Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়। দু’দেশের সরকার যদি সীমান্ত সমস্যার সমাধান না করে, তাহলে ভবিষ্যতে ফের এমন ঘটনা ঘটবে। কাজেই দু’দেশের সেনাবাহিনীকে ম্যাকমোহন লাইন থেকে ২০ কিমি দূরে সরে যেতে হবে। আর অদূর ভবিষ্যতে আমাদের দু’জনকে বসে সীমান্ত নিয়ে একটা সমঝোতায় আসতে হবে।
এর ঠিক ন’বছর আগের কথা। লোকসভায় দাঁড়িয়ে নেহরু বলেছিলেন, আমাদের ম্যাপ দেখায় যে, ম্যাকমোহন লাইন আমাদের দেশের সীমান্ত। মানচিত্র থাকুক বা না থাকুক, এই সত্যিটা কখনও বদলাবে না... ওই সীমান্ত পেরিয়ে কাউকে আমরা প্রবেশ করতে দেব না। ১৯৫০ সাল... ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ওই বছর আমাদের সংবিধান কার্যকর হয়েছিল। বছরটা চীনের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ... রাশিয়ার সঙ্গে দূরত্ব। আন্তর্জাতিক মহলে একঘরে হয়ে যাওয়া। ওটাই ছিল ভারতের জমি শক্ত করার সঠিক সময়। ওই বছর দুয়েকের মধ্যে অনেক কিছুই কিন্তু করেছিলেন নেহরু... ১৯৪৯ সালের আগস্ট মাসে ভুটানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি, আর ১৯৫০ সালের ডিসেম্বর মাসে সিকিমের সঙ্গে। চীনের বিষয়ে তিনি ভাবেননি তা কিন্তু নয়! চীন সীমান্তের যাবতীয় গোপন খবর খুঁড়ে বের করে আনার দায়িত্ব দিয়েছিলেন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোকে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল হিম্মতসিংজির নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠনও করেছিলেন। যার কাজ ছিল চীন সীমান্তকে মজবুত করার লক্ষ্যে যাবতীয় পরামর্শ দেওয়া। কিন্তু এর বেশি নয়। সেনাপ্রধান কারিয়াপ্পাকে ডেকে নেহরু প্রশ্ন করেছিলেন, তিব্বতে চীনের দখলদারি রুখতে ভারতের কি সেনা পাঠানো উচিত? সায় দেননি সেনাপ্রধান। সামরিক দিক থেকে চীন তখনও কিন্তু ভারতের কাছে বড় হুমকি ছিল না। অর্থাৎ পাঁচের দশকে। আর ১৯৬০ সালে এসে পরিস্থিতি ঘুরে গিয়েছিল ৩৬০ ডিগ্রি। সামরিক চীন তখন বহু বড় বড় দেশের কাছেই থ্রেট। বদলায়নি শুধু শিকড়টা... ম্যাকমোহন লাইন। ব্রিটিশ কলমের খোঁচায়
তৈরি মানচিত্র কখনও মানেনি চীন। পিকিং থেকে বেজিং... কমিউনিস্ট শাসন আটকেছিল তাদেরই ‘ঐতিহ্যে’র ম্যাপে। যা বদলায়নি আজও। গলওয়ান তার জলজ্যান্ত উদাহরণ।
সীমান্ত আগ্রাসন। এটাই চীনের সাম্প্রতিক কাজকর্মের ট্যাগলাইন। গোটা বিশ্ব যা নিয়ে তোলপাড়। দক্ষিণ চীন সাগর, হংকং, তাইওয়ানের মতো ইস্যু নিয়ে সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় প্রচুর শব্দ খরচ হয়েছে। আর তার সবটাই ছাপিয়ে গিয়েছে গলওয়ানে লালফৌজ পা রাখায়। ভারত সেনা বাড়িয়েছে, মিরাজ-সুখোই চক্কর দিয়েছে আকাশসীমায়, লাগাতার হুমকি-পাল্টা হুঁশিয়ারির কূটনীতি জমে উঠেছে। আর অবশেষে গলওয়ানের বিতর্কিত উপত্যকা থেকে সেনা সরাচ্ছে চীন। কী বলা যায় একে? ভারতের নৈতিক জয়? সেনাবাহিনীর জয়? নাকি প্রধানমন্ত্রীর?
