Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

করোনা যুদ্ধে জাপানকে জেতাচ্ছে সুস্থ সংস্কৃতি 
হারাধন চৌধুরী

সারা পৃথিবীর হিসেব বলছে, করোনা ভাইরাসে বা কোভিড-১৯ রোগে মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। সেই প্রশ্নে জাপানিদের প্রচণ্ড ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, প্রতি একশো জনের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা জাপানেই সর্বাধিক। এই সুপার-এজিং সোসাইটির ৩৩ শতাংশ মানুষ ষাটোর্ধ্ব। সাড়ে ১২ শতাংশের বয়স ৭৫-এর বেশি। অনেকের আশঙ্কা ছিল, জাপানে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মৃত্যুর মিছিল না লেগে যায়! কিন্তু বাস্তবে সূর্যোদয়ের দেশ দেখাল উলট পুরাণ। পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশের তুলনায় শিনজো আবের রাষ্ট্রে করোনার ক্ষতি আশ্চর্যজনকভাবে কম।
এই সাফল্য সারা পৃথিবীর গবেষকদের অবাক করেছে। এই ব্যাপারে অনেকগুলো মত বেরিয়ে এসেছে। তার মধ্যে একটা হল, জাপানিদের শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি আগে থেকেই রয়েছে। কয়েক বছর আগে জাপানসহ দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সার্স রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল। তখনই তাঁদের শরীরে প্রাকৃতিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। জাপানিরা তারই সুফল ভোগ করছেন।
অবশ্য, গবেষকদের মধ্যে অনেকেই এই ব্যাপারে সহমত হতে পারেননি। তাঁদের একাংশের বিশ্বাস, জাপানিদের বাঁচিয়ে দিয়েছে তাঁদের বিশেষ কালচার বা সংস্কৃতি। সামান্য জ্বর, সর্দি-কাশিতেও তাঁরা মাস্ক পরতে পছন্দ করেন। নিয়মিত হাত মুখ পরিষ্কার করাটাও তাদের অভ্যাসের অঙ্গ। ১৯১৮-২০ খ্রিস্টাব্দে স্প্যানিশ ফ্লু বিশ্বজুড়ে মহামারীর রূপ নিয়েছিল আমরা জানি। সে একশো বছর হল। জাপানিদের মাস্ক পরার শুরু তখন থেকে। তাঁদের সেই অভ্যাস এখনও রয়ে গিয়েছে।
গত শতকের মাঝামাঝির কথা। টিবি বা যক্ষ্মা রোগ ছড়িয়ে পড়েছিল ভয়াবহ আকারে। এই সংক্রামক মারণ রোগের বিরুদ্ধে লড়াইতে জাপানিরা একটা বিশেষ কার্যকরী কৌশল বেছে নিয়েছিলেন: যে মানুষ সংক্রমণের শিকার হয়েছেন তাঁকে খুঁজে বের করা। তারপর খুঁজে বের করা হতো তাঁর সংস্পর্শে যাঁরা এসেছেন। এরপর চিহ্নিত মানুষগুলোকে সাধারণের থেকে আলাদা করা হতো। তাঁরা দেখেছিলেন, রোগীকে এবং তাঁর কাছাকাছি যাওয়া মানুষগুলিকে খুঁজে বের করতে পারাটা হল জোড়া আশীর্বাদ: প্রথমত, অসুস্থদের বাঁচানোর জন্য দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা যায়। তার চেয়েও বড় লাভ হল—না জেনে অসুস্থরা আরও বহু মানুষকে অসুস্থ করে ফেলতে পারতেন, রুখে দেওয়া গেল সেই মহাবিপদটিকেও। সেই ফলপ্রসূ ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ ব্যবস্থা জাপান আর ছাড়েনি।
কোভিড-১৯ থেকে মুক্তির অনেক দাওয়াই বাতলেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। তার মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য দু’টি হল: ‘লকডাউন’ এবং ‘টেস্ট টেস্ট টেস্ট’। এই উপায় দু’টিকে বেদবাক্য মনে করেনি জাপান। অনেক দেশের তুলনায় তারা করোনার টেস্ট করেছে যৎসামান্য। লকডাউন নিয়েও সরকার কোনওরকম জোরাজুরি করেনি নাগরিকদের সঙ্গে। লকডাউনের নিজস্ব সংস্করণ বের করেছে। ‘অবিবেচক’ প্রধানমন্ত্রীকে এ নিয়ে অন্য দেশের তুমুল সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল। তবু, ৭ এপ্রিল ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নাগরিকদের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘সম্ভব হলে বাড়ির বাইরে যাবেন না।’ এই একটা অনুরোধেই বেশ কাজ হল। অপ্রয়োজনে বেশিরভাগ মানুষ বেরলেন না। সরকার আরও একটা কাজ করেছিল: সংক্রমণের শিকার মানুষগুলির জীবনযাত্রার ধরন বিশ্লেষণ। তারা কোথায় যেত, কী করত, কাদের সঙ্গে বেশি মিশত প্রভৃতি। গবেষকরা জানালেন, আক্রান্তদের বেশিরভাগই পার্টি, হই-হুল্লোড় করতে অভ্যস্ত ছিল। তথ্যটা নাগরিকদের সামনে এনে সতর্ক করা হল। পরামর্শ দেওয়া হল, তিনটি ‘সি’ এড়িয়ে চলুন: কনফাইন্ড (আবদ্ধ জায়গা), ক্রাউডেড স্পেসেস (ভিড়) এবং ক্লোজ হিউম্যান কনট্যাক্ট (মানুষের গা ঘেঁষাঘেঁষি)।
এটাই হল ‘জাপানি মডেল’। সামান্যতম বল প্রয়োগ না করেই সরকার প্রায় সকলকেই মান্য স্বাস্থ্যবিধির অধীনে এনে ফেলল। ইনফেকশনের চেইনটা জাপানিরা ভেঙে দিলেন নিজ নিজ দায়িত্ব জ্ঞানে। অনেকে বলেছিলেন, বয়স্কদের বেরতে না দিলেই তো জাপানের ল্যাটা চুকে যেত। তাঁরা কম বয়সিদের কথাটা মাথায় রাখেননি বোধহয়—কম বয়সিরা বেরলেই তো ভাইরাস নিয়ে বাড়ি ঢুকতেন। বয়স্করা তাঁদের মাধ্যমেই সংক্রামিত হতেন। কম বয়সিরা ভুলটা করেননি।
লোকসংখ্যা: জাপানে ১২ কোটি ৬৫ লক্ষ এবং টোকিওতে ৮৪ লক্ষ। ৪ জুলাই পর্যন্ত পিসিআর টেস্ট হয়েছে ৪,১২,১০২। পজিটিভ ১৯,১৮৪। সক্রিয় ১,৩৮৬। সুস্থ ১৬,৮৩৮। সঙ্কটজনক ৩৩। মৃত ৯৭৬। ৫০ বছরের কম বয়সি কেউ মরেনি। মৃতদের বেশিরভাগের বয়স ৭০-৮০ বছর। সংক্রমণ এবং মৃত্যু দু’টিই সবচেয়ে বেশি টোকিওতে—যথাক্রমে ৬,৬৫৪ এবং ৩২৫। ভারতের যে-কোনও বড় রাজ্য এবং দিল্লি মহানগরকে পাশে রেখে তুলনা করুন। তফাতটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।
অথচ ভারত সরকারকে ২৫ মার্চ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মোট চার দফায় দেশজুড়ে লকডাউন চাপিয়ে দিতে হয়েছে। ১ জুন শুরু হয়েছে ‘আনলক-১’ পর্ব। ‘আনলক-২’ নির্ধারিত রয়েছে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ মানুষকেই বোঝানো যায়নি মাস্ক পরা, হাত ধোয়া, নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে চলাফেরা করা কতটা জরুরি। প্রকাশ্যে থুতু এবং পান-গুটখার পিক ফেলা কতটা গর্হিত কাজ। জ্বর সর্দি কাশি হলে কতটা সতর্ক/সাবধান থাকতে হবে। আনলক পর্বকে অনেকে পূর্ণ স্বাধীনতার কাল বলেই ধরে নিয়েছেন। টানা ন’সপ্তাহের লকডাউন পর্বেও তাঁদের একাংশ যা-খুশি করে বেড়িয়েছেন। প্রকাশ্যে মদ খাওয়া থেকে রোয়াকে আড্ডা পর্যন্ত অনেক কিছুই চলেছে অবাধে। জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীদের আবেদন প্রচারিত হচ্ছে ঘণ্টায় ঘণ্টায়। ফোনের রিংটোনেও সাবধান বাণী। তাতে ক’জনের চেতনা ফিরেছে সে বিরাট প্রশ্ন। পরিস্থিতি এমনই যে লকডাউন অমান্য ঠেকাতে অনেক রাজ্যে প্রশাসন বলপ্রয়োগ করতে বাধ্য হয়েছে। তাতে একাধিক রাজ্যে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে গিয়েছে। রেশন এবং ত্রাণ প্রভৃতি বিলি নিয়ে অসন্তোষের জেরে ইতিমধ্যে কত যে সংঘর্ষ, মাথা ফাটাফাটির ঘটনা গিয়েছে তার সঠিক হিসেব রাখা দুষ্কর। বহরমপুর থেকে বেঙ্গালুরু, দিনহাটা থেকে দিল্লি কমবেশি সর্বত্র এক চিত্র!
এই কারণে ভারতে করোনা সংক্রমণ এবং মৃতের সংখ্যা রোজ নতুন রেকর্ড গড়ছে। পাল্লা জুড়েছে ইউরোপ, আমেরিকার সঙ্গে!
একটি এশীয় দেশ জাপান যা পারল, আমরা তার এক আনাও পারলাম না কেন? এর জবাব বোধহয় একটিমাত্র শব্দের ভিতরে লুকিয়ে রয়েছে। কালচার। যা বাংলা ‘সংস্কৃতি’ শব্দের কাছাকাছি। জীবনটাকে সুন্দরভাবে যাপনের একটা কালচার তাঁরা জাতিগতভাবে আত্মস্থ করেছেন। বহু বহু কাল আগে থেকে। করোনা পরিস্থিতি এল বলে দায়ে পড়ে জাপানিদের প্রায় সকলেই একসঙ্গে হঠাৎ সুনাগরিক হয়ে উঠলেন তা মোটেই নয়। এটা তাঁদের সুদীর্ঘ প্র্যাকটিস বা অনুশীলনের সুফল।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে দেখা গেল, খাদের প্রায় কিনারে পৌঁছে গিয়েছে জাপান। সেই দ্বীপময় রাষ্ট্রের সবদিক থেকে বিস্ময়কর উত্থান ঘটেছিল সামান্য তিন দশেকর ভিতরে। নেপথ্যে নীরব ভূমিকা ছিল জাপানি কালচারের। একবিংশ শতকের বিস্ময়ের নাম চীন। আর একটি এশীয় দেশ। একেবারে পড়শি। জাপানের সেই সোনার জুতোয় পা গলিয়েই চীন বাণিজ্যিকভাবে সারা পৃথিবীকে পকেটে পুরে ফেলেছে।
ভারতবাসী তার দেশের সুমহান সভ্যতা ও ঐতিহ্যের বড়াই করতে ভালোবাসে। সেটাই উচিত। কিন্তু, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লড়াইতে আমরা যে ভীষণভাবে ব্যর্থ হচ্ছি! এর ব্যাখ্যা কী? জীবনটাকে সুন্দরভাবে যাপনের কালচার গড়ে তোলার কথা আমরা এখনও ভাবিনি। তাই দফায় দফায় পিছিয়ে পড়ছি সকলের জন্য পুষ্টিকর খাদ্য, পরিস্রুত জল, স্কুলশিক্ষা, সাধারণ স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রভৃতির ব্যবস্থা করতে। অথচ, এগুলোই ন্যূনতম চাহিদা। অন্তত ৩০ কোটি ভারতবাসী এইটুকু থেকেও বঞ্চিত। সমাজের সবচেয়ে পীড়িত অংশের জন্য বরাদ্দের দিকেও কালো হাত বাড়িয়ে থাকে ভারতের রাজনীতি। দেশের মানুষের কল্যাণ কবে যে দেশীয় রাজনীতির উপজীব্য হবে! দেশ যে কবে বক্ররেখার মানচিত্রের ঊর্ধ্বে উঠতে শিখবে! এসব প্রশ্ন ও বিস্ময়ের ঘোর কাটাতে আমাদের সেইদিনটির জন্য অপেক্ষা করতে হবে, যেদিন মানুষ যথার্থ মানবসম্পদের মর্যাদা পাবে। সেই এক কথা—কালচার। ভারতের রাজনীতিকে সেই কালচার গড়ে তোলার দায়িত্ব নিতে হবে। রাজনীতি থেকে দুর্বৃত্তদের পৃথক করার ব্যাপারে দলগুলি যেদিন আন্তরিক হবে, শুধু সেদিনই সার্বিক উন্নয়নের কালচার নিজ গুণে দেখা দেবে। 
09th  July, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
  দশ দলেরই ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (আইএসএল) হতে চলেছে। মঙ্গলবার নিজেদের ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটের কভার ফটো বদল করেছে আইএসএল কর্তৃপক্ষ। ...

 হাসপাতাল চত্বরে চলাচলের রাস্তার ধারেই করোনা পরীক্ষার যাবতীয় বর্জ্য সহ পিপিই কিট পড়ে থাকতে দেখা গেল। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার চাঞ্চল্য ছড়াল দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। ...

  দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিত্যদিনের মতো সাংবাদিক সম্মেলন করছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঠিক তখনই হোয়াইট হাউসের বাইরে পরপর গুলির আওয়াজ। মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে ...

দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয় নির্দেশ—সবটা নিয়ন্ত্রিত হবে এক জায়গা থেকে। তার জন্য অত্যাধুনিক মোবাইল ভ্যান আনল কলকাতা বিমানবন্দর। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM