Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত  ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি  দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই  পরিস্থিতি? কেন কীভাবে তা তৈরি হল? চীন কেন পূর্ব লাদাখের গলোওয়ান নিয়ে আগ্রাসী হয়ে উঠল? এখনো পর্যন্ত ভারতের ৪৩ হাজার ১৮০ বর্গমাইল এলাকা দখল করে রেখেছে।  ভারত তো চীনের কাছে সেই বিপুল অধিকৃত এলাকা ফেরত চায়নি। তাহলে গলওয়ান নিয়ে  যুদ্ধ বাঁধার উপক্রম কেন? দুই দেশের সম্পর্কই বা কেন জটিল আবর্তে? কেন চীন এমনটা ভাবছে?
সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করা হয় অন্য দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ লুণ্ঠন এবং অর্থনৈতিক বাজার দখলের উদ্দেশ্যে। তাই সীমান্ত বিতর্কটা  চীনের  অছিলা মাত্র। প্রতিবারই দু’পক্ষের আলোচনার শুরুতেই  ভারতের প্রতিশ্রুতি আদায়ের পর  চীন সৈন্য সরিয়ে নিয়ে গেছে। এবারও সেটা তারা করল গলওয়ান থেকে। কারণ, লড়াইয়ের আসল উদ্দেশ্য লাদাখের রুক্ষ জমি নয়,  দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের দেশগুলোর বাজার দখল করা। সেই জন্যেই প্রয়োজন মার্কিন আধিপত্য  প্রতিরোধ করে চীনের প্রতিপত্তি প্রতিষ্ঠা করা। তার জন্য  চীন চায় ভারতকে  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের থেকে দূরে রাখতে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্কে ভারত  গত দু’দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের  অনেক  স্বাভাবিক বন্ধু হয়ে উঠেছে। চীন এটা মেনে নিতে পারে না। তারা ভারতকে বাণিজ্যিক বোঝাপড়ায় পাশে পেতে চায়। সেটা সম্ভব না-হলে  সীমান্তের  বিতর্কিত ইস্যুগুলি তুলে চীন চায় ভারতের উপর চাপ দিতে। বার্তাটা এই রকম: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আঁকড়ে থাকলে সুবিধার কিছু নেই। বরং  চীনের কথা শোনো, নইলে চীন ছেড়ে দেবে না!
সমস্যার গোড়া
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বহুদিন আগে থেকেই দক্ষিণ এশিয় অঞ্চলে  চীনকে টক্কর দিতে ভারতকে সঙ্গী করেছে। এতদঞ্চলের বাজার ধরতে আফগানিস্তান থেকে মায়নামার পর্যন্ত একটি রাস্তা তৈরি করার পরিকল্পনা করে এক দশক আগে।  পাল্টা শক্তি হিসেবে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে চীন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবার জন্যই পাকিস্তান, রাশিয়া, ইরানকে সঙ্গী করে  সাংহাই থেকে তেহরান পর্যন্ত রাস্তা ও অর্থনৈতিক করিডর  তৈরির কর্মসূচি গ্রহণ করে। আজকের গলওয়ান এই দুই শক্তির বাণিজ্য যুদ্ধের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জিও স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্ট। এই স্থানে, প্যানগং হ্রদ এলাকাসহ  পূর্ব লাদাখ অঞ্চলে নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ কায়েম করার সঙ্গে জড়িয়ে আছে চীনের দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক এবং সামরিক প্রভুত্ব স্থাপনের গভীর অভিসন্ধি। কেবলমাত্র সীমান্তে জমি দখল করতে  ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করতে চীন আগ্রাসী হয়নি।
ভারত পূর্ব লাদাখে  হেলিপ্যাড ও রাস্তা  বানানোর পর থেকেই তাই চীনের গাত্রদাহ শুরু। ওই হেলিপ্যাড থেকে আকাশপথে মাত্র ১০ মিনিটের দূরত্বে কারাকোরাম। আর আকসাই চীন থেকে জিনজিয়াং প্রদেশের মধ্যে যে রাস্তা সাংহাই থেকে পণ্য পৌঁছে দেবে পাকিস্তানে এবং ইরান হয়ে মধ্য প্রাচ্যে, তা ভারতের হেলিপ্যাডে থাকা সীমান্ত প্রহরীর নাকের ডগায় এসে যাচ্ছে। সেই কারণেই ২০১৩ সালে পূর্ব লাদাখে ৬৫০ বর্গ মাইল জায়গা দখল করেছে, এখন গলওয়ান থেকেও  ভারতকে সরাতে চায় চীন। চীনের আশঙ্কা, কোনওদিন ভারতের সঙ্গে সামরিক সংঘর্ষ হলে, ভারতের দ্বারা গলওয়ান থেকে হানা শুরু হলে,  সাংহাই থেকে ইরান পর্যন্ত বাণিজ্য সরণি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। তখন চীনা সৈন্য, রসদ বা বাণিজ্য পরিবহণ কোনওটাই জিংজিয়াং থেকে কারাকোরাম হয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বুক চিরে পৌঁছতে পারবে না পাকিস্তানের বন্দর শহরে এবং ইরান হয়ে ইউরোপে। রাশিয়া নিজেও চায় না ভারত-মাকিন  সখ্যে রাশিয়ার গুরুত্ব কমে যায়। তাই তারা চায় ভারতের পাশে থেকেও  চীনের সঙ্গে থাকতে। প্রকাশ্যে কোনও স্পষ্ট অবস্থান রাশিয়া জানাবে না। সেই আশ্বাস আছে বলেই গলওয়ান ও গোটা প্যানগং এলাকা অধিকার করার জন্য চীন এতটাই আগ্রাসী।
বর্তমান পরিস্থিতি
কোভিড পরবর্তী বিশ্বে মার্কিন-চীন সম্পর্কটা, বাণিজ্যিক দ্বন্দ্ব ছাড়িয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিদ্বেষের চেহারা নেওয়ার ইঙ্গিত রাখছে। জবাব দিতে চীনও  উদগ্রীব হয়ে উঠেছে। মার্কিন আধিপত্য ধ্বংস করে চীন মহাশক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় এশিয়া ভূখণ্ডে। শুধু গলওয়ান নয়, চীন তাই একইসঙ্গে আগ্রাসী সাউথ চায়না সমুদ্র অঞ্চলে। তাতে  প্রয়োজনে ফিলিপিন্স-ভিয়েতনাম-জাপানের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে চীনের আপত্তি নেই। সেখানেও আসল উদ্দেশ্য মার্কিন প্রভাব খর্ব করা। এদিকে অস্ট্রেলিয়া-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়াকে এক অক্ষে নিয়ে চলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ভারত মহাসাগরে এই অক্ষের প্রভাব বৃদ্ধি মেনে নিতে পারছে না চীন। অন্যদিকে, চীনকে চাপে রাখতে মিত্রশক্তি ব্রিটেনকে সামনে রেখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপকে চীন বিরোধী শিবিরে টেনে আনতে চায়। তাইওয়ান ও হংকং নিয়ে তাই চীনের বিরুদ্ধে খুঁচিয়ে তোলার চেষ্টা  হচ্ছে পুরনো ঘা।
মার্কিন এই গেম প্ল্যানে যাতে কোনওভাবেই ভারত, চীন-বিরোধী অবস্থান নিয়ে মার্কিন শিবির ভুক্ত না-হয় তার জন্যেই  চীনের মনে হচ্ছে, ‘দু’দেশের সম্পর্কটা খুব কঠিন জটিলতার মধ্যে দিয়ে চলেছে!’
ভারতের পরিস্থিতি
এই পরিস্থিতিতে  মার্কিন অক্ষ থেকে ভারতকে দূরে রাখতে চীনকে চাপ সৃষ্টি করতে হচ্ছে পুরনো  সীমান্ত বিতর্কগুলি খুঁচিয়ে তুলে। ভারতকেও ভাবতে হচ্ছে অন্য কারণে। চীন অতি মাত্রায় বৃহৎ একটি অর্থনৈতিক শক্তি। সামরিক দিক থেকে চীনের সঙ্গে ছোটখাটো যুদ্ধ, মানে দু’-চারদিন চোখে চোখ রেখে বুঝিয়ে দেওয়া যেতেই পারে যে ‘হাম কিসিসে কম নেহি’! কিন্তু, লম্বা যুদ্ধের রসদ ভারতের নেই। অন্যদিকে,  বিশ্ব অর্থনীতিতে আড়াই ট্রিলিয়ন রপ্তানির বাজার চীনের দখলে। গোলাগুলি ছুঁড়তে হবে না, চীন শুধু রপ্তানি বন্ধ করে দিলেই ভারতসহ বহু বিরোধী দেশ শুকিয়ে যাবে। বিকল্প কি নেই? আছে। কিন্তু, সে বিকল্প আর্থিক দিক থেকে প্রচুর ক্ষতির মুখে ঠেলে দেবে আমাদের। এই মুহূর্তে ভারতের চাইতে প্রায় সাড়ে চার গুণের বেশি জিডিপি চীনের। মাথাপিছু হিসেবে সেটা আড়াইগুণের কাছাকাছি। এসব পরিসংখ্যানের বাইরে যেটা বাস্তব সমস্যা সেটা হল, কাঁচামালের অভাব। চীন কাঁচামাল না পাঠালে দেশের ওষুধ,  সার এবং রাসায়নিক শিল্প প্রায় মুখ থুবড়ে পড়বে। বড় বড় নির্মাণকার্য থমকে যাবে তাদের প্রযুক্তি এবং সস্তার শ্রমিক না পেলে। অনেক ক্ষেত্রেই প্রবল একটা সঙ্কট আসবে। চীনের বিকল্প তাই রাতারাতি তৈরি করা সম্ভব নয়। এটা চীন বেশ ভালো জানে। তাই ভারতের বিরুদ্ধে তাদের এত রোয়াবি।
চীনের সঙ্গে মোকাবিলা করতে চীনের কাছ থেকে পণ্য বা কাঁচামাল কেনা বন্ধ করা দরকার, শিল্পে আত্মনির্ভর হয়ে ওঠা দরকার। নরেন্দ্র মোদি সেটা বুঝেছেন বলেই ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সীমান্তে যুদ্ধ করার চাইতে সত্যিই এখন অনেক বেশি প্রয়োজন শিল্প ও বাণিজ্যে আত্মনির্ভরশীলতা। 
অন্যদিকে, চীন এটাও জানে যে ভারত এক বিশাল বাজার। সীমান্ত সমস্যা নিয়ে সেটা যুদ্ধ পর্যন্ত গড়ালে ভারতের বাজার হাতছাড়া হবে চীনের। সেটা চায় না বলেই আলোচনার টেবিলে তারা বসছে, আবার জারি রাখছে প্রচ্ছন্ন অসন্তোষ আর হুমকি। দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে মার্কিন-বন্ধু হিসেবে তারা ভারতকে দেখতে চায় না। সেটা হলে বৈরিতা অনিবার্য! কোনও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক  চাপেই চীন পিছপা হবে না। সেটা তারা বুঝিয়ে দিয়েছে।
মার্কিন ও চীন উভয়কে নিয়েই ভারতকে চলতে হবে। ভারতের কাছে এটাই বর্তমান পরিস্থিতির দাবি। এখনকার দুনিয়ায় ভারতকে থাকতেই হবে অর্থনৈতিক প্রভুত্বের লড়াইয়ে। ভারত যদি চীনকে সেই লড়াইয়ে ‘বুঝ’ করে দিতে পারে (অর্থাৎ পড়তায় পুষিয়ে দিতে পারে), তাহলে আবার হিন্দি-চিনি ভাই ভাই হয়ে যাবে। দু’পক্ষই সেটাই চাইছে পারস্পরিক সম্মান বজায় রেখেই। নরমে-গরমে। হিসেবটা না মিললে ফের যুদ্ধ পরিস্থিতি অনিবার্য হয়ে পড়বে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে  সামরিক প্রভাব ও বাজার  দখলের লক্ষ্যে।

 লেখক অর্থনীতির বিশ্লেষক। মতামত ব্যক্তিগত
08th  July, 2020
তথ্য সুরক্ষা বিল এবং
শাসকের ‘দূরের লক্ষ্য’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এ দেশের ক্ষেত্রে যদি নজরদারি চালানোটা আইনসিদ্ধ হয়ে যায়, তাহলে তো আর আড়াল-আবডালের প্রয়োজনই থাকবে না। সেটাই চাইছে কেন্দ্র। আইনি সিলমোহর। সরকার বিরোধী মতামত দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়বে সরকারের ভাড়া করা সৈন্যরা। টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাবে গারদের ওপারে।​​​​​
বিশদ

প্রভাবশালী ধনীরা
জবাবদিহির ঊর্ধ্বে
পি চিদম্বরম

ধনীরা প্রভাবশালী হয় এবং প্রভাবশালীরা ধনী হয়। একবার প্রভাবশালী এবং ধনী হয়ে গেলে, স্পষ্টতই তারা জবাবদিহির ঊর্ধ্বে চলে যাবে। এটাই হয়েছে আজেকর বিপদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর জন শেরম্যান (প্রথম অ্যান্টিট্রাস্ট অ্যাক্ট, ১৮৯০—সাধারণভাবে যেটিকে শেরম্যান আইন হিসাবে উল্লেখ করা হয়) বিশদ

29th  November, 2021
কংগ্রেসের বিকল্প তৃণমূল
হলে আপত্তি কোথায়?
হিমাংশু সিংহ

গোটা দেশে ঝিমিয়ে পড়া বিরোধীদের শুকনো গাঙে তিনি তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বিপ্লবের নয়া কেতন উড়িয়ে দিয়েছেন। ত্রিপুরা থেকে গোয়া। জাতীয় রাজনীতির মঞ্চেও মমতাই আজ মোদির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য প্রতিপক্ষ।
বিশদ

28th  November, 2021
পুরভোটের সন্ত্রাসে বিপদ
বাড়ল ত্রিপুরা বিজেপির
তন্ময় মল্লিক

ত্রিপুরায় তৃণমূলকে শূন্য প্রমাণের জন্য পুরভোটে লাগামছাড়া সন্ত্রাস করে বিজেপি নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মারল। ২০২৩ সালে আর ইউনিট টেস্ট নয়, বিপ্লব দেবকে বসতে হবে বোর্ডের পরীক্ষায়। পরীক্ষকের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

27th  November, 2021
কৃষকরা সকলের জন্যই
দিলেন জীবনের শিক্ষা
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদির বিরোধীদের কাছে একটাই সুসংবাদ যে, তিনি ইতিহাস চর্চা করেন না। যদি করতেন, তাহলে বহু পদক্ষেপ নেওয়ার আগে একবার ভারতের ইতিহাসের দিকে চোখ রাখতেন। খুব বেশি পরিশ্রমও করতে হতো না। কারণ তাঁর হাতের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে। তাঁর নিজের রাজ্যে।
বিশদ

26th  November, 2021
মোদির পিছু হটা কীসের ইঙ্গিত!
মৃণালকান্তি দাস

কে না জানে, একটি শাসকদল পিছু হটে তখনই, যখন সে বুঝতে পারে তার পায়ের তলার মাটি সরছে। পায়ের তলার মাটি একবার সরতে শুরু করলে কী হয় তা বাংলার মানুষ জানেন। সিঙ্গুরেও পিছু হটে নজির গড়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। বুদ্ধবাবু ডুবেছিলেন, সিঙ্গুরের মানুষের মতামত না নিয়েই জোরজবরদস্তি জমি অধিগ্রহণ করে। মোদির ক্ষেত্রেও তাই। দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা ছাড়া কৃষিতে সংস্কারমূলক তিনটি আইন আনতে গিয়ে তিনিও ডুবেছেন।
বিশদ

25th  November, 2021
দুঃসময়ের রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী

একতারা হাতে এক বাউল এলেন। কোনও অনুরোধ ছাড়াই একটি প্রচলিত গান গেয়ে হাত পাতলেন। কিছু দেব কি দেব না ইতস্তত করছি। লোকটি আমার মন পড়ে নিলেন নিশ্চয়। কিছু দাবি করার পরিবর্তে প্রশ্ন রাখলেন, ‘বাবু, দুঃসময় কাকে বলে?’ বিশদ

24th  November, 2021
জনতার দাবি মানুন,
প্রায়শ্চিত্ত করুন
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তিনি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের নামে কুৎসা করেছেন... তাও তিনি রাষ্ট্রদ্রোহী নন। কারণ, তিনি ভারতের ‘অধিনায়ক’। ভোট প্রচারে রাজ্যে রাজ্যে গিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ করেছেন, শালীনতার সীমা ছাড়িয়েছেন। তাও তিনি বীর দাস নন। তিনি প্রধানমন্ত্রী। ভোট আসছে... পাঁচ রাজ্যের। মোদিতন্ত্রের রাজদণ্ড এখন কথা বলছে গণতন্ত্রের। ক্ষমা চাইছে দেশবাসীর কাছে।
বিশদ

23rd  November, 2021
আমার হিন্দুধর্ম নিয়ে খুশি
পি চিদম্বরম

হিন্দুধর্মে একটি চার্চ, একটি পোপ, একজন প্রফেট বা নবী, একটি পবিত্র গ্রন্থ বা একটিমাত্র পালনীয় আচার নেই। প্রত্যেকটিই আছে অনেকগুলি করে। একজন হিন্দুর এই বহুর মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নেওয়ার অথবা সবগুলিকেই প্রত্যাখ্যান করার স্বাধীনতা আছে। কিছু পণ্ডিত যুক্তি দিয়েছেন যে হিন্দু হয়েও একজন আস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী অথবা নাস্তিক হতে পারেন!
বিশদ

22nd  November, 2021
নির্মম ইতিহাসের
সামনে ৫৬ ইঞ্চি ছাতি
হিমাংশু সিংহ

প্রধানমন্ত্রীর এই পিছু হটা যে কৃষকদের প্রতি সমবেদনা থেকে নয়, সম্পূর্ণ ভোট পাটিগণিতের প্রয়োজনে তা আজ সূর্যের আলোর মতোই পরিষ্কার। এখানেই তিনি সম্পূর্ণ ‘এক্সপোজড’। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসেও অন্নদাতা কৃষকরা আজ ভরসা রাখতে পারছেন না। এটা মোটেই সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতার পক্ষে ভালো বিজ্ঞাপন নয়। বিশদ

21st  November, 2021
দুয়ারে রেশন: দীর্ঘ
দুর্ভোগের অবসান
তন্ময় মল্লিক

রেশন তোলার দিন হলেই অযোধ্যা পাহাড়ের বাঁধঘুট গ্রামের ববিতা মুর্মু, লক্ষ্মীমণি মুর্মুদের গায়ে জ্বর আসে। সাতসকালে উঠে একমুঠো পান্তা নাকেমুখে গুঁজেই বেরিয়ে পড়া। তাড়াতাড়ি পা চালায়। পাহাড়ি পথ ভেঙে যেতে হবে সেই পাথরডিহি। পাক্কা ১১কিলোমিটার। বিশদ

20th  November, 2021
নেহরুকে অপমান ও
এক প্রচারসর্বস্ব সরকার
সমৃদ্ধ দত্ত

তিনি কোনও কৃতিত্বই অন্য কেউ নিয়ে নিক, এটা পছন্দ করেন না। তাই লক্ষ্য করা যায়, সরকারের যে কোনও বৃহৎ প্রকল্প কিংবা সাফল্যের ঘোষণা সর্বদাই প্রধানমন্ত্রী মোদি করে থাকেন টিভিতে এসে অথবা কোনও মঞ্চে। অন্য কোনও মন্ত্রীকে কোনও বড়সড় ঘোষণাই করতে দেখি না। আর সমালোচকদের তিনি কখনও গুরুত্ব দেন না। মনে করেন শত্রু।
বিশদ

19th  November, 2021
একনজরে
বিজেপি ছাড়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সোমবার তৃণমূলের এক অনুষ্ঠান মঞ্চে অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতি সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিল। ...

আরও কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে সংবাদ মাধ্যমের প্রবেশাধিকার। করোনা সংক্রমণের পর থেকে লোকসভা ও রাজ্যসভায় সংসদীয় কাজকর্ম কভার করার জন্য প্রেস গ্যালারিতে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল। এবার করোনার প্রকোপ স্তিমিত হয়ে যাচ্ছে এবং ক্রমেই সব স্বাভাবিক হওয়ার উপর কেন্দ্র যখন জোর ...

দক্ষিণ আফ্রিকা, বৎসোয়ানায় হদিশ মেলার পরেই গত সপ্তাহে ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। সোমবার করোনা ভাইরাসের নয়া রূপকে ‘অত্যন্ত ঝুঁকিপ্রবণ’ আখ্যা ...

রাজ্যের শস্যভাণ্ডার পূর্ব বর্ধমান জেলায় কৃষি যন্ত্রপাতি কেনা নিয়ে বড়সড় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। খোদ জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ জেলা কৃষিদপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গৃহসুখে মনে আনন্দ। শত্রুকে দুর্বল না ভেবে সতর্ক থাকুন। কর্মে বাধার মধ্যেই অগ্রগতির যোগ। অর্থকড়ি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫৯: নিজ মন্ত্রীর হাতেই নিহত হন মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর
১৮৫৮: বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর জন্ম
১৮৬৬: জলের নিচে শিকাগোতে প্রথম হাইওয়ে টানেল তৈরির কাজ শুরু হয়
১৮৭৪ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন  চার্চিলের জন্ম
১৯০৩ - কবি রাধারানী দেবীর জন্ম
১৯০৮: কবি বুদ্ধদেব বসুর জন্ম
১৯০৯: ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তের মৃত্যু
১৯১৭: জগদীশচন্দ্র বসুর ৬০তম জন্মদিবসে কলকাতায়  বসু বিজ্ঞান মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন
১৯৩৩: নারীশিক্ষার পথপ্রদর্শক শিক্ষাবিদ মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৮৪: অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দুবালা দেবীর মৃত্যু
১৯৮৪: বিশিষ্ট তবলা শিল্পী রাধাকান্ত নন্দীর মৃত্যু
২০১২ - প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৯ টাকা ৭৫.৮১ টাকা
পাউন্ড ৯৮.২৪ টাকা ১০১.৬৬ টাকা
ইউরো ৮৩.০২ টাকা ৮৬.০৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৮০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১। একাদশী ৫০/২৭ রাত্রি ২/১৪। হস্তা নক্ষত্র ৩৬/১৭ রাত্রি ৮/৩৪। সূর্যোদয় ৬/৩/১১, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে। পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১। একাদশী  রাত্রি ৯/৫৩। হস্তা নক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
২৪ রবিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইসিএসই: পরীক্ষার প্রথম দিনেই সার্ভার বিভ্রাট
প্রশ্নপত্রে বিরাট জুজু না থাকলেও মসৃণভাবে শুরু হল না আইসিএসই ...বিশদ

09:05:38 AM

সপ্তমবার ব্যালন ডি’ওর খেতাব জয় মেসির
সপ্তমবার ব্যালন ডি’ওর খেতাব জিতলেন লায়োনেল মেসি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ...বিশদ

09:05:08 AM

ছেলের অত্যাচারে আড়াই কোটির সম্পত্তি সরকারকে
ছেলের অত্যাচারে নাজেহাল হয়ে রাজ্য সরকারকে প্রায় আড়াই কোটি টাকার ...বিশদ

08:42:43 AM

টুইটারের নয়া সিইও পরাগ আগরওয়াল 
 ইস্তফা দিলেন টুইটারের সিইও জ্যাক ডরসে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন ভারতীয় ...বিশদ

08:38:14 AM

পার্কিং ফি দ্বিগুণ হচ্ছে শহরে
শহরের রাস্তায় পার্কিং ফি দ্বিগুণ হচ্ছে। প্রায় ১০ বছর পর ...বিশদ

08:29:12 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৭৫৯: নিজ মন্ত্রীর হাতেই নিহত হন মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর ১৮৫৮: ...বিশদ

08:14:28 AM