতে হবে। কিন্তু সেটা এরকম স্থূল ভাবে হয় না । হঠাৎ কোনও একটি বুধবার সিদ্ধান্ত নিলাম যেহেতু লাদাখে চীন বাড়াবাড়ি করছে, তাই চীনের জিনিস কিনব না, এরকম হয় না। ওটা ম্যাচিওরিটি নয়। অপরিণতমনস্ক মেন্টালিটি নিলে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য আসে না। কারণ, বয়কট করার আগে তো আমাদের দেখতে হবে যে বিকল্প কী! বিকল্প হয়ে গেলেই চীনকে আর দরকারই হবে না। কিন্তু এই বিপুল সাপ্লাই চেইনের বিকল্প তো সেভাবে এখনও তৈরি হয়নি। প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। সেই প্রয়াসকে সফল করতে গোটা দেশ একজোট হবে। কিন্তু যে কোনও ভারতীয় ট্রেড অর্গানাইজেশন অথবা ম্যানুফাকচারিং অ্যাসোসিয়েশনকে প্রশ্ন করলে বলবে, বিকল্প ভারতের সংস্থাই মেটাবে, সেখানে পৌঁছতে অন্তত ৫ থেকে ১০ বছর লাগবে। যদি এখনই সত্যিই কাজ শুরু করা যায়।
চীনের পণ্য বয়কট করলে ভারতের বাণিজ্যিক মডেলে তাহলে কোথা থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হবে? জাপান, ইওরোপীয় ইউনিয়ন এবং আমেরিকা। সমস্যা হল, এই প্রতিটি দেশের প্রোডাক্ট কিংবা ইকুইপমেন্টের আমদানি মূল্য চীনের পণ্যের তুলনায় অন্তত দ্বিগুণ। চীনের সেটাই সুবিধা। আমাদেরও। সুতরাং সার্বিক বয়কট, যাকে বলা হয় ব্ল্যাঙ্কেট ব্যান, সেটা করা অযৌক্তিক। চীনকে বাণিজ্যিকভাবে বয়কট করার প্রথম ধাপ হল, কেন্দ্র অথবা রাজ্য, কোনও সরকারি মেগা প্রজেক্টে চীনের কোম্পানিকে যুক্ত হতে না দেওয়া। কারণ, ভারতের সেতু, উড়ালপুল, রেলওয়ে করিডর, হাইওয়ে অর্থাৎ ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল প্রোজেক্টগুলিই হল চীনের কাছে সবথেকে আকর্ষণীয়। সেগুলির সঙ্গে যুক্ত থাকে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার ডিল। এগুলিতে আটকে দেওয়া দরকার। যেটা এখন কেন্দ্রীয় সরকার কিছুটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের কাছে যে টাকা আছে সেটা দিয়ে তারা চীনের বদলে জাপান অথবা ইওরোপের সঙ্গে টাই-আপ করলে ব্যয় বাড়লেও বহন করতে পারবে। কিন্তু আমাদের মতো ৯৫ শতাংশ গরিব, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্তদের দেশে তো সস্তার দিকে ঝোঁক থাকবেই। কেউ ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সস্তা কেনে। কিন্তু তার থেকে বহুগুণ বেশি মানুষ ক্রয়ক্ষমতা কম বলেই সস্তা কেনে। যেমন ধরা যাক, মধ্যবিত্ত আজকাল এয়ারকন্ডিশনার কিনতে পারছে। কারণ বাজারে একঝাঁক চীনের এসি আছে। যেই ওই প্রোডাক্ট বয়কট করা হবে, তখনই এই মানুষগুলির আর এসি কেনা হবে না। কারণ, জাপান, সাউথ কোরিয়া, ইওরোপ, আমেরিকার ব্র্যান্ডেড এসির দাম বহুমূল্য তাদের কাছে।
ভাগলপুরের খলিফাবাগ বাজারে গেলে দেখা যাবে, সেখানে চীনের মোবাইল ফোন প্ল্যাস্টিক প্যাকেটে বিক্রি হচ্ছে। শয়ে শয়ে। বাজারজুড়ে ইলেকট্রনিক্স ইলেকট্রিক্যাল পণ্য। সিংহভাগ চীনের। যেদিন থেকে চীনের পণ্য বয়কটের প্রচার শুরু হয়েছে, এই দোকানগুলির বিক্রি অর্ধেকের বেশি নেমে গিয়েছে ভয়ে। যদি পুলিশ ধরে। আর সবথেকে বড় ক্ষতি হল দোকানগুলি জানিয়েছে, এভাবে চললে সামান্য ৩ থেকে ৬ হাজার টাকার বেতনে যে ছেলেগুলো এখানে কাউন্টারে কাজ করে, তাদের চাকরি চলে যাবে। লস করে কতদিন আর সম্ভব কর্মী রাখা? চন্দননগরের আলোকশিল্পীদের কাছে যদি বলা হয়, চীনের ল্যাম্প বন্ধ করে দিতে হবে, তাদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে। কারণ, বিকল্প নেই। সুতরাং আত্মনির্ভর ভারতের পরিকল্পনা যখন হয়েছে, তখন কার্যকর হোক, খুব ভালো কথা। কিন্তু, দুম করে হাইপার দেশপ্রেমের ইভেন্টে এভাবে সামগ্রিক ব্যান করা শক্তির লক্ষণ নয়। দুর্বলের লক্ষণ। শক্তিশালীরা প্রতিযোগিতা করে। অন্য শক্তিশালীকে ময়দানে ঢুকতে না দেওয়া কাজের কথা নয়। ভারতের শক্তি যথেষ্ট। সুতরাং এখন থেকেই দেশীয় প্রোডাকশনে মরিয়া হয়ে ঝাঁপালে আজ নয় কাল অবশ্যই চীনের প্রোডাক্ট পরাজিত হবে। কিন্তু এখন চীনের প্রোডাক্ট বয়কট করলে সবার আগে সঙ্কটে পড়বে গরিব মানুষ। সেসব বেচে সংসার চালায় বহু হকার। তাদের আর বহু পণ্য বেচা হবে না। একইভাবে গরিবের আর কেনাও হবে না জীবনযাপনের ক্ষেত্রে।
হঠাৎ লাদাখে চীনের সেনা এগিয়ে এসে সীমান্ত সংঘাতে জড়িয়ে পড়ায়, ২০২০ সালের লকডাউনের মধ্যে মে মাসের শেষ সপ্তাহে আমাদের দেশপ্রেম জাগ্রত হল। মনে হল আত্মনির্ভর হওয়া দরকার। এবার একটু চীনকে শিক্ষা দিতে হবে। এটা কী কোনও পরিণত চিন্তা? আমরা অপেক্ষা করছিলাম নাকি যে কবে চীন আক্রমণ করবে, তারপর চীনকে টাইট দিতে হবে? অনেক আগে থেকেই এসব পরিকল্পনা হল না কেন? আসলে রাষ্ট্র থেকে জনতা, আমরা ক্রমেই ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টেই নিজেদের অভ্যস্ত করে ফেলেছি। মাঝেমধেই একটি করে ইভেন্ট আসে, আমরা ভেসে যাই সেই নতুন ইভেন্টে। স্মার্ট সিটি, নোট বাতিল, এনআরসি, সিএএ—কোথায় আলোচনা হয় আজকাল? এখন তো গোটা দেশের খেটে খাওয়ার মানুষকে মাত্র দু’টি অস্তিত্বরক্ষার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে একটি ভাইরাস। জীবন বাঁচানো এবং জীবিকারক্ষা। বাকি সব অর্থহীন মনে হচ্ছে না? গত তিনমাসের নানাবিধ উচ্চকণ্ঠের চর্চার আড়ালে বরং আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অজানা ইভেন্টগুলির দিকে তাকানো যাক। দেখা যাক কী কী চলছে অন্য প্রান্তগুলিতে। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে দু’টি সংবাদ।
ভাগলপুরের মুশাহারি টোলার বালক বালিকাদের সবথেকে প্রিয় দিন ছিল শুক্রবার। ওই দিন স্কুলের মিড ডে মিলে ডিম দেওয়া হতো। লকডাউনের ফলে স্কুল বন্ধ তিনমাস। সেই প্রিয় শুক্রবার আসে না। শুধু তাই নয়, এই ২৫০ ছাত্রছাত্রীকে এখন বাবা মায়ের মতোই জঞ্জাল, স্ক্র্যাপ কুড়াতে হচ্ছে। নিয়ম হল মিড ডে মিল যেহেতু নেই, তাই প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর বাবা মায়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মিড ডে মিলের টাকা চলে যায়। কত টাকা? ১৫ দিনের জন্য ১১৪ টাকা। অর্থাৎ দিনে ৭ টাকা ৬০ পয়সা। লকডাউনে এই মহাদলিত বর্ণের পারিবারিক জঞ্জাল কুড়ানোর কাজ অনেক কমে গিয়েছে। স্ক্র্যাপ বিক্রিও নেই। তাই ওই ছেলেমেয়েদের মিড ডে মিলের নামে ব্যাঙ্কে আসা মাসে ২২৮ টাকাও অনেক।
১৭ বছরের মোদিয়াম সুখলের সবথেকে বড় বন্ধু হল সাইকেল। ছত্তিশগড়ের বিজাপুরের পেড্ডাকোরমা গ্রামের মোদিয়াম প্রতিদিন বাড়ি থেকে ১১ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে একটি হাইওয়ের কাছে আসে। সেখানে রাস্তার পাশের মাঠে বসে। ব্যাগে থাকে আসন, খাতা, বই, পেন আর জল। ধু ধু প্রান্তরের মধ্যে বসে সে অনলাইন ক্লাস করে। লকডাউনের জন্য স্কুল বন্ধ। তাই ছত্তিশগড় সরকার প্রকল্প নিয়েছে স্কুল তোমার ঘরেই। অর্থাৎ অনলাইন ক্লাস। কিন্তু ঘরে বসে অনলাইন ক্লাস করা সম্ভব নয় মোদিয়ামের। তাই তাঁকে আসতে হয় চেরপাল নামের এক জনপদের কাছে হাইওয়েতে। কেন? কারণ একমাত্র সেখানেই সে মোবাইলের সিগন্যাল পায়! শুধু মোবাইলের সিগন্যাল পেতে তাঁকে প্রতিদিন সকালে ১১ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে আসতে হয় ওই মাঠে। ক্লাস করতে! লাদাখ নয়, কোভিড নয়, চাইনিজ প্রোডাক্ট বয়কট নয়। ক্লাস টেন পাশ করার জন্য মরিয়া মোদিয়াম সুখলের একটাই সমস্যা-সিগন্যাল!
10th  July, 2020
শীর্ষ সম্মেলন কূটনীতির পরাজয়

দুই নেতার সিদ্ধান্ত ছিল যে ‘২০২০ সালটাকে ভারত-চীন সংস্কৃতি এবং মানুষে মানুষে ভাব বিনিময়ের বর্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে’। আইডিয়াটা স্মরণীয় হবে ভেবে মোদিজি নিশ্চয় আহ্লাদিতই হয়েছিলেন!
বিশদ

ভ্যাকসিন বের করা আর
সার্জিকাল স্ট্রাইক এক নয়
হিমাংশু সিংহ

ধামাকা দিয়ে সব যুদ্ধ জয় করা যায় না। বিশেষ করে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের যুদ্ধ, আর সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা মোটেই এক নয়। বিজ্ঞানের কোনও কালজয়ী আবিষ্কারই ১৫ আগস্ট, ২৬ জানুয়ারি কিম্বা পূর্ণিমা-অমাবস্যার তিথি নক্ষত্র দেখে আসে না।
বিশদ

12th  July, 2020
প্রতিপক্ষ যখন পঞ্চায়েত
তন্ময় মল্লিক

উদ্দেশ্য এবং উপায় সৎ হলে তার ফল ভালো হয়। এমন কথাই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেটা খাটে না। জ্বলন্ত উদাহরণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। লক্ষ্য ছিল ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। তৈরি হয়েছিল জেলা পরিষদ। জেলার রাইটার্স বিল্ডিং।
বিশদ

11th  July, 2020
করোনা যুদ্ধে জাপানকে জেতাচ্ছে সুস্থ সংস্কৃতি 
হারাধন চৌধুরী

সারা পৃথিবীর হিসেব বলছে, করোনা ভাইরাসে বা কোভিড-১৯ রোগে মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। সেই প্রশ্নে জাপানিদের প্রচণ্ড ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, প্রতি একশো জনের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা জাপানেই সর্বাধিক।   বিশদ

09th  July, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
একনজরে
  নয়াদিল্লি: ফের বাড়ল ডিজেলের দাম। দু’সপ্তাহ আগে দিল্লিতে প্রথমবার ডিজেলের মূল্য লিটার প্রতি ৮০ টাকা ছাড়িয়েছিল। রবিবার তা প্রতি লিটারে ১৬ পয়সা বেড়ে ৮১ ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বদলির পর বাড়ির কাছেই কাজের সুযোগ পেলেন চারশোর বেশি স্বাস্থ্যকর্মী। শুক্রবার ৪১৫ জন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টকে রাজ্যের বিভিন্ন ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক মানুষ ও স্বসহায়ক দলগুলিকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হাঁস ও মুরগির বাচ্চা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের এক মাসের খাবারও কিনে দেবে ...

  ওয়াশিংটন: ভুয়ো লাইসেন্সধারী পাইলটদের উপর বিশ্বাস নেই। ইউরোপের পর এবার আমেরিকাতেও নিষিদ্ধ হল পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স (পিআইএ)। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীরা বেশ কিছু সুযোগের সংবাদে আনন্দিত হবেন। বিদ্যার্থীরা পরিশ্রমের সুফল নিশ্চয় পাবে। ভুল সিদ্ধান্ত থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩০: কলকাতায় দ্য জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন, অধুনা স্কটিশ চার্চ কলেজ প্রতিষ্ঠা করলেন আলেকজান্ডার ডাফ এবং রাজা রামমোহন রায়
১৯০০: অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের জন্ম
১৯৪২: মার্কিন অভিনেতা হ্যারিসন ফোর্ডের জন্ম
১৯৫৫: সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর মৃত্যু
২০১১: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক তিনটি বিস্ফোরণে হত ২৬, জখম ১৩০
২০১৩: বোফর্স কান্ডে অভিযুক্ত ইতালীয় ব্যবসায়ী অত্তাভিও কাত্রোচ্চির মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৩১ টাকা ৭৬.০৩ টাকা
পাউন্ড ৯৩.০০ টাকা ৯৬.২৯ টাকা
ইউরো ৮৩.২৩ টাকা ৮৬.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
11th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৩৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী ৩২/৪৫ অপঃ ৬/১০। রেবতী ১৫/২৫ দিবা ১১/১৪। সূর্যোদয় ৫/৩/৫২, সূর্যাস্ত ৬/২০/৩৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২২ মধ্যে। রাত্রি ৯/১২ গতে ১২/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে।
২৮ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী অপরাহ্ন ৫/০। রেবতী নক্ষত্র দিবা ১১/৮। সূযোদয় ৫/৩, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/২৯ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২৩ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে।
২১ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাটে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৯০২ 
গুজরাটে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯০২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

08:06:12 PM

মহারাষ্ট্রে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৬,৪৯৭ 
মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ৪৯৭ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

07:52:00 PM

উত্তর প্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৬৬৪ 
উত্তর প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৬৬৪ জন করোনায় ...বিশদ

07:47:39 PM

২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১,৪৩৫
গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১,৪৩৫ জন। ...বিশদ

07:47:36 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৩২৮ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৩২৮ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

06:40:21 PM

অন্ধ্রপ্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৯৩৫ 
অন্ধ্রপ্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

05:53:11 PM