Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার। ওড়াউড়ি, ঘোরাঘুরি বন্ধ হলে মনমেজাজ মোটেই ভালো থাকে না তাঁর। মাঝেমাঝেই প্রজাগণের প্রতি টিভিতে ‘হবু কি অমৃৎবাণী’ সম্প্রচার করা ছাড়া তেমন আর কাজ নেই এখন। সময় কাটাতে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা করেন। হাততালি দেন। দেশের সেরা ফ্যাশন ডিজাইনারদের তৈরি করা না পরা পোশাকগুলো বের করে পরেন। স্ট্রেস কাটানোর চেষ্টা করেন। ভাবেন, নানা রঙের দিনগুলি একটু একটু করে কেন যে এভাবে ধূসর হয়ে যাচ্ছে!
সেদিন সকালে তিনি তাঁর সব স্যুট ওয়ার্ড্রোব থেকে বের করে একটা একটা করে পরে দেখছিলেন। আবার খুলে রেখে দিচ্ছিলেন। সেই সব স্যুট পরে ঘরের মধ্যে বুক চিতিয়ে এদিক থেকে ওদিকে হাঁটছিলেন আর আড়চোখে আয়নার দিকে তাকিয়ে ব্যক্তিত্ব মাপছিলেন। মনে মনে বলছিলেন, ‘ওঠো, জাগো, নিজের প্রাপ্য ভাবমূর্তি আবার গড়ে তোল। যে ভাবমূর্তি তোমার ছিল, অথচ আইসক্রিমের মতো গলে গিয়েছে, আসলে তা তোমার ছিল না। তুমি যা হারিয়েছো, তাও তোমার ছিল না। তুমি যা পেয়েছো, তাও তোমার ছিল না। তুমি যেসব অমৃৎবাণী দিয়েছ, তা কখনো মেনে চলার চেষ্টা করনি। আসলে সবই তোমার দানপ্রাপ্ত! দেশের মানুষই তোমাকে এসব দান করেছে। তুমি একটা খড়ের কাঠামো মাত্র। তার উপরে মাটি, রং দিয়ে তোমাকে সুন্দর করে গড়ে তুলেছে তোমার দেশের মানুষ। তোমার ভাবমূর্তির উপর গর্জন তেল মেরে তাকে চকচকে করে তুলেছে মানুষই। তোমার ব্যর্থতার উপরেই আবার গড়ে তোল নিজের সাফল্য, ওঠো, জাগো।’
চমকে উঠলেন হবু রাজা। এসব কী ভাবছেন তিনি? এটা কি তিনি, নাকি তাঁর ভিতরের বিবেকবাণী? একটু হেসে তিনি আবার আয়নার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘বিবেকবোধ সব সময় দুষ্টুই হয়। ভুলভাল ভাবনা মনের মধ্যে নিয়ে আসে। সাদাকালোর দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। বুঝতেই পারি না, কোন আমিটা ভালো, আর কোন আমিটা মন্দ!’
ওদিকে ততক্ষণে মোবাইল বেজে উঠেছে। দেখলেন গবু মন্ত্রীর ফোন। ফোনটা ধরতেই গবু বললেন, ‘মহারাজ, একটু দেখা করতে চাই। জরুরি ব্যাপার।’
হবু বললেন, ‘তোমার জরুরি সেন্স সম্পর্কে আমার ভালোই আইডিয়া আছে। কোনটা যে প্রকৃত জরুরি, তা এখনও ভালো করে বুঝতে পারলে না। ঠিক আছে, পাঁচ মিনিটের মধ্যে চলে এসো। তারপরে আমি যোগাসনে বসব।’
ফোনটা রেখে ‘হবুকোট’ গায়ে চড়াতে চড়াতে রাজা গুনগুন করে গান ধরলেন, ‘সীমান্তে ওই অ-চিন পাখি ক্যামনে ঢুকে যায়, দ্যাশের মানুষ তাই নিয়ে গো আমার মাথা খায়, ক্যামনে ঢুকে যায়...!’
আয়নার দিকে তাকিয়ে হবু রাজা ধমক দিলেন, ‘যা পালা, একদম আমাদের সীমানা পেরিয়ে ঢুকবি না, খুব মার মারব। খুব বেড়ে গেছিস না! তোদের জন্য আমাকে কথা শুনতে হচ্ছে, জানিস।’ তারপরেই আবার গেয়ে উঠলেন, ‘ওরে হাল্লা রাজার সেনা, তোরা যুদ্ধ করে করবি কি তা বল?’
কিছুক্ষণ পরেই গবু হাজির। খুব খুশি খুশি দেখাচ্ছিল তাঁকে। রক্ষীদের দ্বারা শরীর পরিশোধনের পর পিপিই পরে এলেন হবুর কাছে। প্রণাম করতে যেতেই হবু হাঁই হাঁই করে উঠলেন। ‘একদম কাছে এগবে না। আর ঘটা করে প্রণাম করার আছেটা কী? যা বলতে এসেছ, তা বলে তাড়াতাড়ি বিদায় নাও।’
গবু দূর থেকে প্রণত হয়ে হবুর পায়ের কাছে একটি পদ্ম নিবেদন করে বললেন, ‘আজ্ঞে, গুরুপূর্ণিমা। তাই প্রণাম নিবেদন করতে এলাম মহারাজ। আপনিই তো আমার গুরু।’
হবু বললেন, ‘এইটা তোমার জরুরি ব্যাপার? আমি তখনই জানতাম...।’ হাত তুলে হবু রাজাকে থামিয়ে একটু দূরত্ব রেখে গবু বসলেন। তারপর বললেন, ‘দু’টি ব্যাপার মহারাজ। একটি ভালো, অপরটি মন্দ। কোনটি আগে বলব?’
হবু বললেন, ‘আগে আনন্দের সংবাদটাই বল। মনটা আগে একটু ভালো হয়ে যাক।’
গবু বললেন, ‘আমরা বিশ্ব মহামারী চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ কাপ জয় নিশ্চিত করেছি মহারাজ। তৃতীয় স্থান দখল করে এখন এগিয়ে চলেছি।’
হবু ঠোঁট উল্টে বললেন, ‘এটা তোমার একটা জরুরি খবর হল? তুমি জানো না আমার কী টার্গেট?’ তারপর টেবিলের উপর জোরে জোরে চাপড় মেরে হবু বললেন, ‘আই উইল গো টু দি টপ, দি টপ, দি টপ। ওই বিশ্ব মহামারী চ্যাম্পিয়নশিপে সোনার কাপ জিতবে আমার দেশ। আমি ব্যক্তিগত প্রাইজ হিসাবে পাব গোল্ডেন ভাইরাস মেডেল।’
গবু হাততালি দিয়ে বললেন, ‘সাধু, সাধু, এই স্পিরিটটাই আপনার কাছ থেকে শেখার মতো। আপনি ভবিষ্যতের অনেক কিছু দেখতে পান। আমি জানি, আপনি সব বিভাগেই এই দেশকে এক নম্বরে নিয়ে যাবেন।’
হবু বললেন, ‘এবার মন্দ খবরটি বল।’
গবু বললেন, ‘মহারাজ, সীমান্ত শত্রুরা বড্ড বেশি ঘোঁট পাকাচ্ছে। সীমান্তের দেশগুলো হাত মিলিয়ে আমাদের ক্ষতি করতে চাইছে।’
হবু ঠোঁট উল্টে বললেন, ‘ওরা আমাদের কিছুই করতে পারবে না।’
গবু বললেন, ‘সীমান্তের খবর হল, ওরা রোজ একটু একটু করে ঢুকে পড়ছে। কয়েকটা দেশ নদীর জল বন্ধ করে দিচ্ছে শুনছি।’
হবু বললেন, ‘ওসব ছাড়ো, আমি আন্তর্জাতিক ব্যাপারটা ম্যানেজ করে নেব। সীমান্তের থেকে এখন আমার কাছে বড় যুদ্ধ অঙ্গরাজ্য জয়। যেসব অঙ্গরাজ্যে আমাদের অধিকার কায়েম হয়নি, সেখানে আমাদের বিজয় পতাকা ওড়াতেই হবে। সেটাই বেশি গুরুত্ব দিয়ে ভাবো। সীমান্তে আমি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে পারি। সেটা অনেক সহজ। কিন্তু আমার কাছে এখন বড় পরীক্ষা অভ্যন্তরীণ পলিটিক্যাল স্ট্রাইক। তার জন্য স্ট্র্যাটেজি ঠিক করতে হবে। আসন্ন এই অপারেশনের নাম দিয়েছি, অপারেশন হাইজ্যাক।’
গবু বললেন, ‘অসাধারণ। আপনার প্রতিটি কর্মের পিছনেই থাকে একটি করে মহৎ উদ্দেশ্য। আপনার এমন ভূয়োদর্শন দেখে অবাক হয়ে যাই। আপনার ইনটিউশনের জোরেই আপনি নিজেই আজ একটা ইনস্টিটিউশন।’
হবু বললেন, ‘কর্মণ্যেবাধিকারস্তে সতত ফলেষু আশান্বিতম্‌! এই মহৎ বাণীকে সামনে রেখেই আমার সম্মুখপানে অগ্রগতি।’
গবু বললেন, ‘মহারাজ এই শ্লোক কার লেখা? গীতায় শ্রীকৃষ্ণের শ্লোকটা তো অন্যরকম।’
হবু বললেন, ‘ঠিক ধরেছো গবু। ওখানে বলা আ঩ছে, মা ফলেষু কদাচন। অর্থাৎ কাজ কর, ফলের আশা কোরো না। ওই শ্লোক অচল। তাই আমি নিজে এই শ্লোক তৈরি করেছি। কেন ফলের আশা করব না? ছাত্র পড়াশোনা করে ভালো ফলের আশায়, ডাক্তার রোগীর চিকিৎসা করেন, তাকে সারিয়ে তোলার আশায়, মানুষ কাজ করে বেতনের আশায়, রাজনীতিকরা দেশসেবা করেন ক্ষমতার আশায়। এমনকী মা-ও সন্তানকে দুগ্ধপান করিয়ে বড় করে তোলে, যাতে সে বড় হয়ে তাদের দেখে, সেই আশায়। আশায় বাঁচে চাষা। যদিও জানি, আশা হল কুহকিনী, কিন্তু আশা ছাড়া জীবন সর্বনাশা। তাহলে কেন আমি ফলের আশা করব না? এই যে আমি দেশশাসন করছি, জনসেবা করছি, সেটা তো পরের নির্বাচনে ফের জিতে ক্ষমতায় আসার জন্যই। এই যে তুমি আমাকে এত তৈলমর্দন কর, সেও তো যাতে তোমার মন্ত্রিপদটা থাকে, সেই আশায়। নাহলে দেশসেবা কিংবা জনসেবার অত নির্মোহ বাতিক রাজনীতিকদের থাকে না। এটা দেশের মানুষ বোঝে না।’
গবু বললেন, ‘আপনার রাজনৈতিক দর্শন দেখে আমি হতবাক মহারাজ। শ্রীকৃষ্ণ যেটা বুঝতে পারেননি, সেটা আপনি বুঝেছেন। একমাত্র আপনিই এই শ্লোক রচনা করতে পারেন। কারণ আপনি নিজেই একজন অবতার। গরুড় পুরাণ থেকে আমরা জানতে পারি, ভগবান বিষ্ণুর দশ অবতার ছিল। রাম, কুর্ম, বামন, বরাহ, কল্কি ইত্যাদি। আপনি হলে কলিযুগের একাদশতম অবতার। এতদিন বিষ্ণুর টিমে প্লেয়ার কম ছিল। এবার এই এগারোজনকে নিয়ে বিষ্ণুদেব ফুটবল বা ক্রিকেট টিম গড়তে পারে। খুব স্ট্রং টিম হবে। ত্রিলোক কাঁপিয়ে দেবে এই টিম।’
হবু বললেন, ‘আগে মর্ত্যলোক কাঁপাই। এখানে অনেক কাজ জমে আছে। তোমার প্রশংসার ভাবসাগরে ভাসার আগে এখন ভাবমূর্তি সাফাই করতে হবে। তুমি এখন যাও। আমার কাজ আছে।’
গবু বললেন, ‘যাই মহারাজ। গুরুপূর্ণিমায় আপনার একটু বন্দনা করে যাই। যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি দেশাঃ/অভ্যুত্থানম দুরাত্মাস্য, অধর্ম সৃজম্যহম / পরিত্রাণায় অনুগামী, বিনাশায় চ বিপক্ষম / মূর্তিসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে।’
ছবি: সুব্রত মাজী
08th  July, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
 গ্রাম বাংলায় বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের কাজে সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত ২৫ হাজার গ্রামীণ সম্পদ কর্মী বা ভিলেজ রিসোর্স পার্সন (ভিআরপি) ফের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ...

  দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিত্যদিনের মতো সাংবাদিক সম্মেলন করছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঠিক তখনই হোয়াইট হাউসের বাইরে পরপর গুলির আওয়াজ। মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে ...

 হাসপাতাল চত্বরে চলাচলের রাস্তার ধারেই করোনা পরীক্ষার যাবতীয় বর্জ্য সহ পিপিই কিট পড়ে থাকতে দেখা গেল। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার চাঞ্চল্য ছড়াল দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM