Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

করোনা যুদ্ধে জাপানকে জেতাচ্ছে সুস্থ সংস্কৃতি 
হারাধন চৌধুরী

সারা পৃথিবীর হিসেব বলছে, করোনা ভাইরাসে বা কোভিড-১৯ রোগে মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। সেই প্রশ্নে জাপানিদের প্রচণ্ড ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, প্রতি একশো জনের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা জাপানেই সর্বাধিক। এই সুপার-এজিং সোসাইটির ৩৩ শতাংশ মানুষ ষাটোর্ধ্ব। সাড়ে ১২ শতাংশের বয়স ৭৫-এর বেশি। অনেকের আশঙ্কা ছিল, জাপানে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মৃত্যুর মিছিল না লেগে যায়! কিন্তু বাস্তবে সূর্যোদয়ের দেশ দেখাল উলট পুরাণ। পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশের তুলনায় শিনজো আবের রাষ্ট্রে করোনার ক্ষতি আশ্চর্যজনকভাবে কম।
এই সাফল্য সারা পৃথিবীর গবেষকদের অবাক করেছে। এই ব্যাপারে অনেকগুলো মত বেরিয়ে এসেছে। তার মধ্যে একটা হল, জাপানিদের শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি আগে থেকেই রয়েছে। কয়েক বছর আগে জাপানসহ দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সার্স রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল। তখনই তাঁদের শরীরে প্রাকৃতিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। জাপানিরা তারই সুফল ভোগ করছেন।
অবশ্য, গবেষকদের মধ্যে অনেকেই এই ব্যাপারে সহমত হতে পারেননি। তাঁদের একাংশের বিশ্বাস, জাপানিদের বাঁচিয়ে দিয়েছে তাঁদের বিশেষ কালচার বা সংস্কৃতি। সামান্য জ্বর, সর্দি-কাশিতেও তাঁরা মাস্ক পরতে পছন্দ করেন। নিয়মিত হাত মুখ পরিষ্কার করাটাও তাদের অভ্যাসের অঙ্গ। ১৯১৮-২০ খ্রিস্টাব্দে স্প্যানিশ ফ্লু বিশ্বজুড়ে মহামারীর রূপ নিয়েছিল আমরা জানি। সে একশো বছর হল। জাপানিদের মাস্ক পরার শুরু তখন থেকে। তাঁদের সেই অভ্যাস এখনও রয়ে গিয়েছে।
গত শতকের মাঝামাঝির কথা। টিবি বা যক্ষ্মা রোগ ছড়িয়ে পড়েছিল ভয়াবহ আকারে। এই সংক্রামক মারণ রোগের বিরুদ্ধে লড়াইতে জাপানিরা একটা বিশেষ কার্যকরী কৌশল বেছে নিয়েছিলেন: যে মানুষ সংক্রমণের শিকার হয়েছেন তাঁকে খুঁজে বের করা। তারপর খুঁজে বের করা হতো তাঁর সংস্পর্শে যাঁরা এসেছেন। এরপর চিহ্নিত মানুষগুলোকে সাধারণের থেকে আলাদা করা হতো। তাঁরা দেখেছিলেন, রোগীকে এবং তাঁর কাছাকাছি যাওয়া মানুষগুলিকে খুঁজে বের করতে পারাটা হল জোড়া আশীর্বাদ: প্রথমত, অসুস্থদের বাঁচানোর জন্য দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা যায়। তার চেয়েও বড় লাভ হল—না জেনে অসুস্থরা আরও বহু মানুষকে অসুস্থ করে ফেলতে পারতেন, রুখে দেওয়া গেল সেই মহাবিপদটিকেও। সেই ফলপ্রসূ ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ ব্যবস্থা জাপান আর ছাড়েনি।
কোভিড-১৯ থেকে মুক্তির অনেক দাওয়াই বাতলেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। তার মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য দু’টি হল: ‘লকডাউন’ এবং ‘টেস্ট টেস্ট টেস্ট’। এই উপায় দু’টিকে বেদবাক্য মনে করেনি জাপান। অনেক দেশের তুলনায় তারা করোনার টেস্ট করেছে যৎসামান্য। লকডাউন নিয়েও সরকার কোনওরকম জোরাজুরি করেনি নাগরিকদের সঙ্গে। লকডাউনের নিজস্ব সংস্করণ বের করেছে। ‘অবিবেচক’ প্রধানমন্ত্রীকে এ নিয়ে অন্য দেশের তুমুল সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল। তবু, ৭ এপ্রিল ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নাগরিকদের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘সম্ভব হলে বাড়ির বাইরে যাবেন না।’ এই একটা অনুরোধেই বেশ কাজ হল। অপ্রয়োজনে বেশিরভাগ মানুষ বেরলেন না। সরকার আরও একটা কাজ করেছিল: সংক্রমণের শিকার মানুষগুলির জীবনযাত্রার ধরন বিশ্লেষণ। তারা কোথায় যেত, কী করত, কাদের সঙ্গে বেশি মিশত প্রভৃতি। গবেষকরা জানালেন, আক্রান্তদের বেশিরভাগই পার্টি, হই-হুল্লোড় করতে অভ্যস্ত ছিল। তথ্যটা নাগরিকদের সামনে এনে সতর্ক করা হল। পরামর্শ দেওয়া হল, তিনটি ‘সি’ এড়িয়ে চলুন: কনফাইন্ড (আবদ্ধ জায়গা), ক্রাউডেড স্পেসেস (ভিড়) এবং ক্লোজ হিউম্যান কনট্যাক্ট (মানুষের গা ঘেঁষাঘেঁষি)।
এটাই হল ‘জাপানি মডেল’। সামান্যতম বল প্রয়োগ না করেই সরকার প্রায় সকলকেই মান্য স্বাস্থ্যবিধির অধীনে এনে ফেলল। ইনফেকশনের চেইনটা জাপানিরা ভেঙে দিলেন নিজ নিজ দায়িত্ব জ্ঞানে। অনেকে বলেছিলেন, বয়স্কদের বেরতে না দিলেই তো জাপানের ল্যাটা চুকে যেত। তাঁরা কম বয়সিদের কথাটা মাথায় রাখেননি বোধহয়—কম বয়সিরা বেরলেই তো ভাইরাস নিয়ে বাড়ি ঢুকতেন। বয়স্করা তাঁদের মাধ্যমেই সংক্রামিত হতেন। কম বয়সিরা ভুলটা করেননি।
লোকসংখ্যা: জাপানে ১২ কোটি ৬৫ লক্ষ এবং টোকিওতে ৮৪ লক্ষ। ৪ জুলাই পর্যন্ত পিসিআর টেস্ট হয়েছে ৪,১২,১০২। পজিটিভ ১৯,১৮৪। সক্রিয় ১,৩৮৬। সুস্থ ১৬,৮৩৮। সঙ্কটজনক ৩৩। মৃত ৯৭৬। ৫০ বছরের কম বয়সি কেউ মরেনি। মৃতদের বেশিরভাগের বয়স ৭০-৮০ বছর। সংক্রমণ এবং মৃত্যু দু’টিই সবচেয়ে বেশি টোকিওতে—যথাক্রমে ৬,৬৫৪ এবং ৩২৫। ভারতের যে-কোনও বড় রাজ্য এবং দিল্লি মহানগরকে পাশে রেখে তুলনা করুন। তফাতটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।
অথচ ভারত সরকারকে ২৫ মার্চ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মোট চার দফায় দেশজুড়ে লকডাউন চাপিয়ে দিতে হয়েছে। ১ জুন শুরু হয়েছে ‘আনলক-১’ পর্ব। ‘আনলক-২’ নির্ধারিত রয়েছে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ মানুষকেই বোঝানো যায়নি মাস্ক পরা, হাত ধোয়া, নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে চলাফেরা করা কতটা জরুরি। প্রকাশ্যে থুতু এবং পান-গুটখার পিক ফেলা কতটা গর্হিত কাজ। জ্বর সর্দি কাশি হলে কতটা সতর্ক/সাবধান থাকতে হবে। আনলক পর্বকে অনেকে পূর্ণ স্বাধীনতার কাল বলেই ধরে নিয়েছেন। টানা ন’সপ্তাহের লকডাউন পর্বেও তাঁদের একাংশ যা-খুশি করে বেড়িয়েছেন। প্রকাশ্যে মদ খাওয়া থেকে রোয়াকে আড্ডা পর্যন্ত অনেক কিছুই চলেছে অবাধে। জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীদের আবেদন প্রচারিত হচ্ছে ঘণ্টায় ঘণ্টায়। ফোনের রিংটোনেও সাবধান বাণী। তাতে ক’জনের চেতনা ফিরেছে সে বিরাট প্রশ্ন। পরিস্থিতি এমনই যে লকডাউন অমান্য ঠেকাতে অনেক রাজ্যে প্রশাসন বলপ্রয়োগ করতে বাধ্য হয়েছে। তাতে একাধিক রাজ্যে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে গিয়েছে। রেশন এবং ত্রাণ প্রভৃতি বিলি নিয়ে অসন্তোষের জেরে ইতিমধ্যে কত যে সংঘর্ষ, মাথা ফাটাফাটির ঘটনা গিয়েছে তার সঠিক হিসেব রাখা দুষ্কর। বহরমপুর থেকে বেঙ্গালুরু, দিনহাটা থেকে দিল্লি কমবেশি সর্বত্র এক চিত্র!
এই কারণে ভারতে করোনা সংক্রমণ এবং মৃতের সংখ্যা রোজ নতুন রেকর্ড গড়ছে। পাল্লা জুড়েছে ইউরোপ, আমেরিকার সঙ্গে!
একটি এশীয় দেশ জাপান যা পারল, আমরা তার এক আনাও পারলাম না কেন? এর জবাব বোধহয় একটিমাত্র শব্দের ভিতরে লুকিয়ে রয়েছে। কালচার। যা বাংলা ‘সংস্কৃতি’ শব্দের কাছাকাছি। জীবনটাকে সুন্দরভাবে যাপনের একটা কালচার তাঁরা জাতিগতভাবে আত্মস্থ করেছেন। বহু বহু কাল আগে থেকে। করোনা পরিস্থিতি এল বলে দায়ে পড়ে জাপানিদের প্রায় সকলেই একসঙ্গে হঠাৎ সুনাগরিক হয়ে উঠলেন তা মোটেই নয়। এটা তাঁদের সুদীর্ঘ প্র্যাকটিস বা অনুশীলনের সুফল।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে দেখা গেল, খাদের প্রায় কিনারে পৌঁছে গিয়েছে জাপান। সেই দ্বীপময় রাষ্ট্রের সবদিক থেকে বিস্ময়কর উত্থান ঘটেছিল সামান্য তিন দশেকর ভিতরে। নেপথ্যে নীরব ভূমিকা ছিল জাপানি কালচারের। একবিংশ শতকের বিস্ময়ের নাম চীন। আর একটি এশীয় দেশ। একেবারে পড়শি। জাপানের সেই সোনার জুতোয় পা গলিয়েই চীন বাণিজ্যিকভাবে সারা পৃথিবীকে পকেটে পুরে ফেলেছে।
ভারতবাসী তার দেশের সুমহান সভ্যতা ও ঐতিহ্যের বড়াই করতে ভালোবাসে। সেটাই উচিত। কিন্তু, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লড়াইতে আমরা যে ভীষণভাবে ব্যর্থ হচ্ছি! এর ব্যাখ্যা কী? জীবনটাকে সুন্দরভাবে যাপনের কালচার গড়ে তোলার কথা আমরা এখনও ভাবিনি। তাই দফায় দফায় পিছিয়ে পড়ছি সকলের জন্য পুষ্টিকর খাদ্য, পরিস্রুত জল, স্কুলশিক্ষা, সাধারণ স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রভৃতির ব্যবস্থা করতে। অথচ, এগুলোই ন্যূনতম চাহিদা। অন্তত ৩০ কোটি ভারতবাসী এইটুকু থেকেও বঞ্চিত। সমাজের সবচেয়ে পীড়িত অংশের জন্য বরাদ্দের দিকেও কালো হাত বাড়িয়ে থাকে ভারতের রাজনীতি। দেশের মানুষের কল্যাণ কবে যে দেশীয় রাজনীতির উপজীব্য হবে! দেশ যে কবে বক্ররেখার মানচিত্রের ঊর্ধ্বে উঠতে শিখবে! এসব প্রশ্ন ও বিস্ময়ের ঘোর কাটাতে আমাদের সেইদিনটির জন্য অপেক্ষা করতে হবে, যেদিন মানুষ যথার্থ মানবসম্পদের মর্যাদা পাবে। সেই এক কথা—কালচার। ভারতের রাজনীতিকে সেই কালচার গড়ে তোলার দায়িত্ব নিতে হবে। রাজনীতি থেকে দুর্বৃত্তদের পৃথক করার ব্যাপারে দলগুলি যেদিন আন্তরিক হবে, শুধু সেদিনই সার্বিক উন্নয়নের কালচার নিজ গুণে দেখা দেবে। 
09th  July, 2020
শীর্ষ সম্মেলন কূটনীতির পরাজয়

দুই নেতার সিদ্ধান্ত ছিল যে ‘২০২০ সালটাকে ভারত-চীন সংস্কৃতি এবং মানুষে মানুষে ভাব বিনিময়ের বর্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে’। আইডিয়াটা স্মরণীয় হবে ভেবে মোদিজি নিশ্চয় আহ্লাদিতই হয়েছিলেন!
বিশদ

ভ্যাকসিন বের করা আর
সার্জিকাল স্ট্রাইক এক নয়
হিমাংশু সিংহ

ধামাকা দিয়ে সব যুদ্ধ জয় করা যায় না। বিশেষ করে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের যুদ্ধ, আর সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা মোটেই এক নয়। বিজ্ঞানের কোনও কালজয়ী আবিষ্কারই ১৫ আগস্ট, ২৬ জানুয়ারি কিম্বা পূর্ণিমা-অমাবস্যার তিথি নক্ষত্র দেখে আসে না।
বিশদ

12th  July, 2020
প্রতিপক্ষ যখন পঞ্চায়েত
তন্ময় মল্লিক

উদ্দেশ্য এবং উপায় সৎ হলে তার ফল ভালো হয়। এমন কথাই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেটা খাটে না। জ্বলন্ত উদাহরণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। লক্ষ্য ছিল ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। তৈরি হয়েছিল জেলা পরিষদ। জেলার রাইটার্স বিল্ডিং।
বিশদ

11th  July, 2020
নিত্য নতুন ইভেন্টের
আড়ালে যত খেলা
সমৃদ্ধ দত্ত

বয়কটের আগে বুঝতে হবে যে, এখন এসব বয়কট করার অর্থ আমাদের দেশেরই ব্যবসায়ী, দোকানিদের চরম আর্থিক ক্ষতি। বিগত তিনমাসের লকডাউনে এমনিতেই জীবিকা সঙ্কটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমাদের এলাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট এখন আমরা না কিনলে চীনের ক্ষতি নেই।
বিশদ

10th  July, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বদলির পর বাড়ির কাছেই কাজের সুযোগ পেলেন চারশোর বেশি স্বাস্থ্যকর্মী। শুক্রবার ৪১৫ জন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টকে রাজ্যের বিভিন্ন ...

  ওয়াশিংটন: ভুয়ো লাইসেন্সধারী পাইলটদের উপর বিশ্বাস নেই। ইউরোপের পর এবার আমেরিকাতেও নিষিদ্ধ হল পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স (পিআইএ)। ...

সংবাদদাতা, মালদহ: প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও লকডাউনের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত মালদহের আম ব্যবসাকে চাঙ্গা করতে ইতিমধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দপ্তর। দিল্লিতে নিযুক্ত ...

সুমন তেওয়ারি  আসানসোল: করোনার দাপটের মধ্যেই এবার ডেঙ্গু হানা দিল পশ্চিম বর্ধমান জেলায়। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আসানসোল, দুর্গাপুর সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে এখনও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীরা বেশ কিছু সুযোগের সংবাদে আনন্দিত হবেন। বিদ্যার্থীরা পরিশ্রমের সুফল নিশ্চয় পাবে। ভুল সিদ্ধান্ত থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩০: কলকাতায় দ্য জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন, অধুনা স্কটিশ চার্চ কলেজ প্রতিষ্ঠা করলেন আলেকজান্ডার ডাফ এবং রাজা রামমোহন রায়
১৯০০: অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের জন্ম
১৯৪২: মার্কিন অভিনেতা হ্যারিসন ফোর্ডের জন্ম
১৯৫৫: সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর মৃত্যু
২০১১: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক তিনটি বিস্ফোরণে হত ২৬, জখম ১৩০
২০১৩: বোফর্স কান্ডে অভিযুক্ত ইতালীয় ব্যবসায়ী অত্তাভিও কাত্রোচ্চির মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৩১ টাকা ৭৬.০৩ টাকা
পাউন্ড ৯৩.০০ টাকা ৯৬.২৯ টাকা
ইউরো ৮৩.২৩ টাকা ৮৬.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
11th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৩৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী ৩২/৪৫ অপঃ ৬/১০। রেবতী ১৫/২৫ দিবা ১১/১৪। সূর্যোদয় ৫/৩/৫২, সূর্যাস্ত ৬/২০/৩৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২২ মধ্যে। রাত্রি ৯/১২ গতে ১২/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে।
২৮ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী অপরাহ্ন ৫/০। রেবতী নক্ষত্র দিবা ১১/৮। সূযোদয় ৫/৩, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/২৯ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২৩ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে।
২১ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাটে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৯০২ 
গুজরাটে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯০২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

08:06:12 PM

মহারাষ্ট্রে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৬,৪৯৭ 
মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ৪৯৭ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

07:52:00 PM

উত্তর প্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৬৬৪ 
উত্তর প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৬৬৪ জন করোনায় ...বিশদ

07:47:39 PM

২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১,৪৩৫
গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১,৪৩৫ জন। ...বিশদ

07:47:36 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৩২৮ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৩২৮ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

06:40:21 PM

অন্ধ্রপ্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৯৩৫ 
অন্ধ্রপ্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

05:53:11 PM