Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

মানুষের আকুল প্রার্থনা: ‘... আমি অন্ধকারের যাত্রী, আমায় আলোর পথ দেখাও...।’ 
কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন। সমাজে উচ্চ আসনে আসীন আমরা বিত্তে। চিত্তে কিন্তু ভয়শূন্য নই আমরা। তাই শির আমাদের উচ্চতায় খাটো। সুতরাং গৃহের প্রাচীরসম জ্ঞান আমাদের মুক্ত নয়। আসলে জড়ের শিক্ষা পেয়েছি আমরা। কিন্তু চেতনার শিক্ষা তো লাভ করতে পারলাম না আমরা। 
এত গাঢ় অন্ধকার! পথ চলবো কী করে? এত হাজার বছরের জমাট অন্ধকার! ঠাকুর বলছেন, হাজার বছরের জমাট অন্ধকার ঘরের অন্ধকার তৎক্ষণাৎ দূর করতে একটি দীপ শিখাই যথেষ্ট। তার জন্য আরও হাজার বছর অপেক্ষা করতে হয় না। ‘গুরু’ হলেন এই দীপশিখা। বলার অপেক্ষা রাখে না হাজার বছরের জমাট অন্ধকারাচ্ছন্ন ঘরটি হলাম ‘আমরা’। শাস্ত্রে বলা হয়েছে, ‘গু’ শব্দের অর্থ অন্ধকার। আর সেই অন্ধকার দূরীভূতকারী-কে ‘রু’ বলা হয়েছে। যিনি দীক্ষাদানের মাধ্যমে বিমল জ্ঞান দিয়ে আমাদের সংশয়ের গ্রন্থিগুলোকে খুলে দেন। ফলত, আমার অ-জ্ঞান-এর পাপ রাশি বিলীন হয়ে যায়। তিনি অর্থাৎ গুরু হবেন শান্ত-দান্ত-কুলীন ইত্যাকার সৎ গুণসম্পন্ন এবং অবশ্যই তিনি হবেন পরোপকারী। 
অনেক দিন ধরে তাঁর সংসর্গে থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে গুরুকরণ বা গুরুকে নির্বাচন করতে হয়। যেমনটি করেছিলেন সিমলে পাড়ার প্রবল যুক্তিবাদী নরেন্দ্রনাথ দত্ত। একেবারে যুক্তিবাদের কষ্টিপাথরে নানাভাবে যাচাই করে নির্বাচন করেছিলেন তাঁর গুরুকে। ঠাকুরও প্রসন্ন মনে প্রশ্রয় দিতেন তাঁর নরেনের এই যাচাই পর্বটিকে। জীবনের উপান্তে এসে ঠাকুর অবশেষে বলেই ফেললেন, ‘নরেন এখনও তোর সংশয় দূর হল না?’ পরক্ষণেই ঠাকুরের ভাবান্তর হল, তিনি নরেনকে বললেন, ‘ঠিকই করছিস, সংশয় যতক্ষণ থেকে যাবে মনের গভীরে তার নিরসন না হওয়া পর্যন্ত গুরুকে বাজিয়ে নিবি...।’ 
প্রসঙ্গত, গুরু-শিষ্যের সম্পর্ক হবে নিবিড়। এবং, তা নিত্যদিনের। এমটা নয় যে দীক্ষার পর গুরু-শিষ্যের মধ্যে দেখা সাক্ষাৎ হবে না। কোনও এক পুণ্যতিথিতে তাঁকে প্রণাম করতে গিয়ে, প্রণাম করা তো দূর অস্ত, দর্শনটুকুও জুটল না আমাদের কপালে। অর্থাৎ গুরু এবং দীক্ষা যেন কোনওভাবেই ‘স্টেটাস সিম্বল’ হয়ে না দাঁড়ায়। এমন গুরুকে কিন্তু শাস্ত্র অনুমোদন করে না। তাছাড়া দীক্ষারও তো একটি রীতি-নীতি-পদ্ধতি রয়েছে শাস্ত্রে। শাস্ত্রের এহেন পন্থা বা পদ্ধতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, মন গড়া পদ্ধতিতে দীক্ষা কিন্তু প্রকৃত দীক্ষা নয়। অর্থাৎ দীক্ষার পবিত্র অর্থের পঞ্চত্ব-প্রাপ্তি হল সেখানে। 
আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা অর্থাৎ রথযাত্রার পরের পুর্ণিমাটিই গুরুপুর্ণিমা রূপে চিহ্নিত হয়েছে শাস্ত্রে। ষোলো কলায় পূর্ণ একটি আস্ত চাঁদযুক্ত তিথি হল পূর্ণিমা। পূর্ণিমা হল সম্পূর্ণতার প্রতীক। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় ‘ফুল মুন’। সম্পূর্ণতা না থাকলে আরাধ্যকে পাওয়া যায় না। অর্থাৎ দ্বৈতভাব যেখানে বিলীন হয়ে যায় অদ্বৈত সত্তায়। মানে ‘School of dualism becomes school of non-dualism.’ তা কীভাবে হয়? জ্ঞান সম্পূর্ণ। অস্তিত্ব সম্পূর্ণ ভূমানন্দ সম্পূর্ণ হলে আমি তাঁর দাস থেকে তিনিই আমি তিনিই আমি তিনিই আমি হব। অবশেষে আমিই শিব। এমনটাই শাস্ত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দ এই বাণীটি উদাত্ত কণ্ঠে ঘোষণা করলেন বিশ্ববাসীর কাছে বিশ্বের দরবারে, ‘The knowledge absolute, The existence absolute, The bliss absolute... I’m he... I’m he... I’m he... Dasoham... Soham... Shivoham...’। তাই সম্পূর্ণতা। অর্থাৎ সম্পূর্ণতার মূর্ত প্রতীক হল এই পূর্ণিমা তিথি। তাই অন্য তিথি নয়। মনে প্রশ্ন জাগে, বাকি এগারো মাসের যে-কোনও পূর্ণিমাতেও গুরুপূর্ণিমা হতে পারত। তা হল না কেন? 
আসলে আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিটি শ্রীকৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাসদেবের আবির্ভাব তিথি। অর্থাৎ এটি হল ব্যাসপূর্ণিমা। আর মহর্ষি বেদব্যাস হলেন আমাদের সকলের গুরু, যিনি আজও শরীরে আছেন। অর্থাৎ সাতজন চিরজীবীর অন্যতম তিনি। তিনি প্রতিনিয়ত আমাদের আলোর পথ দেখিয়ে চলেছেন আর বিশ্ববাসীর সদর্থক মানসিকতা গড়ে তুলছেন প্রতিটা মুহূর্তে। যা আজকের দুনিয়ায় বড় বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। তিনি বলছেন, ‘পরোপকার পুণ্যায়ঃ, পাপায় পরপীড়ণম্’ অর্থাৎ পুণ্য হল পরের উপকার করা আর পাপ হল পরকে অর্থাৎ অন্যকে পীড়ন করা—যা আগামী দুনিয়াতেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক হবে।  
আমাদের প্রত্যেকের জীবনেই কিন্তু একটি গৃহজীবন এবং একটি বিশ্বজীবন আছে। লক্ষ করতে হবে, কথাটি হল গৃহজীবন, গৃহীজীবন নয় এবং বিশ্বজীবন। গৃহস্থ ব্যক্তি মাত্রই সারাজীবন গৃহে অবস্থান করেন। গৃহ সংক্রান্ত কথা বলেন। সন্ন্যাস নিয়ে পাহাড়-পর্বতের গুহায় চলে যান না অথবা অরণ্যের গভীরে কুটির নির্মাণ করে জগৎবিচ্ছিন্ন, মানবিচ্ছিন্ন, সমাজবিচ্ছিন্ন ঈশ্বরমগ্ন সাধনার আসন বিছিয়ে বসেন না। তাঁরা গৃহজীবনে থাকেন অথচ একটি বিশ্বজীবনও যাপন করেন। উভয় জীবনের তফাতটা কোথায়? আমাদের জীবনে গৃহজীবন শতকরা প্রায় একশো ভাগ। আমাদের ভেতরে বিশ্বজীবনটিকে খুঁজতে হয়। বিশ্বজীবন যে আমাদের জীবনে নেই, তা বলা যাবে না। পৃথিবীজুড়ে ‘করোনা’ আবহে লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যাচ্ছেন। অথবা উম-পুন নামক সুপার সাইক্লোনে হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন তাঁদের বেঁচে থাকার সম্বলটুকুও খুইয়ে বসেছেন এই পরিস্থিতিতে কিংবা যুদ্ধজনিত কারণে রক্তপাত ঘটে বেশকিছু সেনাবাহিনী প্রাণ হারান, তাহলে আমাদের মনে কষ্ট হয়। যাঁদের জন্য ব্যথা বা কষ্ট হয়, তাঁরা আমার বাড়ির কেউ নন, আমার পরিবারের কোনও সদস্যও নন। তা সত্ত্বেও আমরা যখন অপরের দুঃখে আমাদের হৃদয়ে যন্ত্রণা অনুভব করি, পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ উপলব্ধি করি, যতদূর সম্ভব আমাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই। অথবা কোনও কারণে অপরের আনন্দে আনন্দ অনুভব করি। ওইটিই আমাদের হৃদয়ে বিশ্বজীবনের স্ফুলিঙ্গ। তবে এটি আমাদের জীবনে খুব কম মাত্রা পায়। কারণ, আমাদের চিন্তা ও ভাবনার বেশিরভাগ অংশই আচ্ছন্ন হয়ে থাকে আমাদের সংসার নিয়েই। আমাদের ক্ষুদ্র এবং সঙ্কীর্ণ গৃহজীবনটিকে নিয়েই। এমনই এক প্রেক্ষাপটে ক্ষুদ্র ও সঙ্কীর্ণতারূপ মনের অন্ধকার গুরু দূর করেন তাঁর জ্ঞানকাজলের কাঠি দিয়ে। আমাদের জ্ঞানচক্ষু খুলে দেন তিনি। ফলত, আমরা ক্ষুদ্র সঙ্কীর্ণতা থেকে ক্রমশ বৃহৎ ও উদার মানসিকতা সম্পন্ন ব্যক্তিত্বের অধিকারী হওয়ার আলোকিত পথ খুঁজে পাই। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে আমাদের মন এবং মুখ এক করার ওপর। ঠাকুর বার বার বলছেন মন এবং মুখ এক করতে। আমাদের শাস্ত্রেও ঠিক এমনটিই বলা হয়েছে অতীতে। যিনি তাঁর ব্যবহারিক জীবনে এটির বাস্তবায়ন ঘটাবেন শাস্ত্রের ভাষায় তিনিই হবেন মহাত্মা। 
‘মনস্যেকং বচস্যেকং কার্য্যমেকং মহাত্মনা’ অর্থাৎ মনে এক, বাক্যে এক, কার্যে এক, এমন ব্যক্তিকেই মহাত্মা বলা হয়েছে, দুরাত্মার সংজ্ঞা নির্ধারিত হয়েছে এরই বিপরীতে, ‘মনস্যন্যৎ বচস্যন্যৎ কার্য্যমন্যৎ দুরাত্মনা’ অর্থাৎ মনে অন্য, বাক্যে অন্য এবং কাজে অন্যরূপ আচরণকারীকে দুরাত্মা বলা হয়েছে।
এইভাবেই গুরুবাক্য যথাযথ পালন এবং একইভাবে অন্যকে পালন করতে উদ্বুদ্ধ করতে পারলে গুরু এবং গুরুপূর্ণিমার ইতিবাচক বার্তার প্রকৃত বাহক হতে পারব আমরা।  
 লেখক সর্বভারতীয় প্রাচ্যবিদ্যা আকাদেমির অধ্যক্ষ 
05th  July, 2020
লড়াইটা মোদির আমিত্বের বিরুদ্ধে
তন্ময় মল্লিক

অপেক্ষার অবসান। প্রথম দফার ২১টি রাজ্যের ১০২টি আসনের ভোট গ্রহণ শেষ। বাংলায় তিনটি। সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে বাংলায়। তারমধ্যে সর্বাধিক মোতায়েন ছিল অমিত শাহের ডেপুটি নিশীথ প্রামাণিকের নির্বাচনী কেন্দ্র কোচবিহারে। বুথ পাহারায় ‘দাদার পুলিস’।
বিশদ

আজ থেকে পরীক্ষা শুরু তরুণদের
সমৃদ্ধ দত্ত

আপনাদের কাছে এই আজ থেকে যে মহাযুদ্ধ শুরু হচ্ছে, সেটি সবথেকে বড় অগ্নিপরীক্ষা। এটা মাথায় রাখবেন। আপনারা অর্থাৎ রাজ্যে রাজ্যে ছড়িয়ে থাকা ভারতীয় রাজনীতির তরুণ প্রজন্ম কতটা যোগ্য, কতটা আপনারা  নিজেদের প্রস্তুত করতে পারলেন এবং আগামী দিনে রাজ্যবাসী আপনাদের উপর কতটা বিশ্বাস, আস্থা কিংবা ভরসা করতে পারবে, মনে রাখবেন, সেই পরীক্ষাটি আজ থেকেই শুরু হচ্ছে। বিশদ

19th  April, 2024
‘আপ রুচি খানা’
মৃণালকান্তি দাস

দ্বারকার ক্ষত্রিয়ভূমিতে মদ্য-মাংসের বারণ ছিল না, তার প্রমাণ মহাভারতে আছে। আর অযোধ্যার পথেঘাটে ছিল সুরা-মদের ছড়াছড়ি। বলে গিয়েছেন বাল্মীকি।
বিশদ

18th  April, 2024
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বনাম ছাপ্পান্ন ইঞ্চির ভাঁওতা
সন্দীপন বিশ্বাস

নমস্কার, আমি আপনার ব্যাঙ্কের ম্যানেজার বলছি। আপনার অ্যাকাউন্টে একটু আগে একটা বিদেশি লটারির পুরস্কার বাবদ ১৫ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঢুকেছে। কিন্তু অ্যাকাউন্টে একটা সমস্যা থাকায় টাকাটা ঢুকছে না। আপনার কাছে একটা ওটিপি নম্বর যাচ্ছে, সেটা আমাকে বলে দিলেই আপনার অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা ঢুকে যাবে।  বিশদ

17th  April, 2024
লক্ষ্য উত্তরবঙ্গ: মমতার প্রকল্প আছে, মোদির?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

রাস্তাঘাটে আম জনতার সঙ্গে কথা বলছেন সঞ্চালক। প্রত্যেকের জন্য প্রশ্ন একটিই, গত ১০ বছরে নরেন্দ্র মোদি সরকারের এমন তিনটি কাজ বলুন, যার মাধ্যমে আপনি সরাসরি উপকৃত হয়েছেন।
বিশদ

16th  April, 2024
এক জাতি, এক নির্বাচন: সন্দেহজনক তত্ত্ব
পি চিদম্বরম

ইস্তাহার হল একটি লিখিত ঘোষণা। তাতে থাকে মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি সম্পর্কে কিছু ইচ্ছা এবং মতামত। এই প্রসঙ্গেই মনে আসে ১৭৭৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং ১৯৪৭-এর ১৪-১৫ আগস্ট জওহরলাল নেহরুর সেই বিখ্যাত ‘ভাগ্যদেবতার সঙ্গে অভিসারের সংকল্প’ ভাষণের মতো দৃষ্টান্তগুলি।
বিশদ

15th  April, 2024
৪০০ নামুমকিন, তবু মরিয়া ‘গোয়েবলস’
হিমাংশু সিংহ

নির্বাচন কত বড় ‘মাইন্ড গেম’ তার অকাট্য প্রমাণ এবারের লড়াই। নরেন্দ্র মোদি জানেন, কোনও অঙ্কেই ৪০০ আসন জেতা সম্ভব নয়। দক্ষিণ ভারত না সাথ দিলে ৩০০ অতিক্রম করাও কঠিন। উত্তর ভারতে দু’-চারটে রাজ্যে হিসেব না মিললে ২০০-র আগেই কিংবা সামান্য ওপরে থমকে যেতে পারে বিজেপির রথ। বিশদ

14th  April, 2024
আমে-দুধে মেশায় আইএসএফ এখন ‘আঁটি’
তন্ময় মল্লিক

ডুবন্ত মানুষ বাঁচার আশায় খড়কুটোকেও আঁকড়ে ধরে। একুশের নির্বাচনে সেই আশায় ডুবন্ত সিপিএম আইএসএফকে আঁকড়ে ধরেছিল। বাংলার রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য ব্রিগেডের জনসভায় অধীর চৌধুরীকে সরিয়ে দিয়ে আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকীর হাতে মাইক্রোফোন তুলে দিয়েছিলেন মহম্মদ সেলিম। বিশদ

13th  April, 2024
অশ্বমেধের ঘোড়া বনাম এক নারীর লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবন ৫০ বছরে পা দিল। ৫০ বছর ধরে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্থান এক চমকপ্রদ ঐতিহাসিক রেফারেন্স। বিশেষত পুরুষতান্ত্রিক ভারতীয় রাজনীতিতে এক নারী হিসেবে ক্রমে শীর্ষে পৌঁছনো প্রায় বিরল। বিশদ

12th  April, 2024
ইতিহাসমেধ যজ্ঞের শেষ পরিণতি কী?
মৃণালকান্তি দাস

সদ্য ক্ষমতায় বসা নরেন্দ্র মোদি সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী তখন স্মৃতি ইরানি। ২০১৪-র অক্টোবর মাস। দিল্লির মধ্যপ্রদেশ ভবনে মন্ত্রীকে ডেকে এনে প্রায় সাত ঘণ্টা বৈঠক করেছিলেন আরএসএস নেতারা। বৈঠকে সুরেশ সোনি, দত্তাত্রেয় হোসাবোলে ছাড়াও শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সঙ্ঘের বিভিন্ন শাখার নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
বিশদ

11th  April, 2024
অর্থ পরে, আগে আস্থা ফেরান মোদি
হারাধন চৌধুরী

পূর্ববর্তী দুটি লোকসভা নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাজিমাত করেছিলেন। এবার তাঁর প্রচারের ক্যাচলাইন ‘গ্যারান্টি’। কখনও কখনও তিনি শুধু ‘গ্যারান্টি’তেই থেমে নেই, ‘গ্যারান্টিরও গ্যারান্টি’ দিচ্ছেন! পুরো শরীরী ভাষা উজাড় করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলে চলেছেন, ‘আজ পুরা হিন্দুস্থান জানতা হ্যায়, দুনিয়া ভি মানতা হ্যায়, মোদি কি গ্যারান্টি মতলব গ্যারান্টি পুরা হোনে কি গ্যারান্টি!’
বিশদ

10th  April, 2024
ফ্যাক্টর নারীশক্তি, গ্যারান্টিও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

জওহরলাল নেহরুর হাতে সময় যে বেশি নেই, তার আভাস অনেক আগে থেকেই পেয়েছিলেন কংগ্রেসের ‘বস’রা। তাই বছর দুয়েক ধরে নিজেদের গুছিয়ে নিতে পেরেছিলেন। বরং সময় দেননি লালবাহাদুর শাস্ত্রী। কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? বিশদ

09th  April, 2024
একনজরে
দুবাইয়ের বৃষ্টিতে ধুয়ে গেল কুস্তিগির দীপক পুনিয়া ও সুজিত কালকের প্যারিস ওলিম্পিকসের যোগ্যতা অর্জনের সুযোগ। কিরগিজস্থানে আয়োজিত এশিয়া কুস্তি ...

ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার পক্ষে সওয়াল করলেন পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মারিয়ম নওয়াজ। শুক্রবার কর্তারপুর সাহিব গুরুদ্বারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ...

ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক তথা তৃণমূলের ভাঙড়ের পর্যবেক্ষক সওকত মোল্লার বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ল ভাঙড়ে। এই নিয়ে শোরগোল পড়েছে এলাকায়। কোথাও তাঁকে অশান্তির কারিগর তকমা দেওয়া হয়েছে, কোথাও আবার ঘুরিয়ে বহিরাগত বলে পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। ...

ধুবুড়ির কালবেলায় একটি ছোট ক্যাম্প অফিসে ডাঁই করে রাখা অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট বা এইআইইউডিএফের ফ্ল্যাগ। এত ফ্ল্যাগ কবে লাগাবেন? ক্যাম্পের কর্মী আনিমুল হক খানিক গম্ভীর গলায় বলে উঠলেন, ‘ওই ফ্ল্যাগ না লাগালেও আমাদের কিছু হবে না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মে শুভ। নতুন কর্মপ্রাপ্তি বা কর্মসূত্রে দূররাজ্য বা বিদেশ গমন হতে পারে। আনন্দানুষ্ঠানে যোগদান ও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫২৬: পানিপথের যুদ্ধে মোগলরা আফগানদের পরাজিত করে
১৭৭০: আজকের দিনে ক্যাপ্টেন কুক অস্ট্রেলিয়া আবিষ্কার করেন
১৮৪৪: বাংলার নবজাগরণের অন্যতম ব্যক্তিত্ব দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যাযয়ের জন্ম
১৮৭৯: ডিরোজিওর অন্যতম শিষ্য, কলকাতার প্রথম শেরিফ রাজা দিগম্বর মিত্র প্রয়াত হন 
১৮৮৯: ফরাসী বিপ্লবের শতবর্ষ পূর্তিতে স্মারকস্তম্ভ হিসেবে ৯৮৫ ফুট উঁচু আইফেল টাওয়ার নির্মাণের কাজ শেষ হয়
১৮৮৯: জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাডলফ হিটলারের জন্ম
১৯০৫: অগ্নিযুগের বিপ্লবী, সুভাষচন্দ্রের ঘনিষ্ঠ অনুগামী জ্যোতিষচন্দ্র জোয়ারদারের জন্ম
১৯১২: আইরিশ লেখক ব্রাম স্টোকারের মৃত্যু
১৯১৮: বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ এবং বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম নেতা শওকত আলীর জন্ম
১৯২০: ভারতের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী যূথিকা রায়ের জন্ম 
১৯৪৬: সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়
১৯৪৮: বলিউড অভিনেত্রী ববিতার জন্ম
১৯৫০: রাজনীতিক তথা অন্ধ্রপ্রদেশের ১৩তম মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডুর জন্ম
১৯৫২: বাংলা ভাষার সুরকার ও সঙ্গীতজ্ঞ সুধীরলাল চক্রবর্তীর মৃত্যু
১৯৬০: বংশীবাদক ও সুরকার পান্নালাল ঘোষের মৃত্যু
১৯৭২: চাঁদের মাটিতে নামল অ্যাপোলো ১৬
১৯৭২: বলিউড অভিনেত্রী মমতা কুলকার্নির জন্ম
১৯৯৯: কলেরাডোর কলম্বাইন হাইস্কুলে ১৩ জনকে হত্যা করে আত্মহত্যা করল এরিক হ্যারিস এবং ডিলান কেবোল্ড
২০১৩: চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃত ১৫০ 
২০১৯ : বাঙালি লোকসঙ্গীত শিল্পী ও লেখক অমর পালের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮৩.১০ টাকা ৮৪.১৯ টাকা
পাউন্ড ১০২.৫৮ টাকা ১০৫.২২ টাকা
ইউরো ৮৭.৭৯ টাকা ৯০.২২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৪,১৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৪,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৭০,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮৩,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮৩,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ বৈশাখ, ১৪৩১, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪। দ্বাদশী ৪৩/৩৫ রাত্রি ১০/৪২। পূর্বফল্গুনী নক্ষত্র ২২/০ দিবা ২/৪। সূর্যোদয় ৫/১৬/৬, সূর্যাস্ত ৫/৫৫/৫। অমৃতযোগ দিবা ৯/৮ গতে ১২/৫১ মধ্যে। রাত্রি ৮/১১ গতে ১০/২৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৯ গতে ১/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/১৪ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৪/২০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/২০ মধ্যে পুনঃ ৩/৫১ গতে উদয়াবধি।
৭ বৈশাখ, ১৪৩১, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪। দ্বাদশী রাত্রি ১০/৫৮। পূর্বফল্গুনী নক্ষত্র দিবা ২/৪৩। সূর্যোদয় ৫/১৬, সূর্যাস্ত ৫/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৯/২২ গতে ১২/৫১ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১৬ গতে ১০/২৭ মধ্যে ও ১১/৫৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৩ গতে ৩/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫১ মধ্যে ও ১/১১ গতে ২/৪৬ মধ্যে ও ৪/২১ গতে ৫/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/২১ মধ্যে ও ৩/৫১ গতে ৫/১৬ মধ্যে। 
১০ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: চেন্নাইকে ৮ উইকেটে হারাল লখনউ

19-04-2024 - 11:30:00 PM

আইপিএল: ৮২ রানে আউট কেএল রাহুল, লখনউ ১৬১/২ (১৭.১ ওভার), টার্গেট ১৭৭

19-04-2024 - 11:15:12 PM

আইপিএল: ৫৪ রানে আউট কুইন্টন ডিকক, লখনউ ১৩৪/১ (১৫ ওভার), টার্গেট ১৭৭

19-04-2024 - 10:57:07 PM

আইপিএল: ৪১ বলে হাফসেঞ্চুরি ডিককের, লখনউ ১২৩/০ (১৪.১ ওভার), টার্গেট ১৭৭

19-04-2024 - 10:53:44 PM

আইপিএল: ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি কেএল রাহুলের, লখনউ ৯৮/০ (১০.৪ ওভার), টার্গেট ১৭৭

19-04-2024 - 10:34:00 PM

আইপিএল: লখনউ ৫৪/০ (৬ ওভার), টার্গেট ১৭৭

19-04-2024 - 10:13:07 PM