Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।
উপরে যে সিদ্ধান্তগুলোর কথা বলা হল সেগুলো ‘পরিষ্কার ভুল’ কি না একটু ভেবে দেখার সময় হয়েছে। ‘স্বাধীনতা’ একটি অলঙ্ঘনীয় অধিকার। তার প্রতি আমাদের মমত্ববোধের অভাব এবং স্বাধীনতা কমে যাওয়ার ব্যাপারে অজ্ঞতা থাকতে পারে। তার থেকে ব্যাপারটা ‘জর্জ ফ্লয়েড পরিস্থিতি’ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা) এবং ‘জয়রাজ ও ফেনিক্স পরিস্থিতি’ (ভারতের তামিলনাড়ু)-র দিকে গড়ায়।
‘জয়রাজ ও ফেনিক্স’ যদিও ভারতে হেফাজতে অত্যাচারের প্রথম মামলা নয়। ১৯৯৬ সালে ফিরে যাওয়া যাক। হেফাজতে হরবখত অত্যাচারের অভিযোগ জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের জনৈক ডি কে বসু এবং উত্তরপ্রদেশের জনৈক এ কে জোহরি। ব্যাপারটাতে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (স্যুয়ো মোটো) হস্তক্ষেপ করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতি। ১৯৯৬ সালের ১৮ ডিসেম্বর ‘ডি কে বসু বনাম পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য (১৯৯৭) ১ এসএসসি ৪৩৬’ মামলায় তাঁরা এক ঐতিহাসিক রায় দেন। ওই রায়ের বাস্তবতার প্রমাণ বহুবার পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু, পরিতাপের বিষয় এই যে পরবর্তী ২৪ বছরে এই রেওয়াজের কোনও বদল হয়নি।
অতিরিক্ত পুলিস
অন্যের প্রতি রাষ্ট্রের আচরণ সম্পর্কে একজন গড়পড়তা নাগরিকের রাষ্ট্রের প্রতি সরল বিশ্বাস থাকে। সাধারণ নাগরিক এটাই বিশ্বাস করেন যে, একজন পুলিস অফিসার, একজন সরকারি উকিল, একজন বিচারক, একজন বিচারপতি কিংবা একজন ডাক্তার সবসময় আইন মেনে কাজ করবেন। আসলে তিনি ভুলের শিকার। লর্ড ডেনিংয়ের কাছে শুনুন:
‘আমাদের সকলের মধ্যে যে ধরনের দোষ ‘কমন’, প্রশাসনের কর্তারা (এক্সিকিউটিভ) সেইসব ব্যাপারে কখনওই অপরাধী হবেন না, এটা কেউ মনে করেন না। আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে তাঁরা কখনও কখনও এমন কাজ করে ফেলেন যা তাঁদের করা উচিত নয়। অন্যদিকে, তাঁদের করা উচিত এমন অনেক জিনিস আবার তাঁরা করেন না।’
হেফাজতে অত্যাচারের বীজ হেফাজতেই বোনা হয় না। এর সন্ধান মিলতে পারে বাইরের একাধিক ক্ষেত্রে। যেমন গ্রেপ্তার, জামিন নামঞ্জুর, পুলিসি হেফাজত মঞ্জুর এবং বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পুনরায় পাঠানো। প্রতিটা পর্বের জন্য আইনি অবস্থান স্পষ্ট। কিন্তু আইনের প্রয়োগের ব্যাপারটাই প্রায়শ গোলমেলে—ত্রুটিপূর্ণ ও বিকৃত।
ব্যাপারটা গ্রেপ্তার থেকে বুঝে নেওয়া যায়। ডি কে বসু মামলায় আদালত মনে করিয়ে দিয়েছে যে, সাধারণ পুলিসকে বাদ দিয়েও আমরা অন্য অনেকগুলো সংস্থাকে গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা দিয়েছি। যেমন সিবিআই, ইডি, সিআইডি, সিআরপিএফ, বিএসএফ, ট্রাফিক পুলিস, ইনকাম-ট্যাক্স প্রভৃতি। এদের মধ্যে কেউ কেউ দাবি করে যে, যেহেতু তারা পুলিস নয়, সেই কারণে তারা সমস্ত আইনি ব্যবস্থা (কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিওর) মানতে বাধ্য নয়! উদাহরণ হিসেবে ইডি-র কথা বলি। ইডি-র সাফ কথা, তারা ‘কেস ডায়েরি’ মেনটেন করতে বাধ্য নয়। একটা গ্রেপ্তারের ঘটনা যখন ঘটে তখন আরও কী খারাপ হয় তা আমরা নির্দিষ্ট করে বলিনি। জাতীয় পুলিস কমিশনের তৃতীয় পর্যবেক্ষণ রিপোর্টে ধরা পড়েছে যে, সমস্ত গ্রেপ্তারের ঘটনার শতকরা ৬০ ভাগই ‘অপ্রয়োজনীয়’'। ওই রিপোর্টে যেসব গাইডলাইনের সুপারিশ রয়েছে, বিচারপতিরা সেগুলো তুলে ধরে হতাশা প্রকাশ করেছেন—
‘ব্যক্তি স্বাধীনতার (পার্সোনাল লিবার্টি অ্যান্ড ফ্রিডম) মৌলিক অধিকারটা সংবিধানস্বীকৃত। পুলিস কমিশনের সুপারিশগুলো তার সঙ্গেই সঙ্গতিপূর্ণ। তা সত্ত্বেও এই সুপারিশগুলো এখনও পর্যন্ত বিধিবদ্ধ মর্যাদা (স্ট্যাটুটরি স্টেটাস) পায়নি।’
গ্রেপ্তার ও হাজত
আনেকগুলো কর্তৃপক্ষের হাতে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া রয়েছে। এগুলো কেড়ে নেওয়া থেকেই সংস্কারটা শুরু হওয়া দরকার। দ্বিতীয় ঘোষণা দরকার, গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা যাঁর থাকবে তিনি হবেন একজন ‘পুলিস’ অফিসার। সংস্কারের তিন নম্বরে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা ভীষণভাবে সীমাবদ্ধ করে দিতে হবে। শুধু নির্দিষ্ট করে দেওয়া পরিস্থিতিগুলোতেই গ্রেপ্তার করা যাবে। মনে করে দেখুন, জয়রাজ ও ফেনিক্সকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। লডকাউনে যতটা সময় দোকান খুলে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তার চেয়ে ১৫ মিনিট বেশি দোকান খুলে রেখেছিলেন তাঁরা। তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এমন এক অভিযোগে!
দ্বিতীয় ধাপটা হল, অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করা এবং হেফাজতে নেওয়া। নিম্ন আদালতের একজন বিচারক বা জেলা বিচারক পুলিসি হেফাজত মঞ্জুর করার আগে ক্বচিৎ বিচার করে দেখেন যে সেটার আদৌ দরকার আছে কি না। পুলিসি হেফাজতের সর্বোচ্চ মেয়াদ হল ১৫ দিন। পুলিসি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হতেই আদালত অবধারিতভাবে অভিযুক্তকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কিন্তু আইন একেবারে অন্যরকম। ‘মনুভাই রতিলাল প্যাটেল, (২০১৩) ১ এসসিসি ৩১৪’ মামলায় সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ‘বিচারক ঘটনাটির সত্যাসত্য উপলব্ধি সাপেক্ষে নিজের বিবেচনামতো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন: অভিযুক্তকে পুলিসি হেফাজতে পাঠাবেন, না কি বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো যুক্তিযুক্ত হবে, অথবা কোনও হেফাজতে পাঠানোর আদৌ প্রয়োজন নেই।’ নিম্নরেখ কথাগুলো মনে রেখে রায় দেন এরকম ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা জজ বিরলপ্রায়।
তৃতীয় ধাপ হল, গ্রেপ্তার হওয়া বা হেফাজতে নেওয়া ব্যক্তির ডাক্তারি পরীক্ষা। জয়রাম এবং ফেনিক্সকে একজন ডাক্তারকে দিয়ে ঠিকমতো দেখানো হয়ে থাকলে, তাঁদের স্বাস্থ্য ঠিক আছে (আ ক্লিন বিল অফ হেলথ) বলে কী করে রিপোর্ট দিতে পারতেন?
ব্যতিক্রমটাই আইন হয়ে যায়!
চতুর্থ ধাপ হল জামিন। সরকার পক্ষের উকিল বা প্রসিকিউটর জামিনের বিরোধিতা করলে খুব কম ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা জজ জামিন মঞ্জুর করে থাকেন। অন্তত প্রথম বা দ্বিতীয় শুনানিতে এটাই হয়েই থাকে। তদন্ত অথবা বিচার শেষ হয়নি এমন অভিযুক্তদের (আন্ডার-ইনভেস্টিগেশন অর আন্ডার-ট্রায়াল) নিয়ে ভরে আছে প্রতিটা জেল। যদিও লোকগুলোর জামিনেই ছাড়া পাওয়ার কথা। বালচাঁদ (১৯৭৭) ৪ এসসিসি ৩০৮ মামলায় এই আইনটা তৈরি হয়েছিল। বিচারপতি ছিলেন কৃষ্ণ আয়ার জে। সেই থেকে জামিন মঞ্জুর করাটাই আইন এবং জেলে পাঠানোটা ব্যতিক্রম (বেইল ইজ দ্য রুল, জেল ইজ দি এক্সেপশন)—এক মান্য নিয়মে পরিণত হয়েছে। কিন্তু সামান্য সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারক এই আইনের প্রয়োগ করে থাকেন। ‘ব্যতিক্রম’-এর প্রয়োগেই তাঁদের সুখ!
জয়রাজ ও ফেনিক্স মামলার কথায় আসি। অতি তুচ্ছ অভিযোগে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পুলিসি বা বিচারবিভাগীয় কোনও হেফাজতেই তাঁদের পাঠানোর কথা ছিল না। আদালতে পেশ করামাত্র তাঁদের জামিন মঞ্জুর করাই উচিত ছিল।
এটাই হতাশার কথা যে, ব্যক্তি স্বাধীনতা সম্পর্কিত আইনটা তত্ত্বে রয়ে গেল একরকম আর বাস্তবে রয়ে গেল অ্যরকম। সৌভাগ্য যে, জিনিসগুলো পাল্টাচ্ছে। সম্প্রতি সুশীলা আগরওয়াল (জানুয়ারি ২৯, ২০২০) মামলায়, এক সাংবিধানিক বেঞ্চ পুরনো একটা সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ের সঙ্গে সহমত হল। পুরনো সাংবিধানিক বেঞ্চটা গঠিত হয়েছিল গুররক্স সিং সিব্বিয়া (১৯৮০) ২ এসিসি ৫৬৫ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে। সুশীলা মামলায় গঠিত সাংবিধানিক বেঞ্চের সাহসী রায়ে খারিজ হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টেরই অন্য আটটি মামলার রায়। নির্দিষ্ট অন্য কয়েকটা রায় সম্পর্কে মত দিতে গিয়ে সর্বোচ্চ আদালত ওইসঙ্গে আরও ঘোষণা করে দিল যে, সেগুলো ‘ভালো আইন নয় (নট গুড ল)।’ মানুষমাত্রেই ভুল করে আর ভুলের সংশোধনটা হল বিচার।
জয়রাজ এবং ফেনিক্সকে মৃত্যুর আগে যে পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়েছিল, সেই পরিস্থিতিতে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের জন্য তবু আশা আছে।
• লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী 
06th  July, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
 সোয়াব বা লালারসের নমুনা দেওয়ার সময় মালদহে অনেকেই ভুল ঠিকানা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। ইচ্ছাকৃতভাবে মোবাইল নম্বরও ভুল দেওয়া হচ্ছে। ...

  দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিত্যদিনের মতো সাংবাদিক সম্মেলন করছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঠিক তখনই হোয়াইট হাউসের বাইরে পরপর গুলির আওয়াজ। মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে ...

দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয় নির্দেশ—সবটা নিয়ন্ত্রিত হবে এক জায়গা থেকে। তার জন্য অত্যাধুনিক মোবাইল ভ্যান আনল কলকাতা বিমানবন্দর। ...

 গ্রাম বাংলায় বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের কাজে সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত ২৫ হাজার গ্রামীণ সম্পদ কর্মী বা ভিলেজ রিসোর্স পার্সন (ভিআরপি) ফের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM