Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

মানুষের আকুল প্রার্থনা: ‘... আমি অন্ধকারের যাত্রী, আমায় আলোর পথ দেখাও...।’ 
কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন। সমাজে উচ্চ আসনে আসীন আমরা বিত্তে। চিত্তে কিন্তু ভয়শূন্য নই আমরা। তাই শির আমাদের উচ্চতায় খাটো। সুতরাং গৃহের প্রাচীরসম জ্ঞান আমাদের মুক্ত নয়। আসলে জড়ের শিক্ষা পেয়েছি আমরা। কিন্তু চেতনার শিক্ষা তো লাভ করতে পারলাম না আমরা। 
এত গাঢ় অন্ধকার! পথ চলবো কী করে? এত হাজার বছরের জমাট অন্ধকার! ঠাকুর বলছেন, হাজার বছরের জমাট অন্ধকার ঘরের অন্ধকার তৎক্ষণাৎ দূর করতে একটি দীপ শিখাই যথেষ্ট। তার জন্য আরও হাজার বছর অপেক্ষা করতে হয় না। ‘গুরু’ হলেন এই দীপশিখা। বলার অপেক্ষা রাখে না হাজার বছরের জমাট অন্ধকারাচ্ছন্ন ঘরটি হলাম ‘আমরা’। শাস্ত্রে বলা হয়েছে, ‘গু’ শব্দের অর্থ অন্ধকার। আর সেই অন্ধকার দূরীভূতকারী-কে ‘রু’ বলা হয়েছে। যিনি দীক্ষাদানের মাধ্যমে বিমল জ্ঞান দিয়ে আমাদের সংশয়ের গ্রন্থিগুলোকে খুলে দেন। ফলত, আমার অ-জ্ঞান-এর পাপ রাশি বিলীন হয়ে যায়। তিনি অর্থাৎ গুরু হবেন শান্ত-দান্ত-কুলীন ইত্যাকার সৎ গুণসম্পন্ন এবং অবশ্যই তিনি হবেন পরোপকারী। 
অনেক দিন ধরে তাঁর সংসর্গে থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে গুরুকরণ বা গুরুকে নির্বাচন করতে হয়। যেমনটি করেছিলেন সিমলে পাড়ার প্রবল যুক্তিবাদী নরেন্দ্রনাথ দত্ত। একেবারে যুক্তিবাদের কষ্টিপাথরে নানাভাবে যাচাই করে নির্বাচন করেছিলেন তাঁর গুরুকে। ঠাকুরও প্রসন্ন মনে প্রশ্রয় দিতেন তাঁর নরেনের এই যাচাই পর্বটিকে। জীবনের উপান্তে এসে ঠাকুর অবশেষে বলেই ফেললেন, ‘নরেন এখনও তোর সংশয় দূর হল না?’ পরক্ষণেই ঠাকুরের ভাবান্তর হল, তিনি নরেনকে বললেন, ‘ঠিকই করছিস, সংশয় যতক্ষণ থেকে যাবে মনের গভীরে তার নিরসন না হওয়া পর্যন্ত গুরুকে বাজিয়ে নিবি...।’ 
প্রসঙ্গত, গুরু-শিষ্যের সম্পর্ক হবে নিবিড়। এবং, তা নিত্যদিনের। এমটা নয় যে দীক্ষার পর গুরু-শিষ্যের মধ্যে দেখা সাক্ষাৎ হবে না। কোনও এক পুণ্যতিথিতে তাঁকে প্রণাম করতে গিয়ে, প্রণাম করা তো দূর অস্ত, দর্শনটুকুও জুটল না আমাদের কপালে। অর্থাৎ গুরু এবং দীক্ষা যেন কোনওভাবেই ‘স্টেটাস সিম্বল’ হয়ে না দাঁড়ায়। এমন গুরুকে কিন্তু শাস্ত্র অনুমোদন করে না। তাছাড়া দীক্ষারও তো একটি রীতি-নীতি-পদ্ধতি রয়েছে শাস্ত্রে। শাস্ত্রের এহেন পন্থা বা পদ্ধতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, মন গড়া পদ্ধতিতে দীক্ষা কিন্তু প্রকৃত দীক্ষা নয়। অর্থাৎ দীক্ষার পবিত্র অর্থের পঞ্চত্ব-প্রাপ্তি হল সেখানে। 
আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা অর্থাৎ রথযাত্রার পরের পুর্ণিমাটিই গুরুপুর্ণিমা রূপে চিহ্নিত হয়েছে শাস্ত্রে। ষোলো কলায় পূর্ণ একটি আস্ত চাঁদযুক্ত তিথি হল পূর্ণিমা। পূর্ণিমা হল সম্পূর্ণতার প্রতীক। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় ‘ফুল মুন’। সম্পূর্ণতা না থাকলে আরাধ্যকে পাওয়া যায় না। অর্থাৎ দ্বৈতভাব যেখানে বিলীন হয়ে যায় অদ্বৈত সত্তায়। মানে ‘School of dualism becomes school of non-dualism.’ তা কীভাবে হয়? জ্ঞান সম্পূর্ণ। অস্তিত্ব সম্পূর্ণ ভূমানন্দ সম্পূর্ণ হলে আমি তাঁর দাস থেকে তিনিই আমি তিনিই আমি তিনিই আমি হব। অবশেষে আমিই শিব। এমনটাই শাস্ত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দ এই বাণীটি উদাত্ত কণ্ঠে ঘোষণা করলেন বিশ্ববাসীর কাছে বিশ্বের দরবারে, ‘The knowledge absolute, The existence absolute, The bliss absolute... I’m he... I’m he... I’m he... Dasoham... Soham... Shivoham...’। তাই সম্পূর্ণতা। অর্থাৎ সম্পূর্ণতার মূর্ত প্রতীক হল এই পূর্ণিমা তিথি। তাই অন্য তিথি নয়। মনে প্রশ্ন জাগে, বাকি এগারো মাসের যে-কোনও পূর্ণিমাতেও গুরুপূর্ণিমা হতে পারত। তা হল না কেন? 
আসলে আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিটি শ্রীকৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাসদেবের আবির্ভাব তিথি। অর্থাৎ এটি হল ব্যাসপূর্ণিমা। আর মহর্ষি বেদব্যাস হলেন আমাদের সকলের গুরু, যিনি আজও শরীরে আছেন। অর্থাৎ সাতজন চিরজীবীর অন্যতম তিনি। তিনি প্রতিনিয়ত আমাদের আলোর পথ দেখিয়ে চলেছেন আর বিশ্ববাসীর সদর্থক মানসিকতা গড়ে তুলছেন প্রতিটা মুহূর্তে। যা আজকের দুনিয়ায় বড় বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। তিনি বলছেন, ‘পরোপকার পুণ্যায়ঃ, পাপায় পরপীড়ণম্’ অর্থাৎ পুণ্য হল পরের উপকার করা আর পাপ হল পরকে অর্থাৎ অন্যকে পীড়ন করা—যা আগামী দুনিয়াতেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক হবে।  
আমাদের প্রত্যেকের জীবনেই কিন্তু একটি গৃহজীবন এবং একটি বিশ্বজীবন আছে। লক্ষ করতে হবে, কথাটি হল গৃহজীবন, গৃহীজীবন নয় এবং বিশ্বজীবন। গৃহস্থ ব্যক্তি মাত্রই সারাজীবন গৃহে অবস্থান করেন। গৃহ সংক্রান্ত কথা বলেন। সন্ন্যাস নিয়ে পাহাড়-পর্বতের গুহায় চলে যান না অথবা অরণ্যের গভীরে কুটির নির্মাণ করে জগৎবিচ্ছিন্ন, মানবিচ্ছিন্ন, সমাজবিচ্ছিন্ন ঈশ্বরমগ্ন সাধনার আসন বিছিয়ে বসেন না। তাঁরা গৃহজীবনে থাকেন অথচ একটি বিশ্বজীবনও যাপন করেন। উভয় জীবনের তফাতটা কোথায়? আমাদের জীবনে গৃহজীবন শতকরা প্রায় একশো ভাগ। আমাদের ভেতরে বিশ্বজীবনটিকে খুঁজতে হয়। বিশ্বজীবন যে আমাদের জীবনে নেই, তা বলা যাবে না। পৃথিবীজুড়ে ‘করোনা’ আবহে লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যাচ্ছেন। অথবা উম-পুন নামক সুপার সাইক্লোনে হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন তাঁদের বেঁচে থাকার সম্বলটুকুও খুইয়ে বসেছেন এই পরিস্থিতিতে কিংবা যুদ্ধজনিত কারণে রক্তপাত ঘটে বেশকিছু সেনাবাহিনী প্রাণ হারান, তাহলে আমাদের মনে কষ্ট হয়। যাঁদের জন্য ব্যথা বা কষ্ট হয়, তাঁরা আমার বাড়ির কেউ নন, আমার পরিবারের কোনও সদস্যও নন। তা সত্ত্বেও আমরা যখন অপরের দুঃখে আমাদের হৃদয়ে যন্ত্রণা অনুভব করি, পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ উপলব্ধি করি, যতদূর সম্ভব আমাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই। অথবা কোনও কারণে অপরের আনন্দে আনন্দ অনুভব করি। ওইটিই আমাদের হৃদয়ে বিশ্বজীবনের স্ফুলিঙ্গ। তবে এটি আমাদের জীবনে খুব কম মাত্রা পায়। কারণ, আমাদের চিন্তা ও ভাবনার বেশিরভাগ অংশই আচ্ছন্ন হয়ে থাকে আমাদের সংসার নিয়েই। আমাদের ক্ষুদ্র এবং সঙ্কীর্ণ গৃহজীবনটিকে নিয়েই। এমনই এক প্রেক্ষাপটে ক্ষুদ্র ও সঙ্কীর্ণতারূপ মনের অন্ধকার গুরু দূর করেন তাঁর জ্ঞানকাজলের কাঠি দিয়ে। আমাদের জ্ঞানচক্ষু খুলে দেন তিনি। ফলত, আমরা ক্ষুদ্র সঙ্কীর্ণতা থেকে ক্রমশ বৃহৎ ও উদার মানসিকতা সম্পন্ন ব্যক্তিত্বের অধিকারী হওয়ার আলোকিত পথ খুঁজে পাই। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে আমাদের মন এবং মুখ এক করার ওপর। ঠাকুর বার বার বলছেন মন এবং মুখ এক করতে। আমাদের শাস্ত্রেও ঠিক এমনটিই বলা হয়েছে অতীতে। যিনি তাঁর ব্যবহারিক জীবনে এটির বাস্তবায়ন ঘটাবেন শাস্ত্রের ভাষায় তিনিই হবেন মহাত্মা। 
‘মনস্যেকং বচস্যেকং কার্য্যমেকং মহাত্মনা’ অর্থাৎ মনে এক, বাক্যে এক, কার্যে এক, এমন ব্যক্তিকেই মহাত্মা বলা হয়েছে, দুরাত্মার সংজ্ঞা নির্ধারিত হয়েছে এরই বিপরীতে, ‘মনস্যন্যৎ বচস্যন্যৎ কার্য্যমন্যৎ দুরাত্মনা’ অর্থাৎ মনে অন্য, বাক্যে অন্য এবং কাজে অন্যরূপ আচরণকারীকে দুরাত্মা বলা হয়েছে।
এইভাবেই গুরুবাক্য যথাযথ পালন এবং একইভাবে অন্যকে পালন করতে উদ্বুদ্ধ করতে পারলে গুরু এবং গুরুপূর্ণিমার ইতিবাচক বার্তার প্রকৃত বাহক হতে পারব আমরা।  
 লেখক সর্বভারতীয় প্রাচ্যবিদ্যা আকাদেমির অধ্যক্ষ 
05th  July, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
 গ্রাম বাংলায় বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের কাজে সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত ২৫ হাজার গ্রামীণ সম্পদ কর্মী বা ভিলেজ রিসোর্স পার্সন (ভিআরপি) ফের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 সোয়াব বা লালারসের নমুনা দেওয়ার সময় মালদহে অনেকেই ভুল ঠিকানা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। ইচ্ছাকৃতভাবে মোবাইল নম্বরও ভুল দেওয়া হচ্ছে। ...

  দশ দলেরই ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (আইএসএল) হতে চলেছে। মঙ্গলবার নিজেদের ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটের কভার ফটো বদল করেছে আইএসএল কর্তৃপক্ষ। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM