Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নিত্য নতুন ইভেন্টের
আড়ালে যত খেলা
সমৃদ্ধ দত্ত

প্রথমত, এই যে আমাদের আশেপাশে যত চাইনিজ প্রোডাক্ট, উপকরণ, যন্ত্রাংশ দেখতে পাচ্ছি, এসবের ফাইনাল পেমেন্ট হয়ে গিয়েছে। বাইল্যাটারাল ট্রেডের নিয়মই তাই। দোকানপাট, মার্কেট, শপিং কমপ্লেক্স কিংবা ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটে ইমপোর্টেড গুডস ডোমেস্টিক মার্কেটে আসার পর, আর্থিক লেনদেন করার আগে পুরোটাই পেমেন্ট করে দিতে হয়। সুতরাং বয়কটের আগে বুঝতে হবে যে, এখন এসব বয়কট করার অর্থ আমাদের দেশেরই ব্যবসায়ী, দোকানিদের চরম আর্থিক ক্ষতি। বিগত তিনমাসের লকডাউনে এমনিতেই জীবিকা সঙ্কটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমাদের এলাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট এখন আমরা না কিনলে চীনের ক্ষতি নেই। তারা পেমেন্ট পেয়ে গিয়েছে। ক্ষতি আমাদের আশেপাশের মানুষদের। কারণ তাঁরা নিজেদের টাকা ইনভেস্ট করে ওসব কিনেছে। বয়কটের আর একটা বড়সড় সঙ্কট হল, চীন নিছক ফিনিশড গুডস পাঠায় না। বরং সিংহভাগ চীনের রপ্তানি করা পণ্য হল ইন্টারমিডিয়েট এবং র মেটিরিয়াল। অর্থাৎ ওইসব উপকরণ ভারতে আসার পর আমাদের বিভিন্ন ক্ষুদ্র, মাঝারি, বৃহৎ উৎপাদন ইউনিটে সেগুলি অ্যাসেম্বলড হয়, কোনও চূড়ান্ত পণ্য নির্মাণে (ফিনিশড প্রোডাক্ট) ব্যবহার করা হয়। এইসব উৎপাদন ইউনিটগুলিতে আমাদের দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ কর্মরত। সামান্য কয়েকটি উদাহরণ দেখা যাক। ইলেকট্রিক্যাল মেশিনারি, নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টর, সার, অপটিক্যাল, ফোটোগ্রাফি মেজারিং ইকুইপমেন্ট, অর্গানিক কেমিক্যালস, সেট টপ বক্স যন্ত্রাংশ ইত্যাদি অসংখ্য উপকরণ চীন থেকে আসে নিছক কাঁচামাল হিসেবে। এগুলোকে ব্যবহার করে আমরা আমাদের দেশের কারখানাগুলিতে ফাইনাল প্রোডাক্ট তৈরি করি। সুতরাং ওই কাঁচামাল ও ইন্টারমিডিয়েট প্রোডাক্ট চীন থেকে আসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার অর্থ এই উৎপাদন ইউনিট, কারখানাগুলিও বন্ধ হয়ে যাবে। অর্থাৎ আমাদের দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ মানুষ বেকার হয়ে যাবে। তিনমাসের লকডাউনের পর নতুন করে এই কর্মহীনতার বোঝা চাপিয়ে কী লাভ? একইভাবে এই যে অসংখ্য অ্যাপস কিংবা স্টার্ট আপস অথবা বাণিজ্যিক সংস্থায় চীন বিপুল লগ্নি করে রেখেছে, সেই সংস্থাগুলি ইন্ডিয়ান। আমাদের ঘরের ছেলেমেয়েরাই ওইসব সংস্থায় কাজ করছে। তাহলে এবার যদি চীনের লগ্নি বন্ধ হয়ে গিয়ে ওইসব সংস্থার লোকসানের জেরে অনেক চাকরি চলে যায়? যা ইতিমধ্যে হতে শুরু করেছে! হঠাৎ নিষিদ্ধ করা হবে কীভাবে স্পোর্টস গুডস? টেবল টেনিস বল, শাটল কক, ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট, রেসলিং ম্যাট, জ্যাভেলিন, হাই জাম্প বার, হকি স্টিক, বক্সিং হেডগিয়ার, জিম ইকুইপমেন্ট, মাউন্টেন ক্লাইম্বিং অ্যাকসেসরিজ, ... ধনী নয়, সাধারণ ঘর থেকে আসা ক্রীড়াবিদরা এই প্রতিটি ক্ষেত্রে চীনের প্রোডাক্টের উপর নির্ভরশীল। হঠাৎ এসব আমদানি বন্ধ করে দিলে হবে? নাকি নিজেদের আগে প্রস্তুত করতে হবে?
তাহলে কি চীনকে বাণিজ্যিকভাবে শিক্ষা দেওয়া হবে না? চীনের এই ডাম্পিং বিজনেসকে মেনে নিতে হবে? ভারত আত্মনির্ভর হবে না? নিশ্চয়ই হবে? চীনকে অবশ্যই বাণিজ্যিকভাবে কোণঠাসা করতে হবে। কিন্তু সেটা এরকম স্থূল ভাবে হয় না । হঠাৎ কোনও একটি বুধবার সিদ্ধান্ত নিলাম যেহেতু লাদাখে চীন বাড়াবাড়ি করছে, তাই চীনের জিনিস কিনব না, এরকম হয় না। ওটা ম্যাচিওরিটি নয়। অপরিণতমনস্ক মেন্টালিটি নিলে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য আসে না। কারণ, বয়কট করার আগে তো আমাদের দেখতে হবে যে বিকল্প কী! বিকল্প হয়ে গেলেই চীনকে আর দরকারই হবে না। কিন্তু এই বিপুল সাপ্লাই চেইনের বিকল্প তো সেভাবে এখনও তৈরি হয়নি। প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। সেই প্রয়াসকে সফল করতে গোটা দেশ একজোট হবে। কিন্তু যে কোনও ভারতীয় ট্রেড অর্গানাইজেশন অথবা ম্যানুফাকচারিং অ্যাসোসিয়েশনকে প্রশ্ন করলে বলবে, বিকল্প ভারতের সংস্থাই মেটাবে, সেখানে পৌঁছতে অন্তত ৫ থেকে ১০ বছর লাগবে। যদি এখনই সত্যিই কাজ শুরু করা যায়।
চীনের পণ্য বয়কট করলে ভারতের বাণিজ্যিক মডেলে তাহলে কোথা থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হবে? জাপান, ইওরোপীয় ইউনিয়ন এবং আমেরিকা। সমস্যা হল, এই প্রতিটি দেশের প্রোডাক্ট কিংবা ইকুইপমেন্টের আমদানি মূল্য চীনের পণ্যের তুলনায় অন্তত দ্বিগুণ। চীনের সেটাই সুবিধা। আমাদেরও। সুতরাং সার্বিক বয়কট, যাকে বলা হয় ব্ল্যাঙ্কেট ব্যান, সেটা করা অযৌক্তিক। চীনকে বাণিজ্যিকভাবে বয়কট করার প্রথম ধাপ হল, কেন্দ্র অথবা রাজ্য, কোনও সরকারি মেগা প্রজেক্টে চীনের কোম্পানিকে যুক্ত হতে না দেওয়া। কারণ, ভারতের সেতু, উড়ালপুল, রেলওয়ে করিডর, হাইওয়ে অর্থাৎ ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল প্রোজেক্টগুলিই হল চীনের কাছে সবথেকে আকর্ষণীয়। সেগুলির সঙ্গে যুক্ত থাকে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার ডিল। এগুলিতে আটকে দেওয়া দরকার। যেটা এখন কেন্দ্রীয় সরকার কিছুটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের কাছে যে টাকা আছে সেটা দিয়ে তারা চীনের বদলে জাপান অথবা ইওরোপের সঙ্গে টাই-আপ করলে ব্যয় বাড়লেও বহন করতে পারবে। কিন্তু আমাদের মতো ৯৫ শতাংশ গরিব, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্তদের দেশে তো সস্তার দিকে ঝোঁক থাকবেই। কেউ ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সস্তা কেনে। কিন্তু তার থেকে বহুগুণ বেশি মানুষ ক্রয়ক্ষমতা কম বলেই সস্তা কেনে। যেমন ধরা যাক, মধ্যবিত্ত আজকাল এয়ারকন্ডিশনার কিনতে পারছে। কারণ বাজারে একঝাঁক চীনের এসি আছে। যেই ওই প্রোডাক্ট বয়কট করা হবে, তখনই এই মানুষগুলির আর এসি কেনা হবে না। কারণ, জাপান, সাউথ কোরিয়া, ইওরোপ, আমেরিকার ব্র্যান্ডেড এসির দাম বহুমূল্য তাদের কাছে।
ভাগলপুরের খলিফাবাগ বাজারে গেলে দেখা যাবে, সেখানে চীনের মোবাইল ফোন প্ল্যাস্টিক প্যাকেটে বিক্রি হচ্ছে। শয়ে শয়ে। বাজারজুড়ে ইলেকট্রনিক্স ইলেকট্রিক্যাল পণ্য। সিংহভাগ চীনের। যেদিন থেকে চীনের পণ্য বয়কটের প্রচার শুরু হয়েছে, এই দোকানগুলির বিক্রি অর্ধেকের বেশি নেমে গিয়েছে ভয়ে। যদি পুলিশ ধরে। আর সবথেকে বড় ক্ষতি হল দোকানগুলি জানিয়েছে, এভাবে চললে সামান্য ৩ থেকে ৬ হাজার টাকার বেতনে যে ছেলেগুলো এখানে কাউন্টারে কাজ করে, তাদের চাকরি চলে যাবে। লস করে কতদিন আর সম্ভব কর্মী রাখা? চন্দননগরের আলোকশিল্পীদের কাছে যদি বলা হয়, চীনের ল্যাম্প বন্ধ করে দিতে হবে, তাদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে। কারণ, বিকল্প নেই। সুতরাং আত্মনির্ভর ভারতের পরিকল্পনা যখন হয়েছে, তখন কার্যকর হোক, খুব ভালো কথা। কিন্তু, দুম করে হাইপার দেশপ্রেমের ইভেন্টে এভাবে সামগ্রিক ব্যান করা শক্তির লক্ষণ নয়। দুর্বলের লক্ষণ। শক্তিশালীরা প্রতিযোগিতা করে। অন্য শক্তিশালীকে ময়দানে ঢুকতে না দেওয়া কাজের কথা নয়। ভারতের শক্তি যথেষ্ট। সুতরাং এখন থেকেই দেশীয় প্রোডাকশনে মরিয়া হয়ে ঝাঁপালে আজ নয় কাল অবশ্যই চীনের প্রোডাক্ট পরাজিত হবে। কিন্তু এখন চীনের প্রোডাক্ট বয়কট করলে সবার আগে সঙ্কটে পড়বে গরিব মানুষ। সেসব বেচে সংসার চালায় বহু হকার। তাদের আর বহু পণ্য বেচা হবে না। একইভাবে গরিবের আর কেনাও হবে না জীবনযাপনের ক্ষেত্রে।
হঠাৎ লাদাখে চীনের সেনা এগিয়ে এসে সীমান্ত সংঘাতে জড়িয়ে পড়ায়, ২০২০ সালের লকডাউনের মধ্যে মে মাসের শেষ সপ্তাহে আমাদের দেশপ্রেম জাগ্রত হল। মনে হল আত্মনির্ভর হওয়া দরকার। এবার একটু চীনকে শিক্ষা দিতে হবে। এটা কী কোনও পরিণত চিন্তা? আমরা অপেক্ষা করছিলাম নাকি যে কবে চীন আক্রমণ করবে, তারপর চীনকে টাইট দিতে হবে? অনেক আগে থেকেই এসব পরিকল্পনা হল না কেন? আসলে রাষ্ট্র থেকে জনতা, আমরা ক্রমেই ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টেই নিজেদের অভ্যস্ত করে ফেলেছি। মাঝেমধেই একটি করে ইভেন্ট আসে, আমরা ভেসে যাই সেই নতুন ইভেন্টে। স্মার্ট সিটি, নোট বাতিল, এনআরসি, সিএএ—কোথায় আলোচনা হয় আজকাল? এখন তো গোটা দেশের খেটে খাওয়ার মানুষকে মাত্র দু’টি অস্তিত্বরক্ষার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে একটি ভাইরাস। জীবন বাঁচানো এবং জীবিকারক্ষা। বাকি সব অর্থহীন মনে হচ্ছে না? গত তিনমাসের নানাবিধ উচ্চকণ্ঠের চর্চার আড়ালে বরং আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অজানা ইভেন্টগুলির দিকে তাকানো যাক। দেখা যাক কী কী চলছে অন্য প্রান্তগুলিতে। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে দু’টি সংবাদ।
ভাগলপুরের মুশাহারি টোলার বালক বালিকাদের সবথেকে প্রিয় দিন ছিল শুক্রবার। ওই দিন স্কুলের মিড ডে মিলে ডিম দেওয়া হতো। লকডাউনের ফলে স্কুল বন্ধ তিনমাস। সেই প্রিয় শুক্রবার আসে না। শুধু তাই নয়, এই ২৫০ ছাত্রছাত্রীকে এখন বাবা মায়ের মতোই জঞ্জাল, স্ক্র্যাপ কুড়াতে হচ্ছে। নিয়ম হল মিড ডে মিল যেহেতু নেই, তাই প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর বাবা মায়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মিড ডে মিলের টাকা চলে যায়। কত টাকা? ১৫ দিনের জন্য ১১৪ টাকা। অর্থাৎ দিনে ৭ টাকা ৬০ পয়সা। লকডাউনে এই মহাদলিত বর্ণের পারিবারিক জঞ্জাল কুড়ানোর কাজ অনেক কমে গিয়েছে। স্ক্র্যাপ বিক্রিও নেই। তাই ওই ছেলেমেয়েদের মিড ডে মিলের নামে ব্যাঙ্কে আসা মাসে ২২৮ টাকাও অনেক।
১৭ বছরের মোদিয়াম সুখলের সবথেকে বড় বন্ধু হল সাইকেল। ছত্তিশগড়ের বিজাপুরের পেড্ডাকোরমা গ্রামের মোদিয়াম প্রতিদিন বাড়ি থেকে ১১ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে একটি হাইওয়ের কাছে আসে। সেখানে রাস্তার পাশের মাঠে বসে। ব্যাগে থাকে আসন, খাতা, বই, পেন আর জল। ধু ধু প্রান্তরের মধ্যে বসে সে অনলাইন ক্লাস করে। লকডাউনের জন্য স্কুল বন্ধ। তাই ছত্তিশগড় সরকার প্রকল্প নিয়েছে স্কুল তোমার ঘরেই। অর্থাৎ অনলাইন ক্লাস। কিন্তু ঘরে বসে অনলাইন ক্লাস করা সম্ভব নয় মোদিয়ামের। তাই তাঁকে আসতে হয় চেরপাল নামের এক জনপদের কাছে হাইওয়েতে। কেন? কারণ একমাত্র সেখানেই সে মোবাইলের সিগন্যাল পায়! শুধু মোবাইলের সিগন্যাল পেতে তাঁকে প্রতিদিন সকালে ১১ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে আসতে হয় ওই মাঠে। ক্লাস করতে! লাদাখ নয়, কোভিড নয়, চাইনিজ প্রোডাক্ট বয়কট নয়। ক্লাস টেন পাশ করার জন্য মরিয়া মোদিয়াম সুখলের একটাই সমস্যা-সিগন্যাল!
10th  July, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয় নির্দেশ—সবটা নিয়ন্ত্রিত হবে এক জায়গা থেকে। তার জন্য অত্যাধুনিক মোবাইল ভ্যান আনল কলকাতা বিমানবন্দর। ...

  দশ দলেরই ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (আইএসএল) হতে চলেছে। মঙ্গলবার নিজেদের ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটের কভার ফটো বদল করেছে আইএসএল কর্তৃপক্ষ। ...

 সোয়াব বা লালারসের নমুনা দেওয়ার সময় মালদহে অনেকেই ভুল ঠিকানা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। ইচ্ছাকৃতভাবে মোবাইল নম্বরও ভুল দেওয়া হচ্ছে। ...

 গ্রাম বাংলায় বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের কাজে সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত ২৫ হাজার গ্রামীণ সম্পদ কর্মী বা ভিলেজ রিসোর্স পার্সন (ভিআরপি) ফের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM