Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়। দু’দেশের সরকার যদি সীমান্ত সমস্যার সমাধান না করে, তাহলে ভবিষ্যতে ফের এমন ঘটনা ঘটবে। কাজেই দু’দেশের সেনাবাহিনীকে ম্যাকমোহন লাইন থেকে ২০ কিমি দূরে সরে যেতে হবে। আর অদূর ভবিষ্যতে আমাদের দু’জনকে বসে সীমান্ত নিয়ে একটা সমঝোতায় আসতে হবে।
এর ঠিক ন’বছর আগের কথা। লোকসভায় দাঁড়িয়ে নেহরু বলেছিলেন, আমাদের ম্যাপ দেখায় যে, ম্যাকমোহন লাইন আমাদের দেশের সীমান্ত। মানচিত্র থাকুক বা না থাকুক, এই সত্যিটা কখনও বদলাবে না... ওই সীমান্ত পেরিয়ে কাউকে আমরা প্রবেশ করতে দেব না। ১৯৫০ সাল... ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ওই বছর আমাদের সংবিধান কার্যকর হয়েছিল। বছরটা চীনের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ... রাশিয়ার সঙ্গে দূরত্ব। আন্তর্জাতিক মহলে একঘরে হয়ে যাওয়া। ওটাই ছিল ভারতের জমি শক্ত করার সঠিক সময়। ওই বছর দুয়েকের মধ্যে অনেক কিছুই কিন্তু করেছিলেন নেহরু... ১৯৪৯ সালের আগস্ট মাসে ভুটানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি, আর ১৯৫০ সালের ডিসেম্বর মাসে সিকিমের সঙ্গে। চীনের বিষয়ে তিনি ভাবেননি তা কিন্তু নয়! চীন সীমান্তের যাবতীয় গোপন খবর খুঁড়ে বের করে আনার দায়িত্ব দিয়েছিলেন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোকে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল হিম্মতসিংজির নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠনও করেছিলেন। যার কাজ ছিল চীন সীমান্তকে মজবুত করার লক্ষ্যে যাবতীয় পরামর্শ দেওয়া। কিন্তু এর বেশি নয়। সেনাপ্রধান কারিয়াপ্পাকে ডেকে নেহরু প্রশ্ন করেছিলেন, তিব্বতে চীনের দখলদারি রুখতে ভারতের কি সেনা পাঠানো উচিত? সায় দেননি সেনাপ্রধান। সামরিক দিক থেকে চীন তখনও কিন্তু ভারতের কাছে বড় হুমকি ছিল না। অর্থাৎ পাঁচের দশকে। আর ১৯৬০ সালে এসে পরিস্থিতি ঘুরে গিয়েছিল ৩৬০ ডিগ্রি। সামরিক চীন তখন বহু বড় বড় দেশের কাছেই থ্রেট। বদলায়নি শুধু শিকড়টা... ম্যাকমোহন লাইন। ব্রিটিশ কলমের খোঁচায়
তৈরি মানচিত্র কখনও মানেনি চীন। পিকিং থেকে বেজিং... কমিউনিস্ট শাসন আটকেছিল তাদেরই ‘ঐতিহ্যে’র ম্যাপে। যা বদলায়নি আজও। গলওয়ান তার জলজ্যান্ত উদাহরণ।
সীমান্ত আগ্রাসন। এটাই চীনের সাম্প্রতিক কাজকর্মের ট্যাগলাইন। গোটা বিশ্ব যা নিয়ে তোলপাড়। দক্ষিণ চীন সাগর, হংকং, তাইওয়ানের মতো ইস্যু নিয়ে সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় প্রচুর শব্দ খরচ হয়েছে। আর তার সবটাই ছাপিয়ে গিয়েছে গলওয়ানে লালফৌজ পা রাখায়। ভারত সেনা বাড়িয়েছে, মিরাজ-সুখোই চক্কর দিয়েছে আকাশসীমায়, লাগাতার হুমকি-পাল্টা হুঁশিয়ারির কূটনীতি জমে উঠেছে। আর অবশেষে গলওয়ানের বিতর্কিত উপত্যকা থেকে সেনা সরাচ্ছে চীন। কী বলা যায় একে? ভারতের নৈতিক জয়? সেনাবাহিনীর জয়? নাকি প্রধানমন্ত্রীর?
নজর করার মতো বিষয় হল, সীমান্ত-সংঘাতের এই গোটা সময়সীমায় চীনের নামটুকু একবারও উচ্চারণ করেননি নরেন্দ্র মোদি। ‘আমাদের জমিতে কেউ পা দিলে ছেড়ে কথা বলব না...’ জাতীয় কথা অনেক বলেছেন তিনি। কিন্তু সবটাই নাম উহ্য রেখে। দেশবাসী অপেক্ষা করেছে, জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে এসে প্রধানমন্ত্রী কিছু নিশ্চয়ই বলবেন। তা হয়নি। ‘সুস্থ থাকুন, সতর্ক থাকুন’-এর মধ্যেই তাঁর বক্তব্য সীমাবদ্ধ থেকেছে। কিন্তু তাঁর নাম নরেন্দ্র মোদি। চমক না দিলে কোথায় একটা খামতি থেকে যায়। আচমকা এমন কিছু বলবেন বা করবেন, যা দেশবাসীর মধ্যে হুলস্থূল ফেলে দেবে। ভাষণ শেষ হওয়া মাত্র তাঁরা ছুটবেন এটিএমে লাইন দিতে... আবার কখনও মুদির দোকানে মোমবাতি কিনতে। চীন নিয়ে এত কাণ্ড হচ্ছে, আর তিনি কোনও চমক দেবেন না? এ হতে পারে না। আর তাই আচমকা বাতিল হয়ে গেল প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের লাদাখ সফর। আর তারপর? স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লাদাখে। সেনা-জওয়ানদের মাঝে। আচমকা।
তিনি ভাষণ দিলেন। সেনাবাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন। এবং তারপরও চীনের নাম উচ্চারণ করলেন না। বিরোধীরা লাগাতার বলে এসেছে, লাদাখ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নীরব কেন? তারই জবাব দিলেন মোদি। একেবারে নিজস্ব স্টাইলে। ঝকঝকে নীল আকাশের নীচে চপার থেকে নামলেন তিনি। পাশে সেনাপ্রধান নারাভানে, আর চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত। প্রত্যেকটা মিডিয়ার পছন্দসই ফ্রেম। অমিতাভ বচ্চন এবং তারপর খান জমানাতেও বলিউডে একটা কথা বেশ প্রচলিত ছিল—অ্যাপিয়ারেন্স। হিরো যখন বড় পর্দায় অ্যাপিয়ার করবেন, সেই দৃশ্য। আর তা এমন চমকদার হবে যে, হলজোড়া দর্শক সিটি মারবে, পয়সা ছুঁড়বে। ছবির টিকিটের দাম উঠে যাবে ওতেই। নরেন্দ্র মোদি তেমনই অ্যাপিয়ারেন্সে বিশ্বাসী... ‘ফাটা পোস্টার নিকলা হিরো’ টাইপ। নজর ঘুরিয়ে দেবেন তিনি ‘দর্শকদের’। ইস্যু থেকে, সঙ্কট থেকে, ব্যর্থতা থেকে। করোনা পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি কি? এটাই এখন পর্যন্ত পরিষ্কার হয়নি। আচমকা লকডাউন ঘোষণার নেপথ্যে কারণ কী ছিল? সংক্রমণ আটকে দেওয়া। যা হয়নি। প্রথমে মোদিজি বললেন, যে যেখানে আছেন, সেখানেই থেকে যান। তারপর তিনিই স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করে লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজেদের রাজ্যে ফেরালেন। তাঁরাও ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেন। কারণ, যে রাজ্যে বসবাস করে এতদিন তাঁরা পেটের ভাত জোগাড় করেছিলেন, তা মিলছে না। এই দায়িত্ব কার? কেন্দ্রের নয়? উত্তর মিলল না। সব দায় চেপে গেল সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির ঘাড়ে। বিদেশ থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনলেন। সঙ্গে করোনা ভাইরাস। একেবারে ফ্রি... ফ্রি... ফ্রি...। এমন লকডাউনের তাহলে অর্থ কী? এটা কি ব্যর্থতা নয়?
বললেন, জনধন অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে যাবে। কত টাকা? ৫০০ টাকা। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম হুড়মুড়িয়ে বাড়ছে। নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষেরও হপ্তাখানেকের বাজার করতে ৫০০ টাকা খতম। আর মধ্যবিত্তরা? তাঁদের কারও চাকরি গিয়েছে, কারও বা বেতন কাটা যাচ্ছে। বাজার অর্থনীতি কিন্তু তাঁদের অ্যাকাউন্ট দেখে চলছে না! এই করদাতাদের জন্য মোদি কী করলেন? বলবেন প্যাকেজ। নির্মলা সীতারামন চারদিন ধরে ঋণনির্ভর একটি প্যাকেজ ঘোষণা করলেন। যাঁদের দু’বেলা খাবার জুটছে না, তাঁরা ঋণ নিলে ইএমআই দেবেন কী করে? তার কোনও দিশা নেই। মধ্যবিত্তরা অ্যাকাউন্টে কিন্তু কিছু পেলেন না! যা খুব অসম্ভব ছিল না। যে পরিমাণ ট্যাক্স একজন মধ্যবিত্ত এক বছরে দিচ্ছেন, তার একটা ভাগ তাঁর অ্যাকাউন্টে ফিরিয়ে দেওয়াই যেত। যা সরকার করেনি। তার উপর এখন নেগেটিভের লক্ষ্যে ছুটছে অর্থনীতি। এটা কি ব্যর্থতা নয়?
আনলক ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সব সেক্টরে কাজ শুরু হয়েছে বা হচ্ছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। স্বাস্থ্য পরিষেবা কিন্তু সেই তিমিরে। গত তিন মাস দেশজুড়ে সব বন্ধ থাকার সময় এদিকে কি আলাদা করে কেন্দ্রীয় সরকার নজর দিয়েছে? না দেয়নি। তাই আক্রান্তেরও অনেক সময় জায়গা হচ্ছে না হাসপাতালে। যাঁরা ভর্তি হচ্ছেন, চিকিৎসার খরচের ঠেলায় সঞ্চয়ের শেষটুকু তাঁদের বেরিয়ে যাচ্ছে। করোনা বিদায় নিলে তাঁদের অনেকেই হয়তো রাস্তায় এসে দাঁড়াবেন। নাগরিকদের ন্যূনতম স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে পারেনি সরকার। এটা কি ব্যর্থতা নয়?
তালিকা দীর্ঘ। আর উপায়? যুদ্ধ জিগির। নজর ঘুরেছে মানুষের। ব্যর্থতা আর চর্চার বিষয় নয়। আলোচনায় আজ চীন। অর্থাৎ, মোদি সরকার সফল। যুদ্ধ কি সত্যিই হবে? বা হওয়ার কোনও সম্ভাবনা আছে? দুই দেশই পরমাণু শক্তিধর। ভুল স্ট্যাটেজি কেউ নেবে না। দু’পক্ষই কোমর বাঁধবে, হাঁকডাক করবে। তারপর সমঝোতায় আসবে। লাদাখ দখলের ক্ষেত্রে কিন্তু চীন অনেকটাই এগিয়ে ছিল। কারণ, গত বছর লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করেছে ভারত। সীমান্তবর্তী এমন একটা স্ট্র্যাটেজিক লোকেশন কেন দেশের রাজ্য থাকবে না? এটাও কি সঠিক নীতি? আর এক তিব্বত হতেও পারত লাদাখ। হয়নি। তবে ভবিষ্যতেও যে হবে না, তার গ্যারান্টি কী? তিব্বতে চীনের আগ্রাসনের বিরোধিতা করেছিল নেহরুর ভারত। আমেরিকা, ব্রিটেন... পাশে কেউ দাঁড়ায়নি। ছয়ের দশকের চীনের কাছে মাথা নিচু করতে হয়েছিল নয়াদিল্লিকে। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বহু ভালো এবং উন্নয়নমূলক কাজ করা সত্ত্বেও এই কালো দাগ তাঁর গা থেকে মেলায়নি। সেই কলঙ্ক আজও নেহরুকে বহন করতে হয়। এরপরও সীমান্ত সমস্যার সমাধান হয়নি। এই ইস্যুতে মধ্যস্থতায় আসতে পারেনি চীন এবং ভারত। নরেন্দ্র মোদিও কিন্তু সেই পথে এগচ্ছেন না। অর্থনীতি, লকডাউন, আনলক... সব নীতিতেই প্রশ্নচিহ্ন ঝুলছে। কিন্তু চীন নীতি?
আপাতত গ্যালারি শো জিন্দাবাদ!
07th  July, 2020
নিত্য নতুন ইভেন্টের
আড়ালে যত খেলা
সমৃদ্ধ দত্ত

বয়কটের আগে বুঝতে হবে যে, এখন এসব বয়কট করার অর্থ আমাদের দেশেরই ব্যবসায়ী, দোকানিদের চরম আর্থিক ক্ষতি। বিগত তিনমাসের লকডাউনে এমনিতেই জীবিকা সঙ্কটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমাদের এলাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট এখন আমরা না কিনলে চীনের ক্ষতি নেই।
বিশদ

করোনা যুদ্ধে জাপানকে জেতাচ্ছে সুস্থ সংস্কৃতি 
হারাধন চৌধুরী

সারা পৃথিবীর হিসেব বলছে, করোনা ভাইরাসে বা কোভিড-১৯ রোগে মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। সেই প্রশ্নে জাপানিদের প্রচণ্ড ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, প্রতি একশো জনের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা জাপানেই সর্বাধিক।   বিশদ

09th  July, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

08th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মিউচুয়াল ফান্ড সংস্থাগুলির সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান বা ‘সিপ’ বাবদ আদায় কমল জুন মাসে। গত মাসে গোটা দেশে সিপ-এ বিনিয়োগ হয়েছে ৭ হাজার ৯২৭ কোটি টাকা। অথচ তার আগের মাসে, অর্থাৎ মে মাসে বিনিয়োগ হয়েছিল ৮ হাজার ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ট্রেন বন্ধ। শিয়ালদহ খাঁ খাঁ করছে। স্টেশন সংলগ্ন হোটেল ব্যবসায়ীরা কার্যত মাছি তাড়াচ্ছেন। এশিয়ার ব্যস্ততম স্টেশনের আশপাশের লজ, হোটেল, গেস্ট হাউসগুলির সদর ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ভুয়ো ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে টাকা ফেরাতে ব্লক লেভেল টাস্ক ফোর্স (বিএলটিএফ) তৈরি করল জেলা প্রশাসন। গত ৭জুলাই জেলাশাসক পার্থ ঘোষ এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন। ...

 জীবানন্দ বসু, কলকাতা: গত এক বছরে দেশের কম আয়ের শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা ইএসআই কর্পোরেশন। এর আয় ৫ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পঠন-পাঠনে আগ্রহ বাড়লেও মন চঞ্চল থাকবে। কোনও হিতৈষী দ্বারা উপকৃত হবার সম্ভাবনা। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- ভাষাবিদ মহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম,
১৮৯৩- গণিতজ্ঞ কে সি নাগের জন্ম,
১৯৪৯- ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকরের জন্ম,
১৯৫০- গায়িকা পরভীন সুলতানার জন্ম,
১৯৫১- রাজনীতিক রাজনাথ সিংয়ের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০৪ টাকা ৭৬.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.১৪ টাকা ৯৭.১৪ টাকা
ইউরো ৮২.৯৩ টাকা ৮৭.৪০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,২০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১,৭১০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫১,৮১০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী ১৬/৩০ দিবা ১১/৩৯। পূর্বভাদ্রপদ অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/২/৪২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২৷ অমৃতযোগ দিবা ১২/৮ গতে ২/৪৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে।
২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী দিবা ১১/২৭। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূযোদয় ৫/২, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে।
১৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ৭,৮৬২ জন, মোট আক্রান্ত ২,৩৮৬১ 

09:42:28 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ২,৩১৩ জন, মোট আক্রান্ত ৩৩,৪১৮ 

08:09:39 PM

করোনা: রাজ্যে ফের রেকর্ড সংক্রমণ 
গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ফের রেকর্ড সংক্রমণ। একদিনে পশ্চিমবঙ্গে করোনা ...বিশদ

07:40:59 PM

করোনায় আক্রান্ত কোয়েল মল্লিক 
করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক, তাঁর স্বামী নিসপাল সিং ...বিশদ

07:29:30 PM

তামিলনাড়ুতে করোনা পজিটিভ আরও ৩,৬৮০, মোট আক্রান্ত ১,৩০,২৬১ 

07:17:58 PM

কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে মহিলার শ্লীলতাহানির অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা 
কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে এক মহিলার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল ভিলেজ পুলিসের বিরুদ্ধে। ...বিশদ

04:00:41 PM