নজর করার মতো বিষয় হল, সীমান্ত-সংঘাতের এই গোটা সময়সীমায় চীনের নামটুকু একবারও উচ্চারণ করেননি নরেন্দ্র মোদি। ‘আমাদের জমিতে কেউ পা দিলে ছেড়ে কথা বলব না...’ জাতীয় কথা অনেক বলেছেন তিনি। কিন্তু সবটাই নাম উহ্য রেখে। দেশবাসী অপেক্ষা করেছে, জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে এসে প্রধানমন্ত্রী কিছু নিশ্চয়ই বলবেন। তা হয়নি। ‘সুস্থ থাকুন, সতর্ক থাকুন’-এর মধ্যেই তাঁর বক্তব্য সীমাবদ্ধ থেকেছে। কিন্তু তাঁর নাম নরেন্দ্র মোদি। চমক না দিলে কোথায় একটা খামতি থেকে যায়। আচমকা এমন কিছু বলবেন বা করবেন, যা দেশবাসীর মধ্যে হুলস্থূল ফেলে দেবে। ভাষণ শেষ হওয়া মাত্র তাঁরা ছুটবেন এটিএমে লাইন দিতে... আবার কখনও মুদির দোকানে মোমবাতি কিনতে। চীন নিয়ে এত কাণ্ড হচ্ছে, আর তিনি কোনও চমক দেবেন না? এ হতে পারে না। আর তাই আচমকা বাতিল হয়ে গেল প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের লাদাখ সফর। আর তারপর? স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লাদাখে। সেনা-জওয়ানদের মাঝে। আচমকা।
তিনি ভাষণ দিলেন। সেনাবাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন। এবং তারপরও চীনের নাম উচ্চারণ করলেন না। বিরোধীরা লাগাতার বলে এসেছে, লাদাখ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নীরব কেন? তারই জবাব দিলেন মোদি। একেবারে নিজস্ব স্টাইলে। ঝকঝকে নীল আকাশের নীচে চপার থেকে নামলেন তিনি। পাশে সেনাপ্রধান নারাভানে, আর চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত। প্রত্যেকটা মিডিয়ার পছন্দসই ফ্রেম। অমিতাভ বচ্চন এবং তারপর খান জমানাতেও বলিউডে একটা কথা বেশ প্রচলিত ছিল—অ্যাপিয়ারেন্স। হিরো যখন বড় পর্দায় অ্যাপিয়ার করবেন, সেই দৃশ্য। আর তা এমন চমকদার হবে যে, হলজোড়া দর্শক সিটি মারবে, পয়সা ছুঁড়বে। ছবির টিকিটের দাম উঠে যাবে ওতেই। নরেন্দ্র মোদি তেমনই অ্যাপিয়ারেন্সে বিশ্বাসী... ‘ফাটা পোস্টার নিকলা হিরো’ টাইপ। নজর ঘুরিয়ে দেবেন তিনি ‘দর্শকদের’। ইস্যু থেকে, সঙ্কট থেকে, ব্যর্থতা থেকে। করোনা পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি কি? এটাই এখন পর্যন্ত পরিষ্কার হয়নি। আচমকা লকডাউন ঘোষণার নেপথ্যে কারণ কী ছিল? সংক্রমণ আটকে দেওয়া। যা হয়নি। প্রথমে মোদিজি বললেন, যে যেখানে আছেন, সেখানেই থেকে যান। তারপর তিনিই স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করে লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজেদের রাজ্যে ফেরালেন। তাঁরাও ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেন। কারণ, যে রাজ্যে বসবাস করে এতদিন তাঁরা পেটের ভাত জোগাড় করেছিলেন, তা মিলছে না। এই দায়িত্ব কার? কেন্দ্রের নয়? উত্তর মিলল না। সব দায় চেপে গেল সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির ঘাড়ে। বিদেশ থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনলেন। সঙ্গে করোনা ভাইরাস। একেবারে ফ্রি... ফ্রি... ফ্রি...। এমন লকডাউনের তাহলে অর্থ কী? এটা কি ব্যর্থতা নয়?
বললেন, জনধন অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে যাবে। কত টাকা? ৫০০ টাকা। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম হুড়মুড়িয়ে বাড়ছে। নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষেরও হপ্তাখানেকের বাজার করতে ৫০০ টাকা খতম। আর মধ্যবিত্তরা? তাঁদের কারও চাকরি গিয়েছে, কারও বা বেতন কাটা যাচ্ছে। বাজার অর্থনীতি কিন্তু তাঁদের অ্যাকাউন্ট দেখে চলছে না! এই করদাতাদের জন্য মোদি কী করলেন? বলবেন প্যাকেজ। নির্মলা সীতারামন চারদিন ধরে ঋণনির্ভর একটি প্যাকেজ ঘোষণা করলেন। যাঁদের দু’বেলা খাবার জুটছে না, তাঁরা ঋণ নিলে ইএমআই দেবেন কী করে? তার কোনও দিশা নেই। মধ্যবিত্তরা অ্যাকাউন্টে কিন্তু কিছু পেলেন না! যা খুব অসম্ভব ছিল না। যে পরিমাণ ট্যাক্স একজন মধ্যবিত্ত এক বছরে দিচ্ছেন, তার একটা ভাগ তাঁর অ্যাকাউন্টে ফিরিয়ে দেওয়াই যেত। যা সরকার করেনি। তার উপর এখন নেগেটিভের লক্ষ্যে ছুটছে অর্থনীতি। এটা কি ব্যর্থতা নয়?
আনলক ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সব সেক্টরে কাজ শুরু হয়েছে বা হচ্ছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। স্বাস্থ্য পরিষেবা কিন্তু সেই তিমিরে। গত তিন মাস দেশজুড়ে সব বন্ধ থাকার সময় এদিকে কি আলাদা করে কেন্দ্রীয় সরকার নজর দিয়েছে? না দেয়নি। তাই আক্রান্তেরও অনেক সময় জায়গা হচ্ছে না হাসপাতালে। যাঁরা ভর্তি হচ্ছেন, চিকিৎসার খরচের ঠেলায় সঞ্চয়ের শেষটুকু তাঁদের বেরিয়ে যাচ্ছে। করোনা বিদায় নিলে তাঁদের অনেকেই হয়তো রাস্তায় এসে দাঁড়াবেন। নাগরিকদের ন্যূনতম স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে পারেনি সরকার। এটা কি ব্যর্থতা নয়?
তালিকা দীর্ঘ। আর উপায়? যুদ্ধ জিগির। নজর ঘুরেছে মানুষের। ব্যর্থতা আর চর্চার বিষয় নয়। আলোচনায় আজ চীন। অর্থাৎ, মোদি সরকার সফল। যুদ্ধ কি সত্যিই হবে? বা হওয়ার কোনও সম্ভাবনা আছে? দুই দেশই পরমাণু শক্তিধর। ভুল স্ট্যাটেজি কেউ নেবে না। দু’পক্ষই কোমর বাঁধবে, হাঁকডাক করবে। তারপর সমঝোতায় আসবে। লাদাখ দখলের ক্ষেত্রে কিন্তু চীন অনেকটাই এগিয়ে ছিল। কারণ, গত বছর লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করেছে ভারত। সীমান্তবর্তী এমন একটা স্ট্র্যাটেজিক লোকেশন কেন দেশের রাজ্য থাকবে না? এটাও কি সঠিক নীতি? আর এক তিব্বত হতেও পারত লাদাখ। হয়নি। তবে ভবিষ্যতেও যে হবে না, তার গ্যারান্টি কী? তিব্বতে চীনের আগ্রাসনের বিরোধিতা করেছিল নেহরুর ভারত। আমেরিকা, ব্রিটেন... পাশে কেউ দাঁড়ায়নি। ছয়ের দশকের চীনের কাছে মাথা নিচু করতে হয়েছিল নয়াদিল্লিকে। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বহু ভালো এবং উন্নয়নমূলক কাজ করা সত্ত্বেও এই কালো দাগ তাঁর গা থেকে মেলায়নি। সেই কলঙ্ক আজও নেহরুকে বহন করতে হয়। এরপরও সীমান্ত সমস্যার সমাধান হয়নি। এই ইস্যুতে মধ্যস্থতায় আসতে পারেনি চীন এবং ভারত। নরেন্দ্র মোদিও কিন্তু সেই পথে এগচ্ছেন না। অর্থনীতি, লকডাউন, আনলক... সব নীতিতেই প্রশ্নচিহ্ন ঝুলছে। কিন্তু চীন নীতি?
আপাতত গ্যালারি শো জিন্দাবাদ!
07th  July, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয় নির্দেশ—সবটা নিয়ন্ত্রিত হবে এক জায়গা থেকে। তার জন্য অত্যাধুনিক মোবাইল ভ্যান আনল কলকাতা বিমানবন্দর। ...

  দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিত্যদিনের মতো সাংবাদিক সম্মেলন করছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঠিক তখনই হোয়াইট হাউসের বাইরে পরপর গুলির আওয়াজ। মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে ...

 সোয়াব বা লালারসের নমুনা দেওয়ার সময় মালদহে অনেকেই ভুল ঠিকানা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। ইচ্ছাকৃতভাবে মোবাইল নম্বরও ভুল দেওয়া হচ্ছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